Tag: India US relation

India US relation

  • Piyush Goyal: আগামী ৫ বছরে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়ে হবে দ্বিগুণ! কী বলছেন পীযূষ গোয়েল?

    Piyush Goyal: আগামী ৫ বছরে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়ে হবে দ্বিগুণ! কী বলছেন পীযূষ গোয়েল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (India US Relation) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ও আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে মোদি (Piyush Goyal)

    সম্প্রতি দু’দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় ভারত ও আমেরিকা ঘোষণা করেছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ পারস্পরিক সুবিধাজনক, বহু-ক্ষেত্রভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রথম পর্ব নিয়েও আলোচনা হবে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী (Piyush Goyal) বলেন, “আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, আমরা বাণিজ্যের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    তিনি বলেন, “এই চুক্তি নিয়ে উচ্ছ্বসিত দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।” চুক্তিতে পণ্য, পরিষেবা এবং বিনিয়োগ সম্পর্কিত অধ্যায় থাকবে কিনা তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “ওই দেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী এখনও এ ব্যাপারে কোনও কিছু নিশ্চিত করেননি। ওঁরা নিশ্চিত করার পর আমরা আলোচনা করব এবং তারপরই আমরা পরবর্তী পন্থা নির্ধারণ করতে পারব।” তিনি জানান, একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে দুটি বাণিজ্যিক অংশীদার তাদের মধ্যে বাণিজ্য হওয়া সর্বাধিক সংখ্যক পণ্যের ওপর শুল্ক সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে বা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। এছাড়াও, তারা পরিষেবার বাণিজ্য প্রচার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করে।

    প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দুই দেশ একটি ক্ষুদ্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিল। তবে জো বাইডেন প্রশাসন এ ধরনের চুক্তির পক্ষে না থাকায় এটি স্থগিত করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য ও পরিষেবা বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯০.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই বছরে আমেরিকায় ভারতের পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ৮৩.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর আমদানি ছিল ৪০.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই সেবার ভারতের অনুকূলে ৪৩.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন (India US Relation) ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি, যার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে (Piyush Goyal)।

  • Indian Migrants: আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে দ্বিতীয় বিমান ভারতে আসবে শনিবার

    Indian Migrants: আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে দ্বিতীয় বিমান ভারতে আসবে শনিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা থেকে বেআইনি ভারতীয় অভিবাসীদের (Indian Migrants) নিয়ে দ্বিতীয় বিমানটি শনিবার পাঞ্জাবে অবতরণ করবে। দ্বিতীয় দফায় ১১৯ জন অবৈধ অভিবাসী নিয়ে মার্কিন বিমান অবতরণ করবে পাঞ্জাবের অমৃতসর বিমানবন্দরে৷ এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় মার্কিন সেনাবাহিনীর সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানে অমৃতসর বিমানবন্দরে নামেন ১০৪ জন অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী৷ এই অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে গুজরাট ও হরিয়ানার ৩৩ জন এবং পাঞ্জাবের ৩০ জন বাসিন্দা ছিলেন৷

    কখন আসবে বিমান

    সরকারি সূত্রে খবর, শনিবার রাত ১০টা নাগাদ বিমানটি অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারে ৷ এই ১১৯ জন অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের (Indian Migrants) মধ্যে ৬৭ জন পঞ্জাবের, ৩৩ জন হরিয়ানার, ৪ জন গুজরাটের, ৩ জন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি গোয়া, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থান থেকে ২ জন করে এবং হিমাচল প্রদেশ ও জম্মু-কাশ্মীর থেকে একজন বাসিন্দা রয়েছেন ৷ এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় দফায় অবৈধ ভারতীয়দের নিয়ে আরও একটি বিমান আমেরিকা থেকে ভারতে আসবে বলে জানা গিয়েছে ৷ ভালোভাবে বাঁচার জন্য আমেরিকায় গিয়েছিলেন এই অবৈধ অভিবাসীরা ৷ আমেরিকার সীমান্তে তাঁরা প্রশাসনের হাতে ধরা পড়েন এবং তাঁদের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ৷

    অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে সমস্যা

    এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, বেআইনি ভারতীয় অভিবাসীদের (Indian Migrants) মোট তিন দফায় ফেরত পাঠাতে চলেছে আমেরিকা। প্রথম বিমানটি এসেছে ৫ ফেব্রুয়ারি। ১৫ তারিখ আসার কথা দ্বিতীয় বিমানের। আগের বারের মতো এ বারেও সেটি অমৃতসর বিমানবন্দরেই নামবে। পঞ্জাবের অর্থমন্ত্রী হরপাল চিমা অবশ্য এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন, আমেরিকার প্রশাসন ভারতকে বলেই সব কিছু করছে। আমেরিকায় নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এ পর্যন্ত মোট ৪৮৭ জন ভারতীয়কে বেআইনি অভিবাসী বলে চিহ্নিত করেছে এবং বিতাড়নের নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমেরিকা সফরে গিয়ে পরিষ্কার জানিয়েছেন, শুধু ভারত নয়, অবৈধ অভিবাসীদের সমস্যা সারা বিশ্বে ৷ মার্কিন মুলুকে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত নেবে ভারত ৷ তিনি আরও জানান, এই অবৈধ অভিবাসীদের অধিকাংশই মানব পাচারের শিকার৷ উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে বিপুল টাকা নেয় দালালরা৷ এরপর ওই অভিবাসীদের বেআইনি পথে আমেরিকা নিয়ে যাওয়া হয়৷

  • India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও মজবুত হতে চলেছে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক (India-US Relation)। আগামী মাসেই আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার এই কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নানা বিষয় নিয়ে ফোনে কথা হয় মোদি-ট্রাম্পের। তারপরেই প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের বিষয়টি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ভারতের উপরে আস্থা রেখে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ‘বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যেটা ঠিক, ভারত সেটাই করবে।’ জানা গিয়েছে, বিশ্ব শান্তির পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিশেষত ভারত-আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক এবং চিনের দাপট রুখতে কোয়াড জোটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

     

    ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সফরে মোদি

    সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প (Trump Talks With Modi) শুধু বলেছেন যে ‘ফেব্রুয়ারির কোনও একটা সময় আমেরিকায় আসবেন মোদি।’ তবে ঠিক কবে আমেরিকায় যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কতদিন থাকবেন, সফরসূচিতে কী কী থাকবে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছু জানাননি। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ট্রাম্প ৷ শপথ নেওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি ৷ তবে সোমবার দু’জনের মধ্যে প্রথমবার ফোনে কথা হয় ৷ তারপরই মোদির আমেরিকা সফরের কথা বলেন ট্রাম্প। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

     

    ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ

    দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (India-US Relation) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথমবার সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তাঁদের এই ফোনালাপ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস৷ দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ভারত-মার্কিন সহযোগিতার পথ আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে৷ আমেরিকার অভিবাসীদের মধ্যে একটা বড় অংশ ভারতীয় জনতা। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “অভিবাসন নিয়ে কথা হয়েছে মোদির সঙ্গে। অভিবাসীদের ফেরানোর ক্ষেত্রে ভারত সঠিক পদক্ষেপই করবে।”

     

    বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত

    ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের (Trump Talks With Modi) পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘‘আমার প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত। তাঁর ঐতিহাসিক দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য অভিনন্দন। পারস্পরিক উন্নয়ন এবং বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের জনগণের কল্যাণে এবং বিশ্বের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য আমরা একযোগে কাজ করব।’’ ট্রাম্প ও মোদির ফোনালাপ সম্পর্কে হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ ফলপ্রসূ হয়েছে । দুই রাষ্ট্রনেতা পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর ও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেছেন ৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকায় তৈরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম ক্রয় বৃদ্ধির জন্য দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্ব দিয়েছেন ’’

     

    বেআইনি অভিবাসন

    নতুন করে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরেই আমেরিকা থেকে বেআইনি অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির (India-US Relation) তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে উপযুক্ত নথি দেওয়া হলে বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে। গত সপ্তাহে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “আমরা বেআইনি অভিবাসনের বিরোধী। কারণ সেই বিষয়টা বিভিন্ন ধরনের সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।” তিনি আরও বলেছেন, “শুধুমাত্র আমেরিকায় থাকা ভারতীয়দের ক্ষেত্রে নয়, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে যদি ভারতীয়রা নির্ধারিত সময়ের থেকে বেশি থাকেন বা উপযুক্ত নথি ছাড়া সংশ্লিষ্ট দেশে থাকেন, তাহলে আমরা তাঁদের ফিরিয়ে নেব। আমাদের সঙ্গে উপযুক্ত নথি ভাগ করে নিতে হবে, যাতে আমরা তাঁদের নাগরিকত্ব যাচাই করে নিতে পারি এবং নিশ্চিত হতে পারি যে তাঁরা সত্যিই ভারতীয়। যদি সেটাই বিষয় হয়, তাহলে আমরা পুরো বিষয়টা এগিয়ে নিয়ে যাব এবং তাঁদের ভারতে ফেরানোর কাজটা প্রশস্ত করব।”

     

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের গুরুত্ব

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বেআইনি অভিবাসীদের ফেরানোর মতো ‘ছোট’ ব্যাপারে ট্রাম্পের মন জিতে নিয়ে ‘বড়’ কাজের পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি (India-US Relation)। যে তালিকায় এইচ-১বি ভিসা, বাণিজ্যের মতো বিষয় থাকতে পারে। মোদি এবং ট্রাম্প উভয়ই ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াড অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁদের প্রতিশ্রুতির উপর জোর দিয়েছেন ৷ চলতি বছরের শেষের দিকে প্রথমবার ভারতে হবে কোয়াড বৈঠক৷ অনেক দেশের মতোই অভিবাসন এবং শুল্কের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কিছুটা হলেও উদ্বেগে রয়েছে ভারত৷ ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন ৷ ৯ সদস্যভুক্ত ব্রিকসে ভারতও অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আসন্ন মোদি-ট্রাম্প বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ৷

  • India US Nuclear Cooperation: অসামরিক পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে উদ্যোগী আমেরিকা

    India US Nuclear Cooperation: অসামরিক পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে উদ্যোগী আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোখরানে পরমাণু পরীক্ষার জেরে যে ভারতীয় পারমাণবিক সংস্থাগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করতে চলেছে আমেরিকা। ভারত সফরে এসে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান জানান, ভারতের প্রধান পরমাণু সংগঠন ও মার্কিন কোম্পানিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাধাগ্রস্ত করে এমন বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সভায় দেওয়া ভাষণে জো বাইডেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এই ঘোষণা করেছেন। সুলিভানের মতে, এই পদক্ষেপ ‘অতীতের সংঘাত’ থেকে সরে আসার একটি সুযোগ।

    কী বললেন সুলিভান

    হোয়াইট হাউসে নেতৃত্ব বদলের প্রস্তুতির মাঝেই শেষবারের মতো ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা। সোমবার নয়াদিল্লিতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এর পরই ভারতের জন্য পরমাণু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘শীর্ষ পারমাণবিক প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে মার্কিন সংস্থাগুলির সহযোগিতা বন্ধের যে বিধিনিষেধ ছিল তা তুলে নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় এই পদক্ষেপের জেরে অতীতের সমস্যা কাটিয়ে এক নয়া অধ্যায় শুরু করতে চলেছে দুই দেশ। এর ফলে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি, দুই দেশের বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদরা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন।’’

    কেন নিষেধাজ্ঞা

    ১৯৯৮ সালে পোখরানের মাটির নিচে পরমাণু পরীক্ষা করেছিল ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সেই সাফল্যের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার পর ভারতের উপর অর্থনৈতিক তো বটেই পরমাণু বিষয়ক ২০০টির বেশি সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও, সংস্থাগুলির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেনি তারা। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল, ‘ভাভা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার’-এর ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি, ‘ইন্দিরা গান্ধী সেন্টার ফর অ্যাটমিক রিসার্চ’, ‘ইন্ডিয়ান রেয়ার আর্থ’, ‘নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর্স’-এর মতো সংস্থাগুলি। 

    পিছু হঠল আমেরিকা

    অবশেষে পরমাণু পরীক্ষার ২৬ বছর পর এবার জেদ ছেড়ে পিছু হঠল আমেরিকা। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরমাণু শক্তি উৎপন্নের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত ভারতের জন্য ভালো খবর তো বটেই, পাশাপাশি পরমাণু ক্ষেত্রে দুই দেশ ভবিষ্যতে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের সুবিধা পাবেন ভারতের অসামরিক একাধিক পারমাণবিক পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান। ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত: অভিন্ন ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুলিভান এই বিধিমালা অপসারণের পদক্ষেপকে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে বর্ণনা করেছেন। 

    শীঘ্রই কাগজপত্র তৈরি

    ২০০৫ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লু বুশের মধ্যে বৈঠকের সময় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার জন্য একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা উন্মোচন করেছিল। ২০০৮ সালে ভারত-মার্কিন অসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, কিন্তু নিয়ন্ত্রক বাধার কারণে ভারতকে মার্কিন পরমাণু চুল্লি সরবরাহের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। সুলিভান জানান, ভারত ও আমেরিকার মধ্য শীঘ্রই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কাগজপত্র স্বাক্ষর করা হবে।

    সুলিভান বলেন, বাইডেন প্রশাসন ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে মার্কিন-ভারত অংশীদারিত্বকে দৃঢ় করার পরবর্তী বড় পদক্ষেপ করার সময় এসেছে। কৌশলগত অংশীদার হিসেবে এবং শান্তিপূর্ণ পরমাণু সহযোগিতার অঙ্গীকারবদ্ধ দেশ হিসেবে আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছি এবং যে অগ্রগতি অব্যাহত রাখব তার প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ এটি। এটি চার বছর ধরে আমাদের প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ সম্পর্কের ফলাফল, যা আমাদের একসঙ্গে এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে সক্ষম করেছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: আমেরিকায় ট্রাম্প জয়ী হওয়ায় লাভবান হবে ভারত, বলছে রেটিং সংস্থা মুডিজ

    Donald Trump: আমেরিকায় ট্রাম্প জয়ী হওয়ায় লাভবান হবে ভারত, বলছে রেটিং সংস্থা মুডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আগামী ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মুডিজ রেটিংয়ের মতে, এর ফলে মার্কিন-চিন উত্তেজনা বাড়বে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগে সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতার কারণে ভারত (India) ও অন্য এশীয় দেশগুলির লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    কী বলছে মুডিজ (Donald Trump)

    গ্লোবাল রেটিং সংস্থা মুডিজের আশা, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত খাতে মার্কিন বিনিয়োগ কঠোর হওয়ার ফলে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের প্রবাহ আরও বেশি করে চিন থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। এতে আদতে উপকৃত হবে ভারত। এটি ইতিবাচক হতে পারে ভারতের অর্থনীতি ও আসিয়ান (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া গোষ্ঠীভুক্ত) দেশগুলির পক্ষে। এই পরিবর্তন চিনের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্দা ডেকে আনবে আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিতে। আমেরিকার এই পদক্ষেপের ফলে লাভবান হতে পারে ভারত ও আসিয়ান দেশগুলি। মুডিজ জানিয়েছে, ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন ও এক্সিকিউটিভ ক্ষমতার মাধ্যমে অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের একাধিক বিকল্প থাকবে।

    ট্রাম্পের কর সংস্কার প্রস্তাব

    মুডিজের আশা, ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন বাজেট, বাণিজ্য, জলবায়ু এবং অভিবাসন নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে। এগুলির সঙ্গে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতির বিস্তর ফারাক হবে। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প কর সংস্কার প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল, সতেরো সালের ট্যাক্স কাটস অ্যান্ড জবস অ্যাক্ট স্থায়ী করা, কর্পোরেট ট্যাক্সের হার কমানো এবং আয়ের ওপর কর ছাড় দেওয়া। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিকল্পনাগুলি, নির্দিষ্ট ট্যারিফের সঙ্গে মিলিয়ে, বিশেষ করে চিনা পণ্যের ওপর উচ্চ হারে ট্যারিফ প্রয়োগ করলে, আমেরিকার ফেডারেল ঘাটতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস-জেএমএমের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন”, বার্তা মোদির

    মুডিজের দাবি, ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সুরক্ষামূলক বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করতে পারে। ট্রাম্পের এই নীতি আমদানির ওপর নির্ভরশীল খাতগুলির (উৎপাদন, প্রযুক্তি এবং খুচরা) জন্য ঝুঁকিবহুল হতে পারে। সংস্থার দাবি, সুরক্ষামূলক পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক সরবরাহ (India) শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং আমদানি করা উপকরণ ও পণ্যের ওপর নির্ভরশীল খাতগুলির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির তখতে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি নির্বাচিত হতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা। এঁদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও (Jake Sullivan)। মঙ্গলবার ফল ঘোষণা হয় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের। বুধবারই প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন বাইডেন। তখনই বাইডেন জানান, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান আসবেন ভারত সফরে। তাঁর সফর নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার বিশদে আলোচনা হয় বলেও খবর।

    হোয়াইট হাউসের বার্তা (Jake Sullivan)

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সদর দফতর হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন জুনিয়র আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর এবং এনডিএর ঐতিহাসিক জয়ের কারণে অভিনন্দন জানানো হয়েছে তাঁকে।’ আরও জানানো হয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের আসন্ন নয়াদিল্লি সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। দুই রাষ্ট্রনায়কের বিশ্বস্ত, কৌশলগত, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব-সহ মার্কিন-ভারত অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের নয়া সরকারকে যুক্ত করতে নয়াদিল্লিতে আসছেন জেক।’ 

    কবে আসছেন সুলিভান

    সুলিভান (Jake Sullivan) কবে ভারত সফরে আসছেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে শনিবার তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবে মোদি সরকার। তার পরের দুদিনও সম্ভবত ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তাই ওই সপ্তাহের শেষের দিকে নয়াদিল্লিতে আসতে পারেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বার্তালাপের পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ধু জো বাইডেনের কাছ থেকে ফোন কল পেয়ে আমি আপ্লুত। তাঁর অভিনন্দনবার্তা ও ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর উৎসাহ আমার কাছে মূল্যবান। আসন্ন বছরগুলিতে ভারত-মার্কিন বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আরও অনেক ল্যান্ডমার্কের সাক্ষী থাকবে। মানবতার কল্যাণ এবং বিশ্বের ভালোর জন্যই আমাদের অংশীদারিত্ব আরও জোরালো হবে।”

    আর পড়ুন: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    এদিকে, পৃথক একটি বিবৃতিতে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির চেয়ারম্যান, সেনেটর বেন কার্ডিন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সারা দেশে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ভোট দেওয়ায় যারপরনাই খুশি তিনি। বলেন, “তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও ভোট দিয়েছেন ভারতবাসী। এভাবে তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন (Jake Sullivan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউ টার্ন আমেরিকার! দিন কয়েক আগেই যে দেশ ভারতকে চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসিয়ে ‘জেনোফোবিক’ (বিদেশিদের ভয় পায় যারা) তকমা দিয়েছিল, সেই দেশের মুখেই কিনা ভারত-প্রশস্তি! ফিরে আসা যাক খবরে। সম্প্রতি ভারতে শেষ হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। রাত পোহালেই সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ-পর্ব।

    কী বললেন মার্কিন কর্তা? (India US Relation)

    তার আগে হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিউনিকেশনস অ্যাডভাইসার জন কিরবি বলেন, “ভারতের চেয়ে বেশি ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি আর কোথাও নেই। আপনারা জানেন, গণতন্ত্রের উৎসবে ভারতীয় জনগণের অংশগ্রহণকে আমরা প্রশংসা করি। তাদের ভোটদানের উদ্যম, ভবিষ্যতের সরকার নিয়ে তাদের আলোচনাও প্রশস্তি-যোগ্য। অবশ্যই, পুরো প্রক্রিয়াটিকে আমরা শুভেচ্ছা জানাই।” ভারতে চলতি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে (India US Relation) এক প্রশ্নের উত্তরেই এমন মন্তব্য করেন কিরবি। এদিন কিরবির মুখে মোদি-স্তুতিও শোনা যায়। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে বিশেষ করে বাইডেন প্রশাসনের গত তিন বছরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও পোক্ত হয়েছে।”

    ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা

    এরই কয়েক দিন আগে ভারতের গায়ে ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপান এবং ভারতকে ‘জেনোফোবিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, “এরা (ভারত ও জাপান) বিদেশিদের স্বাগত জানায় না। চিন এবং রাশিয়াও তা-ই করে। এই চার দেশের তুলনায় আমেরিকায় ইমিগ্রেশন বেশি।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তি ছিল, সেই কারণেই আমেরিকার অর্থনীতির ভিত এত পোক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই মন্তব্যের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন কিরবি।

    আর পড়ুন: চিনের সঙ্গে ব্যবসা! ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ মাথায় রাখতে উদ্যোগপতিদের ‘প্রস্তাব’ জয়শঙ্করের

    বলেন, “গত সফরে আমরা বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, জটিল এবং বর্তমানে চলছে এমন প্রযুক্তি নিয়ে আমরা একযোগে কাজ করছি, ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াডের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আমরা আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছি। ভারতও এর অংশীদার। আমরা মুখোমুখি আলোচনাও করছি। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যেও আমরা বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটি (ভারত) খুবই ভাইব্র্যান্ট, আমাদের অংশীদারিত্বও খুবই সক্রিয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ (India US Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন খুনের চেষ্টার নেপথ্যে রয়েছেন র-এর এজেন্ট। মার্কিন (India US Relation) এক দৈনিকে প্রকাশিত এই রিপোর্ট খারিজ করে দিল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, মার্কিন দৈনিকের অভিযোগ অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন।

    বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া (India US Relation)

    প্রতিবেদনটির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সংগঠিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অন্যদের নেটওয়ার্ক নিয়ে মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগের কথা আমাদের জানানো হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখতে ভারত সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই আবহে বিষয়টি সম্পর্কে অনুমানমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য একদমই সহায়ক নয়।”

    র-কে নিশানা

    সম্প্রতি মার্কিন (India US Relation) দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিক্রম যাদব নামে র-এর এক এজেন্ট নাকি পান্নুন হত্যার জন্য একটি হিট টিমকে টাকা দিয়েছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পরিকল্পনায় নাকি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন র-এর প্রধান সমন্ত গোয়েল। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও বিষয়টি জানতেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত।

    গত বছরের শেষের দিকেও পান্নুন খুনের চেষ্টায় যে ভারত জড়িত নয় তা জানিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন, “খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা খুনের ষড়যন্ত্রে ভারত যোগের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ দিলেই সরকার তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত।” আইনের শাসনের প্রতি তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও সেদিন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    পান্নুন খুনের চেষ্টায় ভারতকে দোষারোপ আগেও করা হয়েছিল। এর আগেও একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, পান্নুন হত্যার ছক নিয়ে মার্কিন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ভারত। সেই তদন্ত থেকেই জানা গিয়েছিল, র-এর এক প্রাক্তন এজেন্ট নাকি এই হত্যার ছক কষার নেপথ্যে থাকতে পারেন। যদিও ভারত সরকার নাকি এই ধরনের কোনও অভিযানের অনুমতি দেয়নি (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ মার্কিন রিপোর্টে করা হয়েছে, তাকে পক্ষপাতিত্বমূলক আখ্যা দিল ভারত (India US Relation)। শুধু তাই নয়, আমেরিকার এই অভিযোগ ভারত সম্পর্কে দুর্বল মূল্যায়ন বলেও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মণিপুরে হিংসার আগুন নেভার পর সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিপোর্টে।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (India US Relation)

    এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “রিপোর্টটি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) দারুণভাবে পক্ষপাতিত্বমূলক। ওরা যে ভারতকে বোঝেনি, এই রিপোর্টেই তা স্পষ্ট। আমরা একে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি না। আপনাদেরও (সাংবাদিকদের) বলছি, একে এত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।” সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে ‘২০২৩ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিসেস: ইন্ডিয়া’ শীর্ষক রিপোর্ট। এই রিপোর্টেই মণিপুরের সাম্প্রতিক হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, ফলাও করে তাও বলা হয়েছে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    তার পরেই বলা হয়েছে, এর পরিণতিতে মণিপুরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (India US Relation)। উল্লেখ্য যে, ঘটনাটিকে (মানবাধিকার লঙ্ঘনের) লজ্জাজনক আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। ফেব্রুয়ারি মাসে যে রিপোর্ট স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরে পরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মার্কিন রিপোর্টে বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে ১৪ ফেব্রুয়ারি আয়কর দফতর যে খানাতল্লাশি চালিয়েছিল, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের যেসব ইক্যুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, সেসবেরও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ‘মোদি’ পদবিকে অপমান করার যে অভিযোগ উঠেছিল তাও উঠে এসেছে মার্কিন রিপোর্টে। এই ঘটনার জেরে লোকসভার সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল রাহুলকে। পরে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয় রাহুলকে। এ প্রসঙ্গেরও অবতারণা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে। দিন কয়েক আগে টেসলার সিইও ইলন মাস্ক এমনই দাবি করেছিলেন (India US Relation)। এবার তাঁর সুরে সুর মেলাল আমেরিকাও। যদিও মাস্কের ঢের আগেই এই একই দাবি জানিয়েছিল জো বাইডেনের দেশ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৫। এই দেশগুলির প্রত্যেকেরই ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের দাবি (India US Relation)

    বাকি চার দেশ ভারতের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেও, চিনের ভেটোর জেরে প্রতিবারই ছিটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির তরফে যে ইস্তাহার (সঙ্কল্পপত্র) প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও বলা হয়েছে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে পরিণত করতে জোরদার চেষ্টা চালানো হবে। এহেন (India US Relation) আবহেই মাস্ক দাবি করলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত ভারতের। একই দাবি আবারও করল আমেরিকা।

    কী বললেন বেদান্ত প্যাটেল?

    বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ পেতে বাড়তি সমর্থন মিলেছে।” মাস্কের দাবির প্রেক্ষিতে বেদান্ত বলেন, “প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) এ ব্যাপারে আগেও বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রায় সব সাধারণ সভায়। সেক্রেটারি সে বিষয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা চাই নিরাপত্তা পরিষদ-সহ রাষ্ট্রসংঘের সব ক্ষেত্রে সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ আমরা বাস করছি একবিংশ শতাব্দীতে। রাষ্ট্রসংঘে সংস্কারের যে প্রয়োজন রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    জানুয়ারি মাসেই টেসলার সিইও মাস্ক বলেছিলেন, “নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ নেই, এটা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।” এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মাস্ক লিখেছিলেন, “কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোয় সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হল, যে সব দেশের হাতে প্রভূত ক্ষমতা রয়েছে, তারা তা ছাড়তে রাজি নয়। ভারতের মতো জনবহুল একটি দেশের নিরাপত্তা পরিষদে ঠাঁই না হওয়াটা আশ্চর্যের বিষয়। সামগ্রিকভাবে আফ্রিকারও স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share