Tag: inauguration ram mandir

inauguration ram mandir

  • Ram Mandir: রাম মন্দির নির্মাণে অনুদান তারকাদেরও, কে কত দিলেন?

    Ram Mandir: রাম মন্দির নির্মাণে অনুদান তারকাদেরও, কে কত দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তার পরেই হতে চলেছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। আজ সোমবারই রামলালার (Ram Mandir) মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যায়। হাজির থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলিউডের তারকা থেকে শিল্পপতিরা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। ‘মাহেন্দ্রক্ষণ’-এর যত এগিয়ে আসছে, ততই দেশজুড়ে বাড়ছে উন্মাদনা।

    ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৪ বছরের মাথায় উদ্বোধন হচ্ছে মন্দির। জানা গিয়েছে, মন্দির নির্মাণে (Ram Mandir) খরচ হয়েছে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা। রামমন্দির তৈরিতে বিপুল আর্থিক অনুদান দিয়েছেন সেলিব্রেটি থেকে সাধারণ মানুষজন। অক্ষয় কুমার থেকে অনুপম খের, হেমা মালিনী আর্থিক অনুদান দিয়েছেন।

    কোন তারকা দিয়েছিলেন কত? দেখে নেওয়া যাক—

    অক্ষয় কুমার

    দিন কয়েক আগেই গত ১৭ জানুয়ারি অক্ষয় কুমার সকলকে অনুরোধ করেছিলেন রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণে অনুদান দেওয়ার জন্য। সেসময়ই তিনি নিজের অনুদান দেওয়ার বিষয়টিও জানান। কিন্তু টাকার পরিমাণ কোনওভাবেই সামনে আনেন নি তিনি। শোনা যায়, কোটিতে দান করেছেন অক্ষয় কুমার।

    অনুপম খের

    রাম মন্দিরের নির্মাণে ইটের জন্য পয়সা দিয়েছেন অনুপম খের। সে কথা নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি এক ভিডিও বার্তায় (Ram Mandir)। তাঁর অনুদানের প্রতিটি ইটের উপর ‘রাম’ লেখা।

    প্রণিতা সুভাষ

    কন্নড়, তেলুগু, তামিল, হিন্দি ছবির অতিপরিচিত মুখ প্রণিতা সুভাষও অনুদান করেছেন রামমন্দির নির্মাণে। জানা গিয়েছে তিনি দিয়েছেন ১ লক্ষ টাকা।

    গৌতম গম্ভীর

    বিজেপি সাংসদ ও প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীরের অনুদানের পরিমাণ এক কোটি টাকা।

    মুকেশ খান্না

    ‘শক্তিমান’ও অনুদান করেছেন মন্দির নির্মাণে। তিনি দিয়েছেন এক লক্ষ ১১ হাজার টাকা। নিজেই ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন একথা।

    পবন কল্যাণ

    দক্ষিণী অভিনেতা পবন কল্যাণও রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে অর্থ সাহায্য করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। পবন দিয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

    হেমা মালিনী

    বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মালিনীও অনুদান করেছেন মন্দির নির্মাণে। যদিও অর্থের পরিমাণ সকলের সামনে আনতে চাননি তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই অযোধ্যা পৌঁছন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত। রামনগরীতে (Ram Mandir) পা রেখেই মোহন ভাগবত জানান, অযোধ্যার মন্দিরে রামলালার বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ভারতবর্ষের ‘পুনর্নির্মাণ’ অভিযানের সূচনা হতে চলেছে। এর পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘দ্বন্দ্ব এবং তিক্ততা’-র অবসান হওয়া উচিত।

    গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রায়ের ভিত্তিতে নির্মাণ হয়েছে রাম মন্দির। আজ সোমবার সেই মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার বিগ্রহের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে সমাজমাধ্যমের পাতায় মোহন ভাগবত লেখেন, ‘‘গোটা সমাজের কাছে রাম হল আদর্শ। যে বিতর্ক, যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল, তা এখন শেষ হওয়া উচিত। সেই নিয়ে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা-ও শেষ হওয়া উচিত। সমাজের আলোকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ বার দেখা উচিত, যাতে ওই বিতর্ক নির্মূল হয়।’’

    রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’

    প্রসঙ্গত, ৫০০ বছরের লড়াইয়ে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। মন্দিরের নির্মাণকে ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’ বলে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত। তিনি লিখেছেন, ‘‘রাম জন্মভূমিতে রামলালার প্রবেশ এবং তার প্রাণপ্রতিষ্ঠা আদতে ভারতবর্ষের পুনর্নির্মাণ অভিযানের সূচনা, বৈরিতা ছাড়া সকলকে গ্রহণ, সম্প্রীতি, ঐক্য, উন্নয়ন, শান্তির পথ দেখানোর সূচনা।’’ মোহন ভাগবতের কথায় উঠে এসেছে বিদেশি আক্রমণকারীদের প্রসঙ্গও। তিনি লিখেছেন, ‘‘বিদেশি আক্রমণকারীরা ভারতে মন্দির ধ্বংস করেছে। এক বার নয়, বার বার। ওদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় সমাজকে মনোবলহীন করে তোলা, যাতে ওরা দীর্ঘ সময় বাধাহীন ভাবে ভারতে রাজত্ব করতে পারে।’’

    ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি

    প্রসঙ্গত, ১৫২৮ সালে রাম মন্দির (Ram Mandir) ধ্বংস করে সেই স্থানে বাবরি মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। একথাও উল্লেখ পেয়েছে মোহন ভাগবতের লেখায়। তবে ভারতের ক্ষেত্রে বিদেশি আক্রমণকারীদের কৌশল খাটেনি বলেই মনে করেন মোহন ভাগবত। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় সমাজে বিশ্বাস, নীতি, অঙ্গীকার কখনওই নত হয়নি। প্রতিহত করার লড়াই এখানে ক্রমাগত চলেছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এই কারণেই বার বার জন্মভূমি (রাম)-র দখল নিয়ে সেখানে মন্দির নির্মাণের চেষ্টা হয়েছে। তার জন্য অনেক যুদ্ধ, লড়াই, আত্মত্যাগও হয়েছে। রাম জন্মভূমি ইস্যু ভারতবাসীর মর্মে প্রবেশ করেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মন্দির প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করেই বদলে যাচ্ছে সামগ্রিক অযোধ্যার চিত্র। আগেই জানা গিয়েছে, ১৭৮টি প্রকল্প বর্তমানে চলছে অযোধ্যায়। আন্তর্জাতিক মানের শহর গড়ে তোলা হচ্ছে রামনগরীকে। গত ৩০ ডিসেম্বর মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১০ বছরে অযোধ্যায় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিকল্পনা শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে 

    সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ২০৩১ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের পরেই প্রতিদিন গড়ে তিন লক্ষ মানুষের পা পড়বে অযোধ্যার পূণ্যভূমিতে। অযোধ্যা শহর লাগোয়া নতুন টাউনশিপ গড়ে উঠবে ১,২০০ একর জায়গাজুড়ে। এই নতুন উপনগরীকে নতুনভাবে এবং ধীরে ধীরে গড়ে তোলা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে। এর জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ২,২০০ কোটি টাকা। বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলা হবে অযোধ্যাকে। আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যগত ভূমিতে পরিণত হবে রামনগরী। স্থপতিশিল্পী এবং শহর পরিকল্পনাকারী দিক্সু কুকরেজা যিনি এই পুরো পরিকল্পনাটির নীল নকশা তৈরি করেছেন, তিনি জানিয়েছেন যে, সমস্ত রকমের অত্যাধুনিক মানের সুবিধা এবং পরিষেবা মিলবে অযোধ্যায়। পুণ্যার্থীদের ঢল এখানে এতটাই নামতে চলেছে যে অনুমান করা হচ্ছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং তীর্থযাত্রীদের অনুপাত দাঁড়াবে ১:১০।

    ৮৭৫ বর্গ কিমি এলাকাজুড়ে গড়ে উঠবে পর্যটন ব্যবস্থা

    তীর্থযাত্রীদের পা পড়তেই ফুলে ফেঁপে উঠবে অযোধ্যার বাণিজ্য। সব থেকে ভালো চলবে হোটেল ব্যবসা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীদের (Ram Mandir) থাকার জন্য সেখানে গড়ে উঠবে সরকারি গেস্ট হাউস, হোটেল সমেত আরও অন্যান্য বাসস্থান। নকশা অনুযায়ী, ৩১.৫ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত মূল শহরের এলাকা ও ১৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত বর্তমানে পরিকল্পিত শহর এলাকা সহ মোট ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অযোধ্যা উন্নয়ন পর্ষদ এলাকায় বিভিন্ন পরিকাঠামো ও পর্যটন কেন্দ্রিক কাজ হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কনে সীতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যায় আসছে হাজারেরও বেশি উপহারের ডালি

    Ram Mandir: কনে সীতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যায় আসছে হাজারেরও বেশি উপহারের ডালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই সাজো সাজো রব অযোধ্যা জুড়ে। পিছিয়ে নেই নেপালের জনকপুরও। তার কারণ এটিই সীতামাতার জন্মস্থান বলে ভক্তদের বিশ্বাস। মন্দির উদ্বোধনের আগেই তাই জানকীর জন্মস্থান থেকে ৫০০ জনের একটি প্রতিনিধি দল অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা হবেন। ৪ জানুয়ারি ওই প্রতিনিধি দলের রওনা হওয়ার কথা। তাঁদের সঙ্গে থাকবে ১,১০০ ডালি অর্থাৎ বাক্স। যেখানে ভগবান রামের জন্য থাকবে বিভিন্ন উপহার। যে কোনও বাঙালি বাড়ির বিয়েতে তত্ত্বের ডালি নিয়ে যাওয়ার রীতি রয়েছে বর ও কনের দু’বাড়ির তরফ থেকেই। রামে ঘরে ফেরার আগে এখানেও সেই রীতি দেখা যাবে।

    রামের জন্য ডালি ভরা উপহার

    জনকপুর থেকে যাত্রা করার পরে ওই প্রতিনিধি দল অযোধ্যায় পৌঁছাবে ঠিক দুদিন পরে ৬ জানুয়ারি। কী কী থাকবে ওই ডালিগুলিতে? জানা গিয়েছে, সেখানে থাকবে বিভিন্ন জুয়েলারি যেমন সোনা এবং রুপোর অলংকার, শুকনো ফল, পোশাক, প্রসাধনিক। এছাড়াও খাদ্যদ্রব্য, চাল এই সমস্ত কিছু। জনকপুর থেকে অযোধ্যাপুরী (Ram Mandir) পর্যন্ত এই যাত্রার জন্য একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটির অন্যতম সদস্য রয়েছেন ললিত শাহ। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীতা মাতার জন্মস্থান থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত এই যাত্রা সম্পন্ন হবে এবং তা পৌঁছাবে ৬ জানুয়ারি।

    ৬ জানুয়ারি সকাল ৮টায় মন্দিরে পৌঁছাবে ওই প্রতিনিধি দল

    জানা গিয়েছে, অযোধ্যার (Ram Mandir) স্থানীয় প্রশাসনও জনকপুর থেকে আগত অতিথিদের থাকার বন্দোবস্ত করে ফেলেছে ইতিমধ্যে। প্রসঙ্গত জনকপুর থেকে অযোধ্যার দূরত্ব হল ৪৫৮ কিলোমিটার। ওই অতিথিরা আসবেন তিরিশটি ছোট গাড়ি এবং পাঁচটি বাসে। ৫ জানুয়ারি তাঁরা রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করবেন। এরপরে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বেতিয়াতে। তারপর তাঁরা গোরক্ষপুর এবং বস্তিপুর হয়ে অযোধ্যায় (Ram Mandir) পৌঁছাবেন সকাল ৮টায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share