Tag: ICU

ICU

  • Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবার বড় নির্দেশিকা (Health News)। কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার (jewellery) পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য কর্মীরা। নয়া নির্দেশিকা (New guidelines) পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অর্থাৎ এবার থেকে কোনও রকম অলঙ্কার পরে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকরা (Doctors)। এমনকি ব্যবহার করা যাবেনা মোবাইল, পরা যাবে না ঘড়িও। সব কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) অধীনস্থ হাসপাতালের সুপার ও ডিরেক্টরকে এমনই নির্দেশিকা পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    ঠিক কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায় (Health News)?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) তরফে যে নির্দেশিকা (Health News) দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এবার থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা (Health workers)। কারণ চুড়ি, ব্রেসলেট, আংটি, ঘড়ি, মোবাইল ফোন থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আইসিইউ (ICU), এইচডিইউ (HDU), অপারেশন থিয়েটার (OT), পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই নির্দেশ কড়া ভাবে মানতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    কী কারণে এই নির্দেশিকা?

    অনেক সময়ই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী সেরে ওঠার শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রক্তে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই এবার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ (Health News) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল অতুল গয়াল বলেছেন,”কনুইয়ের নিচে গয়না পড়লে তা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করায় তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।”

    এর পাশাপাশি গোয়েল জানিয়েছেন যে, এর আগে অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ডাক্তারের অবহেলার কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের (patient) গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই সেই সব ঘটনা পর্যালোচনা করেই এবার এমন সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। উল্লেখ্য করোনার ফার্স্ট ওয়েভেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, হাতের চুড়ি, আংটি, ঘড়ি, ইত্যাদির মাধ্যমেও সংক্রমণ (infections) হতে পারে করোনা ভাইরাসের। তখন সংক্রমণ এড়াতে এসব অলঙ্কারের ব্যবহার কমিয়েছিলেন মানুষ। কিন্তু সংক্রমণ তো নানা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার হতে পারে। তাই এবার সচেতনতা বাড়াতে এই নির্দেশিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীদের অত্যাচারে সাধারণ মহিলারা সোচ্চার। আর তাই এই তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবিতে জনআন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কিন্তু টাকিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত বসিরহাট থেকে কলকাতায় বাইপাসের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নিউরোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গতকাল তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আইসিইউতে রয়েছেন সুকান্ত। বুকের পাঁজর এবং কোমরের ব্যথা রয়েছে তাঁর। স্যালাইন ছাড়া কিছুই নিতে পারেননি। সুকান্তর বমি ভাব রয়েছে, বিশ্রাম নিলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।”

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Sukanta Majumdar)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্তের (Sukanta Majumdar) সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। তবে এখনও সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। একই ভাবে তাঁর এমআরআই সংক্রান্ত কিছু প্রয়োজনীয় স্ক্যান করা হবে। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁকে ইতিমধ্যে দেখতে এসেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। 

    বিজেপি সূত্রে খবর

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল। তবে এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। শরীরে ব্যথা রয়েছে। ঘটনার সময় পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাপক ধস্তাধস্তি হলে পড়ে যান। এরপর তাঁকে কোলে করে নীচে নামানো হয়। ফলে ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন শরীরের ভিতরে কোনও অংশে আঘাত লেগেছে কিনা তাই পরীক্ষা করে দেখছেন চিকিৎসেকরা। বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, “অসুস্থ অবস্থায় যখন সুকান্তবাবুকে নিয়ে আসা হচ্ছিল সেই সময় অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে এক বারের জন্যও চোখ খোলেননি। তাকানোর মতো কোনও পরিস্থিতি ছিল না তাঁর। কোমরে এবং বুকে ব্যথা রয়েছে। গাড়িতে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে টাকি থেকে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।”

    এসপি অফিসে চলছিল ঘেরাও

    মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযান হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে। গত মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে ঘটনায় বিজেপির ৭ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এরপর ধর্না শুরু করেন তিনি। পরে আবার রাতে তাঁকে আটক করলে কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপর বুধবার সকাল থেকেই আবার সরস্বতী পুজো করে আন্দোলনে যোগদান করলে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা রয়েছে বলে রাস্তায় বাধা দেওয়া হয়, এরপর শুরু হয় ধস্তাধস্তি। ওই সময় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন তিনি। পরে অবশ্য জ্ঞান ফেরে। এরপর দ্রুত হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nurshing Home: মৃতকে আইসিইউতে রেখে রাতভর ‘চিকিৎসা’? কোন জেলায় এমন তাজ্জব ঘটনা?

    Nurshing Home: মৃতকে আইসিইউতে রেখে রাতভর ‘চিকিৎসা’? কোন জেলায় এমন তাজ্জব ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত রোগীকে জীবিত বলে সারারাত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মৃত রোগীর পরিবারের লোকজন। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় ইংলিশবাজার থানায়। মালদা শহরের গৌড় রোড় এলাকায় একটি নামি নার্সিংহোমের (Nurshing Home) বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠেছে।  

    কীভাবে মৃত্যু হল রোগীর?

    জানা গেছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম বনমালি সরকার। বাড়ি মালদার গাজোল থানার শিক্ষকপল্লি এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ থাকায় ওই ব্যক্তিকে শনিবার গৌড় রোড় এলাকায় একটি নার্সিংহোমে (Nurshing Home) ভর্তি করা হয়। রাতে নার্সিংহোম থেকে ফোন করে বলা হয়, রক্ত লাগবে। রাতে না দিতে পারলেও সকালের মধ্যে রক্ত জোগাড় করে দিলেই হবে, এই কথাও জানানো হয় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে, এমনটাই অভিযোগ। কিন্তু রবিবার সকালে এসে পরিবারের লোক জোর করে নার্সিংহোমের ভিতর ঢুকে দেখতে পান, তাঁদের রোগী মারা গেছে। 

    মৃত মানুষকে আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা?

    মৃত রোগীর জামাই সানি দত্তের অভিযোগ, মৃত মানুষকে কিভাবে আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা করা যায়? তাঁরা জোর করে ভিতরে ঢুকে দেখতে পান, আইসিইউ-তে রয়েছে তাঁদের রোগী, কিন্তু মারা গেছে। হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেছে। অথচ নার্সিংহোম (Nurshing Home) কর্তৃপক্ষ তাদের কিছুই জানায়নি। মৃত রোগীকে জীবিত বলে চিকিৎসা চালিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করত নার্সিংহোম, এমনই অভিযোগ করেন তিনি। এই মর্মে ইংলিশবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অবিলম্বে প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ওই নার্সিংহোম সিল করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মৃতের পরিবারবর্গ। 

    কী জবাব দিল নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ?

    এই বিষয়ে নার্সিংহোম (Nurshing Home) কর্তৃপক্ষ ক্যামেরার সামনে কিছু না বললেও মৌখিকভাবে জানায়, অভিযোগ ভিত্তিহীন। রক্ত জোগাড় করতে না পাড়ায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগী বা তাঁর পরিবারের অনুমতি ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা যাবে না। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। যদি রোগীর পরিস্থিতি খারাপের দিকেও যায় তবেও রোগীর পরিবার বা খোদ রোগীর অনুমতি ছাড়া তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা যাবে না। তবে মহামারী, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে নির্দেশ

    বিভিন্ন সময়েই আইসিইউ-তে (ICU) রোগী ভর্তি করানো নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রোগী আত্মীয়দের মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হলে বা দেহের কোনও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল না হলে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় না। অনেক সময় হাসপাতালগুলির দিকে অভিযোগের তির ওঠে তারা নাকি জোর করে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে দেন। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আর কোনও দায় থাকবে না। সবটাই রোগী বা তাঁর পরিবারের ওপর বর্তাবে। 

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও গুরুতর অসুস্থ রোগীর আর কোনও চিকিৎসা সম্ভব নয় অথবা চিকিৎসার সুবিধা নেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে ওই রোগীকে আইসিইউতে (Centre guideline on ICU) রাখা নিরর্থক। একই ভাবে উপযুক্ত চিকিৎসার পরও রোগী যদি ‘প্রত্যাশিত সাড়া’ না দেন সে ক্ষেত্রেও তাঁকে আইসিইউতে রাখার কোনও মানে হয় না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের এই গাইডলাইন। তবে সবচেয়ে যে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল, কারও বাঁচার ইচ্ছে আছে কিন্তু তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি হতে চান না, এমনটা হলেও ওই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখতে পারবেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিমারি কিংবা কোনও বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে আইসিইউতে রোগী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে বলছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    আইসিইউ-তে ভর্তির জন্য কী দেখা হবে 

    নির্দেশিকায় (Centre guideline on ICU) রোগীর বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একমাত্র সেই পরিস্থিতিতেই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। যেমন, কোনও রোগীর রেসপিরেটরি সাপোর্ট অর্থাৎ শ্বাসজনিত সাপোর্ট লাগলে তাকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। অন্যদিকে, ইনটেনসিভ কেয়ারের জরুরি  এমন কোনও গুরুতর রোগ (সিভিয়ার অ্যাকিউট ইলনেস) হলে রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। এছাড়াও, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কোনও বড় সমস্যা হলে তাকে আইসিইউ-তে ট্রান্সফার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কেন নয়া নির্দেশিকা

    আইসিইউ সংক্রান্ত নির্দেশিকার (Centre guideline on ICU)  নেপথ্যে থাকা অন্যতম চিকিৎসক আর কে মনি বলেন, ভারতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। তাই যে রোগীর দরকার, সে-ই যেন আইসিইউ পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে কেন্দ্র। ইন্ডিয়ান কলেজ অব ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনের সেক্রেটারি চিকিৎসক সুমিত রায় বলেন, বেশিরভাগ দেশেই আইসিইউ নিয়ে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে। আইসিইউ যাতে লাগামছাড়া ব্যবহার না করা হয়, তার জন্যই এই নিয়ম। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    Jyotipriya Mallick: আচমকাই বাড়ল রক্তচাপ, আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হঠাৎই চড়ল রক্তচাপ। তাই সোমবার রাতে এসএসকেএমের আইসিইউয়ের ১২ নম্বর বেডে নিয়ে যাওয়া হল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমুলের জ্যোতিপ্রিয় ভর্তি ছিলেন ওই হাসপাতালেরই ৫ নম্বর কেবিনে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আচমকাই রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় কেবিন থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে মন্ত্রীকে। আপাতত তিনি রয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে।

    মেডিকেল টিম গঠন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা। তাঁকে রাখা হয়েছিল প্রেসিডেন্সি জেলে। অসুস্থ বোধ করায় গত মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সেই থেকে তিনি ছিলেন কেবিনে। এসএসকেএম সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে তাতে রয়েছেন মেডিসিন, স্নায়ু, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। রয়েছেন কিডনি এবং ইউরোলজি বিশেষজ্ঞরাও। জ্যোতিপ্রিয় সুগারের রোগী। গ্রেফতারির সময়ই সে কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তবে তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। জ্যোতিপ্রিয়কে ছাড়া হয়নি।

    জ্যোতিপ্রিয় অসুস্থ হয়েছিলেন আগেও

    গ্রেফতারির পর প্রথম যেদিন জ্যোতিপ্রিয়কে আদালতে তোলা হয়, সেদিনই ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সামান্য বমিও করেছিলেন। ততক্ষণাৎ তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখান থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ইডি হেফাজতে নেয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ইডি হেফাজত শেষে মন্ত্রীর ঠাঁই হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত মঙ্গলবার রাতে তাঁকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে।

    অসুস্থ থাকায় ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দিয়েছিলেন মন্ত্রিমশাই। সেদিনই তিনি বলেছিলেন, “আমার সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার, হাত-পা কাজ করছে না। আমায় বাঁচতে দিন।” বিচারক তাঁকে বলেছিলেন, “অসুবিধা থাকলে আপনি সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই কাশি, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় মন্ত্রীকে (Jyotipriya Mallick) ভর্তি করানো হয় রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো মোকাবিলায় জেলায় জেলায় আইসিইউ পরিকাঠামোতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে অ্যাডিনো আতঙ্ক। জ্বর-শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় একের পর এক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। বৃহস্পতিবারও  রাজ্যে ফের মৃত্যু হল ১১ মাসের এক  শিশুর (Child Death)। পরিবার সূত্রে খবর, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভুগছিল শাসনের বাসিন্দা ওই শিশুটি। গত রবিবার বিসি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মৃত্যু হয় শিশুটির।  স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাসে, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে অ্যাডিনো আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর। তারমধ্যে বেশ কয়েক জনের কোমর্বিডিটি ছিল।

    অ্যাডিনো উদ্বেগে চালু করা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন নম্বর। ১০ দফা অ্যাডভাইসরি জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তাতে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টার ক্লিনিক করতে হবে। যে যে হাসপাতাল বা মেডিক্যাল কলেজে শিশু বিভাগ আছে, সেখানে আলাদা আউটডোর চালু করতে হবে। যাতে সাধারণ বর্হিবিভাগে এইসব রোগীকে অপেক্ষা করতে না হয়। হাসপাতাল প্রধান বা অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি আক্রান্ত শিশু রোগীদের রেফার করা যাবে না। ভেন্টিলেটর ও অন্য সামগ্রী প্রস্তুত রাখতে হবে। শিশু বিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে লাগাতে হবে।

    অ্যাডিনোর জের! শিশুর জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো 

    এই পরিস্থিতিতে সঙ্কটজনক শিশুদের (Children in Critical Condition) চিকিৎসার জন্য জেলায় জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা (Virtual Workshop)। সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বেহাল। তাই এত শিশু-মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শহরের বাইরে গেলেই মিলছে না অভিজ্ঞ চিকিৎসক। বিশেষজ্ঞের অভাবে সঙ্কটজনক শিশুকে কলকাতার হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। চাপ বাড়ছে শহরের হাসপাতালগুলির শিশুবিভাগে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার ধকলও নিতে পারছে না অনেক শিশু। এককথায় সেই অভিযোগগুলিকে কার্যত মান্যতা দিল স্বাস্থ্য দফতর। 

    আরও পড়ুন: বাড়তি ওজন কমাতে পাতে রাখুন এই ৬ প্রকারের উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি

    সঙ্কটজনক শিশুদের চিকিৎসার জন্য জেলায় ICU পরিকাঠামো তৈরি করছে স্বাস্থ্য দফতর। জেলাস্তরের হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট অর্থাৎ PICU না থাকায়, বড়দের CCU, HDU পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে মাস্ক, ক্যানুলা ও সার্কিট ব্যবহার করে শিশুদের চিকিৎসা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল কর্মশালা। কর্মশালায় জেলার হাসপাতালগুলির শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, CCU, HDU-এর মেডিক্যাল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরপর হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বর্ষীয়ান চিত্রপরিচালক (Film Director) তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar)। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) ভর্তি রয়েছেন তিনি। আইসিইউতে (ICU) চিকিৎসা চলছে তাঁর। কোভিড টেস্ট করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। রিপোর্ট এখনও চিকিৎসকের হাতে এসে পৌঁছয়নি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কিডনি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে পরিচালকের। 

    তরুণ মজুমদারের কিডনির সমস্যা নতুন নয়। ২০০০ সাল থেকে এই রোগে ভুগছেন তিনি। এছাড়াও রয়েছে ফুসফুসের সমস্যা ও ডায়াবেটিস। চেস্ট মেডিসিন চিকিৎসক সোমনাথ কুণ্ডু এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র ঘোষের নেতৃত্বে পাঁচজন চিকিৎসকের একটি দল সারাক্ষণ পরিচালকের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রেখেছেন। ক্যাথিটার দিয়ে তাঁকে প্রস্রাব করানো হচ্ছে বলে খবর। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় বর্ষীয়ান পরিচালকের করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবারই তার রিপোর্ট আসার কথা।

    আরও পড়ুন: কিশোর কুমারের চারটি বিয়ে! এই বিষয়ে কী বললেন তাঁর পুত্র অমিত কুমার  
     
    পরাধীন ভারতবর্ষে জন্ম হয় এই কিংবদন্তি পরিচালকের। বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। রসায়নের ছাত্র হলেও সিনেমা তৈরির নেশায় তিনি বিনোদন জগতে পা রাখেন। শচীন মুখোপাধ্যায় এবং দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিলে ‘যাত্রিক’ নামে একটি দল তৈরি করে সিনেমা পরিচালনার কাজ শুরু করেন তিনি। এই তিন পরিচালকের তৈরি প্রথম সিনেমা ‘চাওয়া পাওয়া’। এই সিনেমায় অভিনয় করেন সর্বকালীন সেরা জুটি উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন।  এই ত্রয়ীর পরের ছবি‘কাঁচের স্বর্গ’। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল ছবিটি।

    আরও পড়ুন: দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু    
      
    ১৯৬৫ সালে ‘যাত্রিক’ থেকে বেরিয়ে এসে একা ছবি বানানো শুরু করেন তরুণ মজুমদার। সে বছর ‘আলোর পিপাসা’ এবং ‘একটুকু ভালবাসা’ নামের দুটি সিনেমা তৈরি করেন তিনি। তারপর থেকে একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই পরিচালক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘বালিকা বধূ’, ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘দাদার কীর্তি’,  ‘আপন আমার আপন’, ‘গণদেবতা’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’, ‘আলো’- র মতো সব জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ মজুমদার। 

    তাঁর সংগ্রহে রয়েছে চারটি জাতীয় পুরস্কার, সাতটি বিএফজেএ সম্মান, পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং একটি আনন্দলোক পুরস্কার। ১৯৯০ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় তরুণ মজুমদার পরিচালিত শেষ ছবি ‘ভালোবাসার বাড়ি’। ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রতীক সেন।  

     

LinkedIn
Share