Tag: ICC Men’s T20 World Cup 2026

  • Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি (BNP) সরকার শপথ নিয়েছে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ইঙ্গিত দেন, আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ইস্যুতে (Bangladesh India Cricket) যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার পর ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে ঢাকা। আমিনুল জানান, তিনি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ নিরসনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ-সংকটের সময় দায়িত্বে থাকা বিসিবির কর্মকর্তাদের নির্বাচনের প্রক্রিয়াকেও তিনি সন্দেহজনক বলে কটাক্ষ করেন।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে অবনতি (Bangladesh India Cricket)

    মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সামগ্রিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে, যার প্রভাব পড়ে ক্রিকেট সম্পর্কেও। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ায় বিরোধের সূচনা হয়। ঢাকার দৃষ্টিতে এই সিদ্ধান্ত ছিল অন্যায্য। এরপর ইউনূস সরকারের সময় বাংলাদেশ ভারত মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত সফরে যেতে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলতে রাজি হবে না জেনে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে না বলে। শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে (BNP)। যদিও বাংলাদেশকে কোনও ক্রীড়া বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে আয়োজক হওয়ার সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় (Bangladesh India Cricket)।

    মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই

    এই প্রেক্ষাপটে আমিনুল বলেন, “আওয়ামি লিগ-ঘনিষ্ঠ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই আমি, যাতে প্রাক্তন দুই অধিনায়ক আবারও বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিরতে পারেন। দুই খেলোয়াড়ই আওয়ামি লিগের সাংসদ ছিলেন। ২০২৪ সালের অগাস্টে ইউনূস প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাকিব দেশে ফিরতে পারেননি এবং মাশরাফিকেও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে শেখ হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। নির্বাচনের পর ঢাকায় নতুন সরকার গঠনের পর প্রাক্তন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ ক্রিকেট সম্পর্ক মেরামতের পরিকল্পনা তুলে ধরেন (BNP)।

    ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    তিনি বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই এবং ক্রীড়া অঙ্গনের সমস্যাগুলি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আইসিসি বিধিমালা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি এও বলেন, “সংসদ ভবনে আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমিও বন্ধুত্বপূর্ণভাবে কথা বলেছি (Bangladesh India Cricket)। আমরা দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চাই, কারণ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। খেলাধুলা থেকে শুরু করে অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”

    কূটনৈতিক জটিলতা

    তিনি বলেন, “কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। বিষয়গুলি আগে আলোচনা করে সমাধান করা গেলে হয়তো আমাদের দল অংশ নিতে পারত।” যদিও আমিনুলের বক্তব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, বিসিবির তৎকালীন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। বিসিবির প্রধান এক্সিকিউটিভ নিজামউদ্দিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, বুলবুল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন, যেখানে তাঁর পরিবার বসবাস করে (BNP)। আমিনুল বলেন, “আমি আগেই বলেছি, ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন প্রশ্নবাণে জর্জরিত ছিল। আমরা বসে আলোচনা করব। সঠিক পথে এগোতে চাই। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়া হবে (Bangladesh India Cricket)।” ২০২৫ সালের মে মাসে ইউনূসের রাজত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে নির্বাচিত হন নয়া কর্মকর্তারা। বোর্ডের দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

    ভারতের মাটিতে খেলবে না

    তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের মাটিতে খেলবে না বলেই জানিয়ে দেয়। সেই সময় বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল। তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানান (Bangladesh India Cricket)। তবে পরে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ম্যাচটি খেলে এবং হেরে যায়। ইসলামাবাদ যখন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের কথা ঘোষণা করে, তখন আইসিসি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। লাহোরে আইসিসির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বৈঠকে অংশ নিতে বুলবুল রাত ১টার ফ্লাইটে লাহোরে যান (BNP)।

    বর্তমানে নতুন বিএনপি সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন এখন অগ্রাধিকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হলেও, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে ঢাকা আলোচনার পথেই এগোতে চায় বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (Bangladesh India Cricket)।

     

  • T20 World Cup 2026: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ মহারণ! ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা, এগিয়ে কারা?

    T20 World Cup 2026: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ মহারণ! ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা, এগিয়ে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) আজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় খেলা। ভারত এবং পাকিস্তান দুই দলই দুটি করে ম্যাচ জিতে একে অপরের মুখোমুখি হবে। সেখানে এই ম্যাচ জিতে দুই দলই পরের রাউন্ডে জায়গা করতে চাইবে। তবে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় ভারত পাকিস্তানের থেকে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। ফলে সেখান থেকে সূর্যকুমার যাদবরা যে ফের একবার সেই ধারা ধরে রাখতে চাইবেন সেটা বলাই বাহুল্য।

    ভারত-পাকিস্তান ‘হেড টু হেড’

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের স্পষ্ট আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত, এই মেগা টুর্নামেন্টে দুই দল মোট ৮বার মুখোমুখি হয়েছে। এই ৮টি ম্যাচের মধ্যে ভারত ৭টিতে জিতেছে। অপরদিকে পাকিস্তান মাত্র একবার জিতেছে। গত ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ১০ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে দেয়। সেটি ছাড়া বাকি সব ম্যাচেই ভারত জিতেছে। সামগ্রিকভাবে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও, ১৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত ১৩টিতে জিতেছে এবং পাকিস্তান মাত্র ৩টি ম্যাচ জিততে সক্ষম হয়েছে।

    কলম্বোয় পারফরম্যান্স

    কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে দীর্ঘদিন ধরেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসছে টিম ইন্ডিয়া। ২০০৯ সালের পর থেকে এই মাঠে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারত, যার মধ্যে জিতেছে ১১টি এবং হেরেছে মাত্র ৪টি। শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারতের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম বড় প্রমাণ এই পরিসংখ্যান। ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এই মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয় পায় তারা। শুধুমাত্র হারতে হয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আয়োজক শ্রীলঙ্কা ছাড়া কেবল অস্ট্রেলিয়াই প্রেমদাসায় ভারতকে হারাতে পেরেছে। কলম্বোর এই ঐতিহাসিক ভেন্যুতে ভারতের আধিপত্য কার্যত স্পষ্ট। এই মাঠে সাধারণত রান তাড়া করা দলগুলির সুবিধা বেশি। তবে, চলতি টুর্নামেন্টে পাকিস্তান সবকটি ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় খেলছে। তাই পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পেরেছে পাক বাহিনী।

    বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে ম্যাচ

    হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচের দিন প্রায় চার ঘণ্টা বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাত এবং ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। ফলে গোটা বিশ্ব যে লড়াই দেখার অপেক্ষায়, তা বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হয়েছে এক বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত। এর জরে উত্তাল হবে সমুদ্র। বইতে পারে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া। আন্দামান এবং শ্রীলঙ্কা উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস। ফলে ভারত -পাক ম্যাচের আগে খেলা হওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা। তবে কিছু আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, খেলা শুরুর ঠিক আগের কয়েক ঘণ্টায় প্রবল বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে টস হতে দেরি হতে পারে অথবা ওভার কমিয়ে ছোটো ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ৮টার পর আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হওয়ার ইঙ্গিত থাকলেও,সারা রাত জুড়ে মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। প্রেমদাসা স্টেডিয়ামের একটি বড় সুবিধা হলো এর উন্নত জলনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অভিজ্ঞ মাঠকর্মী, যারা কলম্বোর এই ভারী বৃষ্টি সামলাতে অভ্যস্ত। বিশ্বের অনেক স্টেডিয়ামে শুধু পিচ ঢেকে রাখা হলেও, প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে পুরো খেলার মাঠ ঢেকে ফেলার মতো পর্যাপ্ত কভার বা ত্রিপল রয়েছে। এর ফলে বৃষ্টির জল সরাসরি আউটফিল্ডে পড়ে মাঠকে ভেজাতে বা কর্দমাক্ত করতে পারে না।

    হ্যান্ডশেক বিতর্ক

    ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যেখানে সূর্যকুমার যাদব অ্যান্ড কোং পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের জার্সি পরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার জানায়৷ সেই জঙ্গি হামলায় ২০ জনেরও বেশি বেসামরিক লোক, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক, নিহত হয়েছিল। সেই টুর্নামেন্টে ভারত তিনবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল, এবং তিনবারের- তিনবারই জিতেছিল৷ কিন্তু ভারতীয় খেলোয়াড়রা প্রতিবারই ম্যাচ চলাকালীন যে হ্যান্ডশেকের ট্র্যাডিশানাল পদ্ধতি তার থেকে বিরত ছিল৷ সেই ঘটনার পর চার মাস পেরিয়েছে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আবার কলম্বোতে মুখোমুখি হতে চলেছে, এবং ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর কী ঘটে তা দেখার বিষয়। আপাতত, সূর্যকুমার তার তাস লুকিয়ে রেখেছেন। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে করমর্দনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, ভারতীয় অধিনায়ক কেবল মিডিয়াকে “অপেক্ষা করুন এবং দেখুন” – এই উত্তরই দিয়েছেন৷

    মেগা সানডেতে ধুন্ধুমার

    মেগা সানডেতে ধুন্ধুমার। কলম্বোতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান (IND vs PAK)। আর প্রেমদাসায় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ২২ গজের মহারণ শুরু হওয়ার প্রহর গুনছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান মহারণকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। রবিবার কলম্বোতে ম্যাচের আগে বিজ্ঞাপনের দর হু হু করে বেড়েছে। ১০ সেকেন্ডের টিভি বিজ্ঞাপনের স্লটের দাম পৌঁছেছে ৩০–৪০ লাখ টাকায়, যেখানে অন্য বড় বিশ্বকাপ ম্যাচে একই স্লটের রেট থাকে ২০–২৫ লাখ। সম্প্রচারকারী জিওস্টার এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন রাজস্ব আয়ের আশা করছে। উল্লেখ্য বিষয় হল প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে কিন্তু ভারত বনাম পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দ্বৈরথ এই প্রথম নয়। এর আগে এই মাঠে দুই দল বিশ ওভারের ফর্ম্যাটে একবার মুখোমুখি হয়েছিল, তাও আবার বিশ্বকাপেই। ১৪ বছর আগে ২০১২ সালে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর সেই ম্যাচে ভারত হেসেখেলে জয় পেয়েছিল। এবারও সেই ধারা বজায় রাখতে চাইবে ভারত।

LinkedIn
Share