Tag: Iitian

  • Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি কানপুরের প্রাক্তনী অঙ্কুশ সচদেবা প্রবাদটির জীবন্ত উদাহরণ, “ধৈর্য তিক্ত হলেও, তার ফল মিষ্টি।”  অঙ্কুশ একেবারে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছিলেন ১৭টি স্টার্টআপ, কিন্তু একের পর এক সবকটিই ব্যর্থ হয়। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, আইআইটি কানপুর থেকে পাশ করা এই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ১৭ বার অ্যাপ ও স্টার্টআপ চালু করেছিলেন, অথচ একটিও তাঁকে সাফল্য এনে দিতে পারেনি (Ankush Sachdeva)। অঙ্কুশের গল্পটি বলিউডে দেখা প্রচলিত আইআইটি সাফল্য কাহিনির মতো নয়। বরং এটি হাল না ছাড়ার এক অনন্য গল্প। তিনি আইআইটি কানপুর থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক। সাধারণত এখান থেকে পাশ করা ছাত্ররা বড় কর্পোরেট সংস্থার ঝাঁ-চকচকে অফিসে কাজ শুরু করেন। কিন্তু অঙ্কুশ বেছে নিয়েছিলেন ভিন্ন পথ, যে পথে তাঁকে টানা ১৭টি ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

    ইউটিলিটি পরিষেবা (Ankush Sachdeva)

    বছরের পর বছর ধরে ই-কমার্স থেকে শুরু করে ইউটিলিটি পরিষেবা যে সব আইডিয়ায় তিনি মনপ্রাণ ঢেলে দিয়েছিলেন, সেগুলির সবই ভেঙে পড়ে। বাইরের লোকজনের চোখে তিনি ছিলেন এমন এক জেদি মানুষ, যিনি ‘একটা ঠিকঠাক চাকরি’ করতে রাজি নন। কিন্তু অঙ্কুশের কাছে প্রতিটি ব্যর্থতা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ শেখার ধাপ। তিনি শিখেছিলেন নিজেকে ব্যর্থ মনে করতে না। কী কাজ করছে না, তা বাদ দিয়ে তিনি ধীরে ধীরে এমন এক সমস্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, যেটি গোটা টেক দুনিয়ায় প্রায় সবাই উপেক্ষা করেছিল (Ankush Sachdeva)। ২০১৫ সালে আইআইটি কানপুরেরই বন্ধু ফরিদ আহসান ও ভানু সিংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন, ছোট শহর ও গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু স্থানীয় ভাষায় কোনও আকর্ষণীয় অ্যাপ নেই। মূলধারার প্ল্যাটফর্মগুলি সেখানে জনপ্রিয় হচ্ছিল না, এমনকি সেগুলির কনটেন্টও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারছিল না। এটিই ছিল তাঁদের ‘ইউরেকা মুহূর্ত’।

    শেয়ার চ্যাট

    সেখান থেকেই জন্ম নেয় শেয়ার চ্যাট। শুরু হয় হিন্দি ভাষা দিয়ে, পরে তা বিস্তৃত হয় মালয়ালম, গুজরাটি, বাংলা, পাঞ্জাবি-সহ মোট ১৫টি ভারতীয় ভাষায়। এটি কোনও ইংরেজি অ্যাপের অনুবাদ মাত্র নয়, বরং এটি ছিল একেবারে নতুন ধরনের অ্যাপ, যেখানে ছিল হাস্যরস, স্থানীয় খবর এবং মেট্রো শহরের বাইরের ভারতের দৈনন্দিন বাস্তবতা। প্রশ্ন হল, এই শেয়ার চ্যাট কি সফল হয়েছিল? আজ্ঞে, হ্যাঁ। ২০২২ সালের মধ্যে শেয়ার চ্যাটের মূল্যায়ন পৌঁছে যায় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকায়। এটি হয়ে ওঠে লাখ লাখ মানুষের জন্য ডিজিটাল ‘নুক্কড়’, একটি এমন অনলাইন আড্ডার জায়গা, যাঁরা এতদিন বৈশ্বিক ইন্টারনেট জগতে প্রায় অদৃশ্য ছিলেন।

    ২০২১ সালের মধ্যেই শেয়ার চ্যাটের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১৬ কোটি। সংস্থার প্রধান কার্যালয় ভারতের বেঙ্গালুরুতে, বৈষ্ণবী টেক পার্কে অবস্থিত। শেয়ার চ্যাট পরিচালনা করে মহল্লা টেক। সংস্থাটির উপস্থিতি ভারত, আমেরিকা ও ইউরোপে থাকলেও এর মূল প্রযুক্তি কেন্দ্র এখনও বেঙ্গালুরুতেই, যা ভারতের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হাব (Ankush Sachdeva)।

     

LinkedIn
Share