Tag: India Book of Records

India Book of Records

  • Karate: মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    Karate: মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র সাত বছর বয়সেই অসাধারণ সাফল্য, এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হয়েছে হুগলির আরাত্রিকা চক্রবর্তী। ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস ও এশিয়া বুক অব রেকর্ডস গড়েছে এই ক্ষুদে। মাত্র তিন বছর বয়সে তার ক্যারাটেতে (Karate) হাতেখড়ি হয়েছিল। তার এই কীর্তিতে পরিবার এবং জেলায় তীব্র খুশির আবহ।

    ক্যারাটেতে মিনিটে ৬৯০টি পাঞ্চ(Karate)!

    হুগলির মগরার গজঘণ্ট বকুলতলার বাসিন্দা ছোট্ট আরাত্রিকা। একই ভাবে নাচ, গান, কবিতা, আঁকা শেখার পাশাপাশি ক্যারেটেতে পারদর্শী। তার এই ক্যারাটেতে (Karate) উৎসাহ এবং আগ্রহ দেখে মা মৈত্রী এবং বাবা অভিষেক চক্রবর্তী মেয়েকে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। স্থানীয় একটি ক্যারাটে ক্যাম্পে মাত্র তিন বছর বয়স থেকে ক্লাস করতে শুরু করেছিল মেয়ে। ২০২৩ সালে দুটি প্রতিযোগিতায় সোনা জয়ী হয়েছিল। তার ক্যারাটের কোচ শঙ্কর রাউত এবং সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন যে এশিয়া বুক অব রেকর্ডসের জন্য এক মিনিটে ৩৫০টি চেস্ট লেভেল পাঞ্চ করতে হয়। সেখানে আরাত্রিকা মিনিটে ৬৯০টি পাঞ্চ করে রেকর্ড গড়েছে। তার ভিডিও পাঠানো হয়েছে ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অব রেকর্ডসে। কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সেই ভিডিও খতিয়ে দেখে ৪৮০টি পাঞ্চ বৈধ বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে। আর এইভাবেই নতুন রেকর্ড গড়ে নজির রখেছে আরাত্রিকা। তার একসঙ্গে দুটি পুরস্কার ঝুলিতে জমা হয়েছে। গত মঙ্গলবার তাদের বাড়িতে এই দুই সংস্থা থেকে পুরস্কার এসে পৌঁছেছে। শংসাপত্র হাতে পেয়ে পরিবারে খুশির আবহ। মেয়ের সাফল্যে কোচ, বাবা-মা সকলেই খুব খুশি।

    আরও পড়ুনঃ নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    পরিবারের বক্তব্য

    আরাত্রিকার বাবা অভিষেক চক্রবর্তী মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেছেন, “আমরা আজ ভীষণ খুশি। মেয়ে এই ভাবে রেকর্ড গড়বে আমরা আশা প্রকাশ করিনি। মেয়ের আগ্রহের বিষয়ে আমরা ব্যাপক ভাবে উৎসাহ দিয়েছি। মেয়ে নিজে থেকে জানিয়েছে যে চেস্ট লেভেলে পাঞ্চ করবে। গত এপ্রিল মাসের শেষে আমরা আবেদন করি। এরপর মান্যতার জন্য গত ২৩ জুন ভিডিও পাঠাই।” মা মৈত্রী বলেছেন, “পড়াশুনার পাশাপাশি মেয়ে খেলাধূলা করতে চায়, সেটা আমরা করতে দিই। আমরা চাই ও নিজের আত্মরক্ষা করতে শিখুক। বর্তমানে মেয়ের কাছে ক্যারাটে (Karate), নাচ, আঁকা ইত্যাদি ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বাংলা-হিন্দি-ইংরেজি ভাষায় ৮০টি কবিতা বলে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল কান্দির কন্যা

    Murshidabad: বাংলা-হিন্দি-ইংরেজি ভাষায় ৮০টি কবিতা বলে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল কান্দির কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দুইবছর ১১ মাস বয়সে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল কান্দির (Murshidabad) শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের কন্যা শিশু ঋতু সরকার। ওই কন্যা শিশু অতি অল্প সময়ে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার ৮০টি কবিতা বলতে পারে। এছাড়াও ৮০টি সাধারণ জ্ঞানের উত্তর সহ ৩০ ধরনের শাক-সবজী, ৩৫ ধরনের ফলের নাম বলতে-লিখতে পারে। এছাড়াও ৪০ ধরনেরর গাড়ির নাম, ৪৫টি ফুলের নাম, ৩৬টি পশু ও ৩০টি পাখীর নাম সহ বিভিন্ন বিষয়ে বলতে-লিখতে পারদর্শিনী এই কন্যা।

    পরিবারের বক্তব্য (Murshidabad)

    মঙ্গলবার, ডাকযোগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস থেকে তার বাড়িতে (Murshidabad) শংসাপত্র এসে পৌঁছায়। এরপর পরিবারে খুশি নেমে আসে। কন্যার বাবা রাজু সরকার কাশ্মীরে বিএসএফ জওয়ান হিসেবে কর্মরত। কন্যার মা মধুশ্রী মোদক সরকার বলেন, “মেয়ের বয়স প্রায় তিন বছর। ওর পারদর্শিতাই আমরা চরম খুশি। আগামীতে আরও বড় কিছু করে দেখানোর জন্য মেয়েকে সেভাবেই তৈরি করছি আমরা। আমার মেয়ের এই পারদর্শিতার নমুনা ভিডিও করে বেশ কিছুদিন আগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পাঠিয়ে ছিলাম। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে মেয়ের নাম ওঠায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত।” এই বিষয়টি জানাজানি হতেই ঋতুদের পরিবারসহ গোটা এলাকায় নেমেছে খুশির হাওয়া।

    আরও পড়ুনঃ মালদায় বারোমাসি কাটিমন আম চাষ করে দিশা দেখাচ্ছেন রাজীব রাজবংশী

    জিনিস ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি কন্যার

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ছোট্ট কন্যার পিছনে সব সময় খেলার ছলে ঘুমাবার আগে নিয়মিতভাবে তাকে শিখাতে হতো। এমনিতেই বাচ্চারা পড়াশুনা করতে চায় না, তার উপরে প্রতিটি বাচ্চার মোবাইল দেখার একটা প্রবণতা আছে আর সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে যেমন খেলার সময় নিয়ে খেলা করতে করতে, পিছন পিছন ঘুরে ঘুরে তাকে সমস্ত ফল-ফুল, পাখি-জীবজন্তুর নাম ঠিকানা সমস্ত কিছু শেখানো হয়েছে। প্রসঙ্গে মা মধুশ্রী মোদক সরকার বলেন, “একটা বিষয়ে লক্ষ্য রাখতাম মেয়ের যে কোনও জিনিস ধরে রাখার ক্ষমতা অনেক বেশি এবং সেগুলি আয়ত্তে আনতে তার বেশি সময় লাগত না।” ঋতুর বাবা বর্তমানে কাশ্মীরে কর্মরত আছেন বিএসএফ সৈনিক হিসেবে। তিনি বছরে একবার বাড়িতে (Murshidabad) আসেন কিন্তু মেয়ের ব্যাপারে সবসময় কথা বলেন এবং তিনি যেকোনও ব্যাপারে উৎসাহ দান করে থাকেন। আগামী দিনে যাতে মেয়ে পড়াশুনা-খেলায় আরও উন্নতি সাধন করতে পারে সে বিষয়ে তাকে এখন থেকেই পড়াশুনো এবং খেলা, এই দুই বিষয়ে অনুশীলনের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিমেষেই বলে দিতে পারে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। আবার ইসলাম ধর্মের আলবাকারা শূরা থেকে ২৬টি স্ট্যাচু ঠোঁটস্থ। এই ব্যতিক্রমী প্রতিভার জন্য দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) পঞ্চম শ্রেণির ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস। পরিবার এবং এলাকায় খুশির আবহ। ইমন চায় বড় হয়ে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার হতে।

    মিস্ত্রির ছেলে ইমন (Dakshin Dinajpur)

    হিলি থানার (Dakshin Dinajpur) ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা চুকুরপাই গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি ইমরান মণ্ডল। তাঁর ১০ বছর বয়সি ছেলে ইমন মণ্ডল। পাঞ্জুল হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সে। তার এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা রয়েছে। ইন্টারনেট ঘেঁটে একাধিক বিষয়ে জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছে। ১ মিনিটেই বলে দিতে পারছে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর ২৬টি স্ট্যাচুর নাম অবলীলায় বলে দিতে পারে ওই খুদে। ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় সবচেয়ে বড় কোরান শরিফ আলবাকারা শূরা এক লহমায় ঠোঁটস্থ ওই বিস্ময় বালকের।

    প্রতিযোগিতায় প্রথম

    সম্প্রতি ওই কিশোরের পরিবারের (Dakshin Dinajpur) তরফে তার এই প্রতিভার কথা জানানো হয় ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ। তারপরই ওই সংস্থার তরফে ইমনের ব্যতিক্রমী প্রতিভার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। মোট ভারতের ১০ জন কিশোরের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়। সেখানেই ইমনের প্রতিভা প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৫ জানুয়ারি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড থেকে ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি ইমনের বাড়িতে স্বীকৃতিপত্র পাঠিয়েছে ওই সংস্থা। তারপর থেকে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা।

    ইমনের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ইমন মণ্ডল বলেন, ‘আমি বাড়িতে (Dakshin Dinajpur) ইন্টারনেট ব্যবহার করে সব শিখেছি। খেলাধুলোর থেকে পড়াশোনা বেশি পছন্দ করি। সারাক্ষণ এইসব নিয়ে থাকি। আমার স্কুলের শিক্ষকেরাও উৎসাহ দেন। বাড়িতে মা-বাবাও সাহায্য করে। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলতে পেরে আনন্দ হচ্ছে। ভবিষ্যতে আমার ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে।‘

    পরিবারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে ইমনের মা বিজিয়া সুলতানা মুন্সী (Dakshin Dinajpur) বলেন, “ছোট থেকেই ওর এরকম বিষয়ে বেশি নজর রয়েছে। মোবাইল ঘেঁটে সবটা শিখেছে। আমরা গাইড করেছি। শিক্ষকেরা গাইড করেছেন। এই স্বীকৃতিতে আমরা খুব খুশি। আমরা ওর পড়াশোনার জন্য সবরকমভাবে পাশে রয়েছি। এই চর্চাতেও আমরা সবসময় সাহায্য করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: পতাকা দেখেই বলে দেয় ৪৬টি দেশের নাম, একরত্তির নাম ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ

    Asansol: পতাকা দেখেই বলে দেয় ৪৬টি দেশের নাম, একরত্তির নাম ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের (Asansol) একরত্তি শিশুকন্যা ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ নাম তুলে বিরাট চমক দিল। এর বুদ্ধি দেখলে যে কেউ চমকে যেতে বাধ্য হবেন। সদ্য স্কুলে যেতে শুরু করেছে সে। কিন্তু এখন থেকেই শুধু পতাকার ছবি দেখে বলে দিতে পারে ৪৬টি দেশের নাম। তাছাড়াও একাধিক মহাপুরুষের ছবি দেখেও বলে দিতে পারে নাম। পরিবার অত্যন্ত খুশি মেয়ের এই সাফল্যে। এলাকায় আনন্দের আবহ।

    মাত্র তিন বছরের মেয়ে! (Asansol)

    আসানসোলে (Asansol) অনেকেই বলাবলি করছেন, সত্যিই অবাক করা কাণ্ড। মাত্র তিন বছর পাঁচ মাস বয়স। কিন্তু এই সামান্য বয়সেই সে রপ্ত করে ফেলেছে অনেক কিছু। মেয়ের নাম ঋদ্ধিতা মাজি, আসানসোল দক্ষিণ থানা এলাকার ভগত পাড়ায় বাড়ি। বাবা মিলন মাঝি বলছেন, ‘৯০টি জি কে’র উত্তর অবলীলায় বলে দিতে পারে ঋদ্ধিতা। পতাকা দেখে দেশের নাম বলা তার কাছে যেন জলের মতো সহজ। একই সঙ্গে সে কম বয়সে রপ্ত করে ফেলেছে আরও অনেক কিছুই।’ তিন বছর পাঁচ মাস বয়সেই ঋদ্ধিতা এত গুণের অধিকারী হয়েছে। মেয়ের এই প্রতিভা সকলের সামনে তুলে ধরতে ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ নাম পাঠিয়েছিলেন মিলনবাবু। গত অগাস্ট মাসে সেই নাম পাঠানো হয়েছিল। এরপর শংসাপত্র মিলেছে। 

    পেয়েছে অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার

    একরত্তির এই অসাধারণ বুদ্ধির খেলা দেখে, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তার বাড়িতে (Asansol) উপহার হিসেবে পাঠিয়ে দিয়েছে শংসাপত্র বা অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার। তাছাড়াও এসেছে মেডেল সহ নানান উপহার। আর তাতেই খুশিতে মেতে উঠেছেন পরিবারের সকলে। 

    পরিবারের বক্তব্য

    মেয়ের সাফল্যে বাবা মিলন মাঝি (Asansol) বলেন, “আমার মেয়ে মূলত বেসিকে এই খেতাব অর্জন করেছে। ইংরেজি বর্ণমালা, মাসের নাম, দিন, বছরের বাংলা-ইংরেজি মাসের নাম অবলীলায় বলতে পারে। এছাড়াও ৪০টি পশুর নাম, ১০টি পাখির নাম, শাকসবজি, রং, ১২ জন মহাপুরুষের নাম, ৪৬টি দেশের জাতীয় পতাকা ইত্যদি অনর্গল বলতে পারে। নাম বালার সময় মেয়েকে কোনও সাহায্য করতে হয় না। এমনকী ৯০টি সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। আমরা ওর এই রেকর্ডে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দেশলাই কাঠি দিয়ে বানালেন ছবি আঁকার স্ট্যান্ড, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ কোয়েল

    South 24 Parganas: দেশলাই কাঠি দিয়ে বানালেন ছবি আঁকার স্ট্যান্ড, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ কোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩.৯×৩.৪ সেমি দেশলাই কাঠি দিয়ে ছবি আঁকার স্ট্যান্ড বানিয়ে, ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ নাম তুলেছেন কোয়েল পুরকায়েত নামে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রী। তাঁর এই কৃতিত্বে একদিকে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেমন খুশি, তেমনি খুশি পরিবারও। উচ্ছ্বসিত গোটা কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) মানুষ।

    কোয়েলের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এর খেতাবজয়ী দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী কোয়েল পুরকায়েত বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি আগ্রহ ছিল আমার. তবে এই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এর খেতাব জিতবো, তা কোনও দিনই ভাবতে পারিনি। এর পিছনে সবথেকে বেশি কৃতিত্ব রয়েছে আমার আঁকার স্যার দেবরাজ মহাশয়ের। তিনিই এই সমস্ত কিছুর সঙ্গে যোগাযোগ করে দিয়েছেন। দেশলাই কাঠি দিয়ে ছবি আঁকা এবং স্ট্যান্ড বানানোর কাজ প্রায় দুমাস ধরে করেছি। অবশেষে পরিশ্রম করে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে পেরেছি। এই খেতাব আমাকে আগামী দিনে আরও বেশি করে উৎসাহী করবে।” পাশাপাশি কোয়েল আগেও যামিনী রায় পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন।

    উচ্ছ্বসিত পরিবার (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপের সুভাষ নগরের বাসিন্দা কোয়েল পুরকায়েত। বর্তমানে কাকদ্বীপের বীরেন্দ্র নিকেতন স্কুলের ছাত্রী। তিন বছর বয়স থেকে ছবি আঁকার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কোয়েল। কৃতি ছাত্রী হিসেবে স্কুলে যেমন সুনাম, তেমনি সুনাম তাঁর আঁকার স্কুলেও। তিন বছর বয়স থেকে কাকদ্বীপের সুন্দরবন আর্ট অ্যাকাডেমিতে ছবি আঁকার সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। কোয়েল বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। বাবা কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে থাকেন, পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন সেখানে। কোয়েলের এই গৌরবে খুশি এলাকার বিধায়ক তথা প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা। তিনি কোয়েলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য

    প্রতিবেশী (South 24 Parganas) মানসী দেবনাথ বলেন, “কোয়েলের বাবা কর্মসূত্রে এই রাজ্যের বাইরে কাজ করেন। ওঁর এই সাফল্যের পিছনে সবথেকে বেশি কৃতিত্ব মায়ের। আজ কোয়েলের এই সাফল্যে শুধু আমরা সুভাষ নগর এলাকার মানুষজন খুশি নই, গোটা কাকদ্বীপের মানুষ গর্বিত। আগামী দিনে ওঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কামনা করি আমরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: কম্পিউটার গেম তৈরি করে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস শিরোপা আদায় করল খুদে পড়ুয়া

    Dakshin Dinajpur: কম্পিউটার গেম তৈরি করে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস শিরোপা আদায় করল খুদে পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইভ কম্পিউটার গেম তৈরি করে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুলল দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার গঙ্গারামপুর শহরের এক বেসরকারি স্কুলের খুদে পড়ুয়া সুমিত সাহা। এই ঘটনায় উচ্ছ্বসিত পরিবার ও স্কুল কর্তৃপক্ষ। এলাকায় খুশির আবাহ।

    কীভাবে রেকর্ড গড়ল (Dakshin Dinajpur)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, তার বাড়ি গঙ্গারামপুর পৌরসভার (Dakshin Dinajpur) বেলবাড়ি ২ নম্বর ওয়ার্ডে। দু’মাস আগে উজ্জ্বল কিডস ওয়ার্ল্ড স্কুলের এই পড়ুয়া একটি প্রতিযোগিতার জন্য একটি ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড লাইভ কম্পিউটার গেম তৈরি করে। প্রায় দু’মাস বাদে ফালাফল আসে যে সুমিত সফল হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আরও জানা গেছে, পড়ুয়া ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হয়ে নাসায় বা ইসরোতে কাজ করতে চায়। ছেলের এমন সাফল্যে পরিবারের লোকজন ও স্কুল কর্তৃপক্ষরা বেশ খুশি।

    এই পাড়ুয়ার বয়স মাত্র ১০ বছর এবং চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র সে। সুমিতের বাবা সুজয় সাহা, মা রাখি পাল সকলকে নিয়ে তাদের পরিবার। ছোটবেলা থেকেই সুমিত পড়াশোনাতে বেশ মেধাবী। মাত্র দুমিনিট ২২ সেকেন্ডে একটি ট্রায় ট্রেন গেম তৈরী করে ২০২৩ সালের ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস শিরোপা আদায় করে নিল এই খুদে পড়ুয়া।

    পড়ুয়ার বক্তব্য

    রেকর্ড গড়ে, এই বিষয়ে খুদে ছাত্র সুমিত সাহা (Dakshin Dinajpur) বলে, “ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হয়ে নাসা বা ইসরোতে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে আমার। এছাড়াও কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি আমার স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।”

    খুশিতে স্কুল (Dakshin Dinajpur) কর্তৃপক্ষ, খুদে পড়ুয়াকে উৎসাহিত করতে সংবর্ধনা দেয়। স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীরা কম্পিউটার গেম, কোডিং ও ওয়েবসাইট তৈরি করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের মেধা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বসার ব্যবস্থা করে থাকে বলে জানা গেছে।

    স্কুল এবং পরিবারের বক্তব্য

    স্কুলের (Dakshin Dinajpur) প্রধান শিক্ষক অসীম ঘোষ বলেন, “সুমিতের সাফল্য আমাদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের। পড়ুয়াদের আমরা পুঁথিগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে, কারিগরি শিক্ষায় পারদর্শী করে তুলি ছোট থেকেই। যার যেমন প্রতিভা রয়েছে, সেই পড়ুয়াকে সেভাবেই গড়ে তোলা হয়। আমাদের স্কুলের অনেক পড়ুয়া নিজেরাই ওয়েবপেজ ডিজাইন ও কোডিংয়ের কাজ করে। চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া সুমিত সাহা খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটি কম্পিউটার গেম তৈরি করে নিজের প্রতিভার বিকাশ করেছে। এতে আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষ খুবই খুশি”।

    অপর দিকে ছেলের সাফল্যে সুমিতের বাবা-মা বলেন, “ছেলের এমন সাফল্যে আমরা খুবই খুশি। ওর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক আমরা এটাই চাই। আমরা সবসময় ওর পাশে সহযোগিতার জন্য রয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Book of Records: ৫ মিনিটে ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা ১৫৮ টি! খুদের কীর্তিতে গর্বিত পরিবার

    India Book of Records: ৫ মিনিটে ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা ১৫৮ টি! খুদের কীর্তিতে গর্বিত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির এক প্রাইমারি শিক্ষকের ছেলে সৌম্যজিৎ রবিদাস। বয়স ৫ বছর ১০ মাস। কিন্তু এই বয়সেই বাজিমাত করেছে সে। ছোট্ট শিশুটি নাম তুলেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ (India Book of Records)। সৌম্যজিতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সে যখন কথা বলা শুরু করল, সেই সময় থেকেই ওর স্মরণশক্তির প্রখরতা খুব বেশি। ওকে কোনও কিছু একবার বলে দেওয়ার একমাস পর জিজ্ঞেস করলেও সেটা বলে দিতে পারত। গত জুলাই মাসের ২৬ তারিখে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ আবেদনপত্র জমা দেন তাঁর বাবা। তারপর ভিডিও মারফত ইংরেজি থেকে বাংলায় পাঁচ মিনিটে ১৫৮ টি তর্জমা করে জমা দেওয়া হয়। এরপর গত ২৮ শে অগাস্ট ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস থেকে জানানো হয়, সৌম্যজিৎ রবিদাসের  নাম বুক অফ রেকর্ডস-এ স্থান পেয়েছে। ২৮ শে অগাস্ট ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড-এর শংসাপত্র সহ মেডেল আসে সৌম্যজিতের বাড়িতে।

    ছোট থেকেই শখ বই পড়ার (India Book of Records)

    সৌম্যজিৎ রবিদাসের মা’র ইচ্ছা, তাঁর ছেলে ডাক্তার হোক। বাবা পেশায় প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। তিনি বলেন, প্রত্যেক মা-বাবাই সন্তানদের দেখভাল করেন এবং তাদের কীসে ভাল হবে, সে বিষয়ে সব কিছু ত্যাগ করে সন্তানের পিছনে পড়ে থাকেন। এটাই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ও যখন কথা বলতে শিখলো, তখন ওকে যা বলা হত ও সেটা অনেকদিন পর্যন্ত মনে রাখতে পারতো। ছোট থেকেই ওর শখ বই নিয়ে নাড়াচাড়া করা। ফোনের প্রতি সৌম্যজিতের প্রচণ্ড অনীহা। ছোট থেকেই পাশাপাশি দুটো জিনিস ফোন এবং বই রেখে দিলেও বইটা নিয়েই পড়াশোনা করতে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়তো। জানার আগ্রহ প্রবল। কোনও নতুন ইংরেজি শব্দ শুনলেই মায়ের কাছে ছুটে চলে যেত তার বাংলা তর্জমা কী হবে, জানার জন্য। কোনও কারণে মায়ের বলতে অসুবিধা হলেও, ও কিন্তু ছাড়ার পাত্র নয়। অভিধান দেখেও ওর মাকে বলতে হতো, ইংরেজি থেকে ওই বাক্যের তরজমা (India Book of Records)।

    ডাক্তার হিসাবে দেখতে চায় পরিবার (India Book of Records)

    খুশি সৌম্যজিতের পরিবারের লোকজন সহ সাগরদিঘির মানুষজন। বাড়ির সকলের ইচ্ছে, যদি সৌম্যজিৎ পড়াশোনা ঠিকমত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তাহলে তাঁরা তাকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে চাই। সেই কারণে আজ সৌম্যজিতের বাবা-মা সমস্ত মানুষের আশীর্বাদ চাইলেন যাতে তাঁর ছেলে শিক্ষার আলোয় প্রভাবিত হয়ে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। এই আশায় সৌম্যজিতের (India Book of Records) পরিবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: বয়স মাত্র ২! দেশের সব রাজ্যের রাজধানীর নাম মুখস্থ দুর্গাপুরের অভিমন্যুর

    Durgapur: বয়স মাত্র ২! দেশের সব রাজ্যের রাজধানীর নাম মুখস্থ দুর্গাপুরের অভিমন্যুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ২ বছর ২ মাস , তার মধ্যেই গড়গড় করে বলে দিচ্ছে দেশের সব রাজ্যের রাজধানী। পাশাপাশি জাতীয় চিহ্নের নামগুলিও বলে দিচ্ছে সে। খুদে অভিমন্যুকে নিয়ে তাই উৎসাহ সবার। খুদে অভিমন্যুর এই ভিডিও ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এর কাছে পাঠাতেই কেল্লা ফতে। তার নামে নামে শংসাপত্র, মেডেল সহ বুক অফ রেকর্ডসের বই বাড়িতে চলে এল ডাকযোগে।

    দুর্গাপুরের (Durgapur) বিস্ময় শিশুর কীর্তিতে গর্বিত পরিবার

    এই মুহূর্তে দুর্গাপুরের (Durgapur) বিস্ময় শিশুর কীর্তিতে গর্বিত দাদু-দিদা, বাবা-মা ! দুর্গাপুরের বিধাননগরের জোনাল মার্কেট কলোনির বাসিন্দা অভিমন্যু নন্দীর প্রখর স্মৃতিশক্তি। যবে থেকে কথা বলতে শিখেছে , তারপর থেকেই সব মনে রাখতে পারে এই খুদে, এমনটাই জানাচ্ছেন অভিমন্যুর বাবা সঞ্জয় নন্দী ও মা সুস্মিতা নন্দী। বাবা পেশায় ব্যবসায়ী , মা গৃহবধু। আর পাঁচটা শিশুর মতো মায়ের কাছেই শিক্ষা ছোট্ট অভিমন্যুর। এখনও আধো আধো কথা বলছে সে , তবে তার মধ্যেই বলে দিচ্ছে কঠিন কঠিন শব্দ। শুধু তাই নয় , এখন অভিমন্যু শিখছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও তার রাজধানীর নাম। এখনও স্কুলে ভর্তি হয় নি , তার মধ্যেই এই বিস্ময় বালকের বিরল প্রতিভা উঠে এল সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। সোমবার তার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল ছোট্ট অভিমন্যু খেলে বেড়াচ্ছে গোটা ঘর জুড়ে। ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’ এর পাঠানো মেডেল নিয়ে খেলা করছে । এই মেডেল কিংবা শংসাপত্রের গুরুত্ব এই বয়সে না বুঝলেও মা , বাবা বুঝেছেন যে ছেলে বিরল প্রতিভার অধিকারী। তাই আগামী দিনে ছেলে আরও নাম উজ্জ্বল করুক,এটাই চাইছেন নিতান্ত ছাপোষা এই দম্পতি।

    অভিমন্যুর মা কী বলছেন?

    খুদে অভিমন্যু প্রথম পাঠ তার মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছে। সোমবার সাংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুস্মিতা নন্দী বলেন, ‘‘ছোট ছোট শব্দ যখন বলতে শেখে অভিমন্যু তখনই লক্ষ্য করতাম ওর মনে রাখার ক্ষমতা। এরপর কাজ করতে করতে ওকে বিভিন্ন রাজধানীর নাম শেখাতে থাকি। আশ্চর্যজনকভাবে ও সব কিছুই মনে রাখতে শুরু করে।’’ ছেলের এই বিরল প্রতিভায় খুশি সুস্মিতাদেবী। তিনি আরও বলেন, ‘‘এখনও ওকে নিয়ে অনেক কিছুই পরিকল্পনা রয়েছে। সবে ওর ২ বছর ২ মাস বয়স। আগে স্কুলে ভর্তি হোক।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র দেড় বছর। এই ছোট্ট বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির (Siliguri) মৃগাঙ্ক শেঠ। এই বয়সে শিশুরা আদো আদো স্বরে দু’একটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। সেখানে মৃগাঙ্ক দেহের বিভিন্ন অঙ্গ,প্রতঙ্গ, নানা ধরনের ফুলফল, শাকসবজি, কীটপতঙ্গ ও পাখির নাম অবলীলায় বলে দিচ্ছে। এই বিস্ময়কর প্রতিভার কারণে মৃগাঙ্কের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে উঠেছে।

    ছোট্ট মৃগাঙ্কর প্রতিভা জানলে চমকে যাবেন (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri) দক্ষিণ দেশবন্ধু পাড়ার বাসিন্দা মৃণাল শেঠ ও মালবিকা শেঠের  সন্তান মৃগাঙ্ক। ছ’-সাত মাস বয়সেই সে কথা বলতে শেখে। একদিন পরিবারের সদস্যরা খেয়াল করেন, কিছু শব্দ ও কথা মৃগাঙ্ক নিজের মনে বলে চলেছে। তারপর নানাভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা যায়, যে কোনও শব্দ একবার শুনলে  তা মনে রেখে পরে তা অনায়াসে বলছে। তারপর ওকে পাখি, ফুলফল, রঙ, বিভিন্ন জিনিসের নাম পড়ানো শুরু করা হয়। বেশ কিছুদিন পরে সেগুলি জিজ্ঞেস করলে নির্ভুলভাবে বলে দিচ্ছে। এভাবেই  মৃগাঙ্ক ১০টি পাখির নাম, একুশ রকমের জিনিস, চার রকমের পতঙ্গ, চার রকমের মাছ, সতেরো রকমের সবজি, ২১ টি প্রাণী, এগারো রকমের ফলের নাম এবং ১৬৯ টি শব্দ ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা করতে পারছে। ১ থেকে ১৫ বাংলা এবং ইংরেজিতে অবলীলায় বলে দিচ্ছে সে। 

    কীভাবে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলল সে?

    মৃগাঙ্কের বাবা মৃণালালবাবু বলেন, এত কম বয়সে ছেলের এই প্রতিভা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। প্রতিবেশিরাও ভিড় করতে থাকে তার এই প্রতিভা যাচাই করতে। একদিন ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে  ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি সেখানে নাম তুলতে গেলে কী কী করতে হবে। সেই মতো আমি আমার ছেলের এই প্রতিভার নানা মুহূর্ত ভিডিও রেকর্ডিং করে  পাঠাই। তারপর সেখান থেকে আমার ছেলের এই প্রতিভা যাচাই করে তাঁরা স্বীকৃতি দিয়ে শংসাপত্র ও মেডেল পাঠিয়ে জানায় আমার ছেলের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে। মৃনালবাবু ও তার স্ত্রী চান, সেই বিস্ময় প্রতিভা নিয়ে মৃগাঙ্ক স্বাভাবিক ছন্দে বেড়ে উঠুক। কোনও কিছুর চাপে যেন তাদের শিশু সন্তানের এই সহজাত প্রতিভা নষ্ট না হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স সবে তিন বছর পেড়িয়েছে। এই বয়সে সাধারণত সবে অক্ষরজ্ঞান হয়। অনেকে ঠিকমতো করে কথা বলতে পারে না। সেখানে তিন বছরের দীপান্বিতা বর্মনের প্রতিভা (Talent) দেখে হতবাক সকলে। এত অল্প বয়সে তার এই প্রতিভাকে (Talent) স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস। বিষয়টি জানাজানি হতেই অনেকেই বাড়িতে ভিড় করেছেন। প্রতিবেশীরাও তার প্রতিভা (Talent) দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। প্রতিবেশী শ্যামল পাল বলেন, আমাদের এই সীমান্তবর্তী গ্রামে খুদে মেয়ের এই সাফল্যে আমরা খুব গর্বিত।

    তিন বছরের খুদের প্রতিভা (Talent) কী জানেন?

    দীপান্বিতার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী গ্রাম কিসমত রামকৃষ্ণপুরে। এই বয়সে তার দেশের সব রাজ্যের রাজধানীর নাম মুখস্থ। একাধিক দেশের নাম তাঁর ঠোঁটের ডগায়। মাত্র দু মিনিট ২৫ সেকেন্ডে বিভিন্ন দেশ ও ভারতের সব রাজ্য মিলিয়ে ১০০টি রাজধানীর নাম অনায়াসে বলে দিতে পারে সে। আর এই বিরল প্রতিভা (Talent) দেখেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম উঠেছে তার। ইতিমধ্যেই মেডেল, সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য পুরস্কার তার বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। আর এই খুদের এমন সাফল্যে গর্বিত তার বাবা মা, পরিবারের লোকজন। গর্বিত সমগ্র গ্রামের বাসিন্দারাও। তিন বছরের খুদের অর্জন করা পুরস্কারগুলি দেখতে তার বাড়িতে এখন ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসীও।

    কী বললেন দীপান্বিতার বাবা?

    দীপান্বিতার বাবা সুরজিৎ বর্মন বলেন, আমরা খেলার ছলে মেয়েকে এসব রাজধানীর নাম বলতাম। ও একবার শুনলে সেটা মনে রাখতে পারত। ফলে, প্রতিদিন নতুন নতুন রাজধানীর নাম বলতাম। প্রথমে দেশের সব রাজ্যের নাম বললাম। দেখলাম, কয়েকদিনের মধ্যেই ও সব রাজধানীর নাম বলে দিল। এরপর দেশ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের সব দেশের নাম, রাজধানীর নাম ওর কাছে বলি। সব দেশের নাম ও অনায়াসে বলে দেয়। এরপর একদিন ওর প্রতিভার (Talent) বিষয়টি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে মেল করে জানাই। ওদের নির্দেশ মতো ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও করে ওদের পাঠাই। এরপর মেয়ের প্রতিভাকে (Talent) ওরা স্বীকৃতি দেওয়ায় খুব ভাল লাগছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share