Tag: India Bloc

India Bloc

  • Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে নাটকীয় মোড় (Saffron Wave)। পশ্চিমবঙ্গে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে বিজেপি। ৩৪ বছরের বাম রাজত্ব, তার পরে ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা শেষে বঙ্গে ফুটল পদ্ম (India Power Map)। বহুদিন ধরে বিজেপি-বিরোধী দুর্গ হিসেবে পরিচিত বাংলার পতন সূচনা করেছে পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক মৌলিক পুনর্বিন্যাসের, যেখানে বিজেপি এখন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে।

    বদলে গেল দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ (Saffron Wave)

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছে বড়সড় পরিবর্তন। সেখানে ১০০-র বেশি আসন জিতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের দীর্ঘস্থায়ী মৌরশিপাট্টায় আঘাত হেনেছে নয়া দল তামিল বিকাশ কাজাগম (TVK)। যার জেরে বদলে গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ। কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UDF) ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। এলডিএফের সঙ্গে পালাবদলের ধারা ভেঙে দিয়ে দক্ষিণে আবারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা কংগ্রেসের।  এদিকে, অসম ও পুদুচেরিতে এনডিএর শাসনই জারি থাকছে। যা আদতে নির্দেশ করে উত্তর-পূর্ব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মজবুত অবস্থানকে।

    বিজেপির জয়জয়কার

    এদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের জেরে বদলে গিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র। বর্তমানে বিজেপি একাই ১৭টি রাজ্যে রাজ করছে। এগুলি হল— পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অসম, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা, গোয়া, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ড। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসন করছে আরও পাঁচটি রাজ্য। এগুলি হল— বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। সব মিলিয়ে মোট ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাশ রয়েছে এনডিএর হাতে (India Power Map)। এই ২২টি অঞ্চল ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭৩ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশের (Saffron Wave)। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পরে বিজেপির রাজ্যস্তরের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় ১৭০০-তে গিয়ে পৌঁছেছে, যা কংগ্রেসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পদ্মশিবিরের এই ফলের জেরে রাজ্যের আইনসভাগুলিতে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিজেপি (India Power Map)। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এখন দেশের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, যেখানে বিরোধী শিবিরের আওতায় রয়েছে মাত্র এক-সপ্তমাংশের কিছু বেশি।

    গেরুয়াময় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ

    পশ্চিমবঙ্গ জয়ের মাধ্যমে বিজেপি এখন উত্তর হিমালয় অঞ্চল থেকে গঙ্গা সমভূমি, পশ্চিম মালভূমি হয়ে উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছে। এর ফলে নীতিগত সমন্বয়, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং নির্বাচনী কার্যকলাপ আরও সহজ হয়েছে (Saffron Wave)। দিল্লিতে বিজয় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “বিকশিত ভারত” লক্ষ্যের সঙ্গে পূর্ব ভারতের পুনর্জাগরণের কথারও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অতীতে বিহার, বাংলা ও ওড়িশা ভারতের গৌরবের তিন স্তম্ভ ছিল—অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ। এই তিন রাজ্যের উন্নয়নই বিকশিত ভারত গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (India Power Map)।” তিনি কলিঙ্গ (ওড়িশা)-কে সামুদ্রিক শক্তি, অঙ্গ (বিহার)-কে বস্ত্র বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং বঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ)-কে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বৃত্ত ছোট হচ্ছে কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এখন একাই শাসন করছে মাত্র চারটি রাজ্য। এগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কেরল এবং কর্নাটক। ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে যুক্ত আরও দু’টি অঞ্চলেও রয়েছে কংগ্রেস—ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীর। এই ছ’টি অঞ্চল ভারতের মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের। যদিও এই জোট দক্ষিণ, মধ্য ভারত এবং হিমালয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, তবুও তাদের ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব এনডিএর তুলনায় ঢের কম (Saffron Wave)। তবে কংগ্রেস-‘ইন্ডি’ জোটের শক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত—কেরলের উন্নত সামাজিক সূচক, কর্ণাটকের প্রযুক্তি-ভিত্তিক অর্থনীতি, তেলঙ্গনার শিল্পভিত্তি এবং ঝাড়খণ্ডের খনিজ সম্পদ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে (India Power Map)। পরিসংখ্যান বলছে, এনডিএর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে চাইলে বিরোধী শিবিরকে মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা ও ১৯ শতাংশ এলাকা নিয়েই আগামী বছরগুলিতে (Saffron Wave) জাতীয় পর্যায়ে জনসমর্থন বাড়াতে হবে, করতে হবে জয়লাভও। তা না হলে অচিরেই স্রেফ সাইনবোর্ড সর্বস্ব হয়ে যাবে শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেস।

     

  • BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক রাজ্যের রশি যাচ্ছে বিজেপির (BJP) হাতে। ক্রমেই রাজপাট হারাচ্ছে বিজেপি-বিরোধী  ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Alliance) বিভিন্ন শরিকদল। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও বিপুল ভোটে জিততে চলেছে বিজেপি। তার পরেই পদ্ম-শিবিরের ভবিষ্যদ্বাণী, ইন্ডি জোটে গভীর ফাটল। এই জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির। বলেছে, জোটকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল। ভোট গণনার দিনেও তিনি ফের অনুপস্থিত।

    ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল (BJP)

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে সম্ভাব্য জয়ের পথে রয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯৪টিতে। অসমেও এগিয়ে যাচ্ছে গৈরিক পার্টি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা জানান, এই নির্বাচনের ফল বিরোধী জোটের মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল ‘ইন্ডি’ জোট পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে এবং অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। রাহুল গান্ধী জোটকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পুরো নির্বাচনে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ‘ইন্ডি’ জোট সামলাতে পারেননি।”

    বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব মোদির

    তিনি আরও বলেন, “আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল বেরোচ্ছে, অথচ রাহুল গান্ধী ফের বিদেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন। জোটের শরিকদের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এখন দেশে ‘ইন্ডি’ জোট বলে কিছু নেই। এর কোনও ভবিষ্যৎ নেই। ‘ইন্ডি’ জোটের ইতি (BJP)।” পুনাওয়ালা বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি বলেন, “দেশে টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও নতুন নতুন রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে, শতাংশের হিসেবেও বাড়ছে ভোট, মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে—মোদিজির জন্য।” বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে তিনি বলেন, “যেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি জন্মেছিলেন, সেই বাংলা আমাদের (INDI Alliance)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন (BJP)।”

     

  • VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জননীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্প মানেই সংক্ষিপ্ত নাম বা অ্যাক্রোনিম। পোষাণ (POSHAN), পিএম-আশা (PM-AASHA)-র মতো প্রকল্পগুলির নামেই সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতাতেই সংসদ সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) বাতিল করে পাশ হয়েছে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন গ্রামীণ (VB-G-RAM-G) আইন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকের রাজনীতির চোখে দেখলেও, বাস্তবে এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান নীতিতে একটি গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন আইন কেবল নাম বদল নয়, বরং কাজের সুযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং জবাবদিহির প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

    নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা। এটি সরাসরি গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের একক ১০০ শতাংশ অর্থায়নের বদলে রাজ্যগুলিকেও অর্থনৈতিক দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ)। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতা ও নজরদারি দু’টিই বাড়বে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল— বপন ও ফসল কাটার সময়ে ৬০ দিনের কাজ-বিরতি। প্রথম দর্শনে এটি সীমাবদ্ধতা মনে হলেও, বাস্তবে এর লক্ষ্য গ্রামীণ শ্রমকে কৃষি চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। এতে শ্রমিকরা কৃষিকাজে বেশি মজুরি আদায়ের সুযোগ পাবে এবং সরকারি প্রকল্পের কাজও কৃষির পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পিত হবে। চতুর্থত, ‘ভিবিজিরামজি’( VB-G-RAM-G) চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছে— জল, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা। মনরেগা-র অধীনে কাজের পরিধি বিস্তৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উৎপাদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছিল। নতুন কাঠামোতে থিমভিত্তিক কাজের ফলে গ্রামীণ এলাকায় টেকসই সম্পদ, জল সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা

    তৃণমূলভিত্তিক বিচ্ছিন্ন কাঠামোর বদলে এই প্রকল্পকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি-র সঙ্গে সংযুক্ত করা। এর ফলে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নজরদারি হবে কেন্দ্রীয় ডেটা ও প্রযুক্তিনির্ভর। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা বাড়ে, তেমনই প্রকল্পের আউটপুট ও ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, মনরেগা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প ছিল। এটি ৭৪১টি জেলা, ২.৬৯ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং ১২.১ কোটি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংসদের স্থায়ী কমিটি বারবার জানিয়েছে, শ্রমিকদের গড় মজুরি অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মজুরির নিচে ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল— বিপুল বকেয়া মজুরি। ২০২৫ সালের অগস্টে দেখা যায়, ১২,২১৯.১৮ কোটি টাকা অবৈতনিক মজুরি পড়ে রয়েছে, যা ওই বছরের বরাদ্দের প্রায় ১৪ শতাংশ।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প

    গত পাঁচ বছরে প্রকৃত কাজের দিন গড়ে ৪৮–৫২ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০২৪-২৫ সালে কাজ পাওয়া ৫.৭৮ কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ, আইনে অধিকার থাকলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পূর্ণমাত্রায় পৌঁছয়নি। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সরকার নতুন আইনে কাজের সুযোগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্যগুলির আর্থিক অংশগ্রহণ, থিমভিত্তিক কাজ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়— এই সবকিছু মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অধিক ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বর্তমানে ভারত চালাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, ৮১ কোটি মানুষকে নিয়ে বিনামূল্যের খাদ্য প্রকল্প (ব্যয় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য বিমা, কৃষক আয় সহায়তা ও গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প। মোট ব্যয় প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিপুল ব্যয়ের ক্ষেত্রে ফলাফল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

     

     

  • India Bloc: বাদল অধিবেশনের আগে ঐক্যের ছবি তুলে ধরতে ভার্চুয়াল বৈঠকে ইন্ডিয়া ব্লক

    India Bloc: বাদল অধিবেশনের আগে ঐক্যের ছবি তুলে ধরতে ভার্চুয়াল বৈঠকে ইন্ডিয়া ব্লক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদল অধিবেশনের (Monsoon Session) আগে দেশজুড়ে ঐক্যের ছবি তুলে ধরতে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া ব্লকের (India Bloc) শীর্ষ নেতারা। তবে সেই বৈঠকে ঐক্যের বদলে ধরা পড়ল অনৈক্যের ছবিই। সামনেই বিহার বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে ইন্ডিয়া জোটে ফাটলের এই ছবির প্রভাব ভোটবাক্সে পড়বে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বৈঠকে অনৈক্যের ছবি (India Bloc)

    এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল ২৪টি রাজনৈতিক দল। আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিল আম আদমি পার্টি। এই বৈঠকে যেসব বিষয়ে ঐক্য এবং অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেগুলি হল, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বাম-আরএসএস মন্তব্যে ক্ষুব্ধ সিপিআই নেতা ডি রাজা। সম্প্রতি রাহুল কেরালার বাম আদর্শের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন আরএসএসের সঙ্গে। তা নিয়েই এদিন ক্ষোভ উগরে দেন রাজা। জোট রাজনীতিতে শরিকদের মধ্যে সমালোচনা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকা উচিত বলে রাহুলকে মনে করিয়ে দেন এই সিপিআই নেতা।

    বাদল অধিবেশনে হতে পারে হইচই

    এদিনের বৈঠকে ইন্ডিয়া ব্লকের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের দাবি জানান কয়েকজন নেতা। এঁদের মধ্যে ছিলেন উদ্ধব ঠাকরে, শরদ পাওয়ার এবং রাম গোপাল যাদব-সহ কয়েকজন। তাঁরা জানান, অনিয়মিত যোগাযোগ কৌশলগত পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অগাস্টের শুরুতে জোটের আর একটি বৈঠক হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের দাবিও ওঠে ইন্ডিয়া জোটের এই বৈঠকে। ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা সংসদে জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদার দাবি তোলার আহ্বানও জানান। উপস্থিত নেতারা এই প্রস্তাবে সহমত পোষণ করেন। গত এপ্রিলে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার শিকার হন ২৬ জন হিন্দু পর্যটক। এই হামলাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে চায় ইন্ডিয়া ব্লক। আসন্ন বাদল অধিবেশনে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ব্যর্থতা নিয়েই সরব হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপস্থিত নেতারা (Monsoon Session)।

    মাওবাদী বিরোধী অভিযান ও যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়েও আলোচনার আহ্বান

    মাওবাদী বিরোধী অভিযান ও যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করার আহ্বান জানানো হয় এদিনের বৈঠকে। দীপঙ্কর ভট্টাচার্য কেন্দ্রীয় সরকারের মাওবাদী বিরোধী অভিযান এবং বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক (India Bloc) যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানান। তিনি এই সংঘাত মোকাবিলার পদ্ধতি নিয়ে একটি বিস্তৃত আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। গোয়েন্দা ব্যর্থতা, পেগাসাস এবং এনআরসি নিয়ে সংসদে যে তৃণমূল সোচ্চার হবে, এদিন তারও ইঙ্গিত মিলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, পহেলগাঁও হামলার পরেও কেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধানের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হল। তাঁর অভিযোগ, পেগাসাস স্পাইওয়্যার বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে অপব্যবহার করা হচ্ছে। এসআইআর-কে এনআরসি বাস্তবায়নের এক গোপন পথ হিসেবেও তুলে ধরেন তিনি।

    ট্রাম্পের বারবার যুদ্ধবিরতির দাবি

    ট্রাম্পের বারবার যুদ্ধবিরতির দাবি নিয়েও এদিন উদ্বেগ প্রকাশ করে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা প্রমোদ তিওয়ারি বলেন, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৪ বার ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি করানোর দাবি করেছেন। এনিয়ে চুপ করে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এতে জোট গভীরভাবে উদ্বিগ্ন (Monsoon Session)।” জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে। তিওয়ারি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য ছিল।” তাঁর অভিযোগ, বিজেপির শাসন কালে জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে (India Bloc)। বিহারে এসআইআর নিয়ে ঘোষণা ছাড়াই জরুরি অবস্থার অভিযোগও ওঠে। বিহারে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়া তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। বিরোধী জোট একে ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এক ছদ্ম চেষ্টা বলে আখ্যা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে তারা ঘোষণাহীন জরুরি অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে।

    অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে আগেও

    এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না আম আদমির পার্টির তরফে কেউ। স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়ায়, তাহলে কি ইন্ডিয়া ব্লক থেকে ক্রমেই দূরত্ব বাড়াচ্ছে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Monsoon Session)! প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এনডিএকে ঠেকাতে জোটবদ্ধ হয় দেশের ২৬টি বিজেপি বিরোধী দল। এই জোটেরই নাম হয় ইন্ডিয়া ব্লক (India Bloc)। জন্মলগ্ন থেকেই এই জোটের অন্দরে শুরু হয়েছে অভ্যন্তরীণ বিবাদ। কখনও প্রধানমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়ে জোটের অন্দরেই দেখা গিয়েছে অসন্তোষ, কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করায় এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় জোটের। এছাড়াও জোটের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও একাধিকবার চোখে পড়েছে জোটের ফাটল। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফাটল আরও চওড়া হয়। বিহার নির্বাচনের আগে সেই জোটই তুলে ধরতে চেয়েছিল ঐক্যের ছবি। যদিও (Monsoon Session) প্রকাশ্যে যা এল, তার সঙ্গে ঐক্যের ফারাক বিস্তর (India Bloc)।

  • Assembly Bypolls: বৃষ্টি মাথায় নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভায় চলছে উপনির্বাচন, ভোটগ্রহণ দেশের আরও ৪ কেন্দ্রেও

    Assembly Bypolls: বৃষ্টি মাথায় নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভায় চলছে উপনির্বাচন, ভোটগ্রহণ দেশের আরও ৪ কেন্দ্রেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, গুজরাট এবং কেরলের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়ে গিয়েছে উপনির্বাচন (Assembly Bypolls)। এদিন সকাল ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার ঢের আগে থেকেই বিভিন্ন বুথে ভিড় করেছেন ভোটাররা (NDA)। এদিন যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে, তার মধ্যে একটি আসন পশ্চিমবঙ্গের। এটি হল নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র। রাজ্যে চলছে নিম্নচাপের বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বিভিন্ন বুথে ভিড় করেছেন ভোটাররা।

    ভোট চলছে কালীগঞ্জে (Assembly Bypolls)

    কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে হচ্ছে ত্রিমুখী লড়াই। এই আসনটির রাশ ছিল তৃণমূলের হাতে। প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের কন্যা আলিফা আহমেদকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। বামফ্রন্টের সমর্থনে কংগ্রেসের প্রতীকে লড়ছেন কাবিলউদ্দিন শেখ। আর পদ্মপ্রতীকে লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন বিজেপির আশিস ঘোষ। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য। প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতিও। এই বিধানসভা আসনের জন্য ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ১৬২টি, বুথের সংখ্যা ৩০৯। ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৭০ জন। বৃষ্টি মাথায় করেই সকাল থেকে বুথে বুথে ভিড় করেছেন ভোটাররা।

    কড়া নিরাপত্তা বলয়

    কালীগঞ্জ কেন্দ্রে রয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। মোতায়েন করা হয়েছে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ। নজরদারিতে থাকছে ২০টি ক্যুইক রেসপন্স টিম এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের ৬টি টিম। কমিশন সূত্রে খবর, ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। নজরদারির জন্য জেলা ও বিধানসভা ভিত্তিক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রতিটি স্তরে নজরদারিতে থাকবেন একজন করে নোডাল অফিসার। ২০১১ এবং ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে কালীগঞ্জ আসনটি দখল করেছিল তৃণমূল। এই দু’বারই জয়ী হয়েছিলেন নাসিরউদ্দিন আহমেদ। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের এই প্রার্থী পেয়েছিলেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৬টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ ঘোষ পেয়েছিলেন ৬৪ হাজার ৭০৯টি ভোট। প্রায় ৪৭ হাজার ভোটে তাঁকে হারিয়েছিলেন নাসিরউদ্দিন (Assembly Bypolls)।

    কালীগঞ্জ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত

    কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের (NDA) অন্তর্গত। গত লোকসভা নির্বাচনে বিধানসভা ভিত্তিক ফলের নিরিখে কালীগঞ্জে বিজেপির চেয়ে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে জন্য যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন, সেই তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ৫ হাজার ৮৪০ জন ভোটার। এঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৪২৬ জন মৃত। কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। ২ লাখ ৫৩ হাজার ভোটারের সিংহভাগই সংখ্যালঘু। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের থেকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। কালীগঞ্জের মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৩০ হাজার ৩৬৩ জন। মহিলা ভোটার (NDA) ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ জন (Assembly Bypolls)।

    ভোট চলছে পাঞ্জাবে

    পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উপনির্বাচন হচ্ছে আপ শাসিত পাঞ্জাবের লুধিয়ানা (পশ্চিম) কেন্দ্রেও। আপ বিধায়ক গুরপ্রীত সিং গোগীর মৃত্যুর জেরে হচ্ছে অকাল নির্বাচন। কেন্দ্রের রাশ ধরে রাখতে আপ প্রার্থী করেছে রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জীব অরোরাকে। অরোরার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জীবন গুপ্তা। এখানে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন ভারত ভূষণ আশু, শিরোমণি অকালি দলের তরফে লড়ছেন পরুপকার সিং ঘুম্মান।

    গুজরাটের দুই আসনেও ভোট

    উপনির্বাচন হচ্ছে গুজরাটের দুই আসনেও। একটি হল কাড়ি বিধানসভা এবং অন্যটি বিসাবদার। বিজেপি বিধায়ক কারসনভাই সোলাঙ্কির মৃত্যুতে খালি হয় কাড়ি আসনটি। গেরুয়া শিবির এখানে প্রার্থী করেছে রাজেন্দ্র চাভদাকে। আর কংগ্রেসের প্রতীকে লড়ছেন রমেশ চাভদা। আপ প্রার্থী করেছে জগদীশ চাভদাকে (Assembly Bypolls)। বিসাবদারে আগের বিধায়ক ভায়ানি ভূপেন্দ্রভাই আপ ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে (NDA)। এবার ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে কিরিত প্যাটেলকে। কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন নিতিন রানপরিয়া। আপের প্রতীকে লড়ছেন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা গোপাল ইটালিয়া।

    ভোট কেরলেও

    বিধানসভার উপনির্বাচন হচ্ছে কেরলের নীলাম্বুরেও। এ রাজ্যের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের এক বছরেরও কম সময় আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রটি খালি হয়েছিল পিভি আনওয়ারের কারণে। বাম সমর্থনে তিনি নির্বাচিত হয়েছে দু’বার। পরে যোগ দেন কংগ্রেসে। শেষমেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নির্দল প্রার্থী হিসেবে। এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক আর্যাদান মোহাম্মদের পুত্র আর্যাদান শাউকতকে। রাজ্যের শাসক দল এলডিএফ প্রার্থী করেছে এম স্বরাজকে। প্রসঙ্গত, নীলাম্বুর বিধানসভা কেন্দ্রটি ওয়েনাড় লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। বর্তমানে এই কেন্দ্রের সাংসদ কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ভদ্র (Assembly Bypolls)।

  • Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ জোটের (INDIA Bloc) সদস্যরা যদি নিজেদের মধ্যে সংঘাত চালিয়ে যায় এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে এই জোটের আদৌ কোনও প্রয়োজন আছে কি?” মোক্ষম প্রশ্নটি তুলে দিলেন শিবসেনা (ইউবিটি) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে স্বয়ং।

    দিল্লিতে সংঘাত (Delhi Election)

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Election) আলাদা করে লড়াই করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি এবং রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে এই কংগ্রেসের নেতৃত্বেই জোটবদ্ধ হয়েছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডিয়া’। জন্মলগ্ন থেকেই ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে ভিন্নমতের স্রোত প্রবল। তার জেরে লোকসভা তো বটেই, তার পরবর্তীকালের বিভিন্ন নির্বাচনেও দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন ইন্ডি জোটের বেহাল দশা। নতুন বছরের প্রথম ভোটটি হয় ৫ ফেব্রুয়ারি, দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন।

    জয়জয়কার বিজেপির

    এই নির্বাচনে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হন আপ এবং কংগ্রেস নেতারা। এতে আদতে সুবিধা হয়ে যায় বিজেপির। ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৪৮টিতে জেতে পদ্ম-পার্টি। বাকি ২২টি কেন্দ্রের রাশ যায় কেজরিওয়ালের দলের হাতে। কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। অথচ ভোট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ‘ইন্ডি’ জোটের (এক্ষেত্রে আপ এবং কংগ্রেস) সদস্যরা যদি একজোট হয় লড়াই করত, তাহলে দিল্লির রাশ এবারও থাকত বিজেপি বিরোধীদের হাতেই (Delhi Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার সুফল কুড়িয়েছে গেরুয়া শিবির।

    এর পরেই ‘ইন্ডি’ জোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে উদ্ধবের দল। শিবসেনা (ইউবিটি)-র মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, “দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য ও বিভাজন সরাসরি বিজেপির জয়কে সহজ করে দিয়েছে। দিল্লিতে আপ ও কংগ্রেস একে অপরকে ধ্বংস করতে লড়াই করেছে। ফলে বিজেপির জয় আরও সহজ হয়েছে। যদি এই পরিস্থিতি চলতেই থাকে, তাহলে জোট গঠনের কোনও দরকার নেই। মন খুলে লড়াই করুন… নিজেদের মধ্যেই লড়াই চালিয়ে যান।” আরও লেখা হয়েছে, “যদি এই নির্বাচনের ফল থেকে কেউ কোনও শিক্ষা না নেয়, তাহলে তাদেরই স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে তারা স্বৈরাচারী শাসনকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য (INDIA Bloc) দায়ী। এ ধরনের মহান কাজের জন্য গঙ্গায় গিয়ে স্নান করারও আর কোনও দরকার নেই (Delhi Election)।”

  • TMC: ফাটল হচ্ছে চওড়া! ফের ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠক এড়াল তৃণমূল, কেন জানেন?

    TMC: ফাটল হচ্ছে চওড়া! ফের ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠক এড়াল তৃণমূল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে হয়ে গেল ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠক। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ওই জোটে যোগ দিয়েছিলেন জোটের শরিক বিভিন্ন দলের নেতারা। এই বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল (TMC)। ছাব্বিশে এ রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন। বাম এবং বিজেপির পাশাপাশি এ রাজ্যে কংগ্রেসও তৃণমূলের ঘোষিত শত্রু।

    দূরত্ব তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল!

    রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই এখন থেকে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করে দিল তৃণমূল। তাছাড়া, সদ্য সমাপ্ত মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। এই জোটে রয়েছে কংগ্রেসও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এ রাজ্যে কংগ্রেস কোনও ক্যারিশ্মা দেখাতে না পারায় রাহুল গান্ধীর দলকে আর ধর্তব্যের মধ্যেই আনছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সেই কারণেই ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দেননি ঘাসফুল শিবিরের ছোট কোনও নেতাও।

    ইন্ডির বৈঠকে গরহাজির তৃণমূল

    সোমবার শুরু হয়েছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। তার আগে ইন্ডি জোটের নেতাদের নিজের বাসভবনে বৈঠকে ডেকেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। বিভিন্ন ইস্যুতে কীভাবে সংসদে মোদি সরকারকে চেপে ধরা হবে, সেই কৌশল স্থির করতেই ডাকা হয়েছিল বৈঠক। বৈঠকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ, শরদ পাওয়ারের দল এনসিপি, উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা, সিপিএম, সিপিআই এবং ডিএমকে-সহ ১৩টি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত কেবল তৃণমূল।

    সোমের পর আজ, বুধবারও ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। এদিন দুপুর ১টায় নিজেদের সংসদীয় দলের আলাদা বৈঠক ডেকেছিল তৃণমূল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।  মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদের দুই কক্ষে সরব হবে ঘাসফুল শিবির।  এ নিয়ে রণকৌশল চূড়ান্ত করতে এদিন (TMC) সংসদ ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা।

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, “বিজেপি, আদানির বিরুদ্ধে বিরোধীদের মধ্যে যে ঐক্য রয়েছে, সেই ঐক্যের বিরোধিতা করতে হবে। ঐক্যের বিরোধিতার যে দাদন, সেটা তৃণমূল নিয়েছে। তাই বিরোধীদের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চাইছে।” 

    ইন্ডি জোটের বৈঠকে গরহাজির রইলেও, ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মমতা। হেমন্তর দল ইন্ডি জোটের শরিক। রাজনৈতিক মহলের মতে, ইন্ডি জোটের বৈঠকে হাজির না হয়ে হেমন্তের শপথ অনুষ্ঠানে গিয়ে মমতা বোঝাতে চাইছেন, তিনি ইন্ডি জোটেই আছেন। তবে তাঁকে বসানো হোক চালকের আসনে।

    একটা আঞ্চলিক দলের হাতে কি ইন্ডি জোটের স্টিয়ারিং তুলে দেবে কংগ্রেস? উঠছে প্রশ্ন (TMC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Uttar Pradesh: ইন্ডি জোটের ৬ সাংসদের মাথায় ফৌজদারি মামলার খাঁড়া, বদলাবে উত্তরপ্রদেশের ফল?

    Uttar Pradesh: ইন্ডি জোটের ৬ সাংসদের মাথায় ফৌজদারি মামলার খাঁড়া, বদলাবে উত্তরপ্রদেশের ফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে নির্বাচনে পরাজয়ের ক্ষত, তার ওপর উত্তরপ্রদেশের ছয় সাংসদের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ফৌজদারি মামলা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড হতে পারে দু’বছরেরও বেশি। যার জেরে বিপদে পড়তে পারে ইন্ডি জোট। বদলে যেতে পারে উত্তরপ্রদেশ লোকসভা নির্বাচনের ফল। কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। উত্তরপ্রদেশে সমানে সমানে টক্কর হয়েছে বিজেপি এবং ইন্ডি জোটের। 

    ইন্ডি জোটের কীর্তি! (Uttar Pradesh)

    বিজেপিকে মাত দিতে গিয়ে এবার লোকসভা নির্বাচনে ইন্ডি জোট এমন ছ’জনকে টিকিট দিয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন গাজিপুরের সাংসদ আফজল আনসারি। এঁর সব চেয়ে বড় পরিচয় হল ইনি গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া মুখতার আনসারির বড় ভাই। ইন্ডি ব্লকের টিকিটে জয়ী হয়েছেন ধর্মেন্দ্র যাদবও। তাঁর মাথার ওপর ঝুলছে চারটি ফৌজদারি মামলার খাঁড়া। জৌনপুরের সাংসদ বাবু সিং কুশওয়াহার বিরুদ্ধে রয়েছে এনআরএইচএম কেলেঙ্কারির সঙ্গে সম্পর্কিত ২৫টি মামলা।

    দোষী সাব্যস্ত হলে কী হবে

    সুলতানপুর আসনে জয়ী হয়েছেন ইন্ডি জোটের প্রার্থী রামভুল নিশাদ। তিনি আটটি মামলার আসামি। এর মধ্যে একটি আবার দায়ের হয়েছে গ্যাংস্টার আইনে। চান্দৌলির সাংসদ বীরেন্দ্র সিং ও সাহারানপুরের সাংসদ ইমরান মাসুদের বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। ইন্ডি জোটের এই ছয় সাংসদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অর্থ পাচার, ভয় দেখানো এবং গ্যাংস্টার আইনের বিভিন্ন ধারা। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে কারাদণ্ড হতে পারে দুবছরেরও বেশি। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮ (১) ধারা অনুযায়ী, কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে কোনও সাংসদ বা বিধায়কের দু’বছর কিংবা তার বেশি কারাদণ্ড হলে তৎক্ষণাৎ খারিজ হয়ে যায় তাঁর সাংসদ বা বিধায়ক পদ। দোষ প্রমাণ হলে ইন্ডি জোটের ওই ছয় সাংসদের দু’বছরেরও বেশি কারাদণ্ড হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে খোয়াতে হবে সাংসদ পদ। যার জেরে খালি হবে ইন্ডির ঝুলি।

    আর পড়ুন: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (২০২৪) উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে এনডিএ পেয়েছে ৩৬টি। এর মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ৩৩টি আসন। ইন্ডি জোটের হাতে গিয়েছে ৪৩টি কেন্দ্রের রাশ। ইন্ডি জোটের যে ছয় সাংসদের বিরুদ্ধে ঝুলছে ফৌজদারি মামলার খাঁড়া, দোষী প্রমাণ হলে এবং সাংসদ পদ খোয়ালে ইন্ডি জোটের সাংসদ সংখ্যা কমে হবে ৩৭।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪এর লোকসভা ভোটের ফলাফল। আর লোকসভা ভোট মিটতেই এবার বড় ঘোষণা করলেন আপ নেতা গোপাল রাই (Gopal Rai)। পরবর্তী বিধানসভায় কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে জোট নয়, বরং একাই লড়বে আপ (Aam Aadmi Party), বৃহস্পতিবার একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গোপাল রাই।  

    আপ নেতার মন্তব্য

    এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে দলীয় বিধায়ক ও প্রবীণ নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গোপাল রাই (Gopal Rai) বলেন, ,”এটা শুরু থেকেই পরিষ্কার যে লোকসভা নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট (INDIA) গঠিত হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কোনোও জোট নেই। আমরা দিল্লির জনগণের সঙ্গে একসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন লড়ব।” 
    তিনি (Gopal Rai) আরও বলেন, “আমরা সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নির্বাচনে লড়েছি। আমাদের শীর্ষ নেতারা জেলে। সব আসনেই জয়ের ব্যবধান কমেছে। কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর দলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও কঠিন পরিস্থিতিতেও দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ‘একনায়কতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ভাল লড়াই করেছে। অন্যদিকে জোটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল দিল্লিতে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান কমেছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    এছাড়াও এদিন আপ নেতা জানান, আগামী ৮ জুন তাদের  কাউন্সিলরদের সঙ্গে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে এবং ১৩ জুন দিল্লির সমস্ত দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক হবে। বর্তমানে কেজরিওয়াল যেহেতু জেলে রয়েছেন, তাই তাদের লড়াই চলবে। অন্যদিকে নির্বাচনের পরে আদর্শ আচরণবিধি উঠে যাওয়ায় উন্নয়নের কাজে গতি আনতে শনি ও রবিবার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের সব বিধায়ক।  
    উল্লেখ্য, দিল্লির লোকসভা ভোটে এবারে কংগ্রেস (Congress) জোট শূন্য ড্র করেছে, অন্যদিকে বিজেপি তৃতীয়বারের জন্য সাতটি সংসদীয় আসনে ক্লিন সুইপ করেছে। আর এরই মধ্যে এবার পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে জোট ছাড়া একাই লড়ার কথা জানিয়ে দিল আপ নেতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    BJP slams INDI Alliance: মোদির ধ্যানকে কটাক্ষ করায় ইন্ডি-জোটকে ধুয়ে দিল বিজেপি, কী বলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার শেষে কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ রকে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই ঘটনাকে ইস্যু তৈরি করেছে কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোট। আর এবার কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের এই আচরণের নিন্দা (BJP slams INDI Alliance) করলেন বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। এ প্রসঙ্গে শুক্রবার শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেস এবং ইন্ডি-জোটের সমস্যাটা কি? প্রধানমন্ত্রী যদি কিছু বলেন, তাতে তাদের সমস্যা হয়। তিনি যদি কিছু না বলে ধ্যানের জন্য বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে যান, তাহলেও তাদের সমস্যা হয়।” 

    ইন্ডি-জোটের অভিযোগ 

    আসলে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের ৫৭ আসনের ভোট রয়েছে আগামী ১ জুন। আর তার আগে লোকসভা ভোটের প্রচারপর্ব শেষ করে কন্যাকুমারীতে ধ্যানে (PM Modi’s meditation) বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বিরোধীরা মনে করছেন, ভেবেচিন্তেই মোদি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে শেষ পর্বের ভোট গ্রহণের সময়ও তিনি প্রচারের আলোয় থাকতে পারেন। কংগ্রেস মনে করছে, এটা হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই আদর্শ নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করবেন (BJP slams INDI Alliance)। কারণ, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ মে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হচ্ছে নীরবতা পর্ব বা সাইলেন্স পিরিয়ড। ওই সময়টুকু দেওয়া হয় প্রচার শেষে ভোটাররা যাতে ভোটদান নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইন্ডি জোটের দাবি,  মোদি ধ্যান বসলে দেশের সব টেলিভিশন তা নিয়ে হইচই করবে। প্রত্যক্ষ না হলেও সেটা হবে পরোক্ষ প্রচার। তাতে ভোটাররা প্রভাবিত হবেন। চিন্তা করার অবকাশ পাবেন না। উল্লেখ্য মোদি নিজেই এবারের পর্বে বারানসিতে প্রার্থী। সেখানকার ভোটও হবে শেষ দফায়। কাজেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবেন। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আরও ২৮ জন বিজেপি নেতাকে ‘এক্স’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা! অনুমোদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    পুনাওয়ালার মন্তব্য

    আর ইন্ডি-জোটের এই মন্তব্যের পরেই এদিন পুনাওয়ালা বলেন, “এটি বিরোধীদের হতাশা এবং “সনাতন বিরোধী” (BJP slams INDI Alliance) মানসিকতার পরিচয়। এই বিরোধীরা রাম মন্দিরেরও বিরোধিতা করেছিল, বলেছিল যে এখানে ভগবান রামের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।” পাশাপাশি এদিন তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী কেবলমাত্র ধ্যানেই (PM Modi’s meditation) বসেছেন। না তো কোনও রাজনৈতিক প্রচার করছেন না তো জনসংযোগ করছেন। সুতরাং তাঁর এই ধ্যানে বসাকে কেন্দ্র করে ইন্ডি-জোটের দাবিগুলি স্পষ্টতই “সনাতন বিরোধী” মানসিকতার পরিচয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share