Tag: India Maldives Relations

India Maldives Relations

  • India Maldives Relations: হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায় ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ

    India Maldives Relations: হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায় ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবনির্মিত ও আধুনিকীকৃত হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ। এ বিষয়ে ভারত সরকার এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (AAI)-কে প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে। ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর হানিমাধু বিমানবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মলদ্বীপ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেয়। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রাম মোহন নাইডু।

    হানিমাধু বিমানবন্দর-এর জন্য সহায়তা

    অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “হানিমাধু বিমানবন্দর পরিচালনার জন্য ভারতীয় সংস্থাগুলিকে যুক্ত করা সম্ভব কি না, তা মূল্যায়নের দায়িত্ব এএআই-কে দেওয়া হয়েছে।” বর্তমানে এএআই দেশের মধ্যে ১১৩টি বিমানবন্দরের মালিক এবং ২৬টি রাজ্যে বিমানবন্দর পরিচালনা করে। অন্যদিকে, জিএমআর, জিভিকে ও আদানি গোষ্ঠীর মতো বেসরকারি সংস্থাগুলি চুক্তির ভিত্তিতে এএআই-এর মালিকানাধীন ১৩টি বিমানবন্দর পরিচালনা করছে। হানিমাধু বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এক্সিম ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে মলদ্বীপকে ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। ১৩৬.৬ মিলিয়ন ডলারের পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের দায়িত্ব পায় ভারতীয় সংস্থা জেএমসি প্রোজেক্টস।

    হানিমাধু বিমানবন্দর সমস্যা

    এই প্রকল্পের আওতায় হানিমাধু বিমানবন্দরে ২,৪৬৫ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। যেখানে এয়ারবাস এ৩২০ শ্রেণির বিমান ওঠানামা করতে পারবে। পাশাপাশি বছরে ১৩ লক্ষ যাত্রী পরিষেবার সক্ষমতা সম্পন্ন একটি আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে। মলদ্বীপ কর্তৃপক্ষের আশা, এর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। তবে এই নতুন প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে উঠে আসছে এক দশকেরও বেশি পুরনো জিএমআর বিতর্কের স্মৃতি। ২০১২ সালে হঠাৎ করেই মলদ্বীপ সরকার মালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য জিএমআর-এর সঙ্গে করা ৫১১ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি বাতিল করে এবং সংস্থাটিকে সাত দিনের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরের একটি আদালতের রায়ে জিএমআর ২৭০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পায়। সেই ঘটনা এখনও পর্যন্ত মলদ্বীপে ভারতীয় কর্পোরেট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিরুদ্ধে মলদ্বীপের কয়েকজন মন্ত্রীদের অবমাননাকর (India Maldives Row) মন্তব্য প্রসঙ্গে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। ভারতে তার প্রথম সরকারি সফরে এসে বলেছেন, “তার সরকার ওই নেতাদের মন্তব্য থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে এবং “সঠিক ব্যবস্থা” নিয়েছে। ওই ঘটনার কোনও পুনরাবৃত্তি হবে না। নিশ্চিত করবে মলদ্বীপ।” 

    নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী জমির বলেছেন, ” আমরা আগেই বলেছি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা আমাদের সরকারের অবস্থান নয় বা এটি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নয়। এবং আমরা বিশ্বাস করি এটি করা উচিত ছিল না। এবং তারপরে এটি যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    প্রসঙ্গত ভারতে এসেছিলেন মলদ্বীপের (Maldives) বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। দেখা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। মুইজ্জু (Md. Muijju) ক্ষমতায় এসে ভারতের বিরুদ্ধে উগ্র মনোভাব (India Maldives Row) দেখালেও ধীরে ধীরে ভারত ছাড়া যে তাদের গতি নেই তা ভালই বুঝতে পেরেছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার পক্ষ।ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishakar) মুসা জমিরের (Musa Jameer) সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর বলেন, “ভারত (India) ও মলদ্বীপর সম্পর্ক পারস্পরিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সংবেদনশীলতার উপর নির্ভরশীল। আমরা অতীতে মলদ্বীপকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। কোভিড কালে ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পাঠিয়েছি। দেশটির বিপদের সময় ভারত পাশে ছিল।”  প্রসঙ্গত মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর (India Maldives Row) এটাই মুসা জমিরের প্রথম ভারত সফর। প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি ভালো সফর ছিল এবং ভারতের তরফে খুবই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। আমি ভারত সরকারকে এবং ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রককে ধন্যবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    দূরত্ব বজায় নীতি থেকে সরছে মলদ্বীপ (India Maldives Row)

    প্রসঙ্গত ১৯৬৫ সালে মলদ্বীপ যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন ভারত মলদ্বীপকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলির মধ্যে প্রথম ছিল। কিন্তু রাজনীতির স্বার্থে মুইজ্জু প্রথম থেকেই ভারত বিরোধী নীতি নিয়েছিলেন। “ইন্ডিয়া আউট” (India Maldives Row) স্লোগান তুলে তিনি দেশের মসনদে বসেন। স্বাভাবিকভাবেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার নীতি তার রাজনীতির অঙ্গ ছিল। দেশের মসনদে বসে তিনি প্রথমে চিন সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেই তিনি বুঝতে পারেন ভারত ছাড়া তাঁর চলবে না। যদিও ভারত কখনই মুইজ্জুর বিরোধিতার পরেও মলদ্বীপকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেনি। সম্প্রতি মলদ্বীপকে ভারত চিনি, গম, চাল, পেঁয়াজ এবং ডিম সহ প্রয়োজনীয় পণ্যের  রফতানির ঘোষণা করেছে। যাতে ওই দেশের মানুষ রাজনীতির শিকার হয়ে খাদ্যাভাবে না ভোগেন। 

    প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা বয়ান মন্ত্রীর

    মলদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “নয়া দিল্লিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শংকরের সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের আমাদের দীর্ঘ ইতিহাসকে প্রতিফলিত করেছি। আমরা দুই দেশের (India Maldives Row) মধ্যে সম্পৃক্ততা এবং আদান-প্রদানের বিষয়ে অনুকূল দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    Maldives: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ নাকি লাক্ষাদ্বীপ— পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে কোনটা সেরা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর ও সেখানের পর্যটনের প্রচার নিয়েই আপত্তি মলদ্বীপের (India Maldives Relations)। সে দেশের তিন মন্ত্রীর অপমানজনক মন্তব্য আগুনে ঘি ঢেলেছে। দেশের পাশে দাঁড়িয়ে সুর চড়িয়েছেন বলিউডের অভিনেতা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। সকলেই বিদেশের বদলে দেশের এই মনমুগ্ধকর পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। সকলেই আওয়াজ তুলেছেন, বিদেশের বদলে দেশের দ্বীপগুলিতে যান। অক্ষয় কুমার থেকে সলমন খান, জন আব্রাহাম থেকে শ্রদ্ধা কপূর, কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর সকলেরই দাবি—বয়কট করা হোক মলদ্বীপকে (India Maldives Relations)।

    লাক্ষাদ্বীপই হোক গন্তব্য

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “মলদ্বীপের বিশিষ্টজনেদের কথায় আমি স্তম্ভিত। ভারতই সবচেয়ে বেশি পর্যটক পাঠায় মলদ্বীপে। আর ভারতই তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সবসময় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। তাহলে এই ঘৃণা আমরা সহ্য করব না। দেশের মর্যাদা রাখতে দেশের দ্বীপগুলিতেই যাওয়া উচিত আমাদের।”

    জন আব্রাহাম ও শ্রদ্ধা কাপুরও একই কথা বলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশকে যেখানে অপমান করা হয়, সেখানে না যাওয়াই শ্রেয়। লাক্ষাদ্বীপের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন তাঁরা। 

    শ্রদ্ধা কাপুর তো বলেছেন, লাক্ষাদ্বীপের সৌন্দর্য দেখে এখনই ছুটি নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে।

    অভিনেতা সলমন খান প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনেই বলেন, “কী দারুণ লাগছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রভাই মোদিকে লাক্ষাদ্বীপের সুন্দর, পরিষ্কার সৈকতে ঘুরতে দেখে। আর সবথেকে ভাল বিষয় হল এটা আমাদের দেশেই রয়েছে।”

    প্রাক্তন কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পোস্ট না করলেও, ‘অতিথি দেব ভব’-র দর্শন ও মহারাষ্ট্রের সিন্ধুদুর্গের সৌন্দর্য্য নিয়ে লম্বা এক পোস্ট লেখেন।

     

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে ৩ মন্ত্রীকে সাসপেন্ড মলদ্বীপের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share