Tag: India China border

India China border

  • India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাংগং হ্রদের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করেছে চিন। উপগ্রহ চিত্রে এই ছবি ধরা পড়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে এই সেনা ঘাঁটি রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, সেখানে রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি, সামরিক যান রাখার জায়গা, বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র। 

    নয়া সেতু

    প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণ তীরের একাংশকে জুড়ে চিনা ফৌজের নির্মীয়মাণ সেতুর ছবি আগেই সামনে এসেছিল। এর পাশ দিয়েই তৈরি হয়েছে আরও একটি সেতু। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, লাদাখে জবরদখল করা জমিতে ওই সেতু বানাতে পারলে প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণপ্রাপ্তে কৌশলগত ভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যাবে চিনা সেনা। লাদাখের দুর্গম এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভারী ক্রেন-সহ নানা সরঞ্জাম মজুত করেছে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি। প্যাংগং হ্রদের উত্তরপ্রান্তে চিনা সেনার একটি হাসপাতালের অদূরে তৈরি সেতুটি জুড়েছে দক্ষিণ তীরের একটি অংশকে। দক্ষিণ তীরের ওই অংশেই ২০২০-২১ সালে মুখোমুখি অবস্থানে ছিল ভারতীয় এবং চিনা সেনা। ভবিষ্যতে ফের এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) লাগোয়া বিস্তীর্ণ অংশে ওই সেতুর মাধ্যমে দ্রুত সেনা, অস্ত্র এবং রসদ পাঠাতে পারবে পিএলএ। কারণ, সেতু তৈরি হয়ে গেলে প্যাংগংয়ের ওই দুই প্রান্তে চিনা সেনাশিবিরের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার থেকে কমে দাঁড়াবে ৫০ কিলোমিটার।

    সামরিক চুক্তি

    গালওয়ান সংঘর্ষের পরে বারবার সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার দাবি করেছে চিন। কিন্তু সেই কথা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি মার্কিন সংসদে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে পেন্টাগন। সেখানে বলা হয়েছে, “ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিবাদ কমাতে উদ্যোগ দেখাত চিন। কারণ ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি হয়েছিল। সেই বিষয়টি পছন্দ হয়নি জিনপিংয়ের। সেই জন্য বারবার মার্কিন আধিকারিকদের বলা হয়েছিল, ভারতের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তাঁরা যেন হস্তক্ষেপ না করেন। সেই সঙ্গে বলা হয়েছিল, সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী বেজিং।” আদতে বেজিং সীমান্ত সমস্যা মেটাতে কতটা আগ্রহী তা নিয়ে সন্দিহান দিল্লিও। সেই জন্য প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের গতিবিধির উপর নজর রাখছে দিল্লি।

  • Pangong Tso Bridge: লাদাখ সীমান্তে ফের উত্তেজনা! প্যাংগংয়ে চিনের নতুন সেতু নিয়ে সতর্ক ভারতীয় সেনা

    Pangong Tso Bridge: লাদাখ সীমান্তে ফের উত্তেজনা! প্যাংগংয়ে চিনের নতুন সেতু নিয়ে সতর্ক ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখ (Ladakh) সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (Line of Actual Control) চিনা সেনার (Chinese army) সক্রিয় গতিবিধি উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এক উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে,প্যাংগং লেকের (Pangong Tso) কাছে বড় একটি সেতু নির্মাণ শুরু করেছে পিপল’স লিবারেশন আর্মি (PLA)। এই সেতু দিয়ে অনায়াসে ট্যাঙ্ক ও যুদ্ধের সাঁজোয়া যান চলতে পারবে বলে মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের। তবে চিনের (China) পদক্ষেপ নিয়ে সতর্ক ভারতও (India)। কোনওরকম অনুপ্রবেশ দেখলে প্রতিবেশী দেশকে জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা (Indian Army) এমনটাই জানিয়েছেন নয়া সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande)।
     
    চলতি মাসের শুরুতে লাদাখ সফরে যান সেনাপ্রধান। পূর্ব লাদাখে সেনার অবস্থান এবং চিনা অনুপ্রবেশ নিয়ে সামরিক কর্তাদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। সেনাপ্রধানের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চিনকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না। তাঁর অভিমত, ‘‘ইন্দো-চিন সীমান্তে (India China border) যে অবস্থা রয়েছে তার কোনও পরিবর্তন হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘ওই এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের সৈন্যরাও কৌশলগত সঠিক অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেশীর নিয়মিত উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে। তাই এলাকা এখন শান্ত।’’ তবে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনা প্রস্তুত রয়েছে তা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ওই এলাকায় অতিরিক্ত সৈন্য এবং অস্ত্র মজুত করেছি। এর সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে।’’

    সম্প্রতি লাদাখ সফরে গিয়ে প্যাংগং সো-র উপর চিনের নয়া সেতু নিয়ে সেনা-আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন মনোজ পাণ্ডে। সেনা সূত্রে খবর, প্যাংগং সংলগ্ন যে এলাকা ১৯৬২ সাল থেকে চিনের দখলে, সেখানে এর আগেও ২০২১ সালের শেষের দিকে একটি সেতু নির্মাণ করেছিল পিএলএ। সেই সেতুর ঠিক পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে নয়া আরও বড় সেতুটি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে এই দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করে চিনা সামরিক বাহিনী। এই সেতু নির্মাণ হলে ভারত সীমান্তের কাছে অনায়াসে পৌঁছে যেতে পারবে চিনা ট্যাঙ্ক ও অন্যান্য সাজোঁয়া যান।

    এদিকে ভারতও প্যাংগং সংলগ্ন এলাকায় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া প্যাংগং লেকের দক্ষিণাঞ্চলের কাছে পাহাড়গুলিতে ভারতীয় সেনা মোতয়েন থাকায় চিন খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে। লাদাখ সেক্টরে উপস্থিত রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর বড় রেজিমেন্ট। তাই চিনের উপর ভারতও কড়া নজর রেখে চলেছে।

  • India China Border: লাদাখে চিনের কর্মকাণ্ড ‘উদ্বেগজনক’! ভারতকে সতর্ক করল আমেরিকা

    India China Border: লাদাখে চিনের কর্মকাণ্ড ‘উদ্বেগজনক’! ভারতকে সতর্ক করল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (china) সম্পর্কে ভারতকে (india) সর্তক করল আমেরিকা (america)। লাদাখে (Ladakh) যেসব পরিকাঠামো গড়ে তুলছে চিন (China), তা উদ্বেগজনক। এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন  জেনারেল চার্লস এ ফ্লিন (Charles A Flynn)। ফ্লিন মার্কিন সেনার কমান্ডিং জেনারেল। আমেরিকার তরফে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (Indo Pacific Ocean Region) দেখভাল করেন তিনি।

    বছর দুয়েক ধরে লাদাখ অঞ্চলে চিনের সঙ্গে সংঘাত চলছে ভারতের। কয়েকটি বিষয়ে সমাধান সূত্র মিললেও, একাধিক ক্ষেত্রে সমস্যা রয়ে গিয়েছে। কিছু জায়গায় এখনও সংঘাত চলছে। এমতাবস্থায় একাধিক উপগ্রহ চিত্রে স্পষ্ট, চিন লাদাখ সীমান্তে একের পর এক পরিকাঠামো গড়ে তুলে চলেছে। প্যাংগং সো (Pangong Tso) হৃদের ওপর একটি আস্ত সেতু তৈরির কাজও চলছে।

    আরও পড়ুন :পূর্ব লাদাখ নিয়ে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, মিলবে কি সমাধানসূত্র?

    সেই প্রসঙ্গেই এদিন সাংবাদিকদের সামনে ফ্লিন বলেন, আমি মনে করি, সেখানে যে পর্যায়ে কার্যকলাপ চালাচ্ছে, তাতে চোখ খুলে রাখা উচিত। ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডে যে সব পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। ফ্লিনের মতে, সীমান্তে চিনের এই পদক্ষেপ অস্থিতিশীল এবং ক্ষতিকারক। ফ্লিন বলেন, কেবল লাদাখ নয়, হিমালয়জুড়েই চিন এমন পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। সম্প্রতি অরুণাচল সীমান্ত নিয়েও সরব হয়েছে ভারত। সেখানেও সীমান্তের কাছে চিন পরিকাঠামো তৈরি করছে বলে অভিযোগ। মার্কিন জেনারেল জানান, এর ফলে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে পুরো এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    এদিকে, সম্প্রতি একটি রিপোর্টে দাবি করা হয় প্যাংগং সো হ্রদের চিনা অংশে দ্বিতীয় একটি সেতু তৈরি করছে ড্রাগনের দেশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে সেতুটির দূরত্ব কুড়ি কিলোমিটারের কাছাকাছি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে বিষয়টির দিকে নজর রাখছে তারাও। সীমান্ত অঞ্চলে চিন রাস্তা এবং বসতি গড়ে তুলছে বলেও জানা গিয়েছে। কেবল ভারত নয়, জল সীমান্ত নিয়ে ভিয়েতনাম এবং জাপানের মতো বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও বিবাদে জড়িয়েছে চিন। ফ্লিন বলেন, বেজিংকে প্রশ্ন করা উচিত, তাদের এত অস্ত্রের প্রয়োজন কেন?

    বর্তমানে ভারত সফরে এসেছেন ফ্লিন। ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande) সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কথা হয়েছে যৌথ মহড়া নিয়েও। এ বছরের শেষে হিমালয়ে যুদ্ধের মহড়ায় অংশ নেবে ভারতীয় এবং মার্কিন সেনা। অতি উচ্চতায় লড়াই (High Altitude warfare) কীভাবে করতে হয়, তা শেখাতেই হবে মহড়া। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে হিমালয়ে মহড়া দেওয়ার পরে ভারতীয় দল মহড়া দেবে আলাস্কায় গিয়ে।

     

  • Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে (Ladakh) ফের ভারত-চিন (India China conflict) সংঘাতের ইঙ্গিত! প্যাংগং (Pangong Tso) হ্রদের ওপর দ্বিতীয় সেতু তৈরি করছে চিন। যে জায়গায় নতুন সেতুর হদিশ মিলেছে সেই জায়গাটা কয়েক দশক ধরে চিনের (China) অধিকৃত বলে দাবি করেছে বিদেশমন্ত্রক (Ministry Of External Affairs)। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছেন, সেতুটি ভারতের (India) দাবি করা অঞ্চলের মধ্যে পড়লেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে ২০ কিমি পূর্ব দিকে অবস্থিত।

    সাংবাদিক সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান, দ্বিতীয় সেতুটি তৈরির ব্যাপারে নজর রাখছে ভারত। চিনের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই সেতুটি দিয়ে ভারী সামরিক যান আনার কাজ হবে। প্যাংগং হ্রদের চিনা অংশে ওই সেতু দিয়ে যুদ্ধট্য়াঙ্ক, ভারী কামানের মতো জিনিস আনা-নেওয়া করা যাবে। এর ফলে ভারত-চিন সীমান্তের একেবারে দোরগোড়ায় ভারী সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী পৌঁছে দিতে পারবে চিন।

    আরও পড়ুন: জোর কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে ড্রাগনের দেশ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ৬ ডিভিশন সেনা স্থানান্তর ভারতের

    বাগচি বলেন, “আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের থেক ওই নির্মীয়মাণ সেতু সম্পর্কে খবর পেয়েছি। সেটা নতুন কোনও নির্মাণ কি না এখনও নিশ্চিত নয়। কেউ কেউ বলছেন, এটা নতুন সেতু বা আগের সেতুটিরই সম্প্রসারিত অংশ।” তিনি আরও বলেছেন, “কয়েক দশক ধরে ওই এলাকাটি চিনের অধিকৃত অঞ্চল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই বিষয়ে ভাল বলতে পারবে। তবে আমরা এই বিষয়টি নজরে রেখেছি।” 

    যদিও এ বিষয়ে এক শীর্ষ সেনা আধিকারিকের দাবি, প্যাংগং হ্রদের উপর এটি দ্বিতীয় সেতু। আর আগেরটি এবছরই তৈরি করেছে চিন। এবার আরও একটা তৈরি করছে। কয়েক মাস ধরে এর কাজ চলছে। এক সিনিয়র প্রতিরক্ষা আধিকারিক বলেছেন, প্রথমে মনে হয়েছিল চিন কোনও অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করছে যাতে আগের ব্রিজের কাজে লাগে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা তা নয়। এটা স্থায়ী সেতু। বরং প্রথমটি তৈরি করা হয়েছিল এটি তৈরির সময়ে সহায়তার জন্য। প্যাংগং হ্রদের যে অঞ্চলে সেতু তৈরি হচ্ছে ১৯৬০ সাল থেকে তা চিনের দখলে। 

    আরও পড়ুন: ‘সমাধান নয়, সীমান্ত ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে চায় চিন’, বললেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে

LinkedIn
Share