Tag: Hooghly

Hooghly

  • Ram Navami: হাওড়ার পর এবার হুগলি, রিষড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, আগুন

    Ram Navami: হাওড়ার পর এবার হুগলি, রিষড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার (Howrah) কাজিপাড়ার পর এবার হুগলির (Hooghly) রিষড়া। রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় ফের হামলার ঘটনা। রবিবারের ঘটনার জেরে হল অগ্নিসংযোগও। ঘটনাস্থলে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার ছিল রামনবমী। সেই উপলক্ষে রবিবার শোভাযাত্রা বের করে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন। ওই শোভাযাত্রায় হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। হামলার জেরে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা। তার পরেই ঘটে অগ্নি সংযোগের ঘটনা। এদিনের শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষও। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় অশান্তি…

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায়। শুক্রবার হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ওই শোভাযাত্রা কাজিপাড়ার কাছে পৌঁছলে চালানো হয় হামলা। শোভাযাত্রায় ছোড়া হয় পাথর, বোমা, পেট্রল বোমা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় রাস্তার ধারের কয়েকটি দোকানে। মোতায়েন করা হয় পুলিশ। তার পরে তখনকার মতো শান্ত হয় পরিস্থিতি। পরের দিন ফের অশান্তি হয় এলাকায়।কাজিপাড়ার পাশাপাশি রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি হয়েছে হাওড়ারই শিবপুরে। রবিবার শিবপুরে যাওয়ার পথে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের পথ আটকায় পুলিশ। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় সুকান্তর। পরে অবশ্য যান সুকান্ত।

    আরও পড়ুুন: ‘বিহারে ক্ষমতায় এলে দাঙ্গাকারীদের উল্টো করে ঝোলাব’, বললেন শাহ

    কেবল বাংলা নয়, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি হয়েছে পড়শি রাজ্য বিহারেও। নালন্দার সাসারাম ও বিহার শরিফে শোভাযাত্রায় হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার জেরে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। বোমার ঘায়ে জখম হয়েছেন ছ জন। এদিন সাসারামে যাওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। তবে দু দিনের বিহার সফরে গেলেও, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সাসারামে যাননি তিনি। তার বদলে এদিন তিনি সভা করেন নওয়াদায়। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে দাঙ্গাকারীদের উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। নীতীশ ও লালুপ্রসাদের তুষ্টিকরণের জেরে যে রাজ্যে সন্ত্রাসের বাড়বাড়ন্ত, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    ED Raid: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর বিপুল সম্পত্তির হদিশ! শনিবার হুগলির বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ( Bengal Recruitment Scam )  বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Shantanu Banerjee ) বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেতে শনিবার সকাল থেকেই আলাদা আলাদা দল করে হুগলির একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডির আধিকারিকরা (ED Raid)। তার মধ্যে রয়েছে, ব্যান্ডেলের বালির মোড় এবং ব্যান্ডেল চার্চের কাছের দু’টি বাড়িও। তালিকায় রয়েছে বলাগড়ের চাদরার একটি রিসর্ট। ইডি (ED Raid) সূত্রে খবর, এই দুই সম্পত্তির সঙ্গেই যোগ রয়েছে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রীর। 

    রিসর্টে তল্লাশি

    ইডি সূত্রে খবর, শান্তনু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই চাদরার এই রিসর্টে তালা। সেই তালা ভাঙতে না পেরে এদিন বড় বড় হাতুড়ি আনান গোয়েন্দারা। হাতুড়ি দিয়ে তালা ভেঙে রিসর্টে ঢোকেন তদন্তকারীরা। সেখানে ঘরে ঘরে তল্লাশি (ED Raid) জারি রয়েছে। বলাগড়ে ১০ বিঘা জমির উপর রিসর্ট তৈরি করে শান্তনু। মোটা টাকা বিনিয়োগ করেই যে এই ঝাঁ চকচকে রিসর্টটি তৈরি হয়েছে সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই গোয়েন্দাদের। শনিবার সকাল দশটা নাগাদ এই রিসর্টে আসেন ইডির আধিকারিকরা। গেটের তালা ভেঙে রিসর্টে ঢোকেন তাঁরা। এরপর ভিতরের ঘরগুলির একের পর এক তালা ভাঙেন তাঁরা। সম্পত্তির পরিমাণ জানাতে এবং এই সংক্রান্ত অন্য নথির খোঁজে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি (ED Raid)।

    আরও পড়ুন: আইনজীবী সঞ্জয় বসুকে রক্ষাকবচ! হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    ব্যান্ডেলের বাড়িতে তল্লাশি

    ব্যান্ডেলের বালির মোড়ে শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার নামে কয়েক বছর আগে তিরিশ লক্ষ টাকায় একটি দোতলা বাড়ি কেনা হয়। শনিবার সকালে ইডি আধিকারিকরা (ED Raid) সেই বাড়িতেও হানা দেন। বালির মোড়ের দোতলা বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টার পর পিছনের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। শান্তনুর বেআইনি কাজকর্মের নথির খোঁজ পেতে এই বাড়িতেও জোরদার তল্লাশি (ED Raid) চলছে। এর মধ্যেই ইডির নজরে আসে চুঁচুড়া জগুদাসপাড়ায় শান্তনুর একটি ফ্ল্যাট। সেই বাড়িতেও হানা দেয় ইডির একটি দল। কিন্তু সেই ফ্ল্যাটের চাবি না পাওয়ায় সরাসরি ফ্ল্যাটের প্রোমোটার অয়নের বাড়িতে হানা দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে স্কুলের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক বার হানা চালিয়েছে ইডি। গ্রেফতারও করা হয়েছে একাধিক অভিযুক্তকে। তবে সম্প্রতি ইডির নজরে হুগলি তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা শান্তনু এবং কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই তাঁদের সঙ্গে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগও উঠে এসেছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School:  স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

    School: স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বাংলা মাধ্যমে পড়ার অনীহা, নাকি অভিভাবকদের ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তি করার প্রবণতা? যে কোন কারণেই হোক বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলিতে কিভাবে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে তা কোন্নগর জোড়াপুকুরে নগেন্দ্রনাথ কুন্ডু বিদ্যালয়ে (School) গেলেই বোঝা যায়। প্রায় ৫০ বছরের পুরানো স্কুল। এক সময় স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গম গম করত। এলাকার অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা এই স্কুলেই (School)  পড়শুনা করেছেন। কিন্তু, এখন স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও নতুন করে কেউ আর ভর্তি হতে চায় না। এই স্কুলের (School) পরিকাঠামোতে কোন গলদ নেই। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মিড ডে মিল সবই চালু। স্কুলে এখন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ১০ জন। ২ জন শিক্ষা কর্মী রয়েছেন। আর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৭ জন। পড়়ুয়ার অভাবে রাজ্যে ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামীদিনে এই স্কুল সেই পথেই হাঁটছে।

    কেন কমছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা? School

    এই স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানা হয়। সাধারণত যে স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রয়েছে, সেখানেই অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ভর্তির বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে স্কুলের (School) এক শিক্ষিকা দীপান্বিতা চক্রবর্তী বলেন, ২০২১ সালে অন্য স্কুল (School) থেকে বদলি হয়ে এই স্কুলে এসেছি। তখন থেকে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কম। আমার মনে হয়েছে, বর্তমান অভিভাবকদের ইংরেজি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে। সেই কারণে শুধু এই স্কুলে (School)  নয় সারা রাজ্যের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ধুঁকছে। অভিভাবকরা সাধারণত চেষ্টা করেন পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে একেবারে উচ্চমাধ্যমিক অবধি একই স্কুলে (School) রেখে দিতে। কিন্তু এই স্কুলে (School)  সেই ব্যবস্থা নেই। স্কুলের মাঠের অবস্থাও ভাল না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। পঠনপাঠনকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আশা রাখব, ভবিষ্যতে এই অবস্থা থাকবে না।

    স্কুলটি কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে। স্থানীয় কাউন্সিলর বাবলু পাল বলেন, এই স্কুল বহু পুরোনো। বর্তমানে এর গরিমা হারালেও একসময় এই স্কুল রমরম করে চলতো। আসলে বিগত সরকারের ভ্রান্ত শিক্ষানীতি, প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি উঠিয়ে দেওয়া এবং বর্তমানে শিক্ষায় ইংরেজির গুরুত্ব ,সব কিছু ধরে দেখা যাবে এখনকার অভিভাকরা চাইছেন ছেলেমেয়েরা ইংরেজি ভালো করে শিখুক। তাই তারা বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে (School) ভর্তি করাতে চান। সেই জন্যই এই ধরণের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ডুবছে। দুঃখের বিষয় যাঁরা শিক্ষক হওয়ার জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন তাঁরাই আবার তাঁদের উত্তরসূরি দের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে দিচ্ছেন। কি আর হবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: সিঙ্গুরের মতো আবারও কি জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    Farmers Protest: সিঙ্গুরের মতো আবারও কি জমি আন্দোলন দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তিন বা চার ফসলা জমির উপর ঝাঁ চকচকে রাস্তা তৈরি করা হবে। তাই, সরকার জমি অধিগ্রহণ করার জন্য নোটিশ জারি করেছে। ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হবে। উন্নয়নের জন্য জমি দিতে রাজি গোঘাট-২ ব্লকের চাষিরা। তাঁরা শুধু চান, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ। কিন্তু, সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকায় চার ফসলা জমি ছাড়তে নিমরাজি গোঘাট -২ ব্লকের হাজার হাজার চাষি। সিঙ্গুরের চাষিদের মতো নিজেদের দাবি আদায়ে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এই ব্লকের চাষিরা (Farmers protest)।

    বিঘা প্রতি জমির কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে? Farmers protest

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রক এই রাস্তা তৈরির জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের জমির মূল্য দেওয়ার জন্য রাজ্যকে টাকাও দিয়ে দিয়েছে। বর্তমান রেজিস্ট্রি অফিসে যে মূল্যে ওই এলাকার জমি রেজিস্ট্রি হচ্ছে, তার দ্বিগুণ এর একটু বেশি দাম পাবেন চাষিরা। যেদিন থেকে নোটিফিকেশন জারি হয়েছে সেদিন থেকে টাকা নেওয়ার দিন পর্যন্ত আরও ১০ শতাংশ সুদ পাবেন চাষিরা। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে, এই এলাকার জমির বর্তমান সরকারি মূল্য যদি ৫ লক্ষ টাকা বিঘা হয়, তাহলে চাষিরা এক বিঘা জমি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা পাবেন। চাষিদের (Farmers protest) বক্তব্য,সিঙ্গুরের জমির যদি ক্ষমতা একগুণ হয়ে থাকে, তাহলে এই এলাকার জমির ক্ষমতা তার থেকে অনেক গুণ বেশি। সিঙ্গুরের জমি যদি দু- তিন ফসলি হয়ে থাকে,গোঘাট-২ ব্লকের চাষিদের জমি চার ফসলি। বছরে চারটি ফসল এখানে খুবই ভালভাবে হয়। ওই এক বিঘা জমি থাকলে একটি পরিবারের ৩-৪ জন হেসে খেলে সারা জীবন  ভাত ,কাপড় পরে বাঁচতে পারবেন। তাই, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    পশ্চিমবঙ্গে তিনটি আর্থিক করিডর তৈরি হচ্ছে। খড়গপুর-মোড়গ্রাম, হলদিয়া-রক্সৌল-কলকাতা ও বারাণসী করিডরের জন্য রাজ্য সরকারকে ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকী সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ইতিমধ্যেই ল্যান্ডম্যাপ সুনিশ্চিত করছে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। সেই মতো এবার হতে চলেছে জমি অধিগ্রহণ। খড়গপুর-মোড়গ্রাম করিডরের জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে। পোঁতা হয়েছে পিলারও। তবে, পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে হুগলি ঢুকতেই বিপত্তি। নিজেদের জমি ছাড়তে নারাজ হুগলির গোঘাট ২ ব্লকের পশ্চিমপাড়া, গুরুলিয়া- ভাতশালা, লস্করপুকুর, মুল্লুক, মেহেরবানপুর, সাতবেড়িয়ার চাষিরা (Farmers protest)। চাষিদের বক্তব্য,“যে জমির উপর দিয়ে এই হাইওয়ে যাচ্ছে সেই জমি আমাদের কাছে অন্নদাতা মায়ের মত। এই জমি সোনা জমি। উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আমরা জমি দিতে রাজি আছি। কিন্তু, যেভাবে জমির মূল্য দেওয়া হবে শুনছি, এত কম দামে আমরা জমি দেব না। তারজন্য যদি আমাদেরকে আন্দোলন করতে হয় আমরা করব। যদি আদালতের দ্বারস্থ হতে হয় আমরা হব। আমাদের জীবন জীবিকার একমাত্র সম্বল ওই জমি,আধা মূল্যে তা দেব না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Prabir Chatterjee: ১০০ কোটি টাকা তছরুপ! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার খানাকুলের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা

    Prabir Chatterjee: ১০০ কোটি টাকা তছরুপ! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার খানাকুলের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিটফান্ড মামলায় (Cheat fund Scam) গ্রেফতার হলেন খানাকুলের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা প্রবীর চট্টোপাধ্যায় (Khanakul TMC Leader)। খানাকুল এক নম্বর ব্লক তৃনমুল কংগ্রেসের সহসভাপতি প্রবীর চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল সিবিআই। তাঁকে গ্রেফতার করার পর আরামবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়।

    কী অভিযোগ

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ  ভোরে বাড়ি থেকে প্রবীরকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপর বিশেষ নিরাপত্তার বেড়াজালে ধৃত তৃণমূল নেতাকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।  ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে। একটি চিটফান্ডের নামে টাকা তুলেছিল প্রবীর, এমন অভিযোগ ছিল। এই মামলার তদন্তে আগেই সিবিআই প্রবীরের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সরকারি আইনজীবী অমিতাভ গুহ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘পুরনো মামলায় ওনাকে গ্রেফতার করেছেন। অনেকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত করছে। ধৃত তৃণমূল নেতা ছাড়াও আরও অনেকে এই মামলায় যুক্ত। জলপাইগুড়িতে এই সংক্রান্ত কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। সিবিআই আগে চার্জশিট দিয়েছে। পরবর্তীকালে আরও চার্জশিট দেওয়া হবে। সিবিআই জেল হেফাজতের আবেদন করেছিল।’

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল ভারত কৃষি সমৃদ্ধি লিমিটেড নামে এক চিটফান্ড কোম্পানির (Chitfund Company) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে নামে ইডি-ও। এই ঘটনার জেরে জানুয়ারির ৪ তারিখ প্রবীর চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। তাসত্ত্বেও ১৩ই জানুয়ারি খানাকুলের ময়ালে তৃণমূলের একটি মিছিল ও সভায় সক্রিয়ভাবেই দেখতে পাওয়া যায় অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে। ১০ বছর পুরোনো এই দুর্নীতি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল বিরোধী দল বিজেপি। প্রবীর সহ এই মামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিও তুলেছিল। এর আগে বাংলায় রোজভ্যালি থেকে সারদা বিভিন্ন চিটফান্ড মামলায় নাম জড়িয়েছিল শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mohan Bhagwat: বাঙালি খাবারেই মজেছে মন! বঙ্গ সফরের প্রথম দিন হাওড়া-হুগলিতে বৈঠক ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: বাঙালি খাবারেই মজেছে মন! বঙ্গ সফরের প্রথম দিন হাওড়া-হুগলিতে বৈঠক ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এসে বাঙালি খাবারেই মন মজেছে মোহন ভাগবতের। শীতের দিনে বাংলার নলেন গুড়ের জলভরা সন্দেশ খুবই ভাল লেগেছে সংঘপ্রধানের। বুধবারই বাংলায় এসেছেন তিনি। এদিন দুপুরে চুঁচুড়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। কাপাসডাঙায় রাজ্য বিজেপির অন্যতম সম্পাদক তথা আরএসএস কর্মী  দীপাঞ্জন গুহর মাকে দেখতে যান মোহন ভাগবত। দীপাঞ্জন একুশের বিধানসভা ভোটে চন্দননগর বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। দীপাঞ্জনের বাড়িতেই মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। 

    জলভরা সন্দেশ ভাল লাগে

    সংঘপ্রধানের খাবার আগে তা পরীক্ষা করেন ফুড সেফটি অফিসাররা। এটাই রীতি। এই সূত্র থেকেই জানা যায়, মোহন ভাগবতের মেনুতে ছিল ভাত, ঘি, ডাল, পনির, ফুলকপি, গুড়, স্যালাড। শেষে পাতা ছিল চন্দননগরের জলভরা সন্দেশ। তাঁর জন্য কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। প্রায় দেড় ঘণ্টার কাছাকাছি সময় দীপাঞ্জনের বাড়িতে ছিলেন আরএসএস প্রধান। এরপর এদিন চুঁচুড়া চকবাজারে বন্দেমাতরম ভবনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের পদাধিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এদিন হুগলির বৈঠকে আরএসএসের বঙ্গীয় শাখার বেশ কিছু জেলার প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন।  সংঘের হাওড়া গ্রামীণ, তারকেশ্বর ও হুগলির সাংগঠনিক ক্ষেত্রের পদাধিকারীদের সঙ্গে সংগঠনের বিষয়ে আলোচনা হয় ভাগবতের। বৈঠকের পর কলকাতায় কেশব ভবনে ফেরেন ভাগবত।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে ‘ম্যানেজ’ করতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সংগঠনের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত থেকে জানানো হয়েছে এখন কলকাতায় থাকবেন সরসংঘচালক। দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা নিয়ে গঠিত আরএসএসের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত। সংঘের নিয়ম অনুযায়ী সরসংঘচালক বছরে দু’বার প্রান্ত প্রবাস করেন। সে কারণেই এখন কলকাতায় থাকবেন তিনি। ছ’দিনের রাজ্য সফরের মধ্যে একদিকে যেমন দফায়-দফায় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন, তেমনই শহিদ মিনারে জনসভাও করবেন মোহন ভাগবত। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়েই তাঁর জন্মদিনে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেই জনসভায় রাজ্য BJP নেতারাও উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। শহিদ মিনারে জনসভা করার আগে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও মোহন ভাগবতের দেখা করার কথা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shootout at Chinsurah: গ্যাং-ওয়ার! ফিল্মি কায়দায় চুঁচু়ড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে বন্দিকে গুলি করে চম্পট দুষ্কৃতীদের

    Shootout at Chinsurah: গ্যাং-ওয়ার! ফিল্মি কায়দায় চুঁচু়ড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে বন্দিকে গুলি করে চম্পট দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখে মাস্ক চড়িয়ে রোগী সেজে ঘাপটি মেরে বসেছিল হামলাকারীরা। প্রিজন ভ্যান থেকে বন্দি বেরোতেই চারদিক থেকে ধেয়ে এল ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি। একেবারে ফিল্মি কায়দায়! মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে এসে গুলিবিদ্ধ খুনে অভিযুক্ত এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী। শনিবার সকালে এমনই দুষ্কৃতী হামলা ঘটনার সাক্ষী থাকল চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতাল। 

    ঘটনায় প্রকাশ, আদালতে তোলার আগে বেলা ১২টা নাগাদ কুখ্যাত দুষ্কৃতী টোটন বিশ্বাস-সহ কয়েকজন বন্দিকে মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর সময় গুলি চলে। মুখে মাস্ক পরে আগে থেকেই তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেটের বাইরে ঘাপটি মেরে বসেছিল। টোটোনকে নামানোর সময়েই আচমকা চলে পরপর গুলি। 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    গুলিবিদ্ধ হয় টোটন বিশ্বাস নামে ওই দুষ্কৃতী। টোটন বিশ্বাসের পেটে গুলি লাগে। ভয় পেয়ে টোটোন ফের প্রিজন ভ্যানে ছুটে উঠে যায়। পরে, হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়। রবীন্দ্রনগরের বাসিন্দা টোটন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, খুন এবং অপহরণের মতো গুরুতর মামলাও। সম্প্রতি একটি মাদক মামলায় সে বন্দি ছিল হুগলির জেলে। এরই মধ্যে একটি পুরোনো কেসে তাকে রিমান্ডে নেয় চুঁচুড়া থানা। সেই কেসেই আজ আদালতে তোলার কথা ছিল তাকে। 

    এদিকে, ব্যস্ত সময়ে হাসপাতালে পুলিশের সামনেই গুলি চলায় অন্য বন্দি ও রোগীর আত্মীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় জরুরি বিভাগের গেট। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গোটা হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। কিন্তু, ভিড়ের মধ্যে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই গিয়ে পৌঁছেছেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সুপার অমিত পি জাভালগী। হামলাকারীদের সন্ধান পেতে হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: খরচের ক্ষমতা মাত্র দেড় কোটি, মমতার মন্ত্রীদের প্রাপ্য শুধু পাইলট আর নীলবাতি

  • TMC Inner Clash: দলীয় কোন্দলের জের, আরামবাগে যুবর মারে জখম তৃণমূল নেতা  

    TMC Inner Clash: দলীয় কোন্দলের জের, আরামবাগে যুবর মারে জখম তৃণমূল নেতা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব তৃণমূল নেতার মারে জখম তৃণমূল নেতা (TMC)। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) বুলন্ডি এলাকায়। শেখ উজির আলি নামে ওই তৃণমূল কর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েও। ওই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    ২০২৩ সালে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections)। তার আগে থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আরামবাগের বুলন্ডি এলাকা। রাজ্যের অন্যান্য এলাকার মতো বুলন্ডিতেও মূল লড়াই তৃণমূলের সঙ্গে যুব তৃণমূলের। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূলের নেতৃত্ব দেন প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা। আর যুব তৃণমূলের নেতৃত্ব দেন পলাশ রায়। এলাকা দখল নিয়ে এই দুই নেতার বিবাদের জেরে মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বুলন্ডি। এই যেমন হয়েছিল রবিবার। এদিন বিকেলে পলাশের গোষ্ঠীর এক অনুগামীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। কাঠগড়ায় কৃষ্ণচন্দ্রের ভাই তথা মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অলক সাঁতরার কয়েকজন অনুগামী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অলক। তিনি বলেন, আমাদের দলের কয়েকজন কর্মীকে বিজেপির লোকজন মারধর করেছিল বলে খবর পেয়ে এলাকায় যাই। ওরা আমাকেও মারধর করে। অলক বলেন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ওরা বিজেপির এজেন্ট ছিল। তৃণমূল কর্মীদের মারধর করেছিল। ভোটারদের ভয় দেখিয়ে এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করেছিল। তাঁর দাবি, এখন তৃণমূলে ঢুকে দলেরই কর্মীদের মারধর করছে ওরা। ঘটনার খবর পেয়ে বুলন্ডি এলাকায় যায় আরামবাগ থানার বিশাল বাহিনী। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় অলককে। ঘটনায় দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে আরামবাগ থানায়। 

    আরও পড়ুন : নকল দলিল বানিয়ে জমি চুরি তৃণমূল কংগ্রেস নেতার

    রবিবারের ওই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে ফের অশান্ত হয়ে ওঠে বুলন্ডির মহেশপুর এলাকা। এদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন বিধায়কের অনুগামী শেখ উজির আলি। অভিযোগ, তাঁকে একা পেয়ে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে পলাশের অনুগামীরা। উজিরকে বাঁচাতে গিয়ে প্রহৃত হন তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েও। খবর পেয়ে ফের এলাকায় যায় পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। উজিরকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।  

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পঞ্চায়েত ভোট যতই ঘনিয়ে আসবে, ততই বাড়বে সংঘর্ষের ঘটনা। উপদলীয় কোন্দল নির্মূলে একাধিকবার দলীয় নেতৃত্বকে বার্তা দিয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। দলনেত্রীর সে নির্দেশ যে অনেক নেতার কানেই ঢোকেনি, বুলন্ডির এই দুই ঘটনাই তার প্রমাণ।

    আরও পড়ুন : দুর্নীতি, ভাইপো, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় TMC-র অন্তর্দন্দ্বে সরগরম রামপুরহাট

     

  • Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহভাগ টাকা খরচ করেছে রেল (railways)। অথচ হুগলির (Hooghly) কামারকুণ্ডুর ফ্লাইওভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তি। রেলের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই এদিন সিঙ্গুর (singur) থেকে ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। একাধিক ট্যুইট করে মমতাকে (Mamata) আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী।

    কামারকুণ্ডুর এই ফ্লাইওভারটির দাবি দীর্ঘদিনের। ফ্লাইওভার চালু হয়ে গেলে কমবেশি উপকৃত হবেন গোটা হুগলি জেলার মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পবিত্র তীর্থ তারকেশ্বর যাওয়াও হবে সুগম। শুক্রবার দূরনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে এই প্রকল্পেরই উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    এদিন ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু (suvendu) বলেন, এই বিজ্ঞাপনে যে ফ্লাইওভারটি দেখতে পাচ্ছেন, তা মোটা টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। খরচের পরিমাণ ৪৪.৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রেল দিয়েছে ১৩.৩৫ কোটি টাকা। সম পরিমাণ টাকা দিয়েছে ভারত (India) সরকারের সংস্থা ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডও। আর রাজ্য দিয়েছে ১৮.১৬ কোটি টাকা। সিংহভাগ টাকা খরচ করেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তিকে।

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দু বলেন, “আজ সিঙ্গুর থেকে একতরফা ও অনৈতিকভাবে সেতুর উদ্বোধন করছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একা লাইমলাইট হগ করার লোভে তিনি সুবিধাজনকভাবে ফেডেরাল কাঠামো উপেক্ষা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মাননীয় রেলমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্যটুকুও দেখাননি মমতা। আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য কোনও প্রতিনিধিকেও।”

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    স্থানীয় জনগণের দাবির প্রতি রেল যে উদাসীন নয়, তাও জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পূর্ব রেল ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনসাধারণের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাঁদের সুবিধার জন্য একই জায়গায় একটি সাবওয়ে নির্মাণ করছে। এই সাবওয়েটি মানুষের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং কামারকুন্ডু স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশাধিকারও দেবে।”

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় বলেন, “যিনি সর্বদা আপনার চেয়ে পবিত্র দেখানোর চেষ্টা করেন এবং দেশের ‘ফেডেরাল স্ট্রাকচার’ সমুন্নত রাখার বিষয়ে প্রচার করেন, তিনি সেই একই ব্যক্তি যিনি ফেডারেল কো-অপারেটিভনেসকে শ্বাসরোধ করতে পিছপা হন না, যখন এটি তাঁর উপকারে আসে।আপনাকে ধিক! আপনি সিএম-চিফ ম্যানিপুলেটর।”

    [tw]


    [/tw]

    রেলকে বাদ দিয়ে রেলের প্রকল্পের উদ্বোধনের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়। অধীর চৌধুরী যখন রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তখনও একবার আগেভাগে মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে ফের রেলের সেই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অধীর।

     

LinkedIn
Share