Tag: Human rights

Human rights

  • Alexei Navalny: ঘুষি মেরে খুন করা হয়েছে পুতিন বিরোধী আলেক্সিকে, চাঞ্চল্যকর দাবি মানবাধিকার কর্মীর

    Alexei Navalny: ঘুষি মেরে খুন করা হয়েছে পুতিন বিরোধী আলেক্সিকে, চাঞ্চল্যকর দাবি মানবাধিকার কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শুক্রবারে কারাগারে বন্দী হয়ে অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের কট্টর বিরোধী আলেক্সি নাভালনির (Alexei Navalny)। এবার বিরোধী নেতার মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে আনলেন এক মানবাধিকার কর্মী। বিস্ফোরক অভিযোগে বলা হয়েছে, পুতিন বাহিনীর সদস্যরা ওই বিরোধী নেতাকে বুকে ঘুষি মেরে হত্যা করেছে। ভ্লাদিমির অস্চিকিন নামের ওই মানবাধিকার কর্মী ‘গুলাগু ডট নেট’ নামে একটি সংগঠন চালান।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন ভ্লাদিমির অস্চিকিন

    এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন ভ্লাদিমির অস্চিকিন। তাঁর অভিযোগ, মাথায় এবং বুকে আঘাত পাওয়া গেছে মৃত নেতার (Alexei Navalny)। এটা রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ দক্ষতা। এই ধরনের প্রশিক্ষণই তাদেরকে দেওয়া হয়। শেখানো হয় যে কিভাবে ঘুষি মেরে কাউকে হত্যা করা যায়। এমনটাও জানিয়েছেন ওই মানবাধিকার কর্মী। অস্চিকিনের মতে, ঘুসি মারার আগে ৪৭ বছর বয়সী নেতাকে হাড় হিম করা ঠাণ্ডার মধ্যে রাখা হয়। যেখানে তাঁর রক্তের প্রবাহ কমতে শুরু করে। এভাবেই তাঁকে হত্যা আরো সহজ হয়ে ওঠে। মৃত্যুর আসল কারণ এখনও সামনে আসেনি বলে ওই মানবাধিকার কর্মী অভিযোগ করেছেন এবং তিনি বলেন যে মৃত নেতার (Alexei Navalny) পরিবারের হাতেও দেহ তুলে দেয়নি পুতিন সরকার।

    জেল কর্তৃপক্ষের তরফে বিবৃতি জারি করে আলেক্সির মৃত্যুর কথা জানানো হয়

    গত শুক্রবারই জেল কর্তৃপক্ষ আলেক্সির মৃত্যুর খবর দেয়, এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘‘আলেক্সি জেলের মধ্যে হাঁটার সময় হঠাৎই অসুস্থ বোধ করেন। বুকে হাত দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। ছুটে আসেন চিকিৎসা কর্মীরা। ডাকা হয় অ্যাম্বুল্যান্সও। চিকিৎসকেরা তাঁর প্রাণ বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু চিকিৎসায় সাড়া দেননি তিনি। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল সেই কারণ জানার চেষ্টা চলছে।’’ মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জেল সূত্রে খবর।

    পুতিনের কট্টর সমালোচক ছিলেন আলেক্সি   

    ৪৭ বছর বয়সি নেতা আলেক্সি (Alexei Navalny) রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের কট্টর সমালোচক ছিলেন। প্রকাশ্যে সমালোচনা করার অভিযোগে একাধিকবার গ্রেফতারও হয়েছেন তিনি। ২০২০ সালের অগাস্ট মাসে তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সে সময় মস্কোগামী বিমানের মধ্যে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পরই বিমানটিকে ওমস্কে জরুরি অবতরণ করানো হয়। চিকিৎসকেরা জানান, কোমায় চলে যান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: “জম্মু-কাশ্মীরকে অন্য রাজ্যগুলোর সমতুল করতেই ৩৭০ ধারা”, বললেন বিচারপতি কাউলও

    Supreme Court: “জম্মু-কাশ্মীরকে অন্য রাজ্যগুলোর সমতুল করতেই ৩৭০ ধারা”, বললেন বিচারপতি কাউলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়। সোমবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান মেনেই উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি কাউল?

    এদিনই ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে অন্য একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কাউল জানান, ১৯৮০ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচারপতি কাউল বলেন, “ভূস্বর্গে রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্র নয় এমন কলাকুশলীদের দ্বারা যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, তার তদন্তে যে নিরপেক্ষ ট্রুথ ও রিকনসিলিয়েশন কমিটি গড়া হয়েছে, আমি তা অনুমোদন করেছিলাম। ১৯৮০ সাল থেকে ওই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে চলেছে। সমন্বয় সাধনের যেসব পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, আমি তাও অনুমোদন করি।”

    ‘ভূস্বর্গের ক্ষতগুলো নিরাময়ের প্রয়োজন’

    তিনি (Supreme Court) আরও বলেন, “সামনের দিকে এগোতে গেলে ভূস্বর্গের ক্ষতগুলো নিরাময়ের প্রয়োজন। সেখানকার বাসিন্দারা আন্তঃপ্রজন্মীয় ট্রমায় ভুগছেন। তাঁদের ক্ষত নিরাময় করতে গেলে প্রথমে জানতে হবে সেখানে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র নয় এমন কলাকুশলীদের দ্বারা যেসব হিংসার ঘটনা ঘটছে, সে সম্পর্কে।” বিচারপতি কাউল বলেন, “৩৭০ ধারার উদ্দেশ্যই ছিল, জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর সমতুল করে তোলা। জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার অনুমোদনকে এভাবে দেখা ঠিক হবে না যে, এটা কোনও আলাদা অঙ্গরাজ্য।” তিনি বলেন, “৩৬৭ ধারা ব্যবহার করে ৩৭০ ধারার সংশোধন করার সময়ও আমি বলেছি, যখনও কোনও পদ্ধতি নিয়ে কোনও পরামর্শ দেওয়া হয়, তখন তা অনুসরণ করতে হয়। পিছনের দরজা দিয়ে সংশোধনী আনা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয় (Supreme Court)।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ ঘটায় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। যার জেরে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ পায়। এনিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়। সোমবার ওই মামলায় রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election : নজিরবিহীন! পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের

    Panchayat Election : নজিরবিহীন! পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক সন্ত্রাসে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বারবার। ভোট পরবতী হিংসা থেকে হাল আমলে ময়নায় বিজেপি কর্মীর খুন — সর্বত্র ছুটে গিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। এই প্রেক্ষাপটে এবার রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) ডিজি (ইনভেস্টিগেশন)-কে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায়, স্পর্শকাতর এবং সংবেদনশীল বুথগুলিতে নজরদারি চালাবেন এই পর্যবেক্ষক।

    রাজনৈতিক সন্ত্রাসে লঙ্ঘিত মানবাধিকার

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) মনোনয়ন পর্বের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় অশান্তির ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠে এসেছে। ইতিমধ্যে এক বিরোধী কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। জানা গিয়েছে বিধানসভা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসা দেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক হিংসায় ঘর ছাড়া থেকেছেন ১ লক্ষ বিজেপি কর্মী, তাঁদের অনেকে এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি। দিন কাটাচ্ছেন বিজেপি পার্টি অফিসে। বিজেপি কর্মীদের হত্যার রাজনীতি এখনও চলছে। উত্তরে কালিয়াগঞ্জ বা দিনহাটা থেকে দক্ষিণের ময়না – শাসকের সন্ত্রাস অব্যাহত। পশ্চিমবঙ্গের এই বিশেষ পরিস্থিতি দেখেই কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    রাজ্য নির্বাচন কমিশন থেকে তথ্য তলব

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ইতিমধ্যে বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার, দু’পক্ষকেই জানিয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেও আলাদাভাবে জানানো হয়েছে। এদিন যে প্রেস বিজ্ঞপ্তি এসেছে তাতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখে রাজ্যের পরিস্থিতি একেবারে সরেজমিন দেখতে চায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সে কারণেই আসছেন ডিজি। কোন কোন জেলা স্পর্শকাতর, সে সম্পর্কে তথ্য জানতে চাওয়া হতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে। ইতিমধ্যে যে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কেও বিশদ জানতে চাওয়া হতে পারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) কোনও রক্তক্ষরণ হতে দিতে চায় না কমিশন।

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Human Rights: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস

    Human Rights: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (Human Rights)। এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে বাংলায় আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস। এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। মানবাধিকার, বিশেষত মহিলা, দরিদ্র এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের জন্য কাজ করে এই সংস্থা। এই সংস্থাই গঠন করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সেই কমিটিই আসবে বঙ্গ দর্শনে। তদন্ত করবে মানবাধিকার  লঙ্ঘনের অভিযোগের। সংগঠন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রচুর অভিযোগ পেয়েছে তারা। সংগঠনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ধর্ষণ, খুন, লুঠ, অগ্নিসংযোগের একাধিক অভিযোগ পেয়েছে। এও জানিয়েছে, এসবের নেপথ্যে রয়েছে রাজ্যের শাসক দলের হাত। সংগঠন জানিয়েছে, দ্য ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস খুন, ধর্ষণ, লুঠ, অগ্নিসংযোগ সহ নানা অভিযোগ পেয়েছে। সরকারি মেশিনারি কাজে লাগিয়ে এসবই করেছে রাজ্যের শাসক দল।

    ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস…

    ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস নামের ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ মানুষ, বিশেষত মহিলাদের কোনও নিরাপত্তা নেই। তাদের অভিযোগ, এ রাজ্যে মানবাধিককার (Human Rights) লঙ্ঘনের ঘটনা রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংগঠন গড়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিতে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এল নরসিংহ রেড্ডি, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক রাজপাল সিং, মহিলা ওমেন্স রাইটস ল ইয়ার চারু ওয়ালি খান্না, আইনজীবী ওম প্রকাশ ব্যাস, সাংবাদিক সঞ্জীব নায়ক এবং আইনজীবী রোজি টাবা।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে হামলা করলে ’৭১-এর পুনরাবৃত্তি হবে! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা রাজ্যে যাবেন বলে প্রস্তাব দিয়েছেন। এটাই হবে স্বাধীন, উচ্চ পর্যায়ের সিভিল সোসাইটি কমিটির প্রথমবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফর। কমিটির সদস্যরা কথা বলবেন যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁদের সঙ্গে। গোটা দেশে তাঁদের স্বর তুলে ধরা এবং তাঁদের সুরক্ষা দেওয়াই কমিটির কাজ। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ওই পাঠানো হয়েছিল ওই টিম। সেই টিম রিপোর্ট দিয়েছে দিল্লিতেে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Tushar Mehta: দেশবিরোধী কাজে যুক্ত থাকলেই পদক্ষেপ! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের সভায় ভারত

    Tushar Mehta: দেশবিরোধী কাজে যুক্ত থাকলেই পদক্ষেপ! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের সভায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে ভারত সরকার কেন কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে তা স্পষ্ট করলেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সভায় বেশ কিছু সদস্য দেশ ভারত সরকারের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ আনে। যদিও সেই অভিযোগ তথ্যভিত্তিক যুক্তির পেরিপ্রেক্ষিতে উড়িয়ে দেন তুষার মেহতা। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও অবদান রয়েছে। কিন্তু কেউ যদি আইন না মানে, অনৈতিক ও দেশদ্রোহী কার্যকলাপ চালায় তাহলে যে কোনও সরকারের কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রয়েছে। ভারত সরকার সেই পথেই হেঁটেছে। কারণ যেসব সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাঁরা নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। কেউ দেশের আইন লঙ্ঘন করেছেন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত প্রমাণ রয়েছে। তার ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

    আয়ারল্যান্ডের অভিযোগ

    উল্লেখ্য, আয়ারল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি দেশ অভিযোগ করে, ভারতে নাকি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বেছে বেছে সংখ্যালঘু নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে সরকার। বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসানোর মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে জেনেভার সভায়। এমনকি ভারতে বাক স্বাধীনতা নেই বলেও দাবি করা হচ্ছে। আরও একদম এগিয়ে, জার্মানির প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, ভারতে দলিতরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ইতালির প্রতিনিধি প্রস্তাব রাখেন, সংখ্যালঘুদের উপর যাতে নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ হয় সে ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিক ভারত সরকার। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে সওয়াল করেন বেলজিয়ামের প্রতিনিধি।

    ভারতের উত্তর

    সমস্ত প্রশ্নের উপযুক্ত উত্তর দিয়েছেন সলিসিটার জেনারেল। তিনি বুঝিয়ে দেন, ভারত সরকার সঠিক পদক্ষেপ করেছে। যে কোনও দেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। কেউ যদি পর্দার আড়ালে দেশ বিরোধী কাজ করে তাকে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তবে শুধুই যে সমালোচিত হয়েছে ভারত তা নয় অনেকেই মোদি সরকারের প্রশংসাও করেছেন। কোভিডের সময় পাশে থাকার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মালদ্বীপ। মোরবি ব্রিজ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান দ্যা মার্শাল আইল্যাণ্ডের প্রতিনিধি।

  • S Jaishankar Hits Back: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের 

    S Jaishankar Hits Back: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বিদেশ সচিবকে ‘দুসরা’ দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (EAM S Jaishankar)। সম্প্রতি, ভারত-মার্কিন প্লাস-টু (India US 2+2 dialogue) বৈঠকে আমেরিকার বিদেশ সচিবের কাছে মানবাধিকার (Human Rights) নিয়ে খোঁচা শুনতে হয়েছিল ভারতকে। দু’দিন পর তারই পাল্টা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আপনাদের দেশে মানবাধিকার নিয়েও আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। সময় এলে মুখ খুলবে ভারত (India)।

    দিন কয়েক আগে প্লাস টু বৈঠকে বসে ভারত ও আমেরিকা। ভারতের পক্ষে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জয়শঙ্কর এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং(Defence Minister Rajnath Singh)। আর আমেরিকার তরফে ছিলেন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিকেন (US secretary of state Antony Blinken) এবং অস্টিন লয়েড। ওই বৈঠকেই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হলেও, চোনা পড়ে যায় মার্কিন বিদেশ সচিবের একটি খোঁচায়। 

    ভারতের দুই প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, ভারতের ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলির ওপর নজর রাখছে আমেরিকা। কিছু সরকারি আধিকারিক, পুলিশ এবং জেল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠছে। আমরা নিয়মিত আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছি।
     
    মার্কিন খোঁচা নিঃশব্দে সেদিন সহ্য করে নেন জয়শঙ্কর। কিন্তু, দুদিন পরই মার্কিন-খোঁচার জবাবে তিনি বলেন, দেখুন কেউ ভারত সম্পর্কে নিজের মতামত দিতেই পারে। কিন্তু আমাদেরও মতামত রয়েছে। আমরা জানি ওরা কেন একথা বলছে। কোন লবি এবং ভোটব্যাঙ্ক রক্ষা করতে এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, সেসবও আমাদের জানা রয়েছে। আমি আপনাকে বলছি, যখন এনিয়ে আলোচনা হবে, তখন আমরাও মুখ খুলতে পিছপা হব না। 

    জয়শংকর সাফ জানিয়ে দেন, ভারত-আমেরিকা টু প্লাস টু বৈঠকে মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়নি, তাই এনিয়ে ভারত কিছু বলেনি। পরে যখন এনিয়ে আলোচনা হবে তখন ভারত আমেরিকা প্রসঙ্গেও নিজেদের মতামত তুলে ধরবে। এর পরেই বিদেশমন্ত্রী বলেন, বহু মানুষের মানবাধিকার নিয়ে আমাদেরও মতামত রয়েছে। আমেরিকায় মানবাধিকার নিয়েও আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই নিউ ইয়র্কের (New york) রিচমন্ড হিলের কাছে হিংসার শিকার হয়েছেন দুই শিখ যুবক। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে আমেরিকাকে জয়শঙ্কর বুঝিয়ে দিলেন আমেরিকা যেমন ভারতের ওপর নজর রাখছে, তেমনি চোখ বুজে বসে নেই নয়াদিল্লিও (New Delhi)। সাউথ ব্লকের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে আমেরিকার ওপর।

     

LinkedIn
Share