Tag: howrah municipal corporation

howrah municipal corporation

  • Howrah: এই বোধহয় উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তায় টোটো উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত্যু শিশুর

    Howrah: এই বোধহয় উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তায় টোটো উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত্যু শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ভাঙা রাস্তা, অন্যদিকে টোটোর দৌরাত্ম্য। এই দুইয়ের জেরে মাঝেমধ্যেই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটছে হাওড়া শহরে। প্রায় প্রতিদিনই জখম হচ্ছেন মানুষ। এবার স্কুল থেকে ফেরার পথে টোটো উল্টে রাস্তায় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক শিশুর। ওই টোটোতে চেপেই বাড়ি ফিরছিল বছর তিনেকের রূপক মালিক। টোটোটি চালাচ্ছিলেন তার দাদু গণেশ। হাওড়া পুরসভার (Howrah) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাঁসখালি পোলের কাছে হরেকৃষ্ণ নগরে টোটোটি যখন ভাঙা রাস্তার উপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় সেটি লাফাতে থাকে এবং উল্টে যায়। টোটো থেকে পড়ে জখম হয় ওই শিশুটি। তার মাথায় চোট লাগে। শিশুর দাদুর পায়ের হাড় ভেঙে যায়। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ পর্যন্ত শিশুটির মৃত্যু হয়। 

    শোকাচ্ছন্ন পরিবার (Howrah)

    এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রূপক স্থানীয় একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়াশোনা করত। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল থেকে টোটোয় চাপিয়ে নিয়ে আসছিলেন দাদু গণেশ। গনেশবাবু জানান, রাস্তা খারাপ থাকায় টোটো উল্টে যায়। গুরুতর জখম হন দু’জনেই। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা শিশু-সহ তার দাদুকে হাওড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে সেখানেই মৃত্যু হয়। গণেশবাবু ওই হাসপাতালে (Howrah) চিকিৎসাধীন। শিশুর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পরিবার। তারা রাস্তার বেহাল দশাকে দুষছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুটির মাথায় হ্যামারেজ হয়েছিল। তার জেরেই মৃত্যু।

    টোটোর দৌরাত্ম্য কমেনি (Howrah)

    এদিকে হাওড়া শহরজুড়ে যত্রতত্র টোটোর দৌরাত্ম্য কমাতে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অনুমোদনহীন রাস্তায় এবং জাতীয় সড়কে বেপরোয়া টোটোর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় অভিযান চালিয়ে কয়েক শত টোটো আটক করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। তারপরেও কমানো যায়নি টোটোর দৌরাত্ম্য। অন্যদিকে তিন বছরের এই শিশুর মৃত্যুর জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙা রাস্তাকেই দায়ী করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, হাঁসখালি পোল সংলগ্ন  হরেকৃষ্ণ নগরের এই সিমেন্টের রাস্তা কয়েক বছর আগেই ভেঙে চৌচির হয়ে যায়। রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। বাসিন্দারা হাওড়া (Howrah) পুরসভাকে বারবার জানালেও রাস্তা মেরামত করা হয়নি। মাঝেমধ্যেই এই রাস্তায় টোটো উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। এদিনও টোটো উল্টে গিয়েই ওই শিশুর মৃত্যু হয়।

    কী অভিযোগ বাসিন্দাদের? (Howrah)

    স্থানীয় বাসিন্দা সুজাতা সাধুখাঁ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এই বেহাল অবস্থা। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই বড় বড় গর্তে জল জমে থাকায় দুর্ঘটনা আরও বাড়ে। পাইপলাইন তৈরি বা অন্যান্য কাজে মাঝেমধ্যে রাস্তা খোঁড়া হয়। কিন্তু তারপর সেই রাস্তার মেরামত করা হয় না। ওই অবস্থাতেই পড়ে থাকে। ফলে সেই ভাঙা রাস্তা দিয়ে প্রাণ হাতে তাঁদের প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সুজাতা অধিকারী বলেন, ভাঙা রাস্তার কারণে একজন শিশু চলে গেল। এটা খুবই খারাপ লাগছে। টোটো উল্টে যাওয়ার পরেই শিশুটির মাথায় চোট লেগে। মাথা ফেটে রক্ত বেরতে থাকে। সেই অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। আর এক বাসিন্দা গোপালচন্দ্র বসু বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তাটি (Howrah) ভাঙাচোরা, মেরামতির কাজও শুরু হয়েছে একদিকে। অন্যদিকে যে অংশটি বেশি ভাঙা, সেখান দিয়েই এদিন টোটো যেতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

    সাফাই পুর-প্রশাসকের

    হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অনেক সময় জরুরি কাজের জন্য রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয়। এক্ষেত্রে কী হয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবেন। তিনি বলেন, শিশুটির মৃত্যু খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তবে ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার পক্ষ থেকে বেশ কিছু রাস্তা ইতিমধ্যেই মেরামত করা হয়েছে। এই রাস্তাটি কী অবস্থায় ছিল, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং পুরসভার পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: সম্মুখ সমরে পুরপ্রধান-মন্ত্রী, হাওড়ায় মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গেল ক্রিসমাস কার্নিভাল

    Howrah: সম্মুখ সমরে পুরপ্রধান-মন্ত্রী, হাওড়ায় মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গেল ক্রিসমাস কার্নিভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্কিং নিয়ে গন্ডগোলের জের। নিরাপত্তার কারণে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল ক্রিসমাস কার্নিভাল। হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানান, যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। পার্কিং নিয়ে অভিযোগ ছিল শিবপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির। এবিষয়ে তাঁর সাথে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু মন্ত্রীর অনুগামীরা যেভাবে দীর্ঘক্ষণ কার্নিভালে জটলা পাকিয়ে একটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, তাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এমনকী তাঁকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে বাধা দেওয়া হয়। পুলিশ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সুজয়বাবু আরও বলেন, হাওড়ার ইকো পার্কে কার্নিভালের উদ্বোধন করেছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। প্রচুর জনসমাগম হচ্ছে প্রতিদিন। ফলে এত মানুষের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কার্নিভাল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এমনকী যেভাবে তাঁকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাতে তিনি নিজেও নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। তাই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এদিন অনুষ্ঠান চলাকালীন কার্নিভাল শেষ হওয়ার অনেক আগেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন প্রত্যক্ষদর্শীরা? (Howrah)

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ডালিয়া সাহা বলেন, কার্নিভাল চলাকালীন সন্ধ্যে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বেশ কয়েকজন যুবক কার্নিভালে আসে। তারা গাড়ি পার্কিং করতে গেলে এক ব্যক্তি তাদের থেকে পার্কিং ফিজ চায়। সেখান থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। কেন পার্কিং ফি নেওয়া হচ্ছে, পার্কিং ফি নেওয়ার তার কোনও সরকারি অর্ডার আছে কিনা, তা দেখতে চাওয়া হয়। কিন্তু যিনি পার্কিং নিচ্ছিলেন তিনি কোনও অর্ডার দেখাতে পারেননি। তা থেকেই দু পক্ষের মধ্যে গন্ডগোল শুরু হয়। সেখানে পার্কের (Howrah) দায়িত্বে থাকা এক যুবক পার্কিং করতে বলেছে বলে জানা যায়। তখন উত্তেজিত কুড়ি-পঁচিশ জন যুবক গিয়ে যে যুবক পার্কিং করতে বলেছিল, তাকে ধরে মারধর করতে শুরু করে। পুলিশ তাকে ছাড়িয়ে নেয় উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে। ষষ্ঠী নারায়ণ ইকো পার্কের গেটের সামনেই এসব গন্ডগোল হয়। কিছুক্ষণ পরে বিধায়ক সেখানে আসেন। গন্ডগোল বাড়তে থাকায় ঘন্টাখানেক পরে কার্নিভালের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাঁরা কার্নিভালে এসেছিলেন, তাঁরাও গন্ডগোলের মধ্যে পড়ে অনেকে ফিরে যান। এখন তাঁরা খুবই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এভাবে গন্ডগোল হতে থাকলে তাঁঁরা পরের দিন থেকে বলে আসবেন না বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

    কী অভিযোগ মন্ত্রীর? (Howrah)

    সন্ধ্যায় কার্নিভাল চত্বরে আসেন মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি। তিনি বলেন, কার্নিভালে বেআইনিভাবে পার্কিংয়ে টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাই খবর পেয়ে তিনি এসেছিলেন। কয়েকদিন আগে পার্কিং নিয়ে ঝামেলা হয়। থানায় অভিযোগ করা হয়। কিন্তু বেআইনি পার্কিং বন্ধ হয়নি। এবিষয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিধায়ক আরও বলেন, তিনি এসে যখন দেখেন যে কোনও সরকারি বরাত ছাড়াই পার্কিংয়ের নামে টাকা তোলা হচ্ছে, তখন যারা টাকা তুলছিল, তাদের আটক করে আইসি-কে ডেকে পুলিশের (Howrah) হাতে তুলে দেন। এখন পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার যে রেজিস্ট্রি অফিসে বেলুড় মঠের জমি রেজিস্ট্রি করতে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ স্বয়ং, সেই জায়গা এখন হয়ে উঠেছে পার্কিং জোন। ভবনের সামনের অংশে একটা প্লেট দেওয়া আছে ঠিকই, কিন্তু তা ঢেকে গিয়েছে মুহুরিদের টাঙানো প্লাস্টিকে। মহাপুরুষরা যেখানে যেখানে যান বা গিয়েছেন, তার প্রতিটি জায়গা হেরিটেজ বলে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। কিন্তু যে সব জায়গায় মহাপুরুষদের স্মৃতি আছে, সেখানে একটা ফলক বসিয়ে দিলেই কি যথেষ্ট শ্রদ্ধা দেখানো হয় যায়? এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অনেকের মনেই। তাছাড়া যেভাবে দায়সারা করে একটি মূর্তি বসিয়ে তার নীচে ফলক দেওয়া হয়েছেে, তাতে এই জায়গায় ঐতিহাসিক গুরুত্ব পথচারীরা জানতে পারছেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। তাছাড়া নাগরিক সমস্যাও রয়েছে।

    দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে

    বিবেকানন্দের মূর্তি ফুটপাতের যেখানে বসানো হয়েছে, তার দুপাশ ঘেরা। ফলে পথচারীরা এই ফুটপাত দিয়ে চলাফেরা করতে পারেন না। সামনে আবার সার সার গাড়ি দাঁড়িয়ে। বাধ্য হয়েই এখানে ফুটপাতের বদলে রাস্তা ধরে যাতায়াত করতে হয়। রেজিস্ট্রি অফিস, হাওড়া আদালত, হাওড়া পুরসভা ও জেলা পরিষদে আসা লোকজনের ভিড় থাকে প্রতিদিনই। কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিসেও নিত্যদিনের ভিড় যথেষ্ট। হাটের দিন আবার দশগুণ ভিড় হয়। ফলে ছোট ও মাঝারি দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে। উল্টো দিকেই হাওড়া জেলাশাসকের অফিস, কাছেই হাওড়া থানা ও পুলিশ কমিশনারের অফিস। তাও এই জায়গার চরম অব্যবস্থা কেন কারও চোখে পড়ে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আদালতে প্রায়ই যাঁরা নানা কাজে আসেন তাঁরা। হাওড়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই জায়গায় নিত্য আসতেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কোথায় সেই ফলক রয়েছে, তা বলে না দিলে কেউ খুঁজেও পাবে না। সময়ের সঙ্গে এই জায়গার ব্যস্ততা বেড়েছে। ভিড় বেড়েছে। ভবনের সংস্কার হয়েছে, কাছাকাছির মধ্যে নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্যকে যে অবহেলা করে সেসব করা হয়েছে, তা সাধারণের চোখে এমনিতেই ধরা পড়ে যায়। আর নানা রকম কর্মকাণ্ড হলেও পথচারীদের নিরাপত্তাকে যে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, তাও স্পষ্ট।

    পরিকল্পনার অভাব

    এই জায়গায় নতুন করে কিছু করা এই মুহূর্তে সম্ভব না হলেও, বঙ্কিম সেতু ও জি টি রোডের সংযোগস্থলে যেখানে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড গজিয়ে উঠেছে, হাওড়া ময়দান মেট্রো প্রকল্পের কাজ চলাকালীন সেখানে কেন পার্কিং লট বানানো হল হল না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই এলাকায় ছবি গত দশ বছরে পুরো বদলে গিয়েছে। কিন্ত যা হয়েছে তার কিছুই যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে করা হয়নি তা স্পষ্ট। এখনও মেট্রো রেল চালু হয়নি। এখনই সরকারি স্তরে উদ্যোগ শুরু হলে নিউ মার্কেটের মতো এখানেও মাটির নিচে পার্কিং লট তৈরি করে রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণের চলাচলের উপযোগী করা যায়।

    পুরসভা অন্ধকারে

    অন্যদিকে হাওড়া আদালতের সামনে হাওড়া পুরসভা অনুমোদিত যে পার্কিং জোন রয়েছে, তার আয়তন কতটা, তার সঠিক তথ্য নেই পুরসভার কাছেই। ফলে পার্কিং ফি নেওয়ার দায়িত্ব যে এজেন্সির কাছে, তারা যথেচ্ছ ভাবে ডবল লাইন করে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের অনুমতি দেয়। আর এর ফলেই যানজট এবং মাঝেমধ্যেই পার্কিংকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল লাগে এখানে। কয়েক বছর আগে ডবল লাইনে পার্কিংকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের সঙ্গে গন্ডগোলে উত্তাল হয়ে উঠেছিল হাওড়া ময়দান এলাকা। এমনকী র‍্যাফ নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, হাওড়া আদালতের সামনে পার্কিং ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। যদি রেজিস্ট্রি অফিসের কাছে পার্কিংয়ের অনুমতি না থাকে তাহলে সেখান থেকে পার্কিং তুলে দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন, এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯০ জন। এলাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির জমাজল এবং যত্রতত্র আবর্জনার কারণে ডেঙ্গির মশা বাড়ছে। যদিও হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অপর দিকে বিজেপি, ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করে বলে, জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, তৃণমূল পরিচালিত হাওড়া পুরসভা রাশ টানতে ব্যর্থ। 

    বালি, জগাছা এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্ত অধিক (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুরসভা এলাকা, বালি পুরসভা এলাকা, বালি জগাছা ব্লক এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ডেঙ্গু রুখতে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। হাওড়া পুরসভার ৪, ৩৯, ২৯, ৩১  এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। মূলত বাড়িতে জল জমে থাকার কারণেই ওইসব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তবে হাওড়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং নাগরিকদের বোঝাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মশা মারার তেল স্প্রে করছে।

    বিজেপির অভিযোগ

    এদিকে শহরের (Howrah) ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই, এই ডেঙ্গি সংক্রমণের অভিযোগ করে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গির পরিসংখ্যানের তথ্য গোপন করা হচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে ডেঙ্গিতে মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ করা হচ্ছে না। সরকার তথ্য গোপন করে মানুষকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সচেতন করছে না। শাসক দল ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। যা বাস্তবে ঘটছে তাই পাঠানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে হাওড়া পুরসভা। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেই জন্য যেমন বাড়ি বাড়ি সচেতন করার কাজ চলছে, একইভাবে বর্ষায় জমা জল যাতে দ্রুত নেমে যায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে, ছোট ছোট গর্তে যাতে জল জমতে না পারে, সেই জন্য বর্ষার মধ্যেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share