Tag: hospital

hospital

  • Kalyani AIIMS: রাজ্য সরকারের বন্ডের গেরো! কল্যাণী এইমস হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসক

    Kalyani AIIMS: রাজ্য সরকারের বন্ডের গেরো! কল্যাণী এইমস হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) হাসপাতাল চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকেই রোগীরা ভিড় করছেন। বাংলাদেশ থেকেও বহু রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে চিকিৎসক পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, চিকিৎসক সংকটে ভুগছে এই হাসপাতাল। বিজ্ঞাপন দিয়েও মিলছে না সাড়া।

    আউটডোরে প্রতিদিন আসেন আড়াই হাজার রোগী! (Kalyani AIIMS)

    হাসপাতাল (Hospital) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আউটডোর ইউনিট চালু হয়। আর চলতি বছরে ২৫ ফেব্রুয়ারি গুজরাত থেকে কল্যাণী এইমস-এর (Kalyani AIIMS) ইন্ডোর পরিষেবার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গোড়ায় আউটডোরে রোগীর সংখ্যা দিনে একশোও হত না। এখন দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার রোগী হাসপাতালে আসেন। বেডের সংখ্যা ৯৬০। চিকিৎসকদের জন্য ২৫৯টি পদ রয়েছে। কিন্তু, শূন্যপদের সংখ্যা একশোরও বেশি। বিজ্ঞাপন দিয়েও ভিনরাজ্যের চিকিৎসকদের কাছ থেকে সাড়া মেলেনি। এর ফলে সীমিত লোকবলে পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অবস্থানগত কারণে চিকিৎসক পদে ভিনরাজ্যের আবেদনকারীর সংখ্যা কম। তাছাড়া বাংলা থেকে দক্ষ চিকিৎসক পেতেও সমস্যা হচ্ছে। মূলত, নতুন চিকিৎসকদের জন্য সরকার ৩ বছরের বন্ড চালু করেছে। তাই তাঁরা চাইলেও আবেদন করতে পারছেন না।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    কল্যাণী এইমস-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কী বললেন?

    কল্যাণী এইমস-এর (Kalyani AIIMS) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রামজি সিং বলেন,”চিকিৎসকদের সংখ্যা কম। এই মুহূর্তে হাসপাতালে (Hospital) ১৫৭ জন চিকিৎসক রয়েছেন। ফলে, আমরা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছি। যেখানে শূন্যপদের সংখ্যা ২৫৯। সম্প্রতি আমরা বিজ্ঞাপন দিয়েছি। কিন্তু, আবেদনকারীর সংখ্যা যেমন কম, তেমনই যোগ্য প্রার্থীর অভাব রয়েছে। আর এখানকার চিকিৎসকরা রাজ্য সরকারের বন্ডের নিয়মে আবেদন করতে পারছেন না। বাংলার মানুষকেই আমরা পরিষেবা দিচ্ছি। তাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলে চিকিৎসা পরিষেবা আরও ভাল হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষীদের ‘দাদাগিরি’। যার জেরে রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়া জেলার কল্যাণী (Kalyani) গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কল্যানীর ওই হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত সরকারি আধিকারিকের নাম সুশান্তকুমার বালা। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সুশান্তবাবুর বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। শুক্রবার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ভাই উকিল বালাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সুশান্তবাবু অসুস্থ ভাইকে দেখতে  হাসপাতালে যান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু, তাঁদের হাসপাতালের গেটেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। এরপর সুশান্তবাবুর এক আত্মীয়কে ধরে হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মীরা মারধর করেন। ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁকেও মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ আধিকারিকরা। হাসপাতাল থেকে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    আক্রান্ত সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    হাসপাতালে (Kalyani) নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে মার খাওয়ার পর আক্রান্ত সুশান্তবাবু বলেন,  ভাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা শুধু ভাইকে দেখতে চেয়েছিলাম। ওরা এভাবে রক্তপাত করল। আমি জখম হয়েছি। যা বলার পুলিশ-প্রশাসনকে বলব। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে বচসা হচ্ছিল। আচমকাই মারধর করা শুরু হয়ে যায়। তবে, হাসপাতালের (Hospital) মধ্যে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    নিরাপত্তারক্ষীরা কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতালে (Hospital)  নিরাপত্তারক্ষীদের বক্তব্য, রোগী দেখার সময় ওরা আসেনি। ওরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করছিল। আমরা বাধা দিয়েছি। কোনও হামলা করিনি। ওরা মারধর করেছে। কারও গায়ে আমরা হাত দিইনি। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC 21 July: ২১ জুলাই শাসকের শক্তি প্রদর্শন ঘিরে দুর্ভোগ মানুষের, কী হবে মুমূর্ষ রোগীদের?

    TMC 21 July: ২১ জুলাই শাসকের শক্তি প্রদর্শন ঘিরে দুর্ভোগ মানুষের, কী হবে মুমূর্ষ রোগীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাই (TMC 21 July) তৃণমূলের শহিদ দিবস! শহিদ দিবস কার্যত পরিণত হয়েছে শক্তি প্রদর্শন দিবসে। তৃণমূলের এহেন সমাবেশকে ঘিরে দুর্ভোগের সীমা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। আর এতেই উঠছে প্রশ্ন! রাস্তায় অমিল বাস। মানুষ গন্তব্যে যেতে পারছেন না। চূড়ান্ত দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন যাত্রীরা। জানা গিয়েছে, একুশে জুলাই সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহর কলকাতায় ন’টি বড় রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। রবিবার এমন চিত্র দেখা গেলেও শনিবার থেকেই বাসের সংখ্যা হু হু করে কমে গিয়েছে এবং শনিবার থেকেই হাওড়া স্টেশন সমেত শিয়ালদা স্টেশনে ব্যাপক ভিড় দেখা গিয়েছে।

    ট্রেনে টিকিট কাটার তো বালাই নেই (TMC 21 July)

    ট্রেনে টিকিট কাটার তো বালাই নেই। গতকালই এমন এক তৃণমূল কর্মী (TMC 21 July) ধরা পড়লে নিজের ব্যাজ দেখিয়ে তিনি বলেন এটাই তো টিকিট। এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠছে আপৎকালীন পরিষেবার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন কলকাতা পুলিশের কর্তারা? কোথাও যদি দুর্ঘটনা ঘটে সেক্ষেত্রে দমকল পরিষেবার কী হবে? প্রসঙ্গত, ডোরিনা ক্রসিং-এর কাছে মঞ্চ বাঁধা হয়েছে। এর ঠিক ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যেই রয়েছে শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল। কলকাতা ( Ambulance) মেডিকেল কলেজ, এসএসকেএম এবং এনআরএস। শুধু কলকাতায় নয় দেশের বাইরেও বহু মানুষ প্রত্যহ চিকিৎসা করাতে আসেন এখানে। সব সময় লেগে থাকে ভিড়।

    তৃণমূলের (TMC 21 July) শক্তি প্রদর্শনকে ঘিরে কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের

    কিন্তু ২১ জুলাই যদি কোনও মুমূর্ষ রোগী আটকে যান ( Ambulance) তাহলে সেক্ষেত্রে কী হবে? এমন প্রশ্নের উত্তর কেউই দিতে পারছেন না। কী ব্যবস্থা রেখেছে পুলিশ? মুমূর্ষ রোগীদের (TMC 21 July) যাতায়াতের জন্য? সে উত্তরও নেই। আমহার্স্ট স্ট্রিট, বিধান সরণি কলেজ স্ট্রিট, ব্রাবোন রোড, স্ট্যান্ড রোড, রবীন্দ্র সরণি সর্বত্র যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছে পুলিশ। একুশে জুলাই তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনকে ঘিরে কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। তবে যেহেতু শাসক দল তাই মুখ খুলতে অনেকে ভয় পাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পরই রাজ্যে হাসপাতালের শ্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপরই রাজ্যজুড়ে হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে বাহারি রং করা হয়েছে। কিন্তু, হাসপাতালে পরিষেবা সেই আগের মতো কঙ্কালসার। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে তিতি বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    এই হাসপাতালের ওপর বড়ঞাসহ (Murshidabad) আশপাশের লক্ষাধিক মানুষ নির্ভরশীল। মনোজ ঘোষ নামে এক রোগী বলেন, “শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু, হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে, আমাদের মতো বহু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কান্দি হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।” সুকুমার ভল্লা নামে রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, “আমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাবার রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু, এই হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নেই। তাই, আমরা খুব দুশ্চিন্তাই রয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি বলেছি। হাসপাতালে পরিষেবা নেই বলে তাঁরা জানিয়েছেন।” রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “এই হাসপাতালে মেলেনা অক্সিজেন, মেলেনা রক্ত, হয় না কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে হাঁসফাস অবস্থা হচ্ছে বয়স্ক রোগীদের। অথচ লোক দেখানো করে হাসপাতালের বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কোনও রোগী এই হাসপাতালে (Hospital) আসলে রক্ত, অক্সিজেনের অভাবেই মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নজরই নেই।” অবিলম্বে পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    হাসপাতালের বিএমওএইচ কী বললেন?

    হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, “আমাদের পরিকাঠামোর মধ্যে যতটা পারা যায়, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, যে ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আর অক্সিজেন অনেক সময় না থাকলে পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হতে পারে। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কর্তব্যরত নার্সকে চড় তৃণমূল প্রধানের! শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল গেটে ধর্না

    Murshidabad: কর্তব্যরত নার্সকে চড় তৃণমূল প্রধানের! শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল গেটে ধর্না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সকে চড় মারার অভিযোগ উঠল সালারের তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্নায় বসেছেন নার্সরা। এই প্রধানের বিরুদ্ধে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাস্তির দাবি করেছেন নার্সরা। ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার সালার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    বচসার পর আচমকা থাপ্পড় (Murshidabad)!

    রবিবার সকালে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে (Murshidabad) রোগীর চিকিৎসা পরিষেবায় অসন্তোষ প্রকাশ করে, কর্তব্যরত এক নার্সকে চড় মারেন স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান। জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রধান রেজিনা বিবির মেয়ে গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে সঠিক ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছিল না। একই সঙ্গে ডাক্তার এবং নার্সেরা গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না রোগীকে। এরপর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রধান রেজিনা বিবি নিজেই হাসপাতালে যান। কিন্তু চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা না হলেও নার্সদের সঙ্গে রোগীর পরিষেবা নিয়ে কথা বলেন তিনি। কথা বলতে বলতে এক কথা দু-কথায় বচসা শুরু হয়। এরপর প্রধান আচমকাই এক নার্সের গালে থাপ্পড় মেরে বসেন। এই ঘটনার পরই বিরাট শোরগোল পড়ে যায়। এরপর কর্তব্যরত নার্সেরা একত্রিত হয়ে হাসপাতালের গেটের কাছে দোষীকে অবিলম্বে শাস্তির দাবিতে পোস্টার দেন। একই সঙ্গে প্রতিবাদ ধর্নায় বসেন তাঁরা।

    আরও পড়ুনঃ ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    শাস্তি চাই বললেন আক্রান্তের স্বামী

    আক্রান্ত নার্সের স্বামী এই প্রেক্ষিতে বলেছেন, “যা ঘটেছে তা অত্যন্ত অন্যায়, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। অপরাধীর শাস্তি চাই।” আবার ভরতপুরের (Murshidabad) ২ নম্বর তৃণমূল সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, “সরকারি হাসপাতালে নার্সদের এই ভাবে মারধর করলে, দল কখনই সমর্থন করবে না। তিনি প্রধান এবং একই সঙ্গে মা। বিচলিত ছিলেন, তাই হয়তো এই রকম আচরণ করে ফেলেছেন। তবে প্রধান যদি দায়িত্ব জ্ঞান ভুলে গিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সবটা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: “হাসপাতালে নেই কোনও পরিষেবা”, রোগীদের ক্ষোভ মুখ বুজে হজম করলেন তৃণমূল সাংসদ

    Burdwan: “হাসপাতালে নেই কোনও পরিষেবা”, রোগীদের ক্ষোভ মুখ বুজে হজম করলেন তৃণমূল সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল (Trinamool Congress) সাংসদ তথা চিকিৎসক শর্মিলা সরকার। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান (Burdwan) শহর লাগোয়া একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সাংসদকে কাছে পেয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা। রোগীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন সাংসদ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Burdwan)

    সাংসদ হওয়ার পর পূর্ব বর্ধমানে (Burdwan) স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে যান স্থানীয় শর্মিলা সরকার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও অজয় কুমার দণ্ডপাত। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পবিত্র রায় ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বামদেব মণ্ডল। রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, এখন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেশিরভাগ রোগী ডায়েরিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। অথচ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের যা অবস্থা তাতে রোগমুক্ত হওয়ার চেয়ে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গ্লাসে করে জল তুলে রোগীকে স্নান করাতে বাধ্য হচ্ছি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রান্না করার ব্যবস্থা থাকলেও রান্না করা হয় না। হোম ডেলিভারি হিসেবে খাবার নেওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। আর সেই খাবারের গুণগত মান ভালো না। আর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা খারাপ। এতটাই নিম্নমানের যে সাধারণ মানুষ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিবাদ জানাতে গেলেই থানা পুলিশের ভয় দেখানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    তৃণমূল সাংসদ কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) সাংসদ শর্মিলা বলেন, “স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা ভালো নয়। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তা জানলাম। শৌচালয়গুলির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সেখানে একটি মগ কিংবা বালতি কিছুই নেই। ইতিমধ্যেই বিডিও এবং বিএমওএইচ-এর সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পুরনো কথা তুলে লাভ নেই। কী করে পরিষেবা উন্নত করা যায় তা দেখা হবে।”

    বিএমওএইচ কী বললেন?

    এ বিষয়ে বিএমওএইচ (Burdwan) তুষারকান্তি বিশ্বাস বলেন, “এসব অভিযোগ পুরো মিথ্যা। মূলত, অর্থ এবং পরিকাঠামোর অভাব আছে। আমি সমস্ত স্তরে বিষয়টি জানিয়েছি। আসলে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অকারণে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৯ মাস ধরে বেতন মিলছে না। কর্মবিরতির হুমকি গত মাসেই  দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও টনক নড়েনি প্রশাসন বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোমবার দুপুর থেকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা সদর হাসপাতালে আচমকা  কর্মবিরতি শুরু করে দিলেন সাফাই কর্মীরা।

    হাসপাতালে পরিষেবা শিকেয় (Balurghat)

    গত কয়েকদিন আগে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতাল (Hospital) সেরার শিরোপা পায়। সুপার স্পেশালিটি এই হাসপাতালে কলকাতার এক এজেন্সির অধীনে কর্মীরা রয়েছেন। ৯ মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সির মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, নিয়মিত বেতনের দাবিতে এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের পুরনো ভবনের অস্থায়ী কর্মীরা। আর এতেই প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের পরিষেবায়। প্রায় ১১৬ জন অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী এভাবে কর্ম বিরতিতে যোগ দেওয়ায় পুরো হাসপাতাল জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। পুরো হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, পিপি ইউনিট, ডায়ালিসিস, সি সি ইউ, এস এন সি ইউ, লিফট সহ সমস্ত পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা থেকে সাফাই কোনও কিছুই কার্যত এদিন থেকে আর হচ্ছে না। এভাবে এতজন কর্মী একসঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্ম বিরতিতে যাওয়ার কারণে মাথায় হাত পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও। জেলা হাসপাতাল সুপারের পক্ষ থেকে সিএমওএইচ, জেলাশাসকসহ উচ্চ আধিকারিকদের সকলের কাছে এই  বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

     আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

     বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের নেতা yeবিজয় বাঁশফোড় বলেন, আমরা গত ৯ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছি না। সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংসার চালানো সম্ভব নয়। এদিকে সামনের মাস থেকে আর কোনও টাকায় দিতে পারবেন না বলে এজেন্সির মালিক জানিয়ে দিয়েছেন। তাই, পরিষেবা বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা কী বললেন?

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা অজয় কুমার ঘোষ বলেন, গত নয় মাস ধরে নিয়মিত বিল পাচ্ছি না। প্রায় দেড় কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ট্রেজারিতে চারটে বিল জমা করা হলেও, সব থেকে নূন্যতম বিল ছাড়া হচ্ছে। বিষয়টি বারবারই  হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। বকেয়া টাকা না পেলে কী করে আমি কর্মীদের বেতন দেব? 

    হাসপাতাল সুপারের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে (Hospital) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,  বালুরঘাটের ট্রেজারি অফিসার রয়েছেন তিনি উদ্দেশ্য  প্রণোদিতভাবে কর্মীদের বেতন আটকে রেখেছেন। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এমনকী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্ডারেও কর্মীদের বিল ছাড়ছেন না। এভাবে কর্মীদের কর্ম বিরতিতে হাসপাতালে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কিছুটা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    Diarrhea: জামালপুরে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ১০০জন, মৃত্যু হল এক মহিলার, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটের গোলমাল,বমি-সহ ডায়ারিয়ার (Diarrhea) নানা উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী। ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আর এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের  জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া গ্রামে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কী করে একসঙ্গে এতজন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হল তা নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    আক্রান্তের সংখ্যা ১০০! (Diarrhea)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, গত তিন-চারদিন ধরেই ওই গ্রামে ডায়ারিয়ার (Diarrhea) প্রকোপ দেখা দেয়। ঘরে ঘরে বমি, পায়খানা। গ্রামের লোকজনকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটাছুটি চলে। সূত্রের খবর, মোট ৩২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সন্ধ্যা রায় নামে ৫৪ বছরের এক মহিলার মৃত্যু হয়। জামালপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বর্ধমান নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান তিনি। গ্রামবাসীদের দাবি, ডায়ারিয়াতে মারা গিয়েছেন তিনি। দিনের পর দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে বাড়িতে রয়েছেন। সবমিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, কী কারণে গ্রামের এতজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ল তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। অবিলম্বে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ কী বললেন?

    এই বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিএমওএইচ চন্দন মজুমদার বলেন, “আশা কর্মী, মেডিক্যাল অফিসার, মেডিক্যাল টিম সবই গ্রামে পাঠানো হয়েছে। জলও পাঠানো হয়েছে। সংক্রমণ একটা ছিল, তবে তা কমেছে। ফুড সেফটি অফিসার, বিডিও, ওসি এসেছিলেন।” ডায়ারিয়ায় (Diarrhea) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ওই রোগী স্থিতিশীলই ছিলেন। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল। এই অবস্থায় রোগীর আচমকাই শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা শুরু হয়। এমার্জেন্সি হিসাবে যা যা মেডিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া দরকার ছিল, দেওয়াও হয়। তবে, দুর্ভাগ্যজনিত কারণে তিনি মারা যান। কার্ডিও রেসপিরেটরি ফেলিওর হয়ে যায় তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবার বড় নির্দেশিকা (Health News)। কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার (jewellery) পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য কর্মীরা। নয়া নির্দেশিকা (New guidelines) পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অর্থাৎ এবার থেকে কোনও রকম অলঙ্কার পরে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকরা (Doctors)। এমনকি ব্যবহার করা যাবেনা মোবাইল, পরা যাবে না ঘড়িও। সব কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) অধীনস্থ হাসপাতালের সুপার ও ডিরেক্টরকে এমনই নির্দেশিকা পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    ঠিক কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায় (Health News)?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) তরফে যে নির্দেশিকা (Health News) দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এবার থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা (Health workers)। কারণ চুড়ি, ব্রেসলেট, আংটি, ঘড়ি, মোবাইল ফোন থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আইসিইউ (ICU), এইচডিইউ (HDU), অপারেশন থিয়েটার (OT), পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই নির্দেশ কড়া ভাবে মানতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    কী কারণে এই নির্দেশিকা?

    অনেক সময়ই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী সেরে ওঠার শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রক্তে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই এবার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ (Health News) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল অতুল গয়াল বলেছেন,”কনুইয়ের নিচে গয়না পড়লে তা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করায় তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।”

    এর পাশাপাশি গোয়েল জানিয়েছেন যে, এর আগে অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ডাক্তারের অবহেলার কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের (patient) গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই সেই সব ঘটনা পর্যালোচনা করেই এবার এমন সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। উল্লেখ্য করোনার ফার্স্ট ওয়েভেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, হাতের চুড়ি, আংটি, ঘড়ি, ইত্যাদির মাধ্যমেও সংক্রমণ (infections) হতে পারে করোনা ভাইরাসের। তখন সংক্রমণ এড়াতে এসব অলঙ্কারের ব্যবহার কমিয়েছিলেন মানুষ। কিন্তু সংক্রমণ তো নানা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার হতে পারে। তাই এবার সচেতনতা বাড়াতে এই নির্দেশিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সঙ্কটজনক রোগীর উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা উত্তরবঙ্গের কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেই। তাই জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িতে ঝড়ে জখমদের চিকিৎসার জন্য নার্সিংহোমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলতে হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

     কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Jalpaiguri)

    রবিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়িতে ঝড়ের তাণ্ডবে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়। মৃত্যুর ঘটনার পাশাপাশি অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। সেই শহর বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে রবিবার রাতেই চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি যাওয়ার পথে  বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে। সরকারের তরফে সব দেখা হচ্ছে। অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়িতে নেউটিয়া নার্সিংহোমে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি, মানলেন মুখ্যমন্ত্রী

     বেসরকারি হাসপাতালে জখমদের ভর্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট, গত ১৩ বছরে রাজ্যের  সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির যে কথা বলা হয় তা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করে ওয়াকিবহাল মহল ও বিজেপি। তাদের কথায়, উন্নয়নের নামে ঝাঁ-চকচকে বিল্ডিং হয়েছে। কিন্তু, সেখানে না আছে ডাক্তার, না আছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। ফলে, উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় সঙ্কটজনক রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়া যে কোনও উপায় নেই তা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। এবার প্রকাশ্যে তা স্বীকার করলেন।

     কী বলছে বিজেপি?

    দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিদায়ী  সাংসদ এবারও বিজেপির প্রার্থী যথাক্রমে রাজু বিস্তা ও ডাঃ জয়ন্ত রায় বলেন, ৫৫ বছরের পুরানো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওপর মুখ্যমন্ত্রী ভরসা রাখতে পারছে না। তাহলে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে কী কাজ করেছেন। অথচ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছিল। সেই টাকায় বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামও এসেছে। কিন্তু, রাজ্য সরকার চুক্তি মতো ডাক্তার দিতে পারেনি। নানা অজুহাতে সেই সুপার স্পেশালিটি ব্লক এখনও চালু করতে পারেনি। জয়ন্ত রায় বলেন, কারও কারও বাণিজ্য করার জন্যই এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক পুরোপুরি চালু করা হচ্ছে না।

    মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে, তোপ শুভেন্দুর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে বলেন, গত ১৩ বছর ধরে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের রাজত্বে মালদহ থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি বেহাল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ কোথাও নিউরো সার্জেন নেই। তাই অনেক হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টার খোলা হলেও সেখানে চিকিৎসা হয় না। তবু মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতারা প্রচার করেন, রাজ্যে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। ময়নাগুড়ির ঘটনায় সেই মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share