Tag: hs rank

hs rank

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকা ডাঙ্গারহাট। সেখানকার বাসিন্দা পেশায় টোটো চালকের মেয়ে সৃজিতা বসাক ৪৯৩ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে চতুর্থ স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন। সৃজিতা আগামীতে উচ্চশিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতা করতে চান। আর সমাজসেবা করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান। তাঁর সাফল্যে পরিবারের সদস্যরা উচ্ছ্বসিত হলেও আগামীতে পড়াশোনার খরচ কীভাবে চলবে, সেই চিন্তায় ঘুম ছুটেছে সৃজিতার বাবা সুজিত বসাকের।

    কীভাবে চলবে মেয়ের পড়াশোনা?

    সামান্য টোটো চালিয়ে যা উপার্জন হয়, তা দিয়ে সংসার খরচই ওঠে না। তবুও এতদিন কষ্ট করে কোনওরকমে মেয়েকে পড়াশোনা করাতে পেরেছেন। মা সোমা বসাক গৃহবধূ। স্বাভাবিক ভাবেই আগামীতে উচ্চশিক্ষায় বিপুল অঙ্কের অর্থ কীভাবে জোগাড় করে মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করবেন, সেই চিন্তায় কালঘাম ছুটেছে বসাক দম্পতির। সৃজিতার বাবা সুজিত বসাক বলেন, টোটো চালিয়ে সংসার চালাই। এর উপরই পুরো সংসার। মেয়ের এই সাফল্যে (HS Rank) যেমন খুশি, তেমন চিন্তিতও। আগামীতে কীভাবে মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাব জানি না।

    ইংরেজিতে এত কম নম্বর (HS Rank), মেনে নিতে পারছেন না

    সৃজিতা ডাঙ্গারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Rank) দিয়েছিলেন। মাধ্যমিকে তিনি ৯৩ শতাংশ অর্থাৎ ৬৫১ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। তাঁর বিষয়ভিত্তিক নম্বর বাংলায় ৯৭, ইংরেজিতে ৬৪, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ৯৭, ভূগোলে ১০০, এডুকেশন ১০০ এবং দর্শনে ৯৯ । ইংরেজিতে ৬৪ পাওয়ায় বেস্ট অফ ফাইভ থেকে বাদ গিয়েছে। ইংরেজিতে নম্বর এত কমে যাওয়ার  বিষয়টি তিনি কোনওভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তিনি রিভিউয়ে জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। পড়াশোনোর বাইরে তিনি গল্পের বই পড়তে এবং আবৃত্তি করতে ভালোবাসেন। সৃজিতা বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করতাম। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়াশোনায় খুব সাহায্য করেছেন। আগামীতে ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করতে চান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Student: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বালুরঘাটের শ্রেয়া উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায়! কেন জানেন?

    HS Student: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বালুরঘাটের শ্রেয়া উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায়! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাব, অনটন নিত্যসঙ্গী। শত প্রতিকূলতাকে জয় করে বালুরঘাট শহরের উত্তমাশার শ্রেয়া মল্লিক (HS Student) আজ স্টার। অভাবের সঙ্গে লড়াই করে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় যাবেন। কিন্তু, তাঁর এই স্বপ্নপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক অনটন। আগামীতে মেয়েকে পড়াবেন কীভাবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন শ্রেয়ার বাবা-মা।

    নিজের এই সাফল্য নিয়ে কী বললেন শ্রেয়া?

    শ্রেয়া (HS Student) বাংলায় ৯৯, ইংরেজিতে ১০০, এডুকেশনে ৯৭, দর্শনে ৯১ এবং ভূগোলে ৯৯ পেয়েছেন। শ্রেয়া বলেন, “ভালো রেজাল্ট করব আশা করেছিলাম। কিন্তু, এত ভালো ফল আশা করিনি। আমার এই সাফল্যের পিছনে মা-বাবা, পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাইভেট টিউটরদের অবদান রয়েছে”। আর পড়াশোনার প্রস্তুতি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ঘড়ি ধরে পড়াশোনা করার পক্ষপাতী আমি ছিলাম না। যখন ইচ্ছে হতো পড়তাম। তবে যতক্ষণ পড়তাম, মন দিয়ে পড়তাম। প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়তে ভালোবাসতাম। এছাড়াও গল্পের বই পড়তেও আমার ভালো লাগে। আগামীতে ইংরেজি নিয়ে পড়াশোনা করতে চাই”।

    মেয়ের সাফল্য নিয়ে কী বললেন মা?

    শ্রেয়ার (HS Student) বাবা অধীর মল্লিক বালুরঘাট জেলা আদালতে মুহুরির কাজ করেন। মা তুলসী দে মল্লিক গৃহবধূ। তিনি বলেন, “এই সাফল্যে আমরা খুশি হলেও, মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তিত। আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় মেয়েকে কোনওরকমে পড়াতে পেরেছি। এবার কলকাতায় মেয়ের পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই আমাদের। তাই আপাতত ঠিক করেছি বালুরঘাটেই মেয়েকে পড়াব। প্রাইভেট টিউটররা খুব কম টাকায় এতদিন মেয়েকে পড়িয়েছেন। প্রত্যেকের সহযোগিতায় মেয়ের এই সাফল্য। এখন মেয়েকে কীভাবে পড়াব, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি”।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    বালুরঘাট ললিতমোহন আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিস চক্রবর্তী বলেন, “শ্রেয়া খুব ভাল ছাত্রী (HS Student)। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। তাঁকে আমরা বরাবর সাহায্য করেছি। আগামীতেও করব। তাঁর এই সাফল্যে আমরা গর্বিত”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share