Tag: India news

India news

  • Bombay HC: ভারতে থেকে প্রতিবাদে অংশ নিতে পারবেন না, ইমরান খানকে কড়া বার্তা বম্বে হাইকোর্টের!

    Bombay HC: ভারতে থেকে প্রতিবাদে অংশ নিতে পারবেন না, ইমরান খানকে কড়া বার্তা বম্বে হাইকোর্টের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নাগরিক নন, তিনি বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিক হিসেবে বিশেষ পরিচয়পত্রধারী। তাই ভারতের নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়ে না। এই যুক্তিতেই অভিনেতা ইমরান খানকে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নিয়ে কড়া বার্তা দিল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay HC)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় নাগরিক না হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবাদে অংশগ্রহণের অধিকার তাঁর নেই।

    সোমবার প্রধান বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠীর নেতৃত্বাধীন বিচারপতিদের বেঞ্চে ইমরানের দায়ের করা একটি মামলার শুনানি হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার (SIR Remarks) অভিযোগে মুম্বইয়ের বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন দফতর তাঁর উদ্দেশে ভারত ছাড়ার যে নোটিশ জারি করেছিল, তাকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। ওই নোটিশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে আদালত।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Bombay HC)

    শুনানির সময় ইমরানের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সঙ্গে অভিনেতার কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আপনি বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিক হিসেবে বিশেষ পরিচয়পত্রধারী। আপনি ভারতীয় নাগরিক নন। নির্বাচনী তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় আপনার কোনও প্রভাব পড়ছে না। সুতরাং, এই প্রতিবাদে অংশ নেওয়া বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার আপনার নেই।”

    এমনকী, অভিনেতাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতেও বলে আদালত। বিচারপতিদের মতে, তাঁর কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করার শামিল।

    কেন্দ্রীয় সরকারের হয়ে আদালতে উপস্থিত অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং জানান, ইমরান খান বিভিন্ন সাক্ষাৎকার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক বক্তব্য প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ওই বক্তব্যগুলির উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ নাগরিকদের উসকানি দেওয়া।

    কড়া বার্তা আদালতের

    শুনানিতে প্রধান বিচারপতি আরও স্পষ্ট করে দেন, ভারতে বসবাস করলেও বিশেষ পরিচয়পত্রধারী কোনও ব্যক্তি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এভাবে সমালোচনা বা প্রতিবাদে অংশ নিতে পারেন না বলে আদালত মনে করে। তিনি বলেন, “এই ধরনের আচরণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আপনি আমেরিকায় গিয়ে সেখানে প্রতিবাদে অংশ নিতে পারেন, এমনকী ভোটও দিতে পারেন। কিন্তু ভারতে এভাবে কোনও বিষয়ে প্রতিবাদ করা মেনে নেওয়া হবে না।”

    এর পাশাপাশি, ইমরানের ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন না করার বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। অভিনেতার জীবনের একটা বড় অংশ ভারতে কেটেছে। এখানেই তাঁর পড়াশোনা ও কর্মজীবন। সেই প্রসঙ্গ তুলে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “ছোটবেলা থেকেই আপনি ভারতে রয়েছেন। এখানে পড়াশোনা করেছেন, কাজ করেছেন এবং জীবনের প্রায় সবকিছুই এখানে। তা হলে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন না কেন?”

    আদালত আরও জানায়, ইমরান যদি বিশেষ পরিচয়পত্রধারী হিসেবেই ভারতে বসবাস চালিয়ে যেতে চান, তা হলে ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন না বলে তাঁকে লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে (Bombay HC)।

    প্রধান বিচারপতির কথায়, “আপনি যদি এই পরিচয়পত্রধারী হিসেবেই ভারতে থাকতে চান, তা হলে লিখিতভাবে জানাতে হবে যে ভবিষ্যতে আর এই ধরনের প্রতিবাদে অংশ নেবেন না।”

    নিঃশর্ত ক্ষমাও চাওয়ার নির্দেশ

    শুধু লিখিত অঙ্গীকার নয়, নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে হবে অভিনেতাকে। আদালতের মতে, একজন পরিচিত তারকা হিসেবে ইমরানের বক্তব্য ও আচরণের প্রভাব অনেক বেশি। তাঁর অনুগামীর সংখ্যাও যথেষ্ট। তাই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করার আগে তাঁর আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “একজন তারকার কাছ থেকে অন্তত এইটুকু দায়িত্ববোধ প্রত্যাশিত। আপনি এই দেশেই কাজ করেছেন, এখান থেকেই পরিচিতি ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। আপনার প্রচুর অনুগামী রয়েছেন (SIR Remarks)। আপনার প্রতিটি বক্তব্যের প্রভাব পড়তে পারে। তাই এ দেশে কাউকে প্ররোচিত করার অধিকার আপনার নেই। আপনার জীবিকা ও উপার্জনের উৎসও এই দেশ।”

    উল্লেখ্য, বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিক হিসেবে বিশেষ পরিচয়পত্রধারীদের ভারতে বসবাস ও অন্যান্য অধিকার নিয়ে এই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে বম্বে হাইকোর্ট। আপাতত (Bombay HC) ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁর ভারত ছাড়ার নোটিশের উপর বহাল থাকছে স্থগিতাদেশ।

     

  • Mallikarjun Kharge: মোদিকে নিয়ে খাড়্গের বিতর্কিত মন্তব্য, কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভাষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

    Mallikarjun Kharge: মোদিকে নিয়ে খাড়্গের বিতর্কিত মন্তব্য, কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভাষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)। ২৬ অক্টোবর পাটনায় একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাঁর করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতাদের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশও দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) বিরুদ্ধে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতার ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

    বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংয়ের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন খাড়্গে। সেই সময় শ্রোতাদের মধ্যে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে বাধা দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি পদ ছাড়বেন না। এর জবাবে খাড়্গে বলেন, ‘‘মোদির বাবাও চলে যাবেন।’’ তাঁর এই মন্তব্যের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    সমালোচকদের বক্তব্য, শ্রোতাদের কোনও মন্তব্যের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রেও কংগ্রেস সভাপতির আরও সংযত ভাষা ব্যবহার করা উচিত ছিল। একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক পদে থাকা নেতার বক্তব্যে এমন ভাষার ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    মোদিকে নিয়ে কংগ্রেস নেতাদের অতীত মন্তব্যও বিতর্কে (Mallikarjun Kharge)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে কংগ্রেস নেতাদের অতীতের একাধিক মন্তব্যও নতুন করে চর্চায় এসেছে। ২০০৭ সালে গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে সোনিয়া গান্ধীর “মওত কা সওদাগর” (মৃত্যুর সওদাগর) মন্তব্য, ২০১৭ সালে মণিশঙ্কর আইয়ারের “নীচ আদমি” মন্তব্য এবং ২০২২ সালে খাড়্গের মোদিকে “রাবণ”-এর সঙ্গে তুলনা করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন সমালোচকেরা। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে রাহুল গান্ধীর “চৌকিদার চোর হ্যায়” স্লোগানও রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের ২৬ অক্টোবর পাটনায় খাড়্গের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধিতা গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও, ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে সরকারের নীতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং কাজের খতিয়ান নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা করা উচিত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

    আরএসএসের আদর্শ নিয়ে খাড়্গের বক্তব্য ঘিরেও বিতর্ক

    আরএসএসের আদর্শ নিয়েও খাড়্গের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, আরএসএসের মতাদর্শের অবসান না ঘটলে ভারতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়—এমন অবস্থান একটি সংগঠনের আদর্শকে সামগ্রিকভাবে বিপদের উৎস হিসেবে তুলে ধরে। তাঁদের মতে, এই ধরনের দাবির পক্ষে নির্দিষ্ট প্রমাণ ও যুক্তি থাকা প্রয়োজন।

    ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আরএসএস ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ করেছে। সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবকেরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমাজসেবা, ত্রাণকাজ এবং নানা সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত বলে সংগঠনটির কার্যকলাপে উল্লেখ করা হয়।

    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও সংগঠনের মতাদর্শের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। তবে বিরোধী মতাদর্শকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার আহ্বান গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদের ধারণার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, মতাদর্শগত বিরোধিতার জবাব যুক্তি, তথ্য ও আলোচনার মাধ্যমে দেওয়া উচিত (Mallikarjun Kharge)।

    খাড়্গের সমালোচনা

    বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোটে নীতীশ কুমারের যোগদান নিয়েও খাড়্গের সমালোচনা তাঁর বক্তব্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলগুলির জোট এবং রাজনৈতিক অবস্থানকে নিশানা করেই তাঁর বক্তব্যের একটি বড় অংশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সমালোচকেরা।

    সব মিলিয়ে, খাড়্গের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক শুধু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। রাজনৈতিক বিরোধিতার সীমারেখা কোথায় টানা উচিত এবং মতাদর্শগত সংঘাতের মধ্যেও গণতান্ত্রিক সহনশীলতা কীভাবে বজায় রাখা যায়, সেই (PM Modi) প্রশ্নও সামনে এসেছে। আরএসএস-সহ যে কোনও সংগঠনের কাজকর্ম ও মতাদর্শের সমালোচনা তথ্যনির্ভর হওয়া প্রয়োজন—এমনটাই মত সমালোচকদের। তাঁদের বক্তব্য, কোনও মতাদর্শকে নির্মূল করার আহ্বান বিতর্কের নিষ্পত্তি না করে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে (Mallikarjun Kharge)।

     

  • Tarun Tejpal: সেশনস কোর্টের রায় খারিজ! ২০১৩-র যৌন নির্যাতন মামলায় দোষী তরুণ তেজপাল, ১০ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ

    Tarun Tejpal: সেশনস কোর্টের রায় খারিজ! ২০১৩-র যৌন নির্যাতন মামলায় দোষী তরুণ তেজপাল, ১০ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা আইনি লড়াইয়ে বড় মোড়। ২০১৩ সালের বহুল আলোচিত যৌন নির্যাতন মামলায় প্রাক্তন ‘তেহেলকা’ সম্পাদক তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ (Bombay High Court)। ২০২১ সালে গোয়ার সেশনস কোর্ট যে খালাসের রায় দিয়েছিল, তা বাতিল করে তেজপালকে (Tarun Tejpal) দোষী সাব্যস্ত করেছে হাই কোর্ট। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন তিনি।

    কী অভিযোগ?

    ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)। অভিযোগ, অনুষ্ঠানের সময় হোটেলের লিফটে পরপর দু’দিন এক তরুণী সহকর্মী সাংবাদিককে যৌন নির্যাতন করেন তিনি। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তীব্র চর্চা শুরু হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণ, যৌন হেনস্থা এবং বেআইনিভাবে আটকে রাখার মতো একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়।

    সেশনস কোর্টে খালাস, হাইকোর্টে উল্টো রায়

    ২০২১ সালে গোয়ার সেশনস কোর্ট তেজপালকে বেকসুর খালাস দেয়। আদালতের মতে, অভিযোগ প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ প্রসিকিউশন তুলে ধরতে পারেনি। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণের অভাব এবং অভিযোগকারিণী ও তেজপালের (Tarun Tejpal) মধ্যে হওয়া বার্তা আদান-প্রদানও সেই রায়ে গুরুত্ব পায়। এরপর ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টে যায় গোয়া সরকার। রাজ্যের দাবি ছিল, নিম্ন আদালত প্রমাণের যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। সেই যুক্তি মেনে হাই কোর্ট খালাসের রায় বাতিল করে তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে। বৃহস্পতিবার আদালত তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করে।

    কী বললেন তারুণ তেজপাল?

    রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal) বলেন, “আমরা অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টে যাব। তেহেলকা-র সাংবাদিকতার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।” তবে এই দাবি আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    তদন্তকারী অফিসারের প্রতিক্রিয়া

    মামলার প্রাক্তন তদন্তকারী অফিসার সুনীতা সাওয়ান্ত বলেন, “সেশনস কোর্টের রায়ে গুরুতর ত্রুটি ছিল বলেই রাজ্য সরকার আপিল করেছিল।” হাই কোর্ট সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখে সেই রায়ে থাকা অসঙ্গতিগুলি চিহ্নিত করেছে বলেও তাঁর দাবি।

    নতুন অধ্যায়, শেষ নয় আইনি লড়াই

    দেশের অন্যতম আলোচিত যৌন নির্যাতন মামলায় হাইকোর্টের এই রায় নিঃসন্দেহে বড় আইনি মোড়। তবে মামলার পর্দা এখনও নামেনি। সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)। ফলে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতেই এই বহুচর্চিত মামলার পরবর্তী লড়াইয়ের দিকে নজর থাকবে।

  • Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে যখন রাজনৈতিক বিতর্ক, তদন্ত এবং আদালতের নজরদারি চলছে, ঠিক সেই সময় জওয়ানদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF)-র ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh)। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের জন্য কোনও জওয়ানকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে সেই সিদ্ধান্তের দায়ভার তিনি নিজেই নেবেন।

    ‘আপনারা কাজ করুন, দায়িত্ব আমার’

    ২৭ জুলাই সিআরপিএফ (CRPF)-এর ইনভেস্টিচার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh) বলেন, ‘‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে কর্তব্য পালনের অংশ হয়, তাহলে তার দায়িত্ব আমি নেব। নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুন। নিজের কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কোনও রকম দ্বিধা বা ভয় রাখবেন না। যেখানে জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সিআরপিএফ-এর ডিজি (Gyanendra Pratap Singh) হিসেবে সেই দায়িত্ব আমি নেব।’’

    জওয়ানদের ধৈর্যের প্রশংসা 

    সিআরপিএফ (CRPF) সদর দফতর থেকে বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো এক বার্তায় সাম্প্রতিক কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী জওয়ানদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসাও করেন তিনি। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থে এবং দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাহিনী সদস্যদের পূর্ণ সমর্থন করবে। তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে- কোনও জওয়ান যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন, অযৌক্তিক বা নিয়মবহির্ভূত কাজ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সিআরপিএফ-এর নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কড়া বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বলপ্রয়োগের অভিযোগে শুরু হয়েছে তদন্ত

    দিল্লির ঘটনার পর র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে সিআরপিএফ। তদন্তে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং ঘটনাস্থলে থাকা জওয়ান, কোম্পানি কমান্ডার ও শীর্ষ আধিকারিকদের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পেলেট গান ও শক ব্যাটন ব্যবহারের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। যদি তদন্তে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে, তাহলে আনুষ্ঠানিক কোর্ট অফ ইনকোয়ারি গঠন করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    পেলেট ব্যবহারের অভিযোগে বাড়ছে বিতর্ক

    ২০ জুলাইয়ের সরকারি মোতায়েন সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে, দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তর এলাকায় র‌্যাফ সদস্যরা দুটি প্লাস্টিক পেলেট রাউন্ড-সহ একাধিক নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কোনও পেলেট ছোড়া হয়নি। তা সত্ত্বেও আহতদের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক থামেনি।

    সংসদ থেকে সুপ্রিম কোর্ট- সর্বত্র উঠছে প্রশ্ন

    এই ইস্যু ইতিমধ্যেই সংসদ এবং সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, পুলিশি পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকপক্ষ অবশ্য সেই অভিযোগ খারিজ করে প্রমাণ দাবি করেছে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ধাতব পেলেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং আহতদের ক্ষতিপূরণের আবেদন জানানো হয়েছে।

    আন্দোলন শেষ, কিন্তু বিতর্ক নয়

    শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রায় এক মাস ধরে চলা নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে। তবে আন্দোলন মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ কতটা আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় ছিল, তা নিয়েই এখন তদন্ত, রাজনৈতিক তরজা এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সিআরপিএফ প্রধানের (Gyanendra Pratap Singh) বার্তাকে বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) নামে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে তাঁদের আজীবনের সঞ্চয় হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণার মামলায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী কারণ প্রমাণ করতে পারলেই জামিনের আবেদন বিবেচনা করা হবে। আদালতের মতে, এই প্রতারণা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধগুলির একটি।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ এক অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে এই মন্তব্য করে। অভিযুক্তের দাবি ছিল, তিনি শুধু মূল অভিযুক্তকে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে সাহায্য করেছিলেন এবং এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন। তবে আদালতের মতে, তিনি প্রতারণা চক্রের একজন সক্রিয় সহযোগী। তাই তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়।

    ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ’

    শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণা মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রতারকরা ভয় দেখিয়ে প্রবীণদের সারাজীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।

    নিম্ন আদালতগুলিকেও বার্তা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) শুধু নিজের অবস্থানই স্পষ্ট করেনি, পাশাপাশি দেশের সব হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতকেও কড়া বার্তা দিয়েছে। আদালতের মতে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) সংক্রান্ত মামলায় জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

    গত শুক্রবারও একই বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) ও সাইবার প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সংক্রান্ত কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। আদালতের মতে, এই ধরনের অপরাধকে ডাকাতি বা লুঠের মতোই গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

    সিবিআই তদন্ত ও সমন্বয়ের নির্দেশ

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে গত বছর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বিশেষ করে প্রবীণদের লক্ষ্য করে হওয়া প্রতারণার তদন্তে সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলারও নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তদন্তকারী সংস্থাগুলির তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল অ্যারেস্ট ও সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৩,০০০ কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্টের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো কানাডা (Canada) সফরে যেতে পারেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যাঁরা তাঁর সফরের আয়োজন করছেন, তাঁদের একটি সূত্রের খবর ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তাঁর কানাডা সফরের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে তিনি শুধুমাত্র টরেন্টো সফর করবেন। কানাডা সফরের আগে ভাগবত পাঁচ দিনের জন্য আমেরিকা সফরে যাবেন। সফরের শেষ দিনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। তার পরেই ভাগবত রওনা দেবেন টরন্টোর উদ্দেশে।

    আরএসএস কর্তার সফরসূচি (Mohan Bhagwat)

    টরন্টোয় প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আরএসএস কর্তা। পাশাপাশি একাধিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি, তাই আয়োজকদের তরফে কেউই প্রকাশ্যে পরিচয় দিতে চাননি। কানাডা সফর শেষে ভাগবত যাবেন ব্রিটেন সফরে। আয়োজকদের দাবি, আরএসএসের আন্তর্জাতিক জনসংযোগ ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যেই ভাগবতের এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমি দেশগুলিতে, বিশেষ করে কানাডায়, আরএসএস সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সংশোধন করাই আরএসএস কর্তার এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাঁর সফরে বিক্ষোভ দেখাতে পারে খালিস্তানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী। সেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Mohan Bhagwat) বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, এটি ভাগবতের প্রথম কানাডা সফর। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন আরএসএস প্রধান কেএস সুদর্শন কানাডা সফরে গিয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দু’দশকেরও বেশি সময়। এবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন বর্তমান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।আয়োজকদের একাংশের দাবি, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) আমলে অবনতি ঘটেছিল ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। তাই আরএসএস কর্তার কানাডা সফরের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না। চলতি বছরের মার্চ মাসে ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি। তার (Canada) পরেই উন্নতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কের। তাই এবার ভাগবতের সফর (Mohan Bhagwat) বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে তাঁদের ধারণা।

     

  • Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। ২১ জুন থেকে ২৭ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার (Hindus Under Attack)

    কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। অভিযোগ, তিনি এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ, সেই দৃশ্য মোবাইলবন্দি করা এবং ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে দীর্ঘদিন যৌন নির্যাতন করেছেন।  অভিযুক্তের নাম মহম্মদ পারুল আহমেদ। তিনি অসমের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি জেলার নান্নিমঙ্গলম গ্রামের প্রায় এক হাজার বছরের প্রাচীন মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বরর মন্দির থেকে একটি ব্রোঞ্জের উৎসব বিগ্রহ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। মন্দিরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াবিহারীর বিগ্রহটিও নিখোঁজ বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলা

    কর্নাটকে আলন্দ সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলায় প্রায় ৪৫০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা মন্ত্রিসভার সাবকমিটির বিবেচনার জন্য পাঠানোর সুপারিশ করে রাজ্যের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের একটি চিঠিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যাও প্রকাশ্যে এসেছে (Roundup Week)। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আয়োজিত এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের এক নেত্রীর বক্তব্য নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ওই সভায় পরীক্ষা সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকভাবে বিতর্কিত মন্তব্য এবং স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা

    মহারাষ্ট্রের পুনেতে কেনেথ সিলওয়ে মিনিস্ট্রিজের প্রধান পাস্টর কেনেথ সিলওয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে কন্ডওয়া পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে ক্যানসার-সহ গুরুতর রোগ অলৌকিকভাবে নিরাময়ের দাবি করেছিলেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অযোধ্যার রাম মন্দিরকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার ছক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও কর্নাটক পুলিশ। যৌথ অভিযানে কর্নাটকের দাভানাগেরে জেলা থেকে উত্তরপ্রদেশের বছর কুড়ির এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পরিচয় গোপন করে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন (Hindus Under Attack)। গুজরাটের রাজকোটে বছর একুশের নন্দিনী আনন্দভাই বসামিয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নয়া মোড়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করলেও, মৃতার পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে পুলিশ।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নারী নির্যাতন ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ঘটনার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বৃহত্তম ভগবান শ্রী রামের মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে (Hindus Under Attack)। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (PM Modi)। রবিবার ছিল তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর (Shyama Prasad Mukherjee)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “দেশের মহান সন্তান, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং শিক্ষাবিদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শাহাদত দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তিনি মাতৃভূমির সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর গতিশীল ব্যক্তিত্ব দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।”

    শাহি স্মরণে শ্যামাপ্রসাদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও আত্মমর্যাদার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।” তাঁর দাবি, ‘এক নিশান, এক বিধান, এক প্রধান’ স্লোগান তুলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার লড়াইয়েও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। শাহ বলেন, “সংবিধান সভার সদস্য হিসেবে ভাষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের সামনে একটি বিকল্প রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরেছিলেন।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্যামাপ্রসাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। দিল্লিতে দলের সদর দফতরে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। দলীয় কর্মীদের মধ্যে গাছের চারাও বিলি করেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের স্থপতি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ত্যাগ ও আদর্শ আগামিদিনেও দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে (Shyama Prasad Mukherjee)।”

    জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা

    প্রসঙ্গত, শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা, যা পরবর্তীকালে বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত হয়। স্বাধীনতার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভায় শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ১৯৫০ সালে দিল্লি চুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৫১ সালের ২১ অক্টোবর দিল্লিতে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। দলের প্রথম সভাপতি হন শ্যামাপ্রসাদই। ১৯৫৩ সালে (PM Modi) জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়েছিলেন তিনি। ১১ মে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বন্দি ছিলেন জেলে। সেখানেই ওই বছরেরই ২৩ জুন মৃত্যু হয় তাঁর। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু নিয়ে আজও রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee)।

     

LinkedIn
Share