Tag: Howrah Maidan

Howrah Maidan

  • Kolkata Metro: এবার থেকে রবিবারেও ছুটবে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো, পুজোর মুখে ঘোষণা কর্তৃপক্ষের

    Kolkata Metro: এবার থেকে রবিবারেও ছুটবে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো, পুজোর মুখে ঘোষণা কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা (Kolkata Metro) এবার মিল মিলবে রবিবারও। প্রসঙ্গত হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা রবিবার বন্ধ থাকত। তবে এবার রবিবারও ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রবিবারও চলবে মেট্রো। তবে মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই পরিষেবা আপাতত পরীক্ষামূলক, তা স্থায়ী হবে কিনা তা নির্ভর করবে যাত্রীদের চাহিদার ওপরেই। প্রসঙ্গত, হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা (Kolkata Metro) চালু হয়েছে চলতি বছরের ৬ মার্চ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করেন। প্রথম দিন থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে এই পরিষেবা। অন্যান্য রুটের তুলনায় যাত্রীদের চাহিদাও এখানে বেশি। রাস্তার যানজট এড়াতে কলকাতা পর্যন্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে মেট্রোকেই বেছে নেন বেশিরভাগ যাত্রী। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে এবার রবিবারও মেট্রো চলবে।

    আপ-ডাউন মিলিয়ে চলবে ৬২টি মেট্রো (Kolkata Metro) রবিবার

    মেট্রো তরফ থেকে যে বিবৃতি জারি করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে রবিবার হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড রুটের আপ এবং ডাউন মিলিয়ে মোট ৬২টি মেট্রো চলবে। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর মিলবে ট্রেন। আরও জানা গিয়েছে, রবিবার হাওড়া ময়দান থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ২:১৫ মিনিট নাগাদ। ওই একই সময়ে এসপ্ল্যানেড থেকেও প্রথম মেট্রো ছাড়বে। অন্যদিকে, রাত্রি ৯:৪৫মিনিটে আবারও দুই স্টেশন থেকেই শেষ মেট্রো ট্রেন মিলবে।

    ৪.৮ কিমি রুটের এই মেট্রো (Kolkata Metro) নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ বেশি

    জেলা থেকে প্রতি দিন অসংখ্য মানুষ কলকাতায় আসেন নিজেদের কাজে। তাঁদের যাতায়াতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে গঙ্গার নীচে মেট্রো পরিষেবা। হাওড়া ময়দান, হাওড়া স্টেশন, মহাকরণ এবং ধর্মতলা— মোট চারটি স্টেশনে মেট্রো (Howrah Maidan Esplanade Metro) দাঁড়ায়। এই ৪.৮ কিলোমিটার দূরত্বের রুট নিয়েই যাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ সবচেয়ে বেশি। প্রসঙ্গত, গঙ্গার নীচের সুড়ঙ্গপথের দৈর্ঘ্য ৫২০ মিটার, যা অতিক্রম করতে সময় লাগছে ৪৫ সেকেন্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো রেল পরিষেবা চালু হওয়ার পরে এক পক্ষও কাটেনি, এরই মধ্যে দ্রুত যাত্রাপথ বদল হয়েছে হাওড়া শহরের বড় অংশের বাসিন্দাদের। হাওড়া ময়দান থেকেই তাঁরা মেট্রো রেলে চড়ে কলকাতায় (Kolkata Metro) চলে যাচ্ছেন। এর ফলে হাওড়া ময়দানের পরে আর বিশেষ যাত্রী পাচ্ছেন না অটোরিকশার চালকরা। হাওড়া থেকেও ফিরতি পথে যাত্রী মিলছে না অনেক রুটেরই। শিবপুর হোক বা শালকিয়া, যাত্রীরা হাওড়া এড়িয়ে সরাসরি হাওড়া ময়দানে চলে আসছেন। তাই রোজগার এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গেছে অটোচালকদের।
    হাওড়ার দিকে যাওয়ার পথে অধিকাংশ অটোই হাওড়া ময়দানে খালি হয়ে যাচ্ছে। রুট বজায় রাখতে ফাঁকা অটো নিয়ে হাওড়ায় যেতে হচ্ছে। কিন্তু বেশি বিপত্তি ফেরার পথে। হাওড়া ময়দানের অটো ও টোটোয় সব সময়ই যাত্রী মিলছে, কিন্তু হাওড়া স্টেশনে যাত্রীর প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে ট্রিপের সংখ্যা কমে অর্ধেক হয়ে গেছে অনেক অটোর। রাত নটায় মেট্রো বন্ধ, তার পরে হাওড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী মিলছে আগের মতোই। কিন্তু দিনের বাকি চোদ্দো ঘণ্টা এক রকম মাছি তাড়াতে হচ্ছে অটোচালকদের।

    “আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি” (Kolkata Metro)

    হাওড়া ময়দান পর্যন্ত বাসে এসে সময় বাঁচাতে অনেকেই অটো ধরে হাওড়া স্টেশনে চলে গিয়ে সেখান থেকে বাস ধরতেন। এমনই এক যাত্রী শেখর প্রামাণিক বলেন, মেট্রো হয়ে যাওয়ায় এখন ময়দান থেকে আর অটো ধরে হাওড়ায় যাই না। বাসগুলো ময়দানে দাঁড়িয়ে থাকে অনেকক্ষণ, তাই বাধ্য হয়ে অটো ধরতে হত। হাওড়ায় যেতে সাত টাকা ভাড়া দিতে হত। ইদানিং দশ টাকা তো ন্যূনতম ভাড়া হয়ে গেছে। কিন্তু দশ টাকায় এখন এসি মেট্রোয় বারো মিনিটে ধর্মতলা (Kolkata Metro)। মানে গুঁতোগুঁতি করে যতক্ষণে হাওড়ায় পৌঁছতাম ততক্ষণে আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি। ট্রেনের সময় জেনে গেছি। তাই তেমন অপেক্ষাও আর করতে হচ্ছে না। অটোওয়ালাদের যা মেজাজ, তার থেকে বেঁচেছি। বাসের কন্ডাক্টররা তো এখান থেকে গাড়ি এগোতেই চাইতেন না। এখন ওঁরা বুঝছেন।

    যাত্রী কমে যাওয়ায় ধাক্কা (Kolkata Metro)

    হাওড়ার বাসের গতি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাই টোটো বা ই রিকশা চালু হওয়ার পরে অনেকেই বাড়তি ভাড়া দিয়ে আরামে ও তাড়াতাড়ি যাওয়ার পন্থা বেছে নিতে শুরু করেন। বিদ্যাসাগর সেতু চালু হওয়ার পঁচিশ বছর পরেও আমতলা ওপি-শ্যামবাজার, চ্যাটার্জিহাট-ধর্মতলা, রামরাজাতলা-রাজাবাজারের মতো রুট টিঁকে ছিল। কিন্তু টোটোর দাপটে দ্রুত সঙ্কটে পড়ে চ্যাটার্জিহাটের বাস উঠে যায়। রুট ছোট করেও অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারেনি আমতলা ওপি রুটের বাস। এখন মেট্রোর ধাক্কায় (Kolkata Metro) চালু থাকা রুটগুলো নতুন করে ধাক্কা খাচ্ছে, বিশেষ করে হাওড়া ময়দান হয়ে হাওড়া স্টেশনগামী অটোর রুট। এতদিন ধীরে ধীরে অটোর সংখ্যা বাড়লেও এবার সমস্যায় পড়ছে তারা। কারণ বিদ্যাসাগর সেতুর সুবিধা সেভাবে পান না শালকিয়া-বালির দিকের বাসিন্দা, কিন্তু মেট্রোর সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন। শালকিয়ার দিয়ে আগে অটোর রমরমাই সবচেয়ে বেশি ছিল। বছর সাত-আট এর সঙ্গে যোগ হয়েছে টোটো। এখন হাওড়া ময়দান থেকে অটোর সমস্যা না হলেও হাওড়া স্টেশনের অটোর পক্ষে দিনের বেলায় যাত্রী কমে যাওয়ার ধাক্কা সামলানো মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার যে রেজিস্ট্রি অফিসে বেলুড় মঠের জমি রেজিস্ট্রি করতে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ স্বয়ং, সেই জায়গা এখন হয়ে উঠেছে পার্কিং জোন। ভবনের সামনের অংশে একটা প্লেট দেওয়া আছে ঠিকই, কিন্তু তা ঢেকে গিয়েছে মুহুরিদের টাঙানো প্লাস্টিকে। মহাপুরুষরা যেখানে যেখানে যান বা গিয়েছেন, তার প্রতিটি জায়গা হেরিটেজ বলে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। কিন্তু যে সব জায়গায় মহাপুরুষদের স্মৃতি আছে, সেখানে একটা ফলক বসিয়ে দিলেই কি যথেষ্ট শ্রদ্ধা দেখানো হয় যায়? এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অনেকের মনেই। তাছাড়া যেভাবে দায়সারা করে একটি মূর্তি বসিয়ে তার নীচে ফলক দেওয়া হয়েছেে, তাতে এই জায়গায় ঐতিহাসিক গুরুত্ব পথচারীরা জানতে পারছেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। তাছাড়া নাগরিক সমস্যাও রয়েছে।

    দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে

    বিবেকানন্দের মূর্তি ফুটপাতের যেখানে বসানো হয়েছে, তার দুপাশ ঘেরা। ফলে পথচারীরা এই ফুটপাত দিয়ে চলাফেরা করতে পারেন না। সামনে আবার সার সার গাড়ি দাঁড়িয়ে। বাধ্য হয়েই এখানে ফুটপাতের বদলে রাস্তা ধরে যাতায়াত করতে হয়। রেজিস্ট্রি অফিস, হাওড়া আদালত, হাওড়া পুরসভা ও জেলা পরিষদে আসা লোকজনের ভিড় থাকে প্রতিদিনই। কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিসেও নিত্যদিনের ভিড় যথেষ্ট। হাটের দিন আবার দশগুণ ভিড় হয়। ফলে ছোট ও মাঝারি দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে। উল্টো দিকেই হাওড়া জেলাশাসকের অফিস, কাছেই হাওড়া থানা ও পুলিশ কমিশনারের অফিস। তাও এই জায়গার চরম অব্যবস্থা কেন কারও চোখে পড়ে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আদালতে প্রায়ই যাঁরা নানা কাজে আসেন তাঁরা। হাওড়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই জায়গায় নিত্য আসতেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কোথায় সেই ফলক রয়েছে, তা বলে না দিলে কেউ খুঁজেও পাবে না। সময়ের সঙ্গে এই জায়গার ব্যস্ততা বেড়েছে। ভিড় বেড়েছে। ভবনের সংস্কার হয়েছে, কাছাকাছির মধ্যে নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্যকে যে অবহেলা করে সেসব করা হয়েছে, তা সাধারণের চোখে এমনিতেই ধরা পড়ে যায়। আর নানা রকম কর্মকাণ্ড হলেও পথচারীদের নিরাপত্তাকে যে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, তাও স্পষ্ট।

    পরিকল্পনার অভাব

    এই জায়গায় নতুন করে কিছু করা এই মুহূর্তে সম্ভব না হলেও, বঙ্কিম সেতু ও জি টি রোডের সংযোগস্থলে যেখানে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড গজিয়ে উঠেছে, হাওড়া ময়দান মেট্রো প্রকল্পের কাজ চলাকালীন সেখানে কেন পার্কিং লট বানানো হল হল না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই এলাকায় ছবি গত দশ বছরে পুরো বদলে গিয়েছে। কিন্ত যা হয়েছে তার কিছুই যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে করা হয়নি তা স্পষ্ট। এখনও মেট্রো রেল চালু হয়নি। এখনই সরকারি স্তরে উদ্যোগ শুরু হলে নিউ মার্কেটের মতো এখানেও মাটির নিচে পার্কিং লট তৈরি করে রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণের চলাচলের উপযোগী করা যায়।

    পুরসভা অন্ধকারে

    অন্যদিকে হাওড়া আদালতের সামনে হাওড়া পুরসভা অনুমোদিত যে পার্কিং জোন রয়েছে, তার আয়তন কতটা, তার সঠিক তথ্য নেই পুরসভার কাছেই। ফলে পার্কিং ফি নেওয়ার দায়িত্ব যে এজেন্সির কাছে, তারা যথেচ্ছ ভাবে ডবল লাইন করে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের অনুমতি দেয়। আর এর ফলেই যানজট এবং মাঝেমধ্যেই পার্কিংকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল লাগে এখানে। কয়েক বছর আগে ডবল লাইনে পার্কিংকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের সঙ্গে গন্ডগোলে উত্তাল হয়ে উঠেছিল হাওড়া ময়দান এলাকা। এমনকী র‍্যাফ নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, হাওড়া আদালতের সামনে পার্কিং ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। যদি রেজিস্ট্রি অফিসের কাছে পার্কিংয়ের অনুমতি না থাকে তাহলে সেখান থেকে পার্কিং তুলে দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Maidan: জোর যার, ফুটপাথ তার! হাওড়ায় জেলাশাসকের দফতরের সামনেই দখলদারি

    Howrah Maidan: জোর যার, ফুটপাথ তার! হাওড়ায় জেলাশাসকের দফতরের সামনেই দখলদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। হাওড়া শহর জুড়ে ফুটপাথ দখল যেন এরকমই বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে। জোর যার ফুটপাথ তার। শুধুমাত্র শহরের ভিতরেই নয়, শহরের প্রাণকেন্দ্র হাওড়া ময়দান (Howrah Maidan), যেখানে রয়েছে হাওড়া শহরের সমস্ত প্রশাসনিক ভবন, সেখানেই চলছে এই দখলদারি। জেলাশাসক বাংলো থেকে হাওড়া আদালত, পুরসভা, জেলা হাসপাতাল, জেলা পরিষদ ভবন, এমনকী জেলার মুখ্য ডাকঘর। শহরের  প্রধান প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় যেখানে রয়েছে, সেই এলাকাতেই সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে চলছে ফুটপাথ দখল করে হকারি এবং রাস্তা দখল করে বেআইনি পার্কিং। এই পার্কিং ও ফুটপাথ দখল শুরু হচ্ছে খোদ জেলাশাসকের দফতর থেকে।

    নিকাশি নালার ওপর বসার পাটাতনেরও চড়া দর!

    জেলাশাসকের দফতর কাম জেলাশাসক বাংলোর প্রধান প্রবেশদ্বারের ঠিক বাঁদিকে রীতিমতো রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি হয়েছে টোটো স্ট্যান্ড। ডানদিকে জেলাশাসক বাংলোর পাঁচিল বরাবর সরকারি ও বেসরকারি গাড়ির পার্কিং। একইভাবে আদালতের সামনে সারি সারি গাড়ি ও বাইক পার্কিং। হাওড়া জেলা হাসপাতালের ভিতরেই গাড়ি পার্কিং। আর এইসব অফিসগুলির সামনের যে ফুটপাথ, তার কোনও অস্তিত্ব প্রায় নেই বললেই চলে। কোথাও চায়ের দোকান, কোথাও ফলের জুসের দোকান আবার কোথাও মঙ্গলা হাটের ডালা সাজানোর তক্তা ডাঁই করে রাখা হয়েছে ফুটপাথ দখল করে। প্রতি মঙ্গলবার হাওড়া ময়দানে (Howrah Maidan) মঙ্গলা হাট বসার কথা থাকলেও আদতে সপ্তাহে তিন দিন ধরে মঙ্গলা হাট বসে। তবে মঙ্গলবার হাওড়া শহরের প্রায় সমস্ত রাস্তার ধারেই খুচরো বিক্রেতারা তাঁদের ডালি সাজিয়ে বসে পড়েন। যেহেতু হাওড়ার রাস্তা অনেক ছোট, তার উপর রাস্তা দখল করে আগে থেকেই গাড়ি পার্কিং করা থাকে, ফলে মঙ্গলা হাটের ব্যবসায়ীদের বসার অসুবিধা হয়। তাই ফুটপাথের ধারে যে নিকাশি নালা রয়েছে, সেই নিকাশি নালার ওপরেই কাঠের পাটাতন বা তক্তা বিছিয়ে তার ওপর বসে মঙ্গলা হাটের কাপড়ের দোকান। ওই একদিনের জন্য কয়েকটি এজেন্সি থেকে ওই পাটাতন চড়া দামে ভাড়া করেন কাপড় ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার যেহেতু ভোর থেকেই ব্যবসা শুরু হয়, তাই রবিবার বিকেল থেকে আবার কখনও সোমবার সকাল থেকেই হাওড়া ময়দানের আশপাশে যত ফুটপাথ রয়েছে, তার পাশে নিকাশি নালার উপর পাটাতন বিছানোর কাজ শুরু হয়ে যায়। মঙ্গলা হাট উঠে গেলে এই পাটাতনগুলিকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় না। জায়গা দখল করে এই পাঠাতনগুলি সারি সারি ফুটপাথের দেওয়ালে রাখা হয়। এর ফলে গাড়ি পার্কিং বা হকার ঠেলে কোনও রকমে মানুষ যদি ফুটপাথ দিয়ে হাঁটাচলার চেষ্টা করেন, তখন তাঁদের বাধা পেতে হয় এই পাটাতনে। ফলে হাওড়া ময়দান চত্বরে সাধারণ মানুষের কাছে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমে দুর্ঘটনার শিকার (Howrah Maidan)

    হাওড়া জেলা হাসপাতালের সামনে গেলে দেখা যাবে, হাসপাতালের প্রবেশ পথের ডান দিকের ফুটপাথ এমন ভাবে পাটাতন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, তার ফলে ফুটপাথ বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমে হাঁটাচলা করেন। একইভাবে হাওড়া গার্লস কলেজের সামনে এবং হাওড়া ময়দানের আনাচে কানাচে বিভিন্ন রাস্তার ফুটপাথে এভাবেই রাখা হয়েছে পাটাতন বা তক্তা। ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামছেন এবং দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন প্রায় প্রতিদিন। এক অফিস যাত্রী সুদীপ হাজরা বলেন, যেখানে শহরের প্রধান প্রধান প্রশাসনিক ভবন রয়েছে, সেখানে আইন সব থেকে বেশি কড়া হওয়া দরকার। অথচ সেখানেই (Howrah Maidan) চলছে শহরের সব থেকে বেশি বেআইনি দখলদারি। প্রশাসনিক কর্তা থেকে পুলিশ প্রশাসন, কারও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। আর তাঁদের মতো সাধারণ মানুষকে এই দুর্ভোগকে জীবনের অঙ্গ হিসেবে মেনে নিতে হচ্ছে।

    দায়সারা জবাব পুরসভার

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে (Howrah Maidan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Mangla Haat: মেট্রোর জন্য মঙ্গলা হাটের দিন পরিবর্তনের প্রস্তাব, শুরু জোর বিতর্ক

    Howrah Mangla Haat: মেট্রোর জন্য মঙ্গলা হাটের দিন পরিবর্তনের প্রস্তাব, শুরু জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ার বৃহত্তম বস্ত্র বাজার হাওড়ার মঙ্গলা হাট (Howrah Mangla Haat)। শুধুমাত্র মঙ্গলবার এই হাট বসার কথা হলেও বাস্তবে সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত তিন দিন ধরে বসে এই হাট। এখান থেকে জামাকাপড় সহ অন্যান্য বস্ত্র বিভিন্ন রাজ্যে সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই ভিন রাজ্য থেকে প্রচুর ব্যবসায়ী কাপড় কেনার জন্য একদিন আগেই হাওড়ায় পৌঁছে যান। অনেক ব্যবসায়ী মঙ্গলবারের ভিড় এড়াতে সোমবারই কেনাকাটা সেরে নেন। তারপর বড় বড় লরিতে বোঝাই করে বা ট্রেনে করে সেই বস্ত্র চলে যায় ভিন রাজ্যের বস্ত্র বিপণী কেন্দ্রগুলিতে। ফলে মঙ্গলবার ছাড়াও সোমবার এবং বুধবারেও হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে হাওড়া ময়দান চত্বরে।

    ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় যানজটের আশঙ্কা

    কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে যোগাযোগে গতি আনতে কয়েক মাসের মধ্যেই হাওড়া ময়দান থেকে চালু হতে চলেছে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো। আর মঙ্গলা হাটের ভিড় ঠেলে এই মেট্রো যাত্রীরা কীভাবে যাতায়াত করবেন, এখন সেটাই হয়ে গেছে প্রধান চিন্তার বিষয়। কারণ, মঙ্গলা হাটের (Howrah Mangla Haat) ১১ টি প্রধান ভবন ছাড়াও হাওড়া ময়দান চত্বরের সমস্ত রাস্তা, আদালত চত্বর, এমনকী বঙ্কিম সেতুর কিছুটা অংশেও ডালা পেতে ও প্লাস্টিক টাঙিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কাপড় বিক্রি করতে বসে যান। ভোর থেকে বিকাল তিনটে পর্যন্ত হাট চলে। হাওড়া ময়দান থেকে মেট্রো পরিষেবা চালু হলে কলকাতাগামী যাত্রীদের প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠবে হাওড়া ময়দান। সেখান থেকে গঙ্গার নিচ দিয়ে মেট্রোয় যাত্রীরা পৌঁছে যাবেন কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু এত ফুটপাতের দোকানদার যেভাবে রাস্তা দখল করে বসে থাকেন, তাতে একদিকে যেমন যানজট তৈরি হয়, অন্যদিকে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই যদি ফুটপাতের এই দোকান থাকে, তাহলে মেট্রো যাত্রীদের ভীষণ সমস্যায় পড়তে হবে। এই সমস্যা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে মঙ্গলা হাটের ব্যবসায়ীদের মঙ্গলবারের বদলে শনি ও রবিবার হাট বসানোর জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা (Howrah Mangla Haat) কী বলছেন?

    কিন্তু ব্যবসায়ীদের সিংহভাগই তাতে রাজি নয়। কারণ তাঁদের মতে, মঙ্গলবার যদি হাট না বসে, তাহলে মঙ্গলা হাট নামটারই কোনও সার্থকতা রইল না। অন্যদিকে স্থায়ী দোকানের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যদি ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের অন্যত্র সরানো যায় অথবা তাঁদের বিকল্প কিছু ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে এই সমস্যা মিটতে পারে। মঙ্গলা হাটকে কোনা এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তুলে নিয়ে যাওয়ার বেশ কয়েক বার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাও কার্যকর হয়নি। কারণ ভিন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে কিংবা দূরপাল্লার গাড়িতে হাওড়া স্টেশনে এসে খুব সহজেই মঙ্গলা হাট (Howrah Mangla Haat) থেকে বস্ত্র কিনে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। স্বাভাবিক ভাবেই ব্যবসায়ীরাও যেমন চাইছেন না মঙ্গলাহাট অন্য দিন নিয়ে যাওয়া হোক, একইভাবে ক্রেতারাও মঙ্গলা হাটকে মঙ্গলবার রাখারই কথা জানিয়েছেন। ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মতে, পুলিশ যদি ঠিকঠাক যান নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে মেট্রোর আশপাশের রাস্তায় মেট্রো যাত্রীদের যাতায়াতে অসুবিধা অনেকটাই আটকানো যাবে। রতন সমাদ্দার নামে এক ব্যবসায়ী জানান, হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর ওপর আগে দু’ধারে মঙ্গলা হাট বসত। কিন্তু সেতুর ক্ষতির কথা মাথায় রেখে পুলিশের উদ্যোগে বঙ্কিম সেতুর ওপর থেকে মঙ্গল হাট তুলে দেওয়া হয়। যদি পুলিশের উদ্যোগে তা সম্ভব হয়, তাহলে বঙ্গবাসী সিনেমার উল্টোদিকে হাওড়া ময়দান সংলগ্ন যেখানে মেট্রো স্টেশন তৈরি হয়েছে, সেখানে মঙ্গলা হাট বসানো অনেকটাই আটকানো যাবে। একই ভাবে হাওড়া স্টেশন থেকে বা হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাওড়া ময়দান যাতায়াতের প্রধান প্রধান রাস্তাগুলিকে ফাঁকা করে ফুটপাতের দোকানদারদের গঙ্গার ধারের রাস্তায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রেও মেট্রো যাত্রীদের অসুবিধা দূর করা সম্ভব। এদিকে ব্যবসায়ীদের একাংশের মত, সোম এবং মঙ্গলবারের বদলে যদি মঙ্গলা হাটকে রবি ও সোমবার করা যায়, তাতেও তাঁরা কিছুটা রাজি। কিন্তু শনি ও রবিবার দুটোই ছুটির দিন হলে ব্যবসায় ক্ষতি হবে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন।

    কী বলছেন বিশিষ্ট পরিবেশ কর্মী?

    হাওড়া হাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং বিশিষ্ট পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, মঙ্গলবার এই হাট বসে বলেই মঙ্গলা হাট (Howrah Mangla Haat) নামকরণ হয়েছে। ফলে এই হাট যদি শনি বা রবিবার নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে মঙ্গলা হাটের কোনও তাৎপর্য রইল না। তিনি বলেন, শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসার কথা থাকলেও বাস্তবে সোমবার সকাল থেকেই হাট শুরু হয়ে যায়। সোমবার যাতে হাট না বসে, সে ব্যাপারে তিনি প্রায় কুড়ি বছর আগে মামলা করেছিলেন এবং আদালত রায়ও দিয়েছিল। কিন্তু তা মানা হয়নি। তাই তাঁর মতে, যদি শুধুমাত্র মঙ্গলবার একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাট বসে, তাহলে সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অন্যদিকে হাওড়ার মঙ্গলা হাট ছাড়াও সরিষা হাট, খিদিরপুরের ফ্যান্সি হাট সহ আরও কয়েকটি হাট সপ্তাহে অন্যান্য দিন বসে। ফলে অন্য দিন যদি মঙ্গলা হাটকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে সেই সব হাটের সঙ্গে একটা সংঘাত হতে পারে। তাতে ব্যবসায়ীদের অসুবিধা হবে। তাই মঙ্গলা হাটকে শুধুমাত্র মঙ্গলবার বসিয়ে যদি হাওড়া শহরের যান নিয়ন্ত্রণ ঠিকমতো করা যায়, তাহলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে তিনি মনে করেন।

    কী জানালেন পুরসভার প্রশাসন মণ্ডলীর চেয়ারম্যান?

    অন্যদিকে হাওড়া পুরসভার প্রশাসন মণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, মেট্রো চালু হলে কীভাবে হাওড়ায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে, এ ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একইভাবে মঙ্গলা হাটকে শনি ও রবিবার সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব তিনি দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সেভাবে মতামত আসেনি। মতামত পেলেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। সুজয় চক্রবর্তী বলেন, ইতিমধ্যেই হাট (Howrah Mangla Haat) মালিকদের সঙ্গে এক দফা বৈঠক হয়েছে। শনি ও রবিবার হাট সরিয়ে আনার ব্যাপারে মালিকদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এখনও বৈঠক হয়নি। এই সপ্তাহের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও এ ব্যাপারে বৈঠক হবে। তারপর কী সিদ্ধান্ত হল, তা নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির বঙ্গ সফরের মধ্যেই হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড-সহ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর বিভিন্ন স্টেশনের ভাড়ার তালিকা শুক্রবারই প্রকাশ পেয়েছে। মেট্রো রেল (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের ভাড়ার তালিকা প্রকাশের পড়েই জোর চর্চা চলছে তবে কি প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই উদ্বোধন হবে গঙ্গার নীচে মেট্রো প্রকল্পের? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তাহলে কি শীঘ্রই চালু হতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা?

    ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন?

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার আরামবাগে সভা করেন তিনি। আজ শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা রয়েছে মোদির। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ ফের রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসতে সেদিন সভা হওয়ার কথা। মনে করা হচ্ছে সেই দিনই প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে উদ্বোধন হবে হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড রুট সহ শহরের তিন মেট্রো পরিষেবার। তবে এ নিয়ে নিশ্চয়তা কিছু নেই এখনও।

    প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর মিলবে ট্রেন

    মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই মেট্রো হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চালু (Kolkata Metro) হবে। হাওড়া থেকে রুবি বা দক্ষিণেশ্বর যেতে কত লাগবে, তার ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হল।’’ গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই হাওড়া ময়দান ও এসপ্ল্যানেডের মধ্যে পরিষেবা চালু করার লক্ষ্য স্থির করেছিল মেট্রো। পরে অবশ্য মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হয় নতুন বছরের প্রথম দিকেই চালু হয়ে যাবে ৪.৮ কিলোমিটারের এই মেট্রোপথ (Kolkata Metro)। সূত্রের খবর, পরিষেবা চালু হয়ে গেলে ওই পথে ১৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চালাবে কর্তৃপক্ষ। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিষেবা চালু রাখার কথাও প্রাথমিক পরিকল্পনায় রয়েছে।

    গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো

    গঙ্গার উপরের জলস্তর থেকে ৩৩ মিটার নীচে সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ছুটবে মেট্রো। নদী খাতের আরও ১৩ মিটার গভীরে রয়েছে জোড়া সুড়ঙ্গ। মেট্রোযাত্রীদের মাথার উপর দিয়ে বয়ে যাবে গঙ্গা নদী। কখন মেট্রো গঙ্গার নীচে প্রবেশ করছে তাও জানতে পারবেন যাত্রীরা। এর পাশাপাশি গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় যাত্রীরা (Kolkata Metro) ফোনে কথাও বলতে পারবেন। এ জন্য উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। নদীর তলায় মাটির গভীরে বসানো হয়েছে অপটিক্যাল ফাইবারও। তাই, ইন্টারনেটও ব্যবহার করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata East West Metro: হাওড়া ময়দান ও এসপ্লানেডের মধ্যে মেট্রো পরিষেবা চালু ডিসেম্বরেই?

    Kolkata East West Metro: হাওড়া ময়দান ও এসপ্লানেডের মধ্যে মেট্রো পরিষেবা চালু ডিসেম্বরেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা এই বছর ডিসেম্বরেই চালু হতে পারে। মেট্রো সূত্রের খবর, আগামী ডিসেম্বর মাসেই যাতে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেডের রুট চালু করা যায়, সে জন্য কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই নতুন মেট্রোর হাওড়া ময়দান, হাওড়া, বিবাদী বাগ এবং এসপ্লানেড স্টেশনে বিশেষ স্বয়ংক্রিয় গেট বসানো হয়েছে। ওই মেট্রোপথে ভাড়া আদায়-সহ পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যবস্থা সেক্টর ফাইভ এবং শিয়ালদার মধ্যে চালু ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যাতে যাত্রীদের ক্ষেত্রে ভাড়ার কাঠামো, যাতায়াত সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার বিষয়গুলি এক জায়গা থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। মেট্রো সূত্রের খবর, এই কাজের অঙ্গ হিসাবে বিশেষ রেভিনিউ কিট সফ্‌টওয়্যার নতুন করে বসানো ছাড়াও তার বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। 

    প্রযুক্তিগত সংযুক্তি এ সপ্তাহেই

    চলতি বছরের শেষে হাওড়া ময়দান এবং এসপ্লানেডের মধ্যে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরুর লক্ষ্যে আপাতত হার্ডওয়্যার এবং সফ্‌টওয়্যারের মেলবন্ধনে জুড়ে যাচ্ছে এই দুই প্রান্তিক স্টেশন— সেক্টর ফাইভ ও হাওড়া ময়দান। ওই মেট্রোপথকেই সেক্টর ফাইভ এবং শিয়ালদার মধ্যে চলা রুটের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সে দিক থেকে প্রযুক্তির হাত ধরে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো এই প্রথম নিজের সম্পূর্ণ হয়ে ওঠার বার্তা দেবে বলে জানাচ্ছেন কর্তারা। এই কাজের জন্য আগামী কাল, শনিবার এবং পরের শনিবার, আগামী ২৬ অগস্ট– এই দু’দিন ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকবে। মেট্রোর আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, মেট্রোর নতুন অংশে পরিষেবা শুরুর আগে প্রযুক্তিগত সংযুক্তি বিশেষ আবশ্যক। সেই জন্যই দু’দিন পরিষেবা বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুকে কালো পতাকা, এবিভিপি-আরএসএফ সংঘর্ষে ধুন্ধুমার, রক্তাক্ত যাদবপুর

    বউবাজার এলাকায় মেট্রোর কাজ করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বাড়িতে ফাটল থেকে শুরু করে সুরঙ্গে পথ তৈরি করতে গিয়ে মাটি ধসে যাওয়া–সহ নানা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তাই শিয়ালদা থেকে এসপ্লানেড পর্যন্ত মেট্রো এখনই ছোটানো যাচ্ছে না। এই ব্যবধানটুকু সরিয়ে রেখে বাণিজ্যিক পরিষেবা দিতে ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রোয় চালু থাকা নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্লানেড পর্যন্ত অংশ। এই কাজটা সম্ভব হলে জুড়ে যাবে মেট্রোর পূর্ব ও পশ্চিম। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, যাত্রীদের জন্য খুলছে কবে?

    Kolkata Metro: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, যাত্রীদের জন্য খুলছে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন সত্যি হল। ইতিহাস সৃষ্টি করল কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro)। নববর্ষের প্রাক্কালে কলকাতা মেট্রোর মুকুটে জুড়ল নয়া পালক। কথায় আছে, ‘মঙ্গলে ঊষা বুধে পা, যথা ইচ্ছা তথা যা’। সেই বুধবারই মেট্রো ছুটল পবিত্র গঙ্গার নিচ দিয়ে। সারা দেশের মধ্যে কলকাতা মেট্রোই যেমন প্রথম ভূগর্ভস্ত রেলপথ, তেমনি নদীর নিচে দিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সেই প্রথম হওয়ার শিরোপাটাই তারা ধরে রাখল। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা এবং টানটান উত্তেজনারও অবসান ঘটল।

    কীভাবে হল এই অসাধ্য সাধন?

    রেক নম্বর এম আর-৬১২। সময় বুধবার বেলা ১১ টা ৫৫ মিনিট। এই মাহেন্দ্রক্ষণেই গঙ্গা পার হল মেট্রো। মেট্রোপথে জুড়ল দুটি শহর। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে ওই রেকে ছিলেন মেট্রো রেলের (Kolkata Metro) জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি। তাঁর সঙ্গী মেট্রো এবং কেএমআরসিএল-এর অন্যান্য পদস্থ কর্তারা। মহাকরণ থেকে গঙ্গার নিচ দিয়ে ট্রেন পৌঁছল হাওড়া ময়দানে। হাওড়া স্টেশনে পৌঁছনোর পর পুজো দিলেন জেনারেল ম্যানেজার রেড্ডি। পরে এম আর-৬১৩ নম্বর রেককেও একইভাবে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া ময়দানে। 

    সাত মাস চলবে ট্রায়াল রান

    এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত আখ্যা দিয়ে জেনারেল ম্যানেজার জানান, আপাতত সাত মাস এসপ্লানেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চলবে ট্রায়াল রান। তারপরই নিয়মিত মেট্রো (Kolkata Metro) চলাচল শুরু হবে। 

    নববর্ষের উপহার

    মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, বহু বাধা-বিঘ্ন পেরনোর পরেই এই সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। কলকাতা ও শহরতলির যাত্রীদের কাছে অত্যাধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা পৌঁছে দিতে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের কাছে রেলের পক্ষ থেকে নববর্ষের উপহার।
    মেট্রো রেলের (Kolkata Metro) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪.৮ কিলোমিটার ভূগর্ভস্ত পথে ট্রায়াল রান শুরু হবে খুব শীঘ্রই। বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে এই বছরের মধ্যেই। যাত্রাপথ খুলে গেলে হাওড়াই হবে গভীরতম স্টেশন, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে তেত্রিশ মিটার নিচে। গঙ্গার নিচে ৫২০ মিটার পথ পেরতে মেট্রো সময় নেবে ৪৫ সেকেন্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share