Tag: India Pakistan

India Pakistan

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ঘাবড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদই সিজফায়ার বা যুদ্ধবিরতির আর্তি জানায়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ আকাশসীমায় কার্যত পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং গভীর অভ্যন্তরে নিখুঁত হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদকে মাত্র চার দিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতির পথে যেতে বাধ্য করে—এমনই দাবি করেছে সুইৎজারল্যান্ডভিত্তিক একটি সামরিক গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট। সুইস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পার্সপেক্টিভ স্টাডিজ (CHPM) প্রকাশিত ৪৭ পাতার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় বিমান অভিযানের মোকাবিলা করার ক্ষমতা হারানোর পর পাকিস্তান কার্যত “চাপের মুখে” যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এই রিপোর্টটি তৈরি করেছেন সামরিক ইতিহাসবিদ অ্যাড্রিয়েন ফন্টানেলাজ।

    দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক বিমানবাহিনী

    চার দিনেই কুপোকাত পাকিস্তান। সুইস সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৫-এর ৭ মে থেকে ১০ মে-র মাঝে অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানকে ভালো মতোই কাবু করে ফেলেছিল। নাজেহাল হয়ে ব্যাপক ঘাবড়ে যায় ইসলামাবাদ। এর পরেই ১০ মে সিজফায়ার চায় তারা। রিপোর্টের টাইটেলে লেখা, ‘Operation Sindoor: The India-Pakistan Air War (7–10 May 2025)’। বিদেশে তৈরি এই রিপোর্টে বহু বিষয় বিস্তারিত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘর্ষের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বায়ুসেনা দূরপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে আঘাত হানার স্বাধীনতা পায়, অন্যদিকে পাকিস্তান বিমানবাহিনী (PAF) কার্যকর পাল্টা আক্রমণ চালাতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে পড়ে।

    ‘পপ-আপ অ্যাটাক’

    ১০ মে সকালের মধ্যেই ব্রহ্মোস ও স্ক্যাল্প-ইজি (SCALP-EG) ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গভীর হামলা চালানো সম্ভব হয় বলে জানানো হয়েছে। তাতেই হাত-পা কাঁপতে শুরু করে ইসলামাবাদের। কারণ, ততক্ষণে পাকিস্তানের সার্ভেইল্যান্স রেডার মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধরাশায়ী করে পাক বায়ুসেনার অ্যাওয়াক্স সিস্টেমকে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭ মে রাতে ভারতীয় বায়ুসেনা দু’টি স্ট্রাইক করে। রাফাল ও মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেটের লক্ষ্য ছিল বাহওয়ালপুরে জৈশ-ই-মহম্মদের ডেরা ও মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটি। একটি স্ট্রাইক পাকিস্তানি এয়ারস্পেসে মাটির অনেক কাছাকাছি থেকে চালানো হয়েছিল। সুইৎজারল্যান্ডের রিপোর্ট যাকে বলছে, ‘পপ-আপ অ্যাটাক’। যার লক্ষ্য ছিল, পাকিস্তানকে জালে ফাঁসানো। রিপোর্ট অনুযায়ী, এর জবাবে পাকিস্তান ৩০টির বেশি লড়াকু বিমান পাঠায়, পি-এল ১৫ মিসাইল দাগে। তাদের টার্গেট ছিল রাফাল।

    পাকিস্তানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা ব্যর্থ

    পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা ৬টি ভারতীয় এয়ারক্রাফ্ট শট ডাউন করে। কিন্তু সুইস রিপোর্ট বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সামনে রেখে বলছে, ভারতের একটি মাত্র রাফাল, একটি মাত্র মিরাজ-২০০০ ও একটি অন্য ফাইটার জেটের ক্ষতি হয়। রিপোর্ট বলছে, ৭ মে থেকে পাকিস্তান ভারতের উপরে ড্রোন হামলা শুরু করে। প্রথমে ৩০০-র বেশি ড্রোন পাঠানো হয়। দ্বিতীয় ভাগে পাঠায় আরও ৬০০। একই সঙ্গে রকেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। ভারতীয় সেনার ঘাঁটি, এয়ারবেস, লজিস্টিক্স হাব ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ছিল তাদের টার্গেট। কিন্তু কিছুই করতে পারেনি। রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, বেশির ভাগই রুখে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। জ্যামিং, স্পুফিং ও সেন্সর ফিউশন— এই তিন হাতিয়ারেই বেশির ভাগকে ঘায়েল করা হয়।

    ভারতীয় বায়ুসেনার দাপট

    রিপোর্টে ভারতীয় বায়ুসেনার ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম ও ভারতীয় সেনার আকাশতীর নেটওয়ার্কের প্রশংসা করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্কের ফলে রেডারকে শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই সক্রিয় করা হয়েছে। তাই পাকিস্তান শত চেষ্টা করেও ভারতের ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থাকে ধরতেই পারেনি। ৯ মে থেকে ১০ মে রাতের মধ্যে পাকিস্তান ফের হামলার চেষ্টা করে। টার্গেট ছিল এস-৪০০ সিস্টেম, এয়ারবেস আদমপুর, শ্রীনগর, কচ্ছ। তবে ভারতীয় সেনার ইলেক্ট্রনিক জ্যামিং ও লড়াকু বিমানের সাহায্যে সেই চেষ্টা ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জোরালো প্রত্যাঘাত

    এর পরেই ভারত জোরালো প্রত্যাঘাতে জবাব দেয়। ১০ মে রাত ২টো থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বায়ুসেনা জোরদার মিসাইল ছোড়ে। টার্গেট ছিল, পাকিস্তানি এয়ারবেস, রেডার ইনস্টলেশন ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সাইট। এর পরে সকাল ১০টায় দাঁড়িয়ে থাকা বিমানগুলিকে টার্গেট করে। একাধিক পাকিস্তানি এয়ারবেস নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ধ্বংস হয় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গার। ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের ৪-৫টি লড়াকু বিমান নামায়। একটি এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং এয়ারক্রাফ্ট, একটি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট, একাধিক ড্রোন, একাধিক রেডার, কমান্ড সেন্টার ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ব্যাটারি ছিল। পাকিস্তান তাদের একটি এয়ারবেসে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকারও করেছিল। পাক মুলুকের একাধিক শহরে তছনছ হয়েছিল তাদের সামরিক পরিকাঠামো। তার পরেই তারা সংঘর্ষ বিরোধী চুক্তি করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

    পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধের সমাপ্তি

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো মূলত যুদ্ধের প্রথম রাতে ভারতের অন্তত একটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার খবর বড় করে দেখিয়েছিল। তবে, সুইৎজারল্যান্ডের এই থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ওই একটি ঘটনা যুদ্ধের প্রকৃত অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। আসলে ভারত সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছিল। শেষপর্যন্ত নিজেদের শর্ত মেনেই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল। উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্য়ু হয় ২৮ জনের। তার পরেই অপারেশন সিঁদুর শুরু করা হয়। ভারতের দাবি ছিল, এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো জড়িত।

  • S Jaishankar: সন্ত্রাসে মদত নয়! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, পোল্যান্ডকে কী বার্তা জয়শঙ্করের?

    S Jaishankar: সন্ত্রাসে মদত নয়! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, পোল্যান্ডকে কী বার্তা জয়শঙ্করের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা পাকিস্তান। তাদের পাশে না দাঁড়ানোর জন্য পোল্যান্ডকে বিশেষ বার্তা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। পাকিস্তানের জঙ্গিনীতি থেকে দূরে থাকাই উচিত ওয়ারশ রাজনীতির। সোমবার পোল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী সিকরস্কিকে এই বার্তায় দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন পোল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী সিকরস্কি। সোমবার ছিল তার সফরের শেষদিন। আর এই সফর শেষের আগে বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানেই পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে পোল্যান্ডকে সাফ বার্তা ভারতের।

    জম্মু কাশ্মীর প্রসঙ্গ, সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা

    সূত্রের খবর, ভারত ও পোল্যান্ড দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে এসেছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে জম্মু কাশ্মীর প্রসঙ্গ। আর দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরের সমস্যা মেটাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন বলেও জানায় ভারত। এমনকি সন্ত্রাসবাদে মদত না দেওয়ার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। সরাসরি ইসলামাবাদের নাম না নিলেও পাকিস্তানকে তোপ দেগেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্কর বলেন-“আমরা আশাবাদী, পোল্যান্ড সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলবে।” জয়শঙ্করের এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ গত বছরের অক্টোবরে পাকিস্তান সফরের সময় পোল্যান্ড কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বৈঠকের শুরুতে জয়শঙ্কর বলেন, পোল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ এশিয়ায় সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের হুমকির বিষয়টি জানে। তিনি বলেন, “উপপ্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অঞ্চল সম্পর্কে অবগত এবং সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা জানেন। পোল্যান্ডের উচিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং আমাদের প্রতিবেশী সন্ত্রাসী পরিকাঠামোকে কোনওভাবেই উৎসাহ না দেওয়া।”

    কূটনৈতিক তৎপরতা ভারতের

    জয়শঙ্করের এই মন্তব্যের পর সিকোরস্কি সম্মতিসূচক মাথা নেড়ে সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি জানান, পোল্যান্ড নিজেও সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসমূলক হামলার শিকার হয়েছে। সিকোরস্কি বলেন, “সম্প্রতি ইউক্রেনের সঙ্গে সংযোগকারী একটি রেলপথে চলন্ত ট্রেনের নিচে বিস্ফোরণ ঘটে, যা কার্যত রাষ্ট্র-সন্ত্রাসের উদাহরণ।” ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের অক্টোবরে। গত কয়েক বছরে ইউরোপীয় দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসে অর্থ জোগানো এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস সম্পর্কে সতর্ক করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ভারত।

    রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গ

    বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে ভারতের উপর শুল্ক চাপানোর বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “নিউ ইয়র্ক ও প্যারিসে আগেও আমি ইউক্রেন সংঘাত ও তার প্রভাব নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। একই সঙ্গে বলেছি, ভারতের বিরুদ্ধে এই নির্বাচনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া অন্যায় ও অযৌক্তিক। আজও আমি সেই কথাই পুনরায় বলছি।” জবাবে সিকোরস্কি বলেন, “নির্বাচনী টার্গেটিং শুধু শুল্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর আরও নানা রূপ রয়েছে।”

     

     

     

     

     

  • Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা দিবস উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) নতুন একটি তিন মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনা। ১৫ জানুয়ারি আর্মি ডে ২০২৬-এ প্রকাশিত ওই ভিডিও-তে অপারেশন সিঁদুর-এর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় চালানো এই অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গি ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় নিখুঁত আঘাত হানার বিরল দৃশ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে আনল সেনা। ভারতীয় সেনার ভাষায়, এই অভিযান বাহিনীর “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও অটল সংকল্প”-এর প্রতিফলন।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট

    ভিডিওর শুরুতেই গত দুই দশকে ভারতের উপর সংঘটিত বড় সন্ত্রাসী হামলাগুলির কথা স্মরণ করানো হয়—২০০১ সালের সংসদ ভবনে হামলা, ২০০২ সালের অক্ষরধাম মন্দিরে আক্রমণ, ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা, ২০১৬ সালের উরি, ২০১৯ সালের পুলওয়ামা এবং ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলা। প্রতিটি ঘটনাকে “মানবতার উপর আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে রাতে ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের ওপারে নয়টি সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। অপারেশন সিঁদুরের অধীনে সমন্বিত ও নিখুঁত হামলার মাধ্যমে জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড ও লজিস্টিক হাব ধ্বংসের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যদিও ভিডিওতে পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবু লাইন অফ কন্ট্রোল ও জম্মু-কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত-পার অভিযানের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।

    কী কী রয়েছে ভিডিও-য়

    ওই ভিডিও ফুটেজে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণের পরবর্তী পরিস্থিতিও দেখানো হয়েছে, যা ভারতীয় হামলার পর পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া বলে দাবি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অসামরিক এলাকার দৃশ্যের পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর তৎপরতা—শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করা এবং সামনের সারির সামরিক পোস্টে আঘাত হানার চিত্র—তুলে ধরা হয়েছে। আরও এক ধাপ উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে ভিডিওতে সীমান্তের ওপারের এয়ার ডিফেন্স রেডার ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেসে হামলার দৃশ্যও দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের নজরদারি দুর্বল করার কৌশলগত উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে।

    সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা

    আর্মি ডে-র এই ভিডিওর শেষে সেনার তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, “আমাদের শত্রুদের জন্য সতর্কবার্তা। তাদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও তাকে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়া নীতিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরই অপারেশন সিঁদুরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ৭ মে ২০২৫-এ শুরু হওয়া এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমান্তের ওপার থেকে পরিচালিত জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, অভিযানে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশ ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন অসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এর জবাবে ভারত রাডার স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেস লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ভিডিওতে দেখানো এই পদক্ষেপগুলির উদ্দেশ্য ছিল প্রতিপক্ষের নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া। সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের ভিডিও প্রকাশকে একদিকে যেমন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনই এটিকে ভারতের প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কৌশলগত বার্তা বলেও মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের অংশবিশেষ প্রকাশ্যে এনে সেনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল—সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত নিখুঁত, সমন্বিত ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরের আকাশে দেখা গেল পাকিস্তানের ড্রোন (Pak Drone in Border)। শীতের সন্ধ্যায় অন্ধকার নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক অংশে উড়ে এল পাকিস্তানের ড্রোন। ভারতীয় সেনার তরফে একের পর এক ড্রোনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বেশ কয়েকটি ড্রোন ভেঙে পড়েছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর। তাতে বারুদ ছিল বলে জানানো হয়েছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপরে এই ড্রোনগুলি দিয়ে আঘাত করার ছক কষা হচ্ছে বলে সেনার অনুমান।

    বারুদ-বোঝাই ড্রোন

    বেশ কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে ড্রোন পাঠানো হচ্ছে। এই সব ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় দিকের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এরই সঙ্গে অস্ত্র এবং আরও সরঞ্জাম পাচারেরও চেষ্টা করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সদা সজাগ রয়েছে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরা। এরই মাঝে জানা গিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফের জম্মু ও কাশ্মীরের ৩ জায়গায় আকাশে দেখা গেল পাক ড্রোন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর একটি পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। এদিকে রামগড় সেক্টরেও একটি পাক ড্রোনকে আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর কিছু পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় আরও একটি পাকিস্তানি ড্রোন নজরে পড়েছিল ভারতীয় সেনার। এই সব ক্ষেত্রে গুলি চালানো হয়েছিল ড্রোনগুলো লক্ষ্য করে।

    বড় ছক পাকিস্তানের!

    ভারতীয় সেনার অনুমান, বড়সড় কোন পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন ড্রোন অনুপ্রবেশ নিয়ে। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি রাজৌরির কেরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে আকাশে পাকিস্তনি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। দেখামাত্রই সেই ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল সেনা। তার আগে গত ১১ জানুয়ারির সন্ধ্যায় জম্মুর আকাশে পাঁচটি ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি ড্রোনে করে দু’টি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, ১৬টি বুলেট, একটি গ্রেনেড ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেলা হয়েছিল।

    গুজরাট উপকূলে পাকিস্তানের নৌকা

    অন্যদিকে, গুজরাট উপকূলে আটক করা হল পাকিস্তানের সন্দেহজনক নৌকা। ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী সূত্রে খবর, আরব সাগরে নজরদারি চালানোর সময় এই সন্দেহজনক নৌকাটিকে ভেসে থাকতে দেখে তারা। পাকিস্তানের পতাকা লাগানো এই নৌকাটির গায়ে নাম হিসেবে লেখা ছিল আল মদিনা। তাতেই ঘনাচ্ছে রহস্য। নৌকার মধ্যে থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু এবং কাগজ পাওয়া গিয়েছে। এই নৌকা করে কোন অনুপ্রবেশ ঘটেছে নাকি এর নেপথ্যে বড়সড় কিছুর পরিকল্পনা ছিল, সেটা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ৯ জন পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছে বলেও জানতে পারা যাচ্ছে।

  • India Pakistan Relation: ‘‘ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান কোনওদিন যুদ্ধে জিততে পারবে না’’, দাবি প্রাক্তন সিআইএ কর্তার

    India Pakistan Relation: ‘‘ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান কোনওদিন যুদ্ধে জিততে পারবে না’’, দাবি প্রাক্তন সিআইএ কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে প্রথাগত যে কোনও যুদ্ধেই পাকিস্তানের (India Pakistan Relation) পরাজয় নিশ্চিত। এমনই অভিমত আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন আধিকারিক জন কিরিয়াকুর। দেড় দশক সিআইএ-র হয়ে কাজ করেছেন কিরিয়াকু। সম্প্রতি এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘বাস্তবে যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের ভালো কিছু হবে না। কারণ প্রথাগত যে কোনও যুদ্ধে ভারতের কাছে তাদের হার হবে। তাই ভারতকে ক্রমাগত প্ররোচনা দিয়ে পাকিস্তানের লাভ কিছু নেই।’’ একসময় পাকিস্তানে জঙ্গি বিরোধী অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এই আধিকারিক।

    ষড়যন্ত্র বন্ধ করুক পাকিস্তান

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই মার্কিন আধিকারিক দাবি করেছেন, পাকিস্তানের উচিত ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করা। পাকিস্তান যতই পরিকল্পনা করুক না কেন, যে কোনও ধরনের গতানুগতিক যুদ্ধে পাকিস্তান ভারতের কাছে খুব খারাপ ভাবে হারবে। তাঁর মতে, ইসলামাবাদের উচিত কৌশলগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে তার ফলে পাকিস্তানের জন্য ভালো কিছুই হবে না। একইসঙ্গে কিরিয়াকু যোগ করেছেন, “আমি পারমাণবিক অস্ত্রের কথা বলছি না, কেবল গতানুগতিক যুদ্ধের কথা বলছি। ভারতকে বারবার উস্কে দেওয়ার কোনও মানে হয় না।”

    ইসলামাবাদকে কড়া জবাব দিচ্ছে দিল্লি

    প্রসঙ্গত, বরাবরই পাকিস্তানকে যুদ্ধে টেক্কা দিয়েছে ভারত। তবে গত এক দশক ধরে ইসলামাবাদকে কড়া জবাব দিচ্ছে দিল্লি। ২০১৬ সালে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ২০১৯-এ বালাকোট স্ট্রাইক ও সব শেষে সিঁদুর অভিযানে পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিয়েছে ভারত। তবে তাতেও সিধে হয়নি পাকিস্তান। ভারতের বিরুদ্ধে এখনও চোরাগোপ্তা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। এমন প্রেক্ষিতে পাকিস্তানকে সতর্ক করে বার্তা দিলেন প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা আধিকারিক। কিরিয়াকুর দাবি, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে এঁটে উঠতে পারবে না পাকিস্তান। বরং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলে আখেরে পাকিস্তানেরই ক্ষতি বেশি হবে।

    পাক পরমাণু ভান্ডারের চাবি পেন্টাগনের হাতে

    ২০০১ সালে ভারতের (India Pakistan Relation) সংসদে হামলার পরই দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ অবধারিত হয়ে উঠেছিল বলেও এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন সিআইএ কর্তা। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের যে একটা টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল, সে কথাও স্বীকার করেছেন কিরিয়াকু। তবে সেই সময় আল-কায়দা, আফগানিস্তান নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিল আমেরিকা। ফলে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছিল, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়নি বলেও দাবি মার্কিন গোয়েন্দাকর্তার। দু’দেশের মধ্যে যখন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, সেই সময় তিনি জানতে পেরেছিলেন, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রভান্ডারের চাবিকাঠি পেন্টাগনের হাতে তুলে দিয়েছেন তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট তথা সেনাশাসক জেনারেল পারভেজ মুশারফ।

    ভারতের মিসাইলে পাক ঘাঁটি অকেজো

    প্রসঙ্গত, সিআইএ-র গুপ্ত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে ২০১২ সালে কিরিয়াকুকে গ্রেফতার করেছিল মার্কিন সরকার। বিচারে ৩০ মাসের জেল হয় তাঁর। কিন্তু তার পরেও তিনি থেমে থাকেননি। আমেরিকা এবং তার গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের নাজেহাল দশা করেছিল ভারত। এই আবহে পরমাণু বোমা হামলার হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দিয়েছিল পাকিস্তান। পালটা জবাবের বার্তা দিয়েছিল ভারত। তবে শেষ পর্যন্ত ভারতের মিসাইলে পাক ঘাঁটি অকেজো হয়ে পড়ে। এর জেরে ভারতের কাছে সংঘর্ষবিরতির আবেদন জানিয়েছিল পাকিস্তান। এই সবের পরও পাকিস্তান দাবি করছে, তারা নাকি ভারতের সঙ্গে এই সংঘাতে ‘জিতেছে’।

    ভারত পরিপক্ক দেশ হিসেবে ধৈর্যশীল

    এই আবহে ভারত-পাক যুদ্ধ (India Pakistan Relation) নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন সিআইএ অফিসার জন কিরিয়াকু। তাঁর দাবি, ভারত ও পাক যুদ্ধ হলে পাকিস্তান কোনওদিন জিততে পারবে না। এরই সঙ্গে জন কিরিয়াকু দাবি করেন, ২০০১ সালে যখন ভারতীয় সংসদে জঙ্গি হামলা হয়, তার ২-৩ সপ্তাহ পরেই তিনি পাকিস্তানে নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি জানান, আমেরিকা ভেবেছিল, ভারত পাকিস্তানের ওপর হামলা করবে। এবং তাঁর কথায়, ভারত সেই সময় পাকিস্তানের ওপর হামলা করলে তা ন্যায্য হত। এরপর ২০০৮ সালেও মুম্বই হামলার পরেও আমেরিকা মনে করেছিল যে ভারত হামলা চালাবে পাকিস্তানের ওপর। জন কিরিয়াকুর কথায়, ভারত পরিপক্ক দেশ হিসেবে ধৈর্যশীল। তবে পাকিস্তান বারবার ভারতকে খোঁচালে তারা যোগ্য জবাব পাবে।

    মুশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা

    মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-র প্রাক্তন অফিসার জন কিরিয়াকু আরও দাবি করেন, প্রয়াত প্রাক্তন সেনাশাসক পারভেজ মুশারফের জমানায় পরমাণু অস্ত্রের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ওয়াশিংটনের হাতে তুলে দিয়েছিল ইসলামাবাদ। সিআইএ-র সন্ত্রাসবিরোধী ডেস্কের প্রাক্তন আধিকারিক কিরিয়াকু এক সময়ে ছিলেন পাকিস্তানেও। গত জুলাই মাসে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, ইসলামাবাদের যাবতীয় পরমাণু হাতিয়ার পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘পরমাণু অস্ত্রের কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণ বেশ কয়েক বছর আগেই পাক সরকার একজন মার্কিন জেনারেলের হাতে তুলে দিয়েছে। ফলে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা অনেকটাই কমে গিয়েছে।’’কিরিয়াকু মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, ‘‘কোটি কোটি ডলার অনুদান দিয়ে জেনারেল পারভেজ মুশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা। তিনিই পরমাণু অস্ত্রের চাবি এক মার্কিন জেনারেলের হেফাজতে দিয়েছিলেন।’’ প্রায় ১৫ বছর সিআইএ-র নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কিরিয়াকুর কথায়, ‘‘আমরা পাক পরমাণু অস্ত্র কিনে নিয়েছিলাম।’’

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০-র বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত! পাক মিডিয়ার রিপোর্টে ইঙ্গিত, পরে মুছে ফেলা হয়

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০-র বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত! পাক মিডিয়ার রিপোর্টে ইঙ্গিত, পরে মুছে ফেলা হয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০ জনেরও বেশি পাকিস্তানের সেনা নিহত হয়েছে। এই খবর উঠে এসেছিল পাকিস্তানেরই এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে। যদিও দ্রুত সেই খবর সরিয়ে ফেলা হয়। অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) কোনওভাবেই দুর্বল পাকিস্তানের ছবি সামনে আনতে চায় না ইসলামাবাদ। সব সময়ই যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের ক্ষয়-ক্ষতি গোপন করার চেষ্টা করছে শাহবাজ শরিফের সরকার। তা পাক যুদ্ধ বিমান ধ্বংসই হোক বা পাক সেনা ঘাঁটিতে হামলা।

    কী উঠে এল প্রতিবেদনে

    প্রকাশিত ও পরে মুছে ফেলা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের (India Pakistan) প্রেসিডেন্ট “অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুস”-এ অংশগ্রহণকারী সেনাদের বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন সামরিক পদক প্রদান করেছেন। কিন্তু সেই তালিকাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে—অনেক পদকপ্রাপ্ত সেনার নামের পাশে লেখা “শহিদ”, অর্থাৎ তাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ইমতিয়াজি সানাদ পেয়েছেন ১৪৬ জন শহিদ সেনা। এই সনদ সাধারণত কর্তব্যে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। তাছাড়া, তামগা-ই-বাসালাত পদক পেয়েছেন আরও ৪৫ জন, যাদের মধ্যে ৪ জনের পুরস্কার মরণোত্তর। উচ্চতর বীরত্বের জন্য দেওয়া সিতারা-ই-বাসালাতেও একজন শহিদের নাম ছিল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়—তামগা-ই-জুরাত, যেটি ভারতের বীর চক্রের সমতুল্য, সেটি দেওয়া হয়েছে ৫ জনকে, যার মধ্যে ৪ জনই শহিদ।

    কূটনৈতিক মহলে আলোচনা

    এই তথ্য সামনে আসতেই কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। অনেকের মতে, এই ঘটনা ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়, যেখানে পাকিস্তান তাদের মৃত সেনার সংখ্যা গোপন করেছিল। এমনকি অনেক শহিদের দেহ ফিরিয়েও নেওয়া হয়নি। যুদ্ধক্ষেত্রে “গোপনীয়তা নীতি” বজায় রেখেই এই প্রতিবেদন দ্রুত মুছে ফেলা হয়েছে, বলে মত বিশেষজ্ঞদের। যদি প্রতিবেদনটি সত্য হয়, তবে বলা যায় যে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর উপর কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় আঘাত হেনেছে ভারতীয় বাহিনী। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখনো পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তান, কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

  • Operation Spiderweb: ‘স্পাইডার ওয়েব’-এর ধাঁচে ভারতে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের! শক্ত হাতে রুখে দেয় এনআইএ

    Operation Spiderweb: ‘স্পাইডার ওয়েব’-এর ধাঁচে ভারতে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের! শক্ত হাতে রুখে দেয় এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন মাকড়সার জাল’! সাঙ্কেতিক নাম এটাই। অভিযানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল আজ থেকে ঠিক এক বছর ছ’মাস আগে। তার পর থেকে দেড় বছর ধরে চলেছিল প্রস্তুতি। রবিবার রাশিয়ার ইরকুটস্ক অঞ্চলের স্রেডনি জনবসতির কাছে অবস্থিত ওলেনিয়া বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে বড়সড় ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। নিশানায় ছিল আরও তিনটি বিমানঘাঁটি। ঠিক এক বছর আগে ভারতেও অনুরূপ হামলার (Operation Spiderweb)পরিকল্পনা করেছিল ইসলামিক স্টেট। গত বছর, ভারতের মহারাষ্ট্রের প্যাডঘা গ্রামে আইসিসের একটি ঘাঁটি আবিষ্কৃত হয়েছিল, যেখানে ৪৪টি ড্রোন, বিস্ফোরক, অস্ত্র এবং বিভিন্ন নথি পাওয়া গিয়েছিল। এই ড্রোনগুলো মুম্বইয়ে হামলার পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছিল। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনআইএ-র তৎপরতায় এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। গোয়েন্দাদের দাবি, এই ছক কষতে আইএস-কে সাহায্য করেছিল পাকিস্তান।

    রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলা

    রাশিয়ার একের পর এক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে রবিবার ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পাইডার ওয়েব’ (Operation Spiderweb), অর্থাৎ ‘মাকড়সার জাল’! ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ৪০টিরও বেশি রুশ সামরিক বিমান। বেছে বেছে সামরিক বিমানগুলি লক্ষ্য করে নিখুঁত হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা (এসবিইউ)-এর দাবি, ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিমানগুলির মধ্যে ছিল টিইউ-৯৫ এবং টিইউ-২২। দু’টিই যুদ্ধে ব্যবহৃত বোমারু বিমান, যা সাধারণত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। হামলাকারী ড্রোনগুলিকে আগে থেকেই ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়ার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে। পরে দূর থেকে রিমোট নিয়ন্ত্রিত হামলা চালানো হয়। এ জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন ১১৭টি ড্রোন। আগে থেকেই ট্রাকে করে রাশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোনগুলি। যাতে কারও নজরে না পড়ে, সে জন্য ড্রোনগুলিকে বোঝাই করে রাখা হয়েছিল সারি সারি কাঠের বাক্সে। প্রতিটি বাক্সে কাঠের ঢাকনার বদলে ছিল ধাতব প্লেট। পরিকল্পনামাফিক ট্রাকগুলিকে রাশিয়ার চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির কাছাকাছি নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর পর সময়মতো রিমোটের সাহায্যে দূর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ধাতব প্লেটের আবরণ। কাজ শুরু করে দেয় ১১৭টি কোয়াড্রোকপ্টার ড্রোন।

    ভারতেও স্পাইডার-ওয়েব ধাঁচে হামলার ছক!

    গত বছর, ২০২৪ সালের জুন মাসেই মুম্বইয়ে এরকম হামলার ছক কষেছিল ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন আইসিস। মহারাষ্ট্রের গ্রামে মজুত করা হয়েছিল ড্রোন। আইএসআইএস-কে এই কাজে পরোক্ষে সাহায্য করেছিল পাক গুপ্তচর (India Pakistan) সংস্থা আইএসআই। ভারতের যে কোনও প্রান্তে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার আশঙ্কার খবর পেয়েই তখন সক্রিয় হয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মহারাষ্ট্রের প্যাডঘা গ্রামে আইএসআইএসের একটি ঘাঁটি খুঁজে পায় তারা। জানা যায়, ওই এলাকার ত্রাস হয়ে উঠেছিল শাকিব নাচান নামে এক জঙ্গি। ওই গ্রামের নাম পাল্টে ‘আল-শাম’ করে দিয়েছিল নাচান। এমনকি, নিজেকে ওই অঞ্চলের শাসক হিসেবে ঘোষণা পর্যন্তকরে দিয়েছিল। স্থানীয় যুবকদের ব্রেনওয়াশ করে আইসিসের আদর্শ তাদের মধ্য ঢুকিয়ে নাশকতা হামলার জন্য প্রস্তুত করছিল। যুবকদের আইইডি বিস্ফোরণে পারদর্শী করা হচ্ছিল।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এখানে ৪৪টি ড্রোন, বিস্ফোরক, অস্ত্র এবং বিভিন্ন নথি পাওয়া গিয়েছিল। এই ড্রোনগুলো মুম্বইয়ে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। বড় জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা ছিল দিল্লি, ও গোয়াতেও। নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জঙ্গিদের এই পরিকল্পনা জানতে পেরেছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। সতর্কতা জারি হয় দিল্লি, মুম্বই গোয়া, দেশের এই তিন এলাকায়। ভারতীয় গোয়েন্দারা সেই সময় ইন্টারনেটে জঙ্গিদের কথোপকথনে আড়ি পাতে। সেখান থেকেই নানা তথ্য মেলে। গোয়েন্দাদের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় জঙ্গিদের পরিকল্পনা। নাচান সহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে জেলে রয়েছে তারা।

    পাকিস্তানের চেষ্টা বানচালে সক্রিয় ভারত

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, পাকিস্তান (India Pakistan) ইতিমধ্যেই চিন থেকে উন্নতমানের ড্রোন সংগ্রহ করেছে। যা অস্ত্র ও মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ড্রোনগুলো ৮০০ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এবং ১৫-২০ কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছতে পারে। এগুলি ব্যবহার করে আইএসআইএসের মতো গোষ্ঠীগুলো ভারতের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ইতিমধ্যে এই ধরনের হামলার সতর্কবার্তা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি এবং সহজলভ্যতার কারণে, এই ধরনের হামলা প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধের ধরন পরিবর্তন করছে, এবং এটি শুধুমাত্র রাষ্ট্র নয়, বরং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর জন্যও একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে।

     

     

     

  • PM Modi: ‘‘শান্তিতে দিন কাটাও, রুটি খাও, নয়তো আমার গুলি তো আছেই’’! পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    PM Modi: ‘‘শান্তিতে দিন কাটাও, রুটি খাও, নয়তো আমার গুলি তো আছেই’’! পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ফের এক বার পাকিস্তানকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দিন কয়েক আগেই রাজস্থানের বিকানের থেকে পাকিস্তানকে (India Pakistan) নিশানা করেছিলেন মোদি। এবার গুজরাটের (Gujarat) ভুজ। প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতে সে দেশের জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে! পাকিস্তানকে হয় শান্তি বেছে নিতে হবে, নয়তো তাঁর ‘গুলি’ প্রস্তুত রয়েছে। সোমবার গুজরাটে ‘রোড শো’ থেকে জনসভা— একাধিক কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদির।

    ভারত পর্যটনে বিশ্বাসী, পাকিস্তানে সন্ত্রাসই ব্যবসা

    ভুজের (Bhuj) জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘ভারত পর্যটনে বিশ্বাস করে। কিন্তু পাকিস্তান (India Pakistan) সন্ত্রাসবাদকেই পর্যটন হিসাবে বিবেচনা করে, যা বিশ্বের জন্য খুবই বিপজ্জনক। আমি পাকিস্তানের জনগণের কাছে জানতে চাই, কী অর্জন করেছে তাঁদের দেশ? আজ ভারত বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। সেখানে আপনাদের (পাকিস্তান) অবস্থা কোথায়?’’ পাক নাগরিকদের উদ্দেশে মোদির বার্তা, ‘‘যারা সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহ দিচ্ছে, তারাই আপনাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছে!’’ পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ আর পাকিস্তান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘পহেলগাঁওয়ে হামলার পর আমি ১৫ দিন অপেক্ষা করেছিলাম। আমি আশা করেছিলাম, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে পাকিস্তান। কিন্তু সব দেখে মনে হচ্ছে, সন্ত্রাসই তাদের রুটিরুজি। ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) ছিল সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটাতেই।’’ সাম্প্রতিক সময়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যেকার সামরিক অস্থিরতার প্রসঙ্গে মোদি বলেন, ‘‘৯ মে রাতে পাকিস্তান যখন ভারতের নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল, তখন আমাদের সেনাবাহিনী দ্বিগুণ শক্তি দিয়ে তার জবাব দেয়। ধ্বংস করে ওদের (পাকিস্তান) বিমানঘাঁটি।’’

    পাকিস্তানের তরুণ প্রজন্ম দায়িত্বশীল হোক

    শুধু ভুজ নয়, গুজরাটের দাহোদের জনসভা থেকেও সন্ত্রাসবাদ এবং পাকিস্তান নিয়ে মুখ খোলেন মোদি। পাকিস্তানকে (India Pakistan) সন্ত্রাসবাদীদের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে আসতে সে দেশের জনগণের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মোদির হুঁশিয়ারি, ‘‘সন্ত্রাসবাদের মতো রোগ থেকে পাকিস্তানকে মুক্ত করতে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। শান্তিতে জীবন কাটাও, রুটি খাও। নয়তো আমার গুলি তো আছেই। যারা সিঁদুর মুছে দিতে আসবে, তাদেরও মুছে যেতে হবে, এটা নিশ্চিত। যারা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে, তারা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি, মোদির সঙ্গে মোকাবিলা করা কতটা কঠিন!’’

  • Rafale-M Jets: ২৬টি রাফাল-মেরিন জেট কিনছে ভারত, সীমান্তে অশান্তির মধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

    Rafale-M Jets: ২৬টি রাফাল-মেরিন জেট কিনছে ভারত, সীমান্তে অশান্তির মধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েই ছিল। ২৬টি ‘রাফাল মেরিন’ (Rafale-M Jets) যুদ্ধবিমান কেনার ব্যাপারে ফ্রান্সের সঙ্গে অবশেষে চুক্তি সই করে ফেলল ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, সোমবার ফ্রান্সের সঙ্গে প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমানের চুক্তি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে মহার্ঘ প্রতিরক্ষা চুক্তি (India France Deal)। দুই দেশের সরকারের মধ্যে হওয়া এই চুক্তি অনুযায়ী, ২২টি এক আসনের নৌ-সংস্করণ এবং চারটি দুই আসনের প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান ২০৩০ সালের মধ্যেই ভারতে সরবরাহ করা হবে। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, লজিস্টিক সহায়তা, কর্মীদের প্রশিক্ষণও চুক্তির আওতায় রয়েছে।

    সেনাবাহিনীর শক্তিবৃদ্ধি

    রাফাল-এম (Rafale-M Jets)  বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত নৌ-যুদ্ধবিমান, যা শুধু এখন ফ্রান্সের কাছেই রয়েছে। এ বার তা ভারতও পেতে চলেছে। পহেলগাঁও কাণ্ড নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েই চলেছে। সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত করায় যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর শক্তিবৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞেরা। এই রাফাল বিমানগুলি বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত থেকে পরিচালিত হবে। সেখানে বর্তমানে থাকা মিগ-২৯কে বিমানগুলিকে অবসরে পাঠানো হবে। এই যুদ্ধবিমানগুলি নৌসেনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ২৬টি ‘রাফাল-এম’ যুদ্ধবিমান এলে জলপথ থেকেই আক্রমণ শানাতে পারবে ভারত। এই ২৬টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে ২২টিতে এক জন পাইলট বসার জায়গা থাকছে। বাকি চারটি বিমানে দু’জন করে পাইলট বসতে পারবেন। দুই আসন বিশিষ্ট জেটগুলি কেবলমাত্র প্রশিক্ষণের জন্য। এগুলি বিমানবাহী রণতরী থেকে ওঠানামা করতে পারবে না।

    কবে আসছে নতুন রাফাল এম

    এর আগে ২০১৬ সালে ফ্রান্স থেকে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতে আনার চুক্তি হয়। সেগুলি ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য। রাফালের প্রথম ব্যাচটি এসে পৌঁছায় ২০২০ সালের জুলাই মাসে। এ বার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে বায়ুসেনার পাশাপাশি নৌসেনার হাতেও রাফাল শ্রেণির যুদ্ধবিমান তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাফাল-এম ভারতে আসা শুরু করবে ২০২৮ সাল থেকে ২৯ সালের মধ্যে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হবে গোটা ডেলিভারির কাজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৮ সালে ৯টি, ২০২৯ সালে ১২টি এবং ২০৩০ সালে বাকি ৫টি রাফাল-এম ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে আসবে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “রাফাল-এম একটি ক্যারিয়ার-নির্ভর বহুমুখী যুদ্ধবিমান, যার প্রমাণিত অভিযানক্ষমতা রয়েছে। এটি সমুদ্রে ভারতের আকাশক্ষমতা অনেকগুণ বাড়াবে।” ভারতের স্টোবার-প্রযুক্তির বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ থেকেই উড়ান কিংবা অবতরণ করতে পারবে রাফাল-এম।

    চুক্তির অধীনে কী কী

    সোমবার সাউথ ব্লকে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দফতরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং। অন্যদিকে, ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করেন ভারতে ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাতু। উপস্থিত ছিলেন নৌসেনার উপপ্রধান এবং বিমান ও অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থা যথাক্রমে দাসো ও এমবিডিএ- কর্তারা। ডিজিটালি উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং ও ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এই চুক্তিতে ইতিমধ্যে ভারতীয় বায়ুসেনায় থাকা ৩৬টি রাফালের জন্যও অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত। যদিও এই চুক্তিতে মোট প্রযুক্তি স্থানান্তরের কথা নেই, তবে ভবিষ্যতে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র যেমন ‘অস্ত্র’ মিসাইল এবং ডিআরডিও-র তৈরি নৌবাহিনীর এনএসএম ক্ষেপণাস্ত্র রাফাল-এম যুদ্ধবিমানে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চুক্তির আওতায় ভারতে একটি বিমানের ফিউসেলাজ উৎপাদন কেন্দ্র এবং ইঞ্জিন, সেন্সর ও অস্ত্রের এমআরও (মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার ও ওভারহল) কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ‘রাফাল-এম’ যুদ্ধবিমান ছাড়াও ফ্রান্সের ডুবোজাহাজ!

    ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনা শুরু করেছে এক বিরাট সামরিক মহড়া। যার নাম ‘আক্রমণ’। বিমানবাহিনী পাহাড় এবং স্থলে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের ড্রিল সারছে। দেশের মূলধারার যুদ্ধবিমানগুলি সেখানে আকাশ দাপাচ্ছে। রয়েছে সুখোই স্কোয়াড্রন। বায়ুসেনা রাফাল যুদ্ধবিমানগুলি বর্তমানে হরিয়ানার অম্বালা এবং আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা— এই দুই ঘাঁটি থেকে পরিচালিত হয়। ‘রাফাল-এম’ যুদ্ধবিমান ছাড়াও ফ্রান্সের থেকে স্করপিন শ্রেণির ডুবোজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে ভারতের। ওই ডুবোজাহাজগুলির জন্যও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। তবে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি এখনও তাতে অনুমোদন দেয়নি। এছাড়া, এমআরএফে চুক্তির আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য আরও ১১৪টি রাফাল কেনার প্রাথমিক কথাবার্তাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোথায় অন্য যুদ্ধবিমানদের মাত দেয় রাফাল

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গোটা বিশ্বজুড়ে এক নামে পরিচিতি রাফালের। মাল্টি রোলিং ক্ষমতা সঙ্গে শত্রু নিক্ষেপে ধুরন্ধর। সব মিলিয়ে রাফালের দক্ষতা প্রশ্নাতীত। তার সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির তৈরি অস্ত্র। যত দূরেই থাকুক শত্রু, রাফালের স্ক্যাল্প (SCALP) ক্রুজ মিসাইল তাকে নিমিষে ধ্বংস করতে সক্ষম। এছাড়াও, রাফাল কিন্তু নিজের মধ্যে বইতে পারে পরমাণু বোমাও। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ঘণ্টায় ২ হাজার ২২২ কিলোমিটার গতিবেগে আকাশকে চিরে দিয়ে ছুটে যেতে পারে রাফাল। যা মিনিটে পার করে দেবে পাকিস্তানকে। বুঝে উঠতেও পারবে না তারা। যখন একদিকে মাথার উপর বসে সর্বক্ষণ হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে চিন। তাদের আবার দোসর হচ্ছে পাকিস্তানও। সেই আবহে এদের মুখ বন্ধ করতেই রাফালকেই মোক্ষম জবাব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • India Pakistan: ‘সীমান্তে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে যোগ্য জবাব দেবে মোদির ভারত’, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    India Pakistan: ‘সীমান্তে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে যোগ্য জবাব দেবে মোদির ভারত’, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক (Pakistan) মদতে জঙ্গি হানা হয়েছিল পুলওয়ামায়। বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়ে তার যোগ্য জবাব দিয়েছিল ভারত (India)। বর্তমানে ফের সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা (India Pakistan) প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্তে বা কাশ্মীরে প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আগের মতো আর চুপ করে বসে থাকবে না ভারত। পাকিস্তান যদি তাদের ভারত বিরোধী কৌশলের অঙ্গ হিসেবে সীমান্তে সন্ত্রাসমূলক কাজে লিপ্ত হয়, তবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃ্ত্বাধীন ভারত সেনা নামিয়েই তার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করবে। ভারতের পূর্ববর্তী রক্ষণাত্মক অবস্থানের তুলনায় নতুন এই অবস্থান একেবারেই পৃথক বলে দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। দুই দেশই পারমাণবিক অস্ত্রে শক্তিশালী হওয়ায় সঙ্কট আরও গুরুতর হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

    কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে মোদি সরকার… 

    কেন্দ্রের তখতে নরেন্দ্র মোদির সরকার আসার পর জম্মু-কাশ্মীর (India Pakistan) থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। তারপর থেকেই প্রায় শান্তি ফিরে এসেছে একদা অশান্তির ভূস্বর্গে। তবে মাঝে মধ্যেই কাশ্মীরে হিংসা ও সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটছে। ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তানের মদতেই বারবার হিংসার ঘটনা ঘটছে উপত্যকায়। পাকিস্তানের অভিযোগ, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এর জবাব দিয়েছে ভারত।

    আমেরিকার ইন্টেলিজেন্স কমিউনিটির রিপোর্ট অনুসারে, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান ভারত বিরোধী সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করে গিয়েছে। নতুন করে সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হলে নয়াদিল্লি ইসলামাবাদকে কঠোর জবাব দিতে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দু দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণে সংঘর্ষের ঝুঁকি থেকেই যায়। ভারত বিরোধী সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলিকে পাকিস্তানের (India Pakistan) সমর্থন করার এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের উসকানির জবাব দিতে পারেন বলেও রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এর জবাব দিলেই দুদেশের মধ্যে বড় সংঘর্ষের সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুুন: ‘অনুব্রত মণ্ডল সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই হামলার জবাব দেয় ভারত। ওই দিন ভারতীয় বিমান বাহিনীর ১২টি মিরাজ ২০০০ জেট বিমান নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে আঘাত করে। রিপোর্টে অবশ্য এও লেখা হয়েছে, ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশেই বর্তমানে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষপাতী। নিয়ন্ত্রণরেখায় অস্ত্রবিরতি মেনে চলার ব্যাপারেও সদিচ্ছা দেখিয়েছে দুই দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share