Tag: india population

india population

  • India population: ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা পৌঁছাবে ১৫২.২ কোটিতে, প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

    India population: ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা পৌঁছাবে ১৫২.২ কোটিতে, প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের জনসংখ্যাকেও ছাপিয়ে যাবে ভারত। সম্প্রতি পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা (India population) ১৫২.২ কোটিতে পৌঁছাবে। একইসঙ্গে পরবর্তী ১২ বছরে সামান্য হলেও বাড়বে দেশের মহিলা জনসংখ্যার হার। সরকারের “উইমেন অ্যান্ড মেন ইন ইন্ডিয়া ২০২৩” এর ২৫ তম সংস্করণে তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে।  

    আর কী কী তথ্য জানা গিয়েছে? (India population) 

    প্রকাশিত হওয়া তথ্যে পুরুষ ও মহিলাদের একটি সমীক্ষা সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০৩৬ সালে মোট জনসংখ্যার ৪৮.৮ শতাংশ হবে মহিলা। যেখানে ২০১১ সালে সেটা ছিল ৪৮.৪ শতাংশ। ফলত শুধু এটাই নয়, লিঙ্গ অনুপাতেও বৃদ্ধি (Sex Ratio) পাবে মহিলাদের হার। ২০১১ সালে ১০০০ জন পুরুষের তুলনায় মহিলা সংখ্যা ছিল ৯৪৩ জন, তবে ২০৩৬ সালে অনুমান করা হচ্ছে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ৯৫২ জনে। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, “লিঙ্গ পরিসংখ্যান লিঙ্গ সমতা এবং পরিমাপের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

    আরও পড়ুন: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    কমেছে শিশুমৃত্যুর হার 

    তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সি ব্যক্তিদের অনুপাত ২০৩৬ সালে অনেকটাই কমবে। অন্যদিকে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সিদের জনসংখ্যা (India population) বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, শিশুমৃত্যুর হারও কমেছে। পাঁচ বছরের কম বয়সি বাচ্চাদের মৃত্যুর হার ২০১৫ সালে ৪৩ থেকে কমে ২০২০ সালের ৩২ হয়েছে।  
    সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা (India population) বর্তমানে ১৪২ কোটি ৮৬ লক্ষ। অন্যদিকে চিনের জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৫৭ লক্ষ। তাই বলাই বাহুল্য একবিংশ শতাব্দীর শেষে ভারতই হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China Population: ছয় দশকে প্রথমবার কমল চিনের জনসংখ্যা, ভারতই হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ?

    China Population: ছয় দশকে প্রথমবার কমল চিনের জনসংখ্যা, ভারতই হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছয় দশকে এই প্রথমবার! ১৯৬১ সালের পর প্রথম রেকর্ডহারে চিনের জনসংখ্যা কমল। ফলে চলতি বছরেই ভারতই বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই চিন ও ভারত জনসংখ্যার নিরিখে একে অপরকে টেক্কা দিয়ে চলছিল। তবে এবারে খুব শীঘ্রই চিনকে ছাপিয়ে ভারতই হতে চলেছে বিশ্বের জনবহুল দেশ। আজ, মঙ্গলবার ন্যাশনাল ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চিনের জনসংখ্যা কমছে। দীর্ঘ ৬০ বছর পর রেকর্ড পতন হয়েছে জন্মের হারে। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, আগের বছর ১৪১ কোটির মধ্যে চিনের জনসংখ্যা ৮ লক্ষ ৫০ হাজার কমেছে।

    চিনের জনসংখ্যার গ্রাফ নিম্নমুখী

    এদিন পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, চিনের জনসংখ্যা ২০২২ সালে ৮৫০,০০০ জন কমে ১.৪১১৭৫ বিলিয়ন হয়েছে। ইউএন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে এই জনসংখ্যা প্রায় ১০৯ মিলিয়ন কমে যাবে। আরও জানা গিয়েছে, গত বছর ওই দেশে জন্মহার প্রতি ১০০০ মানুষের মধ্যে ছিল ৬.৭৭ শতাংশ। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে সেটা ছিল ৭.৫২ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছর চিনের জন্মহার ছিল সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ১৯৭৬ সালের পর চিনে মৃত্যুহারও সর্বাধিক হয়েছে। প্রতি হাজার জনে ৭.৩৭ শতাংশ। যা আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে ছিল ৭.১৮ শতাংশ। ফলে গত ৬০ বছরে এই প্রথম বার এমন হারে কমেছে জনসংখ্যা। আবার চিনে গত বছর জন্ম হয়েছে ৯৫ লক্ষ শিশুর। তবে, ২০২২ সালে চিনে মৃত্যু হয়েছে বেশি।

    আরও পড়ুন: ‘দোষী’ আইনজীবীদের চিহ্নিত করে মামলা, বিচারপতি মান্থা বিক্ষোভকাণ্ডে বলল হাইকোর্ট

    জনসংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ কী?

    জানা গিয়েছে, চিনের জনসংখ্যা এমন হারে হ্রাস পাওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হল ‘ওয়ান চাইল্ড পলিসি’। জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঠেকাতে ১৯৭৯ সালে এক সন্তান নীতি চালু করেছিল চিন। এটি ১৯৮০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছিল। এর পর ২০১৬ সালেই ‘এক সন্তান নীতি’ প্রত্যাহার করে দুই সন্তানের অনুমোদন দিয়েছিল চিন। কিন্তু তার পরেও জন্মহারের পতন অব্যাহত। এছাড়া শিক্ষা সংক্রান্ত খরচ আকাশছোঁয়া হওয়ায় অভিভাবকরা সন্তানের জন্মে রাশ টেনেছেন। এক সন্তানের বেশি কেউ-ই চাইছেন না। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, এর পর করোনার ফলে চিনে জিরো কোভিড পলিসি চালু করা হলে এটিও জনসংখ্যা হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    জনসংখ্যা কমায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

    চিনের এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে কয়েক জন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন যে, চিনের জনসংখ্যা যদি ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তা হলে তার উল্টো প্রভাব পড়বে। চিনের অর্থনীতির পাশাপাশি সারা বিশ্বের অর্থনীতিও ধাক্কা খাবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী চিনে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সংখ্যা অনেকটা বেশি হয়ে পড়েছে। ফলে এমন একটি দিন খুব শীঘ্রই আসবে যখন চিনের গতি বাড়াতে কর্মক্ষম বয়সের পর্যাপ্ত লোক থাকবে না। অর্থাৎ জন্মহার কমে আসার ফলে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোকবলের অভাব দেখা দিতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৬০ সালে চিনে শেষবারের মত জনসংখ্যা কমেছিল। সেইবার চিন সম্মুখীন হয়েছিল আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ দুর্ভিক্ষের। এর পর দীর্ঘ ছয় দশক পর ফের জনসংখ্যা কমল চিনে।

  • India’s population: আগামী ৭৮ বছরে জনসংখ্যা  হ্রাস পাবে ৪১ কোটি ! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    India’s population: আগামী ৭৮ বছরে জনসংখ্যা হ্রাস পাবে ৪১ কোটি ! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭৮ বছরে অর্থাৎ ২১০০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা কমতে পারে ৪১ কোটি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের জনসংখ্যা বিষয়ক প্রজেক্টে বলা হয়েছে, বর্তমানের ১৪১.২ কোটি থেকে ২১০০ সালে ভারতের জনসংখ্যা ১০০.৩ কোটি হতে পারে। 

    ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। বিশ্বে একমাত্র চিনের সংখ্যা ভারতের থেকে বেশি। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের জনসংখ্যা বিভাগের তরফে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যা আগামী কয়েক বছরে দ্রুত কমবে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে আগামী ৭৮ বছরে জনসংখ্যা প্রায় ৪১ কোটি হ্রাস পাবে। ভারতের জনসংখ্যার হ্রাস বিশ্বের জনসংখ্যার ওপর প্রভাব পড়বে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।

    ভারতের জনসংখ্যা হ্রাসের কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, দেশে প্রজনন হ্রাস হবে। স্ট্যানফোর্ডের গবেষণার দেখা গিয়েছে, কোনও দেশের জনসংখ্যা হ্রাসের জন্য একদিকে যেমন প্রজনন হার হ্রাস দায়ী তেমনি মৃত্যু ও অভিভাবসন অন্যতম কারণ। তবে ল্যানসেট মেডিক্যাল জার্নালের একটি সমীক্ষাতে বলা হয়েছে, ২০৪৮ সাল পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দ্রুত হারে বাড়তে থাকবে। এই সময় ভারতের জনসংখ্যা সর্বোচ্চ হবে। তারপর দেশের জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। ২০৪৮ সালের তুলনায় ২১০০ সালে ভারতের জনসংখ্যা ৩২ শতাংশ কমে যাবে।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরে ২৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে মধ্যপ্রদেশে, দেশে সর্বাধিক

    অধিক জনসংখ্যার ফলে একজন ব্যক্তির জন্য রসদ কমে যায় এটা ঠিক, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, জনসংখ্যা কমায় আদৌ কোনও লাভ হবে না দেশের। যখন জনসংখ্যা বৃদ্ধি নেতিবাচক হয়ে যায়, জ্ঞান এবং জীবনযাত্রার মান থমকে যায় এবং সেই জনসংখ্যা ক্রমশ শূন্যের দিকে এগোতে থাকে, যা অবশ্যই উদ্বেগজনক। 

    গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ভারতের জনঘনত্ব ক্রমশ কমে যাচ্ছে। বর্তমানে ভারত এবং চিনের জনসংখ্যা অনেকটা একরকম দেখালেও ঘনত্বের দিক থেকে অনেক পার্থক্য রয়েছে। ভারতে প্রতি বর্গকিমি এলাকায় গড়ে ৪৭৬ জন বাস করে, সেখানে চিনে বাস করে মাত্র ১৪৮ জন। ২১০০ সালের মধ্যে প্রতি বর্গকিমিতে ৩৩৫ জন করে কমে যামে। গোটা বিশ্বে জনঘনত্ব যতটা কমবে বলে ধারণা তার থেকে অনেক বেশি কমবে ভারতে।

  • Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাগজে কলমে করা হবে না জনগণনা (census)। বরং তার পরিবর্তে আসছে নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি।  যার পোশাকি নাম ই-সেনসাস (E-Census) বা ই-জনগণনা। ১০০ শতাংশ নির্ভুল হবে এই পদ্ধতি। সোমবার অসম (Assam) সফরে গিয়ে এমনটাই ঘোষণা করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অসমের আমিনগাঁওয়ে একটি জনগণনা দফতরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) বলেন, দেশের পরবর্তী জনগণনা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এই পদ্ধতিতে ১০০ শতাংশ নির্ভুল গণনা করা যাবে। গণনা পদ্ধিতকে নিখুঁত করার জন্য অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের আর্থিক সহ অন্যান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা পালন করে জনগণনা । একমাত্র জনগণনার মাধ্যমেই জানা যায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান কেমন।

    ই-সেনসাস পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সব মানুষের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত সব তথ্য একসঙ্গে এক জায়গায় আনা হবে। এতেই ডিজিটালি জনগণনা আপডেট হয়ে যাবে। শিশুর জন্মের পরই তা সেনসাস রেজিস্টারে নথিভূক্ত করতে হবে। ১৮ বছর বয়সে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে তাও সেই পোর্টালে আপডেট হয়ে যাবে। এর জন্য শীঘ্রই একটি সফটওয়্যার লঞ্চ করা হবে। সেখানে আমি ও আমার পরিবার প্রথমে জনগণনার ফর্ম ফিলাপ করব।”

    করোনার (Covid-19) কারণে মাঝে জনগণনার কাজ আটকে গিয়েছিল । এবার বহুদিন ধরে বাকি থাকা জনগণনার কাজ সেরে ফেলতে চায় কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে, অনলাইনে জনগণনা শুরু হলে, সেই সমস্যা আর থাকবে না বলে মনে করছেন অমিত শাহ।    

     

LinkedIn
Share