Tag: India-Maldives Relationship

India-Maldives Relationship

  • S Jaishankar: রাষ্ট্রপতি ভারতে আসার পর এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কবে জানেন?

    S Jaishankar: রাষ্ট্রপতি ভারতে আসার পর এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এবার ভারত- মলদ্বীপ সম্পর্কে (India-Maldives Relationship) বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে। এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। দেশে তৃতীয়বার মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশ মন্ত্রী। সাম্প্রতিক ঘটনা পরম্পরার নিরিখে তাঁর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

    কবে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী? (S Jaishankar)

    গত তিন থেকে চার মাসে মলদ্বীপের প্রচেষ্টার কারণেই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (S Jaishankar) মলদ্বীপ সফরের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। মে মাসে বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির ভারত সফরে এসেছিলেন। তারপরে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু নিজে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মলদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়সাল ভারতে রয়েছেন। মূলত, ভারতীয় পর্যটকদের মলদ্বীপে যাওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন। কারণ, পর্যটনের মাধ্যমে সবথেকে বড় বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন হয় মলদ্বীপে। আর এতদিন ভারতীয়রা মলদ্বীপে সবচেয়ে বেশি পর্যটক ছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর পরের মাসে মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন। সেখানে দুই থেকে তিন দিন তিনি থাকবেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি মলদ্বীপের প্রতিপক্ষ মুসা জমির এবং রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুর সঙ্গে দেখা করবেন।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড়!

    মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী এবং ভারত-বিরোধী হিসাবে পরিচিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের (India-Maldives Relationship) অবনতি হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল মুইজ্জুর তিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। মুইজ্জু তার ভারত-বিরোধী এজেন্ডার অধীনে, ভারতের সঙ্গে একটি হাইড্রোগ্রাফিক চুক্তি বাতিল করে। ভারত বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও চিনা গুপ্তচর জাহাজগুলিকে মলদ্বীপের জলসীমায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপ চালানোর অনুমতি দেয়। তারপরই ভারতের সমাজমাধ্যমে মলদ্বীপ বয়কটের ডাক ওঠে। ভারতীয়দের অনেকেই মলদ্বীপে যাওয়ার টিকিট বাতিল করে দেন। যার ফলে দেশটি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ইতিমধ্যে চিনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন মুইজ্জু। এমনকী, মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর নির্দেশও দেন তিনি। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এই আবহের মধ্যে মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতির ভারত সফর, পর্যটনমন্ত্রীর মলদ্বীপ যাওয়ার জন্য ভারতীয় পর্যটকদের আহবান জানানোর ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    India Maldives Relation: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত মলদ্বীপের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ (India Maldives Relation)। নয়াদিল্লির কাছে ঋণ মকুবের আর্জি জানিয়ে এই কথা বলেন ‘চিন-ঘনিষ্ঠ’ মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর। ক্রমশই বাড়ছিল ভারত-মলদ্বীপ কুটনৈতিক জটিলতা৷ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) ভারত-বিরোধী পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা বাড়িয়েছিল। কিন্তু ভারত কখনওই প্রতিবেশীর হাত ছাড়েনি। এবার তা মেনে নিল মলদ্বীপও।

    কী বললেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট

    গত বছরের শেষে ভারত থেকে ৪০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছিল মলদ্বীপ (India Maldives Relation)। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২,৯০০ কোটি টাকা। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) জানান, মলদ্বীপকে সাহায্যের বিষয়ে ভারত অগ্রগণ্য। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া হয়েছে। পূর্বসূরিদের আমল থেকে। সে কারণে আমরা আলোচনা করছি, যাতে ঋণ মেটানোর ক্ষেত্রে নরম পদক্ষেপ করা হয়।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, এর প্রভাব যাতে কোনও ভাবেই কোনও প্রকল্পে না পড়ে। প্রেসিডেন্টের আশা, ভারত এই ঋণ মেটানোর বিষয়টি আরও সহজ করবে। এই নিয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, ভারত মলদ্বীপের ঘনিষ্ঠ সহযোগী থাকবে। এই নিয়ে কোনও প্রশ্নই নেই। মুইজ্জু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে, আমি কোনও বর্তমান প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে চাই না। বরং সেগুলি আরও মজবুত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি।’’

    আরও পড়ুন: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘ড্রাক গ্যালপো’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    ভারত-মলদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

    দিনকয়েক আগে সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান মহম্মদ মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) জানিয়ে দেন, কোনও পোশাকেই ভারতীয় সেনা সেদেশে থাকতে পারবে না ৷ ফলে আরও কঠিন হয়েছিল ভারত-মলদ্বীপ (India Maldives Relation) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক৷ তারপরেই আচমকা সুরবদল৷ একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে মুইজ্জু জানিয়ে দিলেন, ভারতই মলদ্বীপের ‘ঘনিষ্ঠ’ সঙ্গী৷ ভারতীয় সেনাদের একটি দল ইতিমধ্যে মলদ্বীপ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। তার পরেই মুইজ্জুর মুখে প্রশস্তি। গত কয়েক বছর ধরে মলদ্বীপে রয়েছে ভারতের দু’টি হেলিকপ্টার এবং একটি বিমান। অসুস্থদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে নিয়ে যায় সেগুলি। জরুরিকালীন পরিষেবার কাজে ব্যবহৃত হয়। সেগুলি চালনার জন্য মলদ্বীপে মোতায়েন ছিল ভারতীয় সেনা। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পেও সাহায্য করেছে ভারত। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives Relationship: সেনার বদলে মলদ্বীপে পাঠানো হবে ‘যোগ্য’-দের, জানাল দিল্লি

    India-Maldives Relationship: সেনার বদলে মলদ্বীপে পাঠানো হবে ‘যোগ্য’-দের, জানাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি। তবে, এখনই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হচ্ছে না। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মলদ্বীপের (India-Maldives Relationship) বিমানক্ষেত্রগুলি থেকে ভারতীয় সেনা সরিয়ে পরিবর্তে সেখানে মোতায়েন করা হবে ‘যোগ্য ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ’। 

    কী বলছে বিদেশ মন্ত্রক

    চিকিৎসার জন্য রোগী উড়িয়ে আনা-সহ উচ্ছেদ বিভিন্ন মানবিক কাজে ব্যবহারের জন্য, মলদ্বীপকে (India-Maldives Relationship) দুটি অ্যাডভান্স্ড লাইট ‘ধ্রুব’ হেলিকপ্টার এবং একটি ডর্নিয়ার বিমান দিয়েছিল ভারত সরকার। এতদিন ভারতীয় সেনাকর্মীরাই এই তিনটি এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতেন। কিন্তু, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, মহম্মদ মুইজ্জু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় সেনা রাখা যাবে না তাদের দ্বীপরাষ্ট্রে। কাজেই, ওই তিনটি এয়ারক্র্যাফ্ট চালানোর জন্য সেনার বদলে ‘দক্ষ ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মীদের’ পাটানোর সিদ্ধান্ত নিল নয়া দিল্লি। এখন মলদ্বীপে ৭০ জন জওয়ান, সমুদ্রে টহলের জন্য ডর্নিয়ের ২২৮ বিমান, দু’টি এইচএএল হেলিকপ্টার রয়েছে। সে দেশের সমুদ্রে টহলের পাশাপাশি অসুস্থ নাগরিকদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে আকাশপথে পৌঁছে দেয় ভারতীয় সেনা। প্রয়োজনে ত্রাণ-সহ মানবিক সাহায্য করে। বৃহস্পতিবার, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ওই এয়ারক্র্যাফ্টগুলি মলদ্বীপেই থাকবে। সেনাকর্মীদের জায়গায় ওই বিমানগুলি পরিচালনার জন্য দক্ষ ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মীদের পাঠানো হবে।” 

    আরও পড়ুন: চিন-প্রেমই হল কাল! মলদ্বীপে দেখা দিতে পারে ঋণ সঙ্কট, বলছে আইএমএফ

    ক্ষমতায় আসার পরেই মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে সেনা সরানোর জন্য সরকারি ভাবে আর্জি জানিয়েছিল মুইজ্জু সরকার। দিন কয়েক আগে বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছিল, তাদের নির্ধারিত দিনের মধ্যেই ভারত পদক্ষেপ করতে রাজি হয়েছে। এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুটি বৈঠকও হয়। তৃতীয় বৈঠকটি হবে চলতি মাসের শেষে।  এদিন, রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, মলদ্বীপের উন্নয়নে সহায়তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটেও ভারত সরকার মালদ্বীপের জন্য ৭৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Shami on Maldives Row: মলদ্বীপ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ‘অর্জুন’ শামি, কী বললেন তারকা পেসার

    Mohammed Shami on Maldives Row: মলদ্বীপ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ‘অর্জুন’ শামি, কী বললেন তারকা পেসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন সদ্য ‘অর্জুন’ পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতের পেস বোলার মহম্মদ শামি। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন চাইছেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, আমাদেরও উচিত তাঁর পাশে দাঁড়ানো!’ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মঙ্গলবারই অর্জুন পুরস্কার নেন শামি। মেরুন শুটে বেশ মানিয়েছিল তাঁকে। সদ্য সমাপ্ত একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিশ্বকাপে ২৪টি উইকেট নিয়ে তাক লাগিয়ে দেন ‘সাহসপুর এক্সপ্রেস’।

    কী বললেন শামি

    মঙ্গলবার সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শামি বলেন, ‘আমরা ভারতীয়। আমাদের সবার আগে দেখা উচিৎ দেশের স্বার্থ। আমি মনে করি দেশের পর্যটনকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা উচিৎ। এটা দেশের জন্য ভাল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চাইছেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আমাদের উচিৎ তাঁর পাশে দাঁড়ানো।’কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রী লাক্ষাদ্বীপে গিয়ে ছবি পোস্ট করেন। তার পর থেকেই সকলে লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পোস্ট করতে শুরু করেন। এর মাঝেই শুরু হয় মলদ্বীপ বিতর্ক। সে দেশের তিন মন্ত্রী ভারতের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণ করেন। তার পর থেকেই মলদ্বীপকে বয়কট করার ডাক দিয়ে সমাজমাধ্যমে সরব হন নেটাগরিকদের একাংশ। সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু ক্রীড়াবিদ, অভিনেতাদের দেখা গিয়েছে  ভারতের পর্যটন নিয়ে প্রচার করতে। এবার শামিও দেশের পর্যটন নিয়ে মত প্রকাশ করলেন।

    কারা কারা অর্জুন সম্মান পেলেন

    সাধারাণত জাতীয় ক্রীড়া সম্মান দেওয়া হয় ২৯ অগাস্ট। তবে এবার হানঝাউ এশিয়ান গেমসের জন্য এই সম্মান পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবার মেজর ধ্যান চাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার পেলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের তারকা জুটি চিরাগ শেট্টি ও সাত্বিকসাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি। খেলরত্নর জন্য ২৫ লক্ষ টাকা, অর্জুন ও দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ২৬ জন ক্রীড়াবিদ ও কোচকে সম্মানিত করা হয়েছে। শামির পাশাপাশি অর্জুন সম্মান পেয়েছেন বাংলার টেবল টেনিস তারকা ঐহিকা মুখোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারতের জয়গান, মলদ্বীপকে জবাব অমিতাভ-সেওয়াগের

    অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা: মহম্মদ শামি (ক্রিকেট), অজয় রেড্ডি (অন্ধ ক্রিকেট) ওজস প্রবিন দেওতালে (তীরন্দাজ), অদিতি গোপীচাঁদ স্বামী (তীরন্দাজ), শীতল দেবী (প্যারা তিরন্দাজি), পারুল চৌধুরী এবং মুরলি শ্রীশঙ্কর (অ্যাথলেটিক্স), মোহাম্মদ হুসামুদ্দিন (অ্যাথলেটিক্স)। বক্সিং), আর বৈশালী (দাবা), দিব্যকৃতি সিং এবং আনুশ আগরওয়াল (অশ্বারোহী), দিক্ষা ডাগর (গলফ), কৃষাণ বাহাদুর পাঠক (হকি), সুশীলা চানু (হকি), পিঙ্কি (লন বল), ঐশ্বরী প্রতাপ সিং তোমর (শ্যুটিং) , অন্তিম পাংহাল (কুস্তি), ঐহিকা মুখোপাধ্যায় (টেবিল টেনিস)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share