Tag: india military strategy

  • 800 km BrahMos-LR: শত্রুর গভীরে আঘাতের প্রস্তুতি! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা?

    800 km BrahMos-LR: শত্রুর গভীরে আঘাতের প্রস্তুতি! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের আবহে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার উন্নত ব্রহ্মোস-এলআর (লং রেঞ্জ) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য বড় অর্ডার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ভারতীয় সেনা, প্রতিরক্ষা সূত্রে এমনই খবর।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস?

    বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে থাকা ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। বর্তমানে স্থল, নৌ ও বায়ু—তিন বাহিনীতেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু আধুনিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরও দূরপাল্লার নির্ভুল আঘাত হানার ক্ষমতা বাড়াতে এবার ৮০০ কিমি পাল্লার সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ব্রহ্মোসের এই উন্নত ভ্যারিয়েন্টটি ভারতের ডিআরডিও (DRDO) এবং রাশিয়ার এনপিও মাশিনোস্ত্রোয়েনিয়া যৌথভাবে তৈরি করেছে। নতুন সংস্করণটি মাক ৩ (শব্দের তিনগুণ বেশি) গতিবেগ বজায় রেখেই শত্রুপক্ষের গভীর এলাকায় অবস্থিত কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। বর্তমানে, এই মিসাইলের একাধিক উড়ান পরীক্ষা চলছে।

    ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের বৈঠক শীঘ্রই!

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে খুব শিগগিরই এই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য তোলা হবে বলে জানা গেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC)-এর বৈঠকে এই বড় ক্রয় পরিকল্পনা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। অনুমোদন মিললে এটি হবে দীর্ঘ-পাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বৃহৎ অর্ডার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের ‘স্ট্যান্ড-অফ ডিটারেন্স’ ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে, যা আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। একইসঙ্গে, ভবিষ্যতে ব্রহ্মোসের পরবর্তী প্রজন্মের সংস্করণ তৈরি করে দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজসেও তা ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সাম্প্রতিক সংঘাত কী শেখাচ্ছে?

    ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছিল। ‘অপারেশন সিদুঁর’-এ ভারতীয় বাহিনী এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একাধিক ঘাঁটিতে সফল আঘাত হানে। একই সঙ্গে ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের চলমান সংঘাতও দেখিয়ে দিয়েছে যে ভবিষ্যতের যুদ্ধ অনেকটাই নির্ভর করবে দূরপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ব্যবস্থার উপর। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি মানবসম্পৃক্ততার ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে।

    সেনাবাহিনীর কাঠামোগত পরিবর্তন

    এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্রুত নিজেদের বাহিনী কাঠামোতেও পরিবর্তন আনছে। বড় সংখ্যায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি আর্টিলারি ও পদাতিক রেজিমেন্টে বিশেষ ড্রোন ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। এমনকি সেনার নিজস্ব কর্মশালায় বড় আকারে ড্রোন উৎপাদনও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি একটি পৃথক মিসাইল ফোর্স গঠনের দিকেও নজর দিচ্ছে প্রতিরক্ষা বাহিনী। ড্রোন ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিকে একত্রিত করে একটি আধুনিক, নেটওয়ার্কভিত্তিক মাল্টি-ডোমেইন স্ট্রাইক ফোর্স গড়ে তোলাই এখন লক্ষ্য।

    কৌশলগত বার্তা কী?

    ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস অন্তর্ভুক্তির সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পদক্ষেপ নয়, বরং একটি স্পষ্ট কৌশলগত বার্তা—ভারত ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে, যেখানে গতি, নির্ভুলতা এবং দূরপাল্লার আঘাতই হবে মূল নির্ধারক। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের অনুমোদন মিললে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বড় ধাপ এগোবে। সব মিলিয়ে, ব্রহ্মোসের দীর্ঘ-পাল্লার সংস্করণ শুধু একটি অস্ত্র নয়—এটি ভারতের সামরিক চিন্তাধারার এক গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের প্রতীক।

  • India Pakistan War: আকাশপথে পাকিস্তানের ৬টি এয়ারবেসে প্রত্যাঘাত বিরাট কৌশলগত জয় ভারতের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    India Pakistan War: আকাশপথে পাকিস্তানের ৬টি এয়ারবেসে প্রত্যাঘাত বিরাট কৌশলগত জয় ভারতের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া ভারতের ২৬টি জায়গায় হামলা চালায় পাকিস্তান। মূলত, ড্রোন এবং অন্যান্য মাধ্যমে হামলা চালায় পাকিস্তান (India Pakistan War)। শুক্রবার সন্ধে পেরিয়ে রাত গড়াতেই জম্মু-কাশ্মীর-সহ পঞ্জাব ও রাজস্থানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলা চালায় পাক সেনা। হামলা চালানো হয় জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে অবস্থিত এয়ার বেস সহ বিভিন্ন সামরিক পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে। তবে, ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সব হামলাকে প্রতিহত করে। পাশাপাশি, জনবসতি লক্ষ্য করেও ড্রোন হামলা চালায় পাকিস্তান। তাতে নিহত হন কাশ্মীরের এক শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্তা। আহত হয় বেশ কয়েক জন ভারতীয় নাগরিকও।

    শনিতে প্রত্যাঘাত ভারতের, স্বীকার পাকিস্তানের

    এর পরই, শনিবার ভোরে প্রত্যাঘাত করে ভারত। আকাশপথে অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয় পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সামরিক পরিকাঠামো। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যে, ৬টি পাক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে একসঙ্গে আক্রমণ শানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা (India Airstrike Pak Bases)। এই অভিযানের কথা ভারত সরকার জানিয়েছে। এদিন প্রতিরক্ষা ও বিদেশ মন্ত্রকের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ভারত পাকিস্তানের ঠিক কোন কোন সামরিক অবকাঠামোয় আঘাত হেনেছে (India Pakistan War)। এদিন সেনা অফিসার কর্নেল সোফিয়া জানিয়েছেন— যুদ্ধবিমান থেকে আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে রফিকি, মুরিদ, চাকলালা (নূর খান) এবং রহিম ইয়ার খানে স্থিত পাক এয়ারবেসে ভারত অভিযান চালিয়েছে। এ ছাড়া, সুক্কুর ও চুনিয়ায় পাক বায়ুঘাঁটি, পসরুর রেডার স্টেশন এবং শিয়ালকোটের ঘাঁটিতেও প্রত্যাঘাত হানা হয়েছে। ভারত জানিয়েছে, যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে এই অভিযান সংগঠিত করা হয়েছে। ভারতের এই প্রত্যাঘাতের (India Airstrike Pak Bases) কথা স্বীকার করে নেওয়া হয় পাকিস্তানের তরফেও। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জনসংযোগ বিভাগ ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স বা আইএসপিআর-এর ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ চৌধুরি তাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলিকে জানিয়েছেন, নূর খান, মুরিদ ও রফিকি পাক বায়ুসেনা ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে ভারত।

    পাকিস্তানের এয়ারবেসে ভারতের এই প্রত্যাঘাত (India Pakistan War) ভীষণই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা পাকিস্তানের কাছে বড় ধাক্কা। শুধু তাই নয়, এর অভিযানের ফলে পাকিস্তান আরও দিশেহারা হয়ে পড়বে। কারণ, ভারত যে জায়গাগুলিতে বেছে বেছে আক্রমণ শানিয়েছে, পাকিস্তানের জন্য সেগুলির সামরিক ও কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই এয়ারবেসগুলিতে কী হয়? কেন ভারতের এই সামরিক অভিযান এত তাৎপর্যবহ।

    চাকলালা বা নূর খান এয়ারবেস (Chaklala/Noor Khan)

    ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চাকলালা বিমান ঘাঁটি পাকিস্তানের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও উচ্চ-সুরক্ষিত সামরিক পরিকাঠামোগুলির মধ্যে একটি। পাক বায়ুসেনার বিভিন্ন অভিযান থেকে ভিআইপি পরিবহণ— উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাঁটি। এটি ১৯৬৫ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধ সহ অতীতের ভারত-পাক সংঘাতগুলিতে (India Pakistan War) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মাঝ-আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরা এবং সামরিক পরিবহণ মিশনে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এই ঘাঁটিতে। একইসঙ্গে, এটি শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের ব্যবহৃত বিমান সহ পাঁচ থেকে ছয়টি শীর্ষ সামরিক পণ্যবাহী স্কোয়াড্রনের ঘাঁটিও। ভবিষ্যতের অফিসারদের প্রশিক্ষণের জন্য এখানে পাক বায়ুসেনার কলেজও রয়েছে। চাকলালায় আক্রমণ (India Airstrike Pak Bases) করে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, পাকিস্তানের সবচেয়ে সুরক্ষিত সম্পদও নাগালের বাইরে নয়।

    মুরিদ (Murid) এয়ারবেস, চাকওয়াল

    গত দুই দিন ধরে ভারতকে লক্ষ্য করে ড্রোন অভিযানের কেন্দ্রস্থল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তানের চকওয়াল জেলায় অবস্থিত মুরিদ বিমানঘাঁটি। এখানে পাক বায়ুসেনার একাধিক স্কোয়াড্রন রয়েছে, যারা ‘শাহপার-১’ এবং তুরস্কের ‘বায়রাক্তার টিবি২’-এর মতো উন্নত ইউএভি (নজরদারি ড্রোন) এবং ইউসিএভি (হামলাকারী ও আত্মঘাতী ড্রোন) পরিচালনা করে। পাকিস্তানের ড্রোন যুদ্ধ কর্মসূচিতে এই ঘাঁটিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে সহায়তা থেকে শুরু করে হামলা— সব কিছুই সংগঠিত হয় এই এয়ারবস থেকে। ভারতের ওপর শয়ে শয়ে ড্রোন হামলাগুলি এখান থেকেই সংগঠিত করেছে পাকিস্তান। ফলে, এখানে প্রত্যাঘাত করে (India Airstrike Pak Bases) ভারত কড়া জবাব দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রফিকি (Rafiqui) এয়ারবেস, শারকোট

    ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের (India Pakistan War) নায়ক স্কোয়াড্রন লিডার সরফরাজ আহমেদ রফিকির নামে নামকরণ করা এই ঘাঁটিতে জেএফ-১৭ এবং মিরাজ যুদ্ধবিমানের একাধিক স্কোয়াড্রন এবং ইউটিলিটি হেলিকপ্টার রয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণে ব্যবহৃত প্রধান জেটগুলির তালিকার মধ্যে একটি ছিল জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। মধ্য পাঞ্জাবে এই বায়ুঘাঁটির অবস্থানের ফলে পূর্ব এবং পশ্চিম উভয় ফ্রন্টে দ্রুত যুদ্ধবিমন মোতায়েন করতে পারে পাক বায়ুসেনা এবং পরিকাঠামোর দিক দিয়েও এই ঘাঁটি পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে, এখানে প্রত্যাঘাত বিরাট সাফল্যের।

    রহিম ইয়ার খান (Rahim Yaar Khan) এয়ারবেস, দক্ষিণ পাঞ্জাব

    রহিম ইয়ার খান ঘাঁটি দক্ষিণ পাক-পাঞ্জাবের রহিম ইয়ার খান শহরের কাছে অবস্থিত একটি পাক বায়ুসেনার অন্যতম বড় সামরিক পরিকাঠামো। এটি শেখ জায়েদ বিমানবন্দর নামেও পরিচিত। এটি ভারতের রাজস্থানের দিকে মুখ করে গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড অপারেটিং ঘাঁটি। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে, দক্ষিণ ও পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে দ্রুত বাহিনী মোতায়েনের এবং অভিযানের জন্য এই ঘাঁটির কৌশলগত মূল্য রয়েছে। পাকিস্তানের হামলার মুখ ভোঁতা করতে এখানে প্রত্যাঘাত প্রয়োজন ছিল।

    সুক্কুর (Sukkur) এয়ারবেস / পিএএফ ঘাঁটি ভোলারি

    সিন্ধুর প্রদেশের জামশোরো জেলায় করাচি এবং পাক-হায়দরাবাদের মাঝামাঝি অবস্থিত সুক্কুর বায়ুঘাঁটি। এটি ভোলারি বেস নামেও পরিচিত। পাক বায়ুসেনার এই ঘাঁটি দক্ষিণ বায়ুসেনা কমান্ডের অধীনে পড়ে। এটি নতুন পরিকাঠামো, সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে। এখানে রয়েছে পাক বায়ুসেনার ১৮ এবং ১৯ স্কোয়াড্রন, যা যথাক্রমে জেএফ-১৭ এ/বি ব্লক-২ যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে। এছাড়া, অপারেশনাল কনভার্সন ইউনিট (ওসিইউ) এর ঘাঁটিও হল সুক্কুর। এখানে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রত্যাঘাত (India Airstrike Pak Bases) করে পাকিস্তানকে জোর ধাক্কা দিয়েছে ভারত।

    চুনিয়ান (Chunian) এয়ারবেস

    চুনিয়ান বায়ুঘাঁটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রাথমিক অপারেশনাল ঘাঁটিগুলির মধ্যে একটি। পাঞ্জাবের চুনিয়ান শহরের কাছে অবস্থিত। এটি লাহোর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত (India Pakistan War)।

LinkedIn
Share