Tag: HS Result

HS Result

  • HS Result 2024: প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, পাশের হার ৯০ শতাংশ, এগিয়ে ছেলেরা

    HS Result 2024: প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, পাশের হার ৯০ শতাংশ, এগিয়ে ছেলেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হয়ে গেল। আজ, দুপুর ৩ টে থেকে ওয়েবসাইটে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট দেখা যাবে। এবছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৭,৬৪,৪৪৮ জন। এ বার পরীক্ষায় পাশ করেছেন ৬,৭৯,৭৮৪ পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ পাশের হার ৯০ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর। দ্বিতীয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা। কলকাতা পাঁচ নম্বরে। এবছর পাশের হারে এগিয়ে ছেলেরা। প্রথম হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। 

    প্রযুক্তির ব্যবহার

    উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, এ বছর সব নম্বর অনলাইনে নেওয়া হয়েছে। এবার মার্কশিটে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই নাম, রোলনম্বর, ক্যান্ডিডেট কোড সব জানা যাবে। এবার অনলাইন রেজাল্ট, ডিজিটাইজড পদ্ধতিতে করা হয়েছে, সেই কারণে দ্রুত ফল বের হয়েছে। প্রথমবার এভাবে করা হল। এই পরীক্ষামূলক পদ্ধতি সফল হলে ভবিষ্যতে এভাবেই করা হবে।

    মেধাতালিকা

    এবছর উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হারে এগিয়ে ছেলেরা। ছেলেদের পাশের হার ৯২.৩২ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৮৮.১৮ শতাংশ। ১৫টি জেলা থেকে ৫৮ জন পরীক্ষার্থী প্রথম দশে রয়েছেন। যার মধ্যে ছাত্র রয়েছেন ৩৫ জন, ছাত্রী ২৩ জন। ৫৮ জনের মধ্যে হুগলি থেকে ১৩ জন, বাঁকুড়া থেকে ৯ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ৭ জন, কলকাতা থেকে ৫ জন, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ৪ জন, কোচবিহার এবং মালদা থেকে ৩ জন রয়েছেন। পাশের হারে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, কালিম্পং, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম। বিজ্ঞান বিভাগে এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৫ হাজার ৮১০ জন। পাশের হার- ৯৭.১৯ শতাংশ।

    কে প্রথম, কে দ্বিতীয়

    উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন অভীক দাস। আলিপুরদুয়ারের ম্যাকউইলিয়াম হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্র। পেয়েছেন ৪৯৬। দ্বিতীয় হয়েছেন সৌম্যদীপ সাহা। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়া। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। তৃতীয় হয়েছেন অভিষেক গুপ্ত। মালদার রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পড়ুয়া। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। মেয়েদের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছেন প্রতীচী তালুকদার এবং স্নেহা ঘোষ। সব মিলিয়ে চতুর্থ স্থানে।  তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। প্রতীচী কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমির এবং স্নেহা চন্দননগরের কৃষ্ণভাবিনী নারীশিক্ষা মন্দিরের পড়ুয়া। 

    শেষ ৫ বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার—

    ১) ২০১৯ সাল: ৮৬.২৯ শতাংশ।
    ২) ২০২০ সাল: ৯০.১৩ শতাংশ।
    ৩) ২০২১ সাল: ১০০ শতাংশ (করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে পরীক্ষা হয়নি, সেজন্য পাশের হার ১০০ শতাংশ ছিল)।
    ৪) ২০২২ সাল: ৮৮.৪৪ শতাংশ।
    ৫) ২০২৩ সাল: ৮৯.২৫ শতাংশ।

    ফলাফল কী ভাবে দেখবেন?

    এদিন দুপুর ৩টে থেকে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। ওয়েবসাইটে ফল দেখার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড।

    ১) পরীক্ষার্থীদের প্রথমে https://wbresults.nic.in/ ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    ২) এর পর ‘হোমপেজ’-এ দেওয়া ‘রেজ়াল্ট’-এর লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।

    ৩) এর পর নিজেদের রোল নম্বর-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই স্ক্রিনে রেজ়াল্ট দেখা যাবে।

    ৪) ভবিষ্যতের জন্য পরীক্ষার্থীরা এর পর রেজ়াল্ট ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে নিজেদের কাছে রাখতে পারেন।

    নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়াও ‘WBCHSE Results’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিজেদের ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    আরও পড়ুন: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    কবে থেকে মার্কশিট বিলি

    লোকসভা ভোটের কারণে এবার ফল ঘোষণার দিনেই মার্কশিট (HS Result 2024) বিলি করবে না সংসদ। ১০ মে সকাল ১০টা থেকে তা হাতে পাবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা ও টিচার ইনচার্জরা। রাজ্যজুড়ে মোট ৫৫ টি ক্যাম্প অফিস থেকে বিলি করা হবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। ওই দিনই স্কুল থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে পড়ুয়ারা। চলতি বছরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিক। শেষ হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জের সেই নিহত নাবালিকা পাশ করল উচ্চ মাধ্যমিকে, হল না স্বপ্ন পূরণ

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জের সেই নিহত নাবালিকা পাশ করল উচ্চ মাধ্যমিকে, হল না স্বপ্ন পূরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বড় হয়ে নার্স হওয়ার ইচ্ছে ছিল মেয়ের। কিন্তু তা আর পূরণ হল না।’ আক্ষেপ কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) নিহত সেই নাবালিকার মায়ের। বুধবার প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল। আর সেখানে ২৪৩ নম্বর পেয়ে পাশ করেছে কালিয়াগঞ্জের ওই নাবালিকা ছাত্রী, যার মৃত্যুতে তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। দফায় দফায় উত্তেজনা, সংঘর্ষ, ভাঙচুর চলেছিল কালিয়াগঞ্জে। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত, গ্রামটিও এখন নীরব। শুধু সমাধির নিচে শায়িত রয়েছে সেই নাবলিকার মৃতদেহ। মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করলেও আনন্দ এবং উচ্ছ্বাস নেই পরিবারের মধ্যে, রয়েছে শুধু বিষাদের ছাপ। নাবলিকার মা অশ্রুভেজা কণ্ঠে বলেন, “মেয়ে পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিল। ইচ্ছে ছিল মানুষের মতো মানুষ হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে। মেয়ের ইচ্ছে ছিল, সে একজন নার্স হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখে খুবই দুঃখ হচ্ছে, যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। সেই আশা আর পূর্ণ হল না। যদি আজ মেয়ে বেঁচে থাকত, তাহলে রেজাল্ট দেখে কত আনন্দ পেত। দোষীদের চরম শাস্তি চাই। সিবিআই তদন্ত চাই।”

    বিষাদের সুর গ্রাম জুড়ে (Kaliaganj)

    ইতিমধ্যেই ওই নাবালিকার মৃত্যুর (Kaliaganj) তদন্তে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এমনকী দরকারে মৃতদেহ তুলতেও পারবে তদন্তকারী দল। এতকিছুর মধ্যেও মেয়েটির উচ্চ মাধ্যমিকের সফলতার পরও বিষাদের সুর গ্রাম জুড়ে। এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, “ছোটবেলা থেকেই ও পড়াশোনায় ভালো ছিল। মাধ্যমিকে রেজাল্ট ভালো করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফল করেছে। কিন্তু মেয়েটাই তো নেই, রেজাল্ট নিয়ে আর কী হবে? বলার ভাষা নেই। শুনেছি সিট গঠন করেছে। কিন্তু কী যে হচ্ছে?” তদন্ত তাড়াতাড়ি হোক, এটাই আশা গ্রামবাসীদের। অপরদিকে, সাহেবঘাটা এন এন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “মেয়েটি ভালো রেজাল্ট করেছে। ক্লাস ফাইভ থেকেই ভা্লো ছাত্রী ছিল। খেলাধূলাতেও ভালো ছিল। আচার-আচরণও ছিল ভালো। মেয়েটি আজ নেই, খুব খারাপ লাগছে। আমরা বাকরুদ্ধ।”

    দোষীদের চরমতম শাস্তি চায় পরিবার (Kaliaganj)

    মেয়েটির স্বপ্ন পূরণ হল না। এই আক্ষেপেই দিন কাটাচ্ছোন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা।  তাঁদের একটাই আশা, যে বা যারা প্রকৃত দোষী, তাদের চরমতম শাস্তি হোক। আর এই আশাতেই বুক বাঁধছে নাবালিকার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা। এখন কবে তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পাবে, সেটা সময়ের অপেক্ষা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকা ডাঙ্গারহাট। সেখানকার বাসিন্দা পেশায় টোটো চালকের মেয়ে সৃজিতা বসাক ৪৯৩ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে চতুর্থ স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন। সৃজিতা আগামীতে উচ্চশিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতা করতে চান। আর সমাজসেবা করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান। তাঁর সাফল্যে পরিবারের সদস্যরা উচ্ছ্বসিত হলেও আগামীতে পড়াশোনার খরচ কীভাবে চলবে, সেই চিন্তায় ঘুম ছুটেছে সৃজিতার বাবা সুজিত বসাকের।

    কীভাবে চলবে মেয়ের পড়াশোনা?

    সামান্য টোটো চালিয়ে যা উপার্জন হয়, তা দিয়ে সংসার খরচই ওঠে না। তবুও এতদিন কষ্ট করে কোনওরকমে মেয়েকে পড়াশোনা করাতে পেরেছেন। মা সোমা বসাক গৃহবধূ। স্বাভাবিক ভাবেই আগামীতে উচ্চশিক্ষায় বিপুল অঙ্কের অর্থ কীভাবে জোগাড় করে মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করবেন, সেই চিন্তায় কালঘাম ছুটেছে বসাক দম্পতির। সৃজিতার বাবা সুজিত বসাক বলেন, টোটো চালিয়ে সংসার চালাই। এর উপরই পুরো সংসার। মেয়ের এই সাফল্যে (HS Rank) যেমন খুশি, তেমন চিন্তিতও। আগামীতে কীভাবে মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাব জানি না।

    ইংরেজিতে এত কম নম্বর (HS Rank), মেনে নিতে পারছেন না

    সৃজিতা ডাঙ্গারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Rank) দিয়েছিলেন। মাধ্যমিকে তিনি ৯৩ শতাংশ অর্থাৎ ৬৫১ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। তাঁর বিষয়ভিত্তিক নম্বর বাংলায় ৯৭, ইংরেজিতে ৬৪, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ৯৭, ভূগোলে ১০০, এডুকেশন ১০০ এবং দর্শনে ৯৯ । ইংরেজিতে ৬৪ পাওয়ায় বেস্ট অফ ফাইভ থেকে বাদ গিয়েছে। ইংরেজিতে নম্বর এত কমে যাওয়ার  বিষয়টি তিনি কোনওভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তিনি রিভিউয়ে জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। পড়াশোনোর বাইরে তিনি গল্পের বই পড়তে এবং আবৃত্তি করতে ভালোবাসেন। সৃজিতা বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করতাম। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়াশোনায় খুব সাহায্য করেছেন। আগামীতে ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করতে চান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয়, আইআইটিতে গবেষণার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে চন্দ্রবিন্দুর?

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয়, আইআইটিতে গবেষণার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে চন্দ্রবিন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লড়াইয়ের আরেক নাম যেন চন্দ্রবিন্দু। দারিদ্রতা থামাতে পারেনি তাঁর লড়াই। বাবা-মায়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দোকান সামলেছেন। একইসঙ্গে চালিয়ে গিয়েছেন পড়াশোনা। সেই কষ্টই দেখাল সাফল্যের পথ। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে তৃতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করলেন তমলুকের চন্দ্রবিন্দু মাইতি। তাঁর মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। ছেলের কৃতিত্বে খুশি তাঁর বাবা-মাও। ফুটপাথের ধারে সামান্য একটি দোকান রয়েছে তাঁদের। পড়াশোনার পাশাপাশি সেই দোকানে বাবা-মায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সাহায্য করেও এই নম্বর পেয়ে খুশি চন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এতবড় একটা খুশির খবর তাঁদের দুশ্চিন্তাই যেন বাড়িয়ে দিল। এরপর? এরপর পড়াশোনার খরচ জোগাবেন কী করে? যা ছিল, সবই তো শেষ।

    কষ্টের দাম (HS Rank) দিয়েছে ছেলে, বললেন মা

    তাঁর মা নীলিমা মাইতি জানিয়েছেন, গয়না, জমি বিক্রি করে ছেলেকে পড়িয়েছেন। কষ্টের দাম (HS Rank) দিয়েছে ছেলে। পরবর্তীতে আইআইটিতে গবেষণা করতে চান চন্দ্রবিন্দু। তার জন্য খরচ অনেক। সেই খরচ কীভাবে সামলাবেন, সেটাই এখন মাথাব্যথার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নীলিমাদেবী বললেন, সেই খরচ জোগানোর পয়সা আমাদের নেই। তাই সবার কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থী। আর্থিক অনটনের মাঝে পাশে পেয়েছেন কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনকে। কিন্তু তাঁরা যেটুকু সাহায্য করেছেন, সেটাও তো ফেরত দিতে হবে। আর কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। তাই নিজের জিনিস বলতে যা কিছু ছিল সবই বিক্রি করে দিতে হয়েছে। কিন্তু এত সমস্যার কথা কোনওদিন ছেলেকে বুঝতে দিইনি। ছেলে মাঝে মাঝে প্রশ্ন করত, তুমি সব কিছু এভাবে শেষ করে দেবে? আমি বলতাম, তাতে কী হয়েছে? তুই মাথা উঁচু করে দাঁড়ালে সেটাই আমার সব পাওয়া।

    কী বলছেন চন্দ্রবিন্দু?

    চন্দ্রবিন্দু জানিয়েছেন, দাদুর কিছু জমি রয়েছে। সেই জমি বিক্রি করেই হয়তো পড়াশোনার (HS Rank) খরচ চালাতে হবে তাঁকে। সেটাও কম পড়তে পারে। যদি কেউ পাশে দাঁড়ায়, এমনটাই আবেদন তাঁদের। চন্দ্রবিন্দু বলেন, যদি কেউ সাহায্য করে তো খুবই ভালো হয়। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আবেদন জানাচ্ছি, যাতে কিছু সাহায্য পাই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় সুষমার প্রিয় বিষয় ভূগোল, কী হতে চান আবু সামা?

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় সুষমার প্রিয় বিষয় ভূগোল, কী হতে চান আবু সামা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন আবু সামা। চাকুলিয়ার রামকৃষ্ণপুর প্রমোদ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল হাই স্কুলের ছাত্র তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। এদিন তাঁর ফলাফলে খুশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সকলে। যুগ্মভাবে দ্বিতীয় বাঁকুড়ার সুষমা খান। বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ের ছাত্রী তিনি। তাঁর এই ফলাফলে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা। খুশির আবহ পরিবারে।

    কী বললেন আবু সামা (HS Rank)?

    পরীক্ষার ফলাফল টিভিতে লাইভ দেখার সময়ই জানতে পেরেছিলেন, তিনি দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন। স্বভাবতই এই খবরে বেজায় খুশি। কৃতী এই ছাত্র বললেন, এটা আসলে কঠিন পরিশ্রমেরই ফল। এরকম একটা ফল যে হবে, তা তাঁর আশাতেই ছিল। তবে তিনি ভেবেছিলেন, প্রথম হবেন। একটু ভুলের জন্য সেটা হাতছাড়া হয়েছে। তাঁর জীবনের লক্ষ্য কী, ভবিষ্যতে তিনি কী হতে চান, সেই বিষয়ে এদিন তিনি কিছু জানাতে চাননি। তাঁর ধারণা, সেটা বললেই হয়তো সমালোচনা শুরু হয়ে যাবে। তিনি সেটা চান না। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাবা-মা এবং স্কুলের শিক্ষকদের প্রতি। রামকৃষ্ণপুর হাই স্কুলের শিক্ষক সঞ্জয় সিনহা বলেন, আমাদের রাজ্যের মধ্যে সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। তাই আমরা খুবই গর্বিত। ভবিষ্যতে যেন এভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যায়, বড় মানুষ হয় এবং আমাদের নাম উজ্জ্বল করে, এটাই প্রার্থনা। এক কথায় আমরা খুবই আনন্দিত।

    কী বললেন সুষমা খান (HS Rank)?

    বাঁকুড়া শহরের চাঁদমারিডাঙার বাসিন্দা সুষমা খান। ৪৯৫ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় রাজ্যে যুগ্নভাবে দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অর্জন করেছেন। বাঁকুড়া মিশন গার্লস স্কুল থেকে ৬৯৪ পেয়ে মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছিলেন। আর উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৯৫ পেয়ে রাজ্যে দ্বিতীয় হলেন। তবে একটুর জন্য প্রথম হতে না পারায় খানিক আক্ষেপ রয়ে গেলেও এই ফলাফলে তিনি খুশি। তাঁর প্রিয় বিষয় ভুগোল। শহরের বঙ্গ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সুষমা ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল হতে চান। সুষমার বাবা এবং মাও চান মেয়ে নিজের ইচ্ছে মতো পড়াশোনা করুক। সুষমার বাবা লবকুমার মণ্ডল রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগের কর্মী। পুরুলিয়ায় কর্মরত। মা উমা সামলান সংসার। দুই মেয়ের মধ্যে সুষমা ছোট। তাঁর পড়ার পাশাপাশি গানেও প্রতিভা রয়েছে। তাঁর দিদি প্রিয়মা খান প্রাণিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করছেন। এই জেনারেশনের মেয়ে হয়েও এখনও সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনও অ্যাকাউন্ট নেই সুষমার। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় নষ্ট না করে তিনি এখনও প্রতিদিন নিয়ম করে ডায়েরি লেখেন। এটা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। তিনি বলেন, এই ফলাফলে ভালো তো নিশ্চয়ই লাগছে। তবে এতটা ভালো ফল হবে, আশা করিনি। ছোট থেকে যে সমস্ত স্কুলে পড়েছি এবং টিউশনের স্যারেরা আমাকে অনেকটাই সাহায্য করেছেন। এর সঙ্গে আমার মা-বাবার সাপোর্ট তো আছেই। আরও আছে আমার দিদি ভাই। এমন একটি আনন্দের দিনে তা উদযাপন করা নিয়ে তেমন কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই। এখন শুধু তার চিন্তা ভবিষ্যতের যেসব পরীক্ষাগুলি আছে, সেগুলি ভালোভাবে দেওয়া। পড়াশোনার বাইরে রবীন্দ্র সংগীত তাঁর পছন্দের জিনিস। নিজেও ভালো গাইতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম শুভ্রাংশুর কী কী বিষয় ছিল জানেন? শুনলে অবাকই হবেন

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম শুভ্রাংশুর কী কী বিষয় ছিল জানেন? শুনলে অবাকই হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক বছর পর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান (HS Rank) এল। কিন্তু তার থেকেও বোধহয় উল্লেখযোগ্য খবর হল, যে ছাত্রের হাত ধরে উজ্জ্বল হল বিদ্যালয়ের মুখ, সেই ছাত্রের সাবজেক্ট কম্বিনেশন। পদার্থবিদ্যা-রসায়ন-অঙ্কের সেই চিরাচরিত পথ ছেড়ে শুভ্রাংশু বেছে নিয়েছিলেন এক অদ্ভুত কম্বিনেশন। আর তাতেই বাজিমাত করলেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ছাত্রের সাবজেক্ট কম্বিনেশন ছিল অর্থনীতি, সংখ্যাতত্ত্ব এবং কম্পিউটার সায়েন্স।

    কোন বিষয়ে কত নম্বর?

    শুভ্রাংশুর প্রথম ভাষা (HS Rank) বাংলায় প্রাপ্ত নম্বর ৯০। গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৩৫। দ্বিতীয় ভাষা ইংলিশে পেয়েছেন ৯৮। গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৯২। অর্থনীতিতে পেয়েছেন ১০০, গ্রেড পার্সেনটাইলও ১০০। অঙ্ক এবং স্ট্যাটিসটিকসে একই নম্বর। কম্পিউটার সায়েন্সের নম্বর ৯৮, গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৭৬। তিনি মোট ৪৯৬ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। ওভারঅল পার্সেনটাইল ১০০।

    কেমন ছিল তাঁর পড়াশোনার ধরন?

    অর্থনীতি তাঁর প্রিয় বিষয়। তাই এই বিষয়কে আঁকড়ে ধরেই ভবিষ্যৎ জীবনের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন শুভ্রাংশু। মেধা তালিকায় শীর্ষে (HS Rank) থাকার খবরে যে তিনি এবং তাঁর বাবা-মা খুবই খুশি, সে কথা প্রকাশ করার পাশাপাশি শুভ্রাংশ জানিয়েছেন, প্রথম স্থানটি দখল করতে পারবেন, তা তিনি কখনও ভাবেননি। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যেমন বাঁধা ছকের বাইরে পা রেখেছেন, তেমনি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও তিনি খুবই সহজ কথার মানুষ। তাঁর মতে, বইতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখ দিয়ে পড়ে থাকার দরকার পড়ে না। পড়া হল মনের জিনিস। মন ভালো থাকলে তবেই পড়ায় মন বসে। নরেন্দ্রপুরের মতো আবাসিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ফলে প্রাইভেট টিউশনির কোনও প্রশ্নই ছিল না। শিক্ষকদের সাহায্য এবং সহযোগিতাই যে তাঁকে শিখরে পৌঁছে দিয়েছে, সেকথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন।

    কী বললেন মিশনের প্রধান শিক্ষক?

    নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইস্টেশানন্দ বললেন, এটা খুবই আনন্দের খবর। আমরা অনেকদিন ধরেই আশা করছিলাম। ২০১৫ সালের পর বোধহয় আবার উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান (HS Rank) এল। প্রত্যাশিতই ছিল, ছেলেটি ভালো ফল করবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানে সে আসবে, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি। একইসঙ্গে আমাদের ন-জন ছাত্র প্রথম দশটি স্থানে রয়েছে। সারা বছর ধরেই ছেলেরা প্রচুর পরিশ্রম করেছে। আমাদের আবাসিক বিদ্যালয়। শিক্ষকরাও তাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। তারই ফল আমরা পেয়েছি। ইকনমিক্স, স্ট্যাটিসটিক্স, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ম্যাথমেটিক্স- প্রথম স্থান পাওয়া শুভ্রাংশু থেকে শুরু করে আরও কয়েকজনের সাবজেক্ট কম্বিনেশন ছিল এরকমই। তাঁর মতে, এটি রয়্যাল কম্বিনেশন। প্রত্যেকটি বিষয়েই ভালো নম্বর তোলা যায়। তবে তিনি বলেন, নিয়মানুবর্তিতাই আমাদের ছাত্রদের ভালো ফল করার অন্যতম কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2023: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ আগামী সপ্তাহে! দিন ঘোষণা করল সংসদ

    HS Result 2023: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ আগামী সপ্তাহে! দিন ঘোষণা করল সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে আগামী সপ্তাহে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল। সোমবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ট্যুইট করে জানান আগামী ২৪ মে, বুধবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত (HS Result Date) হবে। সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ওই দিন বেলা ১২টায় উচ্চ মাধ্যমিকের ফল (HS Result 2023) ঘোষণা করবে সংসদ। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে ১৯ মে। তার পাঁচ দিন পরেই প্রকাশ করা হবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলও।

    কীভাবে জানা যাবে ফল?

    সোমবার সংসদের তরফে জানানো হয়, আগামী ২৪ মে বেলা বারোটা নাগাদ সংসদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। ৩১ মে স্কুল থেকে মার্কশিট পাবে তারা। সংসদ আগেই জানিয়েছিল, এবার উচ্চমাধ্যমিক (HS Result 2023) পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম। যার ফলে অন্যবারের তুলনায় এবার খাতা দেখতেও কম সময় লাগছে। এবার কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে কলেজে ভর্তি হবে বলে উচ্চ শিক্ষা দফতর জানিয়েছে। ফলে যত তাড়াতাড়ি ফল প্রকাশ হবে ততই সুবিধা পাবে পড়ুয়ারা। গত শুক্রবার ১২ মে সিবিএসই বোর্ডের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তার পর ১৪ মে, রবিবার বিকেলে প্রকাশিত হয়েছে আইসিএসই-র দশম এবং আইএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলও।

    আরও পড়ুন: আইসিএসইতে দেশে প্রথম স্থানাধিকারী ৯ জনের মধ্যে বাংলার সম্বিত মুখোপাধ্যায়

    অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল (WB HS Results 2022) দেখার সময় এখনও কিছু জানানো হয়নি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। (WBCHSE Board 12th Result 2022)। প্রতিবছরই সংসদের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি SMS পরিষেবা, অনলাইন পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে ফল জানা যায়। উচ্চমাধ্যমিকের ফল জানতে চোখ রাখুন wbbse.wb.gov.in এবং wbresults.nic.in ওয়েবসাইটে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে গত ১৪ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে আট লক্ষ। এবছর ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ছিল অনেকটাই বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Result: প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, মেধা তালিকায় কারা? 

    HS Result: প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, মেধা তালিকায় কারা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজই প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল (HS Result)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৪ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল ফল। সকাল ১১টায় সংসদের তরফে সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠকে প্রথম দশের তালিকা প্রকাশ করেন।  

    প্রথম (HS First) হয়েছেন কোচবিহার দিনহাটা সোনিনিদেবী জৈন স্কুলের ছাত্রী অদিশা দেবশর্মা। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৮। দ্বিতীয়স্থানে (HS Second) রয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ছাত্র সায়নদীপ সামন্ত, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭। তৃতীয়স্থানে (HS Third) পাঠভবনের ছাত্র রোহিন সেন। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬।  

    চতুর্থ স্থানে আছেন ৮ জন। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। পঞ্চম স্থানে ১১ জন আছেন, তাঁদের প্রত্যেকে নম্বর ৪৯৪। এছাড়াও, ষষ্ঠ স্থানে মোট রয়েছেন ৩২ জন। সপ্তম স্থানে রয়েছেন ৩৭ জন। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২। অষ্টম স্থানে রয়েছেন মোট ৫৫ জন, প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। নবম স্থানে রয়েছেন ৫৪ জন, তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯০। দশম স্থানে রয়েছেন ৬৯ জন, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।  

    এবছর মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ৭,৪৪,৬৫৫ জন। এঁদের মধ্যে পাশ করেছেন ৬,৩৬,৮৭৫ জন। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৮.৪৪ শতাংশ। ৭ জেলায় মোট পাশের হার ৯০%-র বেশি। 

    আরও পড়ুন: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পরের বছরের পরীক্ষার সময়সূচীও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছর ১৪ মার্চ শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হবে ২৭ মার্চ।

    আগামী বছর হোম সেন্টারে পরীক্ষা হবে না। পাশাপাশি পূর্ণ সিলেবাসেই পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি। উচ্চমাধ্যমিকের ফলের রিভিউ ও স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করা যাবে ২০ জুন থেকে। ২০ জুন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত এবার রিভিউর জন্য আবেদন করা যাবে অনলাইনেই। ২০ তারিখ মধ্যরাত থেকে রিভিউর আবেদন জানাতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। রিভিউ প্রক্রিয়ার জন্য পেমেন্টের ক্ষেত্রে এবার ইউপিআই, ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে।    

     

LinkedIn
Share