Tag: ICMR

ICMR

  • H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনার প্রকোপ কমতে না কমতে ফের এক মারণ ভাইরাসের (H3N2 Virus) হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কোভিডের পর নতুন আতঙ্কের নাম এইচ৩এন২। বিশেষ করে পুদুচেরিতে এই ভাইরাসের প্রকোপ সব থেকে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভিল্যান্স প্রোগ্রাম নেটওয়ার্কের’ মাধ্যমে। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, এই ভাইরাস অনেকটাই ক্ষতিকারক ও মানব শরীরে খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। সাধারণ জ্বর-কাশির মতো উপসর্গ থাকলেও তা আস্তে আস্তে মারণ রোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মানব শরীরকে।

    কী কী উপসর্গ রয়েছে এই H3N2 Influenza A Virus এ?

    এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের একটি সাবটাইপ। এমনটাই গবেষণার মাধ্যমে জানিয়েছে মেডিক্যাল সংস্থা আইসিএমআর। আরও জানানো হয়েছে, এই ভাইরাস (H3N2 Virus) ডিসেম্বর থেকেই প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। সাধারণত ঠান্ডার সময় থেকেই এই ভাইরাসের প্রকোপের হার বেড়েছে। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভাইরাসের লক্ষণগুলি হল জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট। আবার কিছু মানুষের মধ্যে নিউমোনিয়া, খিচুনি, ডায়ারিয়া ও বমি ভাব থাকছে। বৃদ্ধ এবং শিশুদের সব থেকে বেশি আক্রমণ করছে এই ভাইরাস। উপসর্গগুলি প্রায় এক বা দুই সপ্তাহ ধরে চলতে থাকছে। যদিও মৃত্যুর হার অনেকটাই কম। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ১০ই মার্চের যে হিসেব পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই ভাইরাসের আক্রমণে দেশে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এঁদের মধ্যে একজন হলেন কর্ণাটকের এবং অন্যজন হরিয়ানার। এখনও পর্যন্ত মোট ৩০৩৮ জন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তারমধ্যে ১২৪৫ জন জানুয়ারিতে, ১৩০৭ জন ফেব্রুয়ারিতে এবং ৪৮৬ জন মার্চে।

    এই ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কী?

    যেহেতু এটি করোনার মতোই ছোঁয়াচে একটি ভাইরাস (H3N2 Virus), তাই এই রোগের প্রতিরোধের একমাত্র উপায় ভ্যাকসিন নেওয়া। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। মুখে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যাদের জ্বর ও ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় লক্ষণ রয়েছে, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো। কোনও রকম সন্দেহজনক উপসর্গ দেখলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খাওয়াই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: মৃত্যুর হার করোনার থেকে বেশি! নিপা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর

    Nipah Virus: মৃত্যুর হার করোনার থেকে বেশি! নিপা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাস (Nipah Virus)। নিপার সংক্রমণে মৃত্যুর হার কোভিডের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সতর্কতা জারি করে এই বার্তা দিল কেন্দ্রীয় চিকিৎসা গবেষণা সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ’(ICMR)। আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) রাজীব বহল শুক্রবার জানিয়েছেন, নিপা ভাইরাসের আক্রান্তদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৪০-৭০ শতাংশ। অন্য দিকে কোভিডে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার নিপার তুলনায় অনেকটাই কম। মাত্র ২-৩ শতাংশ।

    আনা হচ্ছে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি

    কেরলে নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus) সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে। সে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ছ’জন নিপায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। কেরলের কোঝিকোড়, কান্নুড়, ওয়েনাড় এবং মলপ্পুরমে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিপা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা হচ্ছে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আরও অন্তত ২০টি ডোজ আনা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। এর আগে ২০১৮ সালে ওই অ্যান্টবডি আনা হয়েছিল। তার মধ্যে বর্তমানে যতটুকু আছে, তাতে ১০ জন রোগীর চিকিৎসা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, ভাইরাসে আক্রান্ত হলে একেবারে শুরুর দিকেই রোগীকে এই অ্যান্টিবডি দিয়ে চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তবেই ফল পাওয়া যায়। এখনও পর্যন্ত ভারতে কাউকে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজীব বাহল তথ্য তুলে ধরে বলেন, দেশের বাইরে ১৪ জন নিপা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীকে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন। তবে এই অ্যান্টিবডি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কেরল সরকার, ডাক্তার এবং রোগীদের পরিবারের উপর ছেড়ে দেওয়া হবে, বলেছেন রাজীব।

    আরও পড়ুন: “সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ না হলে ভারত-পাক ক্রিকেট নয়”! স্পষ্ট বার্তা অনুরাগ ঠাকুরের

    সতর্কতা বিভিন্ন রাজ্যে

    শুক্রবার কেরলের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। শুধু তাই-ই নয়, যাঁরা ওই সব রোগীদের সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ব্যক্তিদেরও চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে। তাঁদেরও একান্তবাসে পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। কেরলের পাশাপাশি কর্নাটক এবং রাজস্থানেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজস্থান সরকার বৃহস্পতিবার নিপা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে। একই সঙ্গে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্নাটকেও নিপা ঠেকাতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওষুধের দোকানে সহজে মিলছে না ওষুধ। অনলাইনে ওষুধ কিনতে গেলে ভেসে উঠছে, “সোল্ড আউট” লেখা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী এখন ঘরে ঘরে। দেশ জুড়ে বাড়ছে ভাইরাল ফ্লু-তে (Viral Flu) আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর (fever) সারলেও থেকেই যাচ্ছে কাশি, গলা খুসখুস। হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে H3N2 সংক্রমণ নিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১৩ দিন পরে রবিবার সারা দেশে একদিনে ৫২৪ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর আগে ২০২২-এর ১৮ নভেম্বর সারা দেশে ৫০০ জন সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। রবিবারের সংখ্যা ধরে এই মুহূর্তে সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬১৮ জন। 

    বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

    কেরলে করোনার সংক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।  এই সংখ্যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ৫,৩০, ৭৮১। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত সাত দিনে সংক্রমণের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়েছে। গত সাত দিনে নতুন করে ২৬৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগেকার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও স্বস্তির কথা এটাই যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা বৃদ্ধি পায়নি। সুস্থ হওয়ার হার ৯৮.৮০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    চিন্তা বাড়াচ্ছে H3N2 ভাইরাস

    কোভিডের থেকে এই মুহূর্তে সারা দেশে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে H3N2 ভাইরাসের সংক্রমণের ঘটনা। সাধারণভাবে H3N2 ভাইরাসে কেউ সংক্রমিত হলে, তাঁর দুর্বলতা ও ক্লান্তি থেকে সেরে উঠতে সময় লেগে যায় প্রায় ২ সপ্তাহের মতো। এই ভাইরাসের আক্রমণে কাশি, নাক থেকে জল পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলাব্যথা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ লক্ষ করা যায়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া, বমি, সারা শরীরে যন্ত্রণাও লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য উপসর্গ কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি সময় লাগছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার অতি সাধারণ উপরূপ এইচ৩এন২-এর আক্রমণে শিশুদের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ছে। দিন দিন হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adeno Virus: ভয় ধরাচ্ছে নাইসেডের সমীক্ষা! অ্যাডিনো সংক্রমণে শীর্ষে বাংলা

    Adeno Virus: ভয় ধরাচ্ছে নাইসেডের সমীক্ষা! অ্যাডিনো সংক্রমণে শীর্ষে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিএমআর নাইসেডের সমীক্ষা ভয় ধরাচ্ছে বাংলায়। ওই সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, অ্যাডিনোর (Adeno Virus) প্রকোপে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ। প্রতিদিনই জ্বর-শ্বাসকষ্টে রাজ্যে শিশু মৃত্যুর খবর মিলেছে। এই সব শিশুর মৃত্যুর ক্ষেত্রে অ্যাডিনো ভাইরাসই দায়ী কিনা তা স্পষ্ট নয়। রাজ্যের তরফে দেওয়া রিপোর্টেও অ্যাডিনোয় আক্রান্ত মৃ্ত্যুর সংখ্যা কম। বরং কোমর্ডিবিটি ও রেফার জনিত সমস্যায় অধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে, আইসিএমআর নাইসেডের সমীক্ষা বলছে রাজ্যে অ্যাডিনো (Adeno Virus) আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ভয়াবহ। এমনকী গোটা দেশের মধ্যে প্রথম বলেও দাবি করা হয়েছে। বাংলায় অ্যাডিনোর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে ধারে কাছে নেই বাকি রাজ্যগুলি।

    সংক্রমণ জানুয়ারি থেকেই

    নাইসেডের সমীক্ষা অনুযায়ী, জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত, একমাত্র বাংলাতেই ৩৮ শতাংশ আক্রান্ত অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adeno Virus)। কেরল তারপরে। সাধারণত, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ঘটায় এই ভাইরাস। শিশু মৃত্যুর পিছনে কোন ভাইরাস তা জানতে সারা দেশ জুড়ে আইসিএমআর-এর ভাইরাল রিসার্চ ডায়গনেস্টিক ল্যাবরেটরিগুলিতে একটি সমীক্ষা করা হয়। তাতেই উঠে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরিসংখ্যান বলছে, অ্যাডিনোর কবলে প্রথম পাঁচ রাজ্যের মধ্যে প্রথমেই বাংলা। অ্যাডিনো (Adeno Virus) আক্রান্ত ৩৮ শতাংশ। তামিলনাড়ু ১৯ শতাংশ। কেরল ১৩ শতাংশ। দিল্লি ১১ শতাংশ। মহারাষ্ট্র ৫ শতাংশ। কেন্দ্রের সমীক্ষার জেরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য ভবন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু না থাকলেও, ভয় ধরাচ্ছে সমীক্ষা।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, টেনে হিঁচড়ে বিজেপি কর্মীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার,  বিসি রায় হাসপাতালে আরও ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে, শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ১৩৬। অ্যাডিনো আতঙ্কে (Adeno Virus) কার্যত কাঁটা শিশুর অভিভাবকরা। অ্যাডিনো-আতঙ্কের আবহে দিনকয়েক আগে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে হাসপাতালগুলিকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তারপরও সরকারি হাসপাতালের অবস্থা এতটুকুও পাল্টায়নি বলে অভিযোগ উঠছে। প্রতিদিন সামনে আসছে শিশু মৃত্যুর খবর। তার সঙ্গেই অভিযোগ উঠছে পরিষেবা নিয়েও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ICMR: আইসিএমআর-এর সাইটে ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার বার হ্যাকিংয়ের চেষ্টা! কিন্তু ব্যর্থ হ্যাকাররা

    ICMR: আইসিএমআর-এর সাইটে ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার বার হ্যাকিংয়ের চেষ্টা! কিন্তু ব্যর্থ হ্যাকাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি এইমস-এর পর এবারে হ্যাকিং-এর চেষ্টা আইসিএমআর-এও (ICMR)। তবে শেষপর্যন্ত সফল হয়নি হ্যাকাররা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, একদিনে ৬ হাজার বার আইসিএমআর-এর ওয়েবসাইট হ্যাক করতে চাইলেও ব্যর্থ হয় হ্যাকাররা। গত ৩০ নভেম্বর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৬ হাজার বারের বেশি আইসিএমআর-এর সাইটে হানা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল হ্যাকাররা। কিন্তু সাইট হ্যাক করতে কালঘাম ছুটল তাদের।

    আইসিএমআর-এর ওয়াবসাইটে হ্যাকারদের হানা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-এর (ICMR) সাইট এতবার হ্যাক করার চেষ্টা করা হলেও হ্যাকাররা ব্যর্থ হয়। কারণ ওয়েবসাইটের সমস্ত তথ্য নিরাপদে রয়েছে। এই ওয়েবসাইটের তথ্য পর্যবেক্ষণে রাখে NIC Data Center। এইসব ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য যে ফায়ারওয়াল দেওয়া হয় সেটাও নিয়মিত ভাবে আপডেট করে ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার। সুতরাং, ওয়েবসাইটের ফায়ারওয়াল ছিল আপডেটেড। এ ছাড়াও সমস্ত নিরাপত্তাজনিত ব্যবস্থাও যথাযথ ভাবে মেনে চলা হয়েছিল। তাই হ্যাকারদের হাজার প্রচেষ্টা বিফলে যায়। ফলে স্বস্তির খবর এটিই যে এতবার হ্যাকাররা তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার পরেও সবকিছু রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এইমস সাইবার হানা, ৩ কোটি মানুষের তথ্য এখনও বিপদে, ২০০ কোটির দাবি হ্যাকারদের

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের এক কর্তা জানিয়েছেন, হংকংয়ের একটি কালো তালিকাভুক্ত আইপি ঠিকানা থেকে ওই সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। আপাতত আইসিএমআর-এর ওয়েবসাইটের সুরক্ষা আরও বাড়ানোর কাজ চলছে।

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই দিল্লি এইমস-এর ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল। খোয়াতে হয়েছিল প্রচুর তথ্য। ব্যাপক প্রভাব পড়ে পরিষেবায়। পরিস্থিতি এমন হয় যে, টানা ১০ দিন সার্ভার বন্ধ রেখে ম্যানুয়ালি কাজ করা হয়। ফলে এইমসের সার্ভারে বেশ বড়সড় হ্যাকার হানা হয়েছিল। আবার গত ৪ ডিসেম্বর, দিল্লির এইমসের মূল ভবনের উল্টো দিকের সফদরজং হাসপাতালের সার্ভারও হ্যাক করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঠিক করে নেওয়া হয়।

    তবে যাইহোক, আইসিএমআর-এর (ICMR) ওয়েবসাইট এতটাই সুরক্ষিত যে, হ্যাকাররা ৬ হাজার বারের বেশি চেষ্টা করলেও তা বিফলে যায়। কোনও তথ্যই হাতিয়ে নিতে পারেনি হ্যাকাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Diabetes: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    Diabetes: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়াবেটিস (Diabetes) হলে ভাত-রুটি খাওয়া ছেড়ে দেন অনেকেই। কারণ তারা মনে করেন, কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate) খেলে রক্তে শর্করার (Blood Sugar) পরিমাণ বেড়ে যাবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমনটি ভাবা মোটেও ঠিক নয়। কারণ কর্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবারের মধ্যেও ভালোমন্দ রয়েছে। যদি আপনি ভালো খাবারটি বেছে নেন, তবে আপনি উপকারী হবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কম কার্বস-যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এ ছাড়াও দিনে কতটুকু কার্বস গ্রহণ করবেন, তা নির্ভর করবে আপনার ডায়াবেটিস ওঠা-নামার উপর। ডায়াবিটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ডায়েটে অনেক কিছুই করতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য বিপজ্জনক। আপনি যদি এই জিনিসগুলি থেকে বিরত থাকেন তাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন খুব সহজেই।

    আরও পড়ুন: চিনির বিকল্প চিনির থেকেও হতে পারে বেশি ক্ষতিকারক! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    আইসিএমআর (ICMR) থেকে বলা হয়েছে যদি কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাট ডায়েটে রাখা হয় তবে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রেণে সহজেই রাখা যায়। কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ৪৯ শতাংশ থেকে ৫৪ শতাংশে নামিয়ে আনা যায় এবং প্রোটিন ১৯ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে বৃদ্ধি পায় এবং ফ্যাট ২১ শতাংশ থেকে ২৬ শতাংশের কাছাকাছি রাখা যায়, তবে সহজেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযুক্ত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ৫৪ শতাংশ থেকে ৫৭ শতাংশ, প্রোটিন ১৬ শতাংশ থেকে ২০শতাংশ এবং ফ্যাট ২০ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশ।  

    আরও পড়ুন: ব্লাড সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে, খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন এই চারটি খাবার 

    রক্তে শর্করার মাত্রা যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে তাহলে শরীরে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ডায়েটে সব ধরণের খাবার খাওয়া উচিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের পৃথকীকরণে সফল ভারত, জানাল এইআইভি 

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের পৃথকীকরণে সফল ভারত, জানাল এইআইভি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নিরিখে আরও এক ধাপ অগ্রসর হল ভারত। ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের নমুনা থেকে মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের পৃথককীকরণ (Isolation) সম্ভব হয়েছে। বুধবার এমনটাই জানাল পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (National Institute of Virology)। এখন দেশে মাঙ্কি পক্স নিয়ে গবেষণার অনুমতি না থাকলেও, ভবিষ্যতে গবেষণার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।   

    আরও পড়ুন: দেশে চতুর্থ মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ, এবার দিল্লিতে

    এই মুহূর্তে স্মল পক্সের টিকা দিয়েই মাঙ্কি পক্সের চিকিৎসা করা হচ্ছে। আর স্মল পক্সের টিকা তৈরির লাইসেন্স একমাত্র দানিশ কোম্পানির কাছেই রয়েছে। আর যে ভাইরাস থেকে মাঙ্কি পক্সের উৎপত্তি, সেই ভাইরোলা ভাইরাসের নমুনা সংরক্ষিত রয়েছে আটলান্টার ডিসিজ কন্ট্রোল ল্যাব এবং রাশিয়ার ভেক্টর ইনস্টিটিউটে। 

    এনআইভি-র গবেষক প্রজ্ঞা যাদব এবিষয়ে বলেন, “ভাইরাসের এই পৃথকীকরণের ফলে ভবিষ্যতে গবেষণা, টেস্টিং কিট তৈরি এবং টিকা তৈরিতে সুবিধা হবে। এভাবেই স্মল পক্সের টিকা তৈরি করা হয়েছিল। আর তার ফলে বহু মানুষের উপকার হয়েছে।”  

    আরও পড়ুন: শারীরিক সম্পর্কে ছড়াতে পারে মাঙ্কি পক্স? জানুন

    তিনি আরও বলেন, ভাইরাসটির পৃথকীকরণে গবেষণার ক্ষেত্রে বিস্তর উপকার হবে। কী করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে তাও অনেকটা বোঝা যাবে। 

    এক আক্রান্তের ত্বকের নিচে থাকা লেজিয়নের ফ্লুইড ব্যবহার করে ভাইরাসটিকে আলাদা করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, এই পৃথকীকরণের কাজটি অত্যন্ত জটিল। এতে গবেষকদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা প্রবল। তাই কাজটি অত্যন্ত সাবধানে এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে করতে হয়। 

    ইতিমধ্যেই আইসিএমআরের (ICMR) অধীনস্থ এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ফার্মা সংস্থা, টিকা নির্মাতা সংস্থা, গবেষণা সংস্থাগুলির থেকে এই বিষয়ে ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’ চেয়েছে। এমনকি ডায়গনস্টিক কিট নির্মাতাদের কাছেও ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’ চাওয়া হয়েছে। 

    গত ৭ মে যুক্তরাষ্ট্রে মাঙ্কি পক্সের (Monkey Pox) প্রথম কেসটি সামনে আসার পর থেকে দ্রুত ছড়িয়েছে এই রোগ। এই মুহূর্তে গোটা পৃথিবীতে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার। ইতিমধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ জন।  

  • Monkeypox Scare: ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    Monkeypox Scare: ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) এখনও দূর হয়নি। তার মধ্যেই নয়া দোসর মাঙ্কিপক্স (Monkey Pox)। বিশ্বের নানা প্রান্তে এই নতুন ভাইরাসে আক্রান্ত বহু মানুষ। ভারতে (India) এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাস হানা না দিলেও পর্তুগাল, স্পেন, ইউরোপ ও আমেরিকার মতো কয়েকটি দেশে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মিলেছে। উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) বা হু। কী ভাবে এই নয়া ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব কিংবা কী পদ্ধতিতে এর মোকাবিলা করা যায়, এই নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে হু (WHO)। সতর্ক দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকও (Union Health Ministry)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া নিয়ে আইসিএমআর (ICMR) কে সচেতন থাকতে বলেন। চিকিৎসক ও গবেষকদের নয়া ভাইরাস নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কথাও জানান। বিমানবন্দর ও বন্দর এলাকাগুলিতে আক্রান্ত দেশগুলি থেকে আসা ব্যক্তিদের উপরেও নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    মাঙ্কিপক্স কী?
    এটি একটি বায়ুবাহিত ভাইরাস।  এই ভাইরাসের জেরে যে রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, তাকেই মাঙ্কিপক্স বলা হচ্ছে। ১৯৫৮ সালে প্রথম মাঙ্কিপক্স পাওয়া গিয়েছিল। মূলত ইঁদুর থেকেই এই ভাইরাস ছড়ায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছিল। তবে মূল চিন্তার বিষয় একজন আক্রান্তের থেকে মাঙ্কিপক্স অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    সংক্রমণের আশঙ্কা: মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বাড়তে পারে সংক্রমণের আশঙ্কা। শ্বাসনালি, শরীরে তৈরি হওয়া কোনও ক্ষত, নাক কিংবা চোখের মাধ্যমেও অন্যের শরীরের প্রবেশ করতে পারে মাঙ্কি ভাইরাস। সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেও একে অপরের শরীরে হানা দিতে পারে এই ভাইরাস। আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক মিলনেও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    রোগের উপসর্গ: কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, মাথা যন্ত্রণা, পেশিতে ব্যথা, গায়ে হাত পায়ে ব্যথার মতো কিছু প্রাথমিক উপসর্গ তো রয়েছেই। এ ছাড়াও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হলে শরীরের বিভিন্ন লসিকা গ্রন্থি ফুলে ওঠে। শরীরে ছোট ছোট অসংখ্যা ক্ষতচিহ্নের দেখা মেলে। ক্রমশ সেই ক্ষত আরও গভীর হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। গুটি বা জল বসন্তের সঙ্গে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গের দিক থেকে সাদৃশ্য থাকায় অনেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগকে বসন্ত বা চিকেন পক্স বলে ভুল করছেন।

    চিকেন পক্স ও মাঙ্কি পক্স: ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস অনুসারে, মাঙ্কি পক্সকে অনেকেই চিকেন পক্স বলে ভুল করছেন। চিকেন পক্সের (Chicken Pox) মতো মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রেও শরীরে ছোট ছোট ফুসকুড়ি দেখা দিচ্ছে। ফ্লুইড যুক্ত এই ফুসকুড়িগুলি পরে ত্বকের দাগেরও সৃষ্টি করছে। উপসর্গগত সাদৃশ্য থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কি পক্স সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস। চিকেন পক্সের মতো রোগের প্রতিকার থাকলেও এই বিরল রোগ নিরাময়ের এখনও পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি নেই বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    গত ৭ মে লন্ডনে প্রথম এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি পক্সের ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি নাইজেরিয়ায় গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। সেখানেই কোনওভাবে আক্রান্ত হন বলে ধারণা করা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, সমকামী পুরুষদের মধ্যে এই মাঙ্কিপক্স ভাইরাস (Monkey Pox Virus) দ্রুতহারে ছড়িয়ে পড়ছে। এর কারণ যাচাই করতেই হু-এর (WHO) এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি, মাঙ্কিপক্সের হাত থেকে নিস্তার পেতে কোনওপ্রকার ভ্যাকসিন কার্যকরী হবে, তা জানতেও নানাবিধ পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটেন (UK), স্পেন, বেলজিয়াম, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া এবং কাডানা এই ভাইরাস দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

     

LinkedIn
Share