Tag: India Army

India Army

  • Air Defence System: দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করাই লক্ষ্য, একযোগে কাজ করবে স্থল এবং বায়ুসেনা

    Air Defence System: দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করাই লক্ষ্য, একযোগে কাজ করবে স্থল এবং বায়ুসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সশস্ত্র বাহিনীর দুই শাখা, স্থলসেনা এবং বায়ুসেনার সমন্বয় নিবিড় করার চেষ্টা করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চিন, পাকিস্তান এবং সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সঙ্গেও মতানৈক্য, তাই সীমান্তে সদা সতর্ক ভারত। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতকে বিপাকে ফেলতে শত্রুসেনার বিমান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র এমনই গুরুত্বপূর্ণ নিশানা বেছে নিতে পারে। আর তা মাথায় রেখেই এ বার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence System) ঢেলে সাজাচ্ছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী। এই পরিকল্পনা মাথায় রেখেই দুই বাহিনীর সমস্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলিকে আনা হচ্ছে, ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (আইএসিসিএস) নামে পরিচালন ব্যবস্থার অধীনে। ইতিমধ্যেই সেই একত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বলে খবর।

    সেনার পাশে বায়ুসেনা

    ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পদাতিক বাহিনী। শক্তির দিক থেকে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার যুবক দেশের সবাই নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। কারণ পেশা হিসেবে তাঁরা বেছে নেন সেনার চাকরিকেই।‌ কর্তব্য নিষ্ঠা, দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং শৌর্য। ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হন তাঁরা। দুর্গম কাশ্মীরের সিয়াচেন হিমবাহ থেকে অরুণাচলের চিন সীমান্ত। আবার অন্যদিকে, রাজস্থানের থর মরুভূমির বুকেও সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর মতো বিরাজমান ভারতীয় সেনা। ‌শুধু যুদ্ধ‌ কিংবা সীমান্ত সুরক্ষায় নয়। বিভিন্ন বিপর্যয় দুর্যোগে আক্রান্ত দেশবাসীর ত্রাতা হয়ে ওঠে ভারতীয় সেনা।‌ এই অবস্থায় আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে সেনাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে দেশের বায়ুসেনা।

    তিন শাখার যৌথ পদক্ষেপ

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার একত্রীকরণের (থিয়েটারাইজেশন) কথা ঘোষণা করেন। তাঁর মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, নয়া ব্যবস্থায় রুশ এস-৪০০ থেকে ভারতীয় ‘আকাশ’ (ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র) পর্যন্ত সবই চলে আসবে আইএসিসিএস-এর নিয়ন্ত্রণে। ইতিমধ্যেই স্থলসেনার ‘আকাশতীর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’-এর (Air Defence System) ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আকাশতীর-প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘‘চলতি বছরের শেষেই একত্রীকরণের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করছি।’’

    একই থিয়েটার কমান্ড গঠন 

    বর্তমানে ভারতীয় স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার দেশজুড়ে পৃথক পৃথক কমান্ড রয়েছে। ‘থিয়েটারাইজেশন’ পদ্ধতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হল তিন বাহিনীর ভিন্ন ভিন্ন কমান্ডের পরিবর্তে, একই থিয়েটার কমান্ড গঠন করা। আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো দেশে ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার। বাড়বে মারণক্ষমতাও। আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপের ফলে ‘জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স সেন্টার’ (জেএডিসি)-র মাধ্যমে আকাশতীর-সহ সশস্ত্র বাহিনীর রাডারকে একীভূত করা হবে।

    আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘ত্রিশক্তি’! প্রথমবার একসঙ্গে কুচকাওয়াজ করবে সেনার তিন বাহু

    আকাশতীর প্রকল্পে ভরসা

    আকাশতীর প্রকল্পের (Air Defence System) অধীনে ভারতীয় সেনা ও বিমান বাহিনী একটি নিয়ন্ত্রণ ও কমান্ড কেন্দ্রে পরিণত হবে। এর ফলে আকাশতীর প্রকল্পের ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে চলতে পারবে। এ কারণেই এটিকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সমন্বিত ভবিষ্যৎ বলে মনে করা হয়। এর বিশেষ বিষয় হল তিনটি বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে এবং একসঙ্গে শত্রুকে আক্রমণ করতে পারবে। এই প্রযুক্তি সম্পর্কে কথা বললে, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর রাডারগুলিকে মাটিতে মোতায়েন করা হবে এবং আকাশতীর প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলিকে তাদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাহিনী তার ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (আইএসিসিএস) ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রকল্প আকাশতীরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং সীমান্ত পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। এটি আকাশ থেকে ভূমিতে এবং স্থল থেকে আকাশে আক্রমণ করতে সক্ষম হবে। তখন বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট শত্রুর দিকে দ্রুত আক্রমণ করবে এবং শত্রুকে আকাশেই ধ্বংস করবে।

    এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চলমান প্রচেষ্টা

    ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনী তাদের বিমান প্রতিরক্ষা একীভূত করার প্রক্রিয়া (Air Defence System) শুরু করেছিল ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে। ২০২০ সালে, তৎকালীন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত বিমান প্রতিরক্ষা একত্রীকরণকে “লো হ্যাঙ্গিং ফল” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তখন আলাদা একটি আকাশসীমা প্রতিরক্ষা কমান্ড (Air Defence Command) গঠনের কথা উঠেছিল, তবে এখনও পর্যন্ত কিছু চূড়ান্ত হয়নি, কারণ থিয়েটার কমান্ড কনসেপ্ট এখনও কাজের মধ্যে রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আশা, ২০২৫ সালেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Army Helicopter Crash: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার চিতা হেলিকপ্টার! নিখোঁজ দুই পাইলট

    Army Helicopter Crash: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার চিতা হেলিকপ্টার! নিখোঁজ দুই পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহড়া চলাকালীন অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্তে মান্ডালা পাহাড়ি এলাকায় ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার চিতা হেলিকপ্টার (Cheetah helicopter)। বৃহস্পতিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর, সীমান্ত এলাকায় রুটিন উড়ানের সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে (Army Helicopter Crash)। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সেনাবাহিনী। কিন্তু পাইলটদের পাওয়া যায়নি।

    কী ঘটেছিল

    সেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সওয়া ৯টা নাগাদ আচমকাই এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় হেলিকপ্টারটির (Army Helicopter Crash)। সেনার জনসংযোগ আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়ত বলেন, “বমডিলায় মহড়া চলছিল ওই হেলিকপ্টারটির। সকাল সওয়া ৯টা নাগাদ এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, হেলিকপ্টারটি মান্ডালায় ভেঙে পড়েছে। হেলিকপ্টারের (Army Helicopter Crash) খোঁজে ওই এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।” অরুণাচল প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, ওড়ার পর সেঙ্গে গ্রামের কাছে মিসামারিতে এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় হেলিকপ্টারটির। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ বাংজালেপ গ্রামের বাসিন্দারা জিরাং থানায় জানান যে, একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়তে দেখেছেন তাঁরা। এই ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং মেজর পদমর্যাদার দুই পাইলট নিখোঁজ। 

    আরও পড়ুুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    বহুদিন ধরেই রয়েছে চেতক, চিতা

    ভারতীয় বায়ুসেনা এবং সেনাবাহিনী অনেক বছর ধরেই চেতক এবং চিতা হেলিকপ্টারগুলি ব্যবহার করে আসছে। ১৯৬০-৭০ সাল থেকে ভারতীয় সেনার অস্ত্রসম্ভারে রয়েছে চেতক এবং চিতা হেলিকপ্টার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিও বদলেছে। কিন্তু এই দুই প্রাচীন কপ্টারকে সে ভাবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হয়নি। এই হেলিকপ্টারগুলির পরিস্থিতি এখন আর ততটা ভালো নয়। এই আবহে এই হেলিকপ্টারগুলিকে বদলের প্রয়োজন রয়েছে। যদিও সীমান্ত ঘেঁষা উঁচু অঞ্চলে বাহিনীর লাইফলাইন এই হেলিকপ্টার। বর্তমানে প্রায় ২০০টি চিতা এবং চেতক হেলিকপ্টার নিযুক্ত রয়েছে সামরিক বাহিনীর পরিষেবাতে। উল্লেখ্য, এর আগে গতবছরই অরুণাচলপ্রদেশে সেনা হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা (Army Helicopter Crash) ঘটেছিল। সেই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসাবে উঠে এসেছিল প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army LAC: অরুণাচলে চিনকে টক্কর দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা! জানেন সেনার কী পরিকল্পনা?

    Indian Army LAC: অরুণাচলে চিনকে টক্কর দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা! জানেন সেনার কী পরিকল্পনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখ (Ladkh) সংঘাতের আবহে গত ২০২০ সাল থেকে ভারতচিনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়েছে। বারবার সেনা পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে কিন্তু মেলেনি সমাধান সূত্র। এরই মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর (LAC) সেনা মোতায়েন করেছে চিন। নির্মাণ কাজ চালিয়ে গিয়েছে। যুদ্ধ আবহ তৈরির চেষ্টাতে ব্যস্ত বেজিং। এবার চিনকে সমানে টেক্কা দিল ভারত। চিনের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই এবার অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর স্ট্র্যাটেজিকাল পদ্ধতি অবলম্বন করেছে ভারত।

    আরও পড়ুন: উচ্চতম নেতাজি মূর্তির আবরণ উন্মোচন করবেন মোদি, সাজ সাজ রব ইন্ডিয়া গেটে

    সেনা সূত্রে খবর, অরুণাচলে কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আরও সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে টক্কর দিতে পারবে ভারত। চলছে রাস্তা, সেতু, নির্মাণের কাজ। যুদ্ধ সরঞ্জাম মোতায়েন করা হচ্ছে। এক উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকের কথায়, অসম রাইফেলসের নজরদারিতে ওই অঞ্চলে সেনা প্রশিক্ষণ চলছে। অনুপ্রবেশ রুখতেই সেনার তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বলে অনুমান।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    সেনা সূত্রে খবর, মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। ওই সেনা আধিকারিকের কথায়, “এই অঞ্চলে যে কোনওরকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সেনা প্রস্তুত।” কিবিথু, ওয়ালং এবং হুইলিয়াং-এর মতো কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় ৪জি টেলিকম নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের দিকেও মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। নজর রাখা হয়েছে উচ্চ দিবাং উপত্যকা অঞ্চলে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ হবে, বলেও জানান ওই আধিকারিক। বায়ুসেনা নতুন হেলিপ্যাড নির্মাণ করছে বলেও খবর। জোর দেওয়া হচ্ছে অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড (ALG) এর ক্ষমতা সম্প্রসারণে। সেনার তরফে দাবি করা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন পরিকাঠামোর দ্রুত উন্নতি ঘটাচ্ছে। তার সঙ্গে জোর পাল্লা দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করবে না সেনা।

  • Defence Ministry: ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কিনছে সেনা! অনুমতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    Defence Ministry: ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কিনছে সেনা! অনুমতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার জন্য বড় পদক্ষেপ নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defrnce Ministry)। সশস্ত্র ড্রোন, কার্বাইন এবং বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট-সহ ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমতি দেওয়া হল ভারতীয় সেনাকে (Indian Army)। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সভাপতিত্বে ছিল প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিলের বৈঠক। সেই বৈঠকেই এই অনুমতি দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর ফলে আরও শক্তিশালী হবে সেনা ট্যুইটে এমনই দাবি করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ট্যুইটবার্তায় রাজনাথ সিং জানিয়েছেন,সেনা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত দু’বছর ধরে পূর্ব লাদাখে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহের পাশাপাশি কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রতিবেশী পাকিস্তানের নিয়মিত অনুপ্রবেশের চেষ্টার মধ্যেই ভারতের এই পদক্ষেপকে সদর্থক বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে,  আধুনিক যুদ্ধে ভারতীয় সেনার ক্ষমতা বাড়াতে ডিএসি দ্বারা স্বায়ত্তশাসিত নজরদারি এবং সশস্ত্র ড্রোন কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ১৪টি দ্রুত টহলদারির ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ কিনতে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের প্রস্তাবকেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এদিকে নৌবাহিনীর ১২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার মেরিন গ্যাস টারবাইন জেনারেটর উন্নত করার প্রস্তাবও মেনে নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ৪ লাখ ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল কারবাইন কেনার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় শত্রুর নজরদারির কথা মাথায় রেখে এবং জঙ্গি দমন অভিযানের সময় সামনাসামনি সংঘর্ষের কথা বিবেচনা করে সেনার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট কেনারও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

LinkedIn
Share