Tag: India US relation

India US relation

  • India US Relation: “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার”, ফের জানালেন মার্কিন কর্তা

    India US Relation: “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার”, ফের জানালেন মার্কিন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। এই দেশ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। আমি বিশ্বাস করি দুই দেশের এই সম্পর্ক বজায় থাকবে।” সোমবার কথাগুলি বললেন (India US Relation) মার্কিন স্টেট দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি পড়েনি। পশ্চিম এশিয়ার আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধে মেঘ। এমতাবস্থায় ভারতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার’ অভিধায় ভূষিত করায় ভূরাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    মিলারের বক্তব্য (India US Relation)

    দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় কিছু দিন আগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তা (India US Relation) নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন এক মার্কিন কর্তা। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এদিন কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি এবং গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়েও প্রশ্ন করা হয় মিলারকে। তিনি বলেন, “আমরা এই বিষয়গুলির ওপর নজর রাখছি। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারিও। কর না দেওয়ায় কংগ্রেসের কয়েকটি অ্যাকাউন্ট যে ফ্রিজ করে দিয়েছে আয়কর দফতর, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে। দোরগোড়ায় নির্বাচন। কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনের মুখে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে কংগ্রেস।”

    ‘ভারত তার গণতন্ত্র নিয়ে গর্বিত’

    এই বিষয়গুলির অবসান স্বচ্ছ এবং আইনি পথে হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন মিলার। তিনি বলেন, “ভারত তার শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ানো এবং স্বাধীন গণতন্ত্র নিয়ে গর্বিত।” প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতারির পর মার্কিন স্টেট দফতরের তরফে যে মন্তব্য করা হয়েছিল, তাকে ‘অনভিপ্রেত’ বলা হয়েছিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে। ভারতের নির্বাচনে এবং লিগ্যাল প্রসেসে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ পুরোপুরি অনভিপ্রেত বলেও জানিয়ে দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে মাত দিতে বিজেপির বাজি শ্রমিক নেতা অভিজিৎ দাস

    রাশিয়া নির্ভরতা কমিয়ে সামরিক বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে ভারত যে সচেষ্ট হয়েছে, তাকেও সাধুবাদ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারত যে বিশ্ব নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে, তাও মেনে নিয়েছে জো বাইডেনের দেশ। মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেফরি ক্রুজ এক সময় বলেছিলেন, “গত কয়েক বছরে জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করে ভারত নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে তুলে ধরেছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের মোকাবিলা যে একমাত্র ভারতই করতে পারে, তাও প্রমাণ করেছে নয়াদিল্লি (India US Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) পাশে রয়েছে আমেরিকা (America)। সম্প্রতি একথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। রাশিয়া (Russia) -ভারত সম্পর্ক বহু পুরানো। তখন বন্ধু (Partner) খুঁজতে তারা প্রস্তুত ছিল না বলেও জানিয়েছে আমেরিকা।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বদলে গিয়েছে বিশ্বরাজনীতি। গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে আড়াআড়িভাবে। একটা অংশ দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের পাশে। আর একটি অংশ রাশিয়ার পাশে। ইউক্রেনের পাশে রয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকা। এমতাবস্থায় ভারত এখনও সম্পর্ক রেখে চলেছে রাশিয়ার সঙ্গে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। বাইডেন প্রশাসনের যে নিষেধাজ্ঞা কানে তোলেনি সাউথব্লক। যুদ্ধের আবহেও নিয়মিত জ্বালানি কিনে চলেছে ভারত। এ নিয়ে ভারতকে হুঁশিয়ারির মুখেও পড়তে হয়েছে। তার পরেও দমানো যায়নি মোদির ভারতকে। কূটনৈতিক মহলের মতে, তাই ভারতের সঙ্গে ‘সন্ধি’ করতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন,  আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে নানা বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। মস্কোর সঙ্গে বিভিন্ন দেশ আলাদা আলাদা সম্পর্ক রেখে চলেছে।

    এক সময় সৌদি আরব থেকে প্রচুর পরিমাণ তেল কিনত ভারত। তবে বর্তমানে সৌদি আরবকে পিছনে ফেলে দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জেরে মার্কিন ডলারে তেল কেনা যাচ্ছে না রাশিয়া থেকে। প্রত্যাশিতভাবেই সস্তা হয়েছে পুতিনের দেশের তেল। এই পরিস্থিতিতে তেলের ভাঁড়ার পূরণ করে নিতে মরিয়া ভারত। সেই কারণেই এখন রুপি-রুবেল মেকানিজম দিয়ে লেনাদেনা চালিয়ে যাচ্ছে মোদির ভারত ও পুতিনের রাশিয়া। কূটনৈতিক মহলের মতে, এটাই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমেরিকার।

    আরও পড়ুন : ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা!

    প্রাইস বলেন, ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক কয়েক দশকের পুরানো। এই সম্পর্ক এমন সময় বিকশিত হয়েছিল যখন আমেরিকা বন্ধু বেছে নিতে প্রস্তুত ছিল না। বর্তমানে এই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমরা যে বন্ধুত্বে আগ্রহী, সে কথা আমরা আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের জানিয়ে দিয়েছি।

     

  • India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে (Pentagon) কোনও বিশেষ এককর্টের (Escort) সাহায্য ছাড়াই এবার প্রবেশ করতে পারবে ভারত (India)। দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা বিশ্বাস ও সহযোগিতার কারণেই এই সম্মানজনক অধিকার দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। অবশ্য কেবল ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশেই (Defence Attache) আমেরিকার (America) দেওয়া এই বিশেষ অধিকার ভোগ করতে পারবেন।

    স্বাধীনতার পঁচাত্তরতম বর্ষে দেশজুড়ে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করে ভারত। ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসে পালিত হয় ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। তার পরে পরেই আমেরিকার কাছে ভারত পেল মার্কিন সামরিক শক্তির আঁতুড়ঘর পেন্টাগনে আন এসকর্টেড প্রবেশাধিকার। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের তরফে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা জানান মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ এক আধিকারিক ফ্র্যাঙ্ক কেন্ডিল। কেন্ডিল মার্কিন বায়ুসেনার সেক্রেটারি। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মজবুত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন :আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    পেন্টাগন হল মার্কিন সেনার হেড কোয়ার্টার। বছরভর চব্বিশ ঘণ্টাই এলাকাটি দুর্ভেদ্য নিরাপত্তার বলয়ে মোড়া থাকে। উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অধিকার না পেলে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না কোনও মার্কিন নাগরিকও। সেখানেই এবার থেকে এই অধিকার পেতে চলেছেন ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশে। কেন্ডিল বলেন, আপনারা যদি মনে করেন আন এসকর্টেডভাবে পেন্টাগনে প্রবেশাধিকার কোনও বড় ঘটনা নয়, তাহলে জেনে নিন আমিই আন-এসকর্টেড হয়ে পেন্টাগনে প্রবেশ করতে পারি না। তিনি বলেন, ভারত এমন একটি দেশ, যাদের সঙ্গে আমরা আরও যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে পারি। অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতের সঙ্গে আমরা এটা বারংবার করতে পারি। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক মজবুত। একে আরও শক্তপোক্ত করতে আগ্রহী আমরা। তিনি বলেন, আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে চাই, যাতে এই অঞ্চল তো বটেই, গোটা বিশ্বেই আমরা একটি সুসংহত শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারি।

    আরও পড়ুন : ভারত আমেরিকার উদ্বেগ সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কার বন্দরে চিনা ‘গুপ্তচর জাহাজ’

     

LinkedIn
Share