Tag: IIT Kharagpur

IIT Kharagpur

  • Malda: অভাবকে জয় করেছে মেধা, আইআইটি খড়্গপুরে পড়ার সুযোগ পেলেন  মালদার অভিজিৎ

    Malda: অভাবকে জয় করেছে মেধা, আইআইটি খড়্গপুরে পড়ার সুযোগ পেলেন মালদার অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা, মানসিক ভারসাম্যহীন, বাবা নিখোঁজ! পরিবারে আর্থিক অভাব। এই পরিস্থিতি থেকে অল ইন্ডিয়া জেইই-তে ১৯১০ র‍্যাঙ্ক (এসসি) করে সকলকে চমকে দিয়েছেন মালদা (Malda) শহরের বাসিন্দা অভিজিৎ রায়৷ কাউন্সেলিংয়ে সুযোগ মিলেছে আইআইটি খড়্গপুরে৷ এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাসের আবহ। কিন্তু আইআইটিতে সুযোগ পেলেও তাঁর জন্য প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারের আর্থিক অভাব৷ এই দরিদ্র মেধাবী ছাত্রের সঙ্গে দেখা করতে যান বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ ৷ তাঁকে সংবর্ধনা জানিয়ে সাধ্যমতো সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন এই বিজেপি নেতা।

    অভিজিৎ-এর বক্তব্য (Malda) 

    অভিজিৎ বলেছেন, “অ্যাডভান্স জেইইতে পরীক্ষা দিয়ে এসসিতে ১৯১০ র‍্যাংক করেছি৷ আইআইটি খড়্গপুরে ম্যানুফ্যাকচারিং বিভাগে সুযোগ পেয়েছি৷ আর্থিক অভাবে ভর্তি নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল৷ মালদার (Malda) একটি ক্লাব সিট রিজার্ভের ব্যবস্থা করেছে৷ আজ দিলীপবাবু এসেছিলেন৷ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন৷ খুব ভালো লাগছে৷”

    দাদু টোটো চালিয়ে নাতিকে পড়াশুনা করান

    ইংরেজবাজার (Malda) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রিনপার্ক এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ রায়৷ বাবা মদন রায় ১৫ বছর আগে পরিবারকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন৷ মা অষ্টমী রায়, কন্যসন্তান মধুমিতা রায়কে জন্ম দেওয়ার পর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন৷ এই পরিস্থিতিতে দাদু রতন হালদার টোটো চালিয়ে নাতি-নাতনিকে বড়ো করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন৷ মালদা টাউন হাইস্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পর অল ইন্ডিয়া জেইই-র প্রস্তুতি শুরু করেন অভিজিৎ৷ প্রথম বছর তেমন সাফল্য না মিললেও হাল ছাড়েননি তিনি৷ স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতায় প্রস্তুতি চালিয়ে যান৷ অবশেষে গত ৯ জুন ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় সর্বভারতীয় স্তরে এসসি তালিকায় বিরাট সাফল্য এসেছে। 

    আরও পড়ুনঃ টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক!

    দিলীপের সাহায্যের আশ্বাস

    মেধবী ছাত্র অভিজিতের বাড়িতে (Malda) দেখা করতে যান প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ৷ নিজের আর্থিক সমস্যার কথা দিলীপবাবুকে জানান অভিজিৎ৷ সাধ্যমতো সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি৷ দিলীপবাবু বলেছেন, “বাবা নিরুদ্দেশ, মা মানসিক রোগী৷ সেই বাড়ি থেকে লড়াই চালিয়ে আইআইটিতে সুযোগ পেয়েছে অভিজিৎ৷ আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি৷ তাঁর জন্য ব্যাগ ও বইয়ের ব্যবস্থা করেছেন আমাদের জেলা সভাপতি৷ অভিজিৎ কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন ৷ আমরা চেষ্টা করছি৷ তাঁকে নিজের ফোন নম্বরও দিয়েছি ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে (Global Ranking) এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur)। যদিও করোনাকালে এই প্রতিষ্ঠানের মান নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। ২০২২ সালের তুলনায় গত বছরও পিছিয়ে ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছিল প্রযুক্তি বিদ্যার এই বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মান। এইবার ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় মান বাড়ল বাংলার। একই ভাবে প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারাও ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। 

    দেশের মধ্যে স্থান চতুর্থ (IIT Kharagpur)

    খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) দেশের মধ্যে নিজেদের চতুর্থস্থান ধরে রেখেছে। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং- ২০২৫’। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের র‌্যাঙ্কিং হয়েছে ২২২ তম স্থান। সেই দিক থেকে প্রযুক্তিবিদ্যার অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান ৪৯ ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। গতবার খড়্গপুর আইআইটির র‌্যাঙ্ক ছিল ২৭১। দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান ধরে রেখেছে এই আইআইটি। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে গত বছরের মতোই এইবারেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলার এই আইআইটি। এই বছরের দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়স্থানে রয়েছে আইআইটি দিল্লি এবং আইআইটি বেঙ্গালুরু। আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে খড়্গপুর আইআইটি। এই বারে দেশের ১১টি আইআইটির মধ্যে খড়্গপুর আইআইটি রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এই বিষয়ে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) নির্দেশক বীরেন্দ্রকুমার তিওয়ারি বলেছেন, “এই ভাবেই প্রযুক্তিগত সম্প্রসারণের সুযোগ অর্জন ও মানব-মেশিন সমন্বয় তৈরি করতে হবে। আর এই ভাবেই আমরা উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবো।” তবে কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী এই মান নির্ধারণ হয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক মান, নিয়োগ-কর্তার মান, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক গবেষণা, বিদেশী পড়ুয়ার মতো বেশকিছু মানদণ্ড। খড়্গপুর আইআইটি গত বছর পেয়েছিল ৩৭.৪ শতাংশ নম্বর, আর এইবারে সেই মানদণ্ডে দাঁড়িয়েছে ৪৩.৭ শতাংশ নম্বর।

    আরও পড়ুন: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে মৃত মেদিনীপুরের দ্বারিকেশ!

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বলেছেন, ‘‘আমাদের আইআইটি আন্তর্জাতিক এই কিউএস র‌্যাঙ্কিং (Global Ranking) অনেক এগিয়ে গিয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত খুশি খবর। কিন্তু যদি এক-একটি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করা যায়, তা হলে দেখা যাবে কয়েকটি জায়গায় আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আগামী দিনে ছাত্র-শিক্ষক-গবেষক সকলকে আরও ভালো কাজের কথা নিয়ে ভাবতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vadnagar: মোদির হোম টাউন ভাদনগরে মিলল ২৮০০ বছরের পুরাতন সভ্যতার নিদর্শন

    Vadnagar: মোদির হোম টাউন ভাদনগরে মিলল ২৮০০ বছরের পুরাতন সভ্যতার নিদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮০০ বছরের পুরাতন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হোম টাউন ভাদনগরে (Vadnagar)। একাধিক স্থানে এএসআই খনন কার্য চালিয়ে এই বহু পুরাতন বসতির সন্ধান পেয়েছে। শহরে নানা সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মেল বন্ধনের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। বৌদ্ধ, জৈন এবং হিন্দু ধর্মের নানান সাংস্কৃতিক সূত্রের ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। হরপ্পা সভ্যতার শেষ পর্যায়ের সময়কার নিদর্শন বলে মনে করা হচ্ছে।

    খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ বছরের পুরাতন একটি সভ্যতা (Vadnagar)

    আইআইটি খড়গপুর, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই), ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (পিআরএল), জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি (জেএনইউ) এবং ডেকান কলেজের বিশেষজ্ঞদের নেতৃত্বে ২০১৬ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত খননকার্য চালিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। এরপর তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, গুজরাটের ভাদনগরের (Vadnagar) সভ্যতা হল খ্রিস্টীয় যুগের অনেক আগের সভ্যতার নিদর্শন। খনন কাজের ফলে প্রাপ্ত উপাদান থেকে গবেষণায় জানা গেয়েছে, এখানে একটি সুপ্রচীন জনবসতি ছিল। আনুমানিক প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ বছরের পুরাতন একটি সভ্যতা এখানে ছিল। গবেষকরা অনুমান করছেন, এই সভ্যতার উপর বিভিন্ন সময়ের উত্থান পতনের ক্ষেত্রে মধ্য এশিয়ায় বারংবার আক্রমণের একটি প্রভাব পড়ে থাকতে পারে। এছাড়াও প্রাকৃতিক ভাবে জলবায়ুর পরিবর্তন, বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা ইত্যাদির প্রভাব পড়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী জানালেন বিশেষজ্ঞরা

    ভাদনগরে (Vadnagar) খনন কাজের ফলে পাওয়া নিদর্শন সম্পর্কে খড়গপুর আইআইটির ভূতত্ত্ব এবং ভূ-পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ডঃ অনিন্দ্য সরকার বলেছেন, “আমরা গত ৪-৫ বছর ধরে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে ভাদনগরে কাজ করছি। খননের ফলে উদ্ধার হওয়া ভূমির স্তর দেখে মনে হয়, একটি খুব পুরাতন বৌদ্ধ বিহার এখানে এক সময় ছিল। বিস্তৃত ভূমির স্তরে নানান উপাদান এখানে খুঁজে পাওয়া গেছে। ২০১৬-২০২৩ সালে খনন করে ভূ-গর্ভের মোট ২০ মিটার গভীরে যাওয়া সম্ভব পর হয়েছে। খননের ফলে জানা গিয়েছে ভাদনগরের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এখনও পর্যন্ত ভূমির মোট সাতটি সাংস্কৃতিক স্তরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত সব থেকে প্রাচীনতম স্তরটি আনুমানিক ২৮০০ বছরের পুরাতন যা ৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সময়কার হতে পারে। সবটা মিলিয়ে শেষ স্তরের খনন দেখে বলা যায় আনুমানিক সাড়ে ৩ হাজার বছরের কম হবে না। এটা এক প্রকার হরপ্পা সভ্যতার শেষ সময়কালকেই ইঙ্গিত করে।” আবার এএসআই প্রত্নতত্ত্ববিদ অভিজিৎ আম্বেকর বলেছেন, “খননের ফলে চারিত্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মৃৎপাত্র, তামা, সোনা, রুপো, লোহার বস্তু এবং জটিল নকশা করা চুড়িও পাওয়া গিয়েছে। আমরা ভাদনগরে ইন্দো-গ্রীক শাসনের সময় গ্রীক রাজা অ্যাপোলোডাটাসের মুদ্রার ছাঁচও পেয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: খড়্গপুর আইআইটি থেকে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র

    IIT Kharagpur: খড়্গপুর আইআইটি থেকে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বাজারে যখন চাকরির মন্দা, সেখানে আশার আলো বাংলার আইআইটিতে। খড়্গপুর আইআইটিতে (IIT Kharagpur) ক্যাম্পাসিংয়ে বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পেলেন দুই ছাত্র। শুক্রবার থেকেই ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসিং শুরু হয়েছে। ‘অ্যাকাদেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ’(এআইসি) আয়োজনে চলছে এই চাকরির নিয়োগ। ইতিমধ্যেই ৭৭১ টির বেশি চাকরির নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আইআইটির বক্তব্য (IIT Kharagpur)

    খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬১ টি সংস্থায় ১২১ টি প্রোফাইলে চাকরির সুযোগ নিয়ে এসেছিল। ১৯ জন পড়ুয়া আন্তর্জাতিক নিয়োগ পেয়েছেন। ৪০ জন ছাত্র বার্ষিক ৯০ লক্ষ টাকার বেশি বেতানের চাকরি পেয়েছেন। আরও ৬ জন পেয়েছেন এক কোটি টাকার বেশি বেতনের চাকরি। সবথেকে নজর কেড়েছে কম্পিউটার সাইন্স এবং গণিত বিভাগের দুই ছাত্রের চাকরি। তাঁরা বার্ষিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার চাকরির সুযোগ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অধ্যাপকের বক্তব্য

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রথম দিনেই প্রি-প্লেসমেন্ট অফার সহ মোট ৭৭১ টি নিয়োগ পত্র পাওয়া গিয়েছে। ওই ৭৭১ টি নিয়োগ পত্রের মধ্যে প্রি-প্লেসমেন্টে ৪৪১ জন আগেই সুযোগ পেয়েছেন। বাকি ৩৩০ জন পড়ুয়া প্রথম দিনে ক্যাম্পাসিংয়ে পেয়েছেন। এই প্রসঙ্গে আইআইটির কেরিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাজীব মাইতি বলেন, “এবার বিশ্ব জুড়ে চাকরির বাজার খারাপ। প্রথম দিনের চাকরির সাফল্য বেশ সন্তোষজনক। গতবারের প্রি-প্লেসমেন্টে বেশি থাকা সত্ত্বেও ৭৬০ জন চাকরি পেয়েছেন। এবার প্রি-প্লেসমেন্টে কম থাকা সত্ত্বেও চাকরির বেশি পেয়েছে।”

    পড়ুয়ার বক্তব্য

    আইআইটির (IIT Kharagpur) কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র সৌভিক রাণা বলেছেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এই নিয়োগ অত্যন্ত আশা ব্যাঞ্জক। বড় বড় ট্রেডিং সংস্থাগুলি সফটওয়্যারে যে ভাবে অন্যবার নিয়োগ করে থাকে এবছর সেভাবে হয়নি। এই বাজারে আমি চাকরি পেয়েছি এটাই বড় প্রাপ্তি।” আরেক ছাত্র কেমিক্যাল ইঞ্জিনারিংয়ের ছাত্র মনোসিজ সরকার বলেন, “যতটা আশা করেছিলাম ততটা পাইনি। কিন্তু সময়ের কথা মাথায় রেখে বলা যায় চাকরি হয়েছে এটাই বড় কথা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: খড়গপুর আইআইটিতে ফের এক ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, হোস্টেল থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ!

    IIT Kharagpur: খড়গপুর আইআইটিতে ফের এক ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, হোস্টেল থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোস্টেলের ঘরে ফের রহস্য জনক মৃত্যু। উদ্ধার হল ঝুলন্ত ছাত্রের মৃতদেহ। বুধবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত ছাত্র আইআইটি (IIT Kharagpur) এলবিএস হোস্টেলের ৫১৩ নম্বর রুমে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। মৃত ছাত্রের নাম কিরণ চন্দ্র। তিনি ইলেকট্রিক ইঞ্জিনারিং বিভাগে চতুর্থ বর্ষে পড়াশুনা করতেন। তাঁর বাড়ি হল, তেলেঙ্গানা রাজ্যের মেড়াক জেলার টুপরান গ্রামে। তাঁকে হোস্টেল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বিসি রায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে, মৃত বলে জানিয়েদেন চিকিৎসক। এরপর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেদিনীপুর মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কী কারণে মৃত্যু? আত্মহত্যা নাকি খুন! তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ একটি মামলা রুজু করেছে। ছাত্রের পরিবারের লোকজনকেও খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ছাত্র মৃত্যু বার বার কেন (IIT Kharagpur)?

    উল্লেখ্য খড়গপুর আইআইটিতে (IIT Kharagpur) ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা বার বার ঘটে চলেছে। গতবছর অক্টোবর মাসে হোস্টেল থেকে এক ছাত্রের পচাগলা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। সেই সময় এই মৃত্যুর ঘটনার মামলা গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। মৃতের পরিবারের দাবি ছিল, ছেলেকে খুন করা হয়েছে। কারণ ছেলের মৃত্যুর ৬-৭ দিন পরে পরিবারকে, কর্তৃপক্ষ খবর দিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। উল্লেখ্য মৃত ছাত্রের দেহকে হাইকোর্টের নির্দেশে দুইবার ময়নাতদন্ত করতে হয়েছিল। যদিও ঘটনার পর আইআইটিতে অ্যান্টি র‍্যাগিং স্কোয়াড গঠন করেছিল কর্তৃপক্ষ।

    শুধু তাই নয়, এই বছরের জুন মাসেও আবার এমন, আরও এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। এই পড়ুয়ার বাড়ি ছিল কেরল রাজ্যে। একটি সর্ব ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বারবার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে, এক প্রথমবর্ষের ছাত্রের মৃত্যু ঘটলে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। রাজ্যে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হিসাবে দাঁড়িয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয়, আইআইটিতে গবেষণার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে চন্দ্রবিন্দুর?

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয়, আইআইটিতে গবেষণার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে চন্দ্রবিন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লড়াইয়ের আরেক নাম যেন চন্দ্রবিন্দু। দারিদ্রতা থামাতে পারেনি তাঁর লড়াই। বাবা-মায়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দোকান সামলেছেন। একইসঙ্গে চালিয়ে গিয়েছেন পড়াশোনা। সেই কষ্টই দেখাল সাফল্যের পথ। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে তৃতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করলেন তমলুকের চন্দ্রবিন্দু মাইতি। তাঁর মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। ছেলের কৃতিত্বে খুশি তাঁর বাবা-মাও। ফুটপাথের ধারে সামান্য একটি দোকান রয়েছে তাঁদের। পড়াশোনার পাশাপাশি সেই দোকানে বাবা-মায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সাহায্য করেও এই নম্বর পেয়ে খুশি চন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এতবড় একটা খুশির খবর তাঁদের দুশ্চিন্তাই যেন বাড়িয়ে দিল। এরপর? এরপর পড়াশোনার খরচ জোগাবেন কী করে? যা ছিল, সবই তো শেষ।

    কষ্টের দাম (HS Rank) দিয়েছে ছেলে, বললেন মা

    তাঁর মা নীলিমা মাইতি জানিয়েছেন, গয়না, জমি বিক্রি করে ছেলেকে পড়িয়েছেন। কষ্টের দাম (HS Rank) দিয়েছে ছেলে। পরবর্তীতে আইআইটিতে গবেষণা করতে চান চন্দ্রবিন্দু। তার জন্য খরচ অনেক। সেই খরচ কীভাবে সামলাবেন, সেটাই এখন মাথাব্যথার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নীলিমাদেবী বললেন, সেই খরচ জোগানোর পয়সা আমাদের নেই। তাই সবার কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থী। আর্থিক অনটনের মাঝে পাশে পেয়েছেন কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনকে। কিন্তু তাঁরা যেটুকু সাহায্য করেছেন, সেটাও তো ফেরত দিতে হবে। আর কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। তাই নিজের জিনিস বলতে যা কিছু ছিল সবই বিক্রি করে দিতে হয়েছে। কিন্তু এত সমস্যার কথা কোনওদিন ছেলেকে বুঝতে দিইনি। ছেলে মাঝে মাঝে প্রশ্ন করত, তুমি সব কিছু এভাবে শেষ করে দেবে? আমি বলতাম, তাতে কী হয়েছে? তুই মাথা উঁচু করে দাঁড়ালে সেটাই আমার সব পাওয়া।

    কী বলছেন চন্দ্রবিন্দু?

    চন্দ্রবিন্দু জানিয়েছেন, দাদুর কিছু জমি রয়েছে। সেই জমি বিক্রি করেই হয়তো পড়াশোনার (HS Rank) খরচ চালাতে হবে তাঁকে। সেটাও কম পড়তে পারে। যদি কেউ পাশে দাঁড়ায়, এমনটাই আবেদন তাঁদের। চন্দ্রবিন্দু বলেন, যদি কেউ সাহায্য করে তো খুবই ভালো হয়। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আবেদন জানাচ্ছি, যাতে কিছু সাহায্য পাই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rojgar Mela: ‘রোজগার মেলা’য় বাংলার যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    Rojgar Mela: ‘রোজগার মেলা’য় বাংলার যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে মঙ্গলবার, ১৬ মে পঞ্চম পর্বের ‘রোজগার মেলা’ (Rojgar Mela) অনুষ্ঠিত হল দেশের ৪৫টি স্থানে। এর মধ্যে অন্যতম কেন্দ্র হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আইআইটি খড়্গপুর (IIT Kharagpur)। পঞ্চম পর্বের এই রোজগার মেলায় দেশজুড়ে ৭১ হাজার যুবক-যুবতীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে তাঁরা নিয়োগ পেলেন। ভার্চুয়ালি তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আইআইটি খড়্গপুরের নেতাজি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ‘রোজগার মেলা’ থেকে শতাধিক চাকরিপ্রার্থী বা কর্মপ্রার্থীর হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের যুবকল্যাণ ও স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তিনি বাংলার ২৫ জন যুবক-যুবতীর হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দিলেন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক?

    এদিন, আইআইটি খড়্গপুরের প্রেক্ষাগৃহ থেকে সব মিলিয়ে ২৬০ জন প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। রেল, আইআইটি, ডাক বিভাগ (পোস্টাল) সহ বিভিন্ন দফতরে নিয়োগপত্র পেলেন তাঁরা। এর মধ্যে প্রায় ১০০’র কাছাকাছি শুধু ডাক বিভাগেই নিয়োগপত্র পেয়েছেন বলে জানা যায়। এদিনের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বেও ছিল ডাক বিভাগ। এদিন আইআইটি খড়্গপুরের এই রোজগার মেলায় (Rojgar Mela) উপস্থিত ছিলেন ডাক বিভাগের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক সহ আইআইটি খড়্গপুরের অধিকর্তা ভি কে তেওয়ারি, সহ অধিকর্তা অমিত পাত্র, নিবন্ধক (রেজিস্ট্রার) তমাল নাথ প্রমুখ। মন্ত্রী নিশীথকুমার প্রামাণিক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী রেলওয়ে, পোস্টাল সহ কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত দফতরের শূন্য পদ পূরণে উদ্যোগী। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা দফতরে ৭১,২০৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল দেশজুড়ে।” তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে বিভিন্ন স্থানে আমরা গিয়েছি। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী যে কথা দিয়েছিলেন, তা রেখেছেন। তাই তাঁকে ধন্যবাদ জানাব। যাঁরা চাকরি পেলেন, তাঁদের পরিবার যে কতখানি আনন্দিত, তা এই মেলায় এসেই আমরা প্রত্যক্ষ করলাম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিপ্লবীদের উপর নির্মম অত্যাচারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন তাঁর প্রশ্ন কবিতা। দেশকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একদল তরুণ তরুণী। আজ যেখানে আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur), সেখানেই ছিল বিপ্লবীদের বন্দিনিবাস। সশস্ত্র আন্দোলন হোক কিংবা অসহযোগ আন্দোলন, ব্রিটিশ পুলিশের হাতে বন্দি হতে হয়েছিল একাধিক স্বাধীনতার সংগ্রামীকে। বন্দি করা হয় হিজলী বন্দি নিবাসে। এই জেলের মধ্যে অন্যতম বন্দি ছিলেন বিপ্লবী সন্তোষ মিত্র।

    কার নামে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার?

    ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন সন্তোষ মিত্র। তাঁর জন্ম ১৯০০ সালের ১৫ অগাস্ট এবং মৃত্যু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩১। মাত্র ৩১ বছরের জীবন, দেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদন করেছিলেন। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ফলে কারাদণ্ড হন। এছাড়াও শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ১৯২৩ সালে গুপ্ত বিপ্লবী দলের সঙ্গে যোগদান করে বিপ্লবী কর্মে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম করেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দলেনের সময় গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বিপ্লবীদের। এরপর গ্রেপ্তার হলে তাঁকে হিজলী (IIT Kharagpur) জেলে পাঠানো হয়। কলকাতা শহরে আজকের দিনে সবথেকে বড় দুর্গা পুজো গুলির মধ্যে একটি পুজো হল, বিপ্লবী সন্তোষ মিত্রের নামাঙ্কিত পার্কের পুজো সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো।

    হিজলী জেল (IIT Kharagpur) এক ঐতিহাসিক পীঠস্থান

    ১৯৩১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাত্রি প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ, নিরস্ত্র বন্দিদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। চালানো হয় গুলিও। নিরস্ত্র বন্দিদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই বীর বিপ্লবীর। এই দুই বিপ্লবীরা হলেন সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী সন্তোষ মিত্র এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের অনুগামী তারকেশ্বর সেনগুপ্ত। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নাইট উপাধি ত্যাগ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হিজলী (IIT Kharagpur) হত্যাকাণ্ডের পর রবীন্দ্রনাথ লিখলেন প্রশ্ন কবিতা, “ভগবান তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে, দয়াহীন সংসারে।”

    আজকের আইআইটি খড়্গপুর

    এখন যেখানে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) পুরনো ভবন, পরাধীন ভারতে সেখানেই ছিল হিজলি বন্দিনিবাস। অদূরে প্রথম মহিলা জেল। ১৬ সেপ্টেম্বরের সেই রাতে হিজলি বন্দি নিবাসে ‘পাগলা ঘন্টা’ বাজিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় ইংরেজ পুলিশ। খবর পেয়ে সুভাষচন্দ্র ও যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত হিজলিতে আসেন। হিজলি ও চট্টগ্রাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় একটি সভা হয়। সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বর্তমানে আইআইটি নির্মিত হয়েছে বন্দিনিবাসের বিশাল ইমারতে। বর্তমান প্রজন্ম মনে রাখে না ইতিহাস, মনে রাখে না সংগ্রামের কালো দিনের কথা। স্বাধীনতা দিবসে ফের স্মৃতিতে অম্লান হিজলীর সেদিনের সেই কালো ঘটনার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • IIT Kharagpur: স্কুলে যাতায়াতের মাধ্যম কী হওয়া উচিৎ? সমীক্ষা চালাল আইআইটি খড়গপুর 

    IIT Kharagpur: স্কুলে যাতায়াতের মাধ্যম কী হওয়া উচিৎ? সমীক্ষা চালাল আইআইটি খড়গপুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইভেট গাড়ির বাড়বড়ন্তে নাজেহাল জনজীবন। চিন্তিত সরকারও। যানজট থেকে পরিবেশ দূষণ এসবেতেই বড় ভূমিকা পালন করে বিপুল সংখ্যক প্রাইভেট গাড়িগুলি (Private Car)। এই পরিস্থিতিতে দূষণ ও জানযট রোধে সকলকে নিজ নিজ গাড়ি না বের করে শেয়ার গাড়ি ব্যবহার করার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। 

    সবচেয়ে ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় “শেয়ার্ড” পরিবহন (Shared Vehicle) মাধ্যম হল স্কুল বাস (School Bus)। কলকাতার বুকে এই স্কুল বাসগুলির সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে গত পাঁচ বছর ধরে একটি সমীক্ষা চালাচ্ছিল আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur)। সম্প্রতি তার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তারা। 

    স্কুল বাসগুলি ঠিক কতটা সুবিধাজনক, পরিবেশের ওপর তার কী প্রভাব, সময় কতটা বাঁচে, নিরাপত্তা, কর্মচারীদের ব্যবহার, সুরক্ষা, অভিভাবকদের কাছে জনপ্রিয়তা এসব কিছু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। 

    সব মিলিয়ে স্কুল বাস ব্যবহারের পক্ষেই সওয়াল করেছে ওই প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলকাতার  মতো জনবহুল এলাকায় স্কুল বাস অনেকাংশেই উপযোগী বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। 

    অভিভাবকরা কী চাইছেন সেটা বুঝতে সমীক্ষা (Survey) চালানো হয়। কর্মচারী, স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলে বিশেষজ্ঞদের কমিটি। ১২ হাজার অভিভাবকের সঙ্গে সমীক্ষার বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার প্রশ্নের উত্তর দেন।  

    দুটি পর্যায়ে করা হয় সমীক্ষাটি। প্রথম পর্যায়ে জানতে চাওয়া হয় কী কী পরিবর্তন আনতে হবে যানজট বা পরিবেশ সংক্রান্ত অসুবিধে এড়াতে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে জানতে চাওয়া হয় তাদের পছন্দের পরিবহন মাধ্যম কী এবং তাতে কী পরিবর্তন আনতে হবে?  

    সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, স্কুল বাসের ব্যবহারে ৫-৭% প্রাইভেট কারের ব্যবহার কমবে। প্রাইভেট কারের মালিকাধীন অভিভাবকদেরও খরচ ২-৩% কমবে। এবং যানজট থেকেও অনেকাংশেই মুক্তি পাবে এই শহর। এক্ষেত্রে অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপক্ষ, বাসের ড্রাইভার, কন্ডাক্টর এবং বাস মালিকরা সবাই নির্দিষ্ট নিয়মাবলী বা এসওপি অনুসরণ করার পরামর্শ  দিয়েছেন। যা সব স্কুলের বাসে ক্ষেত্রেই এক থাকবে।  
     
    সব চালক এবং কন্ডাক্টরদের যাবতীয় তথ্য থাকা উচিৎ পুলিশের কাছে, এমনটাই মনে করছেন অভিভাবকরা। প্রতিটি চালকের অন্তত ৫ বছর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা উচিৎ। সরকারের তরফ থেকে গাড়ির গতির বেঁধে দিতে হবে। প্রতিটি গাড়ির তথ্য রাখবে পুলিশ। অভিভাবকরাও চাইলে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স খতিয়ে দেখতে পারেন বা তার কপিও রাখতে পারেন।

    এছাড়া, ওই রিপোর্টে আরও সুপারিশ করা হয়েছে– অভিভাবকরা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চাকার পরিস্থিতিসহ যাবতীয় তথ্য নিজেদের কাছে রাখতে পারেন। সিট বেল্ট না থাকলে সেই বাসে সন্তানকে ছাড়তে আপত্তিও জানাতে পারেন অভিভাবক। মদ্যপান বা গুটখা সেবন করে ড্রাইভার গাড়ি চালাবেন না। পুলিশের সব নির্দেশ মানতে হবে। বাচ্চাদের একা ছাড়া যাবে না। নিয়মাবলীতে এই বিষয়গুলির সুপারিশ করা হয়েছে আইআইটি খড়গপুরের সমীক্ষায়।   

     

     

     

     

     

  • IIT Kharagpur:ভারত-সেরা বাংলার খড়গপুর আইআইটি জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে, পিছিয়ে নেই যাদবপুরও

    IIT Kharagpur:ভারত-সেরা বাংলার খড়গপুর আইআইটি জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে, পিছিয়ে নেই যাদবপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে। বিশ্বের দরবারে ফের জায়গা করে নিল খড়গপুর আইআইটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। খড়গপুর আইআইটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান পেয়েছে। সম্প্রতি ৫০০ সেরা প্রযুক্তিগত শিক্ষাক্ষেত্রের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেই তালিকায় উপরের দিকেই স্থান পেয়েছে বাংলার এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় গোটা দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য সরকার পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় যা বিশ্বসেরার তালিকায় স্থান পেয়েছে।
    খড়গপুর আইআইটি ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে বিশ্বের ১০১ নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সেরা ৫০০-র মধ্যে ১০১ নম্বরে থাকা বিরাট সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। আর যাদবপুরও খুব বেশি পিছিয়ে নেই। কলা ও হিউম্যানিটসের বিচারে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা ৫০০-র মধ্যে একটি। একমাত্র রাজ্য পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়।
    কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ব়্যাঙ্কিংয়ের হিসাবে পঠন-পাঠন বিষয় অনুযায়ী খড়গপুর আইআইটি দেশের শ্রেষ্ঠ তিন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে একটি। ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজির নিরিখে দেশের তিনটি শ্রেষ্ঠ কলেজের মধ্যে একটি হল খড়গপুর আইআইটি। আর আর্টস ও হিউম্যানিটিসের বিচারে দেশের সেরা পাঁচে রয়েছে বাংলার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
    খড়গপুর আইআইটি ১৯টি বিষয়ে বিশ্বের সেরা ১০০-র মধ্যে নিজের স্থান করে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মিনারেল অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং। এই বিভাগে খড়গপুর আইআইটির ব়্যাঙ্কিং ৩৭। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগে খড়গপুর আইআইটির ব়্যাঙ্কিং ছিল ৯০। এখন তারা উঠেছে এসেছে ৮০-তে।
    খড়গপুর আইআইটি বড় চমক দিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বহু বিভাগেই সেরা। এগ্রিকালচাল ও ফরেস্টিতে খড়গপুর আইআইটি-র স্থান এক নম্বরে। শুধু এগ্রিকালচাল ও ফরেস্টিই নয়, স্ট্যাটিস্টিক্স ও অপারেশনাল রিসার্চেও খড়গপুর আইআইটি প্রথম স্থান অর্জন করে রয়েছে দেশের বুকে। মিনারেল ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। পরিবেশবিদ্যাতেও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে খড়গপুর আইআইটি।

LinkedIn
Share