Tag: inaguaration of ram mandir

inaguaration of ram mandir

  • Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাকি রয়েছে আর মাত্র এক মাস। ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে সমস্ত বিশিষ্ট জন্য উপস্থিত থাকবেন তাদের তালিকা তৈরি করা হয়ে গেছে। রাম মন্দিরের অতিথি তালিকায় রয়েছেন পর্দার রাম অভিনেতা অরুণ গোভিল। সূত্রের খবর, আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন পর্দার সীতা দীপিকা চিখলিয়াও। এক সাক্ষাৎকারে অরুণ গোভিল বলেন, “হ্যাঁ আমি আমন্ত্রণ পেয়েছি। এ এক বিরাট মুহূর্ত, খুশির মুহূর্ত এবং সুবর্ণ সুযোগ।” 

    কারা আমন্ত্রিত?

    আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন, অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রানাউত, সুনীল গাওস্কর, শচীন তেন্ডুলকর, রতন টাটা, বিরাট কোহলি, মুকেশ অম্বানী, গৌতম আদানির মতো ব্যক্তিত্ব। আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও অন্যান্য রাজনীতিবিদ। সেই তালিকায় যুক্ত হলেন অরুণ গোভিল। আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা মোট ৪ হাজার।

    গর্ভগৃহের ছবি প্রকাশ্যে 

    ইতিমধ্যে শনিবারে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, মন্দিরের গর্ভগৃহের দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। জানা গিয়েছে, সেখানেই রামলালার মূর্তিকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিনে মোট ৫০ টি দেশের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। পুজোর পরে বিগ্রহের চক্ষুদানও করা হবে। পুজোয় যজমানের ভূমিকায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামলালার তিনটি মূর্তি তৈরীর কাজ বর্তমানে চলছে এবং পাথর আনা হয়েছে কর্ণাটক ও রাজস্থান থেকে।  রামলালার মূর্তি তৈরীর কাজ করে চলেছেন গণেশ ভাট, অরুণ যোগীরাজ এবং সত্যনারায়ণ পান্ডে। জানা গিয়েছে, উপরের অংশের ৭০টি পিলারের ভাস্কর্যের কাজ এখনও বাকি রয়েছে। দক্ষিণ দিকের বেসমেন্টের কাজ বর্তমানে শেষ হয়েছে। জানা গিয়েছে, রামলালা অবস্থান করবেন গর্ভগৃহে। সেই গর্ভগৃহ নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আবার সমগ্র রাম মন্দির জুড়ে থাকবে আলোর মালা, সেই আলোকসজ্জার কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    RSS: জানুয়ারিতে দেশের ৫ লাখ গ্রামে রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারিতেই ভক্তদের জন্য খুলে যাচ্ছে রামমন্দিরের দরজা। ঠিক তার আগে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি দেশের গ্রামে গ্রামে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা। জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ৫ লাখ গ্রামে চলবে এই প্রচারাভিযান। গুজরাটের ভুজে মঙ্গলবার এই ঘোষণা করতে শোনা গেল সঙ্ঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলেকে। প্রসঙ্গত, রবিবার ৫ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে শুরু রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক ছিল। মঙ্গলবার শেষ হয় বৈঠক। এদিনই সাংবাদিক সম্মেলন করেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর। প্রসঙ্গত, আগেই সঙ্ঘের তরফে জানানো হয়েছিল গুজরাটের কার্যকারিণী বৈঠকের মূল অ্যাজেন্ডা হতে চলেছে রামমন্দির। এছাড়াও দত্তাত্রেয় হোসাবলের সাংবাদিক বৈঠকে আরও বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

    বাড়ছে সঙ্ঘের কাজ, সারা দেশে শাখা রয়েছে ৯৫,৫২৮

    সঙ্ঘ নেতা (RSS) দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, দেশে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সঙ্ঘের কাজ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে দেশে বর্তমানে ৫৯,০৬০ মণ্ডল রয়েছে, যার মধ্যে ৩৮ হাজার মণ্ডলে বর্তমানে সঙ্ঘের কাজ পৌঁছেছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে, সেসময় দেশের প্রতিটি মণ্ডলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান দত্তাত্রেয়। সারাদেশে বর্তমানে ৯৫,৫২৮টি শাখা চলছে বলে জানান সঙ্ঘের সরকার্যবাহ।

    সঙ্ঘের বর্তমান সদস্য কত? 

    দত্তাত্রেয় হোসবালে এদিন বলেন, ‘‘সঙ্ঘের কোনও সদস্যতা হয়না। শাখায় যাঁরা আসেন তাঁরাই স্বয়ংসেবক (RSS)। আবার বেশ কিছু সঙ্ঘের আয়াম রয়েছে সেগুলিও দেশজুড়ে সেবাকাজ চালিয়ে থাকে। তবে প্রতিবছর গুরু পূজনে স্বয়ংসেবকরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। চলতি বছরে গুরুপূজনে অংশ নিয়েছেন ৩৭ লাখেরও বেশি স্বয়ংসেবক।’’

    প্রসঙ্গ হিন্দুরাষ্ট্র

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দত্তাত্রেয় হোসাবলে এদিন বলেন, ‘‘ভারত প্রথম থেকেই হিন্দুরাষ্ট্র। আলাদাভাবে ঘোষণার কোনও দরকার নেই। সংবিধান State-এর কথা বলে। অন্যদিকে রাষ্ট্র হল সাংস্কৃতিক ধারনা। দেশে যখন ব্রিটিশরাজ চলতো তখনও ভারত হিন্দুরাষ্ট্র ছিল।’’ বিশেষজ্ঞ মহল এক্ষেত্রে মান্যতা দিচ্ছেন দত্তাত্রেয়র মতকেই। কারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে State হল Sovereign Authority, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। অন্যদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে ‘রাষ্ট্র’ সাংস্কৃতিক ধারনা বলা যেতেই পারে। তাই ব্রিটিশ শাসনকে State বলেছেন দত্তাত্রেয় এবং ভারত হল রাষ্ট্র। State রাজনৈতিক ক্ষমতা, এরফলে ভারত রাষ্ট্রের হিন্দুত্ব বৈশিষ্ট্যের কোনও বদল হয়না।

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘ, বদল হচ্ছে প্রশিক্ষণবর্গেও

    পরিবেশ রক্ষায় সঙ্ঘের (RSS) বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানান দত্তাত্রেয়। তিনি বলেন, ‘‘রাজস্থানে ইতিমধ্যে স্বয়ংসেবকরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। পরিবেশ যাত্রায় ১৪ হাজার কিমি পথ অতিক্রমও করেছেন রাজস্থানের স্বয়ংসেবকরা। কর্নাটকের সঙ্ঘ কার্যকর্তারা ১ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি নিয়েছেন।’’ এদিন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করতেও নিষেধ করেন এই সঙ্ঘনেতা। অন্যদিকে, সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ বর্গগুলিতে বিষয়বস্তুর বদল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে খরচ কত জানেন?

    Ram Mandir: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে খরচ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রামভক্তদের (Ram Mandir) মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়।

    ২৩ জানুয়ারি সাধারণের জন্য খুলছে রাম মন্দিরের দ্বার

    জানা গিয়েছে, রামভক্তদের জন্য ২৩ জানুয়ারি থেকেই খুলে দেওয়া হচ্ছে মূল দ্বার। অযোধ্যার রাম মন্দিরে মোট পাঁচটি মণ্ডপ তৈরি হবে এবং সেগুলিকে পেরিয়েই ভক্তরা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের ভাষায়, ‘‘রামমন্দিরের অন্দরসজ্জা চোখ ধাঁধানো। পাঁচটি মণ্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে রামলালার এই মন্দিরে। এই পাঁচ মণ্ডপ পেরিয়ে তারপর গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন রাম ভক্তরা (Ram Mandir)। এর জন্য মোট ৩৯০ ফুট হেঁটে অতিক্রম করতে হবে দর্শনার্থীদের। এছাড়াও রয়েছে পরকোটা বা পরিক্রমা মার্গ। এটিই সবচেয়ে সুন্দরভাবে এবং সবচেয়ে বেশি খরচ করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।’’

    রামমন্দির তৈরিতে খরচ ১৮০০ কোটি টাকা!

    রামমন্দির তৈরিতে খরচও নেহাত কম নয়। মন্দির তৈরি হচ্ছে সম্পূর্ণভাবে ভক্তদের দানের ওপরে। ‘রামজন্মভূমি (Ram Mandir) তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’- এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত রামমন্দির তৈরির জন্য মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ১,৮০০ কোটি টাকা। শুধুমাত্র মন্দিরের বহির্বিভাগে থাকা ৭৯৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ‘পরকোটা’ তৈরি করতেই খরচ হচ্ছে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা। মন্দিরের অন্দরবিভাগ এবং গর্ভগৃহ নির্মাণে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণভাবে রামমন্দির নির্মাণ হতে সময় লাগবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। মোট ৬০ থেকে ৭০ হাজার দর্শনার্থী একবারে রামমন্দিরের (Ram Mandir) দর্শন করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয়। এর পরবর্তীকালে ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে ‘অক্ষত পুজো’, অর্ডার দেওয়া হল ১০০ কুইন্টাল চালের

    Ram Mandir: ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে ‘অক্ষত পুজো’, অর্ডার দেওয়া হল ১০০ কুইন্টাল চালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি ২০২৪ সালে অযোধ্যায় রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে (Ram Mandir)। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের। তার আগে আগামী ৫ নভেম্বর রাম জন্মভূমিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘অক্ষত পুজো’। এই অক্ষত পুজোকে ঘিরে এখন সাজোসাজো রব অযোধ্যা জুড়ে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ১০০ কুইন্টাল চালের অর্ডারও দিয়ে ফেলেছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। অক্ষত পূজার দিন গোটা দেশে এই একশ কুইন্টাল চালের ভোগ প্রসাদ বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাস্টের সচিব চম্পত রাই।

    কী বলছেন ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সচিব? 

    অক্ষত পুজো নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সচিব চম্পত রাই বলেন, ‘‘ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ১০০ কুইন্টাল চালের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। অক্ষত পুজোতে এই চাল ব্যবহার করা হবে। তারপর গোটা দেশে সেই চাল রামভক্তদের মধ্যে বিলি করা হবে। এর সঙ্গেই এক কুইন্টাল হলুদ বাটা এবং দেশি ঘিও আনা হবে রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir)।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘৫ নভেম্বরের অক্ষত পুজোতে ভগবান রামলালার সামনে ওই চাল ভরা কলসিগুলি সমর্পণ করা হবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মাধ্যমে ফের রামলালার সেই ভোগ প্রসাদ সকলের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এই পুজিত অক্ষত ভোগের সঙ্গেই দু’কোটি চিঠি প্রেরকের মাধ্যমে পাঠানো হবে রামভক্তদের। যে চিঠিগুলি ছাপানো হয়েছে।’’

    সারাদেশের ৫ লাখ গ্রামে পৌঁছাবে অক্ষত ভোগ

    ১০০ কুইন্টাল চালের সঙ্গে এক কুইন্টাল ঘি এবং এক কুইন্টাল হলুদ বাটা মেশানো হবে। তারপর তা পেতলের কলসিতে ভরে রাখা হবে। সেই মাখা চাল পরে বিতরণ করা হবে। অক্ষত পুজো উপলক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতাকর্মীরাও ৫ নভেম্বর অযোধ্যায় হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যেক বিশ্বহিন্দু পরিষদের প্রতিনিধির হাতে তুলে দেওয়া হবে ৫ কেজি করে অক্ষত ভোগ। প্রতিনিধিরা এরপর ওই ভোগ নিজের নিজের এলাকায় গিয়ে মন্দিরে নিবেদন করবেন (Ram Mandir)। তারপর সেই ভোগ প্রত্যেক ব্লক, জেলা কিংবা গ্রামের প্রতিনিধিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভারতের ৫ লাখ গ্রামে অক্ষত চাল বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’এর পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে আগামী ২২ শে জানুয়ারি যখন রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, সেদিন যেন প্রত্যেক রামভক্ত বাড়িতে অন্ততপক্ষে পাঁচটি করে প্রদীপ জ্বালান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share