Tag: Hooghly

Hooghly

  • Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচ-বিরাটির পর এবার হুগলির (Hooghly) নবগ্রাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন্নগরের (Konnagar ) নবগ্রামে পাঁচিল ধসে (wall collapse ) মৃত্যু হয়েছে ২ জন শ্রমিকের। কোনরকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ চলছিল, ঠিক এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। বৃহস্পতিবার ঈদের দিনেই এমন দুর্ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সকলে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু (Konnagar Incident) বলে মনে করা হচ্ছে।

    নির্মাণে বেআইনি অনুমোদন ছিল (Konnagar Incident)

    আজ সকালে ঘটনাটি ঘটে হুগলির উত্তরপাড়া (uttarpara) থানার অন্তর্গত নবগ্রাম পঞ্চায়েতের নবচক্র এলাকায়। স্থানীয়রা বলেছেন, নির্মাণ কাজ চলার সময় পাঁচিল ধসে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ঘটনায় দু’জন শ্রমিকের মৃত্যুর (Konnagar Incident) পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও একজন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে ওই শ্রমিকের অবস্থায় আশঙ্কাজনক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শ্যামল দাস (৪৮) নামে এক শ্রমিকের। এরপর আহত আরও দুজনকে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত্যু হয় সোনা শীল (৩১) নামে আরও এক শ্রমিকের। অপর আহত ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁর অবস্থা ভীষণ আশঙ্কাজনক।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    গত পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল এই স্থানে। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, “কোনও রকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ (Illegal Construction) চলছিল। রাস্তার পাশে পুরোনো পাঁচিল গার্ড না করেই কাজ হচ্ছিল। বাঁশ দিয়ে পাঁচিলে সাপোর্ট দেওয়া ছিল। এখন প্রশ্ন কীভাবে পঞ্চায়েত এলাকায় জি-প্লাস ফোর আবাসনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে? বেআইনিভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এই কাজে। খোদ প্রধানের ওয়ার্ডে এমন কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে ভারী গাড়িতে করে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসায় রাস্তায় ধস নেমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকবার নিষেধ করা হলেও শোনেনি কেউ। তাই এই বিপত্তি (Konnagar Incident) ঘটেছে। প্রশাসন সবটার জন্য দায়ী।”

    নির্মাতার বক্তব্য

    গোটা ঘটনায় নির্মাতা গণেশ দাস বলেন, ‘‘কপালে ছিল, তাই হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ২০ জন শ্রমিক কাজ শুরু করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ সঠিক নয়। বাঁশ দিয়ে পাঁচিল ঘেরা ছিল। কপালে ছিল তাই দুর্ঘটনা হয়ে গিয়েছে। পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল। কিন্তু কোনও অভিযোগ ছিল না।’’

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর “আলাঘরে” আগুন দিল তৃণমূল! শোরগোল

    বিজেপির বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, “নিয়ম না মেনেই ওই নির্মাণ চলছিল। তৃণমূল প্রধান এই কাজের সঙ্গে জড়িত।” তবে বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। নবগ্রাম (nabagram) অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব মজুমদার বলেন, ‘‘আবাসন তৈরি হচ্ছিল জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়ে। অসাবধান হওয়ায় একটি পাঁচিল ভেঙে দুর্ঘটনাটি (Konnagar Incident) ঘটেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পে।।

  • Locket Chatterjee: লকেটের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Locket Chatterjee: লকেটের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে এবার বাঁশবেড়িয়ায় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের (Locket Chatterjee) গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠল। শনিবার রাতে বাঁশবেড়িয়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে সেনপুকুর এলাকায় লকেটকে কালো পতাকা দেখানোর অভিযোগ ওঠে। হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এর এসবই হয়েছে তৃণমূলের মদতে। ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও জানানো হয়েছে।   যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Locket Chatterjee)

    ২০১৯ সালে হুগলি আসন বিজেপির কাছে হেরেছে তৃণমূল। এবারও বিদায়ী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে (Locket Chatterjee) এই লোকসভায় প্রার্থী করেছে। জনসংযোগে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে লকেট। এমনটাই দাবি গেরুয়া শিবিরের। এই আবহের মধ্যে শনিবার রাতে বাঁশবেড়িয়ার সেনপুকুর এলাকায় কালীপুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন এখানকার বিদায়ী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান সেরে ফেরার সময় তাঁর ওপর হামলা হয়। গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা হয়। লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ সপ্তগ্রামের বাঁশবেড়িয়ায় কালীতলায় যাই। কালীপুজোয় গিয়েছিলাম। ফেরার সময় গাড়িতে উঠেই দেখি কিছু লোক হাতে তাঁদের বাঁশ। তাতে কালো পতাকা লাগানো। তাঁরা আসছেন। অশ্রাব্য কথা, গো ব্যাক স্লোগান দিচ্ছেন। আমার গাড়ি ঘিরে গাড়িতে মারতে থাকে। আমার নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের বোঝাতে গেলেও শোনেননি। আমি ভিডিও করছি বলে ওরা আরও বেশি করে করছে। এরপর ভিডিওটা বন্ধ করে দিই। আমার সিটের পাশের কাচ ভাঙার চেষ্টা হয়েছে, একজন গাড়িতে ওঠারও চেষ্টা করেন। ড্রাইভার ধাক্কা দিয়ে গাড়ির দরজা বন্ধ করে দেন। আমার গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে, বাঁশবেড়িয়ার উপ পুরপ্রধান শিল্পী চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এসব হয়েছে। একজন প্রার্থীর যদি নিরাপত্তা না থাকে তাহলে ভোটারদের কী অবস্থা!” অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করার তিনি আবেদন জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জিটি রোড দিয়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অনুমতি দিল না পুলিশ, আদালতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    বিজেপির আইটি সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কী বললেন?

    বিজেপির আইটি সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, স্থানীয় কাউন্সিলর শিল্পী চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের গুন্ডারা এই হামলা চালিয়েছে। কারণ, তারা জানে মমতার পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে। এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত যে এবারও ওই আসনে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বাঁশবেড়িয়ার উপপুরপ্রধান শিল্পী চট্টোপাধ্যায়ের বলেন, কিছু লোক কালো পতাকা নিয়ে গো ব্যাক স্লোগান দিচ্ছিলেন। আমি তাঁদের সরাতে গেলে লকেটের (Locket Chatterjee) নিরাপত্তারক্ষীরা আমাকে ধাক্কা দেন। তাতে আমার আঘাত লাগে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারের আবহেই হুগলিতে তৃণমূলে বিরাট ভাঙন। রবিবার সিঙ্গুরে (Singur) তৃণমূলনেত্রী প্রতিমা দাস এবং তাঁর অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে পদ্মশিবিরে পতাকা নিয়ে তৃণমূলকে উৎখাত করার হুঙ্কার দেন প্রতিমা। অবশ্য এই ঘটনায় তৃণমূল খুব একটা চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছে জেলা তৃণমূল।

    পশ্চিম বারুইপাড়ায় যোগদান মেলা (Singur)

    গতকাল রবিবার সিঙ্গুরের (Singur) পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকায় বিজেপির তরফ থেকে আয়োজিত যোগদান মেলায় তৃণমূল থেকে আগত কর্মীদের বিজেপির পদ্ম আঁকা পতাকা তুলে দেন লকেট। সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে প্রতিমা হলেন সিঙ্গর পঞ্চায়েত সমিতির দুই বারের প্রাক্তন সভাপতি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বারুইপাড়া পলতাগড় এলাকার তৃণমূল কর্মী প্রদীপ দাস, শুকদেব দাস, রূপশ্রী পাত্র-সহ আরও অনেকে যোগদান করলেন। ওই দিন যোগদান পর্বের আগে পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকার কালীমন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী লকেট।

    কী বললেন লকেট?

    হুগলি (Singur) লোকসভার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আজ প্রায় ২০০ জন তৃণমূল কর্মী এবং সিপিএম কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। প্রত্যেকেই নরেন্দ্র মোদির কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজেপিতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এই যোগদানে মহিলাদের একটা বড় সংখ্যা ছিল। সংগঠন আরও শক্তিশালী হল। তৃণমূলের দুর্নীতি মানুষের মনে জাগরণ ঘটিয়েছে।”

    প্রতিমার বক্তব্য

    বিজেপিতে যোগদান করে প্রতিমা এদিন বলেন, “তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে উৎখাত করতে হবে। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার, বগটুইয়ের গণহত্যা সব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ আমি বিজেপিতে যুক্ত হয়েছি। তৃণমূলে থাকার সময়েও আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। কিন্তু এই লড়াইয়ে একা ছিলাম। সুশাসনের কামনায় বিজেপিতে যোগদান করলাম।” তবে এই প্রতিমা সিঙ্গুরের (Singur) মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অনুগামী ছিলেন। প্রতিমা ২০১৮ সাল পর্যন্ত সমিতির সভাপতি এবং ২০১৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত সহকারী সভাপতি ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার সইফুদ্দিনের গোপান জবানবন্দি নিতে কোর্টে আবেদন সিবিআই-এর

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির এই যোগদান সভাকে ঘিরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সিঙ্গুর (Singur) ব্লক সভাপতি আনন্দমোহন ঘোষ বলেন, “প্রতিমা আগে দলে থাকেলও সম্প্রতি তাঁর কাজ দলে সক্রিয়তা ছিল না। সেই জন্য দল গতবারের পঞ্চায়েতে টিকিট দেয়নি। ফলে তাঁর না থাকা তৃণমূলে কোনও প্রভাব ফেলবেনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে”, রচনাকে কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থী লকেটের

    Hooghly: “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে”, রচনাকে কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থী লকেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলিতে (Hooghly) লোকসভার প্রচারে নেমে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ওড়িশার জনপ্রিয় অভিনেতা তথা রচনার প্রাক্তন স্বামী সিদ্ধান্ত মহাপাত্র বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এরপর রচনা সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করে লকেট বলেন, “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে।” আবার সিদ্ধান্ত বলেছেন, “রচনা নয়, আগে শুভেচ্ছা জানাব লকেটকে।”

    কী বলেছেন লকেট (Hooghly)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লকেট এদিন ব্যান্ডেল (Hooghly) থেকে দলীয় সভায় বলেন, “সিদ্ধান্ত বুঝতে পেরেছেন দেশে দুর্নীতিমুক্ত সরকার একান্ত দরকার। এই জন্য নরেন্দ্র মোদির হাত ধরতে হবে। কিন্তু তিনি (রচনা) বুঝতে পারেননি। দিদি নম্বর ওয়ান থেকে ভুল করে চলে এসেছেন। পরে ওঁকে পস্তাতে হবে, আমি কোন দলে চলে এলাম। যদি আসতে হয় মোদিজির দলে আসতে হবে। আমি জানি আজ না হয় কাল তাঁকে এই দলে আসতেই হবে। সকলেই বিজেপির হাত ধরেছেন। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে চলেছে। সিদ্ধান্ত প্রতিবেশী রাজ্যের একজন বিখ্যাত অভিনেতা। তিনি সুপারস্টার। আমরা ওঁর সঙ্গে অনেক কাজ করছি। তিনি দারুণ কাজ করেছেন। সন্দেশখালি থেকে আমাদের বিজয় রথ শুরু হবে। বাংলার মহিলারা জেগে উঠবে।”

    রচনার বক্তব্য

    এদিন নিজের কেন্দ্রের পোলবার (Hooghly) সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোট প্রচার চলাকালীন প্রতিক্রিয়া দিয়ে রচনা বলেন, “আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। আমি দিদির পাশে রয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমার লড়াই চলছে। আমি হুগলিবাসীর কথা বলব। কে কী করছে আমি জানি না। আমার ভাবার মতো সময় নেই।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার!

    হুগলির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই তারকা

    হুগলিতে (Hooghly) প্রচার ময়দানে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রচনা এবং লকেট। কেউ কাউকে জমি ছেড়ে দিতে নারাজ। এদিকে দুই তারকা প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে গরমকে উপেক্ষা করেই ময়দানে নেমে পড়েছেন। রচনা নিজের খাদ্য তালিকায় রেখেছেন ডাব, হালকা খাবার, ফল। অপর দিকে লকেটের খবারের তালিকায় রয়েছে পান্তাভাত, মুড়ি, বাতাসা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Serampore: “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে, বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট”, কল্যাণকে আক্রমণ কবীরের

    Serampore: “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে, বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট”, কল্যাণকে আক্রমণ কবীরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ময়দানে প্রাক্তন শ্বশুর-জামাইয়ের লড়াই ব্যাপক ভাবে জমে উঠেছে। কেউ কারুর জমি এক ইঞ্চি ছেড়ে দিতে নারাজ। শ্রীরামপুর (Serampore) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন কবীর শঙ্কর বোস অপরদিকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ নির্বাচনের প্রচারে বলেছিলেন বাউন্ডারি হাঁকাবেন। এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে কবীর বলেন, ‘বোল্ড আউট হবেন।”

    মাহশে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু কবীরের (Serampore)

    শ্রীরামপুরে (Serampore) পরপর তিনবারের তৃণমূল সাংসদ হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও তাঁর আশা জয়ের। অপরদিকে বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী কবীর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন। এবারের লোকসভায় দুই প্রার্থী পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এদিন বিকেলে মাহেশে জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী কবীর। ঘটনাচক্রে বিজেপি প্রার্থী কবির শঙ্কর বোস হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ের প্রাক্তন স্বামী। প্রাক্তন শ্বশুরকে আক্রমণ করে কবির শঙ্কর বলেন, “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট হবেন। ৪ জুন ব্যাগপত্র গুছিয়ে চলে যেতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “যেখানেই দাঁড়াব সেখানেই জিতব”, কেন্দ্র বদলেও স্বমহিমায় দিলীপ ঘোষ

    কী বললেন কবীর?

    এদিন শ্রীরামপুরের (Serampore) বিজেপি প্রার্থী কবীর শঙ্কর, কল্যাণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “সব মানুষের একটা অতীত থাকে এবং বর্তমানও থাকে। এই প্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎ থাকে। আমি একজন আইনজীবী, তিনিও আইনজীবী। উনার প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। কিন্তু তিনি যে দলে রয়েছেন, সেই দল মাথা থেকে পা পর্যন্ত দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। এই বাংলায় তাঁদের মুখ দেখানোর জায়গা নেই।”

    উপরাষ্ট্রপতিকে বিকৃত অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন কল্যাণ

    উল্লেখ্য শ্রীরামপুরের (Serampore) তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাম্প্রতিক সময়ে সংসদ থেকে সাসপেন্ড হয়ে রাজ্যসভার অধ্যক্ষ তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে বিকৃত অঙ্গভঙ্গী করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। আবার বিভিন্ন সময়ে সমাজিক মাধ্যমে ঠাকুরের সামনে বাঁধ ভাঙা কান্নার ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। আবার একটা সময় দলের অন্দরে অভিষেকের সঙ্গে সংঘাত চরমে উঠলে এলাকায় কল্যাণের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের কোন্দলকে বিজেপি কতটা কাজে লাগাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: গোঘাটে গৃহসম্পর্ক অভিযানে বেরিয়ে আক্রান্ত বিজেপি, লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর

    Hooghly: গোঘাটে গৃহসম্পর্ক অভিযানে বেরিয়ে আক্রান্ত বিজেপি, লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতেই জেলায় জেলায় শাসক দলের অত্যাচার এবং আক্রমণের অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসবে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ভোটের প্রচারে জনসংযোগে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল বিজেপি কর্মীদের। গৃহসম্পর্ক অভিযান চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) গোঘাট ১ ব্লকে। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং পুর নির্বাচনে শাসক দলের দ্বারা জেলায় জেলায় বিরোধী দলের কর্মীদের উপর আক্রমণের খবর সর্বত্র আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) আক্রান্তদের মধ্যে একজন বিজেপি কর্মী বিশ্বজিৎ মালিক। তিনি বলেন, “আমরা এলাকায় কিছু বাড়িতে গৃহসম্পর্ক অভিযানে গেলে কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী আমাদের আক্রমণ করে। প্রথমে কিল, ঘুষি এবং এরপর লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে।” যদিও ঘটনা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় (Hooghly) বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রাজু রানা বলেন, “তৃণমূলের কিছু গুন্ডা, দুষ্কৃতী সদলবলে আমাদের বিজেপি কর্মীদের মারধর করেছে। তিন-চারজন দলের কর্মীকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি দোষীদের গ্রেফতার করা না হয়, তাহলে আমরা রাস্তায় নেমে বড় আন্দোলন করব।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই ঘটনার কথা ভিত্তিহীন জানিয়ে জেলা (Hooghly) তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঞ্জিত পাখিরা বলেন, “বিজেপি যখন প্রচার করেছে সেই সময় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের টাকা দেয়নি। আমরা খবর পেয়ে এলাকার মানুষকে আটকানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ জানিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: লকেটের দেওয়াল লিখন করতে গিয়েই রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Hooghly: লকেটের দেওয়াল লিখন করতে গিয়েই রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি (Hooghly) লোকসভায় দুই তারকার লড়াই জমে উঠেছে। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে এই কেন্দ্রটি বিজেপি দখল করে। সাংসদ নির্বাচিত হন লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবারও তাঁকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে এবার লকেটের বিরুদ্ধে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। এরই মধ্যে পাণ্ডুয়াতে দলীয় প্রার্থীর প্রচার কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এতেই কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে শাসক দল। বিজেপি কর্মীরা দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। আর দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন করতে গিয়ে রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির ধনেখালি এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে হুগলির (Hooghly) ধনেখালির মাঝেরপাড়ায় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লিখন চলছিল। বিজেপি কর্মী যুগল মান্ডি সহ কয়েকজন দেওয়াল লিখনের কাজ করছিলেন। সেই সময় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এসে তাঁদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের ওপর লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বিজেপি কর্মী যুগল সহ কয়েকজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁদের প্রথমে ধনেখালি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যার পর যুগল মান্ডিকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। জখম বিজেপি কর্মী যুগল মান্ডি বলেন, মাঝেরপাড়ায় দলীয় প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লিখছিলাম। সেই সময় স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী আমাদের টিটকারি করে। এরপর দু’জন দলীয় কর্মীকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। তাদের আমি ছাড়াতে গিয়ে আক্রান্ত হই। আমাকে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। আরও এক বিজেপি কর্মী মনোজিৎ গুঁই বলেন, লকেটদির নামে দেওয়াল লেখার সময় লাঠি, বাঁশ নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূলের লোকজন। বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর জখম হন আমাদের সহকর্মী যুগল। ও এখন হাসপাতালে ভর্তি। যদিও, তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rachana Banerjee: ‘চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার’, রচনার বেফাঁস মন্তব্যে তোলপাড়

    Rachana Banerjee: ‘চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার’, রচনার বেফাঁস মন্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়েছিল টাটা। নতুন করে বড় কোনও কারখানা গড়ে ওঠেনি হুগলিতে। আর সেই হুগলিতে প্রচুর কারখানা গড়ে ওঠার কথা বলেছেন হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। যা সামনে আসতেই নেটিজেনরা তাঁকে ট্রোল করতে শুরু করেছেন। তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যে চারিদিকে হাসাহাসি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Rachana Banerjee)

    হুগলি কেন্দ্রে এবার দুই তারকা দিদির লড়াই। রচনার (Rachana Banerjee) বিপরীতে ভোটের ময়দানে তাঁর পুরোনো বন্ধু, সহকর্মী বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। নির্বাচনী প্রচারে নেমেই পরপর হোঁচট খাচ্ছেন রচনা। কিছুদিন আগেই তৃণমূল প্রার্থীর একটি মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘হুগলির মানুষ খুব লাকি যে আমাকে দেখতে পাবে’, এই মন্তব্য নিয়ে সমাজের নানান স্তরে বিদ্রুপের মুখে পড়েছিলেন রচনা। এবার আরও একধাপ এগিয়ে হুগলির শিল্প নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী। রাজ্যে শিল্প নেই, লোকসভা ভোটে বিরোধীদের মূল হাতিয়ার এটি। অথচ রচনার চোখে হুগলিতে নাকি শিল্পের অভাব নেই! পরিস্থিতি এমন গোটা রাস্তা নাকি চিমনির ধোঁয়ায় ভরপুর। রচনা বলেছেন, ‘আমি যখন এলাম দেখলাম অনেক কারখানা হয়েছে। চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার। শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এত কারখানা হয়েছে, তাহলে কী করে বলছেন কারখানা হয়নি, হয়েছে আরও হবে।’

    আরও পড়ুন: দলীয় কর্মী সম্মেলনে অসম্পূর্ণ জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন তৃণমূলের নেতারা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে নেটিজেনরা কটাক্ষ করেছেন

    তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্যে নেটিজেনদের মধ্যে হাসির রোল, কটাক্ষের বন্যা বইছে। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘একটা কথা আপনি (Rachana Banerjee) শুধু ঠিক বলেছেন চারিদিক অন্ধকার’। অপর একজন বলেছেন, ‘দিদি গো ওটা তোমার দিদি নম্বর ১-এর চিমনির ধোঁয়া’। শুধু আম জনতা নয়, রচনার মন্তব্য ঘিরে নাম না করেই অভিনেত্রীকে একহাত নেন শ্রীলেখা মিত্র। তিনি লিখেছেন, ‘চোখ জ্বালা করছে ধোঁয়াতে। কী ধোঁয়া, কী ধোঁয়া’। অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিক সরাসরি লেখেন, ‘রচনা ব্যানার্জি চারিদিকে এতো ধোঁয়াই ধোঁয়া দেখেছেন, গোটা অষ্টাদশ শতকের ইউরোপে শিল্প বিপ্লবে এতো ধোঁয়া উৎপাদন হয়নি’।

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    রচনাকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এতদিন ওঁনাকে লোকে টিভির পর্দায় দেখেছেন। এবার রাজনীতির ময়দানে এসে দেখুক, আমি ওঁনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি আমার ভালো বন্ধু, আমরা সবসময় বন্ধু থাকব’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ বছরের শিশু সহ সাতজনের

    Hooghly: ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ বছরের শিশু সহ সাতজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার হুগলির (Hooghly) গুড়াপের কংসারিপুর মোড়ে পথ দুর্ঘটনায় এক শিশু সহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মূলত টোটোর সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। আর হাসপাতালে টোটো চালক সহ আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তিদের নাম বিদ্যুৎ বেড়া (২৯), তাঁর স্ত্রী প্রীতি বেড়া (২২) এবং তাঁদের দুই বছরের সন্তান বিহান বেড়া। হুগলির (Hooghly) দাদপুর বক্রেশ্বর এলাকার বাসিন্দা বেড়ারা। দুর্ঘটনায় অপর মৃত মহিলার নাম সৃজা ভট্টাচার্য (২০)। তাঁর বাড়ি গুরাপেই। এছাড়া নূপুর দাস এবং রামপ্রসাদ দাস নামে এক দম্পতি ও মৃতের তালিকায় আছেন। তাঁদের বাড়ি পাণ্ডুয়াতে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে একটি যাত্রীবাহী টোটো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তীব্র গতিতে একটি ডাম্পার এসে টোটোটিকে পিষে দেয়। যাত্রী সমেত টোটোটি ঢুকে যায় ডাম্পারের নীচে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ডাম্পারের নীচে থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন স্থানীয় মানুষজন। অচৈতন্য অবস্থায় ডাম্পারের নীচে থেকে সাত জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই চিকিৎসকরা পাঁচ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকি দুজন আরও জখম ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তাঁরও মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় মাথায় ও হাতে চোট লেগে গুরুতর আহত হন টোটো চালক সৌমেন ঘোষ। পরে, তাঁরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের বাংলা পেল বন্দে ভারত, কোন রুটে চলবে এই এক্সপ্রেস?

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    বর্ধমান থানার পুলিশ জানিয়েছে  মৃতদেহ গুলি  ময়নাতদন্তের পর তাঁদের আত্মীয় দের হাতে তুলে দেওয়া হবে। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, ডাম্পার চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। চালক মত্ত অবস্থায় ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বারাসত কাছারি ময়দানে মোদির সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: বারাসত কাছারি ময়দানে মোদির সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসাতে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছে গেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আজ বিকেলে রাজ্যে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাত্রি বাস করবেন রাজভবনে। আগামীকাল কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত রোড শো করবেন তিনি। এরপর কাছারি ময়দানে জনসভা করবেন। এই সভার প্রস্তুতিকে ঘিরে বিজেপির ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। একাধিক বিষয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি।

    কী বলেলেন অভিষেক সম্পর্কে (Sukanta Majumdar)?

    বারাসতে পৌঁছে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, “প্রত্যেকবার আমেরিকা বা ইউরোপে যেতে গেলে দুবাই হয়ে কেন যান? সন্দেহ তৈরি হয়েছে। দুবাই কানেকশন কেন বার বার আসে? টাকা রাখতে গেলে দুবাই, বান্ধবী রাখতে গেলে রাশিয়ান বান্ধবী। বাংলা-ভারতের কথা কেন আসেনা? এক একমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী ভারতীয়। তৃণমূলের মধ্যে এখন শ্যাম এবং অর্জুন নিয়ে বিবাদ চলছে। ওরিজিনাল শ্যাম বা কৃষ্ণ বিজেপিতে আছে, তাই সকলকে বিজেপিকে বেছে নিতে হবে।”

    কটাক্ষ মমতার গ্যারান্টিকে

    মমতাকে আক্রমণ করে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “মোদি, রাজনীতিতে এমন একটি নাম, যাঁকে সকলে অনুসরণ করেন। তাঁর দেখানো গ্যারান্টির কথাই বলছেন মমতা। গত ১৩ বছরে মমতার গ্যারান্টি হল দুর্নীতির গ্যারান্টি। বাংলায় এতো দুর্নীতি এবং চুরি হয়েছে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সক্রিয় হবেই। নির্বাচনের সময়ে সক্রিয় অবশ্যই হবে, কারণ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। দুর্নীতিগ্রস্থ লোকদের গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। প্রাক্তন সংসদ মহুয়াকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ডেকে ঠিক করেছে। সাংসদ পদ গেলেও এলাকায় নীল বাতির গাড়ি করে ঘুরছেন। মমতাকে উপদেশ দিচ্ছেন, প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভোটে জয়ী হতে হবে। এই কথার ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশিত হবে। তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share