Tag: Income Tax

Income Tax

  • Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ ছিল তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে। এবার তা নিয়ে তল্লাশিতে নামতেই তদন্তকারী অফিসারদের চক্ষু একেবারে চড়কগাছ। বিরাট জালিয়াতি চক্রের খোঁজ পেয়েছে আয়কর দফতর। সংস্থার বিরুদ্ধে করফাঁকি এবং বিভিন্ন জায়গায় রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ব্যবসায় সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৭০০০০ কোটি টাকার আয় গোপন রাখা হয়েছে বিভিন্ন রেস্তরার পক্ষে। তবে নগদ টাকার হেরফের (Income Tax) করা হয়েছে সব থেকে বেশি। এই ভাবে খাবারের রেস্তোরাঁয় এতবড় জালিয়াতি আগে কখনও ধরা পড়েনি বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা (Estaurant Tax Scam)

    হায়দ্রাবাদের জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার (Estaurant Tax Scam) দিকে নজর ছিল সকলেরই। সেই মতো গত বছর নভেম্বর মাসে বিভিন্ন রেস্তরাঁয় হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৭০০০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি। প্রথম বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। এরপর সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি আলোড়িত হয়। জানা গিয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবসার করে এই আর্থিক (Income Tax) অনিয়ম করা হয়। ২০১৯-২০ সাল থেকেই এই কাজ করা হয়েছিল।

    সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা

    গোটা তদন্ত আয়কর আইনের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়। এরপর ১৩৩ এ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত অর্থবর্ষে লেনদেন সংক্রান্ত ৬০ টের বেশি টেরাবাইট তথ্য দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতর জানিয়েছে, দেশের ১ লক্ষের বেশি রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ওই বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছিল। এটা ভারতের রেস্তরাঁ ব্যবসার প্রায় ১০ শতাংশ। মোট ২ কোটি ৪২ লক্ষ কোটি টাকার বিল পরীক্ষা করে দেখেন তদন্তকারী অফিসাররা। তদন্তে জানা যায়, বিল তৈরির পর ১৩, ৩২৭ কোটি টাকার হিসেব মুছে দেওয়া হয়। ইচ্ছা করেই বিক্রির যথার্থ হিসেব গোপন করা হয়। হায়দ্রাবাদে আয়কর (Income Tax) বিভাগের ডিজিটাল ল্যাবে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। এআই ব্যবহার করে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার হিসেব দেখতে রেস্তরাঁর আইডি, জিএসটি নম্বর, প্যান নম্বর সংক্রান্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখা হয়।

    কর্ণাটকে ২০০০ কোটির দুর্নীতি

    আয় কর বিভাগের দাবি করে জানিয়েছে, ১) কার্ড, UPI, নগদ লেনদেনের সব কিছু প্রথমে সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে, অধিকাংশ লেনদেনের বাদ দেওয়া হয়। রেস্তরাঁয় (Estaurant Tax Scam) নগদ টাকার বিলগুলি সব সরিয়ে ফেলা হয়। আয় কম বিল গুলি দেখানো হয়। ২) রেস্তরাঁগুলি ৩০ দিন পর্যন্ত সময়সীমার আয়ের রেকর্ড ডিলিট করে দেয়। পরবর্তীতে সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা করে। ৩) আবার পুরোপুরি মুছে না ফেলে, আয় (Income Tax)কম দেখানো হয়।

    এই আর্থিক দুর্নীতি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, গুজরাটে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ৫১৪১ কোটি, কর্ণাটকে ২০০০ কোটি, তেলেঙ্গানায় ১৫০০, তামিলনাড়ুতে ১২০০ কোটি টাকার হিসেব ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আয়ের ২৭ শতাংশ লুকিয়ে রেখে হিসেব দেওয়া হয়েছে।

  • Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬ ফেব্রুয়ারি খসড়া আয়কর বিধি, ২০২৬ প্রকাশ করেছে আয়কর বিভাগ (Income Tax)। এই বিধিগুলি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ (IT Act 2025) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রক্রিয়াগত কাঠামো নির্ধারণ করেছে। খসড়া বিধিগুলির সঙ্গে প্রস্তাবিত নতুন আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্মও প্রকাশ করা হয়েছে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মতামতের জন্য তা জনসমক্ষে রাখা হয়েছে। করদাতা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, শিল্প সংস্থা এবং অন্যান্য ভুক্তভোগীদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারির আগে তারা যেন নিজেদের পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়া জমা দেন।

    খসড়া বিধি (Income Tax)

    যেখানে আয়কর আইন, ২০২৫ কর সংক্রান্ত মৌলিক আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে, সেখানে খসড়া বিধিগুলি ব্যাখ্যা করেছে আইনটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে। এতে মূল্যায়ন পদ্ধতি, রিটার্ন দাখিলের ফরম্যাট, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং করদাতা, পেশাদার ও কর কর্তৃপক্ষের জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কর ব্যবস্থায় মসৃণ রূপান্তরের জন্য সময়মতো খসড়া বিধি প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসবিএইচএস অ্যান্ড কোং-এর  প্রতিষ্ঠাতা হিমাঙ্ক সিংলা বলেন, “বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে নতুন আয়কর ফর্ম ও বিধি আগেভাগেই প্রকাশ করা হবে, যাতে করদাতা ও পেশাদাররা অপ্রস্তুত না হন (IT Act 2025)।” তিনি আরও বলেন, “১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার কথা। তার আগেই খসড়া বিধি ও ফর্ম জনপরামর্শের জন্য প্রকাশ করে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।”

    খসড়া বিধিগুলির উল্লেখযোগ্য দিক

    খসড়া বিধিগুলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, বিদ্যমান কাঠামোর তুলনায় এর আকার ও পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে (Income Tax)। নয়াদিল্লি-ভিত্তিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিভা গোয়েল বলেন, এই পদক্ষেপ কর আইনের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানোর একটি সচেতন প্রয়াস। তিনি বলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সঙ্গে ছিল ৫১১টি বিধি। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ৩২৩টি করা হয়েছে, ফলে পুরো ব্যবস্থা অনেক বেশি সহজ ও বোধগম্য হয়ে উঠেছে।” চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে আয়কর বিধি, ২০২৬, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা আয়কর বিধি, ১৯৬২-কে প্রতিস্থাপন করবে। আধিকারিকদের মতে, বছরের পর বছর সংশোধনের ফলে যে অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তি ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করাই এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। সিংলা বলেন, “স্পষ্টভাবেই লক্ষ্য হল সরলীকরণ, অপ্রচলিত বিধান বাদ দেওয়া এবং আইনের পাঠযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। খসড়া বিধিতে টেবিল, সূত্র ও কাঠামোবদ্ধ ফরম্যাটের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, ফলে কমপ্লায়েন্স আরও নিরপেক্ষ হবে এবং করদাতা ও বিভাগের মধ্যে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিরোধ কমবে।”

    রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব

    কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রেও খসড়া বিধিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মানসম্মত ও যুক্তিসংগত আয়কর রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন ফর্মগুলিতে প্রযুক্তি ও অটোমেশনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। এর মূল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে, পূর্বে পূরণ করা তথ্য (pre-filled data)-এর বেশি ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় মিল (automated reconciliation) এবং সিস্টেম-নির্ভর যাচাই, যাতে রিটার্ন দাখিলের সময় ভুল কমে। আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের মতে, এর ফলে করদাতাদের অভিজ্ঞতা যেমন উন্নত হবে, তেমনই কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থার দক্ষতাও বাড়বে (IT Act 2025)। সিংলা বলেন, “এর ফলে ভুল কমবে, কমপ্লায়েন্স সহজ হবে এবং রিটার্ন প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে।” বাস্তবায়নের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই খসড়া বিধি প্রকাশ করাকে করদাতা ও পেশাদারদের মধ্যে পূর্বানুমেয়তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরামর্শকাল করদাতাদের বাস্তব সমস্যাগুলি তুলে ধরার, প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়ার এবং স্পষ্টীকরণ চাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

    আয়কর আইন, ২০২৫ হল ১৯৬১ সালের পর ভারতের প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার অন্যতম বৃহত্তম সংস্কার। নতুন আইনটির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ও সুসংগঠিত বিধির সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার এমন এক কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে (Income Tax) চায়, যা মানা সহজ, পরিচালনায় সরল এবং বিরোধের সম্ভাবনা কম (IT Act 2025)।

     

  • ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। ৩০ সেপ্টেম্বর আয়কর রিটার্ন ফাইলের (ITR Filing) সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে মুখ খুলল আয়কর বিভাগ (Income Tax)। কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ আর্থিকবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের পরে আর বাড়ানো হবে না। ওই রিপোর্টকে জাল বলেও অস্বীকার করেছেন কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, আইটিআর দাখিলের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আয়কর দফতর জানিয়েছে, এই ভুয়ো খবরগুলিতে বিশ্বাস করবেন না, আয়কর বিভাগের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলের ওপর বিশ্বাস রাখুন।

    আইটিআর ফাইল করতে হবে (ITR Filing)

    অডিট না করা করদাতাদের জরিমানা এড়াতে তাঁদের আইটিআর ফাইল করতে হবে। তবে যেসব করদাতার অ্যাকাউন্ট অডিট করা প্রয়োজন, যেমন, কোম্পানি, মালিকানা এবং কোনও ফার্মে কর্মরত অংশীদার, তাদের ২০২৫-২৬ মূল্যায়ন বর্ষের জন্য ৩১ অক্টোবর, ২০২৫-এর আইটিআর দাখিল করতে হবে। এর আগে তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হবে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এর মধ্যে। অডিট না করা করদাতাদের জন্য আইটিআর দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর মিস করলেও, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ তাদের স্বস্তি দিতে আয়কর বিভাগ ই-ফাইলিং পোর্টালে দেরি হওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রেখেছে।

    ছাড় পাবেন কারা

    যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে অথবা অন্য কোনও গুরুতর কারণে জরুরি পরিস্থিতিতে সময় মতো রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তখন তাঁদের কোনও জরিমানা বা জরিমানা ছাড়াই দেরিতে রিটার্ন দাখিল করার বিকল্প দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে প্রথমে দেরির জন্য ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করতে হবে। অনুরোধ গৃহীত হলে কোনও জরিমানা দিতে হবে না। এ ক্ষেত্রে অবশ্য পর্যাপ্ত প্রমাণপত্রও জমা দিতে হবে (ITR Filing)। প্রসঙ্গত, কর আইন অনুসারে যাঁরা ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি মিস করবেন, তাঁদের দিতে হবে লেট ফি। বার্ষিক (Income Tax) আয় ৫ লাখ হলে জরিমানা দিতে হবে হাজার টাকা, এর ওপর হলে গুণতে হবে ৫ হাজার টাকা (ITR Filing)।

  • Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Budget 2025)। তাঁর এই বাজেটে স্বস্তি পেয়েছেন মধ্যবিত্তরা। ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর (Income Tax Slab) দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, তাহলে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকার আয়ে ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লাখে যে ১০ শতাংশ কর দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা কীসের? সেক্ষেত্রে, কীভাবে কর-মুক্ত সম্ভব?

    স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন (Budget 2025)

    নয়া কর ব্যবস্থায়, বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২ লাখ টাকার ওপর ৭৫ হাজার টাকা স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন হিসেবে আয়ের ওপর কোনও কর দিতে হবে না। যদিও সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, ৪ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকা রোজগারে ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্সের পরিমাণ ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ১৫ শতাংশ। ১৬ লক্ষ টাকা থেকে ২০ লক্ষ টাকাপর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২০ শতাংশ, ২০ লক্ষ টাকা থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২৫ শতাংশ। এবং ২৪ লক্ষ টাকার উপরে বার্ষিক আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে সবাইকে৷

    আইনের ৮৭এ ধারা

    আমজনতার প্রশ্ন হল, বার্ষিক ১২ লক্ষ আয়ের উপর কোনও ট্যাক্স না থাকলে, ৪ থেকে ৮ লক্ষের উপর ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লক্ষের উপর ১০ শতাংশ ট্যাক্স তাহলে দেখানো হচ্ছে কেন? বিষয়টা অনেকের কাছেই গোলমেলে লাগছে। তাই প্রয়োজন ব্যাখ্যার। সরকার যে ছাড়ের আইন করেছে, তা আইনের ৮৭এ ধারায়। এর অর্থ হল, আপনার আয়ের মোট ট্যাক্স যদি কোনও স্ল্যাব অনুযায়ী গণনা করা হয়, তাহলে করদাতা কিছু ছাড় পাবেন। বিষয়টা ভালো করে বোঝা যাক। যদি কারও বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ টাকার মধ্যে হয়, তাহলে ওই ব্যক্তির ট্যাক্স হবে ২০ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হলে, কর দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট কর হয় ৬০ হাজার টাকা। এবার ৮৭এ-এর আওতায় ১২ লাখ টাকার বার্ষিক আয়ের ওপর কর রিবেট বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ বা বার্ষিক ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হয়, তাঁকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। এটাই হল ট্যাক্স রিবেট (Budget 2025)।

    প্রশ্ন হল, ট্যাক্স রিবেট কী? ট্যাক্স রিবেট হল একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক আইন, যা করদাতাদের রোজগারের ওপর ধার্য কর থেকে ত্রাণ হিসেবে দেওয়া হয়। এই আইনটি তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁদের বার্ষিক আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার নীচে (Income Tax Slab)। ভারতে এই বিধানটিই আসে আয়কর আইনের ৮৭এ ধারায় (Budget 2025)।

  • Income Tax: আয়করে ছাড় বাড়তে চলেছে! নতুন বছরের বাজেট নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

    Income Tax: আয়করে ছাড় বাড়তে চলেছে! নতুন বছরের বাজেট নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে আমজনতাকে স্বস্তি দিতে আয়ের ওপর (Income Tax) করছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে মোদি সরকার। সূত্রের খবর, মধ্যবিত্তের সুবিধায় বার্ষিক ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন এমন ব্যক্তিদের আয়ের ওপর করছাড় বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক আলোচনা শুরু করেছে। আসন্ন বাজেটে আয়করে ছাড় দিয়ে সাধারণ রোজগেরে মানুষের হাতে খরচযোগ্য টাকার সংস্থান বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেটে কর কমানোর কথা ঘোষণা করতে পারেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    উপকৃত হবেন ১ কোটি করদাতা

    ২০২০ সালের, অর্থাৎ, নতুন কর (Income Tax) ব্যবস্থায় বাড়ি ভাড়া, বিমা বা কোনও বিনিয়োগের ওপর করছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায় না। এই ব্যবস্থায় বার্ষিক ৩ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ হিসাবে কর ধার্য করা হয়। তার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ হিসাবে কর নেওয়া হয়ে থাকে। কেন্দ্র আয়করে ছাড় দেওয়ার কথা বিবেচনা করলেও কতটা ছাড় দেওয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করার আগেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর। আয়করের ওপর ছাড় দেওয়া হলে কেন্দ্রের কত রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে সে বিষয়ে না জানালেও এক কর্তার দাবি করের হার কমানো হলে আরও বেশি সংখ্যক ব্যক্তি নতুন, অপেক্ষাকৃত সরল কর ব্যবস্থা বাছবেন। ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে বাজেট পেশের সময় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলে প্রায় ১ কোটি করদাতা উপকৃত হবেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    নতুন করব্যবস্থায় ছাড়ের সম্ভাবনা

    ভারতীয় করদাতাদের (Income Tax) সামনে দুই কর ব্যবস্থার মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একটিতে বাড়ি ভাড়া এবং বিমার উপর কর ছাড় পাওয়া যায়। আর ২০২০ সালে আনা নতুন ব্যবস্থা, যেখানে করের হার সামান্য কম হলেও বিভিন্ন উপকরণে বিনিয়োগের ওপর কোনও ছাড় পাওয়া যায় না। সরকারি সূত্রের দাবি, কর কমলে বহু করদাতা নতুন ব্যবস্থায় শামিল হবেন। তবে এতে রাজকোষের কতটা ক্ষতি হবে তার ইঙ্গিত মেলেনি। একাংশের অবশ্য বার্তা, সরকার সর্বাধিক কর পায় বার্ষিক কমপক্ষে ১ কোটি টাকা রোজগেরেদের থেকে। তাঁরা ৩০% হারে কর দেন। কেন্দ্র আয়করে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। এখন জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে। নতুন নিয়মে এবার আয়কর (Income Tax) রিটার্ন ফাইলিংয়ের শেষ দিনে সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৯১৭টি আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। যা রেকর্ড বলে দফতর সূত্রে খবর।

    কত আয়কর রিটার্ন জমা পড়ল? (Income Tax)

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৭.২৮ কোটির বেশি আয়কর (Income Tax) রিটার্ন (২০২৪-২৫) ফাইল করা হয়েছে। যা গত বছরের থেকে ৭.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ৬.৭৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছিল। আগের তিন বছর সেই সংখ্যাটা ৫.৭ কোটি থেকে ৫.৮ কোটির মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল।  শুধুমাত্র ৩১ জুলাই জমা পড়েছে ৬৯.৯২ লাখের বেশি আয়কর রিটার্ন। ঘণ্টার নিরিখে সবথেকে আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত আটটার মধ্যে। সেই সময় ৫.০৭ লাখ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই ছিল আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। এদিন ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের পোর্টালে ৩.২ কোটির বেশি লগইন হয়েছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ দিনে প্রতি সেকেন্ডেও হু হু করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। সেকেন্ডের নিরিখে সর্বোচ্চ আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সকাল ৮ টা ১৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। সংখ্যাটা হল ৯১৭। মিনিটের নিরিখে সর্বোচ্চ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে রাত ৮ টা ৮ মিনিটে। সংখ্যাটা হল ৯,৩৬৭।  

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    নয়া আয়কর কাঠামোয়ই বাজিমাত

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পুরনো আয়কর (Income Tax) কাঠামোকে ‘গোল’ দিয়েছে নয়া কাঠামো। এবার মোট যে পরিমাণ আয়কর রিটার্ন (IT Return) দাখিল করা হয়েছে, তার ৭২ শতাংশই জমা পড়েছে নয়া আয়কর কাঠামোয়। নয়া আয়কর কাঠামোর আওতায় ৫.২৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। পুরনো আয়কর কাঠামোয় দাখিল করা আয়কর রিটার্নের সংখ্যা ২.০১। তবে, জরিমানা ছাড়াই আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রের তরফে জনানো হয়েছে যে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত এবার প্রথমবারের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৫৮.৫৭ লাখের বেশি মানুষ। আর সার্বিকভাবে আয়কর রিটার্নের (IT Return) মধ্যে আইটিআর-১ ফর্মে সব থেকে বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হল ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে কাউকেই কোনও আয়কর (Income Tax) দিতে হয় না। সেখানে মানুষ যদি কোটি টাকাও উপার্জন করেন, তাহলেও এক টাকাও কর দিতে হয় না। এমনকী, শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড থেকে আয় করলেও তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। সেই সময় সিকিমের (Sikkim) শর্ত ছিল যে তারা শুধু তাদের পুরনো নিয়ম-নীতিই মেনে চলবে এবং স্পেশাল স্টেটাসে থাকবে। আর তাই সেই সময় থেকেই আয়করের আওতার বাইরেই থেকেছে সিকিম। 

    দেশের আয়করের আওতায় বাইরে সিকিম (Sikkim) 

    ভারতে যোগদানের আগে, সিকিমের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ছিল এবং সেখানকার বাসিন্দারা ভারতীয় আয়কর (Income Tax) আইনের অধীনে ছিলেন না। কিন্তু পরে সিকিম যখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, সেই সময় এই শর্তই তাদের দাবিতে ছিল। সেই মোতাবেক, সিকিমের (Sikkim) বাসিন্দারা ১৯৭৫ সালের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি এবং সংবিধানের ৩৭১এফ ধারা অনুসারে করের আওতায় পড়েন না। তাই এই রাজ্যের বাসিন্দাদের উপর ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর হয় না। তবে ১৯৭৫ সালের ২৬ এপ্রিলের আগে থেকে যে সমস্ত আদি বাসিন্দারা বা ‘সিকিমিজ’-রাই কেবল এই সুবিধে পাবেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের

    কিন্তু, এই ‘সিকিমিজ’-এর সংজ্ঞা নিয়ে অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, ১৯৭৫ সালের যুক্তিটি অন্যায্য এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের যুক্তি, ১ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালের আগে সিকিমে বসতি জমানো ভারতীয়দেরও — অর্থাৎ, সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগদানের আগে থেকে ওই রাজ্যে বসবাস শুরু করা ভারতীয়দেরও ‘সিকিমিজ’- হিসেবে গণ্য করতে হবে (যা বর্তমানে করা হয় না)। উপরন্তু, যে সকল সিকিমিজ মহিলা নন-সিকিমিজদের বিয়ে করেছেন, তাঁদেরও এই ছাড়ের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    আদালতের রায় 

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিলের পরে অ-সিকিমি পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত সিকিমিজ মহিলাদের কর ছাড় অস্বীকার করা সত্যিই বৈষম্যমূলক, অবিলম্বে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আদালত তরফে জানানো হয়েছে আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্যক্তিদের ১০(২৬ এএএ) ধারার অধীনে কর ছাড় দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: বাড়ছে না সময়সীমা, আজই আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জানেন তো?

    ITR Filing: বাড়ছে না সময়সীমা, আজই আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৩১ জুলাই। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন (ITR Filing) জমা দেওয়ার শেষ দিন। অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না। তাই যাঁরা এখনও রিটার্ন দাখিল করেননি, তাঁদের হাতে সময় বলতে কেবল আজকের দিনটিই। যাঁদের অ্যাকাউন্ট অডিট করার প্রয়োজন নেই, তাঁদের রিটার্ন দাখিল (Income Tax Return) করতে হবে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই। এদিনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা না হলে জরিমানা দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। অবশ্য বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার কম হলে জরিমানা দিতে হবে হাজার টাকা। আয়ের পরিমাণ যত বেশি হবে, জরিমানার বহরও ততই বড় হবে।

    রিটার্ন দাখিল (ITR Filing)

    জানা গিয়েছে, গত অর্থবর্ষে রিটার্ন দাখিল হয়েছিল ৭ কোটি ৫১ লাখ। পয়লা এপ্রিল থেকে ২৫ জুলাই, এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল হয়েছিল প্রায় পাঁচ কোটি। শেষ সপ্তাহে রিটার্ন দাখিল হয় আড়াই কোটিরও বেশি। এর মধ্যে আবার শেষ দুদিনে রিটার্ন দাখিল হয়েছিল দেড় কোটির কাছাকাছি। কম সময়ে বিপুল পরিমাণ রিটার্ন দাখিল হওয়ায় সেবার একাধিকবার বসে গিয়েছিল আয়কর দফতরের ওয়েবসাইট। এবারও একই ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা আয়কর বিশেষজ্ঞদের। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, ২৬ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ কোটির সামান্য বেশি আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে (ITR Filing)। তাই ৩১ জুলাই হতে পারে এক কোটিরও বেশি রিটার্ন দাখিল।

    ইউ-টার্ন মলদ্বীপের, ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান ফেলে দ্বীপরাষ্ট্রের গলায় ‘ওয়েলকাম ইন্ডিয়া’!

    কীভাবে করবেন?

    প্রশ্ন হল, কীভাবে দাখিল করবেন রিটার্ন? প্রথমে প্যানকার্ড, আধারকার্ড, ব্যাঙ্কের ডিটেলস-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতের কাছে রাখুন। ইনকাম ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে সাইন আপ করুন। নতুন হলে, ‘রেজিস্টার ইওরসেল্ফ অ্যান্ড কি ইন ইওর প্যান টু কমপ্লিট দ্য রেজিস্ট্রেশন প্রসিডিওর’ সিলেক্ট করুন। যাঁরা আগে এভাবে রেজিস্ট্রশন করেছেন, তাঁরা এবার কেবল প্যান, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা কোড দিন। আপনার রোজগার অনুযায়ী বেছে নিন আইটিআর ফর্ম। প্যান, ঠিকানা-সহ যাবতীয় তথ্য জমা করুন। আপনার ফর্ম ঠিকঠাক পূরণ হয়েছে কিনা, তা জানতে ‘ভ্যালিডেট’ বাটন ক্লিক করুন। ট্যাক্স বাবদ আপনাকে কত টাকা দিতে হবে তা জানতে ‘ক্যালকুলেট ট্যাক্স’ বাটনে ক্লিক করুন (Income Tax Return)। পরে ক্লিক করুন ‘ই-পে’ ট্যাক্স। যাচাই করে রিটার্ন দাখিল করুন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Union budget 2024: দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে জমা দিতে হবে ইনকাম ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

    Union budget 2024: দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে জমা দিতে হবে ইনকাম ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে বাজেট পেশ (Union budget 2024) করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার পরে পরেই পেশ হয়েছে অর্থবিল ২০২৪। তাতে বলা হয়েছে, ভারতে বসবাসকারী কোনও ব্যক্তিকে দেশ ছেড়ে যেতে হলে জমা দিতে হবে আয়কর সংক্রান্ত ছাড়পত্রের (Income Tax Clearance) শংসাপত্র। বিলের ৭১ নম্বর ক্লজ আয়কর অ্যাক্ট সংক্রান্ত আইনের ২৩০ নম্বর ধারা সংশোধন করতে চায় সরকার। এই আয়কর অ্যাক্ট ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংক্রান্ত। এই সংশোধনী কার্যকর হবে চলতি বছরের পয়লা অক্টোবর থেকে।

    সার্টিফিকেট প্রয়োজন (Union budget 2024)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উক্ত ধারার উপধারা (১এ), অনুযায়ী, ভারতে বসবাসকারী কোনও ব্যক্তি ভারত ছেড়ে যেতে পারবেন না, যদি না তিনি আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি শংসাপত্র না পান। এই শংসাপত্রে উল্লেখ থাকতে হবে যে, তাঁর কোনও দায় নেই। আয়কর আইন বা সম্পদকর আইন, ১৯৫৭ বা উপহারকর আইন ১৯৫৮ বা ব্যয়কর আইন ১৯৮৭ অনুযায়ী তাঁর কোনও দায় নেই।

    আয়কর আইনের ২৩০ ধারা

    আয়কর আইনের ২৩০ সেকশন অনুযায়ী, যাঁরা ভারতে বসবাস করছেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে তাঁদের অবশ্যই আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে। এই সার্টিফিকেটেই বলা থাকে, ওই ব্যক্তির কোনও কর বকেয়া নেই কিংবা তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকা জমা দিতে হবে। সদ্যই যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, সেখানে ৪২ ও ৪৩ নম্বর ধারায় ব্ল্যাক মানি অ্যাক্ট, ২০১৫-এর তালিকায় যোগ করার প্রস্তাব (Union budget 2024) দেওয়া হয়েছে। যার অধীনে যে কোনও ব্যক্তির ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স শংসাপত্র পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর দায়গুলি ক্লিয়ার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ফের লাভ জিহাদ! হিন্দু মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল মুসলমান শ্রমিক

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ১৯৬১-র ধারা ২৩০ অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যক্তিকে ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হবে না। কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে (Income Tax Clearance), যাঁদের ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন (Union budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sanjay Malhotra: পুরানো এবং নতুন আয়কর ব্যবস্থায় ছাড় ৫০ হাজার, জানালেন কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব

    Sanjay Malhotra: পুরানো এবং নতুন আয়কর ব্যবস্থায় ছাড় ৫০ হাজার, জানালেন কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়করে মধ্যবিত্তের আশা কতটা পূরণ হল? পুরনো কর কাঠামোর আয়ু কত দিনের? এই রকম একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব সঞ্জয় মালহোত্রা (Sanjay Malhotra)। তিনি বলেছেন, “সরকারের নীতি হল, নানা রকম কর ছাড়ের ব্যবস্থা থেকে সরে আসা। ফলে পুরনো আয়করে তেমন সুরাহা দেওয়া হচ্ছে না। তাই নতুন এই আয়কর ব্যবস্থায় যোগ দেবেন সকলে।”

    কী বললেন সঞ্জয় মলহোত্র (Sanjay Malhotra)?

    ভোটের আগে ও পরে বাজেটে আয়করে (Income Tax) ছাড় প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সঞ্জয় মালহোত্রা বলেছেন, “গত বছরের কেন্দ্র সরকারের বাজেটে নতুন আয়কর ব্যবস্থায় (নিউ ট্যাক্স রেজিম) ৩৭,৫০০ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ বছর বাজেটে ১৭,৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। দুই ক্ষেত্র মিলিয়ে দু’বছরে চাকরিজীবীদের মাথা পিছু প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয়করে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এখন আয়কর রিটার্ন ফাইলের কাজ চলছে। আগামী ৩১ জুলাই হল শেষ তারিখ। ৪.৫ কোটি আয়করদাতার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ নতুন আয়কর নিয়মের মধ্যে এসে গিয়েছেন।” মধ্যবিত্তদের জন্য বাজেটে কতটা সুফল রয়েছে এই বিষয়ে প্রশ্ন করতে তিনি আর বলেছেন, “বাজেটে কর্মসংস্থানে জোর দেওয়া হয়েছে। পরিকাঠামোতে যা খরচ করা হচ্ছে তার সুবিধা মধ্যবিত্তরা পাবেন। তবে এটা সরাসরি না হলেও পরোক্ষ ভাবে পাবেন। দেশের অর্থনীতির হাল ভালো হলে মানুষের আয় বাড়বে। আমদানি শুল্কে রদবদল হলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। সরাসরি আয় করের ছাড় অবশ্যই মিলবে। তবে একই সঙ্গে সরকার কোন প্রকল্পে খরচ করছে সেটাও দেখা প্রয়োজন। আয়করে ছাড়ের সঙ্গে প্রকল্পের খাতে খরচ কত হচ্ছে, এই ভাবনাও রাখা একান্ত প্রয়োজন। আয় বাড়লে আয়করের পরিমাণ বাড়ে। ধনীদের থেকে বেশি হারে কর আদায় হয়। একই ভাবে পিএম-কিষান থেকে আবাস যোজনা, বিনামূল্যে রেশনের মতো নানা কল্যাণকর জনমুখী প্রকল্পের দিকেও নজর রাখা দরকার।”

    আরও পড়ুনঃ শ্রদ্ধার সঙ্গে দেশজুড়ে পালিত কালামের মৃত্যুবার্ষিকী

    কর্পোরেট কর আয়করের মতো প্রগতিশীল নয়

    আবার কর্পোরেট কর নিয়ে তিনি (Sanjay Malhotra) বলেছেন, “অনেক দেশেই কর্পোরেট করের হার আয়করের (Income Tax) হারের থেকে কম থাকে। ভারতে কর্পোরেট সংস্থাগুলির উপরে মাত্র ২৫% হারে কর ধার্য করা হয়েছে। আবার তার সাথে শিল্পপতিদের ডিভিডেন্ডের উপরে ৩৯% হারে আয়কর জমা করতে হয়। একই ভাবে শেয়ার বেচাকেনায় ১২.৫% হারে মূলধনী লাভকর দিতে হয়। তবে কর্পোরেট কর আয়করের মতো প্রগতিশীল নয়। কর্পোরেট সংস্থার আয় বৃদ্ধির সঙ্গে করের হার তেমন ভাবে বৃদ্ধি পায় না। তবে ব্যক্তিগত আয়করের ক্ষেত্রে যদি আয় বৃদ্ধি পায় তাহলে করের হারও বৃদ্ধি পায়। কারও বেতন ১০% বাড়লে এমন হতেই পারে তাঁর উপরে করের বোঝা অনেক বেশি বেড়ে গেল। ফলে সরকার ব্যবস্থার মোট কর বাবদ আয়ের ৫৭ শতাংশ ব্যক্তিগত আয়কর থেকে জমা হয়। বাকিটা সম্পূর্ণ আসে কর্পোরেট কর থেকে। আয়কর আইন যত সরল হবে, জমা করার কাজ আরও সহজ হবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share