Tag: Hooghly

Hooghly

  • Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরে কৃষকদের বাধায় টাটাদের ন্যানো কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি তৎকালীন রাজ্য সরকার। কৃষকদের আন্দোলনের পাশে সেই সময় ছিল তৃণমূল। এখন সরকারে তৃণমূল। এবার সেই হুগলি জেলায় সিল্ক হাব করতে গিয়ে কৃষকদের বাধার মুখে পড়লেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তৃণমূল কাউন্সিলরের সামনেই চলল বিক্ষোভ। এবার ঘটনাস্থল শ্রীরামপুর। সিঙ্গুর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে স্রেফ কৃষকদের বাধায় তৃণমূল সরকার সিল্ক হাব করতে পারল না।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাস নগরে সিল্ক হাব হবে বলে ২০১৬ সালে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জমিজটে সেই সিল্ক হাব তৈরির কাজ থমকে ছিল এতদিন। কয়েকদিন আগে সেখানে নীচু জমি ভরাট করতে মাটি ফেলা শুরু হয়েছে। প্রায় কুড়ি একর জমির উপর গড়ে উঠবে সিল্ক হাব। বুধবার সকালে প্রস্তাবিত সিল্ক হাবের জায়গা মাপজোক করতে যান এসডিএলআরও দফতরের কর্মীরা। ছিলেন শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলররাও। সেই সময় তাঁরা কৃষকদের বাধার মুখে পড়েন। সরকারি আধিকারিকদের ঘিরে ধরে তাঁদের দাবি জানাতে থাকেন কৃষকদের।

    বিক্ষোভকারী কৃষকরা কী বললেন?

    কৃষকদের বক্তব্য, বহুদিন ধরে এই জমিতে চাষ করে আসছেন। এই জমিতে সিল্ক হাব হলে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই জমিতে আমরা ৪০-৫০ বছর চাষ করি। সরকারি খাস জমি বলছে, সেটা কী করে হয়? আর খাস জমি যদি হয়, তাহলে সেই জমিতে আবাসের ঘর কী করে হয়? আমরা চাই সিল্ক হাব হোক, আমাদের পুনর্বাসন দিয়ে যা হওয়ার হোক। না হলে আমরা আন্দোলন শুরু করব। কোনওভাবে এখানে সিল্ক হাব হতে দেব না।

    প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন?

    যদিও প্রশাসনের দাবি, সরকারি কিছু খাস জমি পড়ে রয়েছে, সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী সিল্ক হাব করার কথা বলেছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর ও বৈদ্যবাটির সিল্ক প্রিন্টিংকে এক ছাতার তলায় আনা হবে। এর ফলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। পুরভার কাউন্সিলর সন্তোষ সিং, পিন্টু নাগরা বলেন, ‘সরকারি খাস জমিতে সিল্ক হাব তৈরি হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কৃষক দরদী। কোনও কৃষককে বঞ্চিত করা হবে না। আমরা বলেছি, জমির কাগজ যদি কিছু থাকে তা নিয়ে আসুন, পুরসভায় দেখান। মুখের কথায় হবে না। যদি কাগজ থাকে কাজ বন্ধ থাকবে। আর কাগজ না থাকলে প্রশাসন নিজের মতো করে ব্যবস্থা নেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা করছেন তৃণমূল বিধায়ক, কেন জানেন?

    Hooghly: প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা করছেন তৃণমূল বিধায়ক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলাগড়ে দলের একাংশের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেই দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। শাসক দলের বিধায়ক হলেও দলের নেতা-নেত্রীর হাতে প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ৭ জানুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে কার্যত বোমা ফাটানোর তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

    কয়েক মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছিলেন, ‘এতো ট্রেলর হ্যায়,পিকচার অভি বাকি হ্যায় দোস্ত। একটু অপেক্ষা কর সব কিছু পরিষ্কার হবে। চোর খোরদেরকাটমানি সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই। আমি দিদির আশীর্বাদ নিয়ে বলাগড়ে এসেছি। চোর মাটি মাফিয়া জুয়া বোর্ডের মালিক যে যা পারিস করে নে।’ তৃণমূলের চলা নবীন-প্রবীণ, প্রবীণ-প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যেই তৃণমূলে থাকার ব্যাপারে ‘এসপার-ওসপার’ করার বার্তা দিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোরঞ্জনবাবু লিখেছেন, ‘প্রিয় বলাগড়বাসী আপামর জনগণ, আমি আপনাদের সেবক ভাই বন্ধু, আপনাদের জ্ঞাতার্থে অতি মনোদুঃখে জানাচ্ছি, বিগত কয়েক দিন ধরে যা চলছে আপনারা সবাই জ্ঞাত আছেন। আর কেন আমি বলাগড় বিধানসভা থেকে দূরে বসে আছি, সেই কদাকার ঘটনাক্রম নিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি রাত আটটার সময় আমি ফেসবুক লাইভ করতে চলেছি। বলা চলে, শেষ জবাব দিতে চলেছি। সে দিন আমি কিছু নিজের কথা বলব। আর কিছু আপনাদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া প্রশ্নেরও জবাব দেব। সাংবাদিক বন্ধুদেরও বলছি, তৈরি থাকুন। তারপর ঘোষণা করব আগামী দিনের কর্মসূচি। যাতে আমার বা তৃণমূল দলের লাভ হবে না ক্ষতি, সেটা আমি জানি না। দুই-তিন বছর অনেক অপমান সহ্য করেছি। আর নয়। লড়াই এ বার এসপার-ওসপার।’

    প্রাণ সংশয় নিয়ে কী বলেছেন বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক?

    নাম না করে এরপর কয়েক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মনোরঞ্জনবাবু লিখেছেন, ‘এক মাটির মাফিয়া, বালি মাফিয়া, গাঁজার পাচারকারীদের সহায়ক জুয়ার বোর্ড চালানো উপনেতা আমাকে চোর বলেছে, খুনি বলেছে, ধর্ষক বলছে। আমি নাকি মহাশ্বেতা দেবীর লেখা নিজের নামে ছাপিয়ে কয়েক লক্ষ না কোটি টাকা কামিয়েছি, সেই আমাকে দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেন আমাকে বলাগড়ের বিধায়ক বানিয়েছেন। আমি যদি এই, তা হলে দিদিই বা কেমন মানুষ? তিনি আমার বিষয়ে কোনও খোঁজখবর নিলেন না? আর এই দলটিই বা কেমন? যারা এমন একটা চোর ছ্যাঁচড়কে দলের সঙ্গে যুক্ত করলেন? তৃণমূলের সবাই চোর’! সেটা কি সত্যি? চোর ছাড়া দলে আর কোনও লোক নেই?’ তিনি আরও লিখেছেন, সেই যে- বলাগড়ের ফুলন দেবী! যে কুড়ি পঁচিশজন সার্ফ শুটার সঙ্গে নিয়ে ঘোরে, যে আমাকে মহিপালপুরে জনসভা করে মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছেন! হয় সে আমাকে সত্যি সত্যিই পুঁতে দেবে, আর তা না হলে আমি তাকে তার রাজনৈতিক জীবন থেকে রিটায়ার করিয়ে দেব। দেখব, তাঁর কলকাতার ‘বাবু’ তাকে কি ভাবে বাঁচায়! তৃণমূল বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: রাজ্যে ফের সক্রিয় এটিএম প্রতারণা চক্র! টাকা হাতানোর কৌশল জানলে চমকে উঠবেন

    Hooghly: রাজ্যে ফের সক্রিয় এটিএম প্রতারণা চক্র! টাকা হাতানোর কৌশল জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটিএম থেকে টাকা হাতানোর চক্র ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে রাজ্যে। এটিএমের মধ্যে নানা কৌশল প্রয়োগ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিত দুষ্কৃতীরা। এবার এটিএম থেকে টাকা হাতানোর অভিনব পরিকল্পনা নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়ায়। বিষয়টি সামনে আসতেই ব্যাঙ্কের আধিকারিক থেকে পুলিশের কর্তাদের চোখ কপালে উঠে গিয়েছে।

     টাকা হাতানোর অভিনব কৌশল কী? (Hooghly)

    সোমবার বড়দিন উপলক্ষে হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়ার চকবাজারের হুগলি ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে ছুটি ছিল। মঙ্গলবার সকালে নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাঙ্ক খোলে। ব্যাঙ্কের পাশেই রয়েছে এটিএম কিয়স্ক। ব্যাঙ্কের কর্মী অলোক পাল সিসি ক্যামেরায় দেখতে পান, এক যুবক এটিএমের ভিতরে রয়েছেন। এটিএম মেশিনের শাটার জ্যাম (টাকা বেরোনোর অংশে হাত বা কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া) করে প্রতারণার চেষ্টা করছিল সোনু কুমার নামে বছর উনিশের এক তরুণ। সিসিটিভিতে চোখ যেতেই চক্ষু চড়ক গাছ হয় এক ব্যাঙ্ক কর্মীর। তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কের সামনেই থাকা ওই এটিএমের ভিতর থেকে যুবককে ধরা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা সোনু টাকা বেরোনোর প্রক্রিয়া শুরু হতেই শাটার জ্যাম করে দিত। এরপর টাকা বেরিয়ে যেত। অথচ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কম্পিটারে বিস্ময়সূচক (সাসপেক্ট) লেনদেন দেখাত। এরপর নিজের ব্যাঙ্কে গিয়ে সেই ডিটেলস দিয়ে টাকা নিয়ে নিত। এ দিন চুঁচুড়ার চকবাজারের ওই সমবায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পুলিশের হাতে তুলে দেয় সোনুকে। 

    দুটি এটিএম থেকে ১৪ বার সন্দেহজনক লেনদেন!

    এক ব্যাঙ্ককর্মী বলেন, আমাদের এটিএম যে এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, তারা জানিয়েছে গত দু’দিনে ১৪ বার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে দুটি এটিএম থেকে। একটি চকবাজারের। আর একটি ফুলপুকুর শাখায়। সব মিলিয়ে মোট ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা তোলা হয়েছে। লেনদেনের সময় শাটার বন্ধ করে ওই লেনদেন করেন অভিযুক্তরা। এটিএম লেনদেন হওয়ার পর একটা ‘কোড’ আসে। সেটা থেকে জানা যায় লেনদেন সম্পর্কে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এটিএম-এ টাকা তোলা যায়নি দেখিয়ে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা দাবি করা হয়। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার সুরঞ্জন হালদার বলেন, ‘দু’দিনে লক্ষাধিক টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। তাই আজ এক জন সন্দেহভাজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত বলছেন, তাঁর বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। পুলিশ দেখুক কী রহস্য আছে, এর পিছনে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ‘চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই’, কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    Hooghly: ‘চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই’, কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী বিলিকে কেন্দ্র করে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। পরে, বেশ কিছুদিন তিনি চুপচাপ ছিলেন। দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে তাঁকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। এবার ফের বেসুরো তিনি। নাম না করে দলের নেতা-নেত্রীদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে হুগলির (Hooghly) বলাগড় বিধানসভা এলাকায় টিকিট বিলিবন্টন নিয়েও বিরোধ হয়েছে তৃণমূল নেতা তপন দাস, রুনা খাতুনের গোষ্ঠীর সঙ্গে মনোরঞ্জনের। এখানেই শেষ নয়, বলাগড় কলেজ পরিচলন সমিতি আগে ছিল বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। বর্তমানে তা রয়েছে মনোরঞ্জন ব্যপারীর। ফলত সেই কলেজে অন্য কেউ মাথা হয়ে উঠুক তা মোটেই পছন্দ নয় বিধায়কের তাই দলের একাংশকে তোপ দেগেছেন বলেন রাজনৈতিক মহল মনে করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘এতো ট্রেলর হ্যায়,পিকচার অভি বাকি হ্যায় দোস্ত। একটু অপেক্ষা কর সব কিছু পরিষ্কার হবে। চোর কাটমানি খোরদের সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই। আমি দিদির আশীর্বাদ নিয়ে বলাগড়ে এসেছি। চোর মাটি মাফিয়া জুয়া বোর্ডের মালিক যে যা পারিস করে নে।’

    পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    জিরাট পঞ্চায়েতের প্রধান তপন দাস বলেন,বিধায়ক এর আগেও বলাগড়ের প্রায় সব নেতার বিরুদ্ধে কিছু না কিছু বলেছেন। বাদ ছিলাম আমি। বিধায়কের আমার বিরুদ্ধে কোনও বক্তব্য থাকলে দলের ভিতর বলতে পারতেন, এভাবে কেন করলেন জানি না। তাঁর সঙ্গে আমার কোনও সমস্যা নেই। তবে ফেসবুকে যা সব লিখেছেন তিনি তাতে বলাগড়বাসীর মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এসব নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা প্রায় ঘটছে। এবার সহানুভূতি কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার (Fraud) অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কোন্নগর এলাকায়। প্রতারিতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণা করতেন দম্পতি? (Fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকদের নাম সোমা কর, তাঁর স্বামী গৌতম কর ও তাঁর ছেলে কৌশিক কর। তাঁদের বাড়ি কোন্নগর পঞ্চাননতলা এলাকায়। মোটা টাকা ঋণ করিয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছে থেকে কয়েক ধাপে প্রায় আট লক্ষ টাকা নিয়েছেন তাঁরা। ঋণ না পেয়ে প্রতারিত ব্যক্তি টাকা ফেরত চাইলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। যে টাকা নেওয়া হয়েছে তার সমস্ত কাগজপত্র আছে। কিন্তু, টাকা কিছুতেই ফেরত দিতে চায়নি বলে শেষে প্রতারিত ব্যক্তি উত্তরপাড়া থানার দ্বারস্থ হন। আরেক প্রতারিত লিলি বোস বলেন, ওই কর দম্পতি আমার বাড়িতে এসে আর্থিক সমস্যার কথা বলে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু অনেকদিন হয়ে যাওয়ায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাই। প্রতারণার খবর জানাজানি হওয়ার পরেই পলাতক তিন অভিযুক্ত। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে, তাঁদের বাড়িতে ঝুলছে তালা। অভিযুক্তকে ফোন করা হলেও সঠিক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। কখনও বলছেন তাঁরা বাড়িতে নেই, আবার কখনও বলছেন, এটা ভুল নম্বর। জানা গিয়েছে, এক বা দুজন নয়, এই এলাকায় বহু মানুষের থেকে নানা কৌশল করে তাঁরা প্রতারণা (Fraud) করে টাকা নিয়েছেন। এদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। না হলে তাঁরা এই ধরনের কারবার আরও চালাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। মাঠের মধ্যে দুয়ারে রেশন দিচ্ছিলেন ডিলার বাচ্চু মুখোপাধ্যায়। কিন্তু রেশনের সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে রেশন সামগ্রী আটক করলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। উল্লেখ্য বিধায়ক আগেও শাসক দলের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট দেওয়ার কথা বলে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ফের এবার রেশন দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে রেশন প্রকল্পের বাস্তব সত্যতাকে তুলে ধরলেন। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শাসক দল রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে আরও চাপের মুখে। 

    বলাগড়ের কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Hooghly)?

    বলাগড়ের (Hooghly) বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ডুমুরদহ নিত্যান্দপুর ২ পঞ্চায়েত কুন্তিঘাট শেরপুর স্কুল মাঠে ঘটনা ঘটেছে। রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে সামগ্রী আটক করেছে। এরপর থেকে এলাকায় তীব্র উতেজনা শুরু হয়েছে। 

    বিধায়কের বক্তব্য

    বলাগড়ের (Hooghly) তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী বলেন, “দলের কাছে আগেও জানিয়েছি এখানে রেশন বিলির সময় রেশনের সামগ্রী পাচার করা হচ্ছে। আজ খবর পেয়ে হাতেনাতে ধরলাম। রেশনের সামগ্রী সাধারণ মানুষের জন্য। তাকে এই ভাবে পাচার করা যায়না। প্রশানকে আরও শক্ত হতে হবে।” খুব স্পষ্ট যে তাঁর এই বক্তব্যে দলের কাছে জানালেও কোনও লাভ হচ্ছিলনা। অবশেষে নিজেই রেশন পাচার ধরলেন। এমনটাই অভিযোগ করছে বিজেপি। 

    উপভোক্তাদের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) রেশন উপভোক্তাদের বক্তব্য, “রেশনে দেওয়া চাল এবং আটার মান অত্যন্ত খারাপ। বেশিরভাগ রেশন সামগ্রীর মধ্যেই পোকা থাকে। আমরা এই সামগ্রী খাবারের কাজে ব্যবহার করতে পারিনা। সরকারের ভালো জিনিস অন্যত্র পাচার করে আমাদের খারাপ জিনিস দেওয়া হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় (Hooghly) স্থানীয় বিজেপি নেতা মণ্ডল সম্পাদক নেপাল দাস বলেন, “সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে রেশন পাচার চলছে। তৃণমূল বিধায়ক লোকসভার ভোটের আগে শিরোনামে আসতে দুর্নীতি নিয়ে একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। কিন্তু দলের বিরুদ্ধে সার্বিক অভিযোগ তুলছেন না। তৃণমূলের সবাই চোর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: মাঠেই নষ্ট আলু, অবসাদে আত্মঘাতী কৃষক, দ্বিতীয় ঘটনাতেও নির্বিকার সরকার

    Purba Bardhaman: মাঠেই নষ্ট আলু, অবসাদে আত্মঘাতী কৃষক, দ্বিতীয় ঘটনাতেও নির্বিকার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই ধীরে ধীরে সত্যি হচ্ছে। শীতের মরশুমের শুরুতেই অকাল বৃষ্টিতে হাহাকার পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর বিয়ে নিয়ে যখন প্রশাসন শশব্যস্ত, ঠিক তখনই রাজ্যের কোণায় কোণায় উঠেছে কান্নার রোল। একদিকে মাঠে পাকা ধান বৃষ্টির জলে নষ্ট, পাশাপাশি আলু চাষ করে যে নতুন স্বপ্ন দেখবেন, সে ভাতেও ছাই দিয়েছে অসময়ের বৃষ্টি। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন। কিন্তু সেই ঋণ শোধ করবেন কী করে? দিশাহারা এই অবস্থায় জীবনের চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। খানাকুলে এক কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনার পর এবার একই ঘটনা ঘটল পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) পূর্বস্থলীতে। মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা এক কৃষক আম গাছে ঝুলে নিজের জীবনেই ইতি টেনে দিলেন। দিকে দিকে ক্ষতিপূরণের দাবি উঠছে। কিন্তু খেলা, মেলা, বিয়ে নিয়ে মেতে থাকা সরকারের কবে এদিকে নজর পড়ে, সেটাই এখন দেখার।

    কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার (Purba Bardhaman)

    পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কৃষকের নাম রূপ সনাতন ঘোষ, বয়স আনুমানিক ৪৭। পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের নিমদহ পঞ্চায়েত এলাকার ছাতনি উত্তরপাড়ায় তাঁর বাড়ি। পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, বাজার থেকে টাকা ধার করে মাঠে আলু বসিয়েছিলেন। বড় আশা ছিল, আলু উঠলে মোটা টাকা ঘরে আসবে, আর তা দিয়েই সুদ সহ ধার মিটিয়ে দেবেন। কিন্তু টানা বৃষ্টি সেই আশার কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছে। সব আলু নষ্ট। অগত্যা ঘুরে দাঁড়ানোর সব পথও যেন অবরুদ্ধ। তাই আমগাছে গলায় দড়ি দিয়ে শেষ করে দিলেন যাবতীয় আশা। স্বাভাবিকভাবেই আচমকা এই দৃশ্য দেখে হতবাক গোটা পরিবার। চাষের এই বিপর্যয়ের কথা বাড়িতে তিনি বলতেন। তা বলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত? ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। মৃতের ভাই অমল ঘোষ (Purba Bardhaman) বলেন, দাদা বাজার থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ শুরু করেছিল। দুদিনের বৃষ্টিতে আলুর জমি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে আর নতুন করে চাষ করার তার সামর্থ্য নেই। সেই চিন্তায় মনমরা হয়ে পড়ে। তারপরই এই ঘটনা

    দ্বিতীয় ঘটনা (Purba Bardhaman)

    উল্লেখ্য, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে রাজ্যে এটি এ ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা (Purba Bardhaman)। একদিন আগেই হুগলি জেলার খানাকুলে একই ভাবে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলেন তরুণ পালুই (৩৭) নামে এক কৃষক। খানাকুলের ঘোষপুর অঞ্চলের পিলখাঁ এলাকায় তাঁর বাড়ি। কারণ সেই একই, মানসিক অবসাদ। প্রশাসন অবশ্য এদিকে এখনও নজর দিয়ে উঠতে পারেনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে রাজ্য প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে তোপ দেগেছেন। কতজন কৃষকের মৃত্যুর পর টনক নড়ে, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বাঁশবেড়িয়ায় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে হংসেশ্বরী মন্দির

    Hooghly: বাঁশবেড়িয়ায় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে হংসেশ্বরী মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার একদম কাছেই রয়েছে কত সুন্দর বেড়ানোর জায়গা, যার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই যেমন বাঁশবেড়িয়া (Hooghly)। ব্যান্ডেল থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে এক কালের বন্দর নগরী “সপ্তগ্রাম” বর্তমানে পরিচিত “বাঁশবেড়িয়া” নামে। এক কালে এখান দিয়েই বয়ে যেত হুগলি বা গঙ্গা, কুন্তী এবং সরস্বতী নদী। প্রায় ৫০০ বছরেরও বেশি সময় আগে কুন্তী নদী এবং ৮০০ বছরেরও বেশি সময় আগে সরস্বতী নদীর জল শুকিয়ে যাওয়ার ফলে লুপ্ত হয়ে যায় সেই বন্দর। কিন্তু বন্দর হারিয়ে গেলেও এখানকার অনন্তবাসুদেব মন্দির এবং হংসেশ্বরী মন্দির দুটি আজও দাঁড়িয়ে আছে সেদিনের সেই ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাক্ষ্য বহন করে। আজও এই দুটি মন্দিরের আকর্ষণে মানুষ ছুটে আসেন এই বাঁশবেড়িয়ায়।

    অনিন্দ্যসুন্দর পোড়ামাটির কাজ (Hooghly)

    এখানকার অনন্তবাসুদেব মন্দিরটি (Hooghly) নির্মাণ করেন রাজা রামেশ্বর দত্ত। তিনি ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন। অষ্টকোণা শিখর, মন্দিরগাত্রের শিল্প, পোড়ামাটির শিল্পশৈলীতে তৈরি অলংকরণ রীতিমতো দর্শনীয়। গর্ভগৃহে খোদাই করা হয়েছে বাসুদেব, অর্থাৎ বিষ্ণুমূর্তি। তার চারপাশের ঘরগুলোতে রয়েছে শিবলিঙ্গ। এর ঠিক পাশেই বাঁশবেড়িয়ার বিখ্যাত হংসেশ্বরী মন্দির। রাজবাড়ির প্রাঙ্গনে এই মন্দিরের অবস্থান। ১৮০১-এ এই সুন্দর মন্দিরটির নির্মাণকার্য শুরু করেন বাঁশবেড়িয়ার রাজা নৃসিংহদেব। কিন্তু এই নির্মাণের কাজ শেষ করেন ১৮১৪ সালে রানী শংকরী। তিনি প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করে মন্দিরটি নির্মাণ করেন। এর জন্য পাথর আনা হয়েছে চূনার থেকে। কারিগর আনা হয়েছে জয়পুর থেকে। এখানে রয়েছে অনিন্দ্যসুন্দর কিছু পোড়ামাটির কাজও। প্রায় ২১ মিটার উঁচু এই মন্দিরের চুড়োটিতে রয়েছে ১৩ টি মিনার। দেখে মনে হয় যেন একটি পদ্মফুল। মন্দিরের নির্মাণশৈলীর অভিনবত্ব এবং সৌন্দর্য উপভোগ করার মতো। মন্দিরের অভ্যন্তরে রয়েছে পাথরের তৈরি শিবের নাভি থেকে বেরিয়ে আসা ডাঁটার ওপর পদ্মফুল। সেই পদ্মফুলের ওপর বসে আছেন মা দক্ষিণাকালীর বীজ দেবি হংসেশ্বরী। নিমকাঠের তৈরি দেবীর মূর্তিটি চতুর্ভূজাে। কালীপুজোর দিন দেবীকে সোনার জিহ্বা এবং রূপোর কিরীটে সজ্জিত করা হয়।

    কীভাবে যাবেন? (Hooghly)

    হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল লোকালে গিয়ে নামতে হবে ব্যান্ডেল স্টেশনে (Hooghly)। সেখান থেকে টোটো বা রিকশায় যাওয়া যায় হংসেশ্বরী মন্দিরে। আবার ষ্টেশন থেকে বাস অথবা অটোতেও যাওয়া যায় এই মন্দিরে। আর গাড়িতে গেলে জি টি রোড বা দিল্লি রোড ধরে ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে না উঠে পাশের ডান দিকের রাস্তা ধরে সরাসরি চলে যাওয়া যায় হংসেশ্বরী মন্দিরে। কলকাতা থেকে সকালে বেরিয়ে সারাদিন এই মন্দির ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো?” উদ্ধারের পর ফোনে জানতে চাইলেন আবেগপ্রবণ মা

    Hooghly: “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো?” উদ্ধারের পর ফোনে জানতে চাইলেন আবেগপ্রবণ মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ দিনের মাথায় উত্তরকাশীর সিল্কিয়ার সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধারের পর ছেলের কথা শুনে উৎকণ্ঠা কাটল মায়ের। অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছে পরিবার। হুগলির (Hooghly) বাসিন্দা সৌরভ পাখিরা এবং জয়দেব আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিকের মধ্যে ছিলেন। গতকাল উদ্ধার হওয়ার পর সৌভিকের সঙ্গে মায়ের কথা হয়। মা আবেগপ্রবণ হয়ে ফোনে জিজ্ঞেস করলেন, “সৌভিক, চেক-আপ করিয়েছো তো”? পাশাপাশি বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন আশপাশের প্রতিবেশীরা। এলাকায় খুশির আবহ।

    কী বললেন মা (Hooghly)?

    ৪১ জন ভারতীয়ের সুড়ঙ্গে আটকে থাকার খবরে নজর ছিল গোটা দেশের মানুষের। কেন্দ্র সরকার এবং উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক সংস্থা যৌথভাবে অপারেশন চালিয়ে উদ্ধারকাজকে সম্পূর্ণরূপ দিয়েছে। তবে উদ্ধারের কাজ খুব একটা সহজ ছিল না। এরপর হুগলির (Hooghly) হরিণখোলার মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিশ্বাস নেমে এলো। সৌভিকের সঙ্গে মা ফোনে কথা বলে জানান, “সুড়ঙ্গ থেকে সকলকেই উদ্ধার করা হয়েছে। জয়দেব এবং সৌভিক একসঙ্গেই রয়েছে, দুজনকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়দেব এবং সৌভিকের মঙ্গলকামনায় এলাকার মানুষ বাবা তারকনাথের কাছে পুজো দিয়েছেন। তবে এখনও উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই পুরো ভয় কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উদ্ধার কাজে ছিল টানটান উত্তেজনা

    গত ১৭ দিন থেকেই সুড়ঙ্গে আটকে থাকার বিষয় নিয়ে উদ্বেগের একটা কারণ কাজ করছিল। আটকে থাকা হুগলির (Hooghly) শ্রমিকদের পরিবারের মানুষদের মধ্যে ছিল তীব্র আতঙ্কের ছায়া। উদ্ধার কাজেও ছিল ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা। সন্ধ্যা আটটার সময় প্রথম শ্রমিক উদ্ধারের খবর টিভির পর্দায় দেখা যায়। প্রথম উদ্ধার হন বিজয় হেরো এবং গণপতি হেরো। এরপর থেকেই সারা দেশের মানুষের মধ্যে আশার আলো সঞ্চার হয়। সময় ক্রমশ বৃদ্ধি পেলে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। মাত্র ত্রিশ মিনিটে উদ্ধার হন ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধারের পরেই সকল শ্রমিককে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। স্বাস্থ্যের সম্পর্কে খোঁজখবরও নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: ৪১ জন শ্রমিক বের হতেই জয়দেবের গ্রামে বেজে উঠল শঙ্খ, হল মিষ্টি বিতরণ

    Uttarkashi Tunnel Rescue: ৪১ জন শ্রমিক বের হতেই জয়দেবের গ্রামে বেজে উঠল শঙ্খ, হল মিষ্টি বিতরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ফিরবেন, কাল ফিরবেন করে সতেরো দিন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, ঘরে ফেরেননি উত্তরকাশীর (Uttarkashi Tunnel Rescue) সুড়ঙ্গে আটকে থাকা হুগলির পুরশুড়ার দুই ছেলে সৌভিক পাখিরা এবং জয়দেব প্রামাণিক। ছেলেদের ঘরে ফেরা নিয়ে আশঙ্কা আর উদ্বেগে দিন কাটছিল পরিবারের লোকজনের। মঙ্গলবার সকাল থেকে উদ্বেগে ছিলেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু, বিকেলের পর আশার আলো দেখতে শুরু করেন জয়দেবের পরিবারের লোকজন। একে একে ৪১ জনের মধ্যে জয়দেবও বেরিয়ে এলেন।

    মায়ের সঙ্গে কী কথা বললেন জয়দেব? (Uttarkashi Tunnel Rescue)

    জয়দেবের মা তপতী দেবী ছেলে আটকে থাকার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না। মঙ্গলবারও কান্নাকাটি করেছেন। অবশেষে ছেলে বেরোলেন। একগাল হাসি ফুটল মায়ের মুখে। ভিডিয়ো কলে কথাও হল। মা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন আছিস?” কয়েক সেকেন্ডের স্তব্ধতা। তার পর জবাব এল- ‘ভালো… ভালো।” মায়ের পরের প্রশ্ন, “বাড়ি কখন আসবি?” এবার জবাব এল, “এখন আর ফিরব না। কাজ আছে।” শুনেই হেসে ফেললেন মা। হাসছেন পরিবারের সবাই।

    গ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ

    উত্তরকাশী (Uttarkashi Tunnel Rescue) জেলার ব্রহ্মতাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের উপর সিল্কিয়ারা এবং ডন্ডালহগাঁওের মধ্যে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে কাজ করতে গিয়েছিলেন হুগলির পুরশুড়ার বাসিন্দা জয়দেব প্রামাণিক। গত ১২ নভেম্বর হঠাৎই সেই সুড়ঙ্গের একাংশে ধস নামে। জয়দেবের পরিবারের সঙ্গে গোটা গ্রামের মানুষ গত কয়েকদিনে মুষড়ে পড়েছিলেন। ৪১ জন শ্রমিক উদ্ধার হওয়ার দিন গুনতেন। মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামবাসীর এসে জয়দেবের বাড়িতে ভিড় করতে শুরু করেন। টিভির পর্দায় নজর রাখেন সকলেই। একে একে সকলে উদ্ধার হতেই জয়দেবের দিকে নজর ছিল সকলের। জয়দেব উদ্ধার হতেই গ্রামজুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। জয়দেবের উদ্ধারের খবর পেতেই শঙ্খধ্বনি শুরু হয় গ্রামে। মিষ্টিমুখ করলেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। গোটা গ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ।

    উদ্ধারকারী দলকে ধন্যবাদ জানালেন জয়দেবের বাবা

    জয়দেবের বাবা তাপস প্রামাণিক ধন্যবাদ দিলেন উদ্ধারকারী দলকে। তিনি বলেন, ঈশ্বরকে বললাম, তোমরা আছো। ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। ও ভালো আছে। ছেলেদের সাহস দেখে তো আমরাও বল পেয়েছি। ভেবেছি, ওরা যদি ওভাবে আটকে থেকে এরকম থাকতে পারে, আমরা কেন সাহস নিয়ে থাকতে পারব না? গত কয়েক দিন দোকান খুলতে ইচ্ছে করেনি। আজ আমি খুশি। যে ভাবে আমার প্রতিবেশীরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, তাতে আমি ধন্য।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share