Tag: India Pakistan border

India Pakistan border

  • Nagastra-1 Suicide Drone: ভারতীয় সেনার হাতে এল মেড ইন ইন্ডিয়া আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’

    Nagastra-1 Suicide Drone: ভারতীয় সেনার হাতে এল মেড ইন ইন্ডিয়া আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ঘর মে ঘুসকে মারেঙ্গে…’’। দেশে সন্ত্রাস হামলা হলে ভারতের প্রত্যুত্তর কেমন হবে তা বোঝাতে গিয়ে সম্প্রতি নাম না করে পাকিস্তানকে ঠিক এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার, মোদির সেই বার্তা সফল রূপ দিতে ভারতীয় সেনার হাতে এসে গেল ‘নাগাস্ত্র’ (Nagastra-1 Suicide Drone)। ভারত নিজস্ব ক্ষমতায় কামিকাজে লয়টারিং মিউনিশন (Kamikaze Loitering Munition) তৈরি করে ফেলায় এবার সীমান্তে চাপে চিন-পাকিস্তান।

    এবার থেকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দায়িত্বে ‘নাগাস্ত্র-১’

    উরি-পুলওয়ামা হামলার জবাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে গজিয়ে ওঠা জঙ্গি শিবির ধ্বংস করেছিল ভারতীয় ফৌজ। তবে, তা করতে ভারতীয় ফৌজকে সীমান্ত পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। কিন্তু, এবার, আর তার প্রয়োজন নেই। সৌজন্য আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’ (Nagastra-1 Suicide Drone)। সীমান্তের এপার থেকেই কন্ট্রোল করে সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি থেকে শুরু করে শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট ধ্বংস করতে পারবে ভারতীয় সেনা। ফলে, আর কোনও সৈনিককে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিতে হবে না।

    ওজন মাত্র ৯ কেজি, উড়তে পারে ৩০ কিমি!

    প্রায় সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ‘লয়টারিং মিউনিশন’ বা আত্মঘাতী ড্রোন ভারতের পক্ষে গেমচেঞ্জার প্রমাণিত হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ‘নাগাস্ত্র-১’ দেখতে একটি খেলনা বিমানের মতো। মাটি থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠে আত্মঘাতী হামলা চালাতে সক্ষম এই মানববিহীন অতিক্ষুদ্র বিমান। ৯ কেজির এই ড্রোন বহন করতে পারে ১ কিলো বিস্ফোরক। নাগাস্ত্র একটানা ৩০ মিনিট ধরে উড়তে পারে। কোনও মানুষ একে নিয়ন্ত্রণ করলে ১৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে পারে ড্রোনটি। আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়লে, ৩০ কিলোমিটার দূরেও গিয়ে হামলা চলাতে পারে নাগাস্ত্র। 

    লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকে, তারপর…

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু স্থির না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকে এই ড্রোনগলি। লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে উড়তে উড়তে, সঠিক সময়ে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ‘নাগাস্ত্র-১’ (Nagastra-1 Suicide Drone) হামলা চালায় ‘কামিকাজে’ মোডে (জাপানি শব্দ, অর্থ আত্মঘাতী (Kamikaze Loitering Munition)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন রণতরীগুলি ধ্বংস করার জন্য এই পন্থা নিয়েছিল জাপান। জাপানি বিমান বাহিনীর পাইলটরা যুদ্ধবিমান নিয়ে উড়ে যেত মার্কিন রণতরীর উপর। তারপর, বিমানটি নিয়ে ধাক্কা মারত জাহাজে। জাহাজটিও ধ্বংস হত, বিমানটিও)। ড্রোন শত্রুপক্ষের বাঙ্কার, ছাউনি, অস্ত্রাগারের উড়ে এসে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম নাগাস্ত্র। এমনকি, কোনও বাড়িতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিতেও তা আছড়ে পড়তে পারে। নাগাস্ত্রও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সময়, লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করার পাশাপাশি নিজেও ধ্বংস হয়। সেই কারণে, একে আত্মঘাতী-ড্রোন বলা হয়। 

    নাগাস্ত্র-১ ড্রোনে রয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য

    দিনে ও রাতে নজরদারি চালানোর জন্য, নাগাস্ত্র-১ (Nagastra-1 Suicide Drone) ড্রোনে ২৪-ঘণ্টা ব্যবহারযোগ্য বিশেষ ক্যামেরাও আছে। এতে ডুয়াল সেন্সর আছে। ২৫ কিমি দূরের ছবি পাঠাতে সক্ষম নাগাস্ত্র। এছাড়াও এতে রয়েছে জিপিএস-ভিত্তিক প্রযুক্তি। জিপিএস টার্গেট রেঞ্জ ৬০ কিমি। জিপিএস নির্দেশিত নির্দিষ্ট স্থানে হামলা চালাতে পারে। ভুলচুক হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ২ মিটার। বিদেশে ব্যবহৃত কামিকাজে ড্রোন ফায়ার অ্যান্ড ফর্গেট পদ্ধতিতে চলে। অর্থাৎ, একবার বেরিয়ে গেলে, ফেরানো যায় না। কিন্তু, নাগাস্ত্র এখানে অন্যদের থেকে আলাদা। কোনও সময়ে মনে হলে অভিযান ‘অ্যাবর্ট’ বা বাতিল করতে হবে, তখন মাঝপথে তাকে ফিরিয়ে আনা যায়। পরে ব্যবহারও করা যায়। এক্ষেত্রে, প্যারাশুটের মাধ্যমে সফট ল্যান্ডিং করানো যায়। এই বিশেষ ব্যবস্থা, বিশ্বে আর কোনও আত্মঘাতী ড্রোনে নেই। 

    মোট ৪৮০টির মধ্যে এসেছে ১২০টি

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশে সরঞ্জাম উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়ার জোরালো সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রেক্ষিতেই দেশেই নকশা ও তৈরি করা হয়েছে এই সুইসাইড ড্রোন (Kamikaze Loitering Munition)। নাগপুরের সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের সহযোগী সংস্থা ইকনমিক্স এক্সপ্লোসিভস লিমিটেড কোম্পানি ও জেড মোশন অটোনোমাস সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড নাগাস্ত্র (Nagastra-1 Suicide Drone) তৈরি করেছে। মোট ৪৮০টি ড্রোন বানানোর বরাত দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। প্রথম ব্যাচে এখন চলে এল ১২০টি। ইতিমধ্যেই বিশ্বের নজরে চলে এসেছে ‘নাগাস্ত্র-১’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্ত (Indo-Pak Border) দিয়ে চোরাচালান-গতিবিধির ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে এবার থেকে আরও সজাগ হতে চলেছে সেনার দৃষ্টি। পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে এবার ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে দেশীয় ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোন (Drishti-10) বা চালকবিহীন সশস্ত্র বিমান।

    নজরদারির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র বহনও সক্ষম

    সেনা সূত্রে খবর, পাঞ্জাব সেক্টরের ফরোয়ার্ড বেসগুলিতে এই বিশেষ ড্রোন মোতায়েন করা হচ্ছে। ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় দীর্ঘক্ষণ ধরে উড়তে সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10)। একটানা ৩৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই চালকবিহীন বিমান। সীমান্তে (Indo-Pak Border) নজরদারির পাশাপাশি অস্ত্রবহনেও সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’। এর জন্য বিমানের পেটে তিনটি হার্ড-পয়েন্ট (ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জায়গা) রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই এই ড্রোনগুলি সেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই বিশেষ ড্রোন বানিয়েছে আদানি ডিফেন্স সংস্থা। সূত্রের খবর, জরুরি ভিত্তিতে, ২টি ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোনের বরাত দিয়েছে সেনা। শর্ত এটাই যে, উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ৬০ শতাংশ দেশীয় হতে হবে। 

    পাঞ্জাব ও মরু সীমান্তের নিরাপত্তায় জোর

    সেনা সূত্রের খবর, পঞ্জাব সীমান্তের (Indo-Pak Border) পাশাপাশি, মরু অঞ্চলেও নজরদারি চালাতে ব্যবহৃত হবে এই ড্রোন। বর্তমানে, এই অঞ্চলের নজরদারিতে ‘হেরন মার্ক ওয়ান’ ও ‘হেরন মার্ক টু’ ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এবাপ তার পাশাপাশি ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10) বা ‘হারমিস-৯০০’ ড্রোনের বরাত দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ড্রোন ভারতেই উৎপাদন করবে আদানি ডিফেন্স। এর জন্য ইজরায়েলি সংস্থা এলবিট-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে তারা। সংস্থার দাবি, ড্রোনের ৭০ শতাংশই দেশি হবে। পরবর্তীকালে, সেই অনুপাত আরও বাড়ানো হবে। 

    ‘দৃষ্টি-১০’-এর (Drishti-10) পাশাপাশি ইজরায়েল থেকে আরও বেশ কয়েকটি স্যাট-কম যোগাযোগে সমৃদ্ধ ড্রোন অন্তর্ভুক্ত করেছে ভারতীয় নৌসেনা। গত সপ্তাহে সেগুলি প্রকাশ্যে আনেন ভারতীয় নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার এবং আর্মি এভিয়েশনের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল অজয় সুরী। জানা যাচ্ছে, সেগুলিকে পৌরবন্দরে মোতায়েন করা হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি। কেউ আমাদের এই কাজ থেকে থামাতে পারবে না।” রবিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন গুজরাটের আমেদাবাদে তিনি সূচনা করেন তিরঙ্গা যাত্রার। সেখানেই শাহ বলেন, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর চলছে। আমরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারিনি। কারণ তার আগেই ভারত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কিন্তু দেশের জন্য বাঁচা থেকে আমাদের কেউ থামাতে পারবে না।”

    তিরঙ্গাময় দেশ

    গত বছর স্বাধীনতা দিবসের কথাও মনে করিয়ে দেন শাহ। বলেন, “২০২২ সালে দেশে এমন কোনও বাড়ি ছিল না, যেখানে তিরঙ্গা ওড়েনি। যখন দেশের প্রতিটি বাড়িতে তিরঙ্গা ওড়ে, তখন গোটা দেশটাই তিরঙ্গাময় হয়ে ওঠে। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের’ সময় প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশের মধ্যে দেশপ্রেম বোধের বীজ বপন করেছেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট আজাদি কা অমৃত মহোৎসব শেষ হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট থেকে ২০৪৭ সালে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা আজাদি কা অমৃত কাল উদযাপন করব। স্বাধীনতার ৭৫ বছর থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত ভারতকে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বাঁচব।”

    সীমান্তে পরিকাঠামো 

    প্রসঙ্গত, শনিবার দু দিনের গুজরাট সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কচ্ছে ভারত-পাক সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। দেশ রক্ষায় বিএসএফের ভূয়সী প্রশংসাও করেন শাহ। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সীমান্তে সুরক্ষা ও পরিকাঠামোর উন্নতিকল্পে শাহ কোটেশ্বর এলাকায় বিএসএফের জন্য একটি আঘাটার শিলান্যাস করেন শাহ। চিড়িয়ামোড়-বিয়ারবেট লিঙ্ক রোডেরও উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হরমি নালা এলাকায় একটি ওপি টাওয়ারেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আঘাটাটি তৈরি (Amit Shah) করতে খরচ হবে ২৫৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি গড়ে উঠবে ৬০ একর জমিতে। ক্রিক এলাকায় ওয়াটার ভেসেল চালাতে এই জলাশয়টি ব্যবহার করা হবে। ক্রিক এলাকায় জলপথে নিরাপত্তা রক্ষার কাজেও লাগবে ওই আঘাটা। বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমি নালা এলাকায় যে ওপি টাওয়ার হচ্ছে, সেজন্য ব্যয় হবে তিন কোটি টাকা। এই টাওয়ার থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sharada Temple: পাক-সীমান্তে সারদা মন্দির উদ্বোধন অমিত শাহের, দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি

    Sharada Temple: পাক-সীমান্তে সারদা মন্দির উদ্বোধন অমিত শাহের, দিলেন বড় প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন, শুক্লা প্রতিপদের পুণ্য তিথিতে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়াড়া জেলার টিটওয়াল গ্রামে দেবী সারদার একটি মন্দির (Sharada Temple) উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত সারদা পীঠের ইতিহাস

    পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে মুজফফ্‌রাবাদ থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে নীলম উপত্যকায় রয়েছে ১৮টি মহাশক্তি পীঠের একটি সারদা পীঠ (Sharada Temple) এবং সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ। ষষ্ঠ থেকে বারোশো শতকের মাঝে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির বিশ্ববিদ্যালয়। সুলতানি এবং মোগল আমলে এশিয়ার অন্যতম সেরা সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র ছিল এই সারদা পীঠ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। নালন্দা-তক্ষশীলার থেকেও প্রাচীন ওই বিশ্ববিদ্যালয়টি পরবর্তী সময়ে বিদেশি হানাদারদের হামলায় ধ্বংস হয়ে যায়। 

    আরও পড়ুন: একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

    নিয়ন্ত্রণরেখার এত কাছে মন্দির!

    এক সময়ে সারদা পীঠের উদ্দেশে তীর্থযাত্রা শুরু হত আজকের টিটওয়াল গ্রাম থেকে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার ঠিক পরেই পাক হামলায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় টিটওয়ালের সারদা মন্দির এবং গুরুদ্বার। প্রায় তখন থেকেই ওই এলাকায় ওই মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিল উপত্যকার পণ্ডিত সমাজ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ওই মন্দিরের ধাঁচেই কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার টিটওয়াল গ্রামে নিয়ন্ত্রণরেখা ঘেঁষে তৈরি হয়েছে সারদা মন্দির (Sharada Temple)। স্বাধীনতার পর প্রথমবার নিয়ন্ত্রণরেখার এতো কাছে তৈরি করা হয়েছে হিন্দু মন্দির। 

    ভার্চুয়ালি মন্দির উদ্বোধন করলেন অমিত শাহ

    সম্প্রতি, এই মন্দিরের পুনর্নির্মানের কাজ শেষ হয়। বিগ্রহ তৈরি হয় কর্নাটকে। সারদা হল দেবী সরস্বতীর অপর নাম। দেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ তিথিকেই বেছে নিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারণ, এদিন থেকেই শুরু হয়েছে হিন্দু নববর্ষ। বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত ওই মন্দিরটির (Sharada Temple) উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহ বলেন, ‘‘৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পরে কাশ্মীরের পরিস্থিতি যে শান্ত হয়েছে, তা সীমান্ত এলাকায় ওই মন্দির নির্মাণ থেকেই স্পষ্ট। এই মন্দিরের উদ্বোধন একটি নতুন ভোরের সূচনা করল। এটা পুরাতন সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার সূচনা। নতুন বছর থেকে মাতা সারদার মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল।’’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘শাহি’-প্রতিশ্রুতি

    শাহ আরও জানান, নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে যে সারদা মন্দির (Sharada Temple) রয়েছে, কর্তারপুর করিডরের ধাঁচে সেই মন্দিরে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায় না কি সেটা কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। অমিত শাহ চাইছেন, হিন্দুধর্মের অন্যতম এই তীর্থস্থান হিন্দুদের জন্য খুলে দিতে।

  • India-Pakistan Border: ভারত-পাক সীমান্তে সিধু মুসেওয়ালার গান বাজাল পাকিস্তানি সেনা, নেচে উঠলেন ভারতীয় জওয়ানরা

    India-Pakistan Border: ভারত-পাক সীমান্তে সিধু মুসেওয়ালার গান বাজাল পাকিস্তানি সেনা, নেচে উঠলেন ভারতীয় জওয়ানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় গায়ক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) আর না থাকলেও তাঁর গান তো রয়েছেই কিন্তু এবারে তাঁর গানের তালে মিলেমিশে গিয়েছে দুই শত্রু দেশও। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সিধু মুসেওয়ালার গান বাজছে ভারত-পাক সীমান্তে। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি মুসেওয়ালার গানের তালে তালে কোমর দোলাচ্ছেন ভারতীয় ও পাক জওয়ানরা। আর এই ভিডিও শেয়ার করতেই ব্যাপকভাবে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে।

    এর থেকেই বোঝা গেল সিধুর গান শুধুমাত্র ভারতেই জনপ্রিয় নয়, পাকিস্তানেও সিধুর গান তেমনভাবেই জনপ্রিয়। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সীমান্তের ওপারে পাকিস্তান থেকে হঠাৎই সিধু মুসেওয়ালার জনপ্রিয় ‘বামবিহা বোলে’ (Bambiha Bole) গানটি ভেসে আসে। অন্যদিকে সেই গানের তালে পা মেলান ভারতীয় সেনারা। ইতিমধ্যেই এর ভিডিও ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন আইপিএস আধিকারিক এইচজিএস ঢালিওয়াল। আর ভারত-পাক সীমান্তের এই ভিডিও দেখে উচ্ছ্বসিত নেটনাগরিকরা। ভিডিও শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সীমান্ত পেরিয়ে বাজছে মুসেওয়ালার গান। ভেদাভেদ ঘুচিয়ে সংযোগ স্থাপন।’

    আরও পড়ুন: মুসেওয়ালাকে খুনের পর বন্দুক নিয়ে উল্লাস খুনিদের, প্রকাশ্যে ভিডিও

    ২৯ সেকেন্ডের এই ভিডিও-র কমেন্ট সেকশনে হাজার হাজার মানুষ কমেন্ট করেছেন। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ৩ লক্ষেরও উপর শেয়ার হয়েছে ভিডিওটি। কেউ কমেন্টে প্রয়াত গায়ক সিধুকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। কেউ আবার ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন, সংগীতের এটিই সৌন্দর্য ও শক্তি যে দুটো দেশকে এক করেছে।

    প্রসঙ্গত, সিধু মুসেওয়ালার হত্যার পর প্রায় তিন মাস কেটে গেছে। ২৯ মে ভারতের পাঞ্জাবের মানসায় প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যস্ত রাস্তায় গুলি করে মারা হয় জনপ্রিয় গায়ক ও কংগ্রেস নেতা সিধু মুসেওয়ালাকে। তিন দিক থেকে গুলি চালানো হয় তার ওপর। ঘটনাস্থলেই মারা যান সিধু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share