Tag: india israel

  • India Israel: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি, পাশে ইজরায়েল, ১৮০ দেশের সমর্থনে পাশ প্রস্তাব

    India Israel: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি, পাশে ইজরায়েল, ১৮০ দেশের সমর্থনে পাশ প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পাকিস্তান ও বেলারুশের যৌথ উদ্যোগে আনা একটি প্রস্তাবের বিরোধিতা করল ভারত ও ইজরায়েল (India Israel)। ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র এই দুই দেশই প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে, প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৮০টি দেশ। কোনও (UN Arms Control Resolution) দেশ ভোটদানে বিরত থাকেনি। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের নিরস্ত্রীকরণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রথম কমিটিতে সোমবার এই ভোটাভুটি হয়।

    প্রস্তাবটির মূল উদ্দেশ্য ছিল আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক স্তরে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আরও জোরদার করা। তবে ভারতের বক্তব্য, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এটি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়। প্রতিটি দেশের নিরাপত্তার স্বার্থ ও উদ্বেগকে বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

    ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব অনমোল শের বেদি জানান, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মূলত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার যুক্তি নিয়ে ভারত পুরোপুরি একমত নয়। তিনি বলেন, “আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত নই যে এই বিষয়টিকে প্রধানত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক পরিসরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    রাষ্ট্রসংঘের পুরনো সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন ভারতের (India Israel)

    প্রস্তাবটির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সেখানে রাষ্ট্রসংঘের নিরস্ত্রীকরণ কমিশনকে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আঞ্চলিক চুক্তির জন্য নতুন কিছু নীতি ও নির্দেশিকা তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    ভারতের বক্তব্য, এই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিশন ইতিমধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছে। ১৯৯৩ সালে আঞ্চলিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে নির্দেশিকা ও সুপারিশ, ১৯৯৯ সালে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা এবং ২০১৭ সালে প্রচলিত অস্ত্রের ক্ষেত্রে আস্থা বৃদ্ধির বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়ে সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছিল।

    এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বেদি। তাঁর কথায়, “আমরা এই অনুরোধটি কিছুটা কৌতূহলের সঙ্গে দেখছি।”

    তিনি আরও বলেন, একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিশন ইতিমধ্যেই তিনটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তা হলে আবার কেন সেই আলোচনাকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে? দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি বিষয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা ভারত বুঝতে পারছে না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাষ্ট্রসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখাই যদি এর উদ্দেশ্য না হয়, তা হলে এই পুনরাবৃত্তির যৌক্তিকতা কোথায়?

    দেশের নিরাপত্তা

    প্রস্তাবে নির্দিষ্ট অঞ্চল ও উপ-অঞ্চলের মধ্যে প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার যে কথা বলা হয়েছে, তারও বিরোধিতা করেছে ভারত।

    বেদির বক্তব্য, কোনও দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগকে তার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে আটকে রাখা যায় না। বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তার স্বার্থ অনেক সময় নিজস্ব অঞ্চলের বাইরেও বিস্তৃত হয়। ফলে নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার ধারণা বাস্তবে কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে (India Israel)।

    তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবের ধারণা অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ যেন তাদের আঞ্চলিক সীমানায় এসে থেমে যায়। বাস্তবে তা হয় না।”

    তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্বার্থ ও উদ্বেগ সংকীর্ণ ভৌগোলিক সীমানার বাইরে বিস্তৃত। তাই কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল বা উপ-অঞ্চলের মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার ধারণা বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে করে ভারত।

    আপত্তি ভারতের

    ‘সাধারণ ও পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ: আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক স্তরে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রস্তাবে ঠান্ডা যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া অধিকাংশ হুমকি একই ভৌগোলিক অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে থেকেই এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে চুক্তি গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক বাহিনীর সংখ্যা যতটা সম্ভব সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    তবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের উল্লেখ থাকা একটি অনুচ্ছেদের বিরুদ্ধেও আলাদাভাবে ভোট দিয়েছে ভারত। ওই অনুচ্ছেদে লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের মধ্যে আলোচনা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যোগের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবগুলিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছিল।

    এ ছাড়া, যেসব দেশের সামরিক সক্ষমতা বেশি এবং যারা সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলেও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে ভারতের অবস্থান, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয়কে শুধুমাত্র আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। ইজরায়েলও ভারতের সঙ্গে একই অবস্থান নিয়ে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছে। যদিও ১৮০টি দেশের সমর্থনে রাষ্ট্রসংঘের প্রথম কমিটিতে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে (UN Arms Control Resolution)।

    এই ভোটাভুটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানকেই ফের সামনে নিয়ে এসেছে। নয়াদিল্লির মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের যে কোনও আন্তর্জাতিক কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের (India Israel) বৃহত্তর নিরাপত্তা স্বার্থ ও ভৌগোলিক সীমার বাইরের উদ্বেগগুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

     

  • India Israel Defence Deal: ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা! ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের সঙ্গে বিরাট প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের

    India Israel Defence Deal: ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা! ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের সঙ্গে বিরাট প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-সৌদির মধ্যে সামরিক সমঝোতার মাস খানেকের মধ্যেই ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের (India Israel Friendship) সঙ্গে বিশাল বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি সেরে ফেলল ভারত (India Israel Defence Deal)। মঙ্গলবার তেল আভিভে অনুষ্ঠিত ১৭তম জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাতে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যৌথ গবেষণা, সাইবার সুরক্ষা এবং সামরিক উৎপাদনের ক্ষেত্রকে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। চুক্তির মূল্য প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি)। ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের কাছ থেকে উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং ড্রোন সংক্রান্ত সহায়তা পেয়েছে। এবার সেই সহযোগিতা আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

    ৫ হাজার কোটি টাকার ‘র‍্যাম্পেজ’ চুক্তি!

    নতুন চুক্তির আওতায়, ভারত ইজরায়েল থেকে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা আমদানি করার পাশাপাশি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় এর প্রায় ৭০ শতাংশ যৌথভাবে তৈরি করবে। এই চুক্তিতে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার রকেট, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং উন্নত ট্যাঙ্ক সুরক্ষা প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হল ৫ হাজার কোটি টাকার ‘র‍্যাম্পেজ’ ক্ষেপণাস্ত্রের (Rampage Missile) চুক্তি, যা অপারেশন সিঁদুর-এর (Operation Sindoor) সময় পাকিস্তানের সুক্কুর বিমানঘাঁটি এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ-ই-মহম্মদের সন্ত্রাসী শিবির ধ্বংস করার সময় নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি (India Israel Defence Deal) ভারত-ইজরায়েল প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি নতুন পর্যায় চিহ্নিত করল, যা সরাসরি ভারতের আক্রমণ এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

    ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত বোঝাপড়া

    তেল আভিভের বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের যৌথ সচিব (প্রতিরক্ষা উৎপাদন), আর ইজরায়েলের তরফে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের প্রধান। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি ভাগাভাগি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছে (India Israel Defence Deal)। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, আধুনিক অস্ত্র প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে বিদ্যমান অংশীদারিত্ব ইতিমধ্যেই “গভীর বিশ্বাস ও কৌশলগত বোঝাপড়া”-র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। উভয় দেশ সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত সুরক্ষা ও তথ্য নিরাপত্তার মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, ফলে এই সহযোগিতা দুই দেশের প্রতিরক্ষা নীতিকে আরও দৃঢ় করবে।

    কী বললেন ভারতের সেনাপ্রধান?

    ইজরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তির প্রেক্ষিতে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জোর দিয়ে বলেছেন যে, বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে বলে একই মনোভাবসম্পন্ন দেশগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, যে কোনও জাতি বিচ্ছিন্নভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারে না, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক বিপদের মুখে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ থেকে কার্গিল যুদ্ধ পর্যন্ত, ইজরায়েল ঐতিহাসিকভাবে কঠিন সময়ে ভারতকে সমর্থন করেছে (India Israel Friendship), পারস্পরিক বিশ্বাস এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের উপর ভিত্তি করে সম্পর্ককে দৃঢ় করেছে।

    পাক-সৌদি বনাম ভারত-ইজরায়েল

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলের প্রযুক্তিগত সুবিধা ভারতকে সত্যিকারের কৌশলগত সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হবে (India Israel Defence Deal)। অন্যদিকে, যেখানে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের চুক্তিটি মূলত আর্থিক-সহায়তা কেন্দ্রিক। ইজরায়েল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ভরকেন্দ্র। সেখানে সৌদি আরব নিজে তার বেশিরভাগ অস্ত্র আমদানি করে থাকে। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-ইজরায়েলের এই সম্পর্ক ‘‘কৌশলগত নোঙ্গর’’, যা কঠিন সময়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রদান করেছে। তাঁরা জানান, এই চুক্তি শুধু প্রতিরক্ষা ক্রয় বা বিক্রির সীমায় সীমাবদ্ধ নয় — বরং এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও স্বনির্ভর সামরিক উৎপাদনের পথ খুলে দেবে।

LinkedIn
Share