Tag: Howrah Station

Howrah Station

  • Howrah Station: অপচয় বন্ধে অভিনব উদ্যোগ রেলের! হাওড়া স্টেশনের ছাদে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের কর্মযজ্ঞ

    Howrah Station: অপচয় বন্ধে অভিনব উদ্যোগ রেলের! হাওড়া স্টেশনের ছাদে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের কর্মযজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রী ওঠানামা করেন। স্টেশন জুড়েই রয়েছে বিশাল ছাদ। সেই ছাদের মধ্যে কী কর্মকাণ্ড চলে, তা সিংহভাগ যাত্রীই জানেন না। মূলত, জলের অপচয় বন্ধ করতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে রেল (Rail) দফতর। বৃষ্টির জলকে সংরক্ষণ করে তা পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক ফোঁটা জলও পরিবেশের জন্য মূল্যবান। তাই বৃষ্টির জল বাঁচাতে হাওড়া স্টেশনে অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছে রেল। বৃষ্টির জল এক ফোঁটাও নষ্ট করা যাবে না, এটাই রেলের অঙ্গীকার। রেলের এই উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানিয়েছে সকলে।

    কীভাবে বৃষ্টির জল বাঁচানো হচ্ছে? (Howrah Station)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) মোট ছাদের এলাকা ৭৮৮৩১.৬০ বর্গমিটার। আর এখানে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের মাত্রা ১৬৪.৯৫০ মিমি। স্টেশনের আশপাশের এলাকায় মোট বার্ষিক বৃষ্টিপাত হয় ৯৭৫২৪.৫৪ ঘনমিটার। এই বিশাল পরিমাণ বৃষ্টির জল পুনর্ব্যবহার করে জল সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে বছরে মোট ৭৩ লক্ষ লিটার বৃষ্টির জল পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হয়। হাওড়া স্টেশনের ২৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সামনে কনস্ট্রাকশন পিট নির্মাণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে পিভিসি ট্যাঙ্কে পাথর ও বালি ভরাট করে বৃষ্টির জল প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধিত করা হয়।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে কী করা হয়?

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ৯০ শতাংশ এলাকা ছাউনি ও ছাদ দিয়ে ঢাকা রয়েছে, যা বৃষ্টির জল সংগ্রহের জন্য উপযোগী। বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে পরিশোধনের পর সেই জল প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বর ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, স্টেশনে নতুন জল ব্যবহার না করে শুধুমাত্র পুনর্ব্যবহৃত জল ব্যবহার করা হয়। ফলে, জলের অপচয় কমানো যায়। এই জল সংরক্ষণের ফলে স্টেশন প্রাঙ্গণে নতুন জলের ব্যবহার প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। স্টেশন চত্বরে জলের অপচয় রোধ করা হচ্ছে। বৃষ্টির জল ভূগর্ভস্থ জলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ফলে ভূগর্ভস্থ জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    রেল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    রেল (Rail) আধিকারিকদের বক্তব্য, এই স্টেশনে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগটি পরিবেশ কল্যাণের উদাহরণ। এটি জল সংরক্ষণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    Howrah: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে হাওড়া (Howrah) স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে ২৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। এই টাকার মধ্যে সব ছিল ৫০০ টাকার নোট। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের ভোটের মুখে হাওড়া ব্রিজের আগেই গোলাবাড়ি থানা এলাকায় একটি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। সবমিলিয়ে ৫৮ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। ওই গাড়িতে ছিলেন প্রশান্ত কুমার সোনি ও ভূপিন্দ্রর সিং নামে দুই যুবক। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন কর্তব্যরত পুলিশ। কথায় অসঙ্গতি থাকায়, তাদের আটক করা হয়।

    হাওড়া ব্রিজের কাছে বাজেয়াপ্ত করা হল টাকা (Howrah)

    জেরায় জানা গিয়েছে, প্রশান্ত ও ভূপিন্দ্রর মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, দুই যুবক উত্তরপ্রদেশ থেকে একটি ট্রেনে চাপেন। সেখান থেকে চম্বলে স্টেশনে আসেন। পরে, চম্বল এক্সপ্রেস ধরে বর্ধমান স্টেশনে নামেন। তারপর একটি লোকাল ট্রেনে করে কোন্নগর আসেন। সেখান থেকে আবার হলুদ ট্যাক্সি ভাড়া করে কলকাতার পথে রওনা দিয়েছিলেন। ঠিক হাওড়া (Howrah) ব্রিজে ওঠার আগে গোলাবড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ওই ট্যাক্সিটিকে আটকায়। চলছিল নাকা চেকিং। গাড়িটিতে পুলিশ তল্লাশি চালালে দুটি ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগ খুলতেই থ হয়ে যান পুলিশ কর্মী। দুটি ব্যাগের মধ্যে প্যাকেটের ভিতরে টাকায় ঠাসা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    পুলিশের কমিশনারের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে হাওড়া (Howrah) সিটি পুলিশের কমিশনার প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী বলেন,  নাকা তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে অবৈধভাবে ওই টাকা নিয়ে আসা হয়েছে। ভোটের মুখে এত টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার। এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে দুই যাত্রী কোথায় যাচ্ছিলেন, তা নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। আটক হওয়া যুবকরা বলেন, বড়বাজারে সোনা কিনতে যাচ্ছিলাম। তবে, ওই টাকার কোনও বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি। গোলাবাড়ি থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আয়কর দফতরে খবর দেওয়া হয়েছে। আয়কর দফতরের আধিকারিকদের হাতে ওই টাকা তুলে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    Kolkata Metro: মোদির কল্যাণে গঙ্গার নীচে দিয়ে ছুটছে মেট্রো, হাওড়ায় অটোর দৌরাত্ম্য শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো রেল পরিষেবা চালু হওয়ার পরে এক পক্ষও কাটেনি, এরই মধ্যে দ্রুত যাত্রাপথ বদল হয়েছে হাওড়া শহরের বড় অংশের বাসিন্দাদের। হাওড়া ময়দান থেকেই তাঁরা মেট্রো রেলে চড়ে কলকাতায় (Kolkata Metro) চলে যাচ্ছেন। এর ফলে হাওড়া ময়দানের পরে আর বিশেষ যাত্রী পাচ্ছেন না অটোরিকশার চালকরা। হাওড়া থেকেও ফিরতি পথে যাত্রী মিলছে না অনেক রুটেরই। শিবপুর হোক বা শালকিয়া, যাত্রীরা হাওড়া এড়িয়ে সরাসরি হাওড়া ময়দানে চলে আসছেন। তাই রোজগার এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গেছে অটোচালকদের।
    হাওড়ার দিকে যাওয়ার পথে অধিকাংশ অটোই হাওড়া ময়দানে খালি হয়ে যাচ্ছে। রুট বজায় রাখতে ফাঁকা অটো নিয়ে হাওড়ায় যেতে হচ্ছে। কিন্তু বেশি বিপত্তি ফেরার পথে। হাওড়া ময়দানের অটো ও টোটোয় সব সময়ই যাত্রী মিলছে, কিন্তু হাওড়া স্টেশনে যাত্রীর প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে ট্রিপের সংখ্যা কমে অর্ধেক হয়ে গেছে অনেক অটোর। রাত নটায় মেট্রো বন্ধ, তার পরে হাওড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী মিলছে আগের মতোই। কিন্তু দিনের বাকি চোদ্দো ঘণ্টা এক রকম মাছি তাড়াতে হচ্ছে অটোচালকদের।

    “আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি” (Kolkata Metro)

    হাওড়া ময়দান পর্যন্ত বাসে এসে সময় বাঁচাতে অনেকেই অটো ধরে হাওড়া স্টেশনে চলে গিয়ে সেখান থেকে বাস ধরতেন। এমনই এক যাত্রী শেখর প্রামাণিক বলেন, মেট্রো হয়ে যাওয়ায় এখন ময়দান থেকে আর অটো ধরে হাওড়ায় যাই না। বাসগুলো ময়দানে দাঁড়িয়ে থাকে অনেকক্ষণ, তাই বাধ্য হয়ে অটো ধরতে হত। হাওড়ায় যেতে সাত টাকা ভাড়া দিতে হত। ইদানিং দশ টাকা তো ন্যূনতম ভাড়া হয়ে গেছে। কিন্তু দশ টাকায় এখন এসি মেট্রোয় বারো মিনিটে ধর্মতলা (Kolkata Metro)। মানে গুঁতোগুঁতি করে যতক্ষণে হাওড়ায় পৌঁছতাম ততক্ষণে আরামে ধর্মতলায় চলে যাচ্ছি। ট্রেনের সময় জেনে গেছি। তাই তেমন অপেক্ষাও আর করতে হচ্ছে না। অটোওয়ালাদের যা মেজাজ, তার থেকে বেঁচেছি। বাসের কন্ডাক্টররা তো এখান থেকে গাড়ি এগোতেই চাইতেন না। এখন ওঁরা বুঝছেন।

    যাত্রী কমে যাওয়ায় ধাক্কা (Kolkata Metro)

    হাওড়ার বাসের গতি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাই টোটো বা ই রিকশা চালু হওয়ার পরে অনেকেই বাড়তি ভাড়া দিয়ে আরামে ও তাড়াতাড়ি যাওয়ার পন্থা বেছে নিতে শুরু করেন। বিদ্যাসাগর সেতু চালু হওয়ার পঁচিশ বছর পরেও আমতলা ওপি-শ্যামবাজার, চ্যাটার্জিহাট-ধর্মতলা, রামরাজাতলা-রাজাবাজারের মতো রুট টিঁকে ছিল। কিন্তু টোটোর দাপটে দ্রুত সঙ্কটে পড়ে চ্যাটার্জিহাটের বাস উঠে যায়। রুট ছোট করেও অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারেনি আমতলা ওপি রুটের বাস। এখন মেট্রোর ধাক্কায় (Kolkata Metro) চালু থাকা রুটগুলো নতুন করে ধাক্কা খাচ্ছে, বিশেষ করে হাওড়া ময়দান হয়ে হাওড়া স্টেশনগামী অটোর রুট। এতদিন ধীরে ধীরে অটোর সংখ্যা বাড়লেও এবার সমস্যায় পড়ছে তারা। কারণ বিদ্যাসাগর সেতুর সুবিধা সেভাবে পান না শালকিয়া-বালির দিকের বাসিন্দা, কিন্তু মেট্রোর সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন। শালকিয়ার দিয়ে আগে অটোর রমরমাই সবচেয়ে বেশি ছিল। বছর সাত-আট এর সঙ্গে যোগ হয়েছে টোটো। এখন হাওড়া ময়দান থেকে অটোর সমস্যা না হলেও হাওড়া স্টেশনের অটোর পক্ষে দিনের বেলায় যাত্রী কমে যাওয়ার ধাক্কা সামলানো মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার রাজ্যে। শুক্রবার সকালে হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার হল ২৭ লাখ টাকা। এই টাকার মধ্যে সব ছিল ৫০০ টাকার নোট। লোকসভা ভোটের আগে আগে এই ভাবে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার হল (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও দিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস হাওড়ায় (Howrah Station) প্রবেশ করেছিল। ট্রেন স্টেশনে ঢোকার পর চেকিং করছিলেন জিআরপি। এরপর পাঁচ জনের গতিপ্রকৃতি দেখে সন্দেহ হয়। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ব্যাগও ছিল। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তাঁরা ভয় পেয়ে যান। সেই সঙ্গে তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়লে ব্যাগে তল্লাশি শুরু হয়। এরপর বের হয় রাশি রাশি টাকার বান্ডিল।

    উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে হয় মেশিনের মাধ্যমে

    জানা গিয়েছে হাওড়ায় (Howrah Station) ধৃত পাঁচ জনের মধ্যে ২ জনের বাড়ি ধানবাদে। বাকি তিন জনের বাড়ি হল উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে। উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে রীতিমতো মেশিন লাগানো হয়। মেশিনে গুনে জানা যায় মোট টাকার পরিমাণ ২৭ লাখ। তবে এই টাকা কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই বিষয়ে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এখনও সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলে জানিয়েছেন জিআরপি। যদিও ধৃতরা জানিয়েছেন যে তাঁরা বড়বাজারে ব্যবসার সামগ্রী কেনার জন্য এসেছেন। কিন্তু এতো বিরাট অঙ্কের টাকা কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না বললেই চলে।

    আরও পড়ুনঃ মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    আগেও উদ্ধার হয়েছে টাকা

    মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন আগেই এই হাওড়া স্টেশন (Howrah Station) থেকে একই ভাবে দিল্লি-হাওড়া রাজধানী থেকে টাকা উদ্ধার করেছিল রেল পুলিশ। এই বারও রাজধানী থেকে উদ্ধার হোল প্রচুর টাকা। লোকসভা ভোটে অবৈধ আর্থিক লেন-দেন এবং ভোট কেনার বিষয়ে ভীষণভাবে নজর রেখেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করেন। এই উদ্বোধনের পর গোটা দেশ যেন রামময় হয়ে উঠেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং আরএসএস এর পক্ষ থেকে রাম ভক্তদের অযোধ্যায় মন্দির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার রাতে হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ট্রেন, হাওড়া-অযোধ্যা ধাম স্পেশাল রওনা হয় রামনগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে। মোট ৩৫০০ রাম ভক্ত অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হন। আরও একটি ট্রেন উত্তরবঙ্গের এনজিপি স্টেশন থেকে ছাড়ে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ট্রেনগুলি অযোধ্যায় পৌঁছাবে। সেখানে এইসব ভক্তদের থাকা এবং খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভক্তরা সরযূ নদীতে স্নানের পর রাম লালার মূর্তি এবং মন্দির (Ram Mandir) দর্শন করবেন। এছাড়াও অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির সহ বড় বড় মন্দিরগুলির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতেই ওই একই ট্রেনে উঠবেন রাম ভক্তরা। ৮ তারিখ ফিরবেন হাওড়ায়। স্টেশন থেকে ট্রেন সর্বত্র জয় শ্রী রাম ধ্বনি তুললেন ভক্তরা।

    উৎসবের আমেজ স্টেশনে 

    সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়া স্টেশন চত্বরে রাম ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রত্যেক রাম ভক্তই ১,৩০০ টাকা খরচ করেন এই যাত্রার জন্য। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে স্টেশন চত্বরে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। তাদের গলায় মালা পরানোর পাশাপাশি কপালে তিলক এঁকে দেওয়া হয়। স্টেশন চত্বরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। রাম ভক্তরা আনন্দে নাচতে থাকেন। এক রাম ভক্ত (Ram Mandir) ও কর সেবক অশোক সাহা জানিয়েছেন, তাঁদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জীবনে রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ পেয়ে তারা দারুন খুশি। আইআরসিটিসির পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। গোটা ট্রেন বুক করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে।

    রাম ভক্তদের ট্রেনে রাজকীয় ব্যবস্থা

    আস্থা স্পেশালে রামভক্তদের জন্য একেবারে রাজকীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভক্তদের জন্য নতুন বালিশ ও কম্বল দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকেও রাম ভক্তরা রাম নগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন। আবার দক্ষিণবঙ্গের রাম ভক্তরা হাওড়া বর্ধমান প্রভৃতি স্টেশন থেকে পাড়ি দিয়েছেন। আস্থা স্পেশাল ট্রেনের এক রাম ভক্ত অলোকা মুন্সির কথায়, ‘‘আজকে সুযোগ পেলাম তাই স্পেশাল ট্রেনে অযোধ্যা যাচ্ছি। স্টেশনে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রেড কার্পেট পেতে বরণ করে নেওয়া হল। আমাদের টিফিনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দুপুরের খাবার দেওয়া হল। নিরাপত্তারও জোরদার আয়োজন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: মাপকাঠি পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন, ৮৩ পয়েন্ট পেয়ে সেরা নির্বাচিত হাওড়া স্টেশন

    Howrah Station: মাপকাঠি পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন, ৮৩ পয়েন্ট পেয়ে সেরা নির্বাচিত হাওড়া স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পুরস্কৃত হাওড়া স্টেশন (Howrah Station)। পরিচ্ছন্নতা এবং সবুজায়নের মাপকাঠিতে অন্যতম সেরা নির্বাচিত হল পূর্ব ভারতের গেটওয়ে হাওড়া স্টেশন। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, পরিবেশবান্ধব স্টেশন হিসেবে হাওড়া স্টেশনকে প্ল্যাটিনাম রেটিংয়ের তকমা দিয়েছে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি এবং ইন্ডিয়ান গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল। হাওড়া স্টেশনের ভাগ্যে জুটেছে সর্বোচ্চ ৮৩ পয়েন্ট। মাত্র ৫ মাসেই এই সাফল্য বলে দাবি করেছে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ।

    ২০১৮ সালে প্রথম সিলভার রেটিং

    দেশের রেল স্টেশনগুলিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সবুজ স্টেশনের তকমা দিতে শুরু করে যৌথভাবে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি এবং ইন্ডিয়ান গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল। এই উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করতে ভারতীয় রেলের এনভায়রনমেন্ট ডাইরেক্টরেট সহযোগিতা করে। বছর পাঁচেক আগে ২০১৮ সালে প্রথমবার হাওড়া স্টেশন সবুজায়নের জন্য সিলভার রেটিং পায়। এরপর ২০২১ সাল পর্যন্ত তা একই ছিল। ২০২৩ সালের জুন মাসে এই স্টেশন পায় গোল্ড রেটিং। এরপরই নড়েচড়ে বসেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএম সঞ্জীব কুমার। হাওড়া স্টেশনকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সবুজায়নের (Howrah Station) ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নোংরা জল, আবর্জনা এবং বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের পাশাপাশি নিউ ক্যাব-রোডের দু পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা দিয়ে সবুজায়ন করা হয়। এতে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় স্টেশন চত্বরের। তাই রেটিং-এর সর্বোচ্চ নম্বর পেতে দেরি হয়নি হাওড়া স্টেশনের। কৌশিক মিত্র আরও জানিয়েছেন, আগামী দিনেও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যার মাধ্যমে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি স্টেশন চত্বরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে।

    খুশি রেলযাত্রী, রেলের অফিসাররাও

    হাওড়া স্টেশন এই নতুন তকমা পাওয়ায় খুশি রেলযাত্রী থেকে রেলের অফিসাররাও। যাত্রীরাও (Howrah Station) জানিয়েছেন, আগের থেকে অনেকটাই উন্নত হয়েছে হাওড়া স্টেশনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিষেবা। পাশেই মেট্রো রেল প্রকল্প শেষের পথে। স্টেশন সংলগ্ন যাত্রীদের বসার জায়গা, প্ল্যাটফর্ম সর্বত্রই নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়। সেক্ষেত্রে হাওড়া স্টেশনকে এই ধরনের পুরস্কারে পুরস্কৃত করায় তাঁরা খুশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: হাওড়ায় বন্দে ভারতে উঠতে গিয়ে বিপত্তি! মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন যাত্রী

    Vande Bharat: হাওড়ায় বন্দে ভারতে উঠতে গিয়ে বিপত্তি! মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সাত সকালে হাওড়া স্টেশনে বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসে যে ঘটনা ঘটল দেখে কার্যত হতবাক রেল কর্মী থেকে যাত্রী সকলেই। এভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার জন্য স্টেশনে কর্তব্যরত আরপিএফ কর্মী বিনোদকুমার চৌধুরীকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন সকলে। আর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সেই যাত্রী এখনও বেঁচে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা ভাবলেই আঁতকে উঠছেন। আপাতত তাঁকে হাওড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রেলের আধিকারিকরা বলছেন, ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে ওঠার ব্যাপারে রেলের তরফে বারবার যাত্রীদের সতর্ক করা হচ্ছে, তা সত্ত্বেও একশ্রেনির যাত্রীদের হুঁশ ফিরছে না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মঙ্গলবার সকালে হাওড়া স্টেশনের নিউ কমপ্লেক্সের ২১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাড়িয়েছিল হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ছাড়া কথা ছিল ট্রেনটির। সেই মতোই ট্রেনটি পুরীর উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল। ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ে প্ল্যাটফর্ম ছাড়ার সময়ই দাঁড়িয়েছিল। ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ে প্ল্যাটফর্ম ছাড়ার সময়ই বিপত্তি ঘটে। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন এক যাত্রী। চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় ওই যাত্রীর পা পিছলে যায়। পড়ে গিয়ে তাঁর একটি পা ট্রেন এবং প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে আটকে যায়। একটি ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেন এবং প্ল্যাটফর্মের মাঝে পা আটকে যায় তাঁর। ওই যাত্রী মরিয়া হয়ে পা বার করে আনার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে ঘষা খেয়ে কয়েক মিটার এগিয়ে যান তিনি। সেই দৃশ্য দেখতে পেয়ে ওই যাত্রীকে বাঁচাতে ছুটে আসেন স্টেশনে কর্তব্যরত আরপিএফ কর্মী বিনোদকুমার চৌধুরী। ট্রেনের ভিতর থেকেও এক জন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। টেনে তোলেন ওই যাত্রীকে। অল্পের জন্য রক্ষা পান ওই যাত্রী।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা কী বললেন?

    উচ্চগতির বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat) তখন সবেমাত্র স্টেশন ছেড়েছে, আর লাগেজ কাঁধে সেই চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন ওই যাত্রী। চোখের সামনে দেখলাম, ওই যাত্রী পা হড়কে প্রায় ট্রেনের ভিতর দিয়ে ঢুকে যাচ্ছেন। কর্তব্যরত আরপিএফ অফিসার ছুটে গিয়ে তাঁকে রক্ষা করেছেন। না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) আরপিএফ এবং হকারদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনায় আরপিএফের সঙ্গে হকারদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে লাঠিচার্জ হয়। এর ফলে বেশ কয়েকজন হকার ইতি মধ্যে আহত হয়ে পড়েন। হকারদের অভিযোগ, তাঁরা স্টেশনে ব্যবসা করতে গেলে রেল পুলিশ বাধা দেয়। প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। আর তারপরে হকাররা প্ল্যাটফর্মে বসে অবস্থান করতে গেলে, রেলের পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয় এবং তারপর গোলমাল বাধে, মারামারি হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় স্টেশনের যাত্রীদের মধ্যেও তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।

    স্টেশনর কোথায় ঘটল ঘটনা (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হকাররা রেলের পুলিশদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তাঁরা স্টেশনের মধ্যে থাকা দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল, এবং সেই মতন তাঁরা বিক্ষোভ দেখানোর কাজে যোগদান করলে, রেলের পুলিশ এসে তাঁদের বাধা দেয়। এরপর একে একে সমস্ত হকাররা একত্রিত হলে, আরপিএফের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং এরপর হাতাহাতি হয়। রেলের পুলিশ ঠিক তারপরেই ব্যাপক লাঠি চার্জ করে। ইতি মধ্যে বেশ কিছুজন হকার আহত হয়েছেন।

    আগেও হয়েছে ঝামেলা

    সূত্রে আরও জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবারেও এই হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) হকারদের সঙ্গে রেলের পুলিশদের এক প্রকার ঝামেলা হয়। হকাররা যে স্থানে বসে ব্যবসা করতেন, পুলিশ এসে তাঁদের তুলে দিয়েছিল। সেই দিনেও একপ্রকার ঝামেলা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। আরপিএফ পুলিশ এবং হাকারদের মধ্যে ঘটেছিল হাতাহতির ঘটনাও।

    গত বছর হয়েছিল সাঁতরাগাছি স্টেশনে ঝামেলা

    হাওড়া স্টেশনের মতন (Howrah Station) গত অগাস্ট মাসে সাঁতরাগাছি স্টেশনেও বেধে ছিল ব্যাপক সংঘর্ষ। হকার এবং আরপিএফের মধ্যে হয়েছিল ছিল ব্যাপক মারামারি। রেল পুলিশের লাঠির আঘাতে এক হাকারের মাথা ফেটে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। আর এই ঘটনার পরেই বাধে ব্যাপক সংঘর্ষ। রেল পুলিশের লাঠি চার্জের বিরুদ্ধে রামরাজাতলা এলাকায় চলে হকারদের অবস্থান বিক্ষোভ। এই ঘটনায় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখার বেশ কিছু রেল লাইন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বেশ কিছু ট্রেন সাময়িক সময়ের জন্য আটকে যায়। যাত্রীদের ভীষণ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    TMC: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) শহিদ দিবস। কিন্তু এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশ যেন নাম কা ওয়াস্তে। আসলে এটা দলের বহু কর্মী-সমর্থকদের কাছে বাৎসরিক কলকাতা ভ্রমণ ও পিকনিক। বিনা পয়সায় থাকা, খাওয়া-দাওয়া। তাই প্রতি বছর এই দিনটিতে বিনা পয়সায় কলকাতা ভ্রমণের জন্যই এঁরা অপেক্ষা করে থাকেন। দলীয় নেতৃত্ব সেটা জানে না, তা নয়। তাই কলকাতার চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, ইকো পার্ক সহ পর্যটন স্থলগুলির সামনে আগে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার, ব্যানার, এমনকি সরকারের সাফল্যের খতিয়ানের পোস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই সমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে দল বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা দলীয় পতাকা হাতে এক-দু দিন আগে থেকেই রওনা দিয়েছেন সমাবেশ স্থলের উদ্দেেশে। কারণ ট্রেনে টিকিট কাটার বালাই নেই।

    হাওড়া স্টেশন যেন ওদেরই (TMC) সম্পত্তি

    অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের (TMC) উদ্যোগেই ব্যবস্থা করা হয়েছে থাকা, খাওয়ার। ফলে বিনা পয়সায় কলকাতা ঘোরার সুযোগ এর থেকে বড় হতেই পারে না। থাকা, খাওয়া কোনও কিছুরই খরচ নেই৷ তাই ছেলেপুলে, বয়স্ক সকলেই সদলবলে বুকে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাজ লাগিয়ে চলে এসেছেন শহরে। একুশে জুলাইয়ের একদিন আগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন ট্রেনে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে কোনও টিকিট না কেটেই হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক ও কর্মী। আর তাদের দাপটে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ রেল যাত্রীদের। ট্রেনে বসার জায়গা তারা আগে থেকেই দখল করে রাখছেন। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। আর এই ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেল পুলিশকেও। এর জেরে প্রতি বছর বিপুল টাকার ক্ষতি হচ্ছে রেলের।

    ঢালাও ডিম-ভাত, আলু-পটলের তরকারি

    অন্যদিকে এইসব দলীয় কর্মীদের রাত্রিবাস এবং তাদের দেদার খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে উত্তর হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) পক্ষ থেকে। হাওড়া স্টেশন থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে উত্তর হাওড়ার শ্যাম গার্ডেন ও শ্রীরাম বাটিকায় স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর নেতৃত্বে এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে হাজার হাজার দলীয় কর্মীর জন্য রান্না। সেই রান্না দেখে মনেই হবে না যে এটা কোনও শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। রীতিমতো পিকনিকের মেজাজ। বড় বড় হাঁড়ি-কড়ায় তৈরি হচ্ছে ভাত, ডাল, আলু-পটলের তরকারি, উনুনের সামনে ডাঁই করে রাখা হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি সিদ্ধ ডিম। আর তা দেখে আনন্দে আত্মহারা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। এখান থেকে ভর পেট খেয়েই তাঁরা যে সব মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন ধর্মতলার সভাস্থলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat Express: ‘বন্দে ভারত’-এর জন্য হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণে উদ্যোগী রেল, ফাইল আটকে নবান্নে!

    Vande Bharat Express: ‘বন্দে ভারত’-এর জন্য হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণে উদ্যোগী রেল, ফাইল আটকে নবান্নে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের সৌজন্যে রাজ্যে চলাচল করছে হাইস্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। হাওড়া স্টেশন থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাতায়াতকারী এই সুপারফাস্ট ট্রেনটিকে ঘিরে যাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপন তুঙ্গে। রেলমন্ত্রক এখন চাইছে, হাওড়া স্টেশনে এই ট্রেনের ঢোকা ও বেরনোর পথ আরও সুগম, আরও মসৃণ করতে। বন্দে ভারতের মতো ভিভিআইপি ট্রেনের যাত্রীরা যাতে প্ল্যাটফর্মে নানারকম অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন, তার জন্যও সচেষ্ট হয়েছে রেল। কিন্তু হলে কী হবে, অভিযোগ উঠেছে, সেই চিরাচরিত রাজ্যের অসহযোগিতায় ওই প্রকল্পটি দিনের আলো দেখতে পাচ্ছে না। রাজ্যের এই মনোভাবে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ রেল তথা কেন্দ্রীয় সরকার।

    হাওড়া স্টেশনে কী প্রকল্প হাতে নিয়েছে রেল?

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) ঢোকা ও বের হওয়ার জন্য ১ নম্বর প্লাটফর্মটিকে আরও লম্বা এবং প্রশস্ত করা হবে। বর্তমানে এর যা দৈর্ঘ্য, নতুন প্লাটফর্ম হবে তিনগুণেরও বেশি। ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের প্লাটফর্ম বেড়ে হবে ৬৩০ মিটার। স্বাভাবিকভাবেই তা ছাড়িয়ে যাবে বঙ্কিম সেতু। ‘গতিশক্তি’ প্রকল্পের আওতায় এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৩ কোটি টাকা। অর্থ আছে, আছে উদ্যোগও। কিন্তু রাজ্যের সহযোগিতা ছাড়া এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, বলছেন রেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা।

    রাজ্যে কোথায় আটকে রয়েছে অনুমোদন?

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজ করার জন্য বঙ্কিম সেতুর একাংশে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে ২৫ দিন। সে কথা জানিয়ে তারা কেএমডিএ-কে চিঠি দিয়েছে তা প্রায় ছ-মাস আগে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সবুজ সংকেত আসেনি। অন্যদিকে, কেএমডিএর একটি সূত্র জানাচ্ছে, ওই কাজ করতে হলে বঙ্কিম সেতু যেভাবে বন্ধ রাখতে হবে, তা নিয়ে তারা চিন্তিত। এই কারণে বিষয়টির (Vande Bharat Express) অনুমোদন পেতে তারা দ্বারস্থ হয়েছে নবান্নের। সেই ফাইল এখন বিবেচনার জন্য পড়ে রয়েছে।  ফলে এই প্রকল্প আদৌ দিনের আলো দেখবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share