Tag: IAS officer

IAS officer

  • Success Story: লন্ডনের চাকরি ছেড়ে আইএএস হন দিব্যা, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে গ্রামে করেন জলের ব্যবস্থা

    Success Story: লন্ডনের চাকরি ছেড়ে আইএএস হন দিব্যা, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে গ্রামে করেন জলের ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসি, ক্যাট, জয়েন্ট এন্ট্রাস দেশের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয় (Success Story)। এই পরীক্ষাগুলির মধ্যে যেকোনও একটিতেও পাশ করা যে কোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে বড় সাফল্য মনে করা হয়। আমাদের প্রতিবেদনে এমন একজন আইএএস আধিকারিক (IAS Divya Mittal) সম্পর্কে জানব যিনি এই তিনটি কঠিন পরীক্ষাতেই পাশ করেছেন। হরিয়ানার দিব্যা মিত্তাল। প্রথমে জয়েন্ট এন্ট্রাস, তারপর ক্যাট এবং অবশেষে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। কাজে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের জেলা শাসক হিসেবে। এখানকার হালিয়া ব্লকের লাহুরিয়াদহ গ্রামে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও জল ছিল না। আইএএস আধিকারিক হিসেবে দিব্যা মিত্তাল ওই গ্রামে প্রথম জলের ব্যবস্থা করেন। তাঁর এই কাজের জন্য সকলেই দিব্যাকে কুর্নিশ জানান।

    দিব্যা মিত্তাল হরিয়ানার রেওয়ারির বাসিন্দা (Success Story)

    জানা যায়, দিব্যা মিত্তাল হরিয়ানার রেওয়ারির বাসিন্দা (Success Story)। তিনি কোনওরকম কোচিং ছাড়াই প্রথম প্রচেষ্টাতেই ইউপিএসসি-র CSSE পরীক্ষায় পাশ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রথমে তিনি আইপিএস অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু পরে মনস্থির করেন আইএস অফিসার হবেন। তাই আবার দেন ইউপিএসসি। র‌্যাঙ্ক আসে ৬৮। নির্বাচিত হন আইএএস আধিকারিক হিসেবে।

    লন্ডনে চাকরি ছেড়ে ভারতে ফিরে আসেন

    দিব্যা মিত্তালের যাত্রা শুরু হয়েছিল দিল্লি আইআইটি থেকে। বিটেক ডিগ্রি নেওয়ার পরে তিনি ক্যাট পরীক্ষা দেন (Success Story)। এরপরে আইআইএম বেঙ্গালুরু থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপরে লন্ডনের একবড় কোম্পানিতে কাজে যোগ দেন। তবে, দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনে। শুরু করেন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে,তাঁর স্বামী গগনদীপ সিংও একজন আইএএস অফিসার।

    পড়ুয়াদের কী টিপস দিলেন দিব্যা?

    ইউপিএসসির পরীক্ষার্থীদের প্রতি দিব্যার টিপস, মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকতেই হবে। তিনি বলেন যে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি যাঁরা নিচ্ছেন, তাঁদের অবশ্যই নিজেদের লক্ষ্যের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। মুসৌরির এলবিএসএনএএ-তে, সিভিল সার্ভিস অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেখানেই অসাধারণ পারফরম্যান্সের (Success Story) অশোক বাম্বাওয়ালে পুরস্কার পান দিব্যা মিত্তাল।

  • Success Story: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    Success Story: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম্ভব প্রতিভাবান, অদম্য জেদ ও দুর্দম সাহসের নাম রোমান সাইনি। মাত্র ২২ বছর বয়সে দেশের অন্যতম কঠিন আইএএস অফিসারের চাকরি পেয়েও হেলায় সেই চাকরি ছেড়ে যিনি গড়ে তুলতে শুরু করেন নিজের কোম্পানি। তার আগে অবশ্য ১৬ বছর বয়সেই ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষায় (Medical Entrance Exam) পাশ করেছিলেন। কিন্তু মন বসেনি ছুড়ি-কাঁচিতে। হয়েছিলেন আইএএস (IAS)। মধ্যপ্রদেশের এক জেলায় জেলাশাসক হিসাবে কাজেও যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু, সেই কাজও ছেড়ে দিয়ে এখন তিনি ২৬ হাজার কোটির কোম্পানির মালিক।

    কে এই রোমান সাইনি

    রোমান সাইনির বাবা ছিলেন রাজস্থানের একজন ইঞ্জিনিয়ার আর মা ছিলেন গৃহকর্ত্রী। তাঁর দিদি আয়ুষি সাইনি মেডিকেলের ছাত্রী। দাদা আবেশ সাইনি একজন প্রতিষ্ঠিত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। রোমানও (Roman Saini) মাত্র ১৬ বছর বয়সে এআইআইএমএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। শুরু হয় এমবিবিএস পড়া। ডাক্তারি পাশ করে মাত্র ছয় মাসের জন্য ন্যাশনাল ড্রাগ ডিপেন্ডেন্স ট্রিটমেন্ট সেন্টারে চিকিৎসা করেছিলেন রোমান সাইনি। কিন্তু তার ডাক্তারি জীবন সেখানেই শেষ। ডাক্তারি নয়, মন আটকায় সিভিল সার্ভিসে (Civil Service)। মাত্র ২২ বছর বয়সেই দেশের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা ইউপিএসসি উত্তীর্ণ হয়ে সফল আইএএস হন রোমান (Roman Saini)। মধ্যপ্রদেশের একজন ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিসেবে বেশ কিছুদিন চাকরি করেন তিনি। কিন্তু সেই চাকরিও বেশিদিন করেননি রোমান। 

    চাকরি নয়, নিজের কোম্পানি

    নিজের উদ্যোগে কিছু করব। এই ভাবনাই তাঁর মধ্যে ছোট থেকে কাজ করত। সেই ভাবনা থেকেই বড় সরকারি চাকরি ছেড়ে বন্ধু গৌরব মুঞ্জল ও হেমেশ সিংকে নিয়ে তৈরি করে ফেলেছিলেন এক এডু-টেক সংস্থা। বর্তমানে সেই সংস্থার নাম গোটা দেশজুড়ে। শিক্ষার দুনিয়ায় খুলে গিয়েছে এক নবদিগন্ত। কালেক্টরের চাকরি ছেড়ে বন্ধু গৌরব মুঞ্জলের সঙ্গে একত্রে একটি ওয়েবসাইট চালানোর কাজ শুরু করেন যার নাম দেন ‘আন অ্যাকাডেমি’ (Unacademy)। এখানে দেশের সমস্ত ইউপিএসসি উৎসাহী পরীক্ষার্থীদের পড়ানো হত। বেঙ্গালুরুতে শুরু হয় এই ব্যবসায়িক এড-টেক কোম্পানি। লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে কোচিং নেওয়ার বদলে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে উৎসাহীদের পড়িয়ে তাদের ইউপিএসসির পথে এগিয়ে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল গৌরব এবং রোমানের।

    আরও পড়ুন: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    এখন কোথায় রোমানের কোম্পানি

    এখন রোমানের সংস্থা কত পড়ুয়ার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশ করার স্বপ্নপূরণ করছে। অনলাইন পড়াশোনার দুনিয়াতেও খুলে গিয়েছে নতুন পথ। মেধাকে সঙ্গী করে অল্প খরচে অনেকেই হচ্ছেন আইএএস, আইপিএস। সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলেও হু হু করে বেড়েছে সাবস্ক্রাইবার। অনলাইনে চলছে ইউপিএসসি-র কোচিং।  বর্তমানে প্রায় ১৮০০০ এর বেশি শিক্ষক এই সংস্থার হাত ধরে কোচিং দিয়ে যাচ্ছেন। বিগত ৫ বছরে সংস্থার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সর্বত্র। বর্তমানে এই সংস্থার মোট বাজার মূল্য প্রায় ২৬০০০ কোটির বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ছত্তিসগড়ে ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি! অবৈধ মদ ব্যবসায় ‘কিংপিন’ এক আইএএস অফিসার, দাবি ইডির

    Chhattisgarh: ছত্তিসগড়ে ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি! অবৈধ মদ ব্যবসায় ‘কিংপিন’ এক আইএএস অফিসার, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তত ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ছত্তিসগড়ে মদ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে এমনই দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বেআইনি মদ ব্যবসার (Illegal Liquor business) ‘কিংপিন’ হলেন ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) এক আইএএস অফিসার। শুধু তাই নয়, বেআইনি মদ ব্যবসার টাকা নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এর সঙ্গে যুক্ত।

    অভিযুক্ত আইএএস অফিসার

    ইডি সূত্রে খবর, ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) অবৈধ মদ ব্যবসায় অভিযুক্ত ‘কিংপিন’ হিসাবে নাম উঠে এসেছে আইএএস অফিসার অনিল তুজেতার। গোটা ঘটনার মূলচক্রী হিসাবে উঠে এসেছে এক কংগ্রেস (Congress) নেতার ভাই আনোয়ার ধেবারের নাম। ইডি-র তদন্তে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রাজ্যে মোট মদ বিক্রির প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ হিসাববহির্ভূত অবৈধ মদ হিসাবে বিক্রি হয়েছে। সরকারি তালিকাভুক্ত মদ বিক্রি হলেও তার আয় সরকারি কোষাগারে জমা পড়েনি বলেই ইডির তদন্তে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে এই তিন বছরে। মূলত নির্বাচনের কাজেই ব্যবহার হয়েছে এই বিপুল অর্থ।

    আরও পড়ুুন: খেজুরির ৬১ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, দিতে হবে নিরাপত্তাও

    ইডি জানিয়েছে, সরকারি আধিকারিক, সাধারণ ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বদের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট দ্বারা ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) মদ ব্যবসার বিশাল দুর্নীতি হয়েছে এবং ২ হাজার কোটির বেশি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ছত্তিসগড়ের এই মদ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আনোয়ার ধেবার রায়পুরের মেয়র তথা কংগ্রেস নেতা আইজাজ ধেবারের দাদা। এই দুর্নীতির অভিযুক্ত ‘কিংপিন’ অনিল তুজেতা ২০০৩ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি, কংগ্রেস নেতার ভাইয়ের সঙ্গে ১৪.৪১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে অভিযুক্ত আইএএস অফিসারের। বর্তমানে তিনি রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের যুগ্ম সচিব। শনিবারই আনোয়ার ধেবারকে গ্রেফতার করেছে ইডি। অর্থ তছরুপ আইনের ধারায় তাঁকে ৪ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকাকে (National Flag) ‘ঢাল’ করে প্রশাসনের লাঠির ঘা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা করছেন বিক্ষোভকারী এক হবু শিক্ষক (Teacher)। তবে তাতেও রেহাই মেলেনি। কালো শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরা ওই প্রতিবাদীর মাথায় এসে পড়ছে একের পর এক লাঠির ঘা। বিহারের (Bihar) রাস্তায় চাকরির দাবিতে জড়ো হওয়া বিক্ষোভরত এক হবু শিক্ষকের এহেন করুণ পরিণতিতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযোগের তির পাটনার (Patna) যে অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM), সেই কেকে সিংহের (KK singh) বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে পাটনার ডাকবাংলো মোড়ে জড়ো হয়েছেন শয়ে শয়ে সিটেট (CTET) এবং বিটেট (BTET) পাশ চাকরি প্রার্থীরা। সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে পথে নেমেছেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন জন অধিকার পার্টির সদস্যরাও। ডাকবাংলো মোড় থেকে রাজভবন পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করতেই মাঠে নেমে পড়ে প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালায় পুলিশ। সেই সময় কেকে সিংহকে দেখা যায় রণংদেহি মূর্তিতে। তাঁর লাঠির ঘা থেকে বাঁচতে জাতীয় পতাকাকে ঢাল করেছিলেন এক প্রতিবাদী। তার পরেও প্রহৃত হয়েছেন ওই হবু শিক্ষক। তাঁকে মাটিতে ফেলে হিড় হিড় করে টেনেও নিয়ে যান ওই এডিএম।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    ভিডিও ভাইরাল হতেই নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)-তেজস্বী যাদব সরকারের তীব্র নিন্দা করেছে বিহার বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, এই সরকার কি অন্ধ যে তেরঙ্গার ওপর লাঠি চালাচ্ছে? এই সরকার কি বধির যে যারা কার্তুজ চালায়, তাদের হাতে কলম দিচ্ছে? কারওর কারওর জন্য এটা শখের বিষয় হতে পারে, মজার বিষয় হতে পারে, কিন্তু জন সাধারণের জন্য এটা অসহায়তা।

    ঘটনার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পাটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিংহ। ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী আরজেডি (RJD) নেতা তেজস্বী যাদবও (Tejaswi Yadav)। সম্প্রতি ১০ লক্ষ বেকারের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। কোটার পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ লক্ষ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও। তার পরে পরেই চাকরি প্রার্থীদের ওপর এই নির্মম প্রহারের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই স্তম্ভিত শিক্ষামহল।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

  • IAS Officer: মাধ্যমিকে টেনেটুনে পাশ, সেই ছেলেই এখন আইএএস অফিসার!

    IAS Officer: মাধ্যমিকে টেনেটুনে পাশ, সেই ছেলেই এখন আইএএস অফিসার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা সাধারণত ছাত্রছাত্রীদের মার্কশিট দেখেই তারা জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারবে কিনা তা নিয়ে মতামত দিয়ে থাকি। কিন্তু মার্কশিট যে জীবনে উত্তরণের ক্ষেত্রে সবকিছু নয়,  সেটি অনেকে মনে করতেই চায়না। তাই জীবনের সাফল্যের পথে রেজাল্টের ভুমিকা যে ঠিক কতখানি তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক চলতেই থাকে। কিন্তু আবার অনেকেই মনে করেন কোন ছাত্রের মার্কশিট তার জীবনের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নির্ধারণ করতে পারে না। আর এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা ভারতবর্ষের মানুষ।

    নম্বর বেশি না পেয়েও যে জীবনে সাফল্য অর্জন করা যায় সেই অনুপ্রেরণাই দিয়েছেন ভারতের এই তরুণ আইএএস অফিসার। এই তরুণ আইএএস অফিসারের নাম অবনিশ শরণ (Awanish Sharan)। তিনি সম্প্রতি তার ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে তাঁর দশম শ্রেণীর মার্কশিট শেয়ার করেছেন। আর শেয়ার করতেই ব্যাপকভাবে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। এই রেজাল্ট শেয়ার করার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    তিনি ২০০৯ ব্যাচের IAS। ছত্তিশগড় ক্যাডারের অফিসার তিনি। ১৯৯৬ সালে তিনি দশম শ্রেণিতে পাশ করেছিলেন। বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ডের (Bihar School Examination Board) পরীক্ষার সেই রেজাল্ট শেয়ার করেছেন তিনি। টেনেটুনে পাশ করেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে ৭০০র মধ্যে ৩১৪ পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ তিনি সেই সময় ৪৪.৮৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। তিনি দশম শ্রেণিতে অঙ্কে পেয়েছিলেন ১০০তে ৩১, ইতিহাসে পঞ্চাশে ২৪, ভূগোলে ৫০এর মধ্যে পেয়েছিলেন ১৯, ইংরাজিতে ৩৫, এবং বিজ্ঞানে ৩৮। কিন্তু সেই ছাত্রই এখন আইএএস।  এই রেজাল্ট ট্যুইটারে শেয়ার করার পরেই কিছুসময়ের মধ্যেই ৩১ হাজারের বেশি লাইক এসেছে।

    নেটিজেনদের কেউ বলেছেন, “স্যার আপনি বিশ্বাস করবেন না যে আপনি আমাকে কতটা অনুপ্রাণিত করেছেন, কাকতালীয়ভাবে, আমিও আমার দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় ৩১৪ পেয়ে এবং ৩য় বিভাগে পাশ করি কিন্তু আমি এই ভেবে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি হয়ত জীবনে সেভাবে কিছুই করতে পারব না, আজ আপনি আমার ধারণা বদলে দিলেন”। অন্য একজন লিখেছেন, “এটি সেই সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি দুর্দান্ত অনুপ্রেরণা যারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে”।

    এর আগেও একজন অন্য আইএএস অফিসার তুষার সুমেরার (Tushar Sumera) মার্কশিট শেয়ার করে অবনিশ শরণ লিখেছিলেন, ইংরাজিতে ৩৫, অঙ্কে ৩৬ ও বিজ্ঞানে ৩৮ পেয়েছিলেন তিনি। সবাই বলতেন তিনি জীবনে কিছুই করতে পারবেন না, কিন্তু তিনিই আজ আইএএস অফিসার।

  • UPSC 2021: লক্ষ্যে অবিচল! মা ঝাড়ুদার, বাবা দিনমজুর, ছেলে আইএএস অফিসার!

    UPSC 2021: লক্ষ্যে অবিচল! মা ঝাড়ুদার, বাবা দিনমজুর, ছেলে আইএএস অফিসার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাগ্রতা আর কঠোর পরিশ্রম। সাফল্য পেতে এর কোনও বিকল্প নেই। সাফল্যের শীর্ষস্তরে পৌঁছতে নেই কোনও শর্টকার্ট। উচ্চ আশা, লক্ষ্য স্থির থাকলে সাফল্য আসতে বাধ্য। প্রতিযোগিতা যেখানে চরম, সেখানে সফল হতে পরিশ্রমই শেষ কথা। আর লাগে মনের জোর। আবারও তা প্রমাণ করলেন তেলঙ্গানার ২৯ বছরের ছেলে আকুনুরি নরেশ (Akunuri Naresh)। মা, কারখানায় জমাদারের কাজ করেন, বাবা দিনমজুরের আর ছেলে হতে চলেছেন আইএএস অফিসার। 

    আরও পড়ুন: ইউপিএসসি মেধাতালিকায় দ্বিতীয় বাংলার মেয়ে, সাফল্য কলকাতারও

    তেলঙ্গানার কাশিমপল্লী গ্রামে (Kashimpally village) জন্ম। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত গ্রামের সরকারি স্কুলেই পড়াশোনা করেছে। আর্থিক অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। বাবা আইলাহ দিনমজুরের কাজ করেন, মা স্থানীয় কারখানায় জমাদারের কাজ করতেন। ছোট থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল নরেশের। লেখাপড়া চলত হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যেই। কষ্ট করেই স্কুলের গণ্ডি পার করে সে। দ্বাদশ শ্রেণির ফল ভাল হওয়ায় স্কলারশিপ নিয়ে মাদ্রাজ আইআইটিতে ভর্তি হয়। আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৫ সালে সেখান থেকে আইআইটি পাশ করেন। 

    এরপর চেন্নাইয়ের সিটি ব্যাঙ্কে উচ্চপদস্থ পদে চাকরি পান নরেশ। নিজের উপার্জনের টাকা দিয়েই আইএএস পরীক্ষার কোচিং নেন। প্রথমবার ২০১৭ সালে আইএএস পরীক্ষায় বসেন। ২০১৯ সালে ৭৮২ নম্বরে ছিল তাঁর নাম। ২০২১ সালে পঞ্চমবার পরীক্ষা  (UPSC 2021) দিলেন। এবার ১১৭ নম্বরে জায়গা করে নিয়ে খুশি নরেশ। আইএএস (IAS) না হলেও আইপিএস (IPS) নিশ্চিত। সম্পূর্ণ হয় সাধারণ ছেলের অসাধারণ কাহিনি। 

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম তিনে তিন কন্যা

    নরেশ বলেন, “বাবা-মা কোনওদিন তাঁকে জোড় করেননি। পড়াশোনা করে যেতে বলেছেন। আর্থিক অনটন দূর করতে একটা চাকরির উপরেও ভরসা করতে বলেননি। তাই এই কৃতিত্ব তাঁদের।” বাবা-মায়ের সঙ্গেই পাশে পেয়েছেন স্ত্রীকেও জানান নরেশ। দাদা সুরেশ সরকারি দফতরে উচ্চপদে কর্মরত। কঠোর পরিশ্রম করে পড়াশোনা করছেন তিনিও। তাই দাদা ছিল নরেশের প্রেরণা। এবার গরিবদের জন্য, পিছিয়ে পড়া মানুষদের স্বার্থে কাজ করতে চান বলে জানান নরেশ। ছেলের সাফল্যে গর্বিত বাবা-মা। বাবা, আইলাহ বলেন, “ওর লড়াই সফল হল। আমরা খুশি।”

LinkedIn
Share