Tag: India China border

India China border

  • Upgraded MiG-29 Fighters: নজরে চিন-পাক সীমান্ত! শ্রীনগরে মোতায়েন ‘উন্নীত’ মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান

    Upgraded MiG-29 Fighters: নজরে চিন-পাক সীমান্ত! শ্রীনগরে মোতায়েন ‘উন্নীত’ মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুম উড়লো চিন-পাকিস্তানের। কারণ, স্বাধীনতা দিবসের আগেই কাশ্মীরে ‘উন্নীত’ মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান (Upgraded MiG-29 Fighters) মোতায়েন করলো ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। শ্রীনগর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন। সেখান থেকেই চিন ও পাকিস্তান — দুদিকই সামলানো সম্ভব হবে। জানা যাচ্ছে, এই ঘাঁটি এমন জায়গায় অবস্থিত, যেখান থেকে একসঙ্গে পাকিস্তান লাগোয়া কাশ্মীর এবং উল্টোদিকে চিন লাগোয়া লাদাখ সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে। 

    আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    সরে গেল মিগ-২১, এলো মিগ-২৯

    রুশ-নির্মিত মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের আধুনিকীকরণের কাজ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। সম্প্রতি, তা শেষ হয়েছে। এবার সেই ‘উন্নীত’ মিগ-২৯ বিমানগুলোকে (Upgraded MiG-29 Fighters) চিন-পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করা হলো। ভারতীয় বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এতদিন শ্রীনগরের বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন থাকতো মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। ২০১৯ সালে বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলার সময় এই বিমানে করেই অভিযান চালিয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট অভিনন্দন বর্তমান। সেই সময় পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ডগফাইট (মাঝ-আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের লড়াই) হয়েছিল অভিনন্দনের মিগ-২১ বিমানের। তাতে মিগ-২১ বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অভিনন্দনকে আটক করা হয়েছিল। এর পর থেকেই, মিগ-২১ যুদ্ধবিমানগুলোকে সরিয়ে তার জায়গায় অন্য আরও শক্তিশালী বিমান মোতায়েন করার ভাবনাচিন্তা চলছিল। এবার তা রূপায়িত করা হলো। 

    শ্রীনগর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও সুবিধাজনক

    জানা যাচ্ছে, শ্রীনগরে মোতায়েন বায়ুসেনার ‘ট্রাইডেন্ট স্কোয়াড্রন’-এর হাতে এতদিন ছিল বায়ুসেনার (Indian Air Force) বহু যুগের সঙ্গী মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের দায়িত্বভার। এবার তারাই এই উন্নীত ও আধুনিকীকরণ হওয়া মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের দায়িত্ব নেবে। ইতিমধ্যেই, ওই স্কোয়াড্রনের হাতে চলে এসেছে নতুন বিমানগুলো। এই যুদ্ধবিমানের পাইলট তথা ‘ট্রাইডেন্ট স্কোয়াড্রন’ (যার অর্থ ত্রিশূল)-এর স্কোয়াড্রন লিডার বিপুল শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে,  শ্রীনগর কাশ্মীর উপত্যকার কেন্দ্রে অবস্থিত। এর উচ্চতা সমতল ভূমি থেকে অনেক বেশি। মিগ-২৯ (Upgraded MiG-29 Fighters)  হাতে চলে আসার ফলে এখান থেকে পাকিস্তান ও চিন দুই সীমান্ত এলাকায় সহজে মোকাবিলা সম্ভব। আগে, এই যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েন ছিল জলন্ধর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। এবার তাদের মোতায়েন করা হলো শ্রীনগরে। যা, কৌশলগতভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সুবিধাজনক।

    আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মিগ-২৯

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, আধুনিকীকরণের পর মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান (Upgraded MiG-29 Fighters) এখন আগের থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এই যুদ্ধবিমানটি এখন আরও বেশি ও বৈচিত্র্যপূর্ণ অস্ত্রবহনে সক্ষম। এটি এখন দূরপাল্লার এয়ার টু এয়ার (আকাশ থেকে আকাশ) এবং এয়ার টু গ্রাউন্ড (আকাশ থেকে ভূমি) ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত। এখন এতে রয়েছে বিভিআর মিসাইল, যা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা কোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এতে যুক্ত করা হয়েছে জ্যমার, যা শত্রু বিমানের যাবতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা অকেজো করে দিতে পারে। আধুনিকীকরণের পর একই সঙ্গে বিভিন্ন দিকে আক্রমণ শানাতে দক্ষ মিগ-২৯। রাতের অন্ধকারেও দুর্দান্তভাবে কাজ করতে সক্ষম এই যুদ্ধবিমানগুলো। পাশাপাশি, আধুনিকীকরণের পর যুদ্ধবিমানে মাঝ আকাশেই জ্বালানি ভরতে পারে। যার ফলে, এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China Border: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ফের আলোচনার টেবিলে ভারত-চিন, কী কথা হল?

    India China Border: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ফের আলোচনার টেবিলে ভারত-চিন, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত (India China Border) জটিলতার সমাধানসূত্র খোঁজার চেষ্টায় ফের একবার আলোচনার টেবিলে বসল ভারত ও চিন। বুধবার নয়াদিল্লিতে বসেছিল ভারত-চিন কূটনীতি পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। ‘ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কো অর্ডিনেশন’-এর (WMCC) ২৭তম আলোচনায় অংশ নেন দু’দেশের বিদেশ মন্ত্রকের কর্তারা।

    বিদেশমন্ত্রক পর্যায়ের বৈঠক

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, আলোচনা হয়েছে খোলামেলা ও ইতিবাচক পরিবেশে। ভারতের তরফে এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (পূর্ব এশিয়া)। অন্যদিকে, চিনের তরফে এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সীমান্ত ও সমুদ্র বিষয়ক দফতরের ডিজি। বৈঠকে পূর্ব লাদাখে (India China Border) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর যে সংঘাতের জায়গাগুলি চিহ্নিত হয়ে রয়েছে, সেখানে অস্ত্র নিবারনের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি স্থাপনের জন্য একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বুধবারের আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে শান্তি স্থাপনের ইস্যুটি। বৈঠকে বলা হয়েছে, একমাত্র সীমান্ত শান্তি ও স্থিতাবস্থার মাধ্যমেই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত হওয়া সম্ভব। জানা গিয়েছে, সীমান্ত সমস্যার (India China Border) সমাধানে দ্রুত সামরিক কমান্ডার পর্যায়ের ১৯ তম বৈঠকে বসার জন্য উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। এর আগের বৈঠকটি গত ২২ ফেব্রুয়ারি হয়েছিল বেজিংয়ে। 

    আরও পড়ুন: জি৭-এর মঞ্চ থেকেই চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    সীমান্ত সমস্যা দীর্ঘদিনের

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর জন্য দুপক্ষই আলোচনার টেবিলে একাধিকবার বসেছে। যদিও, সমাধান সূত্র অধরাই থেকে গিয়েছে। কারণ একটাই, চিনের দ্বিচারিতা। বেজিং মুখে একরকম কথা বলে, কাজ করে উল্টো। গত তিন বছর ধরে পূর্ব লাদাখের কয়েকটি জায়গায় (India China Border) ভারত ও চিনা সেনার মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিককালে, একাধিকবার ভারতের ভূমিতে আগ্রাসনের চেষ্টা করেছে চিনা পিএলএ। প্রতিবার ভারতীয় জওয়ানরা তা প্রতিহত করেছেন। গালওয়ানে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দুদেশের সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে।

    দু-মুখো নীতি বেজিংয়ের

    চিনের দু-মুখো নীতি সম্পর্কে ভারত যথেষ্ট অবগত। এখনও একদিকে উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনায় বসলেও, সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলোতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সামরিক পরিকাঠামো উন্নয়ন করে চলেছে বেজিং। যা দেখে স্পষ্ট, মুখে সীমান্তে অস্থিরতা কমানোর কথা যত বলুক না কেন, চিন কিন্তু আদতে তার বিপরীত কাজ করছে। কয়েকদিন আগেই একটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (Line of Actual Control) খুব কাছেই বায়ুসেনা ঘাঁটি বানিয়ে চলেছে (India China Border)। এই আবহে আকাশে চিনা বায়ুসেনার শক্তি ক্রমেই বেড়েছে এই অঞ্চলে। শুধু এয়ারফিল্ড নয়, লাদাখের আশেপাশে হেলিপ্যাড, রেললাইন, মিসাইল বেস, সড়ক, সেতু নির্মাণ করে চলেছে চিন। যার স্পষ্ট ইঙ্গিত, সেনা মোতায়েনের জন্যই এসব নির্মাণকাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mana Village:  শেষ নয়! ভারতের প্রথম গ্রাম মানা, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন-এর নতুন সাইনবোর্ড

    Mana Village: শেষ নয়! ভারতের প্রথম গ্রাম মানা, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন-এর নতুন সাইনবোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারতের শেষ গ্রাম’ এখন ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’ (First Village of India)। উত্তরাখণ্ডের ছোট্ট একটা গ্রাম ‘মানা’ (Mana Village)। পর্যটকদের কাছে এটা ‘ভারতের শেষ গ্রাম’ হিসেবেই পরিচিত। তবে সম্প্রতি বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন এই গ্রামের বাইরেই নতুন এক সাইনবোর্ড বসাল। তাতে লেখা – ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশে উন্নতির জোয়ার আনার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্যেই কোনও গ্রামই দেশের শেষ নয় প্রথম হওয়া উচিত বলে মনে করেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তাই এই নাম পরিবর্তন।

    চিনকে বার্তা

    রাজনৈতিক মহলের অনুমান, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই ভারতের (India) এই পদক্ষেপ। লাদাখ থেকে অরুণাচল বিগত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্তে অশান্তি তৈরি হয়েছে বারংবার। তবে কেন্দ্রীয় সরকার বারবার বলে এসেছে যে ভারতের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। এরই মধ্যে ভারত-চিন সীমান্তে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছে কেন্দ্র। তাতে অবশ্য আপত্তি আছে চিনের। এই আবহে ‘মানা’-কে (Mana Village) ভারতের ‘প্রথম গ্রাম’ হিসেবে তুলে ধরে চিনকেই বার্তা দেওয়া হল বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

    আরও পড়ুুন: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    নতুন সাইনবোর্ডের ছবি দিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি একটি ট্যুইটে লেখেন, ‘এখন থেকে মানাকে আর ভারতের শেষ গ্রাম নয় বরং প্রথম গ্রাম হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।’ প্রতিবছর বহু পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরা কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ যান। বদ্রীনাথ ধামের খুব কাছেই অবস্থিত এই ‘মানা’ গ্রাম। বদ্রীনাথ থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে এই গ্রামে মারছাস এবং ভুটিয়া জনজাতির মানুষদের বাস। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, এই গ্রামে মোট ৫৫৮টি পরিবার রয়েছে। মোট ১২১৪ জনের বাস ছিল এই গ্রামে। যাঁরা বদ্রীনাথ যান, তাঁরা সকলেই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মানা (Mana Village) গ্রামে ঘুরতে যান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ৯ হাজার ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (ITBP) মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকেই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব ছিল। সেটাই কার্যকর হতে চলেছে। কিন্তু হঠাতই এই সেনা মোতায়েন করা নিয়ে জল্পনা নানা মহলে। কেন হঠাৎ এই সেনা মোতায়েনের ভাবনা? কোনও আসন্ন বিপদের গোপন সংকেত কি পেয়েছে কেন্দ্র?

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানান, ভারত-চিন সীমান্তে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (ITBP) জন্য একটি নতুন অপারেশনাল ঘাঁটি এবং সাতটি নতুন সীমান্ত ব্যাটালিয়ন তৈরির জন্য ৯৪০০ জন জওয়ান (soldiers) নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।  চিন সীমান্তে ভারতীয় প্রতিরক্ষার প্রথম দেওয়াল আইটিবিপি জওয়ানরা। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সীমান্তে একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ভারত ও চিনের জওয়ানরা। বারবার চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন: তিনদিন পর বিবিসির অফিস ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা! কী মিলল দফতর থেকে? 

    আগাম সতর্কতা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন সীমান্তে সব সময় নিরাপত্তার অভাব থাকে। ডোকালাম, পূর্ব লাদাখ, তাওয়াং ইত্যাদি এলাকায় গত কয়েক বছর ধরেই চিনা সেনার সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতীয় সেনাকে। ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে বারবার। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গত কয়েক বছরে সেনা মোতায়েন অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে চিনও। উপগ্রহ চিত্রে চিনের সেনাদের ছাউনি ও অস্ত্র মোতায়েনের ছবি দেখা গিয়েছে। সেটা ভারতের পক্ষে সুখবর নয়। তাই ভারতকেও তৈরি থাকতে হবে। এটা তারই প্রস্তুতি বলে অনুমান। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সীমান্ত চৌকি তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং অফিস ও আবাসিক ভবন তৈরি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য ১৮০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪৭টি সীমান্ত চৌকি তৈরির ফলে আইটিবিপি’র ক্ষমতা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang: “এটা ১৯৬২ সাল নয়…যোগ্য জবাব দেবে বীর জওয়ানরা”, চিনকে কড়া বার্তা অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর

    Tawang: “এটা ১৯৬২ সাল নয়…যোগ্য জবাব দেবে বীর জওয়ানরা”, চিনকে কড়া বার্তা অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে ফের শুরু হয়েছে চিনা সেনাদের উৎপাত। গত ৯ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং (Tawang) সেক্টরে ফের চিনা সেনার অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে৷ আর এবারে এই ঘটনা নিয়েই চিনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু। তিনি কড়া ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত আর ১৯৬২ তে নেই। যদি কেউ ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তাকে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা যোগ্য জবাব দেবে।  

    কী ঘটেছিল?

    চলতি মাসের ৯ তারিখ তাওয়াংয়ে (Tawang) দুই দেশের সেনা জওয়াানদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতীয় জমিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। আর এই অবস্থায় উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। দুই দেশের সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে চিনের সেনা জওয়ানরাই বেশি আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতে কোনও প্রাণহানি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিনারা প্রায় ৩০০ সেনা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তৈরি ছিল ভারতীয় সেনারাও। অবশেষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে হার মেনে পিছু হটতে বাধ্য হয় তারা।

    আরও পড়ুন: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    চিনাদের অনুপ্রবেশের ঘটনায় গতকাল চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনা সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে চিনের সেনাকে আটকে দিয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যতক্ষণ নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, ততক্ষণ কেউ ভারতের এক ইঞ্চি জমিও নিতে পারবে না।”

    অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    এরপরেই ভারত-চিন সংঘর্ষ(Tawang) নিয়ে কড়া ভাষায় বিবৃতি দিলেন পেমা খাণ্ডুও। তিনি বলেছেন, “এটা ১৯৬২ সাল নয়। যদি কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে, তাকে কড়া জবাব দেবে ভারতীয় বীর জওয়ানরা। অনুপ্রবেশের কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনাবাহিনী। ইয়াংতসে আমার বিধানসভা অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। প্রত্যেক বছর আমি সেনা জওয়ান ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে দেখা করি।” আবার ভারতীয় সেনাবাহিনীদের ফলে চিনারা পিছু হটতে বাধ্য হলে তিনি জওয়ানদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের জওয়ানরা ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয় না, ইটের জবাব লোহা দিয়ে দেয়।”

  • India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাংগং হ্রদের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করেছে চিন। উপগ্রহ চিত্রে এই ছবি ধরা পড়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে এই সেনা ঘাঁটি রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, সেখানে রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি, সামরিক যান রাখার জায়গা, বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র। 

    নয়া সেতু

    প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণ তীরের একাংশকে জুড়ে চিনা ফৌজের নির্মীয়মাণ সেতুর ছবি আগেই সামনে এসেছিল। এর পাশ দিয়েই তৈরি হয়েছে আরও একটি সেতু। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, লাদাখে জবরদখল করা জমিতে ওই সেতু বানাতে পারলে প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণপ্রাপ্তে কৌশলগত ভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যাবে চিনা সেনা। লাদাখের দুর্গম এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভারী ক্রেন-সহ নানা সরঞ্জাম মজুত করেছে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি। প্যাংগং হ্রদের উত্তরপ্রান্তে চিনা সেনার একটি হাসপাতালের অদূরে তৈরি সেতুটি জুড়েছে দক্ষিণ তীরের একটি অংশকে। দক্ষিণ তীরের ওই অংশেই ২০২০-২১ সালে মুখোমুখি অবস্থানে ছিল ভারতীয় এবং চিনা সেনা। ভবিষ্যতে ফের এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) লাগোয়া বিস্তীর্ণ অংশে ওই সেতুর মাধ্যমে দ্রুত সেনা, অস্ত্র এবং রসদ পাঠাতে পারবে পিএলএ। কারণ, সেতু তৈরি হয়ে গেলে প্যাংগংয়ের ওই দুই প্রান্তে চিনা সেনাশিবিরের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার থেকে কমে দাঁড়াবে ৫০ কিলোমিটার।

    সামরিক চুক্তি

    গালওয়ান সংঘর্ষের পরে বারবার সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার দাবি করেছে চিন। কিন্তু সেই কথা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি মার্কিন সংসদে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে পেন্টাগন। সেখানে বলা হয়েছে, “ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিবাদ কমাতে উদ্যোগ দেখাত চিন। কারণ ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি হয়েছিল। সেই বিষয়টি পছন্দ হয়নি জিনপিংয়ের। সেই জন্য বারবার মার্কিন আধিকারিকদের বলা হয়েছিল, ভারতের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তাঁরা যেন হস্তক্ষেপ না করেন। সেই সঙ্গে বলা হয়েছিল, সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী বেজিং।” আদতে বেজিং সীমান্ত সমস্যা মেটাতে কতটা আগ্রহী তা নিয়ে সন্দিহান দিল্লিও। সেই জন্য প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের গতিবিধির উপর নজর রাখছে দিল্লি।

  • Pangong Tso Bridge: লাদাখ সীমান্তে ফের উত্তেজনা! প্যাংগংয়ে চিনের নতুন সেতু নিয়ে সতর্ক ভারতীয় সেনা

    Pangong Tso Bridge: লাদাখ সীমান্তে ফের উত্তেজনা! প্যাংগংয়ে চিনের নতুন সেতু নিয়ে সতর্ক ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখ (Ladakh) সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (Line of Actual Control) চিনা সেনার (Chinese army) সক্রিয় গতিবিধি উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এক উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে,প্যাংগং লেকের (Pangong Tso) কাছে বড় একটি সেতু নির্মাণ শুরু করেছে পিপল’স লিবারেশন আর্মি (PLA)। এই সেতু দিয়ে অনায়াসে ট্যাঙ্ক ও যুদ্ধের সাঁজোয়া যান চলতে পারবে বলে মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের। তবে চিনের (China) পদক্ষেপ নিয়ে সতর্ক ভারতও (India)। কোনওরকম অনুপ্রবেশ দেখলে প্রতিবেশী দেশকে জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা (Indian Army) এমনটাই জানিয়েছেন নয়া সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande)।
     
    চলতি মাসের শুরুতে লাদাখ সফরে যান সেনাপ্রধান। পূর্ব লাদাখে সেনার অবস্থান এবং চিনা অনুপ্রবেশ নিয়ে সামরিক কর্তাদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। সেনাপ্রধানের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চিনকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না। তাঁর অভিমত, ‘‘ইন্দো-চিন সীমান্তে (India China border) যে অবস্থা রয়েছে তার কোনও পরিবর্তন হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘ওই এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের সৈন্যরাও কৌশলগত সঠিক অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেশীর নিয়মিত উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে। তাই এলাকা এখন শান্ত।’’ তবে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনা প্রস্তুত রয়েছে তা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওই এলাকায় অতিরিক্ত সৈন্য এবং অস্ত্র মজুত করেছি। এর সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে।’’

    সম্প্রতি লাদাখ সফরে গিয়ে প্যাংগং সো-র উপর চিনের নয়া সেতু নিয়ে সেনা-আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন মনোজ পাণ্ডে। সেনা সূত্রে খবর, প্যাংগং সংলগ্ন যে এলাকা ১৯৬২ সাল থেকে চিনের দখলে, সেখানে এর আগেও ২০২১ সালের শেষের দিকে একটি সেতু নির্মাণ করেছিল পিএলএ। সেই সেতুর ঠিক পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে নয়া আরও বড় সেতুটি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে এই দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করে চিনা সামরিক বাহিনী। এই সেতু নির্মাণ হলে ভারত সীমান্তের কাছে অনায়াসে পৌঁছে যেতে পারবে চিনা ট্যাঙ্ক ও অন্যান্য সাজোঁয়া যান।

    এদিকে ভারতও প্যাংগং সংলগ্ন এলাকায় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া প্যাংগং লেকের দক্ষিণাঞ্চলের কাছে পাহাড়গুলিতে ভারতীয় সেনা মোতয়েন থাকায় চিন খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে। লাদাখ সেক্টরে উপস্থিত রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর বড় রেজিমেন্ট। তাই চিনের উপর ভারতও কড়া নজর রেখে চলেছে।

  • India China Border: লাদাখে চিনের কর্মকাণ্ড ‘উদ্বেগজনক’! ভারতকে সতর্ক করল আমেরিকা

    India China Border: লাদাখে চিনের কর্মকাণ্ড ‘উদ্বেগজনক’! ভারতকে সতর্ক করল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (china) সম্পর্কে ভারতকে (india) সর্তক করল আমেরিকা (america)। লাদাখে (Ladakh) যেসব পরিকাঠামো গড়ে তুলছে চিন (China), তা উদ্বেগজনক। এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন  জেনারেল চার্লস এ ফ্লিন (Charles A Flynn)। ফ্লিন মার্কিন সেনার কমান্ডিং জেনারেল। আমেরিকার তরফে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (Indo Pacific Ocean Region) দেখভাল করেন তিনি।

    বছর দুয়েক ধরে লাদাখ অঞ্চলে চিনের সঙ্গে সংঘাত চলছে ভারতের। কয়েকটি বিষয়ে সমাধান সূত্র মিললেও, একাধিক ক্ষেত্রে সমস্যা রয়ে গিয়েছে। কিছু জায়গায় এখনও সংঘাত চলছে। এমতাবস্থায় একাধিক উপগ্রহ চিত্রে স্পষ্ট, চিন লাদাখ সীমান্তে একের পর এক পরিকাঠামো গড়ে তুলে চলেছে। প্যাংগং সো (Pangong Tso) হৃদের ওপর একটি আস্ত সেতু তৈরির কাজও চলছে।

    আরও পড়ুন :পূর্ব লাদাখ নিয়ে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, মিলবে কি সমাধানসূত্র?

    সেই প্রসঙ্গেই এদিন সাংবাদিকদের সামনে ফ্লিন বলেন, আমি মনে করি, সেখানে যে পর্যায়ে কার্যকলাপ চালাচ্ছে, তাতে চোখ খুলে রাখা উচিত। ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডে যে সব পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। ফ্লিনের মতে, সীমান্তে চিনের এই পদক্ষেপ অস্থিতিশীল এবং ক্ষতিকারক। ফ্লিন বলেন, কেবল লাদাখ নয়, হিমালয়জুড়েই চিন এমন পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। সম্প্রতি অরুণাচল সীমান্ত নিয়েও সরব হয়েছে ভারত। সেখানেও সীমান্তের কাছে চিন পরিকাঠামো তৈরি করছে বলে অভিযোগ। মার্কিন জেনারেল জানান, এর ফলে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে পুরো এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    এদিকে, সম্প্রতি একটি রিপোর্টে দাবি করা হয় প্যাংগং সো হ্রদের চিনা অংশে দ্বিতীয় একটি সেতু তৈরি করছে ড্রাগনের দেশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে সেতুটির দূরত্ব কুড়ি কিলোমিটারের কাছাকাছি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে বিষয়টির দিকে নজর রাখছে তারাও। সীমান্ত অঞ্চলে চিন রাস্তা এবং বসতি গড়ে তুলছে বলেও জানা গিয়েছে। কেবল ভারত নয়, জল সীমান্ত নিয়ে ভিয়েতনাম এবং জাপানের মতো বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও বিবাদে জড়িয়েছে চিন। ফ্লিন বলেন, বেজিংকে প্রশ্ন করা উচিত, তাদের এত অস্ত্রের প্রয়োজন কেন?

    বর্তমানে ভারত সফরে এসেছেন ফ্লিন। ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande) সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কথা হয়েছে যৌথ মহড়া নিয়েও। এ বছরের শেষে হিমালয়ে যুদ্ধের মহড়ায় অংশ নেবে ভারতীয় এবং মার্কিন সেনা। অতি উচ্চতায় লড়াই (High Altitude warfare) কীভাবে করতে হয়, তা শেখাতেই হবে মহড়া। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে হিমালয়ে মহড়া দেওয়ার পরে ভারতীয় দল মহড়া দেবে আলাস্কায় গিয়ে।

     

  • Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে (Ladakh) ফের ভারত-চিন (India China conflict) সংঘাতের ইঙ্গিত! প্যাংগং (Pangong Tso) হ্রদের ওপর দ্বিতীয় সেতু তৈরি করছে চিন। যে জায়গায় নতুন সেতুর হদিশ মিলেছে সেই জায়গাটা কয়েক দশক ধরে চিনের (China) অধিকৃত বলে দাবি করেছে বিদেশমন্ত্রক (Ministry Of External Affairs)। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছেন, সেতুটি ভারতের (India) দাবি করা অঞ্চলের মধ্যে পড়লেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে ২০ কিমি পূর্ব দিকে অবস্থিত।

    সাংবাদিক সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান, দ্বিতীয় সেতুটি তৈরির ব্যাপারে নজর রাখছে ভারত। চিনের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই সেতুটি দিয়ে ভারী সামরিক যান আনার কাজ হবে। প্যাংগং হ্রদের চিনা অংশে ওই সেতু দিয়ে যুদ্ধট্য়াঙ্ক, ভারী কামানের মতো জিনিস আনা-নেওয়া করা যাবে। এর ফলে ভারত-চিন সীমান্তের একেবারে দোরগোড়ায় ভারী সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী পৌঁছে দিতে পারবে চিন।

    আরও পড়ুন: জোর কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে ড্রাগনের দেশ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ৬ ডিভিশন সেনা স্থানান্তর ভারতের

    বাগচি বলেন, “আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের থেক ওই নির্মীয়মাণ সেতু সম্পর্কে খবর পেয়েছি। সেটা নতুন কোনও নির্মাণ কি না এখনও নিশ্চিত নয়। কেউ কেউ বলছেন, এটা নতুন সেতু বা আগের সেতুটিরই সম্প্রসারিত অংশ।” তিনি আরও বলেছেন, “কয়েক দশক ধরে ওই এলাকাটি চিনের অধিকৃত অঞ্চল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই বিষয়ে ভাল বলতে পারবে। তবে আমরা এই বিষয়টি নজরে রেখেছি।” 

    যদিও এ বিষয়ে এক শীর্ষ সেনা আধিকারিকের দাবি, প্যাংগং হ্রদের উপর এটি দ্বিতীয় সেতু। আর আগেরটি এবছরই তৈরি করেছে চিন। এবার আরও একটা তৈরি করছে। কয়েক মাস ধরে এর কাজ চলছে। এক সিনিয়র প্রতিরক্ষা আধিকারিক বলেছেন, প্রথমে মনে হয়েছিল চিন কোনও অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করছে যাতে আগের ব্রিজের কাজে লাগে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা তা নয়। এটা স্থায়ী সেতু। বরং প্রথমটি তৈরি করা হয়েছিল এটি তৈরির সময়ে সহায়তার জন্য। প্যাংগং হ্রদের যে অঞ্চলে সেতু তৈরি হচ্ছে ১৯৬০ সাল থেকে তা চিনের দখলে। 

    আরও পড়ুন: ‘সমাধান নয়, সীমান্ত ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে চায় চিন’, বললেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে

LinkedIn
Share