Tag: India New Zealand

India New Zealand

  • PM Modi in Jakarta: ইন্দোনেশিয়ায় রাজকীয় সংবর্ধনা! যুদ্ধবিমানের এসকর্টে জাকার্তায় পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশেষ বিমান

    PM Modi in Jakarta: ইন্দোনেশিয়ায় রাজকীয় সংবর্ধনা! যুদ্ধবিমানের এসকর্টে জাকার্তায় পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশেষ বিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : তিন দেশ সফরের প্রথম পর্বে সোমবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় (PM Modi in Jakarta) পৌঁছালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করার পর সে দেশের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমানকে এসকর্ট করে নিয়ে আসে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রথায় অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভ্যর্থনা জানায় ইন্দোনেশিয়া (India Indonesia Relation)। জাকার্তায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। বিমানবন্দরে তাঁকে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

    ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক

    প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণে ৬ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ২০১৮ সালে ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত করার পর এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর এবং ইন্দোনেশিয়ায় তাঁর চতুর্থ সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ায় থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী সেখানের ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং রাষ্ট্রপতি প্রাবোও-র সঙ্গে ইয়োগিয়াকার্তার ঐতিহাসিক প্রাম্বানান মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবেন। এই মন্দির ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হিসেবে পরিচিত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন। এই ঐতিহাসিক মন্দিরকে দুই দেশের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক সহযোগিতা

    এই সফরে প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর, যৌথ সামরিক মহড়া এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের তৈরি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র রফতানিও এই সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া আসিয়ান অঞ্চলে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ায় ১৩০টিরও বেশি ভারতীয় সংস্থা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করছে।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়ে আলোচনা

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বের মোট নিকেল মজুদের প্রায় ২১ শতাংশ ইন্দোনেশিয়ার দখলে। পাশাপাশি তামা, বক্সাইট ও টিন উৎপাদনেও দেশটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উৎপাদক। ফলে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ ও সহযোগিতা বাড়ানো এই সফরের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রধানমন্ত্রীর এই তিন দিনের সরকারি সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফর

    ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড-এই তিন দেশে ছয় দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশ ছাড়ার আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জানান, সফরের প্রথম দফায় ৬ থেকে ৮ জুলাই তিনি ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণে সে দেশ সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের ‘কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ বা ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে। ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের আমন্ত্রণে মেলবোর্নে যাবেন নরেন্দ্র মোদি। এই সফরে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, মোবিলিটি, উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, ক্রীড়া এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এর মাধ্যমে ভারত-অস্ট্রেলিয়া কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফরের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে যাবেন। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছরের মার্চ মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যে গতি এসেছে, এই সফর তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখানে মূলত অর্থনৈতিক, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হবে।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ ও ‘মহাসাগর ভিশন’

    প্রধানমন্ত্রী মোদি জোর দিয়ে বলেন, পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশ ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এবং পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ড সফর ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ (Act East Policy) এবং ‘মহাসাগর ভিশন’ (MAHASAGAR Vision)-কে আরও সুদৃঢ় করবে। একই সঙ্গে এটি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর (Prabowo Subianto) ভারত সফরের পর এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রথম দ্বিপাক্ষিক ইন্দোনেশিয়া সফর। জাকার্তায় পৌঁছে এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “জাকার্তায় পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আন্তরিক অভ্যর্থনায় আমি আপ্লুত। ২০১৮ সালে আমরা ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে উন্নীত করেছিলাম, যার সুফল দুই দেশের মানুষই পাচ্ছেন। এই সফর দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।”

     

     

     

     

  • India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    India-New Zealand: ভারত–নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত, ফোনে ক্রিস্টোফারকে স্বাগত জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত হল ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। দুই নেতা যৌথভাবে এই যুগান্তকারী ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (FTA) ঘোষণা করেন। নেতারা একমত হন যে এই এফটিএ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বাড়াতে অনুঘটকের কাজ করবে। নেতারা প্রতিরক্ষা, খেলাধুলা, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কসহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে অগ্রগতিকেও স্বাগত জানান।

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় আলোচনা শুরু হয়েছিল। দুই দেশের নেতারা জানান, এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক এফটিএ ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, বিনিয়োগ প্রবাহ জোরদার হবে এবং কৌশলগত সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ভারত সফরের সময় এই এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। মাত্র ৯ মাসের রেকর্ড সময়ে আলোচনা সম্পন্ন হওয়াকে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সম্পর্ক গভীর করার অভিন্ন লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন দুই নেতা।

    এফটিএ-র শক্ত ভিত্তি

    এই চুক্তির ফলে দুই দেশের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, কৃষক, এমএসএমই, ছাত্র ও যুবসমাজ বিভিন্ন খাতে নতুন সুযোগ পাবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া, শিক্ষা এবং জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্কসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন নেতারা। এফটিএ-র শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড থেকে ভারতে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের প্রতীক

    ক্রিস্টোফার লাক্সন, এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, “আমি এইমাত্র ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি। এই এফটিএ ভারতে আমাদের রফতানির ৯৫% ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে দেয় বা সরিয়ে দেয়। পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে আগামী দুই দশকে ভারতে নিউজিল্যান্ডের রফতানি বছরে ১.১ বিলিয়ন থেকে ১.৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। বাণিজ্য বাড়ানোর অর্থ হলো কিউইদের জন্য আরও চাকরি, বেশি বেতন এবং কঠোর পরিশ্রমী নিউজিল্যান্ডবাসীদের জন্য আরও সুযোগ। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে একটি, এবং এটি কিউই ব্যবসাগুলোকে ১৪০ কোটি ভারতীয় গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেয়। আমাদের সরকার মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক করতে এবং ভবিষ্যৎ গড়তে অক্লান্তভাবে কাজ করছে – এই ধরনের নতুন বাণিজ্য চুক্তি আমাদের অর্থনীতিকে বাড়াতে সাহায্য করে যাতে সমস্ত কিউই এগিয়ে যেতে পারে।”

    ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    এই চুক্তি পরিষেবা, গতিশীলতা, পণ্য, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সহজীকরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর করবে। চুক্তির অংশ হিসেবে, নিউজিল্যান্ড ১৫ বছরের মেয়াদে ভারতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মূলত ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থা (EFTA) মডেলের আদলে তৈরি। এই বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি একটি পুনঃভারসাম্য ব্যবস্থার মাধ্যমে সমর্থিত হবে, যার অধীনে সম্মত বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে বাণিজ্য ছাড় স্থগিত করা হতে পারে। চুক্তির একটি প্রধান আকর্ষণ হলো পরিষেবা এবং গতিশীলতা। নিউজিল্যান্ড ১১৮টি পরিষেবা খাত এবং উপ-খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে, সাথে ১৩৯টি পরিষেবা খাতে মোস্ট ফেভারড নেশন (MFN) মর্যাদা দিয়েছে।

    নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে সুযোগ

    স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত এবং ঐতিহ্যবাহী ঔষধ পরিষেবাগুলিতে বাণিজ্য সহজ করার জন্য একটি অ্যানেক্সও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য প্রথমবার কোনো দেশের সাথে এই ধরনের অ্যানেক্স স্বাক্ষর করার ঘটনা। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি উদ্যোগের (MSMEs) উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। চুক্তিটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং শক্তিশালী রুলস অফ অরিজিন (ROO) কাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে পছন্দের বাজারে প্রবেশের অখণ্ডতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফাঁকি রোধ করার জন্য পণ্য-নির্দিষ্ট নিয়ম এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারত, তার পক্ষ থেকে, নিউজিল্যান্ডকে ১০৬টি পরিষেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে।

    ভারতীয় ছাত্রদের সুবিধা

    নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সাথে স্টুডেন্ট মোবিলিটি এবং পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার উপর একটি অ্যানেক্স স্বাক্ষর করেছে। এই ব্যবস্থায় কোনো সংখ্যাগত সীমা নেই এবং ভারতীয় ছাত্রদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত (STEM) বিষয়ে স্নাতক স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত, স্নাতকোত্তর স্নাতকদের জন্য তিন বছর পর্যন্ত এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারীদের জন্য চার বছর পর্যন্ত পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এছাড়াও, একটি নতুন টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট এন্ট্রি ভিসা পথ তৈরি করা হয়েছে, যা যেকোনো সময়ে ৫,০০০ পর্যন্ত দক্ষ ভারতীয় পেশাজীবীকে নিউজিল্যান্ডে তিন বছর পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেবে।

  • PM Modi: হায়দরাবাদ হাউসে মোদি-লুক্সন বৈঠক, প্রতিরক্ষা থেকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

    PM Modi: হায়দরাবাদ হাউসে মোদি-লুক্সন বৈঠক, প্রতিরক্ষা থেকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন। সোমবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে তিনি একটি বৈঠক করেন। এরপরে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের যৌথ ভাষণে বলেন, ‘‘উভয় দেশই ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলকে মুক্ত, নিরাপদ ও উন্নত করার নীতিতে বিশ্বাস রাখে।’’

    দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিও

    জানা গিয়েছে, নয়া দিল্লিতে হায়দরাবাদ হাউসে দুই রাষ্ট্র প্রধানের বৈঠকে একটি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সময়ের সুসম্পর্কের জন্য সেদেশের রাষ্ট্রপ্রধান লুক্সনের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। এর পাশাপাশি অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) নেতারা যেভাবে ভারতীয় হিন্দু পরম্পরার উৎসব হোলি উদযাপন করেছেন সেটিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘‘ভারত ও নিউজিল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা দুই দেশের প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সম্পর্ককে শক্তিশালী এবং কৌশলগত রূপ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা যেকোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ এগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখব।’’

    কী বললেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লুক্সন

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বক্তব্যকে সমর্থন করে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন বলেন, ‘‘ইন্দো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নতির জন্য আমরা এক সঙ্গে কাজ করব।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর এই বৈঠককে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলেও বর্ণনা করেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। সাংবাদিকের সামনে নিজের বিবৃতিতে নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘‘আমি আশা করি আমাদের এই আলোচনা ভারতের সঙ্গে গভীর এবং একটি তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে যথেষ্ট দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এতে কোনও সন্দেহ নেই।’’

    দুই দেশের ১০০ বছরের ক্রীড়া সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই বৈঠকে উঠে আসে ক্রীড়া সম্পর্কের কথাও। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের ১০০ বছরের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেন যে ভারত ও নিউজিল্যান্ড যে কোনও খেলার ক্ষেত্রে, তা সে ক্রিকেট হোক বা হকি, সবকিছুতেই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ, ক্রীড়াবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান চিকিৎসা ক্ষেত্রের মতো অন্যান্য বিষয় নিয়েও সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘‘আমরা ২০২৬ সালে দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের ১০০ বছর উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

    আলোচনায় উঠে এল নিউজিল্যান্ডের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ

    একই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে বেশকিছু ভারত বিরোধী কার্যকলাপও এদিনের বৈঠকে আলোচিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হায়দরাবাদ হাউসের ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি দুই দেশেই অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার মোকাবিলার একটি চুক্তি তৈরি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘ ২০১৯ সালে ক্রাইস্ট চার্চ মসজিদ হামলা এবং ২৬/১১-র সন্ত্রাসবাদ হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’’

    ২০ মার্চ পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে থাকবেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, রবিবারই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন পাঁচ দিনের ভারত সফরে আসেন। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক সম্পন্ন হল। জানা যাচ্ছে, ২০ মার্চ পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে থাকবেন। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তাঁর সঙ্গে বড় সংখ্যার প্রতিনিধি দলও এসেছে। রবিবার দিল্লি এয়ারপোর্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসপি সিং বাঘেল তাঁদের অভ্যর্থনা জানান। জানা গিয়েছে, এই প্রতিনিধি দলে নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রী, শিল্পপতিরাও রয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ভারতে থাকাকালীন মুম্বই সফরেরও কর্মসূচি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে।

    রবিবার দিল্লিতে পা রেখে কী বলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী?

    রবিবার দিল্লিতে পা রেখে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব অনেক গুণ বাড়াতে চলেছি। ভারত বর্তমান বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। ইন্দো-প্রশান্তমহাসাগর অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা ও উন্নয়নে কী করতে পারি সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনা করব। নিউজিল্যান্ডকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে।’’

  • ICC World Cup 2023: ভাবনায় ভারত! শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এবার রোহিতদের রুখতে চাইছেন উইলিয়ামসন

    ICC World Cup 2023: ভাবনায় ভারত! শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এবার রোহিতদের রুখতে চাইছেন উইলিয়ামসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হতে চলেছে নিউজিল্যান্ড। শ্রীলঙ্কাকে সহজে হারিয়ে সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে কিউইরা।  শনিবার শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলেও রানরেটে অনেক পিছিয়ে পাকিস্তান। তাঁদের সেমিতে যেতে হলে ইংল্যান্ডকে ২৮৭ রানে হারাতে হবে। যা কার্যত অসম্ভব, বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। অতএব চতুর্থ দল হিসেবে নিউজিল্যান্ডের শেষ চারে যাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। 

    উইলিয়ামসনের চিন্তায় রোহিতরা

    বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, রাউন্ড রবিন লিগের শেষে শীর্ষে থাকা দল এবং চতুর্থ স্থানে থাকা দল প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলবে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে থাকা দল। সেই অনুযায়ী,  আগামী ১৫ নভেম্বর মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি দু’দল ভারত এবং নিউ জিল্যান্ড। তাই কিউই অধিনায়ক  উইলিয়ামসন বলেছেন, ‘‘আশা করি, আমরা দিন দুয়েক বিশ্রাম নিতে পারব। আমরা হয়তো ঘুরে বেড়াব। কী করব সত্যিই জানি না। সেমিফাইনালে আমাদের হয়তো বিশ্বকাপ আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। সন্দেহ নেই বেশ কঠিন হবে ম্যাচটা। বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। আমরা সামনে তাকাতে চাই। সত্যিই সেটা হলে আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করব।’’

    আরও পড়ুন: ‘এই পাগলামি তুমিই পারো…’, ম্যাক্সওয়েলের ম্যাজিকে মুগ্ধ কোহলি

    ভারতকে হুঁশিয়ারি বোল্টের

    বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে চলে গিয়েছেন, এটা ধরে নিয়েই ভারতকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের তারকা পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদিক সম্মেলনে বোল্ট বলেছেন, ‘ওরা (ভারত) ইতিবাচক স্টাইলের ক্রিকেট খেলছে এবং আমি মনে করি, ওদের শট খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমরা পরিষ্কার ভাবে জানি, কী ভাবে সেই খেলাটি আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। আমি মনে করি, অনেক উত্তেজনা এবং সেই চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনা থাকবে … যেমনটা আমি বলেছি, দেড় কোটি মানুষের সামনে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। হ্যাঁ, এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shubman Gill: কণিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে ওয়ান ডে-তে দ্বিশতরান গিলের! গড়লেন আরও নানা রেকর্ড

    Shubman Gill: কণিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে ওয়ান ডে-তে দ্বিশতরান গিলের! গড়লেন আরও নানা রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা হোক বা নিউজিল্যান্ড শুভমনের ব্যাট কথা বলেই যাচ্ছে। তিরুঅনন্তপুরমে যেখানে শেষ করেছিলেন, হায়দ্রাবাদে সেখান থেকেই শুরু করলেন শুভমন গিল (Shubman Gill)। গত ম্যাচে ১১৬ রান করেছিলেন ভারতের তরুণ ওপেনার। বুধবার হায়দরাবাদে করলেন ২০৮ রান। ভাঙলেন বহু রেকর্ড।

    কণিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে দ্বিশতরান

    বুধবার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে উপস্থিত সমস্ত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন শুভমন গিল (Shubman Gill)। ভারত-নিউজিল্যান্ডের ওয়ান ডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৪৯ বলে ২০৮ রানের ইনিংস খেললেন গিল। ২৩ বছর ১৩২ দিনে কণিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে ওয়ান ডেতে (IND vs NZ 1st ODI) দ্বিশতরান হাঁকালেন ভারতীয় তরুণ গিল। গত মাসেই ঈশান কিষাণ বাংলাদেশের বিরদ্ধে দ্বিশতরান হাঁকিয়ে রোহিত শর্মার কণিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে দ্বিশতরান করার রেকর্ড ভেঙেছিলেন। এবার কিষাণের রেকর্ড ভাঙলেন গিল। পঞ্চম ভারতীয় হিসাবে ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে দ্বিশতরান করার কৃতিত্ব গড়েলন শুভমন। এর আগে সচিন তেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, রোহিত শর্মা ও শুভমন গিল ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে দ্বিশতরান করেন।

    দ্রুততম হাজার রানের মালিক

    এদিন ওয়ান ডে ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম হাজার রানের মালিক হলেন গিল। ১৯ ইনিংসে এক হাজার রান সম্পূর্ণ করলেন গিল। তাঁর আগে বিরাট কোহলি ও শিখর ধবন এক হাজার রান সম্পূর্ণ করতে ২৪ ইনিংস নিয়েছিলেন। তাঁদের চেয়ে ৫ ইনিংস কম খেলে এক হাজার রান সম্পূর্ণ করলেন গিল।

    আরও পড়ুন: আসন্ন বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে: গৌতম গম্ভীর

    দেশের মধ্যে দ্রুততম হাজার রানের অধিকারী হলেও অল্পের জন্য বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া হল গিলের। পাকিস্তানের ফকর জামান ওয়ান ডে-তে ১৮ ইনিংসে এক হাজার রান করেছিলেন। সেটাই এখনও পর্যন্ত দ্রুততম। তাঁর চেয়ে এক ইনিংস বেশি নিলেন গিল।

     কিউইদের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। শুরুটা ভালই করেছিল ভারত। তবে ৩৮ বলে ৩৪ রান করে ফেরেন রোহিত। বড় রান পাননি বিরাট কোহলি (৮), ঈশান কিষাণ (৫), সূর্যকুমার যাদব (৩১)-রা। বিতর্কিত ভাবে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন হার্দিকও। তবু ক্রিজের এক প্রান্ত আঁকড়ে ছিলেন শুভমন। মারার বল মেরেছেন। ছাড়ার বল ছেড়েছেন। দু’বার সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সুযোগ নিতে ব্যর্থ কিউইরা। শুভমনের ডাবল সেঞ্চুরির উপর ভর করেই কিউয়িদের ৩৫০-এর লক্ষ্য দিল রোহিতের ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share