Tag: Hostel

Hostel

  • North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের হস্টেলে (Siliguri) রীতিমতো মসজিদ গড়ে উঠেছে। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে এই দিকটি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাণনাশ ও দৈহিক অত্যাচারের হুমকির ভয়ে সকলে এতদিন এসব মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছে।

    কীভাবে হস্টেলে তৈরি হয়েছে মসজিদ? (North Bengal Medical)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বরখাস্ত চিকিৎসক নেতা অভীক দে-র নির্দেশে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা চিকিৎসক শাহিন সরকার ও চিকিৎসক সোহম মণ্ডল মুসলিম সম্প্রদায়ের ছাত্রদেরকে বেছে বেছে ভালো ও একাধিক ঘর বণ্টন করতেন। একটি হল ঘর নমাজ পড়ার জন্য মসজিদের মতো করে তাঁরা সাজিয়ে নেন। সেই ঘরের মেঝেতে সারি সারি মসজিদের ছবি আঁকা, মাদুর পেতে রাখা হয়েছে। সেখানে ছাত্ররা গিয়ে নমাজ পড়েন। অন্যান্য মুসলিম ধর্মের আচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মুসলিম ধর্ম গ্রন্থ নিয়ে লাইব্রেরি তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠান সম্পর্কে ও নমাজ পাঠের সময় জানানোর জন্য নোটিশ বোর্ড রয়েছে। সেখানে নমাজের সময়সূচি লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

    প্রতিবাদ করলেই আসত হুমকি

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ডাক্তারি (North Bengal Medical) পড়ুয়া বলেন, মুসলিম ছাত্রদের জন্য হস্টেলে নির্দিষ্ট একটা এলাকা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে অন্য ধর্মের ছাত্রদের যাওয়ার সুযোগ ছিল না। এতদিন আমরা মুখ খুলতে পারিনি। কখনও কেউ সামান্য প্রতিবাদ করলেই তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। শাহিন সরকার, সোহম মণ্ডলরা হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। তাই মুখ বুজে সব সহ্য করেছিলাম। আরজি করকাণ্ডের জেরে যেভাবে সর্বত্র ছাত্রছাত্রীরা থ্রেট কালচার নিয়ে সরব হয়েছেন, তাতে আমরা সাহসী হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে সবটা জানিয়ে হস্টেলে ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরির আবেদন জানাই।

    তদন্ত কমিটির কাছে নালিশ

    থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের (North Bengal Medical) আন্দোলনের চাপে তদন্ত কমিটি গড়েন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিৎ সাহা। এমএসভিপি সঞ্জয় মল্লিকের নেতৃত্বে গড়া তদন্ত কমিটির সামনে একাধিক ছাত্র হস্টেলের মধ্যে মসজিদ তৈরি ও ধর্মের ভেদাভেদ তৈরি, ছাত্রদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানানোর বিষয়টি গোপন না থাকায় তাঁদের কয়েকজনকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অভিযোগকারীরা।

     কী বললেন অধ্যক্ষ ?

    মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical) অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নিয়ে কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাছে ছাত্ররা অনেক ধরেনের অভিযোগ করেছে। যার অনেক কিছু আমার জানা ছিল না। এতদিন ডিন আমাকে জানাননি। ছাত্রদের আশ্বাস দিয়েছি, এখন থেকে হস্টেলে ধর্মের ভেদাভেদে কোনও বিতর্কিত কাজ বা পরিবেশ বরদাস্ত করা হবে না। সব ধর্ম সমান গুরুত্ব পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  IIT Kharagpur Student Death: খড়্গপুর আইআইটি হস্টেলের ছাদে উদ্ধার ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ! চাঞ্চল্য

     IIT Kharagpur Student Death: খড়্গপুর আইআইটি হস্টেলের ছাদে উদ্ধার ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি খড়্গপুরের হস্টেলের ছাদ থেকে উদ্ধার ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ (IIT Kharagpur Student Death)! এই মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই ছাত্রী হলেন কেরলের বাসিন্দা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছায়। এরপর ছাদ থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। তবে এরকম আগেও এক ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল এই প্রতিষ্ঠানে।

    খুন না আত্ম হাত্যা? তদন্তে পুলিশ (IIT Kharagpur Student Death)

    জানা গিয়েছে, আইআইটি (IIT Kharagpur Student Death) ক্যাম্পাসের সরোজিনী নাইডু ও ইন্দিরা গান্ধী নামে দুটি মহিলা হস্টেলের সংযোগকারী ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয় ছাত্রীর দেহ। ওঁই ছাত্রীর নাম দেবিকা পিল্লাই। তাঁর বয়স ২১। বি-টেক ক্যামিকেল ইঞ্জিনারিংয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কেরলের চেপাড থানার উত্তর এভুর এলাকায়। তবে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে দেবিকা মাত্র কয়েকদিন আগেই কেরলে নিজের বাড়ি থেকে ঘুরে এসেছেন। তবে বাড়ি থেকে ফিরে মানসিক কোনও অবসাদে ভুগছিলেন কিনা, তা নিয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছে পুলিশ। এই মৃত্যু কি সত্যই আত্মহত্যা? নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? তা নিয়ে ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে দেবিকার মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে। দেবিকার পরিবারকে ইতিমধ্যে খবর দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃকাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য সোম-মঙ্গল বাতিল একাধিক ট্রেন

    আগেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল!

    দুই বছর আগেও খড়্গপুর আইআইটিতে (IIT Kharagpur Student Death) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ফয়জান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় এই মৃত্যুকে নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। কিন্তু পুলিশ প্রথম থেকেই আত্মহত্যার কথা বললেও মৃত ছাত্রের পরিবারের দাবি ছিল, তাঁকে খুন করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার কোর্টের অর্ডারে দেহকে ময়নাতদন্ত করা হয়। কিন্তু এরপর থেকেই খুন করা হয়েছে বলে দাবি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। জানা গিয়েছে মাথায় একটি ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর ঘাড়ে ছুরি মারা হয়। সেই সঙ্গে কানের কাছে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করা হয়। এই মৃত্যুর খবরে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। যদিও কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এবার হস্টেল পড়ুয়াদের জন্য কড়া সিদ্ধান্ত নিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। সম্প্রতি একটি নির্দেশিকায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এবার থেকে পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে ছাত্রদের হস্টেল (Hostel Students) ছাড়তে হবে। একইসঙ্গে গবেষণার কাজ শেষ হলে এক মাসের মধ্যে হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Jadavpur University)

    গতবছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। অভিযোগ উঠেছিল, র‌্যাগিংয়ের জেরে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল। প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়ার মৃত্যুতে বারবার অভিযোগ উঠেছিল ‘সিনিয়র দাদাদের’ বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর একাধিকবার সিনিয়রদের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলে বেড়িয়ে যেতে বলেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা মানা হয়নি। তাই এবার নতুন বর্ষ শুরুর আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে গবেষণার কাজ শেষ হলে বড়োজোড় একমাস। আর পড়াশোনা শেষ হলে সাতদিন। এর বেশি আর কেউ হস্টেল (Hostel Students) দখল করে থাকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল হস্টেলগুলিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধ করা এবং নতুন ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! ভারতীয় সেনার মেজর রাধিকা সেনকে সম্মানিত করবে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    র‌্যাগিং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ 

    এছাড়াও র‌্যাগিং প্রতিরোধে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষের তরফে। জানা গিয়েছে এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কোনও পড়ুয়াকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই পুরস্কারটি র‌্যাগিংয়ে নিহত ওই ছাত্রের নামে দেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হস্টেল দখল করে পড়ুয়াদের থাকার ঘটনা শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) নয়, রাজ্যের আরও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ধরনের অভিযোগ উঠে আসে। তবে গত বছর যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসাবে ভাস্কর গুপ্ত পদে আসার পরই এই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত পাশ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণী বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    Kalyani: কল্যাণী বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হস্টেলের আবাসিক পড়ুয়াদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কল্যাণীর (Kalyani) উত্তর ভবানীপুর এলাকা। দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাতে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কল্যাণী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুজন স্থানীয় লোকজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্যাণীর (Kalyani) উত্তর ভবানীপুর এলাকায় নামী একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। কলেজের পাশেই রয়েছে হস্টেল। গন্ডগোলের সূত্রপাত বিশ্বকর্মা পুজোর দিন থেকে। হস্টেলের পাশে থাকা স্থানীয়  বাসিন্দাদের অভিযোগ, হস্টেলের আবাসিকরা পাড়ার লোকজনদের উদ্দেশ্য করে নানা কটুক্তি করে। গালিগালাজও চলে। মেয়েদের বাড়ির বাইরে বের হওয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এই ঘটনা ঘটছে। বিশ্বকর্মা পুজোর পর এই ঘটনা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। হস্টেলের আবাসিকদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের বচসা হয়। পরে তা মিটেও যায়। মঙ্গলবারও পাড়ার লোকজনকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠে আবাসিক ছাত্রদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে পাড়ার লোকজন খুবই ক্ষুব্ধ ছিলেন। গত কয়েক দিনের গন্ডগোলের জেরে এদিন পাড়ার লোকজন দল বেঁধে হস্টেলের আবাসিকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। আবাসিক ছাত্ররা হস্টেল থেকে বেরিয়ে এসে পাড়ার লোকজনের সঙ্গে প্রথমে কথা বলেন। সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। এরপরই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে।

    হস্টেলের আবাসিকদের কী বক্তব্য?

    হস্টেলের আবাসিকদের অভিযোগ, পাড়ার লোকজন হস্টেল লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইট, পাথর ছুঁড়েছে। তাতে কয়েকজন জখম হয়েছে। পাশাপাশি ওরা বেশ কয়েকজন আবাসিককে কেউ মারধর করে। ঘটনা পর আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    কল্যাণীর (Kalyani) উত্তর ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হস্টেল থেকেই আবাসিকরা দল বেঁধে পাড়ার মধ্যে ঢুকে পড়ে। কয়েকজনের বাড়িতে ঢুকেও তারা হামলা চালিয়েছে। ইট ছুঁড়ছে। প্রতিবাদ করলেই আমাদের চড়াও হয় আবাসিক পড়ুয়ারা। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    JU: হস্টেলে ফেসিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার! যাদবপুরে পরিদর্শনের পর কী ভাবছে ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল এবং ক্যাম্পাস পরিদর্শন করলেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। বুধবার দ্বিতীয় দিন তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়েছেন। হস্টেলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখার পর ক্যাম্পাসেও গিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দুই প্রতিনিধি। কোথায়, কী প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মানুবর্তিতা প্রয়োগ করায় সুবিধা হবে, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। 

    ‘জোন’ ভাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন 

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশকে আলাদা ‘জোন’ হিসাবে ভাগ করে পরিদর্শন করে ইসরোর প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার তাঁরা শুধু ক্যাম্পাসে ঘুরলেও এদিন তাঁরা মেন হস্টেলেও যান। এই হস্টেলের এ২ ব্লকের যেখানে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছিল, সেই অংশ বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন তাঁরা। ইসরোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ।উপাচার্য আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কথা বলেছিলেন। যাদবপুরে ইসরোর সুপারিশে প্রযুক্তির প্রয়োগের কথা বলেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সহায়তা প্রয়োজন। পরে রাজভবনের তরফ থেকে ইসরোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলের অনেক আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশেষে মঙ্গলবার তাঁরা ক্যাম্পাসে আসেন।

    আরও পড়ুন: ‘সংবিধান বলছে যা ইন্ডিয়া, তাই ভারত’! নাম-বিতর্কে মন্তব্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের

    আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ব্যবহার

    সূত্রের খবর, মূলত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফডিআই (RFDI)কে কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তার কাজ এগোতে পারে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে ইসরো।  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে উন্নত পর্যায়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন গেটে বসতে পারে উন্নত প্রযুক্তির সিসিটিভি ক্যামেরা, সেই সমস্ত বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখে তারা।  এরপর চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করবে এই প্রতিনিধি দল। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share