Tag: Howrah Violence

Howrah Violence

  • Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে (Howrah Shibpur Violence) অশান্তির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল সি.ভি আনন্দ বোস (C.V Anand Bose)। গোটা ঘটনার পর্যবেক্ষণে ‘স্পেশাল সেল’ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তের খবর নেবেন রাজ্যপাল। রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাওড়া-শিবপুরের ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    রাজভবনের বার্তা

    শুক্রবার বিকালে রাজভবনের (Raj Bhavan) তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “শিবপুরে অশান্তির ঘটনায় রাজভবন কড়া নজর রেখেছে। হনুমান ধর্ম রক্ষা করতে লঙ্কায় আগুন লাগিয়েছিলেন। এখানে অধর্মের জন্য যাঁরা আগুন লাগিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছেন।” এই ঘটনাটি (Howrah Shibpur Violence) ‘মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ’ বলেও রাজভবনের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাকে একজোট হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনায় পুলিশকে শান্তিপ্রিয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সক্রিয়, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে বলেছে রাজভবন। হামলাকারীদের কড়া বার্তা দিয়ে রাজভবনের তরফে আরও জানানো হয়, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পদ, সম্মান রক্ষার জন্য রাজভবন চোখ কান খোলা রাখছে। 

    আরও পড়ুন: রাম নবমীর মিছিলে বিজেপির সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেতারা! কোথায় জানেন?

    শুভেন্দুর বার্তা

    হাওড়া-শিবপুর প্রসঙ্গে (Howrah Shibpur Violence) রাজ্যপালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু ট্যুইটে বলেছেন, ‘রাজভবন চোখ-কান খোলা রাখবে, এটা শুনে ভাল লাগছে। এবার দুষ্কৃতীদের ধরতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, এই ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। উল্লেখ্য, হাওড়া ও ডালখোলায় রাম নবমীর মিছিলের উপর হামলার অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। অশান্ত এলাকাগুলিতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যের জেরে হাওড়ার অগ্নিগর্ভ (Howrah violence) পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মমতা (Mamata) প্রশাসনের দিকে উঠতে শুরু করেছে অভিযোগের আঙুল। এই পরিস্থিতিতে, শনিবার বিকেলে নবান্নতে (Nabanna) উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নেওয়া হয় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত। রাজ্য প্রশাসনের হেডকোয়ার্টার থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে, হাওড়া শহর (Howrah City) ও হাওড়া গ্রামীণ (Howrah Rural)— এই দুই এলাকার শীর্ষ পুলিশকর্তাকে সরানো হচ্ছে।

    প্রথমদিকে হয়ত মনে হয়েছিল, হয়ত প্রশাসন কড়া হাতে বিষয়টিকে দমন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু, ভুল ভাঙে কিছুক্ষণের মধ্যেই। কারণ, দুই এলাকার পুলিশকর্তাকে সরিয়ে যে নতুন পদে বসানো হয়েছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। সাধারণত, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রুখতে ব্যর্থ পুলিশকর্তাদের ‘পানিশমেন্ট পোস্টিং’ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আগের থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে অথবা কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে, ঘটনা ঠিক উল্টো।

    হাওড়ায় (Howrah) ব্যর্থ দুই পুলিশ কর্তাকেই আখেরে বদলি করে কলকাতায় এনে যাকে বলে রীতিমতো ‘প্রাইজ পোষ্টিং’ দেওয়া হয়েছে। যেমন, হাওড়ায় ‘ফেল’ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (শহর) পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে (C Sudhakar) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে। যে পদে আসার জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। অন্যদিকে, হাওড়ায় আরেক ব্যর্থ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে (Saumya Roy) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের সাউথ ওয়েস্টের ডেপুটি কমিশনার পদে আনা হয়েছে।

    ব্যর্থতার জন্য তো শাস্তি হয় বলেই শোনা যায়। আইনকানুন সামলাতে না পারলে, পানিশমেন্ট পোস্টিং হয় বলেই এতদিন সকলেই জানেন। কিন্তু, ব্যর্থ হওয়ার জন্য ‘পানিশমেন্ট পদোন্নতি’ বা ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দেওয়া হল— এমন কাণ্ড একমাত্র মমতা প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব। আর এখান থেকেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রথমত, তাহলে কি পুলিশ কর্তাদের আদৌ কোন দোষ ছিল না? তাঁরা সেটাই করেছেন, যা তাঁদের করতে বলা হয়েছিল? তাই যদি না হবে, তাহলে কেন বদলি করা হল অধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে? 

    যেমন ধরা যাক, হাওড়া গ্রামীণ ক্ষেত্রটি। গত তিনদিন ধরে ডোমজুড়, পাঁচলা ও সলপে একাধিক হিংসা ঘটেছে। এসবকটি এলাকা হাওড়া গ্রামীণ এলাকার আওতাধীন। সেখানকার পুলিশ সুপার ছিলেন সৌম্য রায়। যিনি কিনা আবার সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রর স্বামী। অতীতে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় লাভলির প্রার্থিপদ ঘোষণার পরেই বিতর্কে জড়ান এই আইপিএস অফিসার। বিরোধীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্ত্রী লাভলি ভোটে প্রার্থী হওয়ায় সৌম্যকে পুলিশের উচ্চপদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    সাম্প্রতিক অতীতে, হাওড়ার আমতার বাসিন্দা ছাত্রনেতা আনিস খানের (Anees Khan) অস্বাভাবিক মৃত্যুর সময়ই এই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ ওঠে। অনেকেই দাবি করেছিলেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দিতে চাইছেন সৌম্য। সেই সময়ও, সৌম্যর বদলির জোরালো দাবি উঠেছিল। কিন্তু, তাঁকে সরানো হয়নি। 

    বিরোধীদের মতে, এই বদলি আখেরে স্রেফ একটা ‘আইওয়াশ’ ছাড়া কিছুই নয়। পুলিশকর্তা বদলের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তাহলে কি লোক দেখানোর প্রক্রিয়া মাত্র? প্রশাসনের দাবি, এটা নাকি রুটিল বদলি! কাকতালীয়ভাবে, রুটিন বদলিতে এমন দুজনকে সরানো হল, যেখানে এখন গত তিনদিন ধরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সৌম্যকে ‘আড়ালে রাখতেই’ তাঁকে হাওড়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশে নিয়ে আসা হল।

  • Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিন হলেও হাওড়ার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এখনও সামাল দিতে ব্যর্থ মমতা প্রশাসন। এই পরিস্থিতি প্রচণ্ড চাপের মুখে অবশেষে জেলা পুলিশের শীর্ষস্তরে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। হাওড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আজই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী৷ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বি পি গোপালিকা এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম৷ সেখানেই দুই পুলিশকর্তাকে বদলির সিদ্ধান্ত নেওযা হয়।

    হাওড়া শহরের নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সেইসঙ্গে গ্রামীণ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন স্বাতি ভাঙ্গালিয়া। এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশানাল কমিশনার পদে কর্মরত আছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। স্বাতি ভাঙ্গালিয়া আছেন ডিসি সাউথ ওয়েস্ট পদে। হাওড়া জেলার বর্তমান পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি এবং গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সৌম্য রায় হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ ওয়েস্ট।

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    হজরত মহম্মদকে (Prophet) নিয়ে করা দিল্লিতে সদ্য দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে কার্যত উত্তপ্ত হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার ডোমজুড়ের অঙ্করহাটির কাছে ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের পর শুক্রবার গোটা দিন ধরেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ ছিল বহু এলাকায়। জেলার উলুবেড়িয়া, ডোমজুর সহ একাধিক এলাকায় গত কয়েকদিনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

    জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে টানা চলে অবরোধ। চেঙ্গাইল সহ একাধিক স্টেশনে হয় রেল অবরোধ। স্তব্ধ হয়ে যায় সড়ক ও রেল যোগাযোগ। পাঁচলায় অগ্নিসংযোগ এবং এটিএম ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে। শনিবারও পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সতর্কতা হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ১৩ জুন সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হাওড়ার বেশ কিছু জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাওড়ার পর এবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেলডাঙাতেও অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ১৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar Arrest: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    Sukanta Majumdar Arrest: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া যাওয়ার আগে গ্রেফতার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার। 

    [tw]


    [/tw]

    গতকাল হাওড়ায় বিজেপির যে সমস্ত পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে, সেগুলি আজ পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল বিজেপি রাজ্য সভাপতির  (BJP State President)। সকালে, নিউটাউনের বাড়িতে আটকে দেওয়া হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। জোর করে বেরনোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও পুলিশের হাতাহাতি শুরু হয়। বাড়ির সামনে বসানো হয় গার্ড রেল। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সেই গার্ড রেল ভেঙে দেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কির পর বাড়ি থেকে বেরোন সুকান্ত মজুমদার। এসএসকেএমের কাছে আটকে দেওয়া হয় বিজেপিরাজ্য সভাপতির গাড়ি। গাড়ি আটকানোয় রাস্তায় হাঁটতে থাকেন সুকান্ত। পরে গাড়িতে করে হাওড়া যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে যখন আসেন, তখন গ্রেফতার করা হয় সুকান্ত মজুমদারক। এর পর লালবাজারে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সুকান্ত। হাওড়া সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া হিংসায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পদে বসে হিংসার পরামর্শ মমতা দেওয়ার পরই হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    এদিকে, সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি। অগ্নিমিত্রা পাল সহ দুই বিজেপি বিধায়কের নেতৃত্বে বিক্ষোভ প্রতিবাদ শুরু করে গেরুয়া শিবির। পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় প্রতিবাদীদের। ধর্মতলায় ডিসি সেন্ট্রালের অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে। ঘটনার প্রতিবাদে রায়গঞ্জে বিক্ষোভ, কোচবিহারেও রাস্তা অবরোধ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

  • Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) ঢোকার চেষ্টা করলে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে (BJP State President) গ্রেফতার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে (Leader of Opposition) বাধা কেন দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও সরকারের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) এবং বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)৷ বিষয়টি নিয়ে মামলার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই নেতা৷ কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের সেই আবেদন মেনে নিয়ে মামলা রুজু করার অনুমতি দিয়েছে৷

    পয়গম্বরকে (Prophet Row) নিয়ে বিজেপির নিলম্বিত জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মার আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা (Howrah Violence)৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল হাওড়ায়। সোমবার তা পুনরায় চালু করা হয়। উলুবেড়িয়া সহ বেশ কিছু এলাকায় জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। 

    আরও পড়ুন: “দিদিমনি অবসর নিলেও আচার্য হতে পারবেন না”, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে বিজেপি-র কার্যালয় ভাঙচুর ও কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে৷ তারপরই হাওড়া যাওয়ার উদ্যোগ নেন শুভেন্দু ও সুকান্ত৷ কিন্তু, তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ৷ শনিবার সেই পার্টি অফিসে যেতে চেয়েছিলেন সুকান্ত। কিন্তু, তাঁদের আটকে দেওয়া হয়।

    নিউ টাউনের বাড়িতে বেরোতেই পুলিশ আটকায় সুকান্ত মজুমদারকে। কিন্তু পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই গাড়ি করে রওনা দেন হাওড়ার উদ্দেশে। কিন্তু মাঝ পথেই তাঁর গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। তখন পায়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে।

    অন্যদিকে, রবিবার একইভাবে কাঁথি থেকে হাওড়ায় যেতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু পুলিশ হাওড়ায় যেতে দেয়নি তাঁকেও। নন্দীগ্রামে দীর্ঘক্ষণ পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর শুভেন্দু হাওড়া না গিয়ে কলকাতায় এসে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে তাঁকে ‘বেআইনি ভাবে’ হাওড়া যাওয়ায় বাধা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ ত্রিবেদীকেও চিঠি দেন শুভেন্দু। 

    আরও পড়ুন: বেথুয়াডহরি স্টেশনে ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের, প্রতিবাদে ৭২-ঘণ্টা ব্যবসা বন‍্‍ধ

    শুভেন্দু আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, হাওড়ায় ঢুকতে তাঁকে বাধা দেওয়া হলে, তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এই দুই ঘটনায় পুলিশের অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান সুকান্ত-শুভেন্দু। সোমবার, তাঁদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে উচ্চ আদালত।

  • Howrah Violence: সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    Howrah Violence: সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সভাপতির পর এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। হাওড়া (Howrah) যাওয়ার পথে সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) আটক করে গ্রেফতার করার পর এবার শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারীর পথ আটকাল মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। 

    [tw]


    [/tw]

    গত তিনদিনের হিংসায় হাওড়ায় ভাঙা হয়েছে বিজেপির (BJP) দুটি কার্যালয়। মারধর করা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী ও ভাঙা পার্টি অফিস দেখতেই হাওড়া যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পথেই তাঁকে আটকানো হয়। তমলুকের নিমতৌড়িতে রাধামণি মোড়ে শুভেন্দু অধিকারীকে আটকায় পুলিশ। বাধা দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। 

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    বিরোধী দলনেতার হাওড়া যাওয়া আটকাতে গতকাল রাত থেকে অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে রাজ্যের পুলিশ। মধ্যরাত থেকেই বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথির বাড়ির সামনে। রাতারাতি শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ঘিরে ফেলে রাজ্য পুলিশ। যাতে কেউ আস্তে যেতে না পারেন তার জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বাড়ির সামনে বসানো হয় ব্যারিকেড। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। এক কথায় শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথির বাড়ির সামনে পুলিশের ছিল ‘সাজো সাজো রব’। এদিন সকাল হতেই দেখা যায় গোটা বাড়ি কার্যত ঘিরে ফেলেছে রাজ্য পুলিশ। মোতায়েন রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। 

    [tw]


    [/tw]

    ঠিক একইভাবে শনিবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে আটকাতে ব্যবস্থা নিয়েছিল বিধাননগর পুলিশ। তবে, গতকালের মতো বিনা নোটিশে, মুখের কথায় আটকানো নয়। শুভেন্দু অধিকারীকে রীতিমতো নোটিশ পাঠায় কাঁথি থানা। আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসের সই করা সেই নোটিশে বলা হয়, “বাইরে পরিস্থিতি ভালো নয়, তাই হাওড়ায় যেতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় ইতোমধ্যেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেন ১৪৪ ধারা ভাঙার চেষ্টা না করেন।

    শুভেন্দুর হাওড়া যাওয়া আটকানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন অমিত মালব্য (Amit Malviya)। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, ‘সুকান্ত মজুমদারকে আটকের পর শুভেন্দুকে আটকানোর চেষ্টা। শুভেন্দু অধিকারী যাতে হাওড়ায় যেতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করছে। বিক্ষোভকারীদের নয়, বিজেপিকে আটকানোই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য। রাজ্য সরকারকে ট্যুইটে নিশানা বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের। এদিকে, গতকাল তাঁকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে এদিন মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    গত তিনদিন ধরে হাওড়ায় (Howrah violence) দুস্কৃতী তাণ্ডবে বেসামাল প্রশাসন। শুক্রবার ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া গ্রামীণ এলাকায়। ভাঙা হয় পাঁচলায় বিজেপির কার্যালয়। আগুন ধরিয়ে দেয় উন্মত্ত জনতা। শনিবার হামলা চলে হাওড়ার রঘুদেবপুর অঞ্চলে। এখানেও টার্গেট বিজেপির আরেক কার্যালয়। যথেচ্ছ তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত উশৃঙ্খল বাহিনী। পুলিশের চোখের সামনে পুরো ঘটনা ঘটলেও বাধা দেওয়ার কোনও চেষ্টাই করেনি হাওড়া পুলিশ। গতকালই “কর্তব্যে গাফিলতির” কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হাওড়ার দুই পুলিশকর্তাকে।

    যদিও আজ সকালেই পুলিশকর্তাদের সরিয়ে দেওয়াকে কটাক্ষ করেছেন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলিপ ঘোষ। খড়গপুরে চা-চক্রের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, পুলিশ কর্তাদের সরিয়ে দেওয়া ‘স্রেফ আইওয়াশ’। তিনি বলেন, “যারা অশান্তি করছে, মুখ্যমন্ত্রী তাদের আটকাতে পারছেন না বরং উসকে দিচ্ছে। তিন দিন ধরে বাস বন্ধ হচ্ছে, জাতীয় সড়কে অবরোধ হচ্ছে, ট্রেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেশের সমস্ত প্রান্তে একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও এরাজ্যে করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে হেরো মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক স্বার্থে দাঙ্গাকারীদের ব্যবহার করছে।” 

     

     

  • Howrah Violence: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    Howrah Violence: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনার পাপের ফলে আজ ভুগতে হচ্ছে জনগণকে। হাওড়াকাণ্ডে ( Howrah Violence) এই ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। হজরত মহম্মদকে নিয়ে প্রাক্তন বিজেপি (BJP) মুখপাত্র নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে অশান্ত বাংলার হাওড়া। পরপর দুদিন জেলার একাংশের পরিস্থিত অগ্নিগর্ভ হয়ে রইলেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। তার জেরেই নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের এই ট্যুইটবাণ।

    হাওড়ার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়ার পর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই হুমকির প্রেক্ষিতে শুভেন্দু বলেন, কেন আপনি মিছে ধমক দিচ্ছেন। সবে কিছু দোকানপাট লুঠেছে, পার্টি অফিস, গাড়ি পুড়িয়েছে, বোমা ছুঁড়েছে, থানায় পাথর মেরেছে, রেলস্টেশন ভাঙচুর করেছে। অশান্তির দায় মমতা চাপিয়েছেন বিজেপির ঘাড়ে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই শুভেন্দু বলেন, বিজেপি কোনও পাপ করেনি। আপনার পাপের ফল ভুগতে হচ্ছে জনগণকে।

    [tw]


    [/tw]

    মমতার উসকানিতেই যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন শুভেন্দু। বলেন, আপনি সিএএ নিয়ে ভুল বুঝিয়ে জনগণকে ক্ষিপ্ত করেছিলেন। উসকানি দিয়ে পথে নামিয়েছিলেন। দাঙ্গাবাজদের সাহস জুগিয়েছেন আপনি। সায়নী ঘোষের পবিত্র শিবলিঙ্গ সম্বন্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের বেলায় আপনি চুপ ছিলেন কেন? শুভেন্দুর প্রশ্ন, তখন ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগেনি? ক্ষমতা আছে নিন্দা করার?

    আরও পড়ুন : “তৃণমূল জমানায় বাংলায় বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে”, বললেন শুভেন্দু

    মমতাকে রোম সম্রাট নিরোর সঙ্গে তুলনা করেছেন শুভেন্দু। বলেন, রোম যখন পুড়ছিল তখন নিরো বেহালা বাজাচ্ছিলেন। আর বাংলা যখন পুড়ছে, তখন মমতা গুণ্ডাদের কাছে ভিক্ষা চাইছেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীও। শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ মন্ত্রী আপনি জেগে উঠুন। মুর্শিদাবাদে বেলডাঙা থানায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে কেন্দ্রের সাহায্য চান। শুভেন্দু বলেন, এক জন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কী আশা করা যায়, যিনি গুন্ডাদের সামনে হাতজোড় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে  ভিক্ষে চাইছেন? 

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দুর কথায় রাজ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে পার্টি অফিস, দোকানপাট। তৃণমূলের মদতপুষ্ট গুন্ডারাই দোকানপাট ভাঙচুর করছে। বাড়িঘরে আগুন লাগানো হয়।

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির প্রাক্তন নেত্রী নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গত দু দিন ধরে অশান্ত হাওড়া। সড়ক অবরোধের জেরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় বাসে ট্রেনে বসে থাকতে হয়েছে যাত্রীদের। অসুস্থ মানুষদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেননি পরিজনেরা। ক্যান্সার রোগী, বয়স্ক মানুষের দুর্ভোগের সীমা ছিল না। কোথাও কোথাও পানীয় জলের জন্য হাহাকার করতে দেখা গিয়েছে যাত্রীদের কাউকে কাউকে। শিশুরা কেঁদেছে খাবারের অভাবে। কেঁদে কেঁদে ক্লান হয়ে মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়েছে কোনও কোনও শিশু। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের মূল স্লোগান ছিল, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এক মায়ের ছবি দেখিয়ে এদিন তাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, এই দেখুন বাংলার মেয়ের এক মাকে। শিশুর অবস্থা দেখে যিনি উগরে দিচ্ছেন ক্ষোভ।

    [tw]


    ass=”twitter-tweet”>

    The mob on rampage since yesterday is targeting @BJP4Bengal Party Offices & functionaries, as instigated by CM.
    In the name of protest specific places, people & their properties are being attacked.
    The TMC sponsored goons are vandalising and setting shops & homes on fire as well. pic.twitter.com/6fDxAjobcd

    — Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 10, 2022

    [/tw]

LinkedIn
Share