Tag: hydration

hydration

  • Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে একাধিক রোগের ঝুঁকি। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সহজ বিষয় নজরে রাখলেই এই ব্যস্ত জীবনেও শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। আর তার মধ্যে অন্যতম হল জল খাওয়া। জল (Drinking Water) স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যা পর্যাপ্ত জল খেলে সহজেই এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে সুস্থ জীবনের পথ অনেকটাই সহজ হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক, কোন রোগ এড়িয়ে চলা সহজ করে পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস?

    হজম ক্ষমতা বাড়ায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। হজমের গোলমালের অন্যতম কারণ পাকস্থলী এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো না থাকা। জল ঠিকমতো খেলে অন্ত্র, পাকস্থলী সুস্থ থাকে। তাদের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে, হজম ক্ষমতাও বাড়ে, শরীর সুস্থ থাকে।

    স্থূলতা কমাতে জল জরুরি

    স্থূলতা এড়াতে এবং মেদ ঝরাতে জল খুবই উপকারী। কারণ, জল শরীরে পর্যাপ্ত থাকলে স্থূলতার ঝুঁকি কমে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ উপায়ে জল খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ভারী খাবার খাওয়ার আগে একটু বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। এতে খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছে কমবে। ফলে বাড়তি খাওয়া হবে না। এতে শরীরে মেদ কম জমবে। পাশপাশি সকালে খালি পেটে জলে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে সহজেই মেদ কমে। স্থূলতা কমাতে তাই জল (Drinking Water) অত্যন্ত উপকারী।

    লিভারের রোগের ঝুঁকি কমায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখার চাবিকাঠি জল। পরিশ্রুত জল না খেলে যেমন জন্ডিস, হেপাটাইটিস সহ একাধিক লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তেমনি পরিশ্রুত পর্যাপ্ত জল লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে হজমের অসুবিধা কমে। একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমে।

    হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় জল

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ভারত গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। তাই হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যায় এই দেশের অধিকাংশ মানুষ কমবেশি চিন্তিত। তবে পর্যাপ্ত জল খেলে এই বিপদ কাটবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশনের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই জল (Drinking Water) পর্যাপ্ত খেলে এই রোগের ঝুঁকি কমবে।

    ত্বক ভালো রাখে জল

    ত্বকের শুষ্কতা কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল এবং মসৃণ রাখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জল। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ত্বকের সমস্যার কারণ জল‌ কম খাওয়ার অভ্যাস। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খেলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়। ত্বকের রোগ কম হয়।

    পর্যাপ্ত জল বলতে কী বলা হয়? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত অন্তত ৪-৫ লিটার পরিশ্রুত জল (Drinking Water) খাওয়া জরুরি। একাধিক রোগ এড়াতে এই জল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতেই হবে। শিশুদের দিনে অন্তত ২-৩ লিটার জল খেতে হবে বলেই‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwaves: গরম পড়তেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন? জানেন‌ কী ধরনের বিপদ‌ হতে পারে? 

    Heatwaves: গরম পড়তেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন? জানেন‌ কী ধরনের বিপদ‌ হতে পারে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    এপ্রিল মাসের শুরুতেই তাপমাত্রার পারদ বাড়তে থাকছে (Heatwaves)। আবহাওয়ার এই অস্বস্তির জেরে অনেকেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন। কিন্তু লাগাতার ফ্রিজের জল খাওয়ায় হতে পারে একাধিক বিপত্তি। এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশেষত রোদ থেকে ফিরে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল খেলে সমস্যা বাড়বে। তাই নিয়মিত ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কিন্তু কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    ব্রেন ফ্রিজের সমস্যা হতে পারে! (Heatwaves)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল খেলে ব্রেন ফ্রিজের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল রক্ত সঞ্চালনের উপর সরাসরি আঘাত করে। এর ফলে মস্তিষ্কে এর প্রভাব পড়ে। মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। একেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ব্রেন ফ্রিজ বলা হয়। মাথায় যন্ত্রণা এবং কোনও বিষয়ে মনোনিবেশ করতেও সমস্যা হয়। তাই নিয়মিত ঠান্ডা জল খাওয়ার আগে এই দিকে নজর দেওয়া জরুরি। যদি মাথাব্যথার সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত ঠান্ডা জল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    হজমের সমস্যা বাড়ে ঠান্ডা জলে!

    নিয়মিত ঠান্ডা জল বিশেষত ফ্রিজে রাখা জল খেলে হজমের সমস্যা বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরমে (Heatwaves) হজমের সমস্যা বাড়ে। তার উপরে ফ্রিজের জল বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা আরও বাড়ায়। কারণ, ফ্রিজের জল মাংসপেশিকে সঙ্কুচিত করে। এর জেরে পেশি‌ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর জেরে হজম দেরিতে হয়। তাই নিয়মিত ফ্রিজের জল খেলে বিপদ বাড়ে।

    হাত ও পায়ের যন্ত্রণা (Heatwaves)

    নিয়মিত ফ্রিজের জল খেলে হাত ও পায়ের পেশিতে এবং পেটে যন্ত্রণা দেখা দিতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্রিজে রাখা জল দেহের রক্ত সঞ্চালন এবং পেশির উপরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। এর জেরে একদিকে ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয় না, আরেকদিকে পেশিও সঙ্কুচিত হতে থাকে। ফলে, পেটে ব্যথা এবং হাত ও পায়ের যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষত প্রবীণদের এই সমস্যা বেশি হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে তাপমাত্রার ওঠানামা প্রায় হয় (Heatwaves)। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে শ্বাসনালী ও ফুসফুসের একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস, সেই বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডা জল খাওয়ার জেরে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাকে নানান সংক্রমণ দেখা দেয়। গলাব্যথার মতো উপসর্গ তা‌ জানান দেয়। আর তার জেরেই ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে। তাই নিয়মিত ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hydration: শরীরে জলের অভাব টেনে আনে অকাল বার্ধক্য সমেত নানা রোগ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    Hydration: শরীরে জলের অভাব টেনে আনে অকাল বার্ধক্য সমেত নানা রোগ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খাওয়ার ফলে শরীরে দেখা দেয় জলের ঘাটতি। যাকে বলা হয় ডিহাইড্রেশন।  ডিহাইড্রেশনের ফলে মানুষের মৃত্যু অবধি হতে পারে। শরীরে জলের অভাব টেনে আনতে পারে নানা সমস্যা। সুস্থ জীবন পেতে জলের কোনো বিকল্প নেই। শরীরে জলের অভাব থাকলে অকাল বার্ধক্য এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ দেখা দিতে পারে, একথা বিশেষজ্ঞরা বলছেন। আবার যাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল থাকে না অল্প বয়সে মৃত্যুর সম্ভাবনাও থাকে। এক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল (Hydration) থাকলে চেহারা এবং ত্বক যেমন উজ্জ্বল থাকে তেমনি আপনার অকাল বার্ধক্য আসেনা এবং সুস্থ জীবন পাওয়া যায়।

    যে কোনও রোগ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে জাক্তারবাবুরা প্রথমেই দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার (Hydration)পরামর্শ দেন। জল খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ হয় ও ক্লান্তি ভাব কাটে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, একজন সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের উচিত দৈনিক আট গ্লাস জল পান করা। তবে অনেকেই এই পরামর্শ মেনে চলেন না।

    শরীরে জলের ঘাটতি হলে যে লক্ষণগুলি দেখা দেয়

    ১) জল তেষ্টা পাওয়া। শরীরে জলের ঘাটতি হওয়ার এটাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ।

    ২) বিভিন্ন ওষুধ খেলে প্রস্রাবের রং হলুদ ও গাঢ় হলুদ হতে পারে। আবার জলের ঘাটতি থেকেও প্রস্রাবের রং বদলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বারবার গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব হয়।

    ৩) জলের ঘাটতিতে প্রস্রাবের সময় খুব জ্বালা করতে পারে। এরকম দেখলে ২০ মিনিট পর পর এক গ্লাস করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     ৪) স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিহাইড্রেশনের সঙ্গে মাথা যন্ত্রণার সরাসরি যোগ আছে। শরীরে কয়েক শতাংশ জলে ঘাটতি হলেই মাথা যন্ত্রণা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ৫) শরীরে জলের ঘাটতি হলেই রক্তচাপ কমতে শুরু করে। মস্তিষ্কেও কম পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছায়।

    ৬) চিকিৎসকদের মতে শরীর পর্যাপ্ত জল না থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। মানব মস্তিষ্কের ৭০ শতাংশই জলে পরিপূর্ণ।

    ৭) শরীরে জলের ঘাটতি হলে জিভ শুকিয়ে যায়। সঙ্গে লালারসের উত্‍পাদন কমে যায়।

    ৮) শরীরে জলের ঘাটতি হলে অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। পাশাপাশি শ্বাসকষ্টও হতে পারে!

    জল থেকেই তো জীবনের উৎপত্তি, জলের অপর নাম তাই জীবন। নীরোগ থাকতে, নিজেকে তরতাজা রাখতে বেশি বেশি জল পান করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share