Tag: Imran Masood

  • BJP: ক্যাপ্টেন স্মিতের সাহসিকতা নিয়ে গান্ধী পরিবারের ‘নীরবতা’, কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    BJP: ক্যাপ্টেন স্মিতের সাহসিকতা নিয়ে গান্ধী পরিবারের ‘নীরবতা’, কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভয়াবহ সঙ্কটের সময়ে ১৭০-রও বেশি যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের সাহসিকতা নিয়ে গান্ধী পরিবার ‘নীরব’—এই অভিযোগ তুলে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শ নীরবে সন্ত্রাসকে সমর্থন করে।

    ঘটনার কয়েক দিন (Gandhi Family) পরেই এই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর বিমানে সহ-পাইলটের হামলার পরেও ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর পরিস্থিতি সামাল দিয়ে বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুকে ঘুরিয়ে নিয়ে যান। ভয়াবহ ওই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে তিনি গুরুতর জখম হন।

    গান্ধী পরিবারকে নিশানা (BJP)

    রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, “ভারতের জন্য এমন গর্বের মুহূর্তে কিছু লজ্জাজনক ঘটনাও রয়েছে। ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য কংগ্রেসের প্রথম পরিবারের পক্ষ থেকে একটি কথাও, কোনও সোশ্যাল মিডিয়ার বার্তা বা সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি আসেনি।”

    সোনিয়া গান্ধীকে কটাক্ষ করে ত্রিবেদী বলেন, “এতে একটি প্রশ্ন উঠছে—প্রথম পরিবারের ‘রাজমাতা’ সোনিয়াজি, যাঁর বাতলা হাউস সংঘর্ষে অভিযুক্তদের জন্য চোখে জল এসেছিল, তাঁর কি ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য সামান্য সহানুভূতির সুরও নেই?”

    কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাকেও আক্রমণ শানান বিজেপি সাংসদ। তাঁর কথায়, “যে রাজকুমারী ‘প্যালেস্টাইনের প্রতি সমর্থন’ লেখা ব্যাগ নিয়ে ঘুরতেন, তিনি এখন ভারতীয় পাইলটের জন্য কোনও সহানুভূতি দেখাননি।”

    তবে বিজেপির এই আক্রমণের জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের নবনিযুক্ত কার্যকরী সভাপতি তথা কংগ্রেস সাংসদ ইমরান মাসুদ অভিযোগ করেন, বিজেপি ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ঘটনাকে একটি রাজনৈতিক ‘অনুষ্ঠানে’ পরিণত করার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে তিনি ভারতীয় পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসাও (BJP) করেন।

    গান্ধী পরিবারের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন

    গান্ধী পরিবারের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মাসুদ বলেন, “ক্যাপ্টেন স্মিত নিজের জীবন এবং অন্যদের জীবন বাঁচিয়েছেন। তাঁর সাহসিকতাকে কুর্নিশ। কিন্তু বিজেপি সব কিছুকে একটি অনুষ্ঠানে পরিণত করেছে—বিষয়টি এমন নয়। বিজেপি প্রায় প্রতিটি বিষয়কেই একটি অনুষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা করে। তিনি বেঁচে আছেন, আমরা শুধু প্রার্থনা করি তিনি যেন সুস্থ থাকেন। এটাই যথেষ্ট।”

    উল্লেখ্য, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানে সহ-পাইলটের হামলার পর তৈরি হওয়া ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর অসাধারণ দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁর তৎপরতায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয় এবং বিমানে থাকা ১৭০-রও বেশি মানুষের জীবন রক্ষা পায় (Gandhi Family)।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এখন বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ক্যাপ্টেন স্মিতের সাহসিকতার প্রশংসা করলেও ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার বিরোধিতা করেছে (BJP) কংগ্রেস।

     

  • IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্কিত শর্মা হত্যা (IB Officer Murder Verdict) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর তাহির হুসেন। তারপর মঙ্গলবার আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। তাঁর দাবি, তাহির হুসেনের পাশাপাশি এই ঘটনার সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কারণ তিনি হুসেনকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন।

    বিজেপি নেতার বক্তব্য (IB Officer Murder Verdict)

    সাংবাদিক বৈঠকে আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে গৌরব বলেন, “এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন তাহির হুসেন। ওই সময় তিনি আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর ছিলেন এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। আজ তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৬৫ ধারায় অপহরণ এবং ১৫৩এ ধারায় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জাভেদ, আনাস, নাজিম এবং কাসিমকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাহির হুসেনের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছিল এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।” ভাটিয়ার দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসায় নিহত প্রায় ৬০ জনের জন্য কিংবা অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল একটি কথাও বলেননি।

    জনতাকে উসকে দেন তাহির

    আদালতের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “আদালত জানিয়েছে, অঙ্কিত যখন নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনতার সামনে এসেছিলেন, তখন তাহির জনতাকে উসকে দেন। আদালত আরও বলেছে, অভিযুক্তরা একটি ষড়যন্ত্র ও অভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে হিন্দুদের হত্যা করতে চেয়েছিল এবং সেই কারণেই অঙ্কিত শর্মাকেও হত্যা করা হয়।” তাঁর প্রশ্ন, “কেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাহিরকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন? কেন তিনি অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়াননি?” আম আদমি পার্টির নেতা আমানতুল্লা খানের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। ভাটিয়ার অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অঙ্কিতের দেহে ৫১টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর অভিযোগ, এত নৃশংস ঘটনার পরেও কেজরিওয়াল কখনও শর্মা পরিবারের পাশে দাঁড়াননি।

    আপ এবং কংগ্রেসকেও নিশানা

    কংগ্রেসকেও নিশানা করেন এই বিজেপি কর্তা। তাঁর অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ভুয়ো আতঙ্ক ছড়িয়ে কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল। তিনি বলেন, “সংসদে আইন পাস হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী এমন পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, যাতে মনে হয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে। আজ আমি জানতে চাই, কতজন ভারতীয় মুসলিম তাঁদের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন? উত্তর একটিও নয়।” সোনিয়া গান্ধীর ‘শেষ পর্যন্ত লড়াই’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে (IB Officer Murder Verdict) ভাটিয়া বলেন, “যখন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল না, তখন এই লড়াই কীসের জন্য ছিল?” রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তিনি (রাহুল) দাঙ্গা কবলিত এলাকায় গিয়ে একটি মসজিদে গিয়েছিলেন, যদিও অঙ্কিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি। এটি নিরাময়ের স্পর্শ নয়, বরং রক্তাক্ত করার স্পর্শ ছিল।”

    শেষে বিজেপির পক্ষ থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর কাছে দিল্লিবাসী ও দেশের মানুষের উদ্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে আমানতুল্লা খান এবং ইমরান মাসুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা (BJP) নেওয়ারও দাবি তোলেন ভাটিয়া। তিনি বলেন, “যে-ই যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন না। দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসার প্রত্যেক অপরাধীকেই আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে (IB Officer Murder Verdict)।”

     

LinkedIn
Share