Tag: Hyderabad

Hyderabad

  • Hyderabad Murder: শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! খুনের পর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখলেন প্রৌঢ়

    Hyderabad Murder: শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! খুনের পর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখলেন প্রৌঢ়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এবার ফিরল হায়দরাবাদে। প্রেমিকাকে খুনের (Hydrabad Murder) পর তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখার অভিযোগ উঠল এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতের নাম অনুরাধা রেড্ডি। বয়স পঞ্চান্ন। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৫ বছর ধরে তিনি চন্দ্র মোহন (৪৮) নামে প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতেন। ওই বাড়ির ফ্রিজ থেকেই অনুরাধার মৃতদেহের হাত এবং পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথা উদ্ধার হয়েছে মুসি নদীর ধার থেকে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহের অন্যান্য অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রাখেন অভিযুক্ত।

    আরও পড়ুন: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    কীভাবে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্তকে?

    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মুসি নদীর তীর থেকে একটি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করে পুলিশ। ওই খুনের তদন্ত করতে গিয়েই বেরিয়ে আসে এই ভয়াবহ হত্যাকা্ণড। অনলাইন ট্রেডিং পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওই প্রৌঢ়, এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। ১৫ বছর আগে স্বামী মারা গেলে চন্দ্র মোহনের বাড়ির একতলাতে থাকতেন অনুরাধা। পুলিশ জানিয়েছে, সুদের কারবার করতেন মহিলা এবং সেখান থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কয়েক বছর আগে ৭ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন চন্দ্র মোহন। কিন্তু ফেরত দিতে চাননি। এ নিয়েই শুরু মনোমালিন্য।

    কীভাবে খুন (Hydrabad Murder) করা হল?

    টাকা ফেরত দিতে না পেরে অনুরাধাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন চন্দ্র মোহন।  শ্রদ্ধাকে হত্যা করার আগে ইন্টারনেটে যাবতীয় খোঁজখবর করেছিলেন আফতাব। এমনটা মোহনও করেন। ১২ মে হায়দরাবাদের দিলসুখনগরে মোহনের বাড়িতেই খুন হন অনুরাধা। টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে দুজনের মধ্যে চরম ঝামেলা শুরু হয়। ঠিক এই মুহূর্তে অনুরাধার বুকে ছুরি চালিয়ে দেন চন্দ্র মোহন। তারপর সেই ছুরি পেটেও চালান। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন অনুরাধা। এরপর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে কাটেন মোহন। তার জন্য ছোট পাথর কাটার মেশিনও কিনে এনেছিলেন। মাথা কাটার পর সেটা নিয়ে কালো ব্যাগে মুড়ে অটোয় চড়ে মুসি নদীর ধারে চলে যান অভিযুক্ত। একইভাবে বাড়ি ফিরে অনুরাধার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেন। যাতে দুর্গন্ধ না বেরোয়, তার জন্য গোটা বাড়িতে প্রচুর সুগন্ধিও ছড়ানো হয়। কীভাবে দেহ নষ্ট করে ফেলা যায্‌ তার জন্য গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে এ সংক্রান্ত ভিডিও দেখতেন অভিযুক্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gold ATM: বের হবে স্বর্ণমুদ্রা! চালু হল দেশের প্রথম সোনার এটিএম, জানেন কোথায়?

    Gold ATM: বের হবে স্বর্ণমুদ্রা! চালু হল দেশের প্রথম সোনার এটিএম, জানেন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এটিএম থেকে সোনার কয়েন (Gold ATM) বের হবে। শুনতে আশ্চর্য হলেও এমনটাই সত্যি হতে চলেছে দেশের তেলঙ্গানা রাজ্যে। গোল্ডসিক্কা প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থা, স্টার্টআপ ওপেনকিউব টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রযুক্তিগত সহায়তায় হায়দ্রাবাদ শহরের বেগমপেটে এই ধরনের প্রথম এটিএম চালু করেছে। সংস্থাটি শীঘ্রই হায়দ্রাবাদে আরও তিনটি সোনার এটিএম (Gold ATM) চালু করবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: অরুণাচলের প্রথম গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

    সংস্থার সিইও-এর বক্তব্য

    সংস্থার CEO, এস ওয়াই তরুজ বলেন, “গোল্ড এটিএম গ্রাহকদের সোনা কেনার ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা দিতে পেরেছে। এই সোনার এটিএমগুলোর কার্যপ্রক্রিয়া (Gold ATM) সাধারণ এটিএম থেকে টাকা তোলার মতোই সহজ। এতে কোনও জটিলতা নেই। এই ATM-গুলি থেকে ০.৫ গ্রাম, ১ গ্রাম, ২ গ্রাম, ৫ গ্রাম, ১০ গ্রাম, ২০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন ওজনের স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া যাবে।”

    আরও পড়ুন: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরো দেশে মোট তিন হাজারের বেশি এই ধরনের এটিএম (Gold ATM) চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সংস্থা। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তেলঙ্গানা মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীতা রেড্ডি।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    প্রতিদিন সোনার দাম ওঠানামা করে, তাই প্রক্রিয়াটিকে স্বচ্ছ করতে, স্ক্রিনে প্রতিদিনের দাম যাতে গ্রাহকরা দেখতে পান, সেই ব্যবস্থাও করেছে গোল্ডসিক্কা প্রাইভেট লিমিটেড। মুদ্রাগুলি ৯৯.৯ শতাংশ বিশুদ্ধতার সঙ্গে, টেম্পার প্রুফ প্যাকে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। করিমনগর ও ওয়াড়াঙ্গলেও এই কয়েন ভেন্ডিং মেশিনগুলো (Gold ATM) বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের, একথা বলেন সংস্থার সিইও।

    আরও পড়ুন: লাভ-জিহাদ রোধে নয়া আইন! জানেন শ্রদ্ধা খুনে কী বললেন শিবরাজ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Jharkhand: ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা, তিন দিনের মধ্যেই শক্তি পরীক্ষা দেবে চম্পাই সরকার

    Jharkhand: ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা, তিন দিনের মধ্যেই শক্তি পরীক্ষা দেবে চম্পাই সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ১০ দিন। তবে তার আগেই আস্থাভোটের মাধ্যমে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে প্রস্তুত ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মহাগটবন্ধনের সরকার। জেএমএম নেতৃত্বাধীন মহাগটবন্ধন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তিন দিনের মধ্যেই আস্থাভোটের মাধ্যমে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ৪৩ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে ঝাড়খণ্ডের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন জেএমএম নেতা চম্পাই সোরেন।

    চম্পাইয়ের শক্তি

    বুধবারই ইডির হাতে গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন চম্পাই। শাসক দলের বিধায়কদের সকলেই তাঁকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানান। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য চম্পাই সরকারকে ১০ দিন সময় দেন রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণ। ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। ম্যাজিক ফিগার ৪১। শাসক জোটের পক্ষে রয়েছেন ৪৮ জন বিধায়ক। এর মধ্যে জেএমএমের বিধায়ক সংখ্যা ২৯, কংগ্রেসের ১৬, আরজেডির ১ এবং সিপিআই (লিবারেশন) ১। এই মুহূর্তে চম্পাইয়ের সঙ্গে রয়েছেন ৪৩ জন বিধায়ক। চারজনের খোঁজ মেলেনি।

    বিরোধী শিবিরে কারা

    আর বিরোধী শিবিরে রয়েছেন ৩২ জন। এঁদের মধ্যে বিজেপির ২৫ জন, আজসুর ৩ জন, এনসিপি (অজিত) ১ এবং নির্দল ৩ জন। যেহেতু আস্থাভোটের জন্য (Jharkhand) রাজ্যপাল ১০ দিন সময় দিয়েছেন, তাই ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা করছেন জেএমএম নেতৃত্ব। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই তিন দিনের মধ্যেই আস্থাভোটে অংশ নিতে চাইছে মহাগটবন্ধনের সরকার।

    আরও পড়ুুন: আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়তেন! আদালতে পার্থর পর্দাফাঁস করল সিবিআই

    প্রসঙ্গত, বিধায়ক কেনাবেচার আশঙ্কা থেকেই শুক্রবার মহাগটবন্ধনের ৪০ জন বিধায়ককে কংগ্রেসশাসিত তেলঙ্গনায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কড়া প্রহরায় হায়দরাবাদের একটি রিসর্টে রাখা হয়েছে তাঁদের। এদিকে, বিধানসভার আস্থাভোটে হেমন্ত অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়ে দিল রাঁচি আদালত। শনিবার ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এই অনুমতি দিয়েছে আদালত।

    প্রসঙ্গত, জমি জালিয়াতি মামলায় হেমন্তকে গ্রেফতার করেছে ইডি। বুধবার দুপুর থেকে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে হেমন্তের রাঁচির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। রাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গ্রেফতারি আশঙ্কা করেই রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দেন তিনি (Jharkhand)।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • India vs England: ইংল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার ভারতের, পড়ুন পরাজয়ের ধারা বিবরণী

    India vs England: ইংল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার ভারতের, পড়ুন পরাজয়ের ধারা বিবরণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম টেস্ট ম্যাচে চার দিনেই ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেল ভারত (India vs England)। নিজেদের পাতা স্পিনের ফাঁদেই আটকে গেল রোহিত শর্মার দল। রবিবার ইংল্যান্ডের অখ্যাত স্পিনারদের সামনে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করলেন ভারতীয় ব্যাটাররা।

    লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে ব্যর্থ রোহিতরা

    ২৮ রানে হেরে সিরিজ শুরু করেছিলেন রোহিতরা। তার পরেও ২৩১ এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারল না ভারতীয় ক্রিকেট দল। খেলা হচ্ছিল হায়দরাবাদে। প্রথম থেকেই কারও মধ্যে টেস্টসুলভ ব্যাটিং করার মানসিকতা দেখা যায়নি। শুভমন গিল আউট হয়ে যান শূন্য রানে। তরুণ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়ালও ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন মাত্র ১৫ রান করে। ৪২ রানের মধ্যে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রোহিত শর্মার দল। ৩৯ রান করে স্বয়ং অধিনায়ক টেন্টে ফিরে যাওয়ায় সেই চাপ আরও বাড়ে।

    অভিষেক টেস্টেই মাত হার্টলের

    খেলা ধরতে নামানো হয় অলরাউন্ডার অক্ষর পটেলকে। চা বিরতি পর্যন্ত অক্ষর করেন ১৭ রান। তার পরে নেমে আর রান পাননি। রাহুল দ্রাবিড়ও আউট হয়ে যান মাত্র ২২ রানে। রোহিত শর্মার দলের পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে চারজনকেই সাজঘরে ফেরান ইংল্যান্ডের তরুণ স্পিনার টম হার্টলে (India vs England)। এটি ছিল তাঁর অভিষেক টেস্ট। ৬২ রানে ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন এই তরুণ। মাত্র ১৭ রানে আউট হন শ্রেয়স আইয়ার। ২ রানে আউট হন রবীন্দ্র জাডেজা। ১৯৯ রানেই ৭ উইকেট পড়ে যায়। শ্রীকর ভরত সাজঘরে ফেরেন ২৮ রান করে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সংগ্রহেও ২৮ রান। ১২ রান করে আউট হয়ে যান মহম্মদ সিরাজ। ৬ রানে অপরাজিত রইলেন যশপ্রীত বুমরা।

    আরও পড়ুুন: “শক্তিশালী বিচারব্যবস্থা বিকশিত ভারতের অংশ”, সুপ্রিম কোর্টের জন্মদিনে বললেন মোদি

    এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ৪২০ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ২২ গজে কার্যত দাপিয়ে বেড়ান অলি পোপ। চার মেরেছেন ২১টি। তাঁর সংগ্রহে ১৯৬ রান। বুমরার বলে আউট হন তিনি। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে সফলতম বুমরাই। ৪১ রানে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। অশ্বিন নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৩১ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নিয়েছেন জাডেজা। অক্ষরের ঝুলিতে মাত্রই একটি উইকেট। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ। তার প্রথমটিতেই ধরাশায়ী রোহিতের দল (India vs England)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা! আর তাতেই ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকরা (Investment Fraud)। জানা গিয়েছে, চিন থেকে বসেই নিয়ন্ত্রণ করা হতো গোটা চক্র। এত বড় প্রতারণা চক্রে সংযোগ পাওয়া গিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লা জঙ্গি গোষ্ঠীরও। ভারত থেকে গোয়েন্দারা গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছেন প্রতারণাচক্রের (Investment Fraud) বেশ কিছু দালালকে। শনিবার হায়দরাবাদ পুলিশ এই প্রতরণা চক্রের কথা সামনে এনেছে।

    কীভাবে চলতো প্রতারণা? 

    বাড়িতে বসেই সামান্য কাজের অফার দেওয়া হতো। কীরকর কাজ? ইউটিউবে ভিডিও লাইক করতে হবে অথবা গুগলে গিয়ে রিভিউ লিখতে হবে। ব্যস এইটুকু করলেই মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। এই ছিল প্রতারকদের ফাঁদ। এখানেই প্রতিবছর আটকে পড়েছেন হাজার হাজার ভারতীয়। সামান্য এই কাজের সঙ্গে দেওয়া হতো বিনিয়োগের প্রস্তাব। স্বল্প টাকার বিনিয়োগে মিলবে মোটা অঙ্কের রিটার্ন। প্রতারকদের (Investment Fraud) এই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেই টাকা রাখতেন অনেকে। যা চলে যেত সন্ত্রাসের ফান্ডে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দারা। মহম্মদ মুনাওয়াল, অরুল দাস, সমীর খান, শাহ সুমীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে হায়দরাবাদ থেকে। আহমেদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রকাশ মূলচাঁদ ভাই এবং কুমার প্রজাপতিকে। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে গগন সোনী, পারভেজ এবং নইমুদ্দিন সেখকে।

    কী বলছে পুলিশ?

    হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার বলেন,জনৈক শিবা কুমার নামের এক ব্যক্তির ২৮ লাখ টাকার প্রতারণা (Investment Fraud) বিষয় সামনে আসতেই তদন্ত শুরু হয়। সন্ধান মেলে ‘রাধিকা মার্কেটিং কোম্পানি’-এর। এখানেই মহম্মদ মুনাওয়ালের একটি অ্যাকাউন্ট ও ফোন নম্বর পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, এই কোম্পানিতে অ্যাকাউন্ট খোলানোর বিনিময়ে প্রতারকরা পেত নগদ ২ লাখ টাকা। কিছু অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রিত হতো দুবাই থেকে। এই সংস্থায় যে টাকা ডিপোজিট হতো তার একটা বড় অংশ সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহার হতো বলে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    আরও পড়ুুন: দিল্লির প্রগতি ময়দানের নয়া কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hyderabad: প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক, বন্ধুর মুণ্ডচ্ছেদ করে গোপন অঙ্গ কেটে ফেলল প্রেমিক

    Hyderabad: প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক, বন্ধুর মুণ্ডচ্ছেদ করে গোপন অঙ্গ কেটে ফেলল প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমিকাকে ফোন ও মেসেজ করতেন প্রেমিকের বন্ধু। আর সেই অপরাধের শাস্তি হিসেবে বন্ধুর মাথা কেটে গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন যুবক। বন্ধুর মুণ্ডুচ্ছেদ করেই ক্ষান্ত হয়নি সে, বুক চিরে হৃদপিণ্ডও খুবলে নিয়েছে। এমনকী খুনের সময় তাঁর আঙুল ও যৌনাঙ্গও কেটে নেওয়া হয়। মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের। নিহত যুবকের নাম নবীন। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি নবীনকে হত্যা করে হরিহারা কৃষ্ণ। ওই দিন দুই বন্ধু মিলে মদ্যপান করেছিল। মত্ত অবস্থায় কৃষ্ণর প্রেমিকাকে নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। তখনই সে নবীনকে খুন করে। অভিযুক্ত বছর ২২-র হরিহারা কৃষ্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদে (Hyderabad)।

    কী জানা গিয়েছে?

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নিহত, অভিযুক্ত ও তাঁর প্রেমিকা তিন জনই একইসঙ্গে কলেজে ভর্তি হয়েছিল। কৃষ্ণ ও নবীন দুজনেই ওই তরুণীর প্রেমে পড়েন। কিন্তু নবীন প্রথমে তাঁকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফলে নবীন ও ওই তরুণীর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কিন্তু দেড় বছরের মাথায় ভেঙে যায় সেই সম্পর্ক (Hyderabad)। তারপরই কৃষ্ণর সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়ায় ওই তরুণী। কিন্তু তখনও নবীনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তরুণীর। ফোনে কথাবার্তাও হত। তদন্তকারীদের দাবি, এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি কৃষ্ণ। সেকারণেই গত তিন মাস ধরে নবীনকে খুনের ছক কষছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ত্রিবেণীর কুম্ভস্নানের প্রসঙ্গ! কী বললেন মোদি  

    অভিযুক্ত যুবক স্বীকার করেছেন যে, ১৭ তারিখে নবীনকে (Hyderabad) ডেকে পাঠান তিনি। দুই বন্ধু মিলে মদ্যপান করেন। তখনই নিজের প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে নবীনকে হুঁশিয়ারি দেন কৃষ্ণ। এই নিয়ে ঝগড়া শুরু হলে নবীনকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সে। খুনের পর কাটারি নিয়ে এসে তাঁর মাথা ধড় থেকে আলাদা করে দেয় কৃষ্ণ। এরপর যৌনাঙ্গ, আঙুল কাটেন। শেষে বুক চিরে বের করে নিয়ে আসে হৃদপিণ্ড। এরপর সেই সব ছবি তুলে প্রেমিকার মোবাইলে পাঠায় সে। পুলিশ জানিয়েছে,  ইতিমধ্যে সেই মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তের প্রেমিকাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

       

     

  • Halal: হালাল জিহাদ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার হায়দ্রাবাদে, কেন জানেন?

    Halal: হালাল জিহাদ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার হায়দ্রাবাদে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্ম বাঁচাতে হলে সচেতন হতে হবে হিন্দুদের (Hindus)। তাই হিন্দুদের সচেতন করতে হায়দ্রাবাদে (Hyderabad) পথে নামল হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। প্রচার চালাল হালাল (Halal) জিহাদ (Jihad) নিয়েও। হিন্দু সম্প্রদায় ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে হালাল জিহাদ কী, ব্যাখ্যা করলেন তাও। সম্প্রতি এরকমই একটি প্রোগ্রাম হয়ে গেল কাচিগুডার বদরুকা কলেজে।

    হালাল…

    সচেতনতামূলক প্রচার হিসেবে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হালালের বিরুদ্ধে আমাদের ধর্মযুদ্ধ চলছেই। এই হালাল হিন্দু বিশেষত হিন্দু ব্যবসায়ীদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে। আমাদের বুঝতে হবে হালাল সম্পর্কে না জেনেই কীভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। তাই গ্রুপে জয়েন করুন। আমাদের উদ্বেগের কারণ বুঝুন। এবং হালাল নামক দৈত্যকে শেষ করে দিন। হাতে গোণা অল্প কিছু হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী হালাল প্রোডাক্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই হালালই এখন বাজার কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। হালাল প্রোডাক্ট নিয়ে সুর চড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কারণ এই হালাল প্রোডাক্টই সর্বনাশ ডেকে আনছে হিন্দু ব্যবসায়ীদের।

    আরও পড়ুন: ‘রামমন্দির নির্মাণ বন্ধ করে অযোধ্যায় বাবরি গড়ুন’, ভারতকে বলল পাকিস্তান, কী জবাব দিল নয়াদিল্লি?

    এবার জেনে নেওয়া যাক হালাল কী? ইসলামিক রীতিতে ভোগের উদ্দেশ্যে কোনও প্রাণী হত্যা করা একটি বিশেষ পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে প্রাণীটির গলা কাটা হয় আড়াই প্যাঁচে। এতে কাটা পড়ে প্রাণীটির জাগুলার ভেন, ক্যারোটিড আর্টারি এবং শ্বাসনালী। প্রাণীটিকে হত্যার আগে করা হয় প্রার্থনা। এই কারণে মুসলিমদের কাছে হালাল করা মাংসের চাহিদা বিপুল। বিশেষত যাঁরা গোঁড়া মুসলমান, তাঁরা হালাল করা মাংস ছাড়া খান না। সেই কারণেই বিভিন্ন দোকানে লেখা থাকে এখানে হালাল করা মাংস পাওয়া যায়।

    মুসলিমদের কাছে হালাল করা মাংস যে কারণে জনপ্রিয়, সেই ধর্মীয় কারণেই হিন্দু ব্যবসায়ীদের সিংহভাগ হালাল করা মাংস বিক্রি করেন না। বিশ্বের মুসলিম দেশগুলিতে হালাল করা মাংসের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। স্বাভাবিকভাবেই মার খাচ্ছেন হিন্দু মাংস ব্যবসায়ীরা। তাঁরা না পারছেন হালাল করা প্রোডাক্ট বিক্রি করতে, না খুঁজে পাচ্ছেন ব্যবসার অন্য কোনও পন্থা। সেই কারণেই হিন্দু ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে করা হচ্ছে নানা প্রোগ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hyderabad: হায়দ্রাবাদে নবরাত্রি প্যান্ডেলে দুই বোরখা পরিহিতার তাণ্ডব, ভাঙা হল মূর্তি

    Hyderabad: হায়দ্রাবাদে নবরাত্রি প্যান্ডেলে দুই বোরখা পরিহিতার তাণ্ডব, ভাঙা হল মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই মুহূর্তে দেশজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় পালিত হচ্ছে নবরাত্রি (Navratri)। ৫ অক্টোবর অবধি মা দুর্গার নয়টি রূপের আরাধনা চলবে। এই উপলক্ষে বহু জায়গায় ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে উৎসবে মেতেছেন দেশবাসী। আর এর মাঝেই তাল কাটল হায়দ্রাবাদে (Hyderabad)। দুই মুসলিম মহিলার বিরুদ্ধে হিন্দু দেবীকে (Hindu Goddess) অপমান করার অভিযোগ উঠেছে নিজামের শহরে (Muslim women in burqa damaged the idol of Goddess Durga)।

    অভিযোগ, দুই মুসলিম মহিলা পুজো প্যান্ডেলে বোরখা পরে প্রবেশ করেন। অতর্কিতে দুর্গা মূর্তি ভাঙেন। এই দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়াও নবরাত্রিতে ওই দুই মহিলা কোনও উস্কানিমূলক কাজ করে সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এই দুই মহিলাই ওই এলাকার একটি চার্চেও হামলা চালান। মাদার মেরির মূর্তি ভাঙচুর করেন তারা।

    ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদের খইরাতাবাদে। নবরাত্রির দিন দুই মুসলিম মহিলা দুর্গা পুজো প্যান্ডেলে প্রবেশ করেন। তারপর তারা মূর্তি ভাঙার চেষ্টা করেন। খইরাতাবাদের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, তারা প্যান্ডেলে ঢুকে প্রথমে ভাঙচুর শুরু করে্ন। এমনকি দুর্গা মূর্তির বেশ কিছু অংশ ভেঙে দেন। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন এবং ওই দুই মহিলাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। 

    হায়দ্রাবাদের সেন্ট্রাল জোনের ডিসিপি রাজেশ কুমার এই বিষয়ে বলেন, “সকালের দিকে দুই মহিলা খইরাতাবাদের একটি প্যান্ডেলে প্রবেশ করে  মূর্তি ভাঙচুর করেন। সেই সময়ে ওই প্যান্ডেলের উপস্থিত থাকা এক ব্যক্তি বাধা দিলেও তারা শোনেননি। তারা ওই ব্যক্তির ওপরেও হামলা চালায়। তারপর স্থানীয়রা এসে ওই দুই মহিলাকে আটক করেন।” 153-A, 295, 295-A, 451, 504 r/w 34 ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে ওই দুই মহিলার বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, ছড়ানো হচ্ছে সন্ত্রাস, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ওই দুই মহিলা কে, তাদের পরিচয় কী এবং তারা কোনও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই দুই মহিলা মানসিকভাবে সুস্থ কিনা তাও দেখা হচ্ছে। দুজনের বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। স্থানীয়দের দাবি ওই দুজনই মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার। গত বছরেও হায়দ্রাবাদের কুকাটপল্লীতে অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দিরে (Hindu Temple vandalized) কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি হামলা চালিয়েছিল। ওই হামলায় দেবী দুর্গার প্রতিমা (Goddess Durga Idol) সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এবছরও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানায় (Telangana) গণেশ উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন আসামের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঘটনার জেরে শুক্রবার রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। জেড প্লাস সিকিউরিটি পান হিমন্ত। তার পরেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবের কাছে। এর আগে এই একই ইস্যুতে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছিল আসাম সরকার এবং সিআরপিএফ (CRPF)।

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানায় গণেশ উৎসবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হিমন্ত। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির এক নেতা মঞ্চে উঠে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কাধাক্কি করেন। কেড়ে নেন তাঁর মাইক্রোফোনও। যিনি এসব করেছেন, তিনি তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা নন্দু ব্যাস। নন্দুকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় আবিদ রোড থানায়। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন :মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    ছাড়া পেয়েই স্বমূর্তি ধারণ করেন তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির ওই নেতা। নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, যে উৎসব উপলক্ষে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ রাজ্যে এসেছেন, সেই উৎসব সম্পর্কিত কথাবার্তা না বলে তিনি ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও সম্পর্কে অযথা বাজে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা সহ্য করতে পারিনি। তাই মঞ্চে গিয়ে ওঁকে অনুরোধ করেছিলাম মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে। তাঁকে এও বলেছি, যদি ভবিষ্যতে আপনাদের কোনও নেতা কিংবা নেত্রী এসে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এসব বলেন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। তাঁকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

    তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মুখপাত্র কৃষাঙ্ক মান্নে বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দিনভর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে গালি দিয়ে গেলেন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে শুরু করল। কেসিআরের এক সমর্থক এটা মেনে নিতে পারেননি। তারই প্রতিক্রিয়ার জেরে ঘটেছে এই ঘটনা। তিনি বলেন, কেসিআরের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত হিমন্তর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Viral News: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    Viral News: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন মানুষ তাঁর জীবদ্দশায় কতবার বিয়ে করেন? সাধারণত, একবারই। কোনও কোনও মানুষ ২ বাও বিয়ে করে থাকেন। তবে এবারে এক ব্যক্তি দু-তিনটে নয়, একেবারে ১৩ জন মহিলাকে বিয়ে করে ফেললেন। এমনই এক বিরল ঘটনা দেখা গেল ভারতে। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদের সাইবারবাদ (Cyberabad) এলাকায়। ব্যক্তির নাম অদপ শিবশঙ্কর বাবু (Adapa Shivshankar Babu)। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে।

    অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর জেলার বাসিন্দা তিনি। তার বয়স ৩৫ বছর। অভিযুক্ত সাধারণত ডিভোর্সি মহিলা বা যাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে এমন মহিলাদের টার্গেট করতেন। তিনি বিবাহের সাইটগুলোতে তাঁদের খুঁজতেন। বিবাহবিচ্ছেদ মহিলা যাঁরা বিবাহের সাইটে বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতেন তেমন নারীদের তাঁর জালে ফাঁসিয়ে তাঁদের বিয়ে করতেন। এরপর ভুয়ো কাগজ তৈরি করে তাঁদের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতেন।

    আরও পড়ুন: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    যাঁদের সঙ্গে ওই ব্যক্তি প্রতারণা করেছেন তাঁদের মধ্যে এক মহিলা রামচন্দ্রপুরম থানায় (Ramachandrapuram police station) তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবশঙ্কর ওই মহিলার থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ও ৭ লক্ষ টাকার গহনা নিয়ে নেন। সেগুলো অনেক চাওয়ার পরেও কিছুতেই তিনি ফেরত না দিলে মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অধীনে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সেই মহিলা জানান, ২০২১ সালে এক ম্যাট্রিমনিয়াল সাইট থেকে তাঁর পরিচয় হয় শিবশঙ্করের সঙ্গে। অভিযুক্ত তাঁকে বলেন, তাঁর বাবা-মা অনেকদিন আগেই মারা গেছেন। তিনি নামী এক কোম্পানিতে চাকরি করেন ও মাসে ২ লক্ষ টাকা বেতন পান। তিনি পেশায় একজন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। যদিও তিনি তাঁকে জানিয়েছিলেন তার আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। এরপর মহিলাটির পরিবার অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করে তাঁর সঙ্গে বিয়ে দেন। তারপর অভিযুক্ত তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার নাম করে মহিলার পরিবার থাকে ২৫ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেলেও তিনি তাঁর স্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যাননি। তখন সন্দেহ হলে তাঁর কাছ থেকে মহিলার পরিবার টাকা চাইতে শুরু করে। এরপরেও টাকা ফেরত না দিলে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা।

    এরপর তাঁকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ স্টেশনে ডাকলে অন্য এক মহিলা এসে তাঁর জামিন করান। আর জানতে পারেন তিনি অন্য জায়গায় আবার বিয়ে করেছেন। এরপরেই আরও এক মহিলা শিবশঙ্করের খোঁজ করলে আসল ঘটনা জানতে পারলে পুলিশকে জানান ও পুলিশ শিবশঙ্করকে গ্রেফতার করে। যদিও সে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এভাবেই তিনি ১৩ জন মহিলাকে ঠকিয়ে তাঁদের থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এখানেই শেষ না, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী হায়দ্রাবাদের এক মহিলার থেকেও ৩৫ লক্ষ টাকা নেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। 

LinkedIn
Share