Tag: human trafficking

human trafficking

  • CBI: চাকরির টোপ দিয়ে ‘মানব’ পাচার রাশিয়ায়, চক্রের খোঁজে ভারতজুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    CBI: চাকরির টোপ দিয়ে ‘মানব’ পাচার রাশিয়ায়, চক্রের খোঁজে ভারতজুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা মাইনের লোভ দেখিয়ে ভারতীয় তরুণদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাশিয়ায়। পরে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে, ক্ষেপণাস্ত্রের খাদ্য হতে। এ ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যের আসার পর শুক্রবার সাত সকালে দেশের ১৩টি জায়গায় তল্লাশি চালাল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৩৫ জনকে এভাবে পাচার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা। এখনও কত তরুণ না জেনেই জড়িয়ে গিয়েছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে, তা জানতে জোর কদমে চলছে তল্লাশি।

    দেশজুড়ে সিবিআই তল্লাশি (CBI)

    এদিন দিল্লি, মুম্বই, তিরুবনন্তপূরম, অম্বালা, চণ্ডীগড়, মাদুরাই এবং চেন্নাইয়ে তল্লাশি চালিয়ে সিবিআই নগদ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, সন্দেহজনক নথিপত্র, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, মোবাইল ফোন এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) দাবি, মানব পাচারকারীদের একটি সুসংহত চক্র কাজ করছে একাধিক রাজ্যজুড়ে।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ‘ছেলে’

    ইউটিউব চ্যানেল ও সমাজমাধ্যমে যেমন রাশিয়ায় চাকরির টোপ দেওয়া হচ্ছে, তেমনি স্থানীয় এজেন্টরাও সক্রিয় ‘ছেলে’ ধরতে। টোপ গিলে নেওয়ার পর ওই তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন রণক্ষেত্রে। রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ান সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করছেন ভারতীয় তরুণরা। রণাঙ্গনে গিয়ে জখমও হয়েছেন অনেকে। চাকরির টোপ গিলে সমরভূমে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন হায়দরাবাদের মহম্মদ আফসান বা সুরাটের হামিল মাঙ্গুকিয়ার মতো তরুণরা। রাশিয়ায় বেড়াতে যাওয়া সাত ভারতীয়কেও জোর করে বহাল করা হয়েছে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে।

    আরও পড়ুুন: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে চার যুবক দাবি করেছেন, চাকরি দেওয়ার নামে তাঁদের রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। পরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনের রণাঙ্গনে। ভাইরাল হওয়া ১৫০ সেকেন্ডের আরও একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, একটি ছোট্ট ঘরের ভিতরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কয়েকজন যুবক। তাঁদেরও অভিযোগ, তাঁদের ভুল বুঝিয়ে যোগ দেওয়ানো হয়েছে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে।

    তদন্ত করতে গিয়ে জনৈক ফয়সল খানের নাম জানতে পেরেছেন সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, জোর করে রাশিয়া পাঠানোর যে অভিযোগ বিভিন্ন পরিবার করছে, তারা প্রত্যেকেই পুলিশকে জানিয়েছে ফয়সলের কথা। এই ব্যক্তিই সিকিউরিটি গার্ড বা শ্রমিকের চাকরি দেওয়ার নামে অনেক যুবককে রাশিয়ায় পাঠিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিতে এবার মানব-পাচার যোগ! তথ্য জোগাড় করতে আসরে এনআইএ

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিতে এবার মানব-পাচার যোগ! তথ্য জোগাড় করতে আসরে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Case) তদন্তে নামছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ। বুধবারই এ খবর জানিয়েছিল মাধ্যম। এবার জানা গেল, সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে একাধিক বিষয় অনুসন্ধান করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সন্দেশখালিকাণ্ডে মানব পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগও কতখানি সত্য, তা খতিয়ে দেখবে এনআইএ। জানা গিয়েছে, মানব পাচারের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের কাছে তথ্য তলব করেছে এনআইএ। সন্দেশখালির অদূরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। জল-জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকা। এরই সুযোগ নিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

    মানব পাচারের অভিযোগ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এ ব্যাপারে এনআইএ এখনও আলাদা করে কোনও মামলা দায়ের করেনি। তবে (Sandeshkhali Case) যেহেতু এলাকার অদূরেই সীমান্ত, এবং মানব পাচারের অভিযোগ উঠেছে, তাই রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছেন এনআইএ-র তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই প্রায় এক ডজন মানুষের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে এনআইএ। এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছে। এদের বিরুদ্ধেই উঠেছে মানব পাচারের অভিযোগ।

    তদন্তে এনআইএ

    জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে যে মানব পাচার চলে, সেই অভিযোগ পেতে ঢের আগেই তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। তবে সন্দেশখালির প্রেক্ষাপটে বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে বিষয়টি। সন্দেশখালিতে যে অবাধে মানব পাচার চলে, সেই অভিযোগ করেছে বিজেপিও। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান গা ঢাকা দেওয়ার পরেই নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছেন সেখানকার মহিলারা। সেই প্রেক্ষিতেই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মানব পাচারের অভিযোগের বিষয়টি। যদিও বিষয়টিকে লঘু করে দেখাতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনাটিকে তারা বিজেপি এবং আরএসএসের ষড়যন্ত্র বলে দেগে দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘শাহজাহান দোলে, মুখ্যমন্ত্রীর কোলে’, স্লোগান সামনে রেখে কলকাতায় ধর্নায় বসবে বিজেপি

    সম্প্রতি সন্দেশখালি গিয়েছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। প্রথমে তাঁদের বাধা দেওয়া হলেও, পরে ফের যান তাঁরা। কয়েকজন নির্যাতিতার সঙ্গে কথাও বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। সন্দেশখালিতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকেও। ফিরতে হয়েছে তাঁদেরও। প্রথমে সন্দেশখালি যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। পরে অবশ্য সন্দেশখালি যান তিনিও (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ (Rohingya Infiltration) করেছে বিভিন্ন সময়ে, তা আগেই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রোহিঙ্গারা যে এ রাজ্যে ঘাঁটি গেড়েছে, তা অনেক বার বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। তাঁদের দাবি যে নিছক গল্পকথা কিংবা কষ্টকল্পনা নয়, তার প্রমাণ মিলল এনআইএ রিপোর্টে।

    এনআইএর চার্জশিটে দাবি

    জানা গিয়েছে, মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে এ রাজ্যে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। এনআইএ-র চার্জশিটেই এই দাবি করা হয়েছে। চার্জশিটে আরও দাবি (Rohingya Infiltration) করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে মানবপাচার। এই পাচার চক্রের৩৬ জনের বিরুদ্ধে দু’রাজ্যের দু’টি মামলায় এনআইএ চার্জশিট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ জন বাংলাদেশি, একজন রোহিঙ্গাও। 

    মামলা দায়ের অসম পুলিশের

    ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। তার পরেই উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মায়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা (মায়ানমারের মুসলমানরা)। এর পরেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। সেই মামলায়ই অসমের এনআইএ আদালতে পেশ করা হয় ওই চার্জশিট। এনআইএর পেশ করা চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ভুয়ো পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ এবং জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে রোহিঙ্গারা। অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারও করা হয়েছে ৩৬ জনকে। এরা পশ্চিমবঙ্গের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল ও যশোর দিয়ে এবং ত্রিপুরার কাছে বাংলাদেশের আখাউড়া দিয়ে ভারতে ঢুকেছে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর ভুয়ো নথি, ব্যাঙ্কের নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস।

    আরও পড়ুুন: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ভালো কাজ ও উন্নত জীবন যাপনের টোপ দিয়ে রোহিঙ্গাদের ঢোকানো হচ্ছে এ দেশে। কয়েকজন রোহিঙ্গা মহিলাকে বিয়ের নামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বয়স্ক পুরুষদের কাছে। পাচার চক্রের লোকজনই অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিচ্ছে। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা (Rohingya Infiltration)।

    ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে যে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনেক আগেই দাবি করেছিল এনআইএ। এদের মূলে পৌঁছতে ১১টি রাজ্যে তল্লাশি চালায় এনআইএ। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল (Rohingya Infiltration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • NIA Raid: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

    NIA Raid: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে সক্রিয় মানব পাচার চক্র (Human Trafficking)। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী বেশ কয়েকজনকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। বুধবারই মানব পাচার চক্রের হদিস পেতে দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে এনআইএ (NIA)। ১০ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলা থেকে ধরা হয়েছে ৩ জনকে।

    ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে অভিযান

    বাংলাদেশ থেকে বিগত কয়েক বছরে বহু রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে ভারতে। তাদের মধ্যে অনেকেই উত্তরপূর্ব হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। আবার বাংলা দিয়েও কয়েকজন ঢোকে। এরপর তারা গা ঢাকা দিতে চলে যায় ভারতের অন্যান্য বিভিন্ন রাজ্যে। এদেরকেই পাচার করে দেওয়া হয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই আবহে বুধবার দেশের ১০টি রাজ্যে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ। এর মধ্যে ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গেও অভিযান চলে। দেশ জুড়ে মোট ৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় গতকাল। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জনকে ধরা হয়েছে ত্রিপুরা থেকে। 

    কী বলল এনআইএ

    এনআইএ-র তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১০ রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলজুড়ে চলা মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য। বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতায় এনআইএ বুধবার সকালে দেশজুড়ে নানা জায়গায় অভিযান চালায়। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে অনুপ্রবেশ ও বেআইনি মানব পাচার রোখা।” বুধবারের এনআইএ অভিযানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩ জন, ত্রিপুরা থেকে ২১ জন, কর্নাটক থেকে ১০ জন, অসম থেকে ৫ জন, তামিলনাড়ু থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তেলঙ্গানা, পুদুচেরি ও হরিয়ানা থেকেও ১ জন করে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে নকল আধার কার্ড ও প্যান কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। নগদ ২০ লক্ষ টাকা ও ৪৫৫০ মার্কিন ডলারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    অসম পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রিপুরা থেকে আগত একটি ট্রেনে একদল রোহিঙ্গাকে দেখতে পেয়েই আটক করে করিমগঞ্জ পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই মানব পাচার চক্রের খোঁজ মেলে। এখনও অবধি ৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহায়তায়। অনুপ্রবেশকারীদের পাচারের সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করতে বাংলাদেশের কাছ থেকেও সাহায্য় চাওয়া হয়েছে, বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মানব পাচারের অভিযোগে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার বারাসতের ব্যবসায়ী

    North 24 Parganas: মানব পাচারের অভিযোগে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার বারাসতের ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব পাচারের অভিযোগে বারাসতে (North 24 Parganas) এনআইএ-র হানা। ঘটনায় গ্রফতার করা হয়েছে ১ জন এবং অপর আরও ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাংলা ছাড়াও এদিন ত্রিপুরা, অসম, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, রাজস্থান সহ ১০ রাজ্যে তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে জেলা জুড়ে।

    মানব পাচার তদন্তে এনআইএ (North 24 Parganas)

    মানব পাচারের অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতেও এদিন অভিযান চালানো হয়। পর্যটন ব্যবসার আড়ালে চলত মানব পাচার। আর এই অভিযোগে বারাসতে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে মধ্যরাতে হানা দেয় এনআইএ। ভারত থেকে বাংলাদেশে এই মানব পাচারের করা হতো বলে অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। তবে এনআইএ-র অফিসাররা তদন্তের স্বার্থে এখনও পর্যন্ত কিছু বলতে চাননি।

    অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসতে ট্যুর ট্রাভেলসের ব্যবসা করেন সঞ্জীব দেব। তাঁর বাড়ি বারাসতের (North 24 Parganas) নবপল্লির ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন রমেশ পল্লি ছায়ানট অ্যাপার্টমেন্টে। তাঁর সাজানো গোছানো বিশাল বাড়ি। মধ্যরাতে সেই বাড়ির সামনেই আসে গাড়ি। সেই গাড়ি থেকে নামেন কয়েকজন আধিকারিক। এলাকাবাসীরা জানান, অফিসাররা বাড়ির দরজায় বেল টেপেন। এরপর সঞ্জীবকে একটা কাগজ দেখান এনআইএ-র অফিসাররা। তারপর অফিসাররা বাড়ির ভিতর ঢুকে পড়েন। তখনও পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু বুঝে উঠতে পারেননি ঠিক কী হচ্ছে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। পরে জানতে পারেন ওই ব্যবসায়ী নাকি পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি একই দিনে বারাসতের নবপল্লিতে আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনআইএ-র আধিকারিকরা।

    এনআইএ সূত্রে কী জানা গেলো?

    এনআইএ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সঞ্জীব দেব। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, বাড়ির (North 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাড়ি থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বাড়ি থেকে সামান্য কিছুটা দূরেই তাঁদের অফিস। আধিকারিকরা ওই ব্যবসায়ীকে সঙ্গে করে নিয়ে তাঁর অফিসেও তল্লাশি চালান। অপর দিকে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার এবং নাশকতা রুখতে বিশেষ পদক্ষেপ করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পাচার রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share