Tag: house arrest

house arrest

  • Kashmir 370 article: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

    Kashmir 370 article: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহবন্দি পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Kashmir 370 article) বিলোপের চতুর্থ বার্ষিকীর দিনেই ফের গৃহবন্দি করা হল তাঁকে। শুক্রবার রাতে গৃহবন্দি করা হয়েছে তাঁর দলের আরও কয়েকজন নেতাকে।

    গৃহবন্দি মুফতি 

    শনিবার ট্যুইট-বার্তায় মুফতি লেখেন, দলের অন্য পিডিপি নেতাদের পাশাপাশি আমিও গৃহবন্দি হয়ে রয়েছি। মধ্যরাত থেকে ধরপাকড় চলছিল। বেআইনিভাবে থানায় আটক করে রাখা হয়েছে দলের সদস্যদের। উপত্যকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করছে ভারত সরকার। ভয় পেয়েই যে এমন কাজ করছে, তা স্পষ্ট। তাঁর দাবি, একদিকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারের পূর্তিতে কাশ্মীরিদের উৎসবে শামিল হতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। তার জন্য বড় বড় পোস্টার, ব্যানার ঝোলানো হয়েছে শ্রীনগর সহ চারিদিকে। কিন্তু নৃশংস আচরণের মাধ্যমে কাশ্মীরের আবেগকেই পদদলিত করা হচ্ছে। মুফতি লিখেছেন, যে সময় অনুচ্ছেদ ৩৭০ (Kashmir 370 article) প্রত্যাহার করা নিয়ে মামলার শুনানি চলছে, আশাকরি, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। 

    শুনানি চলছে সাংবিধানিক বেঞ্চে

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে একটি সভা করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিল মুফতির দল। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় প্রশাসন। এর পরেই মুফতিকে গৃহবন্দি করা হয় বলে খবর। যদিও সভার অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। 

    প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে সংবিধানের ৩৭০ (Kashmir 370 article) নম্বর অনুচ্ছেদ নিয়ে শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা বিচার করছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে সাংবিধানিক বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভাই যেখানে কার্যকর নয়, সেখানে ধারা প্রত্যাহার বা সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া আদৌ সম্ভব কিনা, কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রশ্ন দেশের শীর্ষ আদালতের। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৮ অগাস্ট। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কাশ্মীর থেকে বাতিল করা হয় ৩৭০ ধারা। সেই সময় একবার গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতিকে। পরে অবশ্য মুক্তিও দেওয়া হয় তাঁদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gautam Navlakha: গৃহবন্দি গৌতম নভলাখা, নেই কোনও ইন্টারনেট যোগাযোগও

    Gautam Navlakha: গৃহবন্দি গৌতম নভলাখা, নেই কোনও ইন্টারনেট যোগাযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভীমা কোরেগাঁও-এলগার পরিষদ মামলায় অভিযুক্ত জেলবন্দি গৌতম নভলাখার (Gautam Navlakha) আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে গৃহবন্দি (House Arrest) করার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আবেদনের শুনানি চলাকালীনই সরকারপক্ষের আইনজীবীকে মৌখিক ভাবে বেশ কড়া কথা শোনায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেএম জোসেফ ও হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ। এলগার পরিষদ মামলায় নভলাখা এতদিন মুম্বইয়ের একটি জেলে ছিলেন। তবে অসুস্থতার কারণে গৌতম নভলাখা গৃহবন্দি হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। নভলাখার সেই আবেদনের বিরোধিতা করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। তিনি বলেন, “নভলাখার মতো মানুষ দেশকে ধ্বংস করতে চান। নভলাখার মতো মানুষরা মোটেই নিরীহ নন।” এরপরই শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ মৌখিক পর্যবেক্ষণে বলে, “এই দেশ কে ধ্বংস করছে? যারা দুর্নীতিবাজ তারা। প্রতিটি অফিসে আপনি যান, সেখানে কী হয়?” এরপরেই কিছু শর্ত রেখে নভলাখাকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ দেয় আদালত। জানা গিয়েছে, মুম্বাইয়েই একটি এক কামড়ার ফ্ল্যাটে থাকবেন নভলাখা। সঙ্গে থাকবেন সঙ্গী।

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে অন্তত একবার আপডেট করতে হবে আধার কার্ডের তথ্য, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের

    কী কী শর্ত রাখা হয়েছে?

    • সুপ্রিম কোর্ট তার আদেশে বলেছে যে নভলাখা এই সময়ের মধ্যে মুম্বাই ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে পারবেন না।
    • গৃহবন্দি থাকার সময় তিনি কোনভাবেই সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। 
    • গৃহবন্দী অবস্থায় গৌতমকে টেলিভিশন ও সংবাদপত্র দেখার ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে শীর্ষ আদালত।  
    • সুপ্রিম কোর্ট, তার রায়ে এদিন জানিয়েছে আবেদনকারী এবং তার সহযোগী বিশ্বস্তভাবে সমস্ত শর্ত মেনে চলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কোন অসঙ্গতি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং আদেশ অবিলম্বে বাতিল করা হবে। 
    • কোনও ইন্টারনেটের ব্যবস্থা থাকবে না। 
    • দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় পুলিশের দেওয়া ইন্টারনেট ব্যবস্থা ছাড়া একটি ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু কোনও মেসেজ বা কল লগ ডিলিট করা যাবে না।
    • সপ্তাহে এক দিন তিন ঘণ্টার জন্যে তাঁর মেয়ে এবং স্ত্রী দেখা করতে পারবেন।
    • ফ্ল্যাটের ঢোকা এবং বেরোনোর দরজায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে। সেই খরচ বহন করবেন গৌতমই। 
    • এদিকে গৌতম নভলাখাকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) নভলাখার গৃহবন্দি থাকাকালীন পুলিশি নিরাপত্তার খরচ বাবদ এই টাকা দিতে বলেছে।

    কী অভিযোগ নভলাখার বিরুদ্ধে? 

    কেন্দ্র সরকারের সমালোচক নভলাখা গত বছর ২৫ এপ্রিল থেকে মুম্বাইয়ের তালোজা জেলে বন্দি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২০১৮ সালের ভীমা কোরেগাঁওয়ের ঘটনায় মাওবাদীদের গোপন তথ্য দিয়ে তিনি সাহায্য করেছিলেন। ভীমা কোরেগাঁও মামলায় অভিযুক্ত মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের অক্টোবরে চার্জশিট জমা দিয়েছিল এনআইএ। তার মধ্যে স্ট্যান স্বামীর জেলবন্দি অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। গৌতম ছাড়াও চার্জশিটে নাম রয়েছে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা নাগরিক আইন কর্মী আনন্দ তেলতুম্বড়ে, সমাজকর্মী গৌতম নওলাখা, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হানি বাবু, সমাজকর্মী সাগর গোর্খে, সংস্কৃতিকর্মী রমেশ গাইচোর এবং সমাজকর্মী জ্যোতি জগতপের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Howrah Violence: বিজেপিকে রুখতে অতিসক্রিয় পুলিশ! হাওড়া যাওয়ার আগেই ‘গৃহবন্দি’ সুকান্ত 

    Howrah Violence: বিজেপিকে রুখতে অতিসক্রিয় পুলিশ! হাওড়া যাওয়ার আগেই ‘গৃহবন্দি’ সুকান্ত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি হল টানা দু’দিন। সড়ক অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়াছুড়ি, বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর। তার পরেও ঢাল-তরোয়াল নিয়ে পুলিশ রইল দাঁড়িয়ে। এহেন ‘নিধিরাম সর্দার’ পুলিশই অতিসক্রিয় হয়ে উঠল শনিবার। ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিসের হাল দেখতে যখন পথে নামলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), বাহাদুরি কুড়নোর আশায় তখন তাঁর পথ আগলাল সেই পুলিশই। পুলিশের বিরুদ্ধে গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ সুকান্তর।

    আরও পড়ুন :”ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

    অগ্নিগর্ভ হাওড়া। বিক্ষোভকারীদের রোষের আগুনে পুড়েছে দোকান, পুলিশের কিয়স্ক। ভাঙচুর করা হয়েছে বিজেপির পার্টি অফিস। দু’দিন ধরে প্রতিবাদীদের তাণ্ডব চললেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। হাওড়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার সকালে বাড়ি থেকে রওনা দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি যখন নিউটাউনের বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। তড়িঘড়ি তাঁর বাড়ির সামনে বসিয়ে দেওয়া হয় গার্ড রেল। মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুলিশের এই অতিসক্রিয়তায় ক্ষোভ উগরে দেন সুকান্ত। বলেন, “পদাধিকারী হিসেবে হাওড়ায় ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিসে যাওয়া আমার কর্তব্য। কিন্তু কোনও কাগজপত্র ছাড়াই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পুলিশ কোনও কারণ দেখাতে পারেনি। বলেছে, হাওড়ায় ১৪৪ ধারা জারি। কিন্তু হাওড়া আমার বাড়ি থেকে অনেক দূর। ১১টা নাগাদ যখন আমি বাড়ি থেকে বেরতে গিয়েছিলাম, তখনই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। কেন আমাকে বাড়ির মধ্যে বন্দি করে রাখা হল, বুঝতে পারছি না।”

    [tw]


    [/tw]

    হাওড়ার ঘটনায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। বলেন, “মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় তিন দিন ধরে বসে আছেন। কোনও পদক্ষেপ করেনি। তিনি তাঁর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কোনও পদক্ষেপ করলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। ঝাড়খণ্ডে প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের উচিত ছিল লাঠিচার্জ করা।

    সুকান্তকে আটকানো হলেও, এদিন পাঁচলা গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিস ঘুরে দেখেন তিনি। হাওড়ার (Howrah) অশান্তির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনিও। দিলীপের অভিযোগ, হাওড়া থেকে মালদহ-মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় যে অশান্তি হচ্ছে, সরকার তা থামানোর চেষ্টা করছে না। এ রাজ্যের বিরাট এলাকার মানুষ অ-সুরক্ষিত। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে হিংসা চালানো হচ্ছে হাওড়ায়। তার পরেও পুলিশ তা আটকায়নি।

    সুকান্তের মতোই এদিন পাঁচলা যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের (Priyanka Tibrewal) গাড়ি। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারির কথা বলে পাঁচলায় তাঁকে ফের আটকায় পুলিশ। এলাকার একটি ক্লাবঘরে বসে পড়েন প্রিয়ঙ্কা। প্রসঙ্গত, এই প্রিয়ঙ্কাই ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বাজি ছিলেন বিজেপির। এদিকে, রবিবার ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিস পরিদর্শনে যাবেন শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী। এদিন নিজেই ট্যুইট করে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। 

    [tw]


    [/tw]

     

LinkedIn
Share