Tag: Immune System

Immune System

  • Date molasses: শীত মানেই খেজুর গুড়! কতখানি উপকারী আর কাদের জন্য বিপজ্জনক?

    Date molasses: শীত মানেই খেজুর গুড়! কতখানি উপকারী আর কাদের জন্য বিপজ্জনক?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রার পারদ ফের নেমেছে। তাই রাজ্য জুড়ে শীতের (Winter) আমেজ। শীতের যেসব খাবার বাঙালির রসনা তৃপ্তি করে, সেই তালিকায় প্রথম দিকেই রয়েছে খেজুর গুড়। যার গন্ধে ও স্বাদে বাঙালি মজে থাকেন! পায়েস হোক কিংবা পরোটা, শীতের খেজুর গুড়ের (Date molasses) স্বাদ ও গন্ধ এই সময়ে বাড়তি উষ্ণতা জোগায়। কিন্তু খেজুর গুড় শরীরে কী প্রভাব ফেলে! কতখানি উপকার করে, নাকি এই খাবারে ক্ষতির পাল্লা বেশি ভারী! বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, খেজুর গুড়ের গুণ একাধিক। তবে ক্ষতির দিকটিও নজর দেওয়া দরকার। বিশেষত সকলের জন্য এই খাবার স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে। কতখানি উপকারী খেজুর গুড়?

    শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটায় (Date molasses)

    খেজুর গুড়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে আয়রন খুব প্রয়োজন। তাছাড়া, শরীরের এনার্জি ধরে রাখতেও আয়রনের দরকার। খেজুর গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। তাই শরীরে আয়রনের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়‌।

    লিভারের জন্য বিশেষ উপকারী

    খেজুর গুড় লিভারের জন্য উপকারি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খেজুর গুড়ে (Date molasses) রয়েছে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম। এই দুই উপাদান শরীরের জন্য উপকারি। এতে লিভার সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত খেজুর গুড় খেলে লিভারের কার্যকারিতা বাড়ে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    হজমে সাহায্য করে (Date molasses)

    খেজুর গুড় হজম শক্তি বাড়ায় বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত এক টুকরো খেজুর গুড় খেলে হজম শক্তি বাড়ে‌। অন্ত্র সুস্থ থাকে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাড়তি সাহায্য করে খেজুর গুড়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর গুড় থেকে শরীর সহজে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম পায়। তাই এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য হয়।

    ত্বক ভালো থাকে

    খেজুর গুড় ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর গুড় (Date molasses) ত্বককে মসৃণ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষ করে ত্বকের ব্রণ কমাতে খেজুর গুড় বাড়তি সাহায্য করে।

    কাদের জন্য ক্ষতিকারক এই খাবার?

    খেজুর গুড়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখার একাধিক গুণ থাকলেও এর (Date molasses) বেশ কিছু দিক যথেষ্ট ক্ষতিকারক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর গুড়ে যথেষ্ট পরিমাণে শর্করা থাকে। তাই এই খাবার নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। শরীরে শর্করার পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে। 
    আবার, খেজুর গুড় দেহের ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর গুড় নিয়মিত খেলে স্থূলতার সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে, যাঁরা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই খাবার বাড়তি ক্ষতিকারক।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Antibiotics: সামান্য কিছু হলেই টপাটপ অ্যান্টিবায়োটিক? জানেন কত বড় বিপদ ডেকে আনছেন?

    Antibiotics: সামান্য কিছু হলেই টপাটপ অ্যান্টিবায়োটিক? জানেন কত বড় বিপদ ডেকে আনছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঋতু পরিবর্তনের সময় সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশি হোক কিংবা পেটের অসুখ, যে কোনও সমস্যাতেই অনেকে  অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) খান। একটা অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স করলেই সব সমস্যা মিটে যাবে, অনেকের ধারণা এটাই।‌ তাই অনেক সময়েই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ইচ্ছে মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া চলতেই থাকে। আবার অনেকে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক খান। আর এর জেরেই বাড়ছে বিপদ। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে সেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ফলে, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এখন থেকেই সতর্ক না হলে পরে আরও বড় বিপদ অপেক্ষা করছে।

    কী বিপদের আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (Antibiotics)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার। তার ফলেই বাড়ছে বিপদ। শিশু বয়স থেকেই যে কোনও সামান্য অসুখে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত  অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার জেরে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে শরীর ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া করছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যান্টিবায়োটিক বেশি খাওয়ার জেরে শরীরের ভিতরে থাকা জীবাণু ওষুধের বিরুদ্ধে শক্তিশালী থাকার কৌশল জেনে যাচ্ছে। এর ফলে বড় কোনও অসুখ হলে ওই ওষুধ আর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছে না।‌ অ্যান্টিবায়োটিকের (Antibiotics) বিরুদ্ধে যেসব জীবাণু শক্তি বাড়াচ্ছে, তাদের বিশেষজ্ঞেরা ‘সুপারবাগস’ বলেই চিহ্নিত করেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর ফলে বিভিন্ন জটিল অসুখে শারীরিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। বিশেষত যে কোনও অস্ত্রোপচারের পরে শরীরে ইনফেকশন আটকানো‌ আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ, বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস শরীরে প্রবল শক্তিশালী হয়ে থাবা বসাচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ বয়স্কদের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে এই সুপারবাগস (superbugs)। বয়স বাড়লে নানান অসুখে শরীর কাবু হচ্ছে। কিন্তু কোনও ওষুধ শরীরে ঠিকমতো কাজ করছে না।‌ শারীরিক পরীক্ষা করে ধরা পড়ছে অধিকাংশ ওষুধের বিরুদ্ধে শরীরে জীবাণুর রেজিস্ট্যান্স শক্তি তৈরি হয়ে গিয়েছে। এর ফলে ভোগান্তি কয়েকগুণ বাড়ছে। আবার হাসপাতালে বারবার ভর্তি থাকতে হলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। শরীরের ভিতরের একাধিক ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠছে। ফলে নানান জটিল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ছে‌।

    কীভাবে সুপারবাগস-এর বিরুদ্ধে মোকাবিলা সম্ভব? (Antibiotics)

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা এবং সতর্কতাকেই হাতিয়ার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনই অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায় না, এ নিয়ে আরও সচেতনতা জরুরি। কারণ, অনেকেই এ ব্যাপারে একেবারেই সতর্ক নয়। বিশেষত শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতনতা জরুরি। সামান্য সর্দি-কাশি কিংবা সাধারণ ভাইরাসঘটিত অসুখে একেবারেই যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। কারণ খুব ছোট থেকেই এভাবে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী জীবনে জটিলতা (Big danger) আরও বাড়বে। তাই সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) খাওয়া দরকার। তবেই এই বিপদ আটকানো সম্ভব হবে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Immunity Power: একটু ভারী খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যাচ্ছে শরীর! বারবার ভোগান্তি রুখবেন কীভাবে?

    Immunity Power: একটু ভারী খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যাচ্ছে শরীর! বারবার ভোগান্তি রুখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে কিংবা যে কোনও অনুষ্ঠান-উদযাপনের খাওয়া-দাওয়ার পরেই বিগড়ে যায় শরীর। কখনও জ্বর-সর্দি-কাশি, আবার কখনও পেটের অসুখ! বছরভর নানান ভোগান্তি লেগেই থাকে। ঋতু পরিবর্তনের মরশুমে বাড়ে আরও বিপদ। গলাব্যথা থেকে জ্বর কিংবা সর্দি! অসুখের জেরে অনেকেই নাজেহাল হন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকার জেরেই এই বিপদ! শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Immunity Power) কম থাকলে নানান রোগের কবলে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য জরুরি রোগ প্রতিরোধ শক্তি! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরোয়া উপাদানেই এই সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব। নিয়মিত কিছু খাবার খেয়েই বাড়ানো যাবে ইমিউনিটি পাওয়ার! যার ফলে সামান্য অসুখেই শরীর কাবু হবে না। এছাড়াও সাধারণ ভাইরাস ঘটিত অসুখের ভোগান্তিও কমবে! এবার জেনে নিন, কীভাবে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ শক্তি?

    জলখাবারে থাকুক সাইট্রাস ফল (Immunity Power) 

    বাড়ির বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনে হোক কিংবা বড়দের প্রাতঃরাশে, অন্যান্য খাবারের সঙ্গে নিয়মিত থাকুক সাইট্রাস ফল। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাইট্রাস ফল হল বিভিন্ন ধরনের বেরি জাতীয় ফল। অ্যাপ্রিকট থেকে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি-সবগুলোই সাইট্রাস গোত্রীয় ফল। নিয়মিত এই জাতীয় ফল খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। কারণ, সাইট্রাস জাতীয় ফলে থাকে ভিটামিন সি। শরীরে এই ভিটামিন সি-র জোগান থাকলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আবার এটা রক্তে শ্বেত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। তাই দেহের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

    রান্নায় ব্যবহার হোক হলুদ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করলে রোগ প্রতিরোধ‌ শক্তি (Immunity Power) বাড়ে। কারণ, হলুদে থাকে কারকিউমিন। এই উপাদান শরীরে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত অসুখের ঝুঁকি কমায়। আবার আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের বিরুদ্ধেও মোকাবিলা করে। তাই হলুদ রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    দুপুরের খাবারে পাতে থাকুক শাক

    যে কোনও ধরনের শাক শরীরের জন্য উপকারী, এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুঁই শাক হোক কিংবা পালং শাক, যে কোনও ধরনের শাক শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।‌ কারণ,  শাকে থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো উপাদান। এই উপাদানগুলো পেশিকে মজবুত করে। শরীরের  প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Immunity Power) বাড়ে। তাই নিয়মিত দুপুরে ভারী খাবার অর্থাৎ ভাত কিংবা রুটি খাওয়ার সময় সঙ্গে থাকুক এক ধরনের শাক! এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    টক দই থাকুক শেষ পাতে

    শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে খাবারের শেষ পাতে থাকুক টক দই। এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইয়ে থাকে একাধিক ভালো ব্যাকটেরিয়া। যা মানুষের শরীরের অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই নিয়মিত টক দই খেলে অন্ত্রের রোগের ঝুঁকি (Illness) কমবে। পেটের অসুখ এবং হজম জনিত সমস্যায় ভোগান্তি কমবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে।

    মুরগির ডিম এবং মাংস দেবে বাড়তি শক্তি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহে প্রোটিনের চাহিদা ঠিকমতো পূরণ না হলে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই নিয়মিত প্রোটিন‌ জাতীয় খাবার জরুরি।‌ তাই মেনুতে মুরগির‌ ডিম কিংবা মাংসের পদ থাকা জরুরি। তবে অবশ্যই সহজপাচ্য রান্না হতে হবে।‌ যাতে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি ৬-র মতো উপাদানের জোগান‌ ঠিকমতো হয়। নিয়মিত ডিম এবং মাংস জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খেলে পেশি মজবুত হবে। আয়রনের চাহিদা পূরণ হবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে (Immunity Power)।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covid 19 Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ নিয়ে দিব্যি রয়েছেন! জার্মান প্রৌঢ়কে দেখে তাজ্জব সকলে

    Covid 19 Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ নিয়ে দিব্যি রয়েছেন! জার্মান প্রৌঢ়কে দেখে তাজ্জব সকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার ভ্যাকসিন (Covid 19 Vaccine) নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা চলছেই। কোন ভ্যাকসিন কতটা কার্যকরী সে নিয়েও চলেছে দীর্ঘদিনের গবেষণা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ভারতের ভ্যাকসিন সব থেকে বেশি কার্যকরী। এবার ভ্যাকসিনের হাইপারডোজ (Vaccine Overdose) নিয়ে এক গবেষণায় উঠে এল রীতিমতো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    শরীরে কোভিড ভ্যাকসিনের ২১৭টি ডোজ (Vaccine Overdose)!

    করোনা ভ্যাকসিনের হাইপারডোজ কি শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে? এমন প্রশ্ন দানা বাঁধে অনেকেরই মনে। সম্প্রতি, এক গবেষণায় মিলল তারই উত্তর। একজন জার্মান নাগরিক যিনি দাবি করেছেন,  ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) আটটি বিভিন্ন ধরনের ২১৭টি ডোজ তিনি নিয়েছেন নিজের শরীরে। এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি শরীরে। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন। জানা গিয়েছে, ওই  জার্মান নাগরিক বিগত ২৯ মাস ধরে ২১৭টি ভ্যাকসিনের ডোজ (Vaccine Overdose) নিয়েছেন। যার মধ্যে ১৩৪টি ডোজ গবেষকরা পরীক্ষা করেছিলেন।

    হাইপারডোজ শরীরে কি প্রভাব ফেলবে?

    এই এত হাইপারডোজ সত্যিই কি শরীরে কোনও প্রভাব ফেলে? বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে ওই ব্যক্তি ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত জানতে পারেন, কোনও রকমের ইনফেকশন তাঁর শরীরে সংক্রমিত হয়নি। ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) কোনও বিরূপ প্রভাবও তাঁর শরীরে পড়েনি। এর পাশাপাশি, গবেষকরা ওই ব্যক্তির কোনও কোষে কোনও রকমের আলাদা প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেননি। ওই কোষগুলি সেভাবেই কাজ করছিল যেমনটা ঠিক ভ্যাকসিনের আগে ছিল। এর পাশাপাশি যাঁরা চিকিৎসকদের অনুমোদনের পরে সীমিত সংখ্যক ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন, তাঁদের মতোই ওই কোষগুলি সক্রিয় ছিল। মস্তিষ্কের কোষগুলির ক্ষেত্রে গবেষকরা লক্ষ্য করেন, এগুলি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    কী বলছেন গবেষক?

    এ বিষয়ে গবেষক ডাক্তার কিলিয়ান সোবার জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনগুলি সত্যিই খুব কার্যকর এবং তার কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এর পাশাপাশি, তিনি সতর্কও করেছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে সীমিত পরিমাণ ভ্যাকসিনই নিতে হবে। তার বেশি যেন না নেওয়া হয়। শেষে ওই গবেষক এও জানিয়েছেন, হাইপারডোজের ভ্যাকসিনের (Covid 19 Vaccine) কারণে ইমিউনিটি সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে, এই ভেবে কেউ যেন অতিরিক্ত ভ্যাকসিন (Vaccine Overdose) না নেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Health Tips: বয়স ৪০ পেরিয়েছে? সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

    Health Tips: বয়স ৪০ পেরিয়েছে? সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমে যায়, তাই ৪০ বছর বয়সের আগে এবং বয়সের সময় পুরুষদের খাদ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা বলেন ৪০ বছর বয়সের পরে ছেলেদের বিপাক ক্রিয়া কমে যায়। ফলে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওজন বৃদ্ধি, বিশেষ করে পেটের চর্বি ও নান রকমের রোগ দেখা যায়।

    ৪০ বছরের বেশি বয়সের লোকেদের জন্য বিশেষ খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সেগুলো হল-

    আরও পড়ুন: সুস্থ থাকতে রোজ খান এই ৫টি শাক, বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

    ফাইবার যুক্ত খাবার: আপনার খাদ্যতালিকায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত কারণ ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  এছাড়াও হজমশক্তি বাড়াতে জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। কালো বিনস, ডাল, ওটস, শাক, বাদাম, কাজুবাদাম ইত্যাদি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

    কম সোডিয়াম পরিমাণ যুক্ত খাবার: কম সোডিয়াম যুক্ত খাবার খেলে শরীরে পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। কম সোডিয়াম যুক্ত খাবারের মধ্যে কলা, পালং শাক ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

    ডায়েটে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: আপনার ডায়েটে জলপাই, বাদাম, অ্যাভোকাডোর মতো জিনিস অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এগুলোতে ভালো পরিমাণে স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। ৪০ বছর বয়সের পর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়াও ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও বাড়তে পারে। এই সমস্যা এড়াতে আপনাকে ভালো ফ্যাট যুক্ত খাবার ডায়েটে রাখা উচিত এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন: করোনা থেকে সেরে উঠেছেন? ভালো থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো: রোগ প্রতিরোধের  ক্ষমতা বাড়াতে গোলমরিচ, দারচিনি, লবঙ্গ, আদা খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

    ভেষজ খাবার ও মশলা: খাদ্যতালিকায় ভেষজ জাতীয় খাবার অর্থাৎ তুলসী, অশ্বগন্ধা, গুলঞ্চ রাখা উচিত ও মশলার মধ্যে হলুদ, কালো জিরা, গোলমরিচ, দারচিনি রাখা উচিত।

    এছাড়াও যেসব খাবার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে এমন খাবার খাওয়া উচিত। এছাড়াও যেসব খাবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে তেমন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

LinkedIn
Share