Tag: Income Tax

Income Tax

  • ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি? জেনে নিন দিতে হবে কত লেট-ফি

    ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি? জেনে নিন দিতে হবে কত লেট-ফি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) দাখিলের শেষ দিন ছিল ৩১ জুলাই। ২০২১-২২ অর্থবর্ষের আয়কর দফতরে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল হয়েছে ৫.৮৩ কোটি। যা আদতে একটি রেকর্ড। শেষ দিনে আয়কর (Income Tax) দাখিল হয়েছে ৭২.৪২ লক্ষ। ৩১ জুলাই পর্যন্ত সব মিলিয়ে দাখিল হয়েছে ৫.৮৩ কোটি।

    পুরো বিষয়টি জানিয়ে ট্যুইট করেছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। ট্যুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ২০২২ এর ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৫.৮৩ কোটি আইটি রিটার্ন দাখিল হয়েছে। নয়া রেকর্ডও হয়েছে। শেষ দিনে আয়কর দফতরে রিটার্ন দাখিল হয়েছে ৭২.৪২ লক্ষ। সময় মতো রিটার্ন দাখিল করায় আয়কর দফতর করদাতাদের কৃতজ্ঞতাও জানায়।  

    গত দু’বছর ধরে আয়কর রিটার্ন দাখিলের তারিখ বাড়ানো হচ্ছিল। এবারও সেই আশায়ই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন করদাতারা। তবে এবার আর সরকার সেই সময় সীমা বাড়ায়নি। সুতরাং, যাঁরা ইতিমধ্যেই রিটার্ন দাখিল করেছেন, তাঁদের উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। কিন্তু যাঁরা ওই তারিখের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তাঁরা তা করতে পারবেন চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদিও এজন্য লেট-ফি দিত হবে তাঁদের।

    আরও পড়ুন : সময়সীমা ৩১ অগাস্ট, জেনে নিন কীভাবে করবেন আয়কর রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন

    যাঁদের বাৎসরিক আয় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, লেট-ফি বাবদ তাঁদের দিতে হবে ১০০০ টাকা। আয় ৫ লক্ষ টাকা ছাড়ালেই ফাইন দিতে হবে ৫ হাজার টাকা। যদি কোনও করদাতার আয় করছাড়ের সীমার নীচে থাকে, তবে তাঁদের কোনও লেট ফাইন দিতে হবে না। তবে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যাঁরা রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, দেরি করে ট্যাক্স দেওয়ায় তাঁদের গুণতে হবে সুদ। ফলে, তাঁদের ৩১ জুলাই থেকে সুদ সহ ট্যাক্সের পুরো টাকা জমা দিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, রিটার্ন দাখিলের ভেরিফিকেশন আগে ছিল ১২০ দিন। এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ৩০ দিন।  ১ অগাস্টের মধ্যে ই-ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে এই ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিডিটি (CBDT)।

    আরও পড়ুন : কোন পথে বাঁচাবেন আয়কর? জানুন

  • Income Tax e-Verification: সময়সীমা ৩১ অগাস্ট, জেনে নিন কীভাবে করবেন আয়কর রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন

    Income Tax e-Verification: সময়সীমা ৩১ অগাস্ট, জেনে নিন কীভাবে করবেন আয়কর রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) দাখিলের সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে ৩১ জুলাই। সময়সীমা বাড়ায়নি কেন্দ্র। এবার ই-ভেরিফিকেশনের (e-Verification) সময়সীমাতেও পড়ল কোপ। ১২০ দিন থেকে কমিয়ে করা হল ৩০ দিন। অর্থাৎ, ৩১ অগাস্টের (August) মধ্যে শেষ করতে ই-ভেরিফিকেশনের কাজ। অর্থাৎ, এই সময়সীমার মধ্যে ই-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন না করলে, আপনার আয়কর রিটার্ন খাতায় কলমে অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং তা খারিজ হবে। 

    এই ই-ভেরিফিকেশনের কাজ বিভিন্ন উপায়ে করতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে করবেন ই-ভেরিফিকেশনের কাজ—

    আধার নির্ভর ওটিপি: আধার নির্ভর ওটিপি ব্যবহার করে ই-ভেরিফিকেশন করার আগে আপনার মোবাইল নম্বরটি আপনার আধারের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে কিনা, তা যাচাই করে নিন। প্যানের সঙ্গেও থাকতে হবে আধার সংযুক্তিকরণ। এবার ই-ভেরিফাই পেজে গিয়ে ‘I would like to verify using OTP on mobile number registered with Aadhaar’ সিলেক্ট করুন। এবার ‘Continue’ ক্লিক করুন। স্ক্রিনে পপ-আপ আসবে। ‘I agree to validate my Aadhaar details’ লেখা টিক বক্স ক্লিক করুন। এরপর ‘Generate Aadhaar OTP’ লেখার ওপর ক্লিক করুন। ছয় সংখ্যার একটি ওটিপি এসএমএস আসবে মোবাইলে। মনে রাখবেন, এই ওটিপি কেবলমাত্র ১৫ মিনিটের জন্য বৈধ থাকবে। যে ওটিপি পেলেন, তা নির্দিষ্ট বক্সে টাইপ করুন। এরপর ‘Submit’ বটনে ক্লিক করুন। সব পদ্ধতি ঠিকঠাক হলে জানবেন আপনার আয়কর রিটার্ন ভেরিফায়েড হয়ে যাবে। 

    আরও পড়ুন : আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে এই ভুলগুলো ভুলেও করবেন না

    নেট ব্যাংকিং: দ্বিতীয় পদ্ধতি হল নেট ব্যাংকিং। ই-ভেরিফাই পেজে গিয়ে ‘Through Net Banking’ সিলেক্ট করুন। ক্লিক ‘Continue’। সেই ব্যাংকটি তালিকা থেকে সিলেক্ট করুন যার মাধ্যমে আপনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চান। আবার ক্লিক করুন ‘Continue’। স্ক্রিনে পপ-আপ ভেসে উঠবে। তাতে একটি ডিসক্লেমার থাকবে। পড়ে ‘Continue’-তে গিয়ে ক্লিক করুন। 

    ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: তৃতীয় পদ্ধতি হল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। কোনও একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গিয়ে একটি ইলেকট্রনিক ভেরিফিকেশন কোড (EVC) জেনারেট করুন। এই নম্বরটি মনে রাখুন। এর জন্য একটি বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। আয়কর রিফান্ডের জন্য এই বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবশ্য প্রয়োজন। 

    ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট: আয়কর ই-ভেরিফিকেশনের আর একটি পদ্ধতি হল ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট। ই-ভেরিফাই পেজে গিয়ে  ‘Through Demat Account’ সিলেক্ট করুন এবং ‘Continue’-তে ক্লিক করুন। ইলেকট্রনিক ভেরিফিকেশন কোড জেনারেট হবে। 

    আরও পড়ুন : তৃণমূলের ‘হিসাব’ রাখা আইনজীবীর বাড়িতে আয়কর হানা কেন? কী পাওয়া গেল জানেন?
    আপনার নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডিতে চলে যাবে ইভিসি কোড। এবার ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোবাইল ও ই-মেলে পাওয়া ইভিসি সংযুক্ত করুন এবং ক্লিক করুন e-Verify। 

    ব্যাংক এটিএম: ব্যাংকের এটিএম কার্ড দিয়েও ইভিসি জেনারেট করা যাবে। এই সুবিধা মিলবে অ্যাক্সিস ব্যাংক, কানাড়া ব্যাংক, সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, আইসিআইসিআই ব্যাংক, আইডিবিআই ব্যাংক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংক এবং স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায়। ব্যাংক এটিএমে গিয়ে কার্ড সোয়াইপ করুন। এটিএম পিন নম্বর দিন। ‘Generate EVC for Income tax filing’ সিলেক্ট করুন। ই-ফাইলিং পোর্টালের সঙ্গে নথিভুক্ত মোবাইলে এবং ইমেল আইডিতে ইভিসি নম্বর আসবে। 

    সেন্ডিং সাইন্ড আইটিআর-ভি: ওপরের কোনও একটি বৈদ্যুতিন পদ্ধতিতে যদি আপনার ই-ভেরিফিকেশন না হয়, তাহলে একটা স্বাক্ষরিত কপি আইটিআর-ভি আয়কর বিভাগে ডাকের মাধ্যমে পাঠান।

  • IT Return: কোন পথে বাঁচাবেন আয়কর? জানুন

    IT Return: কোন পথে বাঁচাবেন আয়কর? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের কষ্টের অর্জিত টাকার সিংহ ভাগই আয়কর দফতরের (Income Tax Department) কোষাগারে চলে যাবে, এমনটা কেই বা চায়! আবার সঠিক আইন মেনে কর দেওয়াটাও জরুরি। তাই বলে নিজের টাকা বাঁচাতে চাইবেন না এমন মানুষ বোধহয় আতস কাচ দিয়ে খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। তাই ট্যাক্স বাঁচানোর ফাঁক-ফোকর খোঁজেন প্রায় সকলেই। অনেকেই আবার জানেন না কী করে ট্যাক্স বাঁচাবেন। 

    আরও পড়ুন: প্রতারণা করেছেন মেধা পাটকর! এফআইআর দায়ের

    বেশ কয়েকটি উপায়ে আপনি বাঁচাতে পারেন আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করা টাকা। জেনে নিন সেই উপায়গুলি কী কী? 

    করের পরিস্থিতি বিচার: 

    আগে সময় নিয়ে বসে দেখুন আপনার করের পরিস্থিতি কী? যদি দেখেন কোনও আয়কর সংক্রান্ত কোনও দায়বদ্ধতা নেই, অর্থাৎ, আপনার জিরো-রিটার্ন রয়েছে, বা বলা ভালো, আপনার আয় করমুক্ত শ্রেণিতে রয়েছে, তাহলে আপনার বেশি কর দেওয়া নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। শুধুমাত্র আয়কর রিটার্ন ফাইল করলেই আপনার দায়িত্ব শেষ। কিন্তু যদি আপনার আয়কর কাটার সম্ভাবনা থেকে থাকে তাহলে আপনাকে বিষয়টি তলিয়ে ভাবতে হবে। কর বাঁচানোর বেশ কিছু পন্থা রয়েছে। চাইলে আপনারা সেই উপায়ে বেশি করের হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন।

    আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে এই ভুলগুলো ভুলেও করবেন না

    আগে ঠিক করুন আয়করের কোন নিয়মের আওতায় থাকবেন?

    পুরনো নিয়মের আওতায় থাকলে করমুক্ত আয়ের পরিমাণ কম হলেও, তাতে অনেক ছাড় দেওয়া আছে। আয়করের নতুন নিয়মে করমুক্ত আয়ের স্ল্যাব ওপরে উঠিয়ে দিলেও, তাতে কোনও ছাড় নেই। করে ছাড় পেতে আপনাকে পুরোনো নিয়মের আওতায় আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। 

    দেখে নিন কী কী উপায়ে ছাড় পেতে পারেন: 

    কর পরিকল্পনা মানেই সব সময় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি কেনা নয়। নিজের দৈনন্দিন খরচ দেখিয়েও করে ছাড় পেতে পারেন। সেই দৈনন্দিন খরচগুলো হল: 

    • বাচ্চাদের টিউশন ফি
    • জীবন এবং চিকিৎসা বিমা
    • প্রভিডেন্ট ফান্ডে রাখা টাকা
    • ঋণ বা ইএমআই

    যদি নতুন সম্পত্তি কেনার সামর্থ্য আপনার না থাকে, তাহলে এই উপায়গুলিতে আপনারা কর বাঁচাতে পারেন। এইসব খরচ আপনি তখনও দেখাতে পারবেন, যদি খরচগুলি বছরের ৩১ মার্চের আগে করা হয়। এই বিনিয়োগগুলির সঠিক প্রমাণ রাখা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে যেকোনও প্রয়োজনে আয়কর দফতর সেই প্রমাণ আপনার কাছ থেকে চাইতে পারে। 

    রয়েছে আরও কিছু উপায়

    যদি আপনি কোনও ভাড়া বাড়িতে থাকেন এবং নিয়মিত ভাড়া দেন তাহলে আয়করে ছাড় পেতে পারেন। এর জন্যে আপনাকে আপনার ভাড়ার রসিদ প্রমাণপত্র এবং বাড়ির মালিকের প্যান কার্ডের তথ্য দিতে হবে। 

     

     

     

     

  • Income Tax Raid: তৃণমূলের ‘হিসাব’ রাখা আইনজীবীর বাড়িতে আয়কর হানা কেন? কী পাওয়া গেল জানেন?

    Income Tax Raid: তৃণমূলের ‘হিসাব’ রাখা আইনজীবীর বাড়িতে আয়কর হানা কেন? কী পাওয়া গেল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত এক আইনজীবী এবং চার্টার্ড ফার্মের কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে তিনদিন ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে আয়কর দফতর। উদ্ধার হয়েছে নগদ কয়েক কোটি টাকা। ওই দুজনের বাড়ি ও অফিস থেকে পাওয়া নথিপত্র, কম্পিউটার, ল্যাপটপ থেকেও বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি মিলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    এই দুই ব্যক্তি শাসক দলের মুখপত্র, দলীয় তহবিল এবং কয়েকটি আরও গোপন লেনদেনের হিসাব দেখতেন বলে আয়কর অফিসারদের একাংশ দাবি করেছেন। সূত্রের খবর, আয়কর দফতরের দিল্লি থেকে আসা বিশেষ দল এই তল্লাশি চালিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কলকাতার আয়কর দফতরে এতটাই প্রভাব রয়েছে যে মন্ত্রক স্থানীয় অফিসারদের উপর ভরসা করেনি বলে জানা গিয়েছে। 

    কেন ওই দুই ব্যক্তি আয়কর দফতরের নজরে এসেছেন?

    আয়কর দফতর সূত্রের একাংশের দাবি, নোটবন্দির সময় থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদ্বয়ের যোগাযোগ বাড়ে। আগে যে সংস্থা শাসক দলের হিসাব পরীক্ষার কাজ করত নোটবন্দির পর তাদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে শাসক দলের প্রভাবশালীদের। তারপরই ক্ষমতার অলিন্দে প্রভাব বাড়তে থাকে এই আইনজীবীর। 

    আয়কর কর্তাদের কেউ কেউ জানাচ্ছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনুমোদন না করলে শাসক দলের দুই প্রভাবশালী কোনও আর্থিক সিদ্ধান্ত নাকি ইদানীং নেন না। এহেন ব্যক্তির বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা এবং নথিপত্র-নগদ উদ্ধার নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়েছে।

    আয়কর কর্তারা জানাচ্ছেন, শাসক দলের মুখপত্রের তহবিলেই সারদা-রোজভ্যালির মতো চিটফান্ডের মালিকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁকা ছবি কিনে টাকা জমা দিয়েছিলেন। এনিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের বয়ান আগেই রেকর্ড করেছে সিবিআই।

    শাসক দলের যাবতীয় আর্থিক লেনদেনের খবরাখবর রাখতেন, সেই কারণেই কি ওই ব্যক্তির বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চালানো হল-এমন চর্চাও বিভিন্ন মহলে চলছে। কারণ, ভবানীপুর এলাকায় নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো থেকে অভিজাত ক্লাবের পরিচালক হিসাবে বসে থাকা ওই আইনজীবী শহরের গণ্যমান্যদের মধ্যেই পড়েন। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলত্যাগী রাজ্যসভার এক প্রাক্তন সাংসদের সম্পর্কও সর্বজনবিদিত।
      
    যদিও আয়কর কর্তারা জানাচ্ছেন, পুরনো একটি বেনামি সংস্থার নামে এন্ট্রি অপারেশনের কাজে গোলমাল ধরা পড়েছে। সে জন্য তল্লাশি। তা ছাড়া অন্য নানা সংস্থার বিরুদ্ধেও তল্লাশি চলছে। নথিপত্রে যদি শাসক দলের সঙ্গে বেআইনি কারবারের যোগ মেলে তখন তারও তদন্ত হবে। এটা তদন্তের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ঘটনাচক্রে কলকাতার দুই ব্যক্তির সঙ্গে শাসক দলের দুই প্রভাবশালীর যোগাযোগ থাকায় তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে কৌতুহল দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়কর তল্লাশির কারণও খুঁজতে শুরু করেছেন অনেকে।

    কৌতুহল বাড়ছে এর পর কী হয় তা জানারও। কারণ আয়কর দফতরের তল্লাশির পরেই কয়লা কাণ্ডের জাল বহুদূর বিস্তার লাভ করেছে। বৃহস্পতিবারই কলকাতার ইডি দফতরে কোলের শিশুকে নিয়ে হাজিরা দিতে হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পত্নী রুজিরাকে। তাই অনেকের প্রশ্ন, এবারের আয়কর হানার অনুবর্তী পদক্ষেপও কি রোমহর্ষক হবে? আয়কর কর্তাদের জবাব, এখন নথি যাচাই চলছে। কিছু বলা যাচ্ছে না। 

  • ITR Filing Mistake: আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে এই ভুলগুলো ভুলেও করবেন না

    ITR Filing Mistake: আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে এই ভুলগুলো ভুলেও করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-২২ অর্থবর্ষ এবং ২০২২-২৩ মূল্যায়ন বছরের জন্য আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) দাখিল করা শুরু হয়েছে ১৫ জুন থেকে। আয়কর রিটার্ন দাখিল করার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই, ২০২২। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কোনও ‘লেট ফি’ দিতে হবে না। তবে কেউ যদি এই তারিখের পরে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে তাঁকে আয়করের ধারা ২৩৪এ এবং ধারা ২৩৪এফ-এর অধীনে লেট ফি সহ করের উপর সুদ দিতে হবে। অন্যদিকে, অডিট করতে হয় এমন কোনও ব্যবসার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করার শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর, ২০২২। টিপি রিপোর্ট হয় এমন ব্যবসার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, ২০২২৷ 

    আরও পড়ুন: এখনও দাখিল করেননি আয়কর রিটার্ন! গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা

    দেরি না করে এখনই দাখিল করে দিন আয়কর রিটার্ন। কিন্তু খেয়াল রাখবেন দাখিল করার সময় কখনই করবেন না এই ভুলগুলো: 

    ১। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল (file) করতে গেলে প্রথমেই যে কাজটি করতে হয় তা হল একটি ফর্ম (form) ফিল আপ করা। সবার জন্য কিন্তু এক ফর্ম থাকে না। এক এক জন আয়কর প্রদানকারীর এক এক রকমের ফর্ম (form) হয়। আপনার যেমন আয় অথবা যে সোর্স থেকে আয় অর্থাৎ আপনি চাকরি করেন নাকি ব্যবসা করেন – এই বিষয়গুলোর উপরে নির্ভর করে আয়কর রিটার্ন (income tax return) ফাইল (file) করার ফর্ম (form)। আপনার জন্য যে ফর্মটি সঠিক, সেই ফর্মটিই ফিল আপ করুন। যদি বুঝতে না পারেন, সেক্ষেত্রে কোনও পারদর্শীর সাহায্য নিন। এছাড়াও বিষদে জানতে ভারত সরকারের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। 

    ২। আপনি কোন বছরের জন্য ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করছেন তা জানা খুব জরুরি। আমাদের ফিনানশিয়াল ইয়ার শুরু হয় এপ্রিল থেকে এবং শেষ হয় মার্চে। সুতরাং আপনি যদি এবছর অর্থাৎ ২০২২ তে আয়কর রিটার্ন (income tax return) দাখিল (file) করেন, তাহলে আপনি কর জমা দিচ্ছেন গত বছরের।   

    ৩। যখন আয়কর রিটার্নের (income tax return) ফর্ম (form) ফিল আপ করবেন তখন খুব ভাল করে পড়ে তবেই করবেন। সব তথ্য সঠিকভাবে লিখতে ভুলবেন না। আপনার নাম (সমস্ত ডক্যুমেন্টে যে বানান রয়েছে সেই বানানই লিখুন), ঠিকানা (যদি দুটি ঠিকানা থাকে অর্থাৎ আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং আপনার স্থায়ী ঠিকানা যদি আলাদা হয় তাহলে দুটি ঠিকানাই উল্লেখ করুন), ফোন নম্বর, আধার কার্ড নম্বর, প্যান কার্ড নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর – ইত্যাদি প্রতিটি তথ্যই সঠিক লিখবেন। 

    আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    ৪। আপনি চাকরি করুন অথবা ব্যবসা, শুধুমাত্র সেইটুকু আয়ের বিষয়েই তথ্য দেবেন এমন যেন না হয়। যদি আপনি কোথাও বিনিয়োগ করেন এবং সেখান থেকে আপনি সুদ পেয়ে থাকেন, সেই টাকাও কিন্তু আপনার  আয়ের মধ্যে পড়ে। অথবা যদি আপনার বাড়ি বা দোকান থাকে এবং সেটি আপনি ভাড়া দেন এবং সেখান থেকে একটা টাকা প্রতি মাসে আপনার ব্যাঙ্কে জমা হয়, তাও আপনার আয়ের মধ্যে পড়ে। সুতরাং সমস্ত আয়ের টাকার অঙ্কই উল্লেখ করবেন। তা না হলে পরে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    ৫। আপনি যদি ডিজিটাল সই এবং আধার কার্ডের তথ্য ছাড়াই আইটিআর ফাইল করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে আইটিআর- ভি -এর সই করা একটি কপি আয়কর দফতরের বেঙ্গালুরুর অফিসে আইটিআর ফাইল করার ১২০ দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে। নাহলে আপনার আইটিআর ফাইলিংকে বাতিল করা হবে। যতক্ষণ না আপনি এই তথ্যগুলি পাঠাবেন ততক্ষণ আপনার দাখিল সম্পূর্ণ হবে না। 

    ৬। বেতনভুক কোনও কর্মচারিকে আগাম কর দিতে হয়না। কারণ প্রতিমাসে তাঁর বেতন থেকে টিডিএসের মাধ্যমে সেই কর কেটে নেওয়া হয়। কিন্তু আপনি যদি বেতনভুক কর্মচারি না হন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে আগাম কর দিতে হবে। যদি এই আগাম কর না দেন, তাহলে আপনাকে বাড়তি টাকা গুনতে হতে পারে। 
     

  • Akshay Kumar: বিনোদন জগতে সর্বোচ্চ ‘করদাতা’ বলিউডের ‘খিলাড়ি’! সম্মানিত করল আয়কর বিভাগ

    Akshay Kumar: বিনোদন জগতে সর্বোচ্চ ‘করদাতা’ বলিউডের ‘খিলাড়ি’! সম্মানিত করল আয়কর বিভাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার খবরের শিরোনামে বলিউডের ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। তবে এবারে তিনি ট্রোলিং-এর জন্য বা তাঁর কোনও ছবির জন্য সমালোচিত হননি। বরঞ্চ তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তাঁর অনুরাগীরা। কারণ বিনোদন জগতে সবচেয়ে বেশি টাকা কর দিয়েছেন অক্ষয় কুমার। তাই আয়কর বিভাগ থেকে বিশেষ সম্মানপত্রও দেওয়া হল অভিনেতাকে। এটা কিন্তু প্রথম নয়, টানা পাঁচবছর বছর ধরে ‘সর্বোচ্চ করদাতা’-র তকমা পেয়েছেন তিনি। তিনিই হলেন বলিউড (Bollywood) ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সর্বোচ্চ আয়কর (Income Tax) প্রদানকারী তারকা। আয়কর বিভাগ থেকে যে সম্মানপত্রটি দেওয়া হয়েছে, সেটির ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

    আরও পড়ুন: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরার শিরোপা সুরিয়া-অজয় দেবগনের, জয়জয়কার অভিযাত্রিকের

    এই বিশেষ খবরে অক্ষয়প্রেমীরা অত্যন্ত খুশী যা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই বোঝা গেল। তাঁর অনুরাগীদের একজন ট্যুইট করে লিখেছেন, “কিছু সাংবাদিক, অন্যান্য অভিনেতাদের অনুরাগীদের মতে তিনি একজন গ্লোবাল সুপারস্টার নন, তাঁর HGOTY নেই, খুব বেশি BB নেই, তিনি কানাডিয়ান এবং আরও অনেক কিছু। কিন্তু তারপরও গত ৫ বছর ধরে বাকিদের তুলনায় সর্বোচ্চ আয়কর দিয়েছেন আমার সুপারস্টার।” অন্য একজন লিখেছেন, “আয়কর বিভাগ সুপারস্টার অক্ষয় কুমারকে সম্মান পত্র দিয়ে সম্মানিত করেছে এবং তাঁকে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ করদাতা বলে অভিহিত করেছে। বিদ্বেষীদের তাঁকে কানাডিয়ান বলার আগে এটি দেখা উচিত।“

    তবে অনেকেই মনে করেছেন, বলিউডে সবচেয়ে বেশি ছবি অক্ষয়ই করে থাকেন। আবার বিজ্ঞাপন তো আছেই। তাই সব মিলিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর আয়ও বেশি। যার ফলে অক্ষয় সর্বোচ্চ করদাতাদের মধ্যে রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, অক্ষয়কে পর্দায় শেষ দেখা গিয়েছিল ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’-এ। যদিও এই ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর একাধিক ছবি মুক্তি পেতে চলেছে। ১১ অগাস্টেই মুক্তি পেতে চলেছে ‘রক্ষা বন্ধন’। যেখানে তাঁকে ভূমি পেডনেকারের সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এছাড়াও ২০২৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আসতে চলেছে তাঁর ছবি ‘সেলফি’।

    আরও পড়ুন: “কোনও বিয়ে নয়, কোনও আংটি নয়”, বিয়ে জল্পনায় নীরবতা ভাঙলেন সুস্মিতা

  • IT Return: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    IT Return: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়মতো আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) জমা করছেন না? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। একবছর পর থেকেই বেশি হরে কর (TDS) দিতে হবে আপনাকে। ১ এপ্রিল থেকে এই নিয়ম লাগু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন অর্থ আইন বিভিন্ন উৎস থেকে সঠিক আয়ের হিসেব রাখতে কর আদায়ের নিয়মে বদল এনেছে। অর্থ আইন ২০২১ অনুসারে, যদি কোনও করদাতার উৎসমূলে কাটা কর (TDS) বছরে ৫০ হাজার টাকার চেয়ে বেশি হয় ও গত ২ বছর তিনি টিডিএস না জমা দিয়ে থাকেন তবে ১ জুলাই থেকে আয়কর রিটার্ন জমা করার সময় তাঁকে বেশি হারে টিডিএস জমা করতে হত। এই হার সর্বোচ্চ দ্বিগুণ পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু এই অর্থবর্ষে নিয়মে দুবছরের সময় কমিয়ে এক বছর করেছে সরকার। 

    ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের ২০৬ এবি ধারার অধীনে নতুন টিডিএস-এর হার হবে-আয়কর আইনের প্রাসঙ্গিক বিধানে থাকা নির্দিষ্ট হারের দ্বিগুণ বা বর্তমান হারের দ্বিগুণ বা পাঁচ শতাংশ হারে। টিসিএস-র ক্ষেত্রে আয়কর আইনের ২০৬ সিসিএ ধারার অধীনে থাকা হারের চেয়ে দ্বিগুণ বা ৫ শতাংশ হারে দিতে হবে কর।

    তবে বছরে ৫০০০০ টাকার কম যারা কর দেন তাঁদের ওপর প্রযোজ্য হবে না এই নিয়ম। প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলা বা বেতনের ক্ষেত্রে নতুন বিধি প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়াও লটারি, খেলা থেকে প্রাপ্ত অর্থও নতুন বিধির আওতায় আসবে না। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩১ ডিসেম্বর।

     

  • PAN Aadhaar: বার্ষিক ২০ লক্ষের বেশি টাকার লেনদেন করছেন? এখন থেকে নতুন নিয়ম মানতে হবে

    PAN Aadhaar: বার্ষিক ২০ লক্ষের বেশি টাকার লেনদেন করছেন? এখন থেকে নতুন নিয়ম মানতে হবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নগদ টাকার লেনদেনে রাশ টানতে নতুন পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। সব অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে বছরে ২০ লক্ষের বেশি টাকার লেনদেনে প্যান কার্ড বা আধার কার্ডের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হল। নতুন এই নিয়ম লাগু হবে ২৬ মে থেকে। সিবিডিটির (CBDT) পক্ষ থেকে আয়কর আইনের অধীনে এই নতুন নিয়ম তৈরি হয়েছে।

    রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্ক হোক বা সমবায় কিংবা পোস্ট অফিস, সব জায়গাতেই এক বা একাধিক অ্যাকাউন্টে ২০ লক্ষ টাকা নগদ জমা বা নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্যান (PAN Card) বা আধারের (Aadhaar Card) তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি সব ধরনের ব্যাঙ্ক এবং পোস্ট অফিসে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রেও প্যান কার্ডের তথ্য দেওয়ার বাধ্যতামূলক নিয়ম করা হয়েছে।   

    এতদিন পর্যন্ত একটি অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট টাকার পরিমাণের বেশি লেনদেন করলে প্যান বা আধারের তথ্য দিতে হত। সব অ্যাকাউন্টে একসঙ্গে নজরদারি চালানোর কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এবার সেই উপায় নিয়েই হাজির মোদি সরকার। একসঙ্গে ৫০ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করলে তথ্য চাওয়া হত। বার্ষিক লেনদেনে কোনও বিধিনিষেধ ছিল না। এবার বার্ষিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও এল নতুন নিয়ম। 

    দীর্ঘদিন ধরেই করদাতাদের কারচুপিতে নাজেহাল কেন্দ্র। যাদের রোজগার বেশি, তাও কেন তাঁরা আয়করের (Income Tax) আওতায় নেই তা খতিয়ে দেখতে চাইছে কেন্দ্র। সেকারণেই ২০ লক্ষ টাকার বেশি সমস্ত লেনদেনের ওপর নজরদারি চালাতে চাইছে তারা।

    তাছাড়া, ২০ লক্ষের বেশি লেনদেনে প্যান-আধার বাধ্যতামূলক করা হলে, নগদে লেনদেনের প্রবণতা কমতে পারে বলেও মনে করছে কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে ভারতকে ‘ক্যাশলেস ইকোনমি’ (Cashless Economy) করার যে উদ্যোগ নিয়েছিল মোদি (Modi) সরকার সেই পথেও কিছুটা অগ্রসর হওয়া যাবে বলে আশাবাদী সরকারি আধিকারিকরা।

    নিয়ম অনুসারে, যদি কোনও ব্যক্তির প্যান তথ্য সরবরাহ করতে হয়, কিন্তু তাঁর কাছে সেই মুহূর্তে প্যান কার্ড না থাকে, তবে তিনি আধারের বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ দিতে পারেন। 

     

  • IT Return File: এখনও দাখিল করেননি আয়কর রিটার্ন! গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা

    IT Return File: এখনও দাখিল করেননি আয়কর রিটার্ন! গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-২২ অর্থবর্ষ এবং ২০২২-২৩ মূল্যায়ন বছরের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা শুরু হয়েছে ১৫ জুন, ২০২২ থেকে। ফর্ম-১৬ পেয়ে গিয়ে থাকলে এখুনি দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন। কারণ ধীরে ধীরে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ রিটার্ন ফাইল করা শুরু করবেন, তাতে ওয়েবসাইটে লোড বাড়বে, ফাইলিং- এর সময় প্রযুক্তিগত সমস্যা বাড়বে। যদি কোনওরকম সমস্যা এড়িয়ে যেতে চান তাহলে বিলম্ব না করে আয়কর রিটার্ন (ITR) ফাইল করে দিন। ২০২২-২৩ মূল্যায়ন বছরের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কর বিভাগ থেকে শীঘ্রই আপনার প্রাপ্য টাকা অর্থাৎ রিফান্ড ফেরত পাবেন। আয়কর রিটার্ন দাখিলে দেরি হলে বা তাড়াহুড়ার কারণে কোনও ভুল হলে রিফান্ড পেতে পেতে অনেক দেরি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক?    

    ২০২১-২২ অর্থবর্ষ এবং ২০২২-২৩ মূল্যায়ন বছরের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই, ২০২২। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে কোনও ‘লেট ফি’ দিতে হবে না। তবে কেউ যদি এই তারিখের পরে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে তাঁকে আয়করের ধারা ২৩৪এ এবং ধারা ২৩৪এফ-এর অধীনে লেট ফি সহ করের উপর সুদ দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন 

    অন্যদিকে, অডিট করতে হয় এমন কোনও ব্যবসার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করার শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর, ২০২২। টিপি রিপোর্ট হয় এমন ব্যবসার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, ২০২২৷

    আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে বেশি বিলম্ব করলে জরিমানা অবধি হতে পারে। করদাতার বার্ষিক করযোগ্য আয় ৫ লাখ টাকার কম হলে ১০০০ টাকা জরিমানা দিতে হয়। 

    আইটি রিটার্ন স্ল্যাব:

     

    কী করে দাখিল করবেন আইটি রিটার্ন? 

    • ই-ফাইলিং পোর্টালে লগইন করুন এবং ই-ফাইলে যান তারপর আয়কর রিটার্ন এবং তারপর ই-ভেরিফাই রিটার্নে যান।
    • আইটি রিটার্নের ক্ষেত্রে উপলব্ধ ই-ভেরিফাই লিঙ্কে ক্লিক করুন যার ফলে ই-ভেরিফাইড হয়ে যাবে ।
    • ই-ভেরিফিকেশন , মোড নির্বাচন করুন যা অ্যাপ্লিকেবল হবে ।
    • আপনার আইটি রিটার্ন ই-ভেরিফাই করার জন্য EVC/OTP লিখুন ।
    • আইটি রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন এখন সম্পূর্ণ ।
    • ফাইল করার কারণ নির্বাচন করুন এবং আইটি রিটার্নের প্রযোজ্য ক্ষেত্রগুলি পূরণ করুন ৷
    • যাচাইকরণ মোড নির্বাচন করুন ।
    • আইটি রিটার্নে সমস্ত প্রযোজ্য ক্ষেত্রগুলি পূরণ করুন ৷
    • আপনার আইটি রিটার্ন ই-ভেরিফাই করার জন্য EVC অথবা OTP লিখুন বা যাচাইয়ের জন্য স্বাক্ষরিত ITR-V CPC পাঠান ।
    • আইটি রিটার্নের ই-ফাইলিং এখন সম্পূর্ণ ।  

    আইটি রিটার্ন ভেরিফিকেশন ফর্ম কীভাবে ডাউনলোড করবেন?

    • https://www.incometax.gov.in/iec/foportal – এই ওয়েবসাইটটিতে লগইন করুন। 
    • সেখানে এই ‘View Returns/ Forms’ লিঙ্কে ক্লিক করুন।
  • Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    Sukanya Samriddhi Yojana: সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় বড় বদল, বিনিয়োগ করার আগে দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় (Sukanya Samriddhi Yojana) বিনিয়োগ করা সবচেয়ে ভাল বিকল্প মনে করা হয় ৷ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা,বিয়ে ইত্যাদির জন্য এই যোজনায় ইনভেস্ট করে বড় টাকার ফান্ড জমিয়ে ফেলতে পারেন ৷ এই যোজনায় বিপুল সংখ্যক মানুষকে যুক্ত করার তাগিদে মোদি সরকারের তরফে বেশ কিছু বদল করা হয়েছে ৷
    এই যোজনায় আপনার মেয়ে ২১ বছর হতেই লক্ষপতি হতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই নতুন যে বদলগুলি করা হয়েছে সেগুলি জেনে নিন ৷

    কী কী বদল করা হয়েছে –

    ১. সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় ইনভেস্ট করা বাবা-মায়েরা প্রথম দুই মেয়ের ক্ষেত্রে কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন ৷ এবার এতে বদল করে জানানো হয়েছে যে তৃতীয় মেয়ের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে ৷
    ২. আগের নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছর হতেই মেয়েরা তাদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারত ৷ তবে এবার ১৮ বছরের বয়স হওয়ার পরই এই সুবিধা মিলবে ৷ মেয়ের ১৮ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত বাবা-মা বা অভিভাবকেরা অ্যাকাউন্ট অপারেট করতে পারবেন ৷
    ৩. আগের নিয়ম অনুযায়ী, কমপক্ষে ২৫০ টাকা প্রতি বছর এই অ্যাকাউন্টে জমা না করলে অ্যাকাউন্ট ডিফল্ট হয়ে যাবে ৷ কিন্তু এখন আর তা হবে না ৷ ম্যাচিউরিটি পর্যন্ত যত টাকা জমা থাকবে তার উপরেই সুদ দেওয়া হবে ৷
    ৪. ম্যাচিউরিটির আগে মেয়ের মৃত্যু হলে বা ঠিকানা বদলালে এই যোজনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে ৷ অভিভাবকের মৃত্যুর ক্ষেত্রেও অ্যাকাউন্ট আগে বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে ৷
    সুকন্য সমৃদ্ধি যোজনায় এখন পর্যন্ত ৭.৬ শতাংশ বার্ষিক সুদ পাওয়া যায় ৷ পোস্ট অফিস বা ব্যাঙ্কে গিয়ে এই যোজনায় অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে ৷ এখানে বিনিয়োগকারীরা বছরে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় পেয়ে থাকেন ৷

LinkedIn
Share