Tag: india alliance

india alliance

  • Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪এর লোকসভা ভোটের ফলাফল। আর লোকসভা ভোট মিটতেই এবার বড় ঘোষণা করলেন আপ নেতা গোপাল রাই (Gopal Rai)। পরবর্তী বিধানসভায় কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে জোট নয়, বরং একাই লড়বে আপ (Aam Aadmi Party), বৃহস্পতিবার একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গোপাল রাই।  

    আপ নেতার মন্তব্য

    এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে দলীয় বিধায়ক ও প্রবীণ নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গোপাল রাই (Gopal Rai) বলেন, ,”এটা শুরু থেকেই পরিষ্কার যে লোকসভা নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট (INDIA) গঠিত হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কোনোও জোট নেই। আমরা দিল্লির জনগণের সঙ্গে একসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন লড়ব।” 
    তিনি (Gopal Rai) আরও বলেন, “আমরা সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নির্বাচনে লড়েছি। আমাদের শীর্ষ নেতারা জেলে। সব আসনেই জয়ের ব্যবধান কমেছে। কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর দলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও কঠিন পরিস্থিতিতেও দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ‘একনায়কতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ভাল লড়াই করেছে। অন্যদিকে জোটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল দিল্লিতে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান কমেছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    এছাড়াও এদিন আপ নেতা জানান, আগামী ৮ জুন তাদের  কাউন্সিলরদের সঙ্গে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে এবং ১৩ জুন দিল্লির সমস্ত দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক হবে। বর্তমানে কেজরিওয়াল যেহেতু জেলে রয়েছেন, তাই তাদের লড়াই চলবে। অন্যদিকে নির্বাচনের পরে আদর্শ আচরণবিধি উঠে যাওয়ায় উন্নয়নের কাজে গতি আনতে শনি ও রবিবার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের সব বিধায়ক।  
    উল্লেখ্য, দিল্লির লোকসভা ভোটে এবারে কংগ্রেস (Congress) জোট শূন্য ড্র করেছে, অন্যদিকে বিজেপি তৃতীয়বারের জন্য সাতটি সংসদীয় আসনে ক্লিন সুইপ করেছে। আর এরই মধ্যে এবার পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে জোট ছাড়া একাই লড়ার কথা জানিয়ে দিল আপ নেতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ইন্ডি (India Alliance) জোটে ভাঙন অব্যাহত। জোটের শরিক দলের নেতারা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। এবার সেই ধারায় নাম লেখালেন সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক মনোজ পান্ডে। অভিযোগ তিন মাস ধরে বিজেপির (BJP) সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন সাইকেল বাহিনীর বিদ্রোহী বিধায়ক। রায়বরেলি (Raebareli) লোকসভার অন্তর্গত উঁচাহর কেন্দ্রের বিধায়ক মনোজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতিতে এদিন বিজেপিতে যোগ দেন।

    ফেব্রুয়ারিতে থেকেই শুরু গোলমাল

    খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজ্যসভা ভোটের আগে ফেব্রুয়ারিতে সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) বিধায়ক দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মনোজ। এরপর ক্রস ভোটিং করে হারিয়ে দিয়েছিলেন অখিলেশের (Akhilesh Yadav) দলের তৃতীয় প্রার্থীকে। এদিকে সোমবার রায়বেরেলি (Raebareli) লোকসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রার্থী সোনিয়া পুত্র রাহুল গান্ধি (Rahul Gandhi)। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি টিকিট দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে। শেষ দিন শনিবার বিজেপির প্রচারে দেখা যেতে পারে মনোজ পান্ডেকে।

    মনোজের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ইতিহাস

    ৯০ এর দশকের শেষে সমাজবাদী পার্টির যুব শাখায় যোগ দিয়েছিলেন মনোজ। প্রয়াত মুলায়ম সিংহ যাদবের নজরে পড়ে অচিরেই হয়ে ওঠেন দলের অন্যতম উচ্চবর্ণের মুখ। উত্তরপ্রদেশে রাজনীতিতে জাতপাত কেন্দ্রিক ভোট পলিটিক্স একটা বড় ফ্যাক্টর। মনোজ পান্ডেকে ব্রাহ্মণমুখ হিসেবে ব্যবহার করত সমাজবাদী পার্টি। ২০০০ সালেও অল্প কিছু দিনের জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ফের ফিরে আসেন সমাজবাদী পার্টিতে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    ২০১২ সালে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বে সমাজবাদী পার্টি উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় এলে তাঁকে কৃষি প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল। অখিলেশও তাঁর উপরে আস্থা রেখেছিলেন। দলের প্রবীণ নেতাদের উপেক্ষা করে ২০২২ সালে নির্বাচনে বিধানসভায় তাঁকেই মুখ্য সচেতক করা হয় সমাজবাদী পার্টির তরফে। উঁচাহর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনবার সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মনোজ।  রায়বরেলির (Raebareli) রাজনীতিতে তাঁর আধিপত্য না থকলেও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। মনোজের বিজেপিতে যোগ রাহুলের জন্য যথষ্ট চিন্তার কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    Loksabha Vote: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের একবার বড়সড় ধাক্কা খেল ‘ইন্ডিয়া’ জোট (Loksabha Vote)। জানুয়ারির শেষের দিকে জোট ছেড়েছিলেন নীতীশ কুমার। এ বার অখিলেশের হাত ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে গেলেন রাষ্ট্রীয় লোকদলের (আরএলডি) প্রধান জয়ন্ত চৌধরি। শনিবারই উত্তরপ্রদেশে ৮০টির মধ্যে ৫১টি লোকসভা আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পরে বিজেপির পক্ষে প্রবল হাওয়া বইছে উত্তরপ্রদেশে। সে কথা বুঝেই আরএলডি-এর এই পদক্ষেপ এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন জয়ন্ত?

    শনিবারইএনডিএ শিবিরে যোগদানের কথা জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদিজীর নেতৃত্বে ভারত একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। দরিদ্র কল্যাণে অভূতপূর্ব বিকাশ (Loksabha Vote) ঘটেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাজির সঙ্গে দেখা করে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এনডিএ উন্নত ভারতের সংকল্প। লোকসভা ভোটে ৪০০-র বেশি আসন পাবে।’’

    জেপি নাড্ডার ট্যুইট

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শনিবার লেখেন, “অমিত শাহজির উপস্থিতিতে (Loksabha Vote) আজ আরএলডির প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজির সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। এনডিএ পরিবারে তাঁর যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমি আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই।”

    অমিত শাহের ট্যুইট

    এনডিএ শিবিরে জয়ন্তের যোগদানের পর অমিত শাহও তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জয়ন্তকে স্বাগত জানান। তিনি লেখেন, “আমি রাষ্ট্রীয় লোকদলের প্রধান জয়ন্ত চৌধরিজিকে এনডিএ পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। এনডিএতে জয়ন্তের যোগদান কৃষক, দরিদ্র ও বঞ্চিত শ্রেণির উন্নয়নের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যে কোনও সুস্থ মাথার মানুষ যাঁরা রাজনীতি এবং মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চান, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এসে কাজ করতে হবে।” রবিবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে ইন্ডি জোটকে কড়া সমালোচনা করে মমতাকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের টেট এবং শিক্ষক দুর্নীতি প্রসঙ্গে একাধিক বিষয়ে সরকারকে নিশানা করলেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের বক্তব্য শোনার পর নন্দীগ্রামে আজ বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইন্ডি জোট হল ছন্নছাড়া দশা।” বিহাররের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “ দলের জাতীয় স্তরে দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরাই এই বিষয়ে দেখছেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু ঘোষণা না করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলাটা ঠিক হবে না। সুস্থ রাজনীতি করতে গেলে মোদিজির সঙ্গে কাজ করতে পারেন। দেশকে যাঁরা ভালোবাসেন, পরিবারবাদ, দুর্নীতি এবং তোষণনীতিকে যাঁরা মান্যতা দেন না, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির কাছেই এসে কাজ করতে হবে। এটাই একমাত্র ভবিতব্য।”

    তৃণমূলকে আক্রমণ করে কী বললেন?

    এদিন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী মমতাকে আক্রমণ করে বলেন, “নবান্নে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেজস্বী যাদব এবং নীতীশ কুমারের সাংবাদিক বৈঠকটা ছেড়ে দেবো। সব রেডি করা আছে। সুপ্রিম কোর্টে প্যানেল জমা পড়লেই তৎপরতা বাড়ে। ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষায় কত জন চাকরি পেয়েছে? ১৫০ টাকার ফর্ম হয়েছে ৫০০ টাকা। বেকারদের কাছ থেকে এই তৃণমূল সরকার ২৭ কোটি টাকা তুলেছে। ২ কোটি টাকা খরচ করেছে পরীক্ষার জন্য। আর বাকি ২৫ কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ফিস দিতে খরচ করা হচ্ছে। বেকারদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে তৃণমূল। ২০২২ সালের টেট আবেদনকারী ছিলেন ১০ লাখ আর ২০২৩ সালে সেই টেট আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ। চাকরি যে নেই সেটা বাংলার যুবক যুবতীরা ধরে ফেলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “আপনার দল কি সংবর্ধনা দেবে, নাকি বঙ্গরত্ন দেবে?” ধীরজ সাহু ইস্যুতে মমতাকে প্রশ্নবাণ সুকান্তর

    BJP: “আপনার দল কি সংবর্ধনা দেবে, নাকি বঙ্গরত্ন দেবে?” ধীরজ সাহু ইস্যুতে মমতাকে প্রশ্নবাণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার কংগ্রেসের ধীরজপ্রসাদ সাহু। ঝাড়খণ্ডের এই সাংসদের ডিস্টিলারি সংস্থায় হানা দিয়ে আয়কর দফতর এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করেছে নগদ ২৫০ কোটি টাকা। এই ইস্যুতে এবার শুধু কংগ্রেস নয়, নতুন ‘ইন্ডি’ জোটকেই নিশানা করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার বালুরঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে নয়া ওই জোটের মুখ বলে প্রচারিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।

    কী বললেন সুকান্ত? (BJP)

    তিনি বলেন, “কংগ্রেস বলতে মনে রাখবেন কংগ্রেস কিন্তু একা নয়। মোদি বিরোধী যে একটি গ্রুপ তৈরি হয়েছে, যারা নিজেদেরকে I.N.D.I.A বলছে, তাদের লিডার হচ্ছে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন নেতানেত্রী। এরা বাংলায় বিজেপির (BJP) বিরোধিতা করে বড় বড় কথা বলে, দেশ নাকি আম্বানি-আদানিদের বিক্রি করে দিয়েছে। আর ৬ই ডিসেম্বর থেকে যে কংগ্রেস সাংসদের বাড়িতে আইটি রেড চলছে, তাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাঁর বাড়ি থেকে ২০০ কোটি টাকার বেশি ক্যাশ উদ্ধার হয়েছে। আলমারির থাকে থাকে সাজানো টাকা। ৬ই ডিসেম্বর ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে রেড চলেছে। বিভিন্ন লোকেশনে তাঁর সম্পত্তি রাখা ছিল। ৪০ জনের আইটি অফিসারের টিম রেড করে এবং এই কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়। এর আগে এই রকম রেড করে এত টাকা উদ্ধার খুব কম উদ্ধার হয়েছে। ২০০ কোটি টাকা পার হয়ে গেছে এখনও পর্যন্ত। আরও টাকা উদ্ধার হবে। তাহলে কি এই বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই রাহুল গান্ধী-সোনিয়া গান্ধী মহুয়া মৈত্র মহুয়া মৈত্র করছেন?”

    নিশানায় মমতা

    সুকান্ত মজুমদার (BJP) বলেন, “এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গারু লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে এক লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনডিএ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আজ তাঁর জোটের কংগ্রেস সাংসদের বাড়ি থেকে ২০০ কোটি টাকারও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রী ২০০ কোটি টাকাকে এক লক্ষ টাকার থেকে কম মনে করছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার সার্টিফিকেট দেবেন পার্থ চ্যাটার্জির মতো, উনি চুরি করেননি, সৎ মানুষ, ওনাকে ফাঁসানো হয়েছে। আজকে তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই বাংলা থেকে প্রশ্ন করতে চাই, আপনি এক সময় বঙ্গারু লক্ষণের বিরুদ্ধে এক লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে (যদিও সেটা প্রমাণও হয়নি) NDA ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আজকে এই ২০০ কোটি টাকার বেশি উদ্ধার হওয়া ধীরাজ সাহু সম্পর্কে আপনার মত কী? আপনার দল কি পাশে দাঁড়াবে, নাকি সংবর্ধনা দেবে, নাকি বঙ্গরত্ন দেবে? এই প্রশ্নের জবাব আপনারা দেবেন। এই প্রশ্ন জনগণের সামনে বিরাট প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। রাজনীতি মানেই কি টাকা নিজের ঘরে নিয়ে যাওয়া? পরিবার-পরিজন-আত্মীয়-স্বজনকে দিনকে দিন বড়লোক করা? এই যদি রাজনীতি হয়, তবে কংগ্রেস সহ তার বিভিন্ন সহযোগী রাজনৈতিক দলকে গোটা দেশের মানুষ যেভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, আগামী দিনে বাংলার জনগণও তৃণমূলের চোর সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে।”

    চাকরিপ্রার্থীদের ধরনার ১০০০ তম দিন

    এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (BJP) জানান, এসএলএসটি’র এই সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা যোগ্য। এঁদের চাকরি পাওয়া উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যবশত তাঁরা চাকরি পাননি। এঁরা চাকরি পাবেনও না, কারণ এই সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নিজেই জানেন না ভ্যাকান্সি কত রয়েছে। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কখনও বলছেন লক্ষাধিক, কখনও বলছেন ৭০০। যখন কোনও শিক্ষামন্ত্রী তাঁর মত ও অবস্থান বারবার কিছুদিন পরপর পরিবর্তন করেন, আমার মনে হয়, তাঁদের কোনও সমস্যার সমাধান হবে না। এসএসসির কথা মানুষকে ভুলে যেতে হবে। ৫০০ টাকা ও হাজার টাকার উপঢৌকন নিয়ে চুপ করে বসে থাকতে হবে।

    টেনে জিভ ছিঁড়ে নেওয়ার ফরমান

    তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বিজেপির নেতানেত্রী, সহকর্মীদের টেনে জিভ ছিঁড়ে নেওয়ার ফরমান দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (BJP) জানান, তৃণমূল কংগ্রেস মানে ভাগাড়।তারা মুখ খুললে গন্ধ তো বেরোবে, এটাই স্বাভাবিক। এখানে তো চন্দনের গন্ধ আশা করা যায় না। জেলা সভাপতিকে নির্দেশ দিয়েছি, উনার বিরুদ্ধে এফআইআর করবার জন্য। কত মানুষকে স্তব্ধ করতে পারবেন, সেটাই দেখতে চাই। রহিম বক্সী সাহেবের দম দেখতে চাই, তিনি কত বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করতে পারেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    Nitish Kumar: মোদির হাত ধরেই ফিরবেন? নীতীশের এনডিএ-যোগ নিয়ে জল্পনা তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের এনডিএতেই যোগ দিচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। রাজনৈতিক মহলে এমনই গুঞ্জন।  সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে নাকি আসনরফাও হয়ে গিয়েছে বিজেপি এবং নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)-এর। যোগদান এখন সময়ের অপেক্ষা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)-র সঙ্গে এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিহারের বেতিয়ায় প্রচার র‌্যালি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে নীতীশ কুমারকে। সেখান থেকেই হয়তো ফের শিবির বদলের ঘোষণা করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    ইন্ডি জোট ছাড়ছেন নীতিশ

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলা এবং পাঞ্জাবে একাই লড়বে তাঁদের দল। এমতাবস্থায় ইন্ডি জোট ছাড়ার পথে নীতীশও (Nitish Kumar)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে পাটনায় নিজের দলের সকল বিধায়ককে ডেকে পাঠিয়েছেন নীতীশ (JDU-NDA  Alliance)। সেখানে বসেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। নীতীশ এনডিএতে যোগ দিলে দু’টি সম্ভাবনা খোলা থাকবে। এক, বিধানসভা ভেঙে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই বিহারে আবারও বিধানসভা নির্বাচন করানো। নয়তো, নীতীশকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখে দেওয়া। বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৮২টি আসন। বিজেপির হাত ধরলে অনায়াসেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছে যেতে পারে নীতীশের দল।

    আরও পড়ুন: ইউপিআই কী? ‘চায়ে পে চর্চা’য় মাক্রঁকে বোঝালেন মোদি

    ফের এনডিএ-তে যোগ

    ২০১৩ সাল থেকে এই নিয়ে পাঁচ বার শিবির বদলালেন ৭২ বছরের নীতীশ (Nitish Kumar)। শেষ বার, ২০২২ সালে এনডিএ ছেড়ে মহাজোটে যোগ দেন তিনি। লালুর দল আরজেডির সঙ্গে সরকার গড়েন। তার দু’বছর আগেই মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এ বার ফের মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে। বিজেপি সূত্রে খবর, বিহারের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সম্রাট চৌধুরীকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। সুশীল মোদি ও সম্রাট চৌধুরী বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। তারপরই হয়তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Opposition Meet: থাকবে না তৃণমূল, সিপিএম! প্রথম সমন্বয় বৈঠকের আগেই জোড়া ধাক্কা ‘ইন্ডি’ জোটে

    Opposition Meet: থাকবে না তৃণমূল, সিপিএম! প্রথম সমন্বয় বৈঠকের আগেই জোড়া ধাক্কা ‘ইন্ডি’ জোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম সমন্বয় বৈঠকের (Opposition Meet) আগেই জোড়া ধাক্কা ‘ইন্ডি’ জোটে। আজ, বুধবার বিকেলে ‘ইন্ডি’ জোটের প্রথম সমন্বয় কমিটির বৈঠকে (Co-Ordination Committee) তৃণমূলের প্রতিনিধি থাকছে না। কারণ, সমন্বয় কমিটিতে তৃণমূল মনোনীত সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে আজ সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের সামনে হাজিরা দিতে হবে। অন্যদিকে, সিপিএমও যোগ দেবে না বলে জানা গিয়েছে।

    ইন্ডি জোটে মতভেদ প্রকট

    বিরোধী জোট সূত্রে খবর, দিল্লিতে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) বাসভবনে বসবে এই বৈঠক (Opposition Meet) । সূত্রের খবর, মূলত আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হবে ১৪ সদস্যের বৈঠকে। তবে নিজেদের স্বার্থ ত্যাগ করে কোন দল কতটা সমঝোতা করে, তা নিয়েই আলোচনা রাজনৈতিক মহলে। জোট গঠনের সময়েই ঠিক হয়, প্রতিটি লোকসভা আসনে বিরোধী দলগুলির মধ্য়ে সবথেকে ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী যে দলে থাকবে, তাঁকেই সেই আসনে প্রার্থী করা হবে। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও বিহারে আসন ভাগাভাগি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেলেও, দিল্লি, পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গ নিয়েই বেশি চিন্তিত ‘ইন্ডি’ জোট। সেখানে দলগুলির মধ্যে অনৈক্য প্রকট। 

    সিট শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা

    আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে আবার পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলিত কী রণকৌশল হবে, তা-ও এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ, বিরোধীরা বিজেপিকে হটানোর জন্য আসন ভাগাভাগিতে সম্মত হলেও তৃণমূল, আপ, কংগ্রেস-সহ ‘ইন্ডি’-র প্রতিটি শরিক দলেরই রাজ্যভিত্তিক কিছু রাজনৈতিক বাধ্যবাধ্যকতা আছে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ-দিল্লি-পাঞ্জাবের ৬২টি লোকসভা আসনে কী ভাবে আসন বিন্যাস হবে, তা স্থির করা ‘ইন্ডি’ জোটের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মানছেন একাধিক বিরোধী নেতা। আসন সমঝোতার পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে (Opposition Meet) বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারের পদ্ধতি নিয়েও সুবিস্তৃত আলোচনা হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছানো যায়, যৌথ মিছিল, মানুষের দরজায় দরজায় ঘুরে প্রচার করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। তবে প্রতিটি রাজ্যে প্রচারের ক্ষেত্রে আলাদা হবে এই নীতি। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    বাংলায় আসন ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব

    আজই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেরার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই বৈঠকে (Opposition Meet) যোগ দিতে পারবেন না। অভিষেকের বদলে তৃণমূলের তরফে অন্য কোনও সদস্যকে পাঠানো হবে না বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিপিআইএমের তরফে এখনও কোনও সদস্য়ের নাম পাঠানো হয়নি। আজকের বৈঠকে সিপিআইএমও অনুপস্থিত থাকবে। আগামী ১৬-১৭ সেপ্টেম্বর পলিটব্যুরোর বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে ‘ইন্ডি’ জোটে দলের প্রতিনিধি কারা হবেন, তা ঠিক করা হবে। তবে, এদিনের বৈঠকে তৃণমূল ও সিপিএমের কোনও প্রতিনিধি না থাকার ফলে আসন রফা নিয়ে আলোচনা হলেও সেখানে বাংলায় আসন ভাগাভাগির ফর্মুলা কী হবে, তা নিয়ে দিশা পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন জোটের সদস্য একাধিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: সাংবাদিক বৈঠকে থাকলেন না, অভিষেককে নিয়ে দ্রুত জোট বৈঠক ছাড়লেন মমতা! কেন?

    Mamata Banerjee: সাংবাদিক বৈঠকে থাকলেন না, অভিষেককে নিয়ে দ্রুত জোট বৈঠক ছাড়লেন মমতা! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাল কাটল শেষে! মুম্বইতে ইন্ডিয়া জোটের মিটিং শেষ হওয়ার পরেই বেরিয়ে গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। থাকলেন না সাংবাদিক বৈঠকে। তাহলে কি অসন্তোষ? মতের মিল হল না। মোদি-বিরোধী ‘পাঁচ মিশলি’ জোট ভোটের আগে পর্যন্ত এক ছাতার তলায় থাকে কি না তা নিয়েই এখন সরগরম দেশের রাজনীতি।

    দ্রুত প্রস্থান মমতার

    শুক্রের সন্ধ্যাতেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতা ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জোটের বৈঠকে বাকি ২৬টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অংশ নিলেও। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিরোধী জোটের সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার আগে তৃণমূল সুপ্রিমোর মুম্বই ত্যাগ নিয়ে আলোচনা রাজনৈতিক মহলে। 

    রাহুল গান্ধীর উপর অসন্তুষ্ট মমতা

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উপর অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দিন জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে মোদি ও আদানি আঁতাত নিয়ে সরব হন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। রাহুলের এই পদক্ষেপেই অসন্তুষ্ট তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ জোটের বৈঠকে কোনও প্রাথমিক আলোচনা ছাড়াই আদানি প্রসঙ্গ তোলেন রাহুল।  সূত্রের দাবি, এদিন এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন কংগ্রেস নেতাকে প্রশ্নও করেন বিষয়টি ঠিক হল কিনা। 

    জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে মতপার্থক্য

    সূত্রের খবর এবারের বৈঠকে জেডিইউ, আরজেডি, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলি জাতিভিত্তিক জনগণনার পক্ষে থাকলেও বিরোধিতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে এই মতপার্থক্যের জেরে রাজনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হয়। তবে এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকের পর তড়িঘড়ি মুম্বই ছাড়েন কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। 

    আরও পড়ুুন: “দেদার ছাপ্পা চললেও, প্রাণভয়ে কিছু করতে পারিনি”! হাইকোর্টে স্বীকারোক্তি প্রিসাইডিং অফিসারের

    ১৪ সদস্যের সমন্বয় কমিটি

    দ্বিতীয় পর্বের জোট বৈঠকে ১৪ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটিতে তারুণ্যেই জোর দেওয়া হয়েছে। ১৪ সদস্যের এই সমন্বয় কমিটির মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল, CPI নেতা ডি রাজা, DMK নেতা টি আর বালু, NCP প্রধান শরদ পাওয়ার,শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত, বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, আপ সাংসদ রাঘব চড্ডা, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, JDU নেতা লল্লন সিং, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক নেতা নেত্রীর নামও ওই কমিটিতে রয়েছে। তবে তৃণমূলের তরফ থেকে কেবলমাত্র অভিষেকের নামই দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

    রাজ্যে সিপিএম-কংগ্রেসের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ

    পাটনায় জোটের বৈঠক থেকে আগাম বেরিয়ে গিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বেঙ্গালুরুতে বেরিয়ে গিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। প্রথমবার যখন অরবিন্দ কেজরিওয়াল বেরিয়ে গিয়েছিলেন তখন তিনি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তবে এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে এনিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলায় সিপিএম ও কংগ্রেসের ভূমিকায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মমতা। এদিন ধূপগুড়িতে যেভাবে মহম্মদ সেলিম অভিষেককে আক্রমণ করেছেন তাতে জোট কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share