Tag: illegal construction

illegal construction

  • Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচ-বিরাটির পর এবার হুগলির (Hooghly) নবগ্রাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন্নগরের (Konnagar ) নবগ্রামে পাঁচিল ধসে (wall collapse ) মৃত্যু হয়েছে ২ জন শ্রমিকের। কোনরকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ চলছিল, ঠিক এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। বৃহস্পতিবার ঈদের দিনেই এমন দুর্ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সকলে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু (Konnagar Incident) বলে মনে করা হচ্ছে।

    নির্মাণে বেআইনি অনুমোদন ছিল (Konnagar Incident)

    আজ সকালে ঘটনাটি ঘটে হুগলির উত্তরপাড়া (uttarpara) থানার অন্তর্গত নবগ্রাম পঞ্চায়েতের নবচক্র এলাকায়। স্থানীয়রা বলেছেন, নির্মাণ কাজ চলার সময় পাঁচিল ধসে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ঘটনায় দু’জন শ্রমিকের মৃত্যুর (Konnagar Incident) পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও একজন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে ওই শ্রমিকের অবস্থায় আশঙ্কাজনক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শ্যামল দাস (৪৮) নামে এক শ্রমিকের। এরপর আহত আরও দুজনকে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত্যু হয় সোনা শীল (৩১) নামে আরও এক শ্রমিকের। অপর আহত ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁর অবস্থা ভীষণ আশঙ্কাজনক।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    গত পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল এই স্থানে। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, “কোনও রকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ (Illegal Construction) চলছিল। রাস্তার পাশে পুরোনো পাঁচিল গার্ড না করেই কাজ হচ্ছিল। বাঁশ দিয়ে পাঁচিলে সাপোর্ট দেওয়া ছিল। এখন প্রশ্ন কীভাবে পঞ্চায়েত এলাকায় জি-প্লাস ফোর আবাসনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে? বেআইনিভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এই কাজে। খোদ প্রধানের ওয়ার্ডে এমন কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে ভারী গাড়িতে করে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসায় রাস্তায় ধস নেমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকবার নিষেধ করা হলেও শোনেনি কেউ। তাই এই বিপত্তি (Konnagar Incident) ঘটেছে। প্রশাসন সবটার জন্য দায়ী।”

    নির্মাতার বক্তব্য

    গোটা ঘটনায় নির্মাতা গণেশ দাস বলেন, ‘‘কপালে ছিল, তাই হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ২০ জন শ্রমিক কাজ শুরু করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ সঠিক নয়। বাঁশ দিয়ে পাঁচিল ঘেরা ছিল। কপালে ছিল তাই দুর্ঘটনা হয়ে গিয়েছে। পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল। কিন্তু কোনও অভিযোগ ছিল না।’’

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর “আলাঘরে” আগুন দিল তৃণমূল! শোরগোল

    বিজেপির বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, “নিয়ম না মেনেই ওই নির্মাণ চলছিল। তৃণমূল প্রধান এই কাজের সঙ্গে জড়িত।” তবে বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। নবগ্রাম (nabagram) অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব মজুমদার বলেন, ‘‘আবাসন তৈরি হচ্ছিল জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়ে। অসাবধান হওয়ায় একটি পাঁচিল ভেঙে দুর্ঘটনাটি (Konnagar Incident) ঘটেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পে।।

  • Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    Calcutta High Court: “অবৈধ বাড়ি ভাঙার নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ নয়”, বললেন বিচারপতি সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেআইনিভাবে নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার নির্দেশের ওপর কোনওরকম স্থগিতাদেশ নয়। স্থগিতাদেশের কোনও আবেদনই শুনব না। যে আদালতই নির্দেশ দিক, সেটাই বহাল থাকবে।” মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালত জানিয়েছে, আগে মানুষের জীবন সুরক্ষিত হোক, আদালত এই ধরনের মামলায় কোনও হস্তক্ষেপই করবে না। বাড়ি ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও মামলার অনুমতিও নয়। মঙ্গলবার বিচারপতি সিনহার এজলাসে এ সংক্রান্ত তিনটি মামলার আবেদন এসেছিল। একটি মামলাও গৃহীত হয়নি।

    বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন (Calcutta High Court)

    এদিন ইকবালপুরের একটি বেআইনি নির্মাণ মামলার শুনানি হচ্ছিল বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিনহার এজলাসে। বাড়িটির বাইরের অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এই মামলায় পুরসভা ৩০ দিন সময় চেয়েছিল। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, একটা বাড়ির বাইরের অংশ ভাঙতে ৩০ দিন সময় লাগে? বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আছে কিনা, তা জানাতে পুরকমিশনারের হলফনামা তলব করেছে আদালত। ৯ এপ্রিল ওই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। তিনি বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?”

    বহুতল বিপর্যয়ে ভয়ঙ্কর ছবি

    গার্ডেনরিচে (Calcutta High Court) বহুতল বিপর্যয়ের পর উঠে আসছে ভয়ঙ্কর সব ছবি। একটি বহুতলের ওপর হেলে পড়েছে আর একটি বহুতল। দুই বহুতলের মাঝে ফাঁক মাত্র এক আঙুলের। ৯টি প্রাণের বিনিময়ে নড়েচড়ে বসেছে কলকাতা পুরসভাও। থানাগুলিকেও নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের হেড কোয়ার্টার লালবাজার। এহেন আবহেই এমন পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার। বিচারপতি বলেন, “বাইরের অংশের কলাম আর বিম ভাঙার নির্দেশ দেওয়া ছিল। বাইরের দেওয়াল ভাঙতেও এত সময়! কেন? প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। তার পরেই তিনি (Calcutta High Court) বলেন, “যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে, আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?

    আরও পড়ুুন: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share