Tag: husband wife

husband wife

  • Rampurhat: স্ত্রীকে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন, দেহ বস্তায় ভরে পাচারের চেষ্টা!

    Rampurhat: স্ত্রীকে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন, দেহ বস্তায় ভরে পাচারের চেষ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যান্য রাজ্যে এই ধরনের ঘটনার কথা মাঝে মধ্যেই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। এবার রীতিমতো রোমহর্ষক ঘটনা ঘটল খোদ বাংলায়। স্ত্রীকে খুন করে বস্তায় ভরে পাচারের চেষ্টার মতো মর্মান্তিক এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এল। তবে তার আগেই হাজির হয়ে গিয়েছিল পুলিশ। বীরভূমের মল্লারপুর থানার সোঁজ গ্রামের ঘটনা। মল্লারপুর থানার পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি লাগোয়া পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় স্ত্রীর দেহ উদ্ধার করে। এখনও ফেরার অভিযুক্ত স্বামী। মহিলার শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে রামপুরহাট (Rampurhat) মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

    কীভাবে ঘটনার কথা জানাজানি হল?

    পাঁচ বছর আগে মেদিনীপুরে কাজে গিয়ে স্থানীয় তরুণী প্রিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সোঁজ গ্রামের সুফল মণ্ডল। বিয়েও হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, তাদের মধ্যে প্রায়শই অশান্তি লেগে থাকত। বুধবার সন্ধেয় অশান্তি চরমে পৌঁছয়। অভিযোগ, স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করে সুফল। মৃত্যুর পর দেহ চালের বস্তায় ঢুকিয়ে পুকুরপাড়ে পাচারের জন্য রেখে দেয়। প্রমাণ লোপাটে রাতে সেই বস্তাটি অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু খুনের পরে তার ছোট মেয়ের চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে আসে। প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামবাসী (Rampurhat) অর্ঘ্য ভুঁইমালি বলেন, “আমরা যখন আসি তখন সুফল ঘরের বাইরে হন্তদন্ত হয়ে ছোটাছুটি করছিল। বলল, আমাকে বউ লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে। তাই আমিও তাকে মেরেছি। তারপর গলায় দড়ি দিয়ে স্ত্রী আত্মঘাতী হয়েছে।” কথা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই অন্ধকারে সে ছুটে পালিয়ে যায়। দাদা দোলগোবিন্দ মণ্ডলকে সুফলই তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর দিয়ে পালিয়ে যায়।

    পুলিশ (Rampurhat) প্রাথমিক তদন্তে কী জানতে পারল?

    খবর পেয়ে রামপুরহাট (Rampurhat) মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্রের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বস্তা খুলে টিনের চালের বারান্দার সামনে দেহটি উদ্ধার করে। সেখানে চাপ চাপ রক্ত পড়েছিল। একটি হেলমেট পড়েছিল। প্রিয়ার মাথায় আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হেলমেট দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে তাকে খুন করেছে সুফল। কিন্তু তাকে খুনের পরে দেহটি একার পক্ষে বস্তাবন্দি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই কে তাকে সাহায্য করল, তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। আপাতত সুফলের মা শোভারানি মণ্ডল গড়াইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুফলের খোঁজে তল্লাশি চলছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hindu Marriage: বিয়ের সাতপাকে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে কী কী প্রতিশ্রুতি দেন?

    Hindu Marriage: বিয়ের সাতপাকে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে কী কী প্রতিশ্রুতি দেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিয়ে পৌরাণিক নিয়ম মেনেই হয়ে থাকে। আর বিয়ে (Hindu Marriage) মানেই দুটি মনের মিলন। একে অপরের পাশে সারাজীবন সততা, নিষ্ঠা এবং ভালোবাসার সঙ্গে থাকার নামই বিবাহ। বিভিন্ন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বিয়ের ধরন ও নিয়মকানুন আলাদা আলাদা হয়। কিন্তু উদ্দেশ্য একই থাকে। আবার বিয়ে এমন একটি রীতি, যার মাধ্যমে দুজনের সামাজিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক স্বীকৃতি লাভ করে। হিন্দু বিবাহের রীতিনীতিগুলির মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হল কুশণ্ডিকা, লাজহোম, সপ্তপদী গমন, ধৃতিহোম, চতুর্থী হোম। হিন্দু বিবাহের লৌকিক প্রথাগুলি বর্ণ, গোষ্ঠী ও এলাকা ভেদে আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।

    বিয়ের (Hindu Marriage) সাধারণ নিয়ম

    সাধারণত হিন্দু বিয়ের অনুষ্ঠানে একটি বিবাহ মঞ্চ করা হয়, যা ছাদনাতলা নামে পরিচিত। সেখানে বসেই বিয়ে (Hindu Marriage) সম্পন্ন হয়। সেই ছাদনাতলায় কনেকে একটি পিঁড়িতে বসিয়ে মুখে পান পাতা ঢেকে নিয়ে আসা হয়। বরের পাশে ঘোরানো হয় সাত পাক। এর পর পিঁড়ি থেকে কনেকে নামিয়ে পান পাতা সরিয়ে স্বামীর দিকে তাকাতে হয়, যা শুভদৃষ্টি নামে পরিচিত। এর পর হয় মালা বদল। শুধু এখানেই শেষ নয়, এই হিন্দু বিবাহ রীতির মধ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি আছে, যেটিকে সাত পাকে বাঁধা পড়া বলা হয়। এই সাত পাকের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও দিতে হয় একে অপরকে। আর এটি সম্পূর্ণ অগ্নিকে অর্থাৎ আগুনকে সাক্ষী রেখে সম্পন্ন করা হয়। 

    সাতপাকের মাধ্যমে (Hindu Marriage) কী কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়?

    সাতপাকে ঘোরার (Hindu Marriage) মাধ্যমে মোট ৭ টি প্রতিশ্রুতি স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে দিয়ে থাকেন। সেগুলি হল: প্রথম প্রতিশ্রুতি: স্বামী-স্ত্রী সবসময় চান, তাঁদের সংসারে যেন কোনওদিন খাদ্য এবং অর্থের অভাব না হয়। তাই স্ত্রীকে খুশি রাখার জন্য এবং তাঁর সমস্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য প্রথম প্রতিজ্ঞা করা হয় প্রথম পাকে। দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি: তাঁদের ভবিষ্যত প্রজন্ম অর্থাৎ তাঁদের সন্তানের দেখভাল ও যত্ন নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করা হয়। কনেও প্রতিজ্ঞা করেন, তাঁর স্বামী এবং পরিবারের যত্ন নেবেন। তৃতীয় প্রতিশ্রুতি: স্বামী প্রতিশ্রুতি দেন, সব সময় যে কোনও পরিস্থিতি থেকে তাঁর স্ত্রীকে রক্ষা করবেন। স্ত্রীও প্রতিশ্রুতি দেন, তিনি স্বামীর সবরকম খারাপ অবস্থায় পাশে থাকবেন। চতুর্থ প্রতিশ্রুতি: স্ত্রীর কাছে পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব তুলে দেওয়ার ও স্ত্রীর সমস্ত আবেদন মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেন স্বামী। পঞ্চম প্রতিশ্রুতি: স্ত্রীর প্রতি সদা সত্যের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতি দেন এবং স্ত্রীও স্বামীর প্রতি সদা নিষ্ঠাবান ও সত্যের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার প্রতিজ্ঞা করেন। ষষ্ঠ প্রতিশ্রুতি: পরস্পরের সুস্বাস্থ্য ও রোগহীন জীবনের কামনা করেন দুজন। সপ্তম প্রতিশ্রুতি: সর্বশেষে সম্পর্ক যেন সারাজীবন অটুট এবং বন্ধুত্বপূর্ণ থাকে ও এই সম্পর্ক যেন চিরস্থায়ী ও মজবুত হয়, তার প্রতিজ্ঞা করে দুজন দুজনের প্রতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করতে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) অস্বীকার করলে তা এক রকমের মানসিক নিষ্ঠুরতা। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতেই পারেন স্বামী। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court)। যদি কোনও স্ত্রী বিয়ের পূর্ণতা দিতে অস্বীকার করে বা স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করেন তাহলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান। সেক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন। তা হল বৈধ কারণ। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই মত

    সম্প্রতি একটি মামলার বয়ান অনুযায়ী, এক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালের ১২ জুলাই। কিন্তু, বিয়ের পরেও স্ত্রী (Husband-Wife Relation) তা মেনে নেননি এবং তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেছিলেন। এরইমধ্যে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যান স্বামী। এরপর ওই ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ফ্যামিলি কোর্ট। আদালতের বক্তব্য ছিল এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা যায় না। পরে ফ্যামিলি কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। 

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    কী বলল আদালত

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতি শীল নাগু এবং বিনয় সরফের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানির সময় জানান, ‘‘আমরা নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে একমত নই। তারা বলেছিল, কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতা নয়। এই কারণে বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া যায় না।’’ হাইকোর্ট তার নির্দেশে বলে, ‘‘আবেদনকারী (স্বামী) বিবাহের সব রকম আনুষ্ঠানিকতা মেনে চলেছেন। বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাঁর সঙ্গে একমত হননি। আবেদনকারী যে কারণ বলেছেন, তা অবশ্যই মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান।’’ হাইকোর্টের মতে, বৈবাহিক সম্পর্কে কোনটা মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং কোনটা নয়, তা নির্ধারণের জন্য কোনও ‘স্ট্রেট জ্যাকেট ফর্মুলা’ নেই। এর জন্য নির্দিষ্ট তথ্য এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করতে হয়। এরপরই ওই মামলায় বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share