Tag: India Bangladesh border

India Bangladesh border

  • BSF: থার্মাল ক্যামেরা থেকে বায়োমেট্রিক যাচাই, বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    BSF: থার্মাল ক্যামেরা থেকে বায়োমেট্রিক যাচাই, বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত হয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই আবহের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে বিএসএফ-এর সংঘাতের খবর সামনে আসছে বারবার। এমনকী কাঁটাতার দিতে গিয়ে একাধিক অরক্ষিত সীমান্তে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিএসএফকে (BSF)। এই আবহে সীমান্ত দিয়ে বার বার অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশিরা। বিষয়টি যে যথেষ্ট অস্বস্তির, তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা। যদিও তা প্রতিহত করতে সদা তৎপর বিএসএফ। নিত্যনতুন কৌশলে সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে তারা। জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের ধরার জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এখন বিএসএফের ১০২ ব্যাটালিয়নের হাতে। বসিরহাটে মোট ৩৩ কিমি দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Border) সীমান্তের মাত্র ১২ কিলোমিটার কাঁটাতার করা হয়েছে। বাকি অংশ এখন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এই এলাকা দিয়ে যাতে অনায়াসে বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশ করতে না পারে, তারজন্য উদ্যোগী হয়েছে বিএসএফ (BSF)। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র ২৪ ঘণ্টা টহল নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ওপর নজরদারি চালাতে বাহিনীর হাতে হাতে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    নজরদারির জন্য কী কী পদক্ষেপ? (BSF)

    এমনিতেই কয়েকদিন আগে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে কাঁটাতারে লাগানো হল কাচের বোতল। ফুলকাডা বুড়ি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কিছুদিন আগেই লাগানো হয় কাঁটাতার। বিএসএফের সাহায্যে সেখানে কাচের বোতল লাগিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দুষ্কৃতীরা ওই তার কেটে নিলে সশব্দে ভাঙবে কাচের বোতল। তাতে সতর্ক হবে বিএসএফ (BSF), দাবি স্থানীয়দের। কোচবিহার ছাড়াও মালদা, নদিয়া সহ সীমান্ত এলাকায় এখনও অনেক ফাঁকা জমি রয়েছে। সেই জমিতে কাঁটাতার দিতে বাধা দিচ্ছে বাংলাদেশিরা। তাতে মদত দিচ্ছে বিজিবি। মূলত, অনুপ্রবেশে মদত রয়েছে ইউনূস প্রশাসনের। ফলে, অনুপ্রবেশ রুখতে অন্য কৌশল নিয়েছে বিএসএফ। জানা গিয়েছে, হ্যান্ড-হেল্ড থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম হল সেনাদের কাছে নজরদারির অন্যতম হাতিয়ার। এতে জড় বস্তু এবং শত্রু বাহিনীর মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য ধরা পড়ে। সীমান্ত দিয়ে কেউ পারাপার করার চেষ্টা করলে তা এই ক্যামেরায় ধরা পড়়বে। বিএসএফের (BSF) সূত্র জানায়, ক্যামেরাগুলো বিশেষ করে ঘন কুয়াশার সময় এবং রাতের টহল দেওয়ার জন্য কাজে লাগে। সীমান্তে নজরদারি রাখতে ক্যামেরা ছাড়াও নাইট ভিশন ডিভাইসও ব্যবহার করছে বাহিনী। আংশিক কাঁটাতার দেওয়া সীমানার পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেই দেখতে পাওয়া যায় একটি বিশেষ জাল যা লাগানো হয়েছে। একজন সিনিয়র বিএসএফ আধিকারিক বলেন, এমনিতেই সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ রুখতে জওয়ানরা সবমসয় টহল দেন। তারপরও রাতের অন্ধকারে কাঁটাতার দিয়ে কোনও কিছু ফেলতে না পারে, তার জন্য জাল লাগানো হয়েছে। তাতে অনেকটাই কাজ হচ্ছে।

    চাষিদের বায়োমেট্রিক!

    বিএসএফ (BSF) দ্বারা নেওয়া আরেকটি পদক্ষেপ হল কাঁটাতারের এলাকার বাইরে জমি রয়েছে, সেই জমিতে যাওয়ার জন্য চাষিদের বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ শুরু করা। গ্রামবাসীরা যারা কৃষিকাজের জন্য তাদের জমিতে যেতে চান তাদের এখন তাদের বায়োমেট্রিক বিবরণ প্রদান করতে হবে, যা তাদের পাস করার অনুমতি দেওয়ার আগে রেকর্ডের সঙ্গে মিলে যায়। কৈজুরির স্থানীয় গ্রামবাসী নিমাই দাস বলেন,  “প্রতিদিন বিএসএফ আমার বুড়ো আঙুলের ছাপ মিলিয়ে দেখার পর আমার জন্য গেট খুলে দেয়। উত্তেজনা সত্ত্বেও, অফিসার এবং জওয়ানরা সবসময় আমাদের সাহায্য করে।’’ আরা যাদের জমি নেই, অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করতে যান, তাঁদের আধার কার্ড জমা নেওয়া হয়। পরে, কাজ শেষ হলে তা ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।

    সীমান্তে টহলরত কুকুর

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু জওয়ানরাই নয়, টহলরত কুকুররাও নজরদারিতে তাদের ভূমিকা পালন করছে। জার্মান ম্যালিনোইস জাতের ম্যাক্স নামে প্রশিক্ষিত কুকুর রয়েছে। যার বয়স আড়াই বছর। তার একজন মাস্টার হ্যান্ডলার রয়েছে, সীমান্তের ওপার থেকে সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে জওয়ানদের সতর্ক করে। জানা গিয়েছে, এই কুকুরটি বেশ কয়েকটি আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে। ফলে, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এই কুকুরকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারে কাচের বোতল লাগাল বিএসএফ

    BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারে কাচের বোতল লাগাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশের আবহে সীমান্ত পেরিয়ে লাগাতার ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশিরা। এই আবহে সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের (BSF)। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার নতুন কৌশল নিল ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। কাঁটাতারের বেড়ায় লাগানো হল কাচের বোতল।। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে কাঁটাতারে লাগানো হল কাচের বোতল। ফুলকাডা বুড়ি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কিছুদিন আগেই লাগানো হয় কাঁটাতার। বিএসএফ-এর সাহায্যে সেখানে কাচের বোতল লাগালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুষ্কৃতীরা ওই তার কেটে নিলে সশব্দে ভাঙবে কাচের বোতল। তাতে সতর্ক হবে বিএসএফ, দাবি স্থানীয়দের।

    কেন এমন ব্যবস্থা? (BSF)

    জানা গিয়েছে, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা (BSF) এপারে ঢুকতে গেলেই বিএসএফের লাগানো সেই বোতলে ধাক্কা লেগে আওয়াজ হবে। আর সেই শব্দই ‘বিপদ ঘণ্টা’ বা ‘ওয়ার্নিং অ্যালার্ম’-এর মতো কাজ করবে। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে যাবে বিএসএফ। তথ্য বলছে, শীতের এই সময়টায় কোচবিহারের এই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রাত নামতে না নামতেই জমাট কুয়াশায় কার্যত ঢাকা পড়ে যায়। এমনকী, দু’হাত দূরের জিনিসও ঠিক মতো দেখা যায় না। দৃশ্যমানতা এই মারাত্মক হারে কমে যাওয়ায় সীমান্ত পাহারা দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন বিএসএফ জওয়ানরা। সেই কারণেই কাঁটাতারের বেড়ায় কোথাও কাচের বোতল, আবার কোথাও টিনের কৌটো বেঁধে রেখেছেন তাঁরা। যাতে সামান্য এদিক-ওদিক কিছু হলেই বিপদের শব্দ সঙ্কেত পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের (BSF) বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা ওই গোটা এলাকা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে ফেলার দাবি করেছিলেন। শেষমেশ গত ১০ জানুয়ারি, ভারতের দিকে থাকা গ্রামের বাসিন্দারাই জিরো পয়েন্ট ঘেঁষে লোহার খুঁটি পুঁতে দেন। তারপর সেই খুঁটির সঙ্গে কাঁটাতার লাগিয়ে বেড়া দেন তাঁরা। সেই সময় তেড়ে আসে বিজিবি। এমনকী, সীমান্ত (India Bangladesh Border) লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা, সাধারণ বাংলাদেশিরাও কাঁটাতারের বেড়া দিতে আপত্তি করেন। পরবর্তীতে সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এই এলাকার প্রায় আড়াই কিলোমিটার অংশে কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হলেও বাকি প্রায় ৩ কিলোমিটার সীমান্ত এখনও উন্মুক্তই রয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই সীমান্ত এলাকার যেটুকু অংশে অস্থায়ী কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে, সেই অংশটুকুর সুরক্ষা আরও কিছুটা বাড়াতে কাঁটাতারের মধ্যেই কাচের বোতল ও টিনের কৌটো লাগিয়ে দিয়েছে বিএসএফ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সীমান্তে (BSF) কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় সবথেকে বেশি আতঙ্কে থাকি। কারণ, বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে তাঁদের গবাদি পশু, ক্ষেতের ফসল চুরি করে নিয়ে যায়। শীতের সময় এইসব অত্যাচার আরও বাড়ে। তাই, বিএসএফের এই পদক্ষেপে আমরা খুশি। উল্লেখ্য, গত রবিবার, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইউনূস সরকার। তারই পাল্টা, দিল্লিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া বার্তা দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে খবর, কাঁটাতারের ইস্যু-সহ নিরাপত্তাজনিত দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে, সেই প্রোটোকল মেনে চলছে ভারত সরকার। এদিন এই বিষয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে অস্ত্র নিয়ে হামলা, একা মহিলা জওয়ানের বীরত্বে লেজ গুটিয়ে পালাল বাংলাদেশিরা!

    BSF: সীমান্তে অস্ত্র নিয়ে হামলা, একা মহিলা জওয়ানের বীরত্বে লেজ গুটিয়ে পালাল বাংলাদেশিরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh Border) চলল গুলি। উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি গবাদি পশু। বুধবার মধ্যরাতে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের সীমান্তে গরুপাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ। দুষ্কৃতীরা বিএসএফ জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট, পাথর, অস্ত্র ছোড়ে। পাল্টা গুলি ছুড়তে হয় বিএসএফকে। ব্যাস, তার পরই দে দৌড় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর দল। এর আগে মালদার (Malda) বৈষ্ণবনগরে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে আগেই উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেখানে বিএসএফ-এর (BSF) সঙ্গে গ্রামবাসী হাতে হাত লাগিয়ে নেমেছিলেন লড়াইয়ের ময়দানে। এবার পুরানো মালদার সীমান্তে আউট পোস্ট (India Bangladesh Border) নানহালভঙ্গে এক মহিলা বিএসএফ জওয়ানের ওপর হামলা চালায় অনুপ্রবেশকারীরা। সেই সময় একাই কার্যত দেবী দুর্গার মতো ‘রণাঙ্গনে’ রুখে দেন বাংলাদেশিদের। অনুপ্রবেশকারী ও পাচারকারীদের দেন যোগ্য জবাব। আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই মহিলা জওয়ান চালালেন পরপর গুলি। ‘লেজ’ গুটিয়ে পালায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে সীমান্তে (India Bangladesh Border)  নজরদারির কাজ করছিলেন এক মহিলা জওয়ান। সেই সময় বাংলাদেশের দিক থেকে গবাদি পশু নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডের দিক থেকে বাংলাদেশের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী। মহিলা বিএসএফ জওয়ান সেই সময় ওই এলাকায় পাহারায় ছিলেন। আওয়াজ পেয়েই তিনি সেই দিকে ছুটে যান। পাচারকারী এবং অনুপ্রবেশকারীদের সতর্ক করতে চিৎকার শুরু করেন। তখনই বাংলাদেশের দিকে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে ওই মহিলা জওয়ানের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করে (India Bangladesh Border)। সেই সময় মহিলা জওয়ান আকাশের দিকে তাক করে পরপর গুলি ছোড়েন। চোরাকারবারীরা তখনও এগিয়ে যেতে থাকেন। এরপর পাচারকারীদের দিকে তাক করে এক রাউন্ড গুলি চালান। ব্যস। তাতেই আত্মারাম খাঁচা হয়ে যায় পাচারকারীদের। রণে ভঙ্গ দিয়ে তৎক্ষণাৎ অনুপ্রবেশকারীরা অন্ধকারে বাংলাদেশের দিকেই পালিয়ে যায়। ফেলে যায় গরুগুলিকে। সেগুলিকে উদ্ধার করেন ওই বিএসএফ জওয়ান।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    উদ্ধার ৫টি গবাদি পশু

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওপার সীমান্তের ১৫ থেকে ২০ জন সশস্ত্র একটি দুষ্কৃতীর দল জড়ো হয়েছিল। মালদার হবিবপুর সীমান্তের (India Bangladesh Border)  নানহালভঙ্গে বা নাঙ্গোলবান্দা এলাকা দিয়ে গরু-মোষ পাচারের চেষ্টা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কিন্তু বিএসএফের প্রহরারত মহিলা জওয়ান অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের অপরাধ ঠেকিয়েছেন। পরে উদ্ধার হওয়া ওই পাঁচটি গবাদি পশু হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ (BSF) কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    BSF: কাঁটাতার দিতে বাধা বিজিবি-র! সীমান্তে গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠক ২ বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার বৈষ্ণবনগর থেকে শুরু করে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ কিংবা দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড সংক্ষেপে বিজিবির বিরুদ্ধে বারবার সীমা কাঁটাতার বসাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে এবার, সীমান্ত পরিদর্শনে গেলেন দুই বিজেপি বিধায়ক। মালদার হবিবপুরে সীমান্ত পরিদর্শনে যান বিজেপি (BJP) বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। অন্যদিকে, বালুরঘাটে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি।

    বৈঠকের পর কী বললেন বিজেপি বিধায়করা? (BJP)

    হবিবপুরের কেদারিপাড়া সীমান্ত চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ (BSF) আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে হবিবপুরের বিধায়ক বলেন, “এখানে কোনও ফেন্সিং নেই। কেদারিপাড়া থেকে বেলডাঙা এখানে ২৫ কিমি ফেন্সিং নেই। এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্য যদি আগে ব্যবস্থা নিত, বিএসএফ-কে বা কেন্দ্রকে জায়গা দিত, তাহলে অনেক দিন আগে ফেন্সিং হয়ে যেত।” অন্যদিকে, গত বুধবার কাঁটাতার ইস্যুতেই উত্তপ্ত হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানা এলাকার শিবরামপুর গ্রাম। এখানে প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা কাঁটাতার হীন। সেখানে ফেন্সিংয়ের কাজ চলাকালীন, বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে বিএসএফ (BSF)। অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে যায় ফেন্সিংয়ের কাজ। রবিবার, সীমান্ত এলাকায় যান বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক। কথা বলেন বিএসএফের সঙ্গে। বিধায়ককে সমস্যার কথা জানান স্থানীয় মানুষরা। বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি বলেন, “গ্রামটাকে যদি কাঁটাতারের মধ্যে নিতে হয় তাহলে ওর দূরত্ব বেড়ে যায় ৯০০ মিটার। ইন্টারন্যাশনাল বর্ডারের ১৫০ মিটারের মধ্যে কোনও কন্সট্রাকশন করা যায় না। আমি কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বললাম। বিএসএফ (BSF) আশা করি সুরাহা করবে।”

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সকলে যায় সিঙ্গাপুর-আমেরিকা’, স্যালাইনকাণ্ডে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    সরব শুভেন্দুও

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “যদি ভারতের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে, গোটা ৫-৭ ড্রোন পাঠিয়ে দিলেই ওদের কাজ শেষ হয়ে যাবে। ওসামা বিন লাদেনের থেকেও খারাপ অবস্থা হবে।” অন্যদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বাধা ঘিরে গন্ডগোলের পর থেকে, মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে অরক্ষিত সীমান্তে এখনও কাঁটাতার দেওয়ার কাজ বন্ধ রয়েছে। বিএসএফ-বিজিবি (BSF-BGB) ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পরেও মেলেনি সুরাহা।

    ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে বাংলাদেশিরা

    বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুরে সীমান্তের (BSF) ওপারে দেড়শো গজ এলাকা বরাবর প্রায় হাজার বিঘা চাষের জমি রয়েছে এদেশের কৃষকদের। নিরাপত্তার কারণে কয়েকদিন কৃষকদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। শনিবার ভারতীয় কৃষকরা জমিতে গিয়ে দেখেন ফসল নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা দেবেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, “এখানে কাঁটাতার লাগাতে দিচ্ছে না বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। ওরা করতে দিচ্ছে না। জঙ্গি, জাল টাকা সব ভারতে প্রবেশ করাবে, ওই জন্য ওরা বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা আতঙ্কে আছি। কাঁটাতার থেকে ১৫০ গজ ভিতরে জমি আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    BSF: সীমান্তে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিএসএফের ওপর চোরাচালাকারীদের হামলা, পাল্টা চলল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে ফের উত্তপ্ত মালদার বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্ত। এরই মধ্যে মালদার নওদায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গুলি চালাল বিএসএফ। অভিযোগ, প্রথমে বিএসএফ (BSF) জওয়ানরা বাধা দেওয়ায় তাঁদের ওপরে প্রাণঘাতী হামলা চালায় চোরাচালানকারীরা। তখন আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরাও। এর পরই বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে ফের একবার মালদার ভারত-বাংলাদেশ (BSF) সীমান্তে চোরাচালানকারীদের আটকাতে গিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জওয়ানদের বিভ্রান্ত করতে তাঁদের চোখে হাই বিম টর্চের আলো ফেলতে থাকে বাংলাদেশি চোরাচালানকারীরা। দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে শূন্যে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। এরই মধ্যে জওয়ানদের ওপরে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীদের দল। শেষ পর্যন্ত আত্মরক্ষার জন্য পাচারকারীদের দিকে পর পর দুরাউন্ড গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। সীমান্ত রক্ষীদের দিকে তেড়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বাঁশ, লাঠি নিয়ে চলে আক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বেশ ভিড় জমতে দেখেই সন্দেহ জাগে সীমান্ত রক্ষীদের। কৌতূহলের বশেই সেই ভিড়ের দিকে এগিয়ে যান প্রহরারত দুই রক্ষী। তারপরই তাদের ওপর ঘন কুয়াশার আড়াল থেকে চলে আক্রমণ। রক্ষীদের বন্দুক কেড়ে নেওয়া চেষ্টাও করে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু, ওই দুই জওয়ানকে বাগে পেলেও নিজেদের কার্য সিদ্ধি করতে পারেননি তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালায় দুই জওয়ান। গুলির ভয়ে কাঁটাতার পার করা ভুলে, প্রাণ হাতে নিয়ে পালায় ওই বাংলাদেশিরা। 

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    বাজেয়াপ্ত ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ

    পাচার কাজেই বাংলাদেশ (BSF) থেকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। এপারে আসার পরেই তাদের মদত দিতে সেখানেই দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশি চোরাচালানকারীদের ভারতীয় সঙ্গীরা। তাদের ফিসফিসে গলার শব্দ পেয়ে সেদিকে ছুটে যান দুই জওয়ান, তাঁদের দিকে হামলা চালালেও, রক্ষীদের রুখতে ব্যর্থ হয় তারা। বাজেয়াপ্ত হয় কয়েকটি ধারালো অস্ত্র, নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। এর পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের নন্দনপুর, ফর্জিপাড়া এবং মালদা জেলার হরিনাথপুর ও চুরিয়ন্তপুর সীমান্ত দিয়েও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকার চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা হয় মাদক, ৫টি গরু এবং অন্যান্য বেআইনি সামগ্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: চোরাচালান, অনুপ্রবেশে মদত করতেই কি সীমান্তে বিএসএফকে বেড়া দিতে বাধা বিজিবি-র?

    India Bangladesh Border: চোরাচালান, অনুপ্রবেশে মদত করতেই কি সীমান্তে বিএসএফকে বেড়া দিতে বাধা বিজিবি-র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে উড়ছে কোটি কোটি টাকা। কাঁটাতারের বাইরে ফাঁকা অংশে নজর বাংলাদেশের (India Bangladesh Border) চোরাচালানকারীদের। হু হু করে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। দোসর বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবি। বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে এবার ফাঁকা অংশে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। রাজ্যের একাধিক জেলার সীমান্ত এলাকায় এখন কাঁটাতার দেওয়ার কাজ চলছে। আর সেখানে বার বার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজিবি। আর তাতে মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। তবে, বিএসএফের কড়া হুঁশিয়ারিতে বার বার পিছু হটছে বিজিবি।

    রোহিঙ্গাদের অনুপ্রেবেশের স্বার্থেই কি বিজিবির এই বিরোধিতা? (India Bangladesh Border)

    মালদা, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, নদিয়া সহ একাধিক জায়গায় বিজিবি সীমান্তে (India Bangladesh Border) বিএসএফকে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দিচ্ছে। মূলত, সীমান্তে চোরাচালান, অনুপ্রবেশে ইউনূস সরকারের মদত রয়েছে। সরকারের নির্দেশ পেয়ে সীমান্তে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজিবি। নানা অছিলায় বিএসএফকে কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। মূলত, সীমান্তে যাতে বেড়া দিতে না পারে তার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু, প্রতিবারই বিএসএফের চাপে পিছু হটছে বিজিবি। জানা গিয়েছে, মালদার ভারত-বাংলা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনে আবারও বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ত সড়ক বিভাগকে বাধা দেয়। তাদের দাবি, বেড়া নির্মাণের জন্য খুঁটির গর্ত খোঁড়া যাবে না। যেখানে গর্ত খোঁড়া হচ্ছে, সেই জায়গা নাকি বাংলাদেশের। তাদের বাধায় বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধ হয়ে যায় বেড়া দেওয়ার কাজ। বিকেলে ইংরেজবাজারের মহদিপুরে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। সেই বৈঠকে বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ম্যাপ খুলে সবকিছু দেখানোর পর, তারা নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসে। শুক্রবার সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে বেড়া দেওয়ার কাজ, বলে জানিয়েছেন মালদার জেলাশাসক। তবে সীমান্ত লাগোয়া এলাকার ভারতীয়রা বলছেন, এর পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের অভিসন্ধি। যেখানে তারা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে, সেখানে সীমান্তের ওপারে রোহিঙ্গারাও জড়ো হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে কি বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের অনুপ্রেবেশের স্বার্থেই কি বিজিবির এই বিরোধিতা? প্রশ্ন তুলছেন এপারের মানুষ।

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    বেড়া দিতে বার বার বাধা দিচ্ছে বিজিবি!

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সম্প্রতি ইন্দো-বাংলা সীমান্তের (India Bangladesh Border) অরক্ষিত সীমান্তে ত্রিস্তর কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি থেকে সেই কাজ শুরু হয়েছে। কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকদেবপুরেও চলতি সপ্তাহে সেই কাজ শুরু হয়। কিন্তু গত সোমবার সেখান প্রথমবার কাজে বাধা দেন বেশকিছু বাংলাদেশি। তাঁদের সমর্থনে এগিয়ে আসে বিজিবিও। তারা দাবি করে, যেখানে বেড়া দেওয়া হচ্ছে সেই জায়গা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে। যদিও কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লক প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ম্যাপ খুলে বিজিবিকে প্রমাণ দেন, যে তাদের দাবি সঠিক নয়। মঙ্গলবার কাজ ফের শুরু হয়। একদিন কাজ হতে না হতে ফের বাধা আসে। নকশা অনুযায়ী, কাঁটাতারের বেড়া দিতে ওই এলাকায় মরাগঙ্গা নদীর ধারে মোট ৪০০টি খুঁটি পুঁততে হবে। তার জন্য ইতিমধ্যে শতাধিক গর্ত করা হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজিবির তরফে দাবি করা হয়, যে জায়গায় গর্ত খোঁড়া হচ্ছে, সেটা বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার মধ্যে পড়ে।

    স্থানীয় প্রধান কী বললেন?

    বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আবদুর রহিম জানাচ্ছেন, “বিজিবি ও অল্প কিছু সংখ্যক বাংলাদেশির (India Bangladesh Border) বাধায় বারবার এই কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এই বেড়া দেওয়া হোক। এতে এলাকার নিরাপত্তা যেমন বাড়বে, তেমনই চোরা কারবার আর অনুপ্রবেশের উপরেও নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে অস্থির অবস্থা চলছে। বিনা কারণে বাংলাদেশিরা কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় জমিতে চাষ করতে যাওয়া চাষিদের গালাগালি করছে। তবে বিএসএফ সক্রিয় রয়েছে। সীমান্তে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    সুকদেবপুরের বাসিন্দা (India Bangladesh Border) মহম্মদ ফইজুদ্দিন, বাবলু শেখরা বলেন, “এমনিতেই এই এলাকা দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। মাঝেমধ্যেই জাল নোট কিংবা নেশার কফ সিরাপ উদ্ধার হয়। বিএসএফ জওয়ানদের ওপর বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনাও ঘটেছে। নিজেদের নিরাপত্তায় আমরা দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলাম। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকার সেই কাজ শুরু করেছে। যে কোনও মূল্যে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।” স্থানীয় রমজান আলির বক্তব্য, “আমরা খবর পেয়েছি, এই অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গাদের এদেশে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে বিজিবি। সেই কারণেই তারা বারবার ঝামেলা পাকাচ্ছে। বিএসএফ আমাদের একবার সুযোগ দিক, আমরা সব ঠান্ডা করে দেব।”

    বিএসএফের কর্তা কী বললেন?

    বিএসএফের (BSF) এক আধিকারিক (India Bangladesh Border) হনুমান প্রসাদ জানাচ্ছেন, “বিজিবির বাধায় গতকাল সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সমস্যা মেটাতে মহদিপুরে দু’দেশের ফ্ল্যাগ মিটিং হয়েছে।  ফের কাজ শুরু হয়েছে। সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সুকদেবপুর বিওপি থেকে শবদলপুর বিওপি পর্যন্ত জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সীমান্তে খোলা এলাকায় কাঁটাতার বসানো নিয়ে গন্ডগোলের খবর আসছে একাধিক সীমান্ত এলাকা থেকে। অধিকাংশ জায়গায় বিজিবি পায়ে পা লাগিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গ দিচ্ছে ওপারের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। এই আবহের মধ্যে এবার মালদা সীমান্তে (India Bangladesh Border) চলল গুলি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলো মালদার খুটাদাহ বর্ডার আউট পোস্টে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (India Bangladesh Border)

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের (India Bangladesh Border) দিক থেকে অনুপ্রবেশকারীরা রাতের অন্ধকারে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করছিল। সেই সময় ভারতের দিক থেকে বেশ কয়েকজন দালাল এবং গরু পাচারকারী বাংলাদেশের সীমানার দিকে যাচ্ছিল। বিএসএফের দুই জওয়ান ওই অনুপ্রবেশকারীদের দাঁড়াতে বলে। বারবার করে চিৎকার করা হলেও অনুপ্রবেশকারীরা কাঁটাতার কেটে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই সময়েই দুই জওয়ান অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তেড়ে গেলে, পাল্টা অনুপ্রবেশকারীরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে জওয়ানদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে তখনই এক বিএসএফ জওয়ান পরপর গুলি চালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তাক না করে তাঁদের সতর্ক করার জন্য শূন্যে তিনি গুলি চালান। কিন্তু, তারপরেও অনুপ্রবেশকারীরা বেপরোয়াভাবে ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাচ্ছে দেখে মুহূর্তেই অন্যান্য জওয়ানরা ছুটে আসেন। বন্দুক তাক করতে না করতেই অনুপ্রবেশকারীরা ছুটে পালায়।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    ধারাল অস্ত্র বাজেয়াপ্ত

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারীদের (India Bangladesh Border) সঙ্গে দেখা করার জন্য ভারতের দিকে কিছু দালালও প্রস্তুত ছিল। তাঁদের কাছে ধারাল অস্ত্র ছিল বলেও বিএসএফ সূত্রে খবর। কিন্তু, বেগতিক দেখে গরু ছেড়েই তাঁরা অন্ধকারে গা ঢাকা দেয়। ঘটনায় ভারতের দিক থেকে কারা যুক্ত রয়েছেন তাঁদের খোঁজ শুরু করেছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা। ঘটনার পর থেকেই চাপা উত্তেজনা এলাকায়। অস্ত্রগুলি বাজেয়াপ্ত করেছেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সীমান্তে বন্দুক উঁচিয়ে বিএসএফ তাড়া করতেই দে দৌড় অনুপ্রবেশকারীরা

    BSF: ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সীমান্তে বন্দুক উঁচিয়ে বিএসএফ তাড়া করতেই দে দৌড় অনুপ্রবেশকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি, ত্রিপুরার ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Border) সীমান্তেও ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আহত হয়েছেন একাধিক বিএসএফ (BSF) জওয়ান। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী পাল্টা বন্দুক উঁচিয়ে তাড়া করে ভাগিয়ে দেয় অনুপ্রবেশকারীদের। ঘটনা ঘটেছে ত্রিপুরার কালীশহর মাগুরোলি পঞ্চায়েত এলাকার পানিসাগরের ৪৭ নম্বর পিলায়। বিএসএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশি চোরাকারবারি এবং দুষ্কৃতীরা কয়েকদিন ধরেই সীমান্ত এলাকায় পাচারে সক্রিয় হয়েছে, বাঁধা দিলে ব্যাপক গোলমাল বাঁধে।

    সীমান্তে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে সংঘাতে বিএসএফ-এর (BSF)

    বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় বসার পর থেকেই ওই দেশের কারাগার থেকে বহু জঙ্গি ছাড়া পেয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নিয়ে বিরাট উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতের গোয়েন্দারা বিএসএফকে সতর্ক থাকতে বলেছে। সীমান্ত (India Bangladesh Border) পেরিয়ে বেশ কিছু জঙ্গি এপার বাংলায় এসে নাশকতামূলক চক্রের কাজে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে গ্রফতারও হয়েছে। সম্প্রতি ত্রিপুরা সীমান্তে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে সংঘাতের ফলে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, মঙ্গলবার পিএমজি বন্দুক নিয়ে অনুপ্রবেশকারী এবং চোরাকারবারিদের তাড়া করেছিল বাহিনী। উল্টে দুষ্কৃতীরা হাতে বাঁশ, লাঠি, নিয়ে জওয়ানদের উপর চড়াও হয়। জওয়ানদের হাতের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। এরপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে জওয়ানদের আঘাত করার চেষ্টা করে অনুপ্রবেশকারীরা। এরপর ঘটনাস্থলে বিএসএফের অতিরিক্ত ফোর্স এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। জওয়ানরা বন্দুক উঁচিয়ে তাড়া করলে পালিয়ে প্রাণ বাঁচায় অনুপ্রবেশকারীরা। এদিকে, অন্য এক অভিযানে সীমান্ত থেকে ১৯ হাজারের বেশি গগলস্ উদ্ধার করেছে বিএসএফ। এইগুলির আনুমানিক বাজার মূল্যপ্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা। বাহিনীর অনুমান, চোরাকারবারীরা এই গগলসগুলি চোরাচালান করছিল।

    আরও পড়ুনঃভারতের জমি দখল নিয়ে বিজিবির মিথ্যাচার, ইউনূস সরকারের মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ

    সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরী বিএসএফ

    উল্লেখ্য সীমান্ত এলাকায় পাচারকাজ রুখতে বিএসএফ (BSF) অত্যন্ত সক্রিয়। নানা সময়ে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে সোনা, রুপো এবং নানা ধরনের মাদক উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে বিতারিত করার পর থেকেই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে চলেছে বিএসএফ। বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিরা যে কোনও সময়ে কাঁটাতার টপকে এপারে আসতে পারে। তাই এমতাবস্থায় সীমান্ত নিয়ে বাংলাদেশের চোরাকারবারি (India Bangladesh Border) এবং জঙ্গিদের কড়া বার্তা দিয়েছে বিএসএফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: ভারতের জমি দখল নিয়ে বিজিবির মিথ্যাচার, ইউনূস সরকারের মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ

    BSF: ভারতের জমি দখল নিয়ে বিজিবির মিথ্যাচার, ইউনূস সরকারের মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় এখন ইউনূস সরকার। যতদিন যাচ্ছে ইউনূস প্রশাসনের কদর্য রূপ বিশ্ববাসীর কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর কত মিথ্যা বলবে বাংলাদেশ? এবার ইউনূসের সেনার মিথ্যার মুখোশ টেনে খুলে দিল বিএসএফ (BSF)। ঝিনাইদহে বিতর্কিত ৫ কিলোমিটার ভূখণ্ডকে ‘ভারতের দখলমুক্ত’ করা হয়েছে বলেই দাবি করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেই বিবৃতি দিয়ে জানাল বিএসএফ।

    ঠিক কী নিয়ে বিতর্ক? (BSF)

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মাটিলা সীমান্ত (India-Bangladesh Border) ঘেঁষে বয়ে গিয়েছে কোদলা বা কোদালিয়া নদী। এই নদীর পাঁচ কিলোমিটার অংশ নিয়েই বিতর্ক। বিএসএফ (BSF) এবং বিজিবি— উভয়েই তাদের কোদালিয়া নদীর পাশে দায়িত্ব পালন করে। ওই এলাকাটি কাঁটাতার বিহীন হওয়ায়, চোরাচালান এবং সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে বাংলাদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশের ঝুঁকি থাকে সর্বদাই। বিএসএফ এই এলাকা থেকে আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অনেক ব্যবস্থা নিয়েছে এবং এখন এই এলাকা থেকে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা নগণ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দাবি করেছে, এই ভূখণ্ড নাকি তাদের। কিন্তু, সেখানে কোনও বাংলাদেশি মাছ ধরতেও যেতে পারত না। দুই দেশেরই টহল চলে এই এলাকায়। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে, ওই এলাকাকে নাকি দখলমুক্ত করেছে বিজিবি। সেখানে বাংলাদেশের দখল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে বেড়া দিতে বাধা! বিএসএফের রণমূর্তির দেখে পগার পার বাংলাদেশিরা

    নদীতে না নামার হঁশিয়ারি

    নদীতে কেউ নামবেন না, কারণ কোদালিয়া নদীটি পুরোপুরি বাংলাদেশের মধ্যে। বাংলাদেশের বিজিবি-র পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয়দের দাবি, ওই নদী ভারতের সীমান্তের মধ্যে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর বিএসএফ (BSF) রেঞ্জের অধীনঘাট রংঘাট, কৃষ্ণ প্রতাপপুর সহ একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকা রয়েছে। সেই সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই দেশের মাঝে একটি কোদালিয়া নদী রয়েছে। এই নদীটি উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়ার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে,  দীর্ঘদিন ধরেই সেটা ভারত সীমান্তের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু, কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ সেনা মাইক প্রচার করছে সেই নদী নাকি তাদের দখলে। সেই কারণে কোনও ভারতীয় যাতে সেই নদীতে না নামেন, কিংবা না ব্যবহার করেন। যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয়দের দাবি, ওই নদী দীর্ঘদিন ধরেই ভারত সীমান্তর মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই নদী বিভিন্ন স্নানের কাজে অথবা মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করে আসছেন। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে কিছু সিমেন্টের পিলার ছিল সীমানা নির্ধারিত করার জন্য, সেই পিলারগুলিও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুলে দিয়েছে। ভারতীয়রা মনে করছেন, বাংলাদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সঙ্গে একটি ঝামেলা তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সীমান্তের বাসিন্দাদের বক্তব্য, ভারতের যে অংশ সে অংশ যাতে বাংলাদেশ সরকার কখনও দখল করতে না পারে। সেই কারণেই পাকাপোক্তভাবে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।

    বিএসএফ কী বলল?

    বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হতেই নজরে আসে বিএসএফেরও। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিএসএফ (BSF) জানিয়েছে, ওই এলাকাটি ভারতের দিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা ব্লকের রাংঘাট গ্রামের অন্তর্গত, যেখানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত কোদালিয়া নদীর পাশ দিয়ে চলছে। নদীপথের কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুই পাশে রেফারেন্স পিলার ভালভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের ডিউটি প্যাটার্নের কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    ভারতীয় ভূমির এক ইঞ্চিও দখল করা হয়নি, জানাল বিসিএফ

    ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নির্দেশিকা ১৯৭৫’-এর বোঝাপড়া অনুযায়ী, প্রকৃত স্থল পরিস্থিতি অক্ষুণ্ণ এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শান্তিপূর্ণ আধিপত্যের অধীন— এ কথা মনে করিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফ (BSF) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের অখণ্ডতা রক্ষা করে তারা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশি নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে যে, গত ১৯ ডিসেম্বর বিজিবি সদস্যরা নদীর ওপর নিয়ন্ত্রণ পেতে মোটর চালিত নৌকা এবং এটিভি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা  টহল শুরু করেছিল। এটি একটি মনগড়া গল্প ছাড়া কিছুই নয়। ৫৮ বিজিবির নবনিযুক্ত কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিক ইসলামের করা মিথ্যা, মন গড়া দাবিগুলি অস্বীকার করা হয়েছে। এই ধরনের নিবন্ধ এবং মিডিয়া রিপোর্ট দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সদ্ভাবকে নষ্ট করবে বলেই সতর্ক করেছে বিএসএফ। পাশাপাশি বিএসএফ আশ্বস্ত করেছে যে ভারতীয় ভূমির এক ইঞ্চিও দখল করা হয়নি বা ভবিষ্যতেও প্রতিপক্ষের দ্বারা দখল করা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সোনা ও রুপোর চোরাচালান ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এই মূল্যবান ধাতু আটক করেছে বিএসএফ (BSF)।

    আটক সোনা-রুপো (BSF)

    বিএসএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাহিনী ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত (India Bangladesh Border) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোট ১৭২.৮২৮ কেজি সোনা ও ১৭৮.৮০৫ কেজি রুপো আটক করা হয়েছে। গত বছর এই সময় আটক করা হয়েছিল ১৬৩.৩২৫ কেজি সোনা। এছাড়াও, বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১,৮৬৬.৭৮৮ কেজি মাদকদ্রব্য, ৩,২৬৫,৭০০টি জালনোট, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ আটক করেছে। বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে ৪,১৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। ২২ জন চোরাচালানকারীকে নিউট্রিলাইজ করা হয়েছে।  

    মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    বার্ষিক প্রেস মিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএসএফের (BSF) ডিরেক্টর জেনারেল দলজিত সিং চৌধুরী বলেন, “বাহিনী ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং গ্রেফতারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।” তিনি বলেন, “বিএসএফ (BSF) ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন করেছে, যা স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে রেলওয়ে স্টেশন এবং বাস স্ট্যান্ডে কাজ করছে।” তিনি জানান, অতিরিক্ত জনবল, বিশেষ পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম এবং যানবাহন মোতায়েন করে নজরদারি শক্তিশালী করার জন্য বিস্তারিত দুর্বলতা মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান রোধে সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    তিনি বলেন, “ইলেকট্রনিক সার্ভেইল্যান্স অফ ভানরেবল প্যাচেস (ESVP) প্রকল্পের অধীনে, সিসিটিভি এবং পিটিজি ক্যামেরা, আইআর সেন্সর এবং ইনফ্রারেড এলার্ম-সহ কমান্ড এবং কন্ট্রোল সিস্টেম সজ্জিত সমন্বিত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুর্বল এলাকাগুলিতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার জন্য স্থাপন করা হয়েছে।”

    ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, “অনুপ্রবেশের অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, সন্দেহভাজন রুটগুলিতে নজরদারি করা হচ্ছে এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাতের সময় বেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক গাড়ি প্যাট্রোলিংও করা হয়, মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করা হয় গভীর এলাকায় (India Bangladesh Border) এবং সংযোগ পয়েন্টগুলিতে (BSF)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share