Tag: Income Tax Department

Income Tax Department

  • Income Tax Department: বিদেশে বিপুল অর্থ পাঠিয়েও নামমাত্র লেনদেন, ৩৯৪ সংস্থার বিরুদ্ধে আয়কর দফতরের যাচাই অভিযান

    Income Tax Department: বিদেশে বিপুল অর্থ পাঠিয়েও নামমাত্র লেনদেন, ৩৯৪ সংস্থার বিরুদ্ধে আয়কর দফতরের যাচাই অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামমাত্র বা কোনও ব্যবসায়িক লেনদেন না দেখিয়েও, গত তিন বছরে বিদেশে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর অভিযোগে একাধিক সংস্থার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিস্তারিত যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করল আয়কর দফতর (Income Tax Department)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন বেশ কিছু সংস্থার হদিশ মিলেছে, যাদের ঘোষিত ব্যবসার পরিমাণের সঙ্গে বিদেশে পাঠানো অর্থের চোখে পড়ার মতো কোনও সামঞ্জস্য নেই। ফিল্ড লেভেলের গোয়েন্দা তথ্য এবং বিদেশে পাঠানো অর্থ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সংস্থাগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেই খবর (Remittances)।

    আয়কর দফতরের তৎপরতার সূত্রপাত (Income Tax Department)

    আয়কর দফতরের এই পদক্ষেপের সূত্রপাত একটি ভুয়ো দাতব্য ট্রাস্টের গোষ্ঠীকে ঘিরে তল্লাশি অভিযান থেকে। অভিযোগ, ওই ট্রাস্টগুলির মাধ্যমে ভুয়ো অনুদান ও চাঁদার বিনিময়ে হিসাবের খাতায় সাজানো লেনদেন দেখানো হত। তল্লাশি অভিযানের পর তদন্তকারীদের নজরে আসে আরও বিস্তৃত একটি নেটওয়ার্ক, যার সঙ্গে বিদেশে অর্থ পাঠানোর মতো সন্দেহজনক লেনদেন জড়িয়ে রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, বিদেশে অর্থ পাঠানো সংস্থাগুলির একটি অংশ হয় আয়কর রিটার্নই জমা দেয়নি, নয়তো খুব সামান্য ব্যবসায়িক লেনদেন দেখিয়ে রিটার্ন জমা দিয়েছে। অথচ সেই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই বিদেশে পাঠানো হয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। ঘোষিত ব্যবসার পরিমাণ এবং বিদেশে পাঠানো অর্থের মধ্যে কোনও সুস্পষ্ট সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    সন্দেহ যেখানে যেখানে

    শুধু অর্থের পরিমাণই নয়, বিদেশে টাকা পাঠানোর যে কারণগুলি দেখানো হয়েছিল, সেগুলিও তদন্তকারীদের সন্দেহের কারণ হয়ে উঠেছে। পণ্য পরিবহণের খরচ, সফটওয়্যার আমদানি এবং পরামর্শ পরিষেবার মূল্য মেটানোর মতো বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশে অর্থ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেই লেনদেনগুলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির বাস্তব ব্যবসায়িক কার্যকলাপের সামঞ্জস্যও স্পষ্ট হয়নি। ফিল্ড লেভেলের আরও কিছু তথ্য আয়কর দফতরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তদন্তকারীদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির অনেকগুলিই তাদের নথিতে যে ঠিকানা উল্লেখ করেছিল, বাস্তবে সেখানে তাদের কোনও কার্যক্রম ছিল না। অর্থাৎ কাগজে-কলমে অস্তিত্ব থাকলেও, বাস্তবে সংস্থাগুলির ব্যবসায়িক উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    তথ্য বিশ্লেষণের সময় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। দেখা গিয়েছে, তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক পেশাজীবীর কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র জারি করা হয়েছে। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো অর্থের প্রাপক হিসেবেও একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সংস্থার নাম বারবার উঠে এসেছে। ফলে অর্থের উৎস, প্রেরক সংস্থা, শংসাপত্র প্রদানকারী পেশাজীবী এবং বিদেশি প্রাপকদের মধ্যে কোনও সংগঠিত যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Income Tax Department)। বিদেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৬২ সালের আয়কর বিধির ৩৭বিবি নিয়মের সঙ্গে পাঠযোগ্য ১৫সিবি ফর্মের বিধান অনুযায়ী, বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষককে হিসাবের খাতা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতে ওই অর্থের উপর কর প্রযোজ্য কি না, তা যাচাই করতে হয়। ২০২৬ সালের আয়কর বিধিতে এর সমতুল্য ব্যবস্থা রয়েছে ২২০ নম্বর নিয়মের সঙ্গে পাঠযোগ্য ১৪৬ নম্বর ফর্মে।

    দেশজুড়ে যাচাই অভিযান

    এই নিয়মের প্রেক্ষিতে তদন্তকারীদের মূল প্রশ্ন, সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষক কিংবা পেশাজীবীরা শংসাপত্র দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় মাত্রায় যাচাই-বাছাই এবং সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন কি না। কারণ, বিদেশে পাঠানো অর্থের প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের বাস্তবতা এবং কর সংক্রান্ত দায় সম্পর্কে যথাযথ পরীক্ষা না করে শংসাপত্র দেওয়া হয়ে থাকলে তা আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলতে পারে (Remittances)। ১৮ অগাস্ট, মঙ্গলবার, আয়কর দফতর বিদেশে পাঠানো অর্থ সংক্রান্ত এই দেশজুড়ে বিস্তারিত যাচাই অভিযান শুরু করেছে। অভিযানের আওতায় শুধু সন্দেহজনক সংস্থাগুলিই নয়, তাদের পিছনে থাকা ব্যক্তিরাও রয়েছেন। একই সঙ্গে যে পেশাজীবীরা ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র জারি করেছেন, তাঁদের ভূমিকাও আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে (Income Tax Department)।

    বিদেশে পাঠানো হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ

    দেশের স্থলসীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবস্থিত এবং বিদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছে—এমন সংস্থাগুলিকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে তদন্তের পরিধি শুধু বড় শহর বা আর্থিক কেন্দ্রগুলিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে থাকা সন্দেহজনক সংস্থাগুলির লেনদেনও একইভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আয়কর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে মোট প্রায় ৩৯৪টি সংস্থাকে এই যাচাইয়ের আওতায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের স্থলসীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে অবস্থিত প্রায় ১১৭টি সংস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি ৩৬ জন পেশাজীবীর ভূমিকা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাঁদের জারি করা শংসাপত্রের ভিত্তি, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের নথি এবং অর্থ পাঠানোর উদ্দেশ্য—সবই যাচাই করা হবে।

    হিসাবরক্ষকদের ভূমিকা

    দফতরের বক্তব্য, ১৫সিবি বা ১৪৬ নম্বর ফর্মে শংসাপত্র দেওয়ার সময় হিসাবরক্ষকদের যথাযথ সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা এবং পেশাগত বিচারবোধ প্রয়োগ করা প্রত্যাশিত। বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের মূল নথি, বাস্তব তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। আয়কর দফতর জানিয়েছে, এই ধরনের শংসাপত্র আর্থিক ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শুধু নথি পূরণ বা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই যথেষ্ট নয়, শংসাপত্র দেওয়ার আগে লেনদেনের প্রকৃত চরিত্র যাচাই করাও জরুরি।

    যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আয়কর দফতর

    প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখন আরও বিস্তৃত তদন্ত চালানো হচ্ছে। সন্দেহজনক সংস্থাগুলি আদৌ বাস্তবে ব্যবসা করত কি না, তাদের ঘোষিত লেনদেন এবং বিদেশে পাঠানো অর্থের মধ্যে কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, বিদেশি প্রাপকদের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র কী, এবং শংসাপত্র প্রদানকারী পেশাজীবীরা কতটা যথাযথ যাচাই করেছিলেন—এই সব প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশে অর্থ পাঠানোর এই নেটওয়ার্কের প্রকৃত পরিধি এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা আরও (Remittances) স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত প্রায় ৩৯৪টি সংস্থা এবং ৩৬ জন পেশাজীবীকে ঘিরে চলা দেশজুড়ে এই যাচাই অভিযানের পরবর্তী ফলাফলের দিকেই নজর রয়েছে দেশবাসীর (Income Tax Department)।

     

  • RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    RTI Activist Amit Tiwari: সিজেপি-র অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি, অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে পড়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন আরটিআই কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke) এবং দলের অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন সুরাটের এক আরটিআই কর্মী (RTI Activist Amit Tiwari)। একই সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে বহন করা হয়েছিল? তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, দলের আইনি অবস্থান এবং সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    বিদেশে পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন

    সুরাটের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারির (RTI Activist Amit Tiwari) দাবি, “অভিজিৎ ডিপকের (Abhijeet Dipke) বাবা ভগবানরাও ডিপকে মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। পরিবারের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে অভিজিৎ ডিপকের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ব্যয় সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না? তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।পরিবারের ঘোষিত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে বিদেশে পড়াশোনার খরচের উৎস মিলিয়ে দেখা হোক।”

    সিজেপি-র আইনি মর্যাদা যাচাইয়ের দাবি

    অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari) নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি আবেদন করেছেন। EC-র কাছে তাঁর দাবি, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) আদৌ নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কি না? যদি দলটি নিবন্ধিত না হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কার্যকলাপ চালানো এবং অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারার উল্লেখ করে কমিশনের হস্তক্ষেপও চেয়েছেন আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। পাশাপাশি, শুধু দল বা প্রতিষ্ঠাতার আর্থিক বিষয় নয়, সম্প্রতি ঘোষিত ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড নিয়েও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি (RTI Activist Amit Tiwari)। আয়কর দফতর এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC)-এর কাছে তাঁর আবেদন, এই তহবিলের অর্থের উৎস এবং এর উপর পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) প্রযোজ্য কি না? তা খতিয়ে দেখা হোক। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে প্রবীণ আইনজীবী ও রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল সিজেপি-র গঠিত একটি লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ডে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেন। এই তহবিলের উদ্দেশ্য, দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনকারী বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তা দেওয়া।

    এখনও চুপ সিজেপি

    আরটিআই কর্মীর (RTI Activist Amit Tiwari) আবেদনে সিজেপি-র অর্থের উৎস, দলের আইনি বৈধতা, লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড এবং প্রতিষ্ঠাতার বিদেশে পড়াশোনার ব্যয়ের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হলেও, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, আয়কর দফতর, সিবিআইসি বা অন্য কোনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। একইভাবে, অভিজিৎ ডিপকে (Abhijeet Dipke), তাঁর পরিবার বা ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) পক্ষ থেকেও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও কোনও প্রকাশ্য বক্তব্য সামনে আসেনি।

  • IT-ED Raids: ভোটের আগেই বড় ঝটকা! মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর হানা, জোড়া অভিযানে তোলপাড় কলকাতা

    IT-ED Raids: ভোটের আগেই বড় ঝটকা! মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর হানা, জোড়া অভিযানে তোলপাড় কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহও বাকি নেই। তার মধ্যেই, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ (Land Scam Kolkata) সংক্রান্ত মামলায় শহরের বিভিন্ন জায়গায় জোড়া অভিযান আয়কর দফতর ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (IT-ED Raids)। নির্বাচনী আবহে শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আয়কর-ইডির জোড়া ফলা

    শুরুটা হয়েছিল রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা ওই কেন্দ্রেরই বিদায়ী বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়কর হানা দিয়ে। এর পর, ক্রমে বেলা যত বাড়তে থাকে, আয়কর অভিযানের ব্যাপ্তিও বাড়তে থাকে। দেবাশিস কুমারের শ্বশুর বাড়িতেও হয় আয়কর অভিযান। এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর কেন্দ্রের অন্যতম প্রস্তাবকের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর। অন্যদিকে, শহরের এক পরিচিত বিল্ডার্স গোষ্ঠীর বাড়ি ও দফতরে হানা দেয় ইডি। পরে, কালীঘাটে এক দাপুটে তৃণমূল নেতার বাড়িতেও পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা।

    মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর

    তবে, সবচেয়ে উল্লেখোগ্য অভিযান আয়কর চালায় বেলার দিকে। দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মনোনয়নের অন্যতম প্রস্তাবক মিরাজ শাহের (Miraj Shah) বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর। শুক্রবার সকালে মিরাজ শাহের বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দফতর। আধিকারিকদের সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও। বাড়ির ভেতরে চলতে থাকে তল্লাশি অভিযান—খতিয়ে দেখা হচ্ছে নথিপত্র, পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।

    কে এই মিরাজ শাহ?

    উল্লেখ্য, ভবানীপুর মনোনয়ন পর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট মিরাজ শাহ। ফলে ভোটের আবহে তাঁর বাড়িতে এই তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। শাসকদলের একাংশ ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি নির্মাণ সংস্থার জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি। যদিও গোটা ঘটনাকে ঘিরে আয়কর দফতরের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    ইডির নজরে মার্লিন…

    এদিকে, আয়কর দফতরের পাশাপাশি এই একই মামলার তদন্তে সক্রিয় আরও এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-ও। ভোর থেকেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। এদিন ইডির নজরে মার্লিন গ্রুপ। মিডলটন স্ট্রিট, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে সংস্থার একাধিক দফতর ও কর্তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সল্টলেক সিকে ব্লকে প্রোমোটারের বাড়িতেও হানা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ওই ব্লকের আরও একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে ইডি। একটি প্রকল্পের নামে জাল নথি তৈরি করে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে।

    কালীঘাটের দাপুটে তৃণমূল নেতার বাড়িতে তল্লাশি

    এদিন মার্লিনের পাশাপাশি, দাপুটে তৃণমূল নেতা কুমার শাহার কালীঘাটের গ্রিক চার্চের কাছে বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতা দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। জমি কেলেঙ্কারির মামলা তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাড়ির পাশাপাশি কুমার সাহার অফিসেও এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের হানা। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে, দেবাশিস কুমারের বাড়ির কাছেই আরও এক নির্মাণকারী সংস্থা সান গ্রুপের বিভিন্ন দফতর ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই সময়ে তল্লাশি চালানো হয়েছিল সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বাড়িতেও।

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    তবে, ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবক এবং দলের একাধিক নেতার বাড়িতে এই তল্লাশিকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা এখন তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে পেরে না উঠে বিজেপি এখন এজেন্সির ওপর ভরসা করছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সক্রিয়তাকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের বিকৃত ব্যবহার’ বলে কটাক্ষ করেছেন। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের কাজ করছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুর তথা রাজ্য রাজনীতির পারদ আরও চড়ল।

  • India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ভারতের (India) নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে ৯.৪০ শতাংশের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯,৪৩,৭৪৩.৯৭ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই একই সময়ের ১৭,৭৬,৭২৮.১১ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। বুধবার আয়কর দফতর প্রকাশিত তথ্যে এ খবর জানানো হয়েছে (Direct Tax Collections)।

    গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় (India)

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় হয়েছে ২২,৭৮,০৬৮.৬০ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের ২১,৮৮,৫৫৪.৮৬ কোটি টাকার তুলনায় ৪.০৯ শতাংশ বেশি। এই সময়ে জারি করা কর ফেরতের পরিমাণ ১৮.৮২ শতাংশ কমে ৩,৩৪,৩২৪.৬৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যেখানে গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৪,১১,৮২৬.৭৫ কোটি টাকা। কর্পোরেট করের (নিট) আদায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,৮৯,৭৫২.৯০ কোটি টাকা। আগের বছরের এই একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৭,৭৭,০৪৭.৬৩ কোটি টাকা। অ-কর্পোরেট কর আদায়, যার মধ্যে ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUF), সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রদত্ত কর অন্তর্ভুক্ত, বেড়ে হয়েছে ১০,০৩,৩৮৫.৫২ কোটি টাকা। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৯,৪৭,৪৭৭.৩০ কোটি টাকা। সিকিউরিটিজ লেনদেন কর আদায় প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে ৫০,২৭৯.১৭ কোটি টাকায়। গত অর্থবর্ষে ছিল ৪৯,২০১.৪০ কোটি টাকা (India)।

    নির্মলা সীতারামনের আশ্বাস

    লোকসভায় ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আশ্বাস দেন, করের ৪১ শতাংশ অংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, “আমরা বিভাজ্য করের তহবিলের ৪১ শতাংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করেছি। কোনও রাজ্যের অংশ কমানো হয়নি (Direct Tax Collections)।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছরে রাজ্যগুলির অংশ আনুমানিক ২৫.৪৪ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা তাদের দেওয়া হবে। এটি গত বছরের তুলনায় ২.৭ লক্ষ কোটি টাকা বেশি।” তিনি ১৬তম অর্থ কমিশনের কথা উল্লেখ করে জানান, কমিশনটি ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তহবিল বণ্টন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে প্রতিটি বছরে কেন্দ্র থেকে রাজ্যগুলিতে অর্থ হস্তান্তর হয়েছে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ীই (India)।

     

  • Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬ ফেব্রুয়ারি খসড়া আয়কর বিধি, ২০২৬ প্রকাশ করেছে আয়কর বিভাগ (Income Tax)। এই বিধিগুলি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ (IT Act 2025) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রক্রিয়াগত কাঠামো নির্ধারণ করেছে। খসড়া বিধিগুলির সঙ্গে প্রস্তাবিত নতুন আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্মও প্রকাশ করা হয়েছে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মতামতের জন্য তা জনসমক্ষে রাখা হয়েছে। করদাতা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, শিল্প সংস্থা এবং অন্যান্য ভুক্তভোগীদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারির আগে তারা যেন নিজেদের পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়া জমা দেন।

    খসড়া বিধি (Income Tax)

    যেখানে আয়কর আইন, ২০২৫ কর সংক্রান্ত মৌলিক আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে, সেখানে খসড়া বিধিগুলি ব্যাখ্যা করেছে আইনটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে। এতে মূল্যায়ন পদ্ধতি, রিটার্ন দাখিলের ফরম্যাট, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং করদাতা, পেশাদার ও কর কর্তৃপক্ষের জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কর ব্যবস্থায় মসৃণ রূপান্তরের জন্য সময়মতো খসড়া বিধি প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসবিএইচএস অ্যান্ড কোং-এর  প্রতিষ্ঠাতা হিমাঙ্ক সিংলা বলেন, “বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে নতুন আয়কর ফর্ম ও বিধি আগেভাগেই প্রকাশ করা হবে, যাতে করদাতা ও পেশাদাররা অপ্রস্তুত না হন (IT Act 2025)।” তিনি আরও বলেন, “১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার কথা। তার আগেই খসড়া বিধি ও ফর্ম জনপরামর্শের জন্য প্রকাশ করে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।”

    খসড়া বিধিগুলির উল্লেখযোগ্য দিক

    খসড়া বিধিগুলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, বিদ্যমান কাঠামোর তুলনায় এর আকার ও পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে (Income Tax)। নয়াদিল্লি-ভিত্তিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিভা গোয়েল বলেন, এই পদক্ষেপ কর আইনের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানোর একটি সচেতন প্রয়াস। তিনি বলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সঙ্গে ছিল ৫১১টি বিধি। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ৩২৩টি করা হয়েছে, ফলে পুরো ব্যবস্থা অনেক বেশি সহজ ও বোধগম্য হয়ে উঠেছে।” চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে আয়কর বিধি, ২০২৬, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা আয়কর বিধি, ১৯৬২-কে প্রতিস্থাপন করবে। আধিকারিকদের মতে, বছরের পর বছর সংশোধনের ফলে যে অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তি ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করাই এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। সিংলা বলেন, “স্পষ্টভাবেই লক্ষ্য হল সরলীকরণ, অপ্রচলিত বিধান বাদ দেওয়া এবং আইনের পাঠযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। খসড়া বিধিতে টেবিল, সূত্র ও কাঠামোবদ্ধ ফরম্যাটের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, ফলে কমপ্লায়েন্স আরও নিরপেক্ষ হবে এবং করদাতা ও বিভাগের মধ্যে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিরোধ কমবে।”

    রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব

    কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রেও খসড়া বিধিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মানসম্মত ও যুক্তিসংগত আয়কর রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন ফর্মগুলিতে প্রযুক্তি ও অটোমেশনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। এর মূল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে, পূর্বে পূরণ করা তথ্য (pre-filled data)-এর বেশি ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় মিল (automated reconciliation) এবং সিস্টেম-নির্ভর যাচাই, যাতে রিটার্ন দাখিলের সময় ভুল কমে। আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের মতে, এর ফলে করদাতাদের অভিজ্ঞতা যেমন উন্নত হবে, তেমনই কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থার দক্ষতাও বাড়বে (IT Act 2025)। সিংলা বলেন, “এর ফলে ভুল কমবে, কমপ্লায়েন্স সহজ হবে এবং রিটার্ন প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে।” বাস্তবায়নের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই খসড়া বিধি প্রকাশ করাকে করদাতা ও পেশাদারদের মধ্যে পূর্বানুমেয়তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরামর্শকাল করদাতাদের বাস্তব সমস্যাগুলি তুলে ধরার, প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়ার এবং স্পষ্টীকরণ চাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

    আয়কর আইন, ২০২৫ হল ১৯৬১ সালের পর ভারতের প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার অন্যতম বৃহত্তম সংস্কার। নতুন আইনটির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ও সুসংগঠিত বিধির সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার এমন এক কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে (Income Tax) চায়, যা মানা সহজ, পরিচালনায় সরল এবং বিরোধের সম্ভাবনা কম (IT Act 2025)।

     

LinkedIn
Share