Tag: hospital

hospital

  • Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতেও ঘাতকের রূপ নিল ডেঙ্গি (Dengue)। বুধবার সকালে শিলিগুড়ি পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক যুবকের মৃত্যু হয়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই যুবকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের দাবি, এবছর শিলিগুড়িতে ডেঙ্গিতে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dengue)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ নভেস্বর, মঙ্গলবার ২৭ বছর বয়সী ওই যুবককে এখানে ডেঙ্গি শক সিনড্রোম নিয়ে ভর্তি করানো হয় একটি নার্সিংহোমে। পাঁচদিন ধরে জ্বর ছিল। তার আপার ইন্টেস্টিনাল ব্লিডিং হচ্ছিল। হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, প্লেটেলেট কমে যাওয়ায় দুই ইউনিট প্লেটলেট দেওয়া হয়। আমরা তাঁকে বাঁচানোর সবরকম চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। এদিন সকালে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমে সেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দুলাল দত্ত বলেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তবে এবার প্রথম থেকেই শিলিগুড়ি পুরসভা ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৪২৩ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুর ঘটনা এদিনই প্রথম ঘটল। তবে এবার শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গতবারের মতো ব্যাপক আকার নেয়নি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    ২৭ বছর বয়সের ওই যুবকের মৃত্যুতে শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণের প্রকৃত চেহারা প্রকাশের দাবি তুলেছে বিজেপি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলার অমিত জৈন বলেন, শহরে অনেকদিন থেকেই ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। সেই তথ্য গোপন রেখে মেয়র সহ তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড উৎসব নিয়ে ব্যস্ত। তাই অক্টোবর মাসেই দেড়শোরও বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রন্ত হয়েছেন। পুজোর সময়ে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম (ভিসিটি) কাজ করেনি। মশা নিধনে ফগিং, স্প্রে হয়নি। সকলে উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অক্টোবর মাসে শিলিগুড়ি শহরের ডেঙ্গি ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র সামনে আনছে না পুরসভা। এদিন ডেঙ্গিতে এক যুবকের মৃত্যু হলেও তা আড়াল করার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক বলেন, ওই যুবক ডেঙ্গিতে (Dengue) মারা গিয়েছে, তা এখনই  নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কারণ তার যে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, তার প্রকৃত কারণ জানতে হবে। অন্য কোনও কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে এবং সেই অবস্থাতে সে ডেঙ্গি আক্রান্ত হতে পারে। তাই ওই যুবকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ওষুধের দালাল চক্রের হদিশ মিলল। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য  ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের একাংশ এই দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ। ওধুষের দোকানের মালিকের কথা মতো চিকিৎসকরা ওষুধ লিখছেন। রোগীর পরিবারের লোকজন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই এক ওষুধের দোকানের মালিক জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসকদের পাশে তাঁদের বলার চেয়ারে বসে রোগীদেরকে কি ওষুধ লিখছেন তা নজরদারি রাখছেন। মূলত তার দোকানে যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে, সেই সব ওষুধ রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপশনে লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর খোদ ওষুধের দোকানের মালিকই  হাসপাতালে চিকিৎসকদের চেম্বারে বসে নজরদারি করায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, জরুরি বিভাগে লাইন দিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। কিন্তু, ওই ওষুধের দোকানের মালিক নির্দ্বিধায় হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে চিকিৎসকদের পাশে পাশেই বসে নজরদারি করেন। বাইরে কেউ আসলে অনেকেই তাকে চিকিৎসক ভাববেন। কিন্তু, তিনি দিব্যি হাসপাতালে ঢুকে দিনের পর দিন চিকিৎসকদের উপরে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলত চিকিৎসকদের লেখা প্রেসক্রিপশনে তার দোকানে থাকা ওষুধ লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন হাসপাতালের সুপার?

    দালাল চক্রের সক্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে হাসপাতালে সুপারেরও বিষয়টি নজর এসেছে। হাসপাতালে সুপার শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। কেউ যেন জরুরি বিভাগর এসে চিকিৎসকদের পাশে বসে না থাকে তা দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন বিষয়টি নজরদারি করব। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন অভিযুক্ত ওষুধের দোকানের মালিক?

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওষুধের দোকানের মালিক দেবাশিস দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, এক মাসের ফিট সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য আমি হাসপাতালে এসেছিলাম। তবে চিকিৎসকের পাশে বসা আমার ঠিক হয়নি। আগে কখনো বসিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। চিকিৎসকদের ওষুধ লেখার ব্যাপারে আমি কোন প্রভাবিত করি না। আমাকে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: গ্রামীণ হাসপাতালে নেই স্যালাইন, চড়া দামে কিনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে

    Paschim Medinipur: গ্রামীণ হাসপাতালে নেই স্যালাইন, চড়া দামে কিনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় ঘটা করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তৈরির হিড়িক পড়ে গিয়েছে। মহকুমা বা গ্রামীণ হাসপাতালগুলিকে নীল-সাদা রং করে ঝাঁ চকচকে করার উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল সরকার। কিন্তু, ঝাঁ চকচকে বিল্ডিংয়ের ভিতরে রোগীদের ন্যূনতম চিকিৎসা পরিষেবা বলে কিছু নেই। এটা বিরোধীদের কোনও অভিযোগ নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর পরিবারের লোকজন এই অভিযোগ করছেন। এই সরকারি হাসপাতালে অমিল স্যালাইন। জেলার অধিকাংশ গ্রামীণ হাসপাতালেই এই এক চিত্র। রোগী বাঁচাতে পরিবারের লোকজনকে হাসপাতালের বাইরের দোকান থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে স্যালাইন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন পরিষেবা না পাওয়া রোগীর পরিবারের লোকজন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুর চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে অমিল স্যালাইন, তাই বাধ্য হলেই হাসপাতালের বাইরে ওষুধ দোকান থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে স্যালাইন। এই গ্রামীণ হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসার জন্য শয়ে শয়ে রোগী আসেন। কিন্তু, এই হাসপাতালে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অমিল রয়েছে স্যালাইন পরিষেবা। ইমের্জেন্সি বিভাগে থাকা চিকিৎসকরা রোগীর প্রয়োজন মতো পরিজনদের লিখে দিচ্ছেন স্যালাইনের কথা। রোগী বাঁচাতে দোকানে ছুটছেন রোগীর পরিজনেরা। চড়া দামে দোকান থেকে স্যালাইন কিনে আনছেন তাঁরা, সেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে রোগীদের। আর এতেই ক্ষুব্ধ রোগীর পরিজনেরা। চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁর পরিজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে পাওয়ার কথা স্যালাইন, সেই স্যালাইন কিনা কিনে আনতে হচ্ছে দোকান থেকে।

    কী বললেন বিএমওএইচ?

    স্যালাইন সরবরাহ নিয়ে সংকট যে তৈরি হয়েছে, তা কার্যত মেনে নিচ্ছেন চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ স্বপ্ননীল মিস্ত্রি। তিনি বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার অন্য হাসপাতালের মতো এই হাসপাতালে স্যালাইনের জোগান নেই। রোগীদের গাঁটের টাকা খরচ করে যাতে স্যালাইন কিনতে না হয় সেই ব্যবস্থা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে যে সব রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাঁদের যাতে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে না হয়, তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: ফের করোনার চোখরাঙানি, কোভিড আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু বর্ধমান মেডিক্যালে

    Covid 19: ফের করোনার চোখরাঙানি, কোভিড আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু বর্ধমান মেডিক্যালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) ভীতি অনেকটাই কেটে গিয়েছে রাজ্যবাসীর। রাস্তাঘাটে, বাজারে মাস্ক পরে আর খুব বেশি মানুষকে দেখা যায় না। করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও এখন নেই বললেই চলে। স্বাস্থ্য দফতরও করোনা নিয়ে কোনও উদ্বেগের কথা বলেনি। বরং, নতুন করে এখন চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ডেঙ্গি। রাজ্যে কয়েকশো মানুষ এখন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত রয়েছেন। অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে করোনা নিয়ে নতুন করে ফের আতঙ্ক শুরু হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

    করোনা (Covid 19) আক্রান্ত হয়ে দুজনের কোথায় মৃত্যু হল?

    রবিবার সন্ধ্যা এবং সোমবার সকালে দু’দিনে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দু’জন কোভিড (Covid 19) আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন আরও কয়েকজন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ভাতারের ৬০ বছরের এক বৃদ্ধ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষার পর তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। অন্যদিকে, সোমবার সকালে মারা যান দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার ৬১ বছরের এক বৃদ্ধ। তিনি কয়েকদিন আগে বর্ধমান মেডিক্যালে ভর্তি হন। পরবর্তী সময়ে তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী ভর্তি রয়েছেন। করোনার (Covid 19) উপসর্গ নিয়ে অনেকে ভর্তি হয়েছেন। অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। তবে, করোনা আক্রান্ত হয়ে গত দুদিনে পর পর দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্বেগ অনেকটাই বেড়েছে। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে যে দুজন মারা গিয়েছেন, তাঁরা অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। দু’জনেই অন্যান্য রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল এখন (Purba Bardhaman) মশার আঁতুর ঘর। যত্রতত্র পড়ে রয়েছে আবর্জনা। অসুস্থ রোগীকে ভর্তি করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীর আত্মীয়রা, এমনটাই অভিযোগ রোগীর আত্মীয়-পরিজনদের। দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। ভারপ্রাপ্ত সুপার দায় ঠেলেছেন পুরসভার উপর।

    মূল সমস্যা কী (Purba Bardhaman)?

    কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে (Purba Bardhaman) রোগীর বেড সংখ্যা ২৫০। শুধু কাটোয়া মহকুমায় পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও আরও তিনটি জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও রোগীরা এসে ভর্তি হন। এই জন্যই সব সময় চাপ থাকে কাটোয়া মহাকুমা হাসপাতালে, বর্তমানে রোগীর সংখ্যা ৩০০ রও বেশি। রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রচণ্ড দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতাল জুড়ে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে নোংরা, আবর্জনা এবং প্যাকেট। পাশাপাশি হাসপাতালের প্রত্যেকটি ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে। এই মুহূর্তে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে দুজন ভর্তি এবং ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আরও দুজন। এছাড়াও অজানা জ্বর নিয়ে বেশ কিছু রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।।

    রোগীর পরিবারের অভিযোগ

    রোগীর পরিবারের আত্মীয়দের অভিযোগ, যে হাসপাতালের (Purba Bardhaman) বিশ্রাম ঘরে মানুষ বসে থাকবে, সেই বিশ্রাম ঘর এখন দখল করেছে কুকুরেরা। বসার জায়গাগুলি হয়েছে একেবারেই আবর্জনার স্তূপ। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, রোগীর সঙ্গে হাসপাতালে এসে আমরাও রোগী হয়ে যাচ্ছি! তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষকে বলবো হাসপাতালের পরিধিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) সুপারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রত্যেক বছর এই সময়ে জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে নিয়মিত হাসপাতাল পরিষ্কার করা হচ্ছে। দিনে তিনবার করে সাফাই অভিযান চলছে। পুরসভার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে এই কাজকে আরও নজরে রেখেছি। তবে পুরসভাকে আরও সক্রিয় হতে হবে বলে জানানো হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতাল যেন ডেঙ্গির আঁতুড় ঘর! যত্রতত্র আবর্জনা ও জমা জল!

    Nadia: কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতাল যেন ডেঙ্গির আঁতুড় ঘর! যত্রতত্র আবর্জনা ও জমা জল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই জেলার হাসপাতাল। অপরিচ্ছন্নতার কারণে সেই হাসপাতালই যেন হয়ে উঠেছে ডেঙ্গির আঁতুড় ঘর। এমনটাই অভিযোগ রোগীর পরিবারের। নদিয়ার (Nadia) কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমরিয়াল (জেএনএম) হাসপাতালের ঘটনা। রোজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী। অথচ হাসপাতালের মধ্যেই নোংরা, আবর্জনা এবং জমা জলের অপরিচ্ছন্নতায় সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগীর আত্মীয়রা অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল পাননি। ফলে সাংবাদিকদের সামনে বেহাল পরিস্থিতির কথা বলে সরব রোগীর পরিবার। আজ কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে নদিয়ার হাঁসখালি গ্রামের আরও এক ১১ বছরের বালকের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারাগেছে বলে জানা গেছে।  

    কেমন অবস্থা হাসপাতালের (Nadia)?

    হাসপাতালের (Nadia) ভিতরে ঢুকতেই গেলে দেখা যাবে, যত্রতত্র পড়ে আছে আবর্জনা ও জমা জল। এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে বসে থাকতে হচ্ছে রোগীর পরিবারের সদস্যদের। একদিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধের জন্য ঘুম উড়েছে স্বাস্থ্য দফতরের, অন্যদিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদাসীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একাধিক রোগীর পরিবারের অভিযোগ, গোটা হাসপাতাল চত্বর ভরে গেছে জলা জঙ্গলে। আর সেখান থেকেই বাড়ছে মশার উপদ্রব। হাসপাতালের শৌচালয়গুলির এতটাই ভগ্নদশা যে ব্যবহারের যোগ্য নয়। দুর্গন্ধে ভিতরে প্রবেশ যায় না। যদিও রোগীরা ভর্তি থাকার কারণে অব্যবস্থার মধ্যেই হাসপাতালে রাত্রিবাস করতে হয় পরিবারদের। এখন দেখার হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে কী ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষে। নাকি এভাবেই অব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হবে হাসপাতাল।

    রোগীর পরিবারদের বক্তব্য

    হরিণঘাটা (Nadia) থেকে স্বামীকে নিয়ে আসা এক রোগীর স্ত্রী পূর্ণিমা দাস বলেন, গতকাল ৩ টের সময় আমি আমার স্বামীকে হাসপাতালে ভর্তি করি। আমার স্বামী ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। রাত ৯ টার সময় ডাক্তার স্বামীকে দেখে গেছেন। এদিকে হাসপাতালের টয়লেট খুব নোংরা, ভিতরে ঢোকা যায় না। তিনি আরও বলেন, রোগীর আত্মীদের যেখানে থাকতে দেওয়া হয়েছে, সেখানেই প্রচুর ময়লা আর জল জমে রয়েছে। সংক্রমণের আঁতুড় ঘরে পরিণত হয়েছে। রোগী সুস্থ হবে কম, রোগী অসুস্থ হবে বেশি এই হাসপাতালে।  

    উল্লেখ্য গতকাল একই দিনে ডেঙ্গি প্রাণ কেড়েছে নদিয়ার দুই বাসিন্দার। এর মধ্যে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে রানাঘাটের বাসিন্দা বছর ৪৫-এর এক মহিলার। প্রত্যেকেরই ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। রাজ্যে এই বছরে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে নদিয়া জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South Dinajpur: বেপাত্তা চিকিৎসক, তালাবন্ধ সরকারি হাসপাতাল, রোগী মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    South Dinajpur: বেপাত্তা চিকিৎসক, তালাবন্ধ সরকারি হাসপাতাল, রোগী মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেপাত্তা চিকিৎসক। ৩ দিন ধরে তালা বন্ধ হয়ে রয়েছে সরকারি হাসপাতাল। খোঁজ নেই নার্স ও অনান্য স্বাস্থ্যকর্মীদেরও। আর যার জেরে বিনা চিকিৎসাতেই মৃত্যু হয়েছে এক রোগীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) কুমারগঞ্জ ব্লকের সমজিয়া গ্রামপঞ্চায়েত।  প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষের সুবিধার জন্য গড়ে উঠেছিল ১০টি বেডের সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বৃদ্ধি পেয়েছে বেডের সংখ্যাও। বর্তমানে ২০টি বেড রয়েছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রসূতি মহিলাদের সমস্ত রকম চিকিৎসা ছাড়াও ডায়েরিয়া বা রাতবিরেতে যে কোনও অসুখ  বিসুখের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির দায়িত্বে রয়েছেন একমাত্র চিকিৎসক এস বি মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিচালনার জন্য রয়েছেন ৫ জন নার্স এবং ৭ জন সরকারি কর্মী। অভিযোগ, সরকারি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একমাত্র চিকিৎসক শুক্রবার থেকে আচমকাই বেপাত্তা হয়ে যান। শুধু তাই নয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নার্স সহ বাকি কর্মীরাও হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। যার জেরেই প্রায় ৩ দিন ধরে তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে সরকারি এই হাসপাতালটি। এদিকে গত ২২ জুলাই স্থানীয় রসুলপুর এলাকার এক যুবক তথা মৎস্যজীবী সাগর মহন্ত আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে তড়িঘড়ি সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হলেও তার চিকিৎসা হয়নি। তালাবন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাউকেই খুঁজে পায়নি তাঁর পরিবারের লোকজন। এরপর স্থানীয় কুমারগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    হাসপাতালে পরিষেবা না পেয়ে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল কেন তালাবন্ধ হয়ে পড়ে থাকবে? একমাত্র চিকিৎসক ছুটিতে থাকলেও তা নিয়ে কেন হেলদোল নেই স্বাস্থ্য দফতরের। বাকি নার্স ও  স্বাস্থ্যকর্মীরাই কেন বেপাত্তা হয়ে থাকল? এই সব প্রশ্ন তুলে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চরম অব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই একই সমস্যা চলছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (South Dinajpur) এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। হাসপাতাল তালাবন্ধ থাকার কারণে বিনা চিকিৎসাতেই এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কেন বারবার এসব ঘটনা ঘটছে। এসব বন্ধ হওয়া উচিত। স্বাস্থ্য দফতরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

    কী বললেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে তারজন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: ন্যায্য মূল্যের ওষুধ না পেলে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, বললেন মন্ত্রী অখিল গিরি

    Tamluk: ন্যায্য মূল্যের ওষুধ না পেলে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, বললেন মন্ত্রী অখিল গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটা করে সরকারি হাসপাতাল (Tamluk) গুলোতে শুরু হয়েছিল ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান। আজ সেই দোকান গুলো থেকে সময় মতো পাওয়া যাচ্ছে না ওষুধ। এলাকার মানুষকে ন্যায্য মূল্যের প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে বাইরে থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। অভিযোগ জানিয়েও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে বিশেষ অভিযোগ এলাকাবাসীর।   

    কী সমস্যা তমলুক (Tamluk) হাসপাতালে?

    দীর্ঘদিন ধরেই তমলুক হাসপাতালে (Tamluk) আসা রোগী ও তাঁদের পরিবারের অভিযোগ ছিল, হাসপাতালের মধ্যে ন্যায্য মূল্যের দোকানে কোনও ওষুধ মেলে না। বাইরে থেকেই চড়া দামে ওষুধ কিনে এনে রোগীদের প্রয়োজন মেটাতে হচ্ছে। এই প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে যে, যেখানে ন্যায্য মূল্যের দোকানে ওষুধ পাওয়া যায়, সেই জায়গায় কেন চড়া দামে ওষুধ নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে ?

    হাসপাতালের (Tamluk) রোগীদের অভিযোগ

    গ্যাসের সমস্যা নিয়ে আসা শম্ভু জানা নামক এক রোগীর বক্তব্য, আমরা গ্রামের মানুষ, দশ কিলোমিটার দূর থেকে এসেছি হাসপাতালে স্বাস্থ্য দেখাতে। হাসপাতালে (Tamluk) এক্স রে হচ্ছে না, প্রয়োজনীয় ওষুধ এখানে দেওয়া হচ্ছে না, ন্যায্য মূল্যের দোকানে দরকারি ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে না। শম্ভু বাবু আরও বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে আবেদন করব গ্রাম বাংলার স্বাস্থ্য পরিষেবা যাতে ঠিক করে সাধারণ মানুষ পান তার বিষয়টা যেন বিবেচনা করেন। হাঁটুর ব্যাথা নিয়ে আসা আরেক রোগী কল্যাণী রায় বলেন, এত দূর থেকে আসলাম কিন্তু ডাক্তার বাবুর দেওয়া ওষুধ, হাসপাতালের ন্যায্য মূল্যের দোকানে পাওয়া যায় না। ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে বলা হচ্ছে। রোগীদের প্রশ্ন বাইরে থেকে কিনতে হলে এখানে হাসপাতালে কেন আসলাম? এইরকম অভিযোগ করেন কল্যাণী দেবী। সরকারি হাসপাতালের যেমন পরিষেবার অভাব, ঠিক তেমনিই নেই স্বাস্থ্যের জন্য ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে প্রয়োজনীয় ওষুধ। সাধারণ মানুষকে অত্যন্ত অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে অথচ প্রশাসন নিষ্ক্রিয়।     

    তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীর বক্তব্য

    গত ১৪ মে তৃণমূলের মন্ত্রী অখিল গিরি তমলুকে এক অনুষ্ঠানে এসে বলেন, সরকারি হাসপাতালে (Tamluk) ওষুধ রয়েছে কিন্তু দেওয়া হয় না, বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। আরও বলেন, সরকার তাহলে যে ওষুধ দিচ্ছে তা কোথায় যাচ্ছে? স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বলেন যে ওষুধ তো সরকার দিয়েছে তাহলে আমরা কেন নেবো? রোগীদের বাইরে থেকে কেন কিনতে বলব আমরা? আর তাই যদি হয় তাহলে সরকারের দেওয়া ওষুধের কি হবে? বলে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলেন। উনি আরও বলেন, এর ফলে আমাদের সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আর এরকম করা আমাদের চলবে না বলে বুঝিয়ে দেন। সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবনতির কথা খুব স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করে নেন মন্ত্রী অখিল গিরি। মন্ত্রীর কথায় রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের ঘুম কবে ভাঙ্গবে তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • River Bridge: বিধায়কের আশ্বাসও জলে! বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর দাবি অধরাই

    River Bridge: বিধায়কের আশ্বাসও জলে! বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর দাবি অধরাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট শহর সংলগ্ন রঘুনাথপুর থেকে ওপারের কালিকাপুর সংযোগকারী আত্রেয়ী নদীতে বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর (River Bridge) দাবি স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এই দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু দিনের পর দিন তাঁরা প্রতিশ্রুতিই শুনে এসেছেন। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এমনকী বিধায়কের আশ্বাসও বিফলে গেছে।

    জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের এপারে আনতে হয়

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ও বালুরঘাটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আত্রেয়ী নদী। বালুরঘাট শহর সংলগ্ন রঘুনাথপুর ও কালিকাপুরের মাঝখানে থাকা আত্রেয়ী নদীর উপরেই রয়েছে অস্থায়ী বাঁশের সেতু। রঘুনাথপুর বা শহরের মানুষজনকে কাজের প্রয়োজনে ওপারে যেতে হয়। কিন্তু ওপারে থাকা কালিকাপুর, বেলাইন, ধাওল, ডাকরা, চন্দ্রদৌলা, পার্বতীপুর, মাহাতোপাড়া, কাশীপুর সহ আরও বেশ কিছু গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে রোজ সেতু পেরিয়ে সদর বালুরঘাট সহ অন্য যে কোনও প্রান্তে যেতে হয়। বালুরঘাটের রঘুনাথপুরে রয়েছে জেলা হাসপাতাল। ফলে ওপারের মানুষকে এপারে আসতে হয় এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের এপারে আনতে হয়। বর্ষার কয়েকমাস নৌকায় পারাপার চললেও সারা বছর মানুষ যাতায়াত করে বাঁশের সেতু বানিয়ে। ২০১৭ সালে এলাকার একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা ওই এলাকার সেই সময়কার বিধায়ক বাচ্চু হাঁসদা বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতু (River Bridge) করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেতু তৈরির ব্যাপারে কাউকে একধাপও এগতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের।

    বাসিন্দারা কী বলছেন?

    স্থানীয় বাসিন্দা রিন্টু সূত্রধর, মন্টু পাল অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়ি নদীর ওপারে। সারাদিনের কাজকর্ম করতে আমাদের বালুরঘাটে যেতে হয়। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়ে বালুরঘাটে আসতে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। এদিকে সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে একেকজনকে নদী পারাপারের জন্য ১০ টাকা করে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমরা এর আগে ব্রিজের দাবি করেছিলাম। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আমরা চাই রঘুনাথপুর থেকে কালিকাপুর পর্যন্ত ব্রিজ (River Bridge) হোক। তবেই আমাদের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে।

    ফের আশ্বাস পঞ্চায়েতের

    এই বিষয়ে বালুরঘাট ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্পনা কিস্কু বলেন, আমরা বালুরঘাট ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ওখানকার বাসিন্দাদের যে দাবি রয়েছে, তা নিয়ে ওপরমহলে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। পাকা সেতু (River Bridge) হলে দুই পারের মানুষেরই সুবিধা হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সিভিক ভলান্টিয়ারের মানবিক মুখ! প্রাণ রক্ষা পেল মুমূর্ষু রোগীর

    Arambagh: সিভিক ভলান্টিয়ারের মানবিক মুখ! প্রাণ রক্ষা পেল মুমূর্ষু রোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিন্দু রক্ত যে মানুষের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারে, তা আরও একবার প্রমাণ মিলল। সিভিক ভলান্টিয়ারের মানবিক রূপ দেখলেন আরামবাগবাসী (Arambagh)। এক সিভিক ভলান্টিয়ার নিজে রক্ত দিয়ে মুমূর্ষু এক রোগীর প্রাণ বাঁচালেন। সিভিক ভলান্টিয়ারের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানালেন সকলে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    আরামবাগ (Arambagh)  ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মীর শামসেদ তার ২২ বছরের অসুস্থ মেয়েকে আরামবাগ (Arambagh)  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা মেয়ের জন্য তাঁকে রক্ত জোগাড় করতে বলেন, তা না হলে রোগীকে  বাঁচানো যাবে না বলে জানানো হয়। শামসেদসাহেব ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্তের খোঁজ করেন। কিন্তু, সেখানে রক্ত না থাকায় চারিদিকে হন্যে হয়ে তিনি রক্ত খুঁজছিলেন। কোথাও রক্তের হদিশ পাননি তিনি। অবশেষে শামসেদসাহেব আরামবাগ ট্রাফিকের ওসি সরোজ কুন্ডুর কাছে গিয়ে তাঁর সমস্যার কথা বলেন। ওই পুলিশ আধিকারিক রক্তের গ্রুপ জেনে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট করেন। তুহিন শুভ্র হাজরা নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার ওই পুলিশ আধিকারিককে রক্ত দেওয়ার কথা জানান। তুহিনের বাড়ি আরামবাগ (Arambagh) থানার জয়রামপুর গ্রামে। তিনি রক্ত দেওয়ার জন্য হাসপাতালে চলে যান। সেখানে তিনি রোগীর জন্য রক্ত দেন। শামসেদসাহেব বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ারের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব। তাঁরজন্য আমার মেয়ের জীবন রক্ষা পেল।

    কী বললেন পুলিশ আধিকারিক?

    আরামবাগ (Arambagh) ট্রাফিকের ওসি সরোজ কুন্ডু বলেন, ওই রোগীর বাবাকে চরম অসহায় দেখাচ্ছিল। তিনি মেয়ের রক্তের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন। তাঁর কাছে রক্তের গ্রুপ জেনে আমি পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট করি। আর তাতেই কাজ হয়ে যায়। ওই সিভিক নিজেই উদ্যোগী হয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমি তাঁকে সঙ্গে করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করি।

    কী বললেন সিভিক ভলান্টিয়ার?

    এ বিষয়ে অবশ্য রক্তদাতা সিভিক ভলান্টিয়ার তুহিন শুভ্র হাজরা বলেন, আমি একজন মানুষ হিসাবে অন্য একজন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যেতে পারিনি।  আমার এই ছোট উদ্যোগে ওই রোগী উপকৃত হলেন। কেউ বিপদে পড়লে তার পাশে সকলের দাঁড়ানোর দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share